Dr. Md. Nazmul Islam- Pulmonologist

Dr. Md. Nazmul Islam- Pulmonologist

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Md. Nazmul Islam- Pulmonologist, Tangail.

ডা. মো. নাজমুল ইসলাম
এমবিবিএস, বিসিএস ( স্বাস্থ্য)
এমডি ( পালমোনলজি)
বক্ষব্যাধি মেডিসিন, এ্যাজমা ও স্লিপ বিশেষজ্ঞ
জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, মহাখালি, ঢাকা।

03/03/2026

🌬️ হাঁপানি (অ্যাজমা) — ভয় নয়, সচেতনতা প্রয়োজন

হাঁপানি একটি খুবই সাধারণ শ্বাসতন্ত্রের রোগ।
সঠিক চিকিৎসা ও নিয়ম মেনে চললে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

🚨 হাঁপানির লক্ষণ

🔹 বারবার শ্বাসকষ্ট
🔹 বুক থেকে শোঁ শোঁ শব্দ
🔹 রাতে বা ভোরে কাশি
🔹 ঠান্ডা, ধুলাবালি বা ধোঁয়ায় সমস্যা বাড়া
🔹 ব্যায়াম করলে শ্বাসকষ্ট

❗ কখন অবহেলা করবেন না?
⚠ হঠাৎ তীব্র শ্বাসকষ্ট
⚠ কথা বলতে কষ্ট হওয়া
⚠ ইনহেলারেও আরাম না পাওয়া
এগুলো হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

✅ হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়
✔ নিয়মিত ইনহেলার ব্যবহার
✔ ধুলা, ধোঁয়া ও অ্যালার্জেন এড়িয়ে চলা
✔ চিকিৎসকের নিয়মিত ফলো-আপ
✔ নিজে নিজে ওষুধ বন্ধ না করা

🏥 চেম্বার তথ্য

📍 ভাষান্টেক ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার
ভাষানটেক বাজার, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
🗓️ শনি–বুধবার
🕒 সন্ধ্যা ৭টা – রাত ৯টা
📞 01829029058

📍 পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার
ময়মনসিংহ রোড, সাবালিয়া, টাঙ্গাইল
🗓️ শুক্রবার
🕒 সকাল ১০টা – বিকেল ৫টা
📞 সিরিয়াল: ০৯৬৬৬৭৮৭৮২৪

🫁 হাঁপানি মানেই সীমাবদ্ধ জীবন নয় — সঠিক ব্যবস্থাপনায় স্বাভাবিক জীবন সম্ভব।

27/02/2026

প্রতিদিনের চেম্বার
শনি থেকে বুধবার
সন্ধ্যা ৭ টা থেকে রাত ৯ টা
সিরিয়াল- ০১৮২৯-০২৯০৫৮

26/02/2026

সাপ্তাহিক চেম্বার
শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টা
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, টাংগাইল শাখা
রুম নং- ৪০৫

28/02/2020

সকালে উঠে যা খাবেন

সকালে উঠে হালকা নাশতা করে দিন শুরু করা স্বাস্থ্যকর। পেট ভরে খাওয়া ঠিক নয়। রাতের ঘুমের পর বা দীর্ঘ বিশ্রামের পর পুরো শরীর জাগতে কিছুটা সময় নেয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে, দিনের শুরুতে হালকা গরম পানি ও হালকা নাশতা দিয়ে শুরু করা উচিত।

সকালে ঘুম থেকে জাগার দুই ঘণ্টা পরে নাশতা খাওয়া উচিত। এর আগে কিছু খাবার বা পানীয় খেতে পারেন। দেখে নিন সে তালিকা:

মধুর সঙ্গে হালকা গরম পানি

প্রতিদিন সকালে মধু খেলে ওজন কমে। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খেলে তা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে যকৃৎ পরিষ্কার থাকে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে পারে মধু। মধুতে আছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ, ভিটামিন ও এনজাইম, যা শরীরকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে। এ ছাড়া প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেলে ঠান্ডা, কফ, কাশি ইত্যাদি সমস্যা কমে যায়। প্রতিদিন এক গ্লাস মধু-পানি পান করলে অ্যাসিডিটির সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। মধুর অ্যান্টিসেপ্টিক গুণ পাকস্থলীর মিউকাসের নিঃসরণ ঘটায়, যা জ্বালাপোড়া মুক্ত করে।

ভেজানো কাঠবাদাম

ভিটামিন ও খনিজে ভরা কাঠবাদাম। পানিতে ভেজালে পুষ্টিগুণ বেড়ে যায়। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার পর ৫-১০টি কাঠবাদাম খাওয়া যায়। সকালে এটি পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি সারা দিন রুচি বাড়ায়।

আমলকীর জুস

সকালে খালি পেটে আমলকীর জুস খেতে পারেন। তবে এই জুস খাওয়ার পর ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কফি বা চা না খাওয়া ভালো। আমলকীতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আয়ুর্বেদশাস্ত্রে বলা হয়, নিয়মিত আমলকী খেলে জীবনের দৈর্ঘ্য বাড়ে। আমলকীর ভেষজ গুণ অনেক। আমলকীর রস যকৃৎ, পেটের পীড়া, অজীর্ণ, হজমি ও কাশিতে বিশেষ উপকারী। আমলকীতে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, সর্দিকাশি ঠেকাতে পারে।

পেঁপে

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পেঁপে খেতে পারেন। পেঁপে খেলে পেট পরিষ্কার হয় এবং অন্ত্রের নড়াচড়া বাড়ে। পেঁপে খাওয়ার পর এক ঘণ্টা কিছু না খাওয়া ভালো। শরীরে বাজে কোলস্টেরলের প্রভাব কমায় পেঁপে। পেঁপে খেলে ওজন কমে, ত্বক পরিষ্কার হয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আর নানা উপকারী উপাদানে ভরপুর পেঁপে খেলে একদিকে স্বাস্থ্য যেমন ভালো থাকে, তেমনি চুল আর ত্বকের জন্যও উপকারী। প্রচুর পরিমাণ আঁশ, ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে পেঁপেতে। এই উপাদানগুলো রক্তনালিতে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল জমতে বাধা দেয়। তাই হৃৎস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং উচ্চরক্তচাপ এড়াতে পেঁপে খেতে পারেন নিয়ম করে। শরীরের মেদ ঝরাতে যাঁরা তৎপর, তাঁদের খাদ্যতালিকায় পেঁপে রাখুন। একদিকে যেমন কম ক্যালরি আছে, অন্যদিকে থাকা আঁশ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে সবজি হিসেবে পেঁপে অনন্য। দেহের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা জোরদারে ভূমিকা রাখে পেঁপে। কোলন ও প্রোস্টেট ক্যানসার প্রতিরোধে এটি উপকারী।

তরমুজ

খালি পেটে তরমুজ খাওয়া যেতে পারে। এ জন্য সকালে তরমুজ খাওয়া ভালো। এতে ক্যালরি কম, কিন্তু ইলেকট্রোলাইটস বেশি। প্রতিদিন দুই কাপের মতো তরমুজ খেলে শরীরে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সির চাহিদা মেটে। এতে থাকা পটাশিয়াম শরীরে ফ্লুইড ও মিনারেলসের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া অ্যাজমার মতো রোগ এবং ব্যথা উপশমে তরমুজ উপকারী। তরমুজের থাকা বিশেষ কয়েক ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড ক্রমাগত নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে রক্তের স্বাভাবিক কার্যপ্রণালি বজায় রাখে।

খেজুর

শরীরে দ্রুত শক্তি জোগাতে পারে খেজুর। দিনের শুরুতে খেজুর খেতে পারেন। খেজুরে প্রচুর দ্রবণীয় আঁশ থাকে, যা হজম প্রক্রিয়ার জন্য ভালো। কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেটের সমস্যা দূর করতে পারে খেজুর। খেজুর হৃৎপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। রক্তপ্রবাহে গতি সঞ্চার করে। অল্প কয়েকটা খেজুর খেলে ক্ষুধার তীব্রতা কমে যায়। এই ফল পাকস্থলীকে কম খাবার গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে। অন্যদিকে, শরীরের প্রয়োজনীয় শর্করার ঘাটতি পূরণ করে দেয়। ফলে মুটিয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে। খেজুরে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, যা হাড়কে মজবুত করে। শরীরে সোডিয়াম-পটাশিয়ামের সমতা রক্ষা করে।

27/02/2020

অনিদ্রা

সপ্তাহে তিন দিন বা তার বেশি ঘুম না আসা, বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া, ঘুমোতে সমস্যা, অল্প সময় ঘুম হওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার পর ক্লান্তি ভাব, সারা দিন খিটখিটে ভাব ইত্যাদি ইনসোমনিয়া বা অনিদ্রার লক্ষণ। মস্তিষ্কের নিউরোহরমোনাল অসামঞ্জস্য অনিদ্রার অন্যতম কারণ।

এমন সমস্যার কারণে কর্মক্ষমতা, বুদ্ধিমত্তা ও মনোযোগ কমতে পারে। শারীরিক ক্ষতিও হতে পারে। যেমন: ওজনাধিক্য, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও হূদেরাগের ঝুঁকি বাড়ায়।

কারণ

১. মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, বিষণ্নতা, মানসিক আঘাত-পরবর্তী পরিস্থিতি।

২. ঘুমের পরিবেশের ব্যাঘাত যেমন: অতিরিক্ত শব্দ, আলো, গরম বা ঠান্ডা।

৩. ঘুমের নিয়মে পরিবর্তন, যা মস্তিষ্কে মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরণে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে।

৪. সন্ধ্যার পর ধূমপান, অতিরিক্ত ক্যাফেইন বা অ্যালকোহল সেবন।

৫. ঘুমের আগে টিভি দেখা, ভিডিও গেমস খেলা।

৬. দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক অসুস্থতা, যেমন: বাত, ক্যানসার, হূদেরাগ, ফুসফুসের রোগ, গ্যাস্ট্রিক, থাইরয়েডের সমস্যা।

পরামর্শ

১. প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস করুন। ছুটির দিনসহ প্রতিদিন একই সময়ে ঘুম থেকে উঠে পড়ুন।

২. শোয়ার ঘর কেবল ঘুমের জন্য ব্যবহার করুন। সেখানে যেন অতিরিক্ত শব্দ বা আলো না থাকে।

৩. ঘুমের আগে হালকা গরম পানির গোসল, বই পড়া, মৃদু গান, উপাসনা বা ইয়োগা সাহায্য করতে পারে। বারবার ঘড়ি দেখবেন না।

৪. জোর করে ঘুমের চেষ্টা করবেন না। ২০ মিনিটের মধ্যে ঘুম না এলে উঠে পড়ুন। অন্য ঘরে যান, হালকা কিছু পড়ুন ঘুম না আসা পর্যন্ত।

৫. দুপুরে ৩০ মিনিটের বেশি বিশ্রাম নেবেন না, তা তিনটার আগেই সেরে নিন।

৬. ঘুমানোর চার-ছয় ঘণ্টা আগে ভারী কাজ, ব্যায়াম এবং অ্যালকোহল, কফি, ধূমপান এড়িয়ে চলুন।

৭. ঘুমানোর দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নিন। এরপর খিদে পেলে এক গ্লাস দুধ খেতে পারেন।

25/01/2020

ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত যথেচ্ছা এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না। যথেচ্ছা ব্যবহারের ফলে এন্টিবায়োটিক তার কার্যক্ষমতা হারাচ্ছে।

12/01/2020

আইবিএস নিয়ে কিছু কথাঃ

ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রমকে আইবিএস বলে। এই রোগটি পাকস্থলি, ক্ষুদ্রান্ত ও বৃহদান্তের ফাংশনাল রোগ। এটি কোনো অঙ্গপ্রতঙ্গের রোগ নয়। প্যাথোলজি করে কিছু পাওয়া যাবে না। এটি কোনো জীবাণু ঘটিত রোগ নয়। এটি হলো ফাংশনাল রোগ। এর অর্থ পাকস্থলি ও নারিভুড়ির যে কর্মগতি সেই গতিতে একটু পরিবর্তন আসে।

