Modhu volg
Madhumita pramanick
09/01/2026
শুভ সকাল
08/01/2026
জীবনে চলার পথে অনেক ভুল করেছি আগেও হয়তো করবো তার মধ্যে থেকে কিছু শিখবো শেখার কোনো শেষ নেই জীবন শেষ পযন্ত শিখে যাব👍
29/12/2025
শুভ সকাল আমি আর আমার ছেলে সবাই কেমন আছো ♥️♥️
04/11/2025
゚viralシfypシ゚viralシ
03/11/2025
বয়স মাত্র ৩২ বছর
চিকিৎসার ভাষায় একদম স্বাভাবিক এক নারী
তবু তিন বছর চেষ্টা করেও গর্ভধারণ হয়নি
পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ধরা পড়ে তার দুই পাশের ডিম্বাশয়ে এন্ডোমেট্রিওমা এবং পেরিটোনিয়াল এন্ডোমেট্রিওসিস
চিকিৎসকেরা পরামর্শ দেন আইভিএফ বা ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন করার
প্রথম চেষ্টায় আটটি ডিম সংগ্রহ করা হয়
সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল
কিন্তু ভাগ্য যেন আরেকবার ধাক্কা দিল
এম্ব্রিও ট্রান্সফারের পর গর্ভ হলেও চার সপ্তাহের মাথায় গর্ভপাত হয়ে যায়
ছয় মাস পর তারা আবার চেষ্টা করে
আবারও আটটি ডিম সংগ্রহ করা হয়
এর মধ্যে তিনটি সফলভাবে নিষিক্ত হয়
দুটি ব্লাস্টোসিস্ট জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করা হয়
ছয় সপ্তাহ পর আল্ট্রাসাউন্ডে দেখা গেল
দুটি ইউটেরাইন স্যাক
আর প্রতিটি স্যাকে দুটি করে ভ্রূণ
অর্থাৎ একসঙ্গে চারটি বাচ্চা
চিকিৎসকেরা সতর্ক করলেন
এমন বহুগর্ভধারণে মা ও শিশুর জন্য ঝুঁকি অনেক
চাইলেই ভ্রূণ সংখ্যা কমানো যায়
কিন্তু দম্পতি রাজি হল না
ওরা বিশ্বাস করেছিল
যে জীবন আল্লাহ দিয়েছেন তিনি-ই তার হেফাজত করবেন
প্রথম ত্রৈমাসিকে চারটি শিশুর গঠন ছিল একদম স্বাভাবিক
১৬ সপ্তাহে আগাম প্রসব ঠেকাতে সার্ভিক্যাল সারক্লাজ করা হয়
২৪ সপ্তাহে দেওয়া হয় প্রোজেস্টেরন
২৬ সপ্তাহে আল্ট্রাসাউন্ডে চারