Mum and son uk
“Mom life | Cochlear Implant Journey | Everyday Real Moments 💚
Sharing awareness, motherhood, work life & simple daily happiness.”
আসসালামু আলাইকুম 🌱❤️
সামার হলিডে মানেই একটু ঘোরাঘুরি, নতুন জায়গা দেখা আর প্রিয়জনের সঙ্গে সুন্দর কিছু মুহূর্ত কাটানো। ☀️❤️
ছেলেকে নিয়ে সামার হলিডেতে লন্ডন থেকে বার্মিংহামের পথে রওনা দিলাম ট্রেনে। 🚆✨ জানালার বাইরে ছুটে চলা দৃশ্য আর ভ্রমণের আনন্দ—সব মিলিয়ে দারুণ একটা সময় কাটছে। 🥰
আপনারা কে কোথায় যাচ্ছেন এই সামার হলিডেতে? 🌍✈️🚆 কমেন্টে জানাবেন কিন্তু! 😊
07/08/2026
Good morning 🌱❤️
Jumma Mubarak 🤲✨ May Allah bless us with peace, mercy, and countless blessings. Ameen. ❤️
04/08/2026
Good morning 🌱🌹
03/08/2026
💙 বাস্তব গল্প | Part 3
ডাক্তারের মুখে যখন শুনলাম, “আপনার বাচ্চার শ্রবণশক্তির সমস্যা রয়েছে,” তখনই তিনি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বললেন। যত দ্রুত সম্ভব আমার বাচ্চার জন্য হিয়ারিং এইড ব্যবহার শুরু করতে হবে এবং নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।
তখন আমার ছেলের বয়স মাত্র ২ বছর ৩ মাস। আর কোনো দেরি না করে আমি তার জন্য একটি হিয়ারিং এইড কিনে দিই। সেই ছোট্ট বয়স থেকেই ওর নতুন পথচলা শুরু হয়।
এরপর ডাক্তার জানালেন, শুধু হিয়ারিং এইডই যথেষ্ট নয়। ওকে ঢাকায় এনে একটি বিশেষায়িত শ্রবণ ও ভাষা শিক্ষার স্কুলে ভর্তি করতে হবে, যাতে নিয়মিত থেরাপি ও প্রশিক্ষণ নিতে পারে।
কিন্তু সেখান থেকেই শুরু হলো আমার আসল যুদ্ধ…
পরিবারের সবার সঙ্গে আলোচনা করলাম। কেউ সমর্থন করলেন, আবার অনেকেই রাজি হলেন না। সেই সময় আমি শুধু একটি কথাই ভেবেছিলাম—আমি যদি একজন মা হয়ে আমার সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য লড়াই না করি, তাহলে আর কে করবে?
অবশেষে সিদ্ধান্ত নিলাম, যা-ই হোক আমি ঢাকায় যাব। আল্লাহর রহমতে আমার এক আত্মীয়ের বাসায় দুই মাস থাকার সুযোগ হলো। সেখান থেকেই আমার ছেলেকে বিশেষায়িত স্কুলে ভর্তি করালাম। সেই দিন থেকেই শুরু হলো আমাদের জীবনের নতুন অধ্যায়—সংগ্রামের, আশার এবং স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পথচলা।
এরপর কীভাবে সেই দিনগুলো পার করেছি? কী কী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি?
জানতে চাইলে Part 4-এর জন্য কমেন্টে “Part 4” লিখে জানান। 💙
03/08/2026
Good Morning ☀️
সকালের এক কাপ কফিই যেন নতুন দিনের প্রথম অনুপ্রেরণা।
এক চুমুক কফিতে শরীর হয় সতেজ, আর মন ভরে যায় নতুন উদ্যমে।
Cookies Making… 🍪✨
02/08/2026
💙 বাস্তব গল্প | Part 2
পার্ট ১-এ বলেছিলাম, আমার বাচ্চার হিয়ারিং টেস্ট করার পর জানতে পারি, তার শ্রবণশক্তির সমস্যা রয়েছে। কিন্তু এখানেই আমাদের পথচলা শেষ হয়নি, বরং শুরু হয়েছিল একটি নতুন সংগ্রাম।
সিলেটে অনেক জায়গায় পরামর্শ নিয়েছিলাম। একদিন মৌলভীবাজারে বেড়াতে গিয়ে আমার একজন আত্মীয়ের সঙ্গে বিষয়টি শেয়ার করি। তিনি একজন শিশু বিশেষজ্ঞ। আমার বাচ্চার আচরণ শুনে তিনি বললেন, “তুমি আর দেরি করো না, দ্রুত ঢাকায় গিয়ে একজন বিশেষজ্ঞকে দেখাও। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার।”
তখন ঢাকা আমার কাছে সম্পূর্ণ অচেনা। কোথায় যাব, কীভাবে যাব—কিছুই জানতাম না। ঠিক সেই সময় আল্লাহর রহমতে আমার এক মামা ঢাকায় যাওয়ার সুযোগ করে দিলেন। তিনি আমাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলেন।
সেখানে আবার হিয়ারিং টেস্ট করা হলো। রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করার প্রতিটি মুহূর্ত ছিল অনেক কঠিন। অবশেষে ডাক্তার আমাকে ডেকে বললেন,
“আপনার বাচ্চার শ্রবণশক্তির সমস্যা রয়েছে।”
সেই কথাটা শুনে যেন পুরো পৃথিবীটাই থেমে গিয়েছিল…
এরপর কী করলাম? কীভাবে নিজেকে সামলে নিয়ে চিকিৎসা শুরু করলাম?
