Farsi Pharma & Care Corner
Farsi Pharma & Care Corner is One Of The Top Medical Store In Jaflong,Mamar Bazar. We Guarantee Best Products and also Complete Care,Total Trust..!
30/11/2025
বাংলাদেশ কেমিস্টস এন্ড ড্রাগিস্টস সমিতি'র কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদ কর্তৃক ঘোষিত কর্মসূচি "সরকার নির্ধারিত মূল্যে ঔষধ বিক্রয় (MRP)" বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে সকল জেলা শাখা কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দ ও থানা উপ-শাখা নেতৃবৃন্দ এবং বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হলো।
©Bangladesh Chemist And Druggists Socity
21/07/2025
বর্তমানে একটা ভয়াবহ ভাইরাস জ্বরের প্রকোপ চলছে। তীব্র জ্বর আসবে। ১০৩°/১০৪° এর মতো উঠে যাবে। সাথে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় তীব্র ব্যথা হবে। আর ভয়াবহ রকমের দূর্বলতা থাকবে। প্রেসার লো করবে।
ব্লাড টেস্ট করালে দেখা যায় এটা ডেংগু ও না, চিকনগুনিয়া ও না। কিন্তু ভয়াবহ এক জ্বর। হসপিটালাইজড ও হওয়া লাগতে পারে। আর জ্বর সেরে গেলেও শরীরের ব্যথা সহজে সারে না।
সকলে সাবধানে থাকুন। সুস্থ থাকুন।
18/05/2025
গরমে শিশুর যত্নে সচেতন হোন!
শিশুদের গ্রীষ্মকালীন ৭টি সাধারণ রোগ ও করণীয়
গ্রীষ্মকালে ছোট্ট সোনামণিদের অসুস্থতা যেন নিত্যদিনের ঘটনা! অতিরিক্ত গরম, দূষণ ও দূষিত খাবার মিলেই তাদের শরীর দুর্বল করে তোলে।
জেনে নিন এই গরমে শিশুদের সবচেয়ে সাধারণ ৭টি রোগ, লক্ষণ ও ঘরোয়া করণীয়—
---
১. হিট স্ট্রোক (Heat Stroke)
কারণ: অতিরিক্ত গরমে শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত হলে হিট স্ট্রোক হতে পারে।
লক্ষণ ও উপসর্গ:
শরীর অত্যধিক গরম হয়ে যাওয়া, ঘাম না হওয়া
মাথা ঘোরা, দ্রুত হৃদস্পন্দন, বমি বমি ভাব বা বমি, অচেতন হয়ে যাওয়া
চিকিৎসা:
শিশুকে দ্রুত ঠাণ্ডা জায়গায় নেওয়া
ঠাণ্ডা পানি বা ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মোছানো
পানি বা ওআরএস খাওয়ানো
গুরুতর হলে হাসপাতালে ভর্তি করা
---
২. ডায়রিয়া ও আমাশয় (Diarrhea & Dysentery)
কারণ: গরমে খাবার ও পানীয় দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। জীবাণুযুক্ত পানি বা খাদ্য গ্রহণে ডায়রিয়া হতে পারে।
লক্ষণ ও উপসর্গ:
পাতলা পায়খানা, বমি, জ্বর, পেটে মোচড়ানো ব্যথা, পানিশূন্যতার লক্ষণ (চোখ দেবে যাওয়া, চামড়া শুষ্ক হওয়া)
চিকিৎসা:
ওআরএস স্যালাইন খাওয়ানো, প্রচুর তরল গ্রহণ
প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক
পানিশূন্যতা হলে হাসপাতালে স্যালাইন দেওয়া
---
৩. স্কিন ডিজিস (স্কাবিস, ঘামাচি, দাউদ ইত্যাদী (Prickly Heat / Miliaria)
কারণ: অতিরিক্ত ঘামে ঘাম গ্রন্থি বন্ধ হয়ে গেলে ঘামাচি দেখা দেয়।
লক্ষণ ও উপসর্গ:
লালচে ছোট ছোট ফুসকুড়ি, চুলকানি, অস্বস্তি
চিকিৎসা:
ঠাণ্ডা ও খোলা পরিবেশে রাখা
তুলতুলে এবং ঢিলেঢালা জামা পরানো
বেবি পাউডার বা ক্যালামাইন লোশন ব্যবহার
ঘন ঘন গোসল করানো
---
৪. ফুড পয়জনিং (Food Poisoning)
কারণ: বাসি, দূষিত বা রাস্তার খাবার খেলে হতে পারে।
লক্ষণ ও উপসর্গ:
বমি, ডায়রিয়া, পেট ব্যথা, জ্বর
চিকিৎসা:
হাইড্রেশন বজায় রাখা
ওআরএস দেওয়া
খাবার একদম হালকা রাখা
প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ
---
৫. জন্ডিস (Hepatitis A)
কারণ: ভাইরাসজনিত, দূষিত পানি বা খাদ্য গ্রহণ
লক্ষণ ও উপসর্গ:
চোখ ও প্রস্রাব হলুদ হওয়া, অরুচি, বমি, জ্বর, ক্লান্তি
চিকিৎসা:
পর্যাপ্ত বিশ্রাম
হালকা সুষম খাদ্য
বিশুদ্ধ পানি
প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া
---
৬. চোখের সংক্রমণ (Conjunctivitis)
কারণ: গরম ও ধুলাবালির কারণে চোখে জীবাণু সংক্রমণ হতে পারে
লক্ষণ ও উপসর্গ:
চোখ লাল হয়ে যাওয়া, পানি পড়া, চুলকানি, চোখে জ্বালা
চিকিৎসা:
পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ ধোয়া
চিকিৎসকের পরামর্শে চোখের ড্রপ ব্যবহার
চোখে হাত না দেওয়া ও পরিষ্কার রাখা
---
৭. ডিহাইড্রেশন (Dehydration)
কারণ: অতিরিক্ত ঘাম, ডায়রিয়া বা বমির কারণে শরীরের পানি ও লবণের ঘাটতি হয়
লক্ষণ ও উপসর্গ:
মুখ শুকিয়ে যাওয়া, কম প্রস্রাব হওয়া, দুর্বলতা চোখ বসে যাওয়া
চিকিৎসা:
ওআরএস, স্যুপ, ফলের রস খাওয়ানো
সঠিক পরিমাণে পানি পান করানো
গরমের সময় বাইরে বের না করাই ভালো
---
প্রতিরোধ ও সচেতনতা:
বিশুদ্ধ পানি ও নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করা
শিশুকে ঠাণ্ডা ও ছায়াযুক্ত স্থানে রাখা
ঘন ঘন পানি পান করানো
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা
গরমে রোদের মধ্যে শিশুদের বের না করা
সুতির ও হালকা জামা পরানো
সুস্থ গ্রীষ্ম কাটুক আপনার শিশুর!
#শিশুর_স্বাস্থ্য #গ্রীষ্মকালীন_রোগ #শিশুর_যত্ন #স্বাস্থ্যসচেতনতা #বাংলা_হেলথটিপস #গরমের_দিনে_সতর্কতা
Farsi Pharma & Care Corner
17/05/2025
হিট স্ট্রোক কি?
হিট স্ট্রোকের লক্ষন,প্রতিকার ও করনীয় তা কি?
হিট স্ট্রোক কি?
-হিট স্ট্রোক হল একটি গুরুতর তাপজনিত অসুস্থতা যার ফলে শরীরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হয়ে যায়।
হিট স্ট্রোকের লক্ষণঃ
-শরীরের উচ্চ তাপমাত্রা 104°F বা 40°C এর বেশি বা সমান
-পরিবর্তিত মানসিক অবস্থা বা বিভ্রান্তি
-হৃদরোগের আক্রমণ
-অপরিমিত ঘাম
-শুষ্ক বা গরম ত্বক
-বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
-বর্ধিত হৃদস্পন্দন
-শ্বাস প্রশ্বাসের হার বৃদ্ধি
-অত্যধিক তৃষ্ণা
-মাথা ব্যাথা
-পেশী বাধা
-চেতনা হ্রাস
হিট স্ট্রোক প্রতিরোধের উপায়ঃ
-ঢিলেঢালা, হালকা, হালকা রঙের পোশাক পরুন।
-ঠান্ডা তরল পান করুন এবং ডিহাইড্রেশন হওয়া প্রতিরোধ করুন।
-অ্যাল!কোহল আপনাকে দ্রুত ডিহাইড্রেট করতে পারে, এটি এড়িয়ে চলুন।
-শসা, তরমুজ, ডালিম এবং কলা উপভোগ করুন।
-গরম পরিবেশে জোরালো কার্যকলাপে নিয়োজিত হবেন না।
-বাইরে থাকলে ছায়ায় নিয়মিত বিশ্রাম নিন এবং ঘন ঘন তরল পান করুন।
-ঢিলেঢালা পোশাক, টুপি, সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
হিট স্ট্রোকের লক্ষন দেখা দিলে তাৎক্ষণিক করনীয়ঃ
-রোগীকে একটি ছায়াময় এবং শীতল জায়গায় নিয়ে যান।
-রোগীর আশেপাশে ভিড় এড়িয়ে চলুন।
-দ্রুত ঠাণ্ডা করার ব্যবস্থা করুন - ঠাণ্ডা ঝরনা,বরফের প্যাক বা কপালে, ঘাড়ে, বগলে এবং কুঁচকিতে ভেজা তোয়ালে।
হিট স্ট্রোকের লক্ষন দেখা দিলে যতদ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে
Farsi Pharma & Care Corner
15/05/2025
পক্স কি ?
পক্স হলো একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত ভ্যারিসেলা-জোস্টার ভাইরাস দ্বারা ঘটে। এটি মূলত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায় এবং সাধারণভাবে চিকেন পক্স নামে পরিচিত। তবে এটি প্রাপ্তবয়স্কদেরও আক্রমণ করতে পারে।
লক্ষণ:
শরীরে ফুসকুড়ি বা লালচে ফোস্কা দেখা দেয়।
জ্বর।
মাথাব্যথা।
ক্লান্তি।
ক্ষুধামন্দা।
পক্স মূলত বাতাসের মাধ্যমে ছড়াতে পারে এবং এটি অত্যন্ত সংক্রামক। সাধারণত একবার হলে দ্বিতীয়বার হয় না, কারণ শরীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে।
পক্স থেকে সেরে উঠতে সাধারণত ১-২ সপ্তাহ সময় লাগে এবং ফোসকা শুকিয়ে গিয়ে দাগ ফেলে। কিছু ক্ষেত্রে, প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে পক্স জটিলতাও সৃষ্টি করতে পারে, যেমন নিউমোনিয়া বা এনসেফালাইটিস।
পক্স কত প্রকার ?
পক্স মূলত দুটি প্রধান প্রকারে বিভক্ত:
চিকেন পক্স (Chickenpox বা Varicella):
এটি ভ্যারিসেলা-জোস্টার ভাইরাস (Varicella-Zoster Virus) দ্বারা সৃষ্ট। এটি সাধারণত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায় এবং অত্যন্ত সংক্রামক। শরীরে ছোট ছোট ফোসকা বা ফুসকুড়ি দেখা দেয়, যা শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে।
স্মলপক্স (Smallpox বা Variola):
এটি ভ্যারিওলা ভাইরাস (Variola Virus) দ্বারা সৃষ্ট এবং এটি অতীতে একটি অত্যন্ত মারাত্মক রোগ ছিল। স্মলপক্সের কারণে শরীরে বড় বড় ফোসকা এবং তীব্র জ্বর হয়। তবে ১৯৮০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) স্মলপক্সকে পৃথিবী থেকে নির্মূল করেছে, এবং এখন আর এটি দেখা যায় না।
উল্লেখযোগ্য অন্যান্য পক্স:
মাঙ্কিপক্স (Monkeypox): মাঙ্কিপক্স ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট, যা সাধারণত পশু থেকে মানুষে ছড়ায় এবং শারীরিক উপসর্গ চিকেনপক্সের মতো।
কাউপক্স (Cowpox): এটি কাউপক্স ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট, যা গরু এবং অন্যান্য পশুর মধ্যে দেখা যায় এবং মানুষে সংক্রমিত হতে পারে।
এগুলো ছাড়াও বিভিন্ন প্রজাতির পক্স ভাইরাস আছে যা নির্দিষ্ট প্রাণীর মধ্যে দেখা যায় এবং মাঝে মাঝে মানুষকেও সংক্রমিত করতে পারে।
পক্স কি ভাবে ছড়ায় ?