পরিবর্তন এলে ওই লক্ষণ মিলিয়ে যে রোগটি হয়, একে আমরা আইবিএস বলি। যেমন নারিভুড়ির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে নড়াচড়া। এই নড়াচড়া যদি বেড়ে যায় তাহলে পাতলা পায়খানা হবে। কয়েক ধরনের মুভমেন্ট বা নড়াচড়া আছে। ২৪ ঘণ্টায় একটি বড় নড়াচড়া হয়। ওই বড় নড়াচড়াটি যদি ঠিকভাবে না হয়, তাহলে হয়তো মল ত্যাগে সমস্যা হবে।

অথবা পাকস্থলিতে যদি সমস্যা হয়, তখন গ্যাস জমা হওয়ার একটি ভাব আসবে। আবার নাড়িভুড়ির মাংসপেশিতে সমস্যা হয়ে ব্যথা হতে পারে। এই ব্যথা পেট ফোলাভাব, পাতালা পায়খানা সব মিলিয়ে আমরা বলি ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রম, আইবিএস।

এই রোগ থেকে মুক্তির উপায় কী?
যার আইবিএস রোগটি রয়েছে সে সবসময় হয়তো ওই রোগে ভুগবে না। জীবনে কোনো কোনো সময় সে এই লক্ষণগুলোতে ভুগবে। কোনো কোনো খাদ্যাভ্যাসের ফলে এই ভোগান্তি হয়। যে কারণে ভুগবে ওই কারণগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে। অনেক সময় দেখা যায়, সে ভারি খাবার খাওয়ার কারণে ভোগে। তখন ভারি খাবার খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে।

অনেক সময় দুধ খেলে বাড়ে, সেটি কমিয়ে দিতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় শাকসবজি, সালাদ এগুলো খেলে সমস্যা হয়। এগুলো খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে। উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা ইত্যাদি হলেও এই সমস্যা হতে পারে। এগুলো কমাতে হবে।

আর কী কারণে ভুগছে এটি বুঝে তাকে চিকিৎসা দিতে হবে। পাতলা পায়খানা হলে, সেটি না হওয়ার জন্য যেই ওষুধ সেটি দিতে হবে, স্বল্পকালীনভাবে। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে সেই জন্য স্বল্পকালীন ওষুধ দিতে হবে। গ্যাস হলে ওষুধ দিতে হবে। আর নড়াচড়াকে স্বাভাবিক করার জন্য কিছু ওষুধ রয়েছে সেটি চিকিৎসকরা বুঝে-শুনে দেবেন ।

একজন রোগী চিকিৎসকের কাছে কেন আসে?
আমি চিন্তা করে দেখেছি রোগী চিকিৎসকের কাছে আসে তিনটি কারণে। প্রথম হলো, রোগী ভাবে আমার যে রোগটি হলো

এ রোগে আমি মরে যাব কি না?
দ্বিতীয়, আমার যে রোগটি হলো এতে আমি অথর্বে পরিণত হব কি না? তৃতীয়, এই রোগ আমাকে ভোগান্তিতে ফেলে দিয়েছে।

এই ভোগান্তি থেকে আমি মুক্তি পাব কি না?
আনন্দের কথা হচ্ছে, আইবিএস রোগটি আপনাকে মৃত্যুর মুখে ফেলবে না। এই রোগের কারণে সাধারণত মানুষ মরবে না। এই রোগে বিছানায় পড়ে যাবে না। তবে মাঝেমধ্যে ভুগবে।

চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে রোগটি নিয়ন্ত্রণে থাকবে। আরেকটি হলো ওই রোগ নিয়ে রোগীর বেশি ভাবতে নেই। রোগ যদি আপনি সবসময় স্মরণ করেন, রোগও আপনাকে বারবার স্মরণ করবে।

05/01/2020

জানুন অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর বিভিন্ন উপকারিতা

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী আমাদের কাছে একটি অতি পরিচিত উদ্ভিদ। অ্যালোভেরার বাংলা নাম ঘৃতকুমারী। তবে সারাবিশ্বের মানুষ একে অ্যালোভেরা হিসাবে চিনে। বহু বছর ধরে মানুষ অ্যালোভেরাকে ঔষধি গাছ হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।

অ্যালোভেরার পাতার মধ্য যে স্বচ্ছ জেলির মত বস্তু পাওয়া যাই তাকে আমরা জেল বলে জানি।
অনেকেই অ্যালোভেরার জুস পান করে থাকেন।

অ্যালোভেরায় রয়েছে অসংখ্য বিস্ময়কর উপকারিতা..