জানতে চাইলে Part 3-এর জন্য কমেন্টে “Part 3” লিখে জানান। 💙
01/08/2026
💙 বাস্তব গল্প | Part 1 ⭐
কেউ কোনো পরিস্থিতিতে ভেঙে পড়বেন না। আজ থেকে আমি আমার জীবনের একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা আপনাদের সঙ্গে ধাপে ধাপে শেয়ার করব। আশা করি, আমার গল্প অনেক পরিবারকে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।
আমার বাচ্চার বয়স যখন প্রায় ২ বছর, তখন আমি লক্ষ্য করলাম সে শুধু “মা” আর “বাবা” বলতে পারে। অন্য কোনো শব্দ বলত না, এমনকি আশপাশে জোরে শব্দ হলেও অনেক সময় সাড়া দিত না। তখন আর দেরি না করে আমি একজন ডাক্তারের কাছে যাই। ডাক্তার কানের পরীক্ষা (হিয়ারিং টেস্ট) করার পরামর্শ দেন।
রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর জানতে পারি, আমার বাচ্চার শ্রবণশক্তির সমস্যা রয়েছে। সেই মুহূর্তটা আমাদের জন্য খুব কঠিন ছিল, কিন্তু আমি ভেঙে পড়িনি। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম—যতটুকু সম্ভব, সঠিক চিকিৎসা আর সঠিক পথেই এগোব।
এরপর কী হলো? কীভাবে আমরা এই পথটা পাড়ি দিলাম?
সেটা জানাব পার্ট ২-এ।
আপনারা যদি পরের অংশ জানতে চান, তাহলে কমেন্টে “Part 2” লিখে জানান। আমি খুব শিগগিরই পরের গল্প নিয়ে আবার আসব। 💙
31/07/2026
কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট: কী, কার জন্য এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ? 👂
কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট (Cochlear Implant) হলো একটি বিশেষ ধরনের ইলেকট্রনিক মেডিকেল ডিভাইস, যা গুরুতর থেকে গভীর (Severe to Profound) সেন্সরিনিউরাল শ্রবণশক্তি হ্রাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শব্দ অনুভব করতে সাহায্য করে। এটি সাধারণ হিয়ারিং এইডের মতো শুধু শব্দ বাড়িয়ে দেয় না; বরং ক্ষতিগ্রস্ত কক্লিয়াকে (Inner Ear) পাশ কাটিয়ে সরাসরি শ্রবণ স্নায়ুকে (Auditory Nerve) বৈদ্যুতিক সংকেত পাঠায়।
যাদের জন্য কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট বিবেচনা করা হতে পারে:
✔️ যাদের হিয়ারিং এইড থেকেও পর্যাপ্ত উপকার হচ্ছে না।
✔️ শিশু, যারা জন্মগত বা অল্প বয়সে গুরুতর শ্রবণশক্তি হারিয়েছে।
✔️ প্রাপ্তবয়স্ক, যারা পরে শ্রবণশক্তি হারিয়েছেন এবং যোগাযোগে উল্লেখযোগ্য সমস্যা হচ্ছে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
🔹 কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট একটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে স্থাপন করা হয়।
🔹 অপারেশনের পর ডিভাইস চালু (Activation) করা হয় এবং নিয়মিত Mapping করা প্রয়োজন।
🔹 ভালো ফলাফলের জন্য Speech Therapy, Auditory Training এবং পরিবারের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
🔹 যত দ্রুত প্রয়োজনীয় মূল্যায়ন ও চিকিৎসা শুরু করা যায়, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে, ভাষা ও যোগাযোগ দক্ষতা বিকাশের সম্ভাবনা তত বেশি হতে পারে।
কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সবার জন্য উপযুক্ত নয়। তাই অভিজ্ঞ ENT Specialist, Audiologist এবং Cochlear Implant Team-এর মূল্যায়নের পরই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
সঠিক তথ্য জানুন, সচেতনতা বাড়ান এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। একটি সঠিক সিদ্ধান্ত কারও জীবনে নতুন করে শব্দের জগৎ ফিরিয়ে আনতে পারে।
Click here to claim your Sponsored Listing.