পক্স সাধারণত ভাইরাসজনিত রোগ এবং এটি বিভিন্ন উপায়ে ছড়াতে পারে। পক্সের ধরন অনুযায়ী ছড়ানোর পদ্ধতিও ভিন্ন হতে পারে। নিচে কিছু সাধারণ পদ্ধতি দেওয়া হলো:
1. শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে:
চিকেন পক্স খুব সহজেই শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশি থেকে নির্গত ড্রপলেটের মাধ্যমে ভাইরাস বাতাসে ছড়ায় এবং এটি অন্য মানুষের দেহে প্রবেশ করে সংক্রমণ ঘটায়।
2. সরাসরি সংস্পর্শে আসা:
আক্রান্ত ব্যক্তির ত্বকের ফুসকুড়ি বা ফোস্কার সংস্পর্শে আসলে ভাইরাস ছড়াতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, ফোসকা ফেটে গেলে সেই তরল দ্বারা সংক্রমণ হতে পারে।
3. দূষিত বস্তু বা পৃষ্ঠের সংস্পর্শে আসা:
কোনো পৃষ্ঠ বা বস্তুর সাথে সরাসরি সংস্পর্শে আসলে যেখানে ভাইরাস উপস্থিত রয়েছে, সেই ব্যক্তির মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। যেমন, আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত কাপড়, তোয়ালে বা বিছানাপত্রে ভাইরাস থেকে থাকতে পারে।
4. প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রমণ:
কিছু নির্দিষ্ট প্রজাতির পক্স, যেমন মাঙ্কিপক্স বা কাউপক্স, পশু থেকে মানুষে ছড়াতে পারে। সংক্রামিত প্রাণীর কামড়, আঁচড়, বা তাদের শরীরের কোনো নিঃসরণ থেকে সংক্রমণ হতে পারে।
5. গর্ভাবস্থায় বা প্রসবের সময়:
গর্ভাবস্থায় মা যদি পক্সে আক্রান্ত হন, তাহলে সেই ভাইরাস শিশুর শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এছাড়া প্রসবের সময়ও সংক্রমণ হতে পারে।
এই কারণে, পক্স থেকে সুরক্ষিত থাকতে সঠিকভাবে হাত ধোয়া, আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরে থাকা, এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
পক্স হলে করনীয় ?
পক্স হলে কিছু বিশেষ সতর্কতা এবং যত্ন নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। নিচে পক্স হলে করণীয় কিছু সাধারণ পদক্ষেপ দেওয়া হলো:
1. বিশ্রাম:
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া প্রয়োজন। এতে শরীর দ্রুত সেরে ওঠে।
2. তরল গ্রহণ:
শরীর হাইড্রেটেড রাখতে প্রচুর পানি, ফলের রস, এবং তরল খাবার খাওয়া উচিত। এটি জ্বর এবং ত্বকের শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে।
3. চুলকানি কমানো:
পক্সে চুলকানি একটি সাধারণ উপসর্গ। চুলকানি কমানোর জন্য ঠান্ডা পানির ভেজানো কাপড় ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চুলকানি কমানোর ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করা যেতে পারে, যেমন ক্যালামাইন লোশন।
4. ত্বকের যত্ন:
ফোসকা বা ফুসকুড়ি খুঁটবেন না। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে এবং দাগ পড়তে পারে। পরিচ্ছন্ন এবং ঢিলেঢালা কাপড় পরুন, যা ত্বকের উপর চাপ তৈরি করে না।
5. সংক্রমণ প্রতিরোধ:
আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখুন, বিশেষ করে যারা আগে কখনো পক্সে আক্রান্ত হননি। সাধারণত পক্স খুব সংক্রামক হয়, তাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
6. পুষ্টিকর খাবার খাওয়া:
সঠিক পুষ্টি পেতে সহজপাচ্য এবং পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। এতে শরীর দ্রুত সুস্থ হতে পারে।
7. ডাক্তারের পরামর্শ:
জ্বর বা অন্যান্য উপসর্গ খুব বেশি হলে বা যদি রোগটি দীর্ঘ সময় ধরে থাকে, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কখনো কখনো ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে।
8. হাইজিন বজায় রাখা:
ঘন ঘন হাত ধোয়া এবং নিজের ব্যবহার করা জিনিসপত্র আলাদা রাখা প্রয়োজন। কাপড়, তোয়ালে, এবং বিছানাপত্র নিয়মিত পরিষ্কার করা উচিত।
9. ব্যথা ও জ্বর নিয়ন্ত্রণ:
ব্যথা বা জ্বর থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এসপিরিন এড়িয়ে চলা উচিত, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে, কারণ এটি রেই সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
এই সব পদক্ষেপ অনুসরণ করলে পক্স থেকে দ্রুত সুস্থ হওয়া এবং জটিলতা এড়ানো সম্ভব।
পক্স হলে কি খাবার খাওয়া যাবে ।
পক্স হলে খাদ্যাভ্যাসের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক খাবার খেলে শরীর দ্রুত সেরে উঠতে পারে, অন্যদিকে কিছু খাবার এড়িয়ে চলা উচিত যা উপসর্গকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। নিচে কী খাওয়া উচিত এবং কী এড়িয়ে চলা উচিত সে সম্পর্কে নির্দেশনা দেওয়া হলো:
পক্স হলে যা খাওয়া উচিত:
পুষ্টিকর তরল খাবার:
প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিত।
ফলের রস (যেমন কমলার রস), নারকেলের পানি, এবং স্যুপ খেতে পারেন।
ডাবের পানি ইলেক্ট্রোলাইটস বজায় রাখতে সাহায্য করে।
ফল এবং শাকসবজি:
নরম এবং সহজপাচ্য ফল যেমন কলা, আপেল, পাকা পেঁপে, আঙ্গুর ইত্যাদি খেতে পারেন।
শাকসবজি যেমন গাজর, মিষ্টি আলু, কুমড়া, এবং লাউ খাওয়া ভালো।
প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার:
ডিমের সাদা অংশ, মুরগির স্যুপ, এবং মাছের স্যুপ খাওয়া যেতে পারে।
পক্সের সময় শরীরের প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে দই এবং দুধ খেতে পারেন।
কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার:
ভাত, ওটমিল, এবং খিচুড়ি খাবার হিসেবে ভালো।
হালকা ভাত বা নরম রুটি খাওয়া যেতে পারে।
সঠিক খাদ্যাভ্যাসের ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং পক্স থেকে দ্রুত সেরে উঠতে সহায়ক হয়। এ সময়ে হালকা, সহজপাচ্য এবং পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।
পক্স হলে কি খাওয়া যাবে না ?