১) হার্ট সুস্থ রাখতে অ্যালোভেরা :- আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরার জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্তর করে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে এবং রক্তে অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ফলে দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে।

২) মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ অ্যালোভেরা :- অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়।

৩) ওজন হ্রাস করতে অ্যালোভেরা :- ওজন কমাতে অ্যালভেরা জুস বেশ কার্যকরী। অ্যালোভেরা জুসের অ্যাণ্টি ইনফ্লামেটরী উপাদান এই প্রদাহ রোধ করে ওজন হ্রাস করে থাকে।

৪) হজমশক্তি বাড়াতে অ্যালোভেরা :- হজমশক্তি বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা জুসের জুড়ি নেই। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া রোধ করে, যা হজমশক্তি বাড়িয়ে থাকে। অ্যালোভেরা ডায়রিয়ার বিরুদ্ধেও অনেক ভাল কাজ করে।

৫) ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে অ্যালোভেরা :- অ্যালোভেরা জুস রক্তে সুগারের পরিমাণ ঠিক রাখে এবং দেহে রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখে। ডায়াবেটিসের শুরুর দিকে নিয়মিত এর জুস খাওয়া গেলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব।

৬) ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা :- ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরার ব্যবহার সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। অ্যালোভেরার অ্যান্টি ইনফ্লামেটরী উপাদান ত্বকের ইনফেকশন দূর করে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়।

৭) রোগ-প্রতিরোগ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা :- অ্যালোভেরা হল অ্যান্টি ম্যাইকোবিয়াল এবং অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদানসমৃদ্ধ একটি গাছ। অ্যালোভেরা জুস নিয়মিত পান করলে রোগ-প্রতিরোগ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং দেহের টক্সিন উপাদান করে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

৮) চুল সুন্দর করতে অ্যালোভেরা :- অ্যালোভেরার গুনাগুন বলে শেষ করা যাই না, মাথায় খুশকি দূর করতে এর কোন তুলনা নেই। এমনকি ঝলমল চুলের জন্যেও অ্যালোভেরা অনেক উপকারী। সুতরাং চুলের যত্নে অ্যালোভেরা আপনার নিত্যসংগী।

৯) মুখের ঘা সারাতে অ্যালোভেরা :- অনেকের মুখে ঘা হয়, আর এই মুখের ঘা দূর করতে অ্যালোভেরা অত্যন্ত কার্যকারী। ঘায়ের জায়গায় এলভেরার জেল লাগিয়ে দিলে মুখের ঘা ভাল হয়।

১০) ক্যান্সার প্রতিরোধে অ্যালোভেরা :- গবেষণায় দেখা গেছে যে, অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যালো ইমোডিন, যা স্তন ক্যান্সার ছড়ানো থেকে রোধ করে। এছাড়াও অন্যান্য ক্যান্সার প্রতিরোধে অ্যালোভেরা অনেক কার্যকারী ভূমিকা পালন করে থাকে।

১১) রক্তচাপ কমাতে সাহায্য কর :- অ্যালোভেরার অনেক গুনাগুনের মধ্যে আর একটি হল রক্তচাপ কমাতে এর কোন তুলনা নেই। অ্যালোভেরার ঔষধি গুণ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তে কোলেস্টেরল ও চিনির মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে সাহায্য করে।

১২) চর্মরোগ ও ক্ষত সারাতে :- অ্যালোভেরা প্রাকৃতিক ঔষধিরও কাজ করে থাকে। বিভিন্ন চর্মরোগ ও ক্ষত সারায় এই অ্যালোভেরার জুসে। অনেক সময় প্রাথমিক চিকিত্‍সায় ব্যবহার করা হয় এই অ্যালোভেরা।

১৩) কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে:- অ্যালোভেরার জুসের মধ্যে যে জেল থাকে তার অনেক গুন। এই জেল নিয়মিত পানে পেটের সমস্যা দূর হবে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Tangail?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Tangail
1900