RajRajesh
Public Demand's
18/02/2026
रात में सोते समय अचानक पैरों में तेज दर्द या ऐंठन हो जाती है?
इस वीडियो में जानिए रात में पैरों की मांसपेशियों में ऐंठन (Leg Muscle Cramp) होने के मुख्य कारण और इससे बचने के आसान घरेलू उपाय।
इस वीडियो में आप जानेंगे –
✔ रात में पैरों में ऐंठन क्यों होती है
✔ पानी और मिनरल की कमी से कैसे होता है क्रैम्प
✔ गलत सोने की पोज़िशन के नुकसान
✔ पैरों की ऐंठन से बचने के आसान उपाय
✔ कब डॉक्टर से संपर्क करना जरूरी है
raat mein pairon mein ainthan,
leg cramp at night,
pairon mein dard,
night leg cramps hindi,
pair ki nas chadhna,
leg pain at night,
pairon mein khinchav,
muscle cramp hindi,
pairon mein ainthan ke karan,
leg cramp home remedies,
health tips hindi,
night pain in legs,
pairon mein dard ka ilaj,
03/02/2026
সোনা–রুপোর দামে রেকর্ড পতন
৪০ বছরে সবচেয়ে বড় ধস সোনায়, রুপোর দাম কমেছে প্রায় ৩০%
নজরে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬
আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজারে সোনা ও রুপোর দামে ঐতিহাসিক পতন দেখা গেছে। গত প্রায় ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় দরপতন হয়েছে সোনার দামে। একই সঙ্গে রুপোর দাম এক ধাক্কায় প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে।
বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে,
বিশ্ববাজারে অস্থিরতা,
ডলারের শক্তিশালী অবস্থান,
বড় বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক বিক্রি
—এই সব মিলিয়েই সোনা ও রুপোর দামে এমন বড় ধস নেমেছে।
ভারতের বাজারেও এর বড় প্রভাব পড়েছে। মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ (MCX)-এ সোনা ও রুপোর ফিউচার দামে তীব্র পতন লক্ষ্য করা গেছে।
এদিকে বিনিয়োগকারীদের নজর এখন কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬-এর দিকে। বাজেটে সোনা-রুপোর উপর কর, আমদানি শুল্ক বা বিনিয়োগ সংক্রান্ত কোনও ঘোষণা এলে বাজারে আরও ওঠানামা হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এই পরিস্থিতিতে অনেকেই ভাবছেন,
👉 দাম কমায় এটি কি বিনিয়োগের সুযোগ,
নাকি আরও পতনের আশঙ্কা রয়েছে—তা নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ বাজার পরিস্থিতি ও বাজেটের ঘোষণার উপর।
01/02/2026
ভারতের Union Budget 2026 ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে তামাকজাত পণ্যের দামে বড় পরিবর্তন এসেছে। কেন্দ্র সরকার ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে নতুন কাস্টমস ডিউটি, এক্সাইজ ডিউটি ও জিএসটি কাঠামো কার্যকর করেছে। এই নতুন করনীতির ফলে সিগারেট, পানমশলা ও গুটখার মতো পণ্যের উপর করের বোঝা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে সিগারেটের বাজারদরে, যা ইতিমধ্যেই বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে।
আগে তামাকজাত পণ্যের ক্ষেত্রে GST + Compensation Cess কাঠামো চালু ছিল। বাজেট ২০২৬–এর মাধ্যমে সরকার সেই পুরনো ব্যবস্থাকে বাতিল করে নতুন কর কাঠামো চালু করেছে। এই নতুন ব্যবস্থায় সিগারেটের উপর সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত জিএসটি আরোপ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সিগারেটের দৈর্ঘ্য, ফিল্টার, প্যাকের ধরন ও ক্যাটাগরি অনুযায়ী নতুন এক্সাইজ ডিউটি যুক্ত হয়েছে। ফলে আগের তুলনায় করের পরিমাণ অনেক বেশি দাঁড়াচ্ছে।
এই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে সিগারেটের দামে। বিশেষ করে লম্বা সাইজ ও প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির সিগারেটের ক্ষেত্রে প্রতি প্যাকে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে। ছোট সাইজের সিগারেটেও দাম বেড়েছে, যদিও তুলনামূলকভাবে কম হারে। অর্থাৎ, এখন “যত বড় সিগারেট, দাম তত বেশি”—এই নীতি আরও স্পষ্টভাবে কার্যকর হয়েছে।
সরকার এই করনীতিতে ধাপে ধাপে কর আরোপের ব্যবস্থা করেছে। ছোট দৈর্ঘ্যের সিগারেটের উপর এক ধরনের করহার, মাঝারি সাইজের উপর অন্য হার এবং বড় বা প্রিমিয়াম সিগারেটের উপর সবচেয়ে বেশি কর ধার্য করা হয়েছে। এর ফলে সব শ্রেণির সিগারেটেই দাম বেড়েছে, তবে দাম বৃদ্ধির মাত্রা এক নয়। সাধারণ ক্রেতা থেকে শুরু করে প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড ব্যবহারকারীরা—সবাই এই পরিবর্তনের প্রভাব অনুভব করছেন।
এই সিদ্ধান্তের পেছনে সরকারের একাধিক লক্ষ্য রয়েছে। প্রথমত, তামাকজাত পণ্যের উপর কর বাড়িয়ে সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধি করা। দ্বিতীয়ত, উচ্চ করের মাধ্যমে সিগারেটের দাম বাড়িয়ে ধূমপান নিরুৎসাহিত করা। সরকার মনে করছে, দাম বাড়লে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম ধূমপানের অভ্যাস থেকে দূরে সরে আসতে পারে। জনস্বাস্থ্যের দিক থেকেও এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হচ্ছে।
এছাড়া স্বাস্থ্যখাতে বাড়তে থাকা খরচ এবং তামাকজনিত রোগের বোঝা কমানোর লক্ষ্যও এই করনীতির সঙ্গে যুক্ত। সিগারেট সেবনের ফলে ক্যান্সার, হৃদরোগ ও শ্বাসযন্ত্রের নানা সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে। সরকার দীর্ঘদিন ধরেই তামাক নিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। নতুন কর কাঠামো সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।
বাজেট ২০২৬ কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাজারে সিগারেট কোম্পানিগুলি নতুন দাম তালিকা প্রকাশ করতে শুরু করেছে। অনেক ক্ষেত্রে খুচরো দোকানে পুরনো স্টকের সিগারেট থাকলেও নতুন স্টক আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। ফলে ক্রেতারা প্রতিদিনের অভ্যাসগত খরচ বাড়তে দেখছেন।
সব মিলিয়ে বলা যায়, Union Budget 202৬ থেকে কার্যকর হওয়া নতুন জিএসটি ও এক্সাইজ ডিউটি নীতির কারণে ভারতে সিগারেটের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই পরিবর্তন ইতিমধ্যেই বাস্তবে কার্যকর হয়েছে এবং আগামী দিনে তামাকজাত পণ্যের বাজারে এর প্রভাব আরও স্পষ্ট হবে। সরকার রাজস্ব বৃদ্ধি ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্য নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আর সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচের তালিকায় সিগারেট এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে।
কোষ্ঠকাঠিন্য পরিচর্যা_ প্রাকৃতিক উপায়ে মুক্তি পাওয়ার সহজ টিপস! আপনার হজম ক্ষমতা বাড়ানোর সেরা উপায়
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Address
Haldia
721648