RaiSum
প্রতিমাসে টপ ফ্যানের জন্য একটি আকষর্ণীয় হাদিয়া রয়েছে! Modest • Trendy • Affordable 🛍️
Nationwide Delivery 🚚
𝖯𝗈𝗏 : 𝖬𝗒 𝖤𝗂𝖽 𝗈𝗎𝗍𝖿𝗂𝗍 𝗍𝗁𝗂𝗌 𝗒𝖾𝖺𝗋.
24/05/2026
বলেন তো, আরাফাহর দিন কবে?
আপনাদের দুয়ার লিস্ট রেডি তো?
অনেকেই অনেক দুয়া জমিয়ে রাখে, শুধু এই বিশেষ দিনে আল্লাহর কাছে চেয়ে নিবে বলে ☺️
23/05/2026
এইরকম review দেখে তো প্রথমে ভয়ই পেয়ে গিয়েছিলাম!
RaiSum
23/05/2026
★) বাচ্চাদের সালাতের অভ্যাস করাবেন যেভাবে
অনেক বাবা–মা বাচ্চাদের দিয়ে নামায পড়াতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন। জোর করে বললে বাচ্চারা প্রথমে পড়লেও পরে নামাযের প্রতি বিরক্তি তৈরি হতে পারে। তাই ধীরে ধীরে ভালোভাবে শেখানোই সবচেয়ে ভালো।
নিচের কিছু সহজ উপায় চেষ্টা করতে পারেন—
দোয়া করুন
আল্লাহর কাছে বলুন—তিনি যেন বাচ্চাকে নামাযের তাওফিক দেন।
নিজে আগে উদাহরণ হন
বাচ্চা দেখে শিখে। তাই বাবা–মা সময়মতো নামায পড়লে বাচ্চাও আগ্রহ পাবে।
জোর করবেন না
বাচ্চা না পড়লে বকাবকি নয়, ধৈর্যের সাথে বুঝান ও উৎসাহ দিন।
বাচ্চাকে শেখান—যেকোনো প্রয়োজন আল্লাহর কাছেই চাইতে হয়। নামায শেষে তাকে কোলে নিয়ে দোয়া করুন যেন সে শুনতে পারে, যেমন— “হে আল্লাহ, আমার বাবুর একটা খেলনা লাগবে, তুমি দিয়ে দাও।”
সুন্দর টুপি/হিজাব/জায়নামায কিনে দিতে পারেন। শুরুতে নামায পড়লে ছোটখাটো পুরস্কার—যেমন ক্যান্ডি, চকলেট ইত্যাদি দিলে বাচ্চার আগ্রহ আরও বাড়বে।
৭ বছর থেকে ধীরে ধীরে নামাযের নিয়ম শেখানো দরকার। প্রতিদিন একই সময়ে নামায পড়লে তা অভ্যাস হয়ে যায়।
সহজ কৌশল:
একটি নামাযের সময়সূচী বা Salaah Tracker বানিয়ে নিন। ৭ বছর হলেই একসাথে ৫ ওয়াক্ত পড়ার আশা করা ঠিক নয়, এতে বাচ্চার উপর চাপ পড়ে এবং আগ্রহ কমে যায়।
তাই ধীরে ধীরে অভ্যাস গড়ুন—
প্রথম ৬ মাস: প্রতিদিন মাত্র এক ওয়াক্ত নামায সময়মতো পড়তে দিন (যেমন মাগরিব)
পরের ৬ মাস (৭.৫ বছর): প্রতিদিন দুই ওয়াক্ত পড়তে দিন (যেমন মাগরিব + এশা)
এরপর প্রতি ৬ মাসে আরেক ওয়াক্ত করে বাড়িয়ে দিন
এভাবে ধীরে ধীরে বাড়ালে ১০ বছর হওয়ার আগেই সে সহজেই পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ার অভ্যাস আয়ত্ত করতে পারবে।
এ পদ্ধতি খুব কার্যকর। আলতোভাবে, নিয়মিতভাবে এগোলে সন্তান ইনশা’আল্লাহ আনন্দের সাথে নামাযকে নিজের জীবনের অংশ করে নেবে।
©️
23/05/2026
প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য আরামদায়ক ও সুন্দর হাতমোজা 💖
নরম কাপড়, সহজ ব্যবহার—আপনার লুককে করবে আরও পরিপাটি 🌸
🌿 গরমেও আরাম
🌿 ফ্রি সাইজ—সব হাতেই ফিট
🌿 দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য পারফেক্ট
✨ নিজেকে রাখুন মার্জিত, সুন্দর আর আত্মবিশ্বাসী ✨
👉 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন এখনই
👉 সীমিত স্টক—মিস করবেন না!
RaiSum
22/05/2026
আমাদের থেকে ফ্যান না নিয়ে যারা ঈদের দিন সাজতে বসবে তারা যেন বেশি বেশি ঘামে আর ঈদের পরে এসে ফ্যান নেয়। কী রাগ করলেন?
22/05/2026
কোন টা সংগ্রহ করা বাকি?
22/05/2026
"কীভাবে বিজনেস শুরু করবো" - এই প্রশ্ন তো অনেকেই করেন৷ আজকে আসুন জেনে নেই বিজনেস শুরু করার আগে আমাদের কি কি জানা উচিত।
অনেকে ভাবে বিজনেস শুরু মানেই অনেক টাকা লাগবে, অফিস লাগবে, বড় ইনভেস্টমেন্ট লাগবে।
কিন্তু সত্যি কথা হলো সঠিক প্ল্যান ছাড়া বড় টাকা নিয়েও মানুষ লস করে, আর সঠিক স্ট্র্যাটেজি থাকলে ছোট থেকেও বড় হওয়া যায়।
তো আজকে আমি যে পয়েন্ট গুলো আলোচনা করবো তা যদি বুঝতে পারেন বিজনেস শুরু করা আপনার জন্যও ইজি হবে ইন শা আল্লাহ।
আসুন শুরু করি :
১. সবার আগে কী সেল করবেন সেটা ঠিক করুন।
যা মানুষ আসলেই কিনতে চায়, সেই প্রোডাক্ট বা সার্ভিস নিয়ে কাজ করুন। শুধু "এই প্রোডাক্ট আমার ভালো লাগে" দিয়ে বিজনেস হয় না, মানুষ কিনবে কি-না সেটাও দেখতে হয়। সেই প্রোডাক্ট এর মার্কেট ডিমান্ড আছে কি-না তাও দেখতে হবে৷
২. আপনার কাস্টমার কে - এটা বুঝুন
দুনিয়ার সবাই আপনার কাস্টমার না। আপনার প্রোডাক্ট কার জন্য? নারী, পুরুষ, স্টুডেন্ট, হাউজওয়াইফ, নাকি বিজনেস ওনার?
যত ক্লিয়ার অডিয়েন্স হবে, সেল তত সহজ হবে। তাদেরকে ঘিরে কন্টেন্ট বানানো আরো ইজি হবে।
৩. আগে ছোট করে শুরু করুন।
শুরুর দিনেই ১ লাখ টাকার স্টক তুলতে হবে এমন না।
কম দিয়ে শুরু করুন, মার্কেট বুঝুন, এরপর ধীরে ধীরে স্কেল করুন। মাস কয়েক আগে আমি এমন একটা ধরা খেয়েছিলাম সাপ্লায়ারের পাল্লায় পরে৷ পরের পোস্টে লিখবো বিস্তারিত।
৪. সোশ্যাল মিডিয়াকে সিরিয়াসলি নিন।
এখন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এমন কিছু নেই যা সেল করা যায় না৷ তবে কোন সোশ্যাল মিডিয়া আপনার প্রোডাক্ট এর জন্য পার্ফেক্ট সেটাও বুঝার ট্রাই করুন৷
যেমন টিকটক হলো দ্রুত ভাইরাল হওয়া এবং ম্যাস অডিয়েন্সে পৌঁছানোর জন্য ভালো। কম দামে, ট্রেন্ডি বা ভিজুয়াল প্রোডাক্ট এখানে দ্রুত গ্রো করতে পারে।
ইনস্টাগ্রাম ভিজুয়াল বা এস্থেটিক প্রোডাক্টের জন্য দারুণ। যেমন: ফ্যাশন, জুয়েলারি, স্কিনকেয়ার, লাইফস্টাইল টাইপ বিজনেস। আর ফেসবুক তো র্যান্ডম আর এখানে কম্পিটিশনও বেশি। তাই আপনার প্রোডাক্ট এর সঠিক প্লাটফর্ম খুঁজে বের করুন।
৫. লাভের আগে শিখার মানসিকতা রাখুন
প্রথম ৩-৬ মাস শুধু প্রফিটের চিন্তা করলে হতাশ হতে পারেন।
এই সময়টা মার্কেট বুঝার, অডিয়েন্সের এটেনশন নেয়ার আর নিজের ভুলগুলো শেখার সময়।
৬. হিসাব রাখা শিখুন
অনেকের সেল হয়, কিন্তু লাভ থাকে না। কারণ ইনকাম-এক্সপেন্সের হিসাব থাকে না।
তাই প্রথম দিন থেকেই হিসাব লিখে রাখুন। সঠিক হিসাব না করতে পারলে বিজনেসের ভুল-ত্রুটি গুলো বের করতে পারবেন না৷ সুতরাং অবশ্যই হিসাব রাখবেন৷
৭. ধৈর্য রাখুন- এটা না থাকলে বিজনেস আপনার জন্য না৷
বিজনেস একদিনে দাঁড়ায় না।
আজ পোস্ট দিলেন, কাল ভাইরাল আর এরপরেই হুরমুর করে সেল আসবে আদোতে এমন কিছুই হয় না৷ চাকরি করলে আপনি হয়ত যেকোনো একটা রোল প্লে করেন কিন্তু একজন ছোট বিজনেস ওউনারকে অনেক রোল প্লে করতে হয়৷ তাই এত কাজ করতে হলে অঢেল ধৈর্য মাস্ট থাকতেই হবে৷
কোনো বড় বিজনেস একদিনে তৈরি হয় না, কিন্তু একদিন শুরু না করলে কখনো বড়ও হয় না। সুতরাং, ছোট থেকেই শুরু করুন ♥️
-Sinthia Liza
21/05/2026
কয়টা সংগ্রহে আছে..?
21/05/2026
🌙 আরও সুন্দর হোক যিলহজ্জ — ভালোবাসা আর আমলে ভরপুর 💜
এই বরকতময় দিনগুলোকে স্মরণীয় করে তুলতেই আমাদের ছোট্ট আয়োজন 🎁
✨ গিফট হিসেবে পাচ্ছেন:
📘 যিলহজ্জের আমল ডায়েরি
🔖 সুন্দর একটি বুকমার্ক
📌 অংশগ্রহণের নিয়মঃ
1️⃣ আমাদের পেইজটি ফলো করুন
2️⃣ কমেন্টে “Done” লিখে ১০ জন বন্ধুকে মেনশন করুন
3️⃣ পোস্টটি নিজের আইডিতে শেয়ার করুন
💫 আমল, ভালোবাসা আর উপহারে ভরে উঠুক আপনার যিলহজ্জ।
🎉 এখনই অংশগ্রহণ করুন এবং প্রিয়জনদের সঙ্গে শেয়ার করুন!