পক্স হলে কিছু খাবার এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এগুলো উপসর্গকে বাড়িয়ে তুলতে পারে বা শরীরের সেরে ওঠার প্রক্রিয়াকে ধীর করতে পারে। নিচে পক্স হলে যেসব খাবার খাওয়া উচিত নয় তা উল্লেখ করা হলো:
1. মসলাযুক্ত এবং ঝাল খাবার:
ঝাল এবং মসলাযুক্ত খাবার শরীরে জ্বালা বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং ফোসকা বা ফুসকুড়ির কারণে চুলকানি বাড়তে পারে। এ ধরনের খাবার হজমেও সমস্যা তৈরি করতে পারে।
2. অম্লীয় (অ্যাসিডিক) খাবার:
লেবু, টমেটো, আনারস, এবং অন্যান্য অ্যাসিডিক ফল এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এগুলো মুখের ঘা বা গলা ব্যথা বাড়িয়ে তুলতে পারে, যা পক্সের সময়ে সাধারণ সমস্যা।
3. তেলযুক্ত এবং ভাজাপোড়া খাবার:
ভাজাপোড়া এবং তেলযুক্ত খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং শরীরের দুর্বলতা বাড়াতে পারে। এ সময় হালকা এবং সহজপাচ্য খাবার খাওয়া উত্তম।
4. প্রক্রিয়াজাত খাবার:
প্রক্রিয়াজাত খাবার, যেমন ফাস্ট ফুড, জাঙ্ক ফুড, এবং চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। এ ধরনের খাবারে পুষ্টি কম এবং এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমাতে পারে।
5. ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয়:
কফি, চা, এবং সফট ড্রিংকসের মতো ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় পান করা এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এটি শরীরকে ডিহাইড্রেট করতে পারে এবং সেরে ওঠার প্রক্রিয়া ধীর করে দিতে পারে।
6. দুগ্ধজাত খাবার (কিছু ক্ষেত্রে):
কিছু মানুষের জন্য পক্সের সময় দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার খেলে শ্লেষ্মা বা কফ বাড়তে পারে, যা অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। যদি এমন হয়, তাহলে দুধ বা দুধজাত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।
7. অ্যালকোহল:
অ্যালকোহল পান করা একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত। এটি শরীরকে ডিহাইড্রেট করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, ফলে রোগ সেরে উঠতে সময় বেশি লাগে।
কি টেস্ট এর মাধ্যমে পক্স বুঝাজায় ?
পক্স নির্ণয়ের জন্য সাধারণত চিকিৎসক রোগীর শারীরিক উপসর্গ এবং রোগের ইতিহাসের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে, বিশেষত যদি উপসর্গগুলি পরিষ্কার না হয় বা নির্দিষ্টভাবে নিশ্চিত করতে হয়, তখন নিচের কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে পক্স নির্ণয় করা যেতে পারে:
1. ভাইরাল কালচার (Viral Culture):
এই পরীক্ষায় রোগীর শরীরের ফোসকা বা ফুসকুড়ি থেকে তরল সংগ্রহ করা হয় এবং ল্যাবরেটরিতে ভাইরাসের উপস্থিতি পরীক্ষা করা হয়। এটি ভাইরাস সনাক্ত করার একটি সরাসরি পদ্ধতি।
2. পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (PCR) টেস্ট:
পিসিআর একটি উচ্চ-সংবেদনশীল পরীক্ষা যা ভাইরাসের জেনেটিক ম্যাটেরিয়াল (ডিএনএ) সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি ভ্যারিসেলা-জোস্টার ভাইরাস (চিকেন পক্স) বা ভ্যারিওলা ভাইরাস (স্মলপক্স) এর উপস্থিতি নির্ণয় করতে সহায়ক।
3. ডাইরেক্ট ফ্লুরোসেন্ট অ্যান্টিবডি (DFA) টেস্ট:
এই পরীক্ষা ফোসকার স্যাম্পল বা স্ক্র্যাপিং থেকে ভাইরাসের জন্য নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে ভাইরাসের ধরন নিশ্চিত করা যায়।
4. সেরোলজিকাল টেস্ট:
এই পরীক্ষায় রোগীর রক্তে ভাইরাসের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি (IgM এবং IgG) সনাক্ত করা হয়। এটি রোগের সময়কাল এবং প্রতিরোধ ক্ষমতা নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ, IgM অ্যান্টিবডি উপস্থিতি ইঙ্গিত দেয় যে রোগটি বর্তমানে সক্রিয়।
5. ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপি:
এই পরীক্ষায় ফোসকা থেকে সংগৃহীত তরল বা স্ক্র্যাপিং থেকে ভাইরাসের সরাসরি সনাক্তকরণ করা হয় ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপের সাহায্যে। এটি সাধারণত গবেষণার জন্য ব্যবহৃত হয়।
পক্সের ভেকছিন কি ?
