My Health Tips
Health for body. Ayurvedic/Homeopathy/Allopathic Medicine. শরীরের সুস্থ রাখতে বিভিন্ন পরামর্শ।
22/04/2025
তুলশী ওর, এবং শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ কমাতে তুলসী পাতা ব্যবহার করা হয়।
হজমশক্তি বৃদ্ধি:
তুলসী হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য এবং গ্যাসের মতো সমস্যা সমাধানে কার্যকর।
মানসিক চাপ হ্রাস:
তুলসী মানসিক চাপ কমাতে এবং মানসিক শান্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
ত্বকের সমস্যা:
তুলসী ত্বকের সংক্রমণ, ফোস্কা, এবং অ্যালার্জি কমাতে সাহায্য করে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ:
তুলসী রক্তচাপ কমাতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ:
তুলসী রক্তের শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
চোখের সমস্যা:
তুলসী চোখের ছানি এবং গ্লুকোমার মতো চোখের রোগ থেকে রক্ষা করে।
ক্ষত নিরাময়:
তুলসীর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল বৈশিষ্ট্য ক্ষত দ্রুত নিরাময়ে সাহায্য করে।
দাঁতের স্বাস্থ্য:
তুলসী দাঁতের মাড়ির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং দাঁতের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
ওজন হ্রাস:
তুলসী হজমশক্তি বাড়িয়ে এবং শরীরকে পরিষ্কার করে ওজন কমাতে সাহায্য করে।
শিশুদের স্বাস্থ্য:
তুলসী শিশুদের সর্দি, কাশি এবং পেটের সমস্যা থেকে রক্ষা করে।
তুলসী গাছ একটি প্রাকৃতিক এবং উপকারী ভেষজ। এটি বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে সাহায্য করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে।
18/04/2025
সকালে খালি পেটে রসুন খাওয়ার উপকারিতা:
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি:
রসুনে থাকা অ্যালিসিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি:
রসুন রক্ত পরিশোধন করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ:
রসুন উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
হজমশক্তি বৃদ্ধি:
রসুন হজমে সাহায্য করে এবং গ্যাস, ডায়রিয়া ইত্যাদি সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।
মানসিক চাপ কমায়:
রসুন মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
লিভারের কার্যকারিতা বৃদ্ধি:
রসুন লিভারের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং লিভারের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।
ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে:
রসুন ত্বককে ভালো রাখতে এবং ত্বকের সমস্যা যেমন ব্রণ থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।
শারীরিক ক্লান্তি দূর করে:
সকালে খালি পেটে রসুন খেলে শরীরের ক্লান্তি দূর হয়।
রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ:
রসুন রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
পুরুষের যৌনশক্তি বৃদ্ধি:
রসুন পুরুষের যৌনশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে।
তিল ও মহা ঔষধ
শরীর সুস্থ রাখতে দরকারি কিছু টিপস:-
সকালে আধ ঘণ্টা জোর কদমে হাঁটলে উপকার পেতে পারেন।
সকালে আধ ঘণ্টা জোর কদমে হাঁটলে উপকার পেতে পারেন।
প্রাত্যহিক জীবনের কাজের চাপ ও দৌড়ঝাপের মাঝে নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার সময় হয়ে ওঠে না। এর ফলে ওজনবৃদ্ধি, ডায়বিটিজের মতো নানান রোগের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আজ, বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের দিনে জানুন কোন কোন উপায় ফিট ও এনার্জেটিক থাকবেন।
১. এক দিনে অন্তত ৫ হাজার স্টেপ হাঁটুন। স্বাস্থ্যের পক্ষে খাবার যতটা জরুরি, ততটাই জরুরি রোজ হাঁটাচলা করা। খাবার খাওয়ার পর কিছুক্ষণ হাঁটা উচিত। সকালে আধ ঘণ্টা জোর কদমে হাঁটলে উপকার পেতে পারেন। সকালে সময় না-পেলে রাতে খাবার খাওয়ার পর আধ ঘণ্টা অবশ্যই হাঁটুন।
২. সুস্থ থাকার জন্য ৮ থেকে ১০ গ্লাস জল পান করা উচিত। এটি আপনাকে হাইড্রেট রাখবে ও খাবার হজম করতেও সাহায্য করবে। লাগাতার জল খেলে শরীরের সমস্ত টক্সিন অপসারিত হয়। কম জল পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য, ত্বকে শুষ্কভাব ও কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৩. ভুলেও প্রাতঃরাশ বাদ দেবেন না। ভরপেট প্রাতঃরাশ করলে সন্ধে পর্যন্ত এনার্জেটিক অনুভব করবেন।
৪. রাতে কম খাবার খাওয়া অভ্যেস করুন। রাতে কম খাবার খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কারণ রাতে হজমের জন্য শরীরকে সবচেয়ে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। তাই রাতে হাল্কা ও কম খাবার খাওয়া উচিত।
৫. চা ও কফি কম পান করলে শরীর সুস্থ থাকে। অনেকেই অভ্যেসবশত চা ও কফি পান করে থাকেন। কিন্তু সুস্থ থাকতে হলে এঁদের পরিমাণ নির্দিষ্ট রাখুন। বেশি পান করলে শরীরের ক্ষতি হয়।
৬. চা ও কফির পরিবর্তে গ্রিন টি শরীরের পক্ষে অধিক উপকারী। এটি শরীরের মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে যার ফলে হজম তাড়াতাড়ি হয়। এর ফলে শরীরে জমে থাকা টক্সিন দ্রুত শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। তাই দিনে দুবার মধু মিশিয়ে গ্রিন টি পান করুন।
৭. ফাস্টফুড খেতে সকলেই ভালোবাসেন। কিন্তু এই খাবারগুলি শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর। এতে অধিক পরিমাণে ক্যালরি থাকে। তাই ফাস্টফুড ও বাইরের খাবার খাওয়া এড়িয়ে যান। ওজন কমাতে চাইলে তো অবশ্যই এগুলি খাওয়া বন্ধ করুন।
৮. নেশা করা শরীরের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষেও ক্ষতিকর। মদ্যপান ও ধূমপান ফুসফুস ও লিভারের রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই সুস্থ থাকতে নেশা থেকে দূরে থাকুন।
ALKALINE WATER 💦🌊
07/01/2025
কাঁচা হলুদ এর গুনাগুন --
কাচ্চি হালদি হজমের উন্নতির জন্য এবং পিত্ত উত্পাদনকে ট্রিগার করার জন্য পরিচিত এবং বিরক্তিকর অন্ত্রের লক্ষণ থেকে মুক্তি দেয়
2. জয়েন্টে ব্যথা- এতে প্রদাহ-বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে তাই জয়েন্টের ব্যথা, বাত, বাতজনিত আর্থ্রাইটিসে সাহায্য করে।
3. ক্যান্সার, হৃদরোগের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভূমিকা, আলঝেইমার উপরের রোগে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে
4. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য - কাচ্চি হালদিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে এবং সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। এটি ত্বকের বিভিন্ন রোগ, সর্দি এবং কাশিও নিরাময় করে
5. কারকিউমিন তার কাঁচা আকারে তার অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্যের জন্যও পরিচিত
6. রক্ত পরিশোধক হিসেবে কাজ করে এবং রক্ত থেকে টক্সিন দূর করতেও সাহায্য করে
7. রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখে এবং ডায়াবেটিস এবং ইনসুলিন প্রতিরোধে ভূমিকা পালন করে
8. এটি ওজন কমাতেও সাহায্য করে কারণ এটি শরীরে প্রদাহ এবং জল ধারণ কমায়
9. অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য মূত্রনালীর সংক্রমণের চিকিৎসায়ও সাহায্য করে
10. কারকিউমিন ফ্যাটি লিভারের মতো লিভারের রোগের চিকিৎসায়ও সাহায্য করে
কাচ্চি হালদি ব্যবহার করার সর্বোত্তম উপায় হল অতিরিক্ত স্বাস্থ্য উপকারিতা পেতে গরম জলে মিশিয়ে বা দুধে আদা এবং দারুচিনি গুঁড়ো সহ ফুটিয়ে নিন। এছাড়াও, কালো মরিচ বা গোলমরিচের সাথে কারকিউমিন গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি কাচ্চি হালদি শোষণে সহায়তা করে।
আমলকী কি নয়?
আমলকীতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে।[৪] পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকীতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে ৩ গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকীতে কমলার চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।[৪] একজন বয়স্ক লোকের প্রতিদিন ৩০ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ দরকার। দিনে দুটো আমলকী খেলে এ পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ পাওয়া যায়। আমলকী খেলে মুখে রুচি বাড়ে।[২০] স্কার্ভি বা দন্তরোগ সারাতে টাটকা আমলকী ফলের জুড়ি নেই। এছাড়া পেটের পীড়া, সর্দি, কাশি ও রক্তহীনতার জন্যও খুবই উপকারী।[২০]
লিভার ও জন্ডিস রোগে উপকারী বলে আমলকী ফলটি বিবেচিত। আমলকী, হরিতকী ও বহেড়াকে একত্রে ত্রিফলা বলা হয়। আয়ুর্বেদিক ওষুধ হিসেবে ত্রিফলা স্বাস্থ্যের জন্য বহুমাত্রিক উপকারী।[২১] এ তিনটি শুকনো ফল একত্রে রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালবেলা ছেঁকে খালি পেটে শরবত হিসেবে খেলে পেটের অসুখ ভালো হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] বিভিন্ন ধরনের তেল তৈরিতে আমলকী ব্যবহার হয়। কাঁচা বা শুকনো আমলকী বেটে একটু মাখন মিশিয়ে মাথায় লাগালে খুব তাড়াতাড়ি ঘুম আসে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] কাঁচা আমলকী বেটে রস প্রতিদিন চুলে লাগিয়ে দুতিন ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। এভাবে একমাস মাখলে চুলের গোড়া শক্ত, চুল উঠা এবং তাড়াতড়ি চুল পাকা বন্ধ হবে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
হৃদ রোগে অর্জুন।।।
অর্জুন গাছের ছাল অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, প্রদাহ ইত্যাদির মতো হৃদরোগ সংক্রান্ত সমস্ত সমস্যা দূর করতে সহায়ক। এটি স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে। অর্জুন গাছের ছালের সাথে বন্য পেঁয়াজ একই পরিমাণ মিশিয়ে চূর্ণ বানান এবং এই চূর্ণের অর্ধেক চা চামচ হার্টের রোগীকে দৈনন্দিন দুধ সহযোগে পান করানো হলে রোগীর হৃদয়ের পেশি শক্তিশালী হবে। এটা হার্ট ব্লকেজের প্রতিরোধের জন্যও উপকারী। খাবার খাওয়ার পর প্রায় দুই চা চামচ বা প্রায় ২০ মিমি অর্জুনারিষ্ট অর্ধেক কাপ জলে মিশিয়ে দুই তিন মাস পান করলে প্রায় সব রকমের শারীরীক সমস্যার থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভবঅর্জুন গাছের ছাল অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, প্রদাহ ইত্যাদির মতো হৃদরোগ সংক্রান্ত সমস্ত সমস্যা দূর করতে সহায়ক। এটি স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে। অর্জুন গাছের ছালের সাথে বন্য পেঁয়াজ একই পরিমাণ মিশিয়ে চূর্ণ বানান এবং এই চূর্ণের অর্ধেক চা চামচ হার্টের রোগীকে দৈনন্দিন দুধ সহযোগে পান করানো হলে রোগীর হৃদয়ের পেশি শক্তিশালী হবে। এটা হার্ট ব্লকেজের প্রতিরোধের জন্যও উপকারী। খাবার খাওয়ার পর প্রায় দুই চা চামচ বা প্রায় ২০ মিমি অর্জুনারিষ্ট অর্ধেক কাপ জলে মিশিয়ে দুই তিন মাস পান করলে প্রায় সব রকমের শারীরীক সমস্যার থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।।
অর্জুনের ছাল উচ্চ রক্তচাপ কমায়ঃ
অর্জুন গাছের ছাল বেশ উপকারী বলে প্রমাণিত হয়েছে। আসলে তার বাকল, লিপিড ট্রাইগ্লিসারাইড স্তর হ্রাস করার মাধ্যমে কোলেস্টেরল হ্রাস করে। এই ছালের সেবন রক্ত প্রবাহের বাধা দূর করে। এর জন্য, অর্জুন গাছের ছালের এক চামচ পাউডার, দুই গ্লাস জলে অর্ধেক রয়ে যাওয়া পর্যন্ত গরম ক'রে সকালে ও সন্ধ্যায় পান করা উচিত। এই ভাবে বন্ধ ধমনী খুলবে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস পাবে।
27/12/2024
ব্ল্যাক কফি আপনার ফ্যাটি লিভারের ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্ল্যাক কফি পান করুন।নিয়মিত ব্ল্যাক কফি পান করা কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে, ডায়াবেটিস, ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় এবং আপনার ডিমেনশিয়া এবং আলঝেইমারের সম্ভাবনা কমায়। তাই প্রতিদিন দুধের সঙ্গে নয় ,পান করুন ব্ল্যাক কফি।।
23/12/2024
("সুগার বেশি থাকলে ১৫ দিনে কমবে সুগার। যোগাযোগ করুন") রক্তে আইরন বা লোহ কমে গেছে, তবে প্রতিদিন খালি পেটে কারিপাতা খান।একটু সময় নিয়ে একটি করে কারিপাতা চিবিয়ে খান। দেখবেন রক্তে আইরন মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আনে।।
21/12/2024
সকালে খালি পেটে গরম জল পান করুন দূর হবে গ্যাস ও অম্বল , সঙ্গে করুন মলাসন যোগ হবে পেট পরিষ্কার।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
741245