পক্সের জন্য কিছু ভ্যাকসিন উপলব্ধ আছে যা এই রোগ প্রতিরোধে খুবই কার্যকর। নিচে পক্সের ভ্যাকসিন সম্পর্কে বিস্তারিত দেওয়া হলো:
1. চিকেন পক্স (Varicella) ভ্যাকসিন:
ভ্যাকসিনের নাম: Varicella Vaccine
ব্র্যান্ড নাম: Varivax (USA), Varilrix (UK) ইত্যাদি।
বিবরণ: এই ভ্যাকসিনটি ভ্যারিসেলা-জোস্টার ভাইরাসের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়, যা চিকেন পক্সের কারণ। সাধারণত এটি শিশুদের জন্য দেওয়া হয়, তবে প্রাপ্তবয়স্কদেরও এটি নেওয়া যেতে পারে যারা আগে কখনও চিকেন পক্সে আক্রান্ত হননি বা যারা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছেন।
ডোজ: সাধারণত ১২-১৫ মাস বয়সের প্রথম ডোজ এবং ৪-৬ বছর বয়সে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যও এটি দুটি ডোজে দেওয়া হয়, যার মধ্যে অন্তত ৪ সপ্তাহের ব্যবধান থাকে।
কার্যকারিতা: এই ভ্যাকসিন ৯০% থেকে ৯৮% কার্যকরী, অর্থাৎ যারা এটি গ্রহণ করেন তাদের চিকেন পক্স হওয়ার ঝুঁকি খুবই কম।
2. শিঙ্গলস (Shingles) ভ্যাকসিন:
ভ্যাকসিনের নাম: Herpes Zoster Vaccine
বিবরণ: শিঙ্গলস ভ্যাকসিন মূলত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ব্যবহৃত হয় যারা পূর্বে চিকেন পক্সে আক্রান্ত হয়েছেন। শিঙ্গলস হলো ভ্যারিসেলা-জোস্টার ভাইরাসের পুনরায় সক্রিয় হওয়ার ফলে সৃষ্ট একটি ব্যথাযুক্ত ফুসকুড়ি। Shingrix নামক ভ্যাকসিনটি বর্তমানে শিঙ্গলস প্রতিরোধে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।
ডোজ: Shingrix সাধারণত দুই ডোজে দেওয়া হয়, যার মধ্যে ২ থেকে ৬ মাসের ব্যবধান থাকে। এটি ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য প্রস্তাবিত।
কার্যকারিতা: Shingrix ভ্যাকসিনটি প্রায় ৯৭% কার্যকর, বিশেষ করে ৫০-৬৯ বছর বয়সী মানুষের জন্য।
3. স্মলপক্স (Smallpox) ভ্যাকসিন:
ভ্যাকসিনের নাম: Vaccinia Vaccine
বিবরণ: স্মলপক্স একটি মারাত্মক এবং অতীতে অত্যন্ত সংক্রামক রোগ ছিল, যা ১৯৮০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) দ্বারা পৃথিবী থেকে নির্মূল করা হয়েছে। এজন্য এখন স্মলপক্স ভ্যাকসিন সাধারণ জনসাধারণের জন্য আর প্রয়োজন হয় না, তবে এটি বিশেষ পরিস্থিতিতে, যেমন গবেষণা বা সামরিক কর্মীদের জন্য ব্যবহার করা হতে পারে।
ডোজ: এক ডোজ ভ্যাকসিনই সাধারণত পর্যাপ্ত ছিল।
কার্যকারিতা: স্মলপক্স ভ্যাকসিন অত্যন্ত কার্যকর ছিল এবং স্মলপক্স নির্মূলের ক্ষেত্রে এর ভূমিকা অপরিসীম।
Farsi Pharma & Care Corner
29/01/2025
গর্ভাবস্থায় ছোট নাশপাতির আকারের জরায়ু বিশাল তরমুজের মতো বড় হয়! 🍐➡️🍉 এটি শিশুকে নিরাপদ ও আরামদায়ক রাখতে বিস্ময়করভাবে প্রসারিত হয়।
প্রসবের সময় জরায়ু স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় ৫০০ গুণ বড় হয়! জরায়ু এতটাই শক্তিশালী যে এটি শিশু, প্লাসেন্টা ও অ্যামনিয়োটিক ফ্লুইডের ওজন সহজেই বহন করতে পারে।
প্রতিটি মা এক অসাধারণ যাত্রার অংশ। গর্ভাবস্থার প্রতিটি মুহূর্তই এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা!
- Pregnancy and Parenting
25/01/2025
চলুন যেনে নেই..!
শীতকালীন সবজির পুষ্টিগুন...
11/01/2025
ব্রাজিলের গবেষকরা বলছেন, পোড়া ক্ষতের চিকিৎসায় তেলাপিয়া মাছের ত্বক ব্যবহার করে সাধারণ উপায়ে চিকিৎসার চেয়ে কম সময়ে সুফল পাওয়া গেছে৷ এই চিকিৎসায় বাড়তি কোনো ওষুধেরও প্রয়োজন হয় না৷ তেলাপিয়ার ত্বকে মানুষের ত্বকের প্রায় সমপরিমাণ আর্দ্রতা আর কোলাজেন প্রোটিন আছে৷ এছাড়া তেলাপিয়ার ত্বক মানুষের ত্বকের মতোই রোগপ্রতিরোধী বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা৷ ক্ষতের জায়গায় সরাসরি তেলাপিয়ার ত্বক লাগানো হয়৷ তারপর ব্যান্ডেজ দিয়ে সেটি আটকে রাখা হয়৷ কোনো ক্রিমের প্রয়োজন নেই৷
বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন মন্তব্যের লিংকে👇
©️ DW বাংলা
30/12/2024
সার্জেল যাকে আমরা জানি Esomeprazole হিসেবে, এই ধরনের PPI দীর্ঘদিন সেবনে কিডনির ক্ষতি, হাড় ভাঙার ঝুঁকি এবং ভিটামিন বি১২-এর অভাব হতে পারে।
তবুও নেই কোনো ভীতি, দরকার ছাড়া অনেকে নিয়মিত খেয়ে যাচ্ছে এই ওষুধ!
28/12/2024
আপনি কি পাঙ্গাশ মাছ খান?
পাঙ্গাস মাছ প্রোটিনে সমৃদ্ধ এবং ক্যালরি ও চর্বি কম। এতে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন D, ভিটামিন B12 এবং সেলেনিয়াম।
1. পাঙ্গাশ মাছ এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড:
পাঙ্গাশ মাছের তেলে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
Reference: Journal of Food Science and Technology - 2019
2. পাঙ্গাশ মাছ এবং প্রোটিন:
পাঙ্গাশ মাছ প্রোটিনের ভালো উৎস, যা পেশি গঠন ও শরীরের অন্যান্য টিস্যু সঠিকভাবে কাজ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Reference: International Journal of Food Sciences and Nutrition - 2020
3. পাঙ্গাশ মাছের ক্যালোরি ও চর্বি পরিমাণ:
পাঙ্গাশ মাছ কম ক্যালোরি এবং কম চর্বি সমৃদ্ধ, যা স্বাস্থ্যকর খাবারের অংশ হিসেবে কাজ করে।
Reference: Food Chemistry - 2018
4. পাঙ্গাশ মাছ এবং ভিটামিন:
পাঙ্গাশ মাছ ভিটামিন D এবং B12 এর একটি ভালো উৎস, যা হাড়ের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করতে সহায়ক।
Reference: Journal of Nutritional Science and Vitaminology - 2021
5. পাঙ্গাশ মাছ এবং মিনারেল:
পাঙ্গাশ মাছ সেলেনিয়াম এবং ফসফরাসের ভালো উৎস, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
Reference: Asian Fisheries Science - 2017
-Pharma & Care-Corner
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Sylhet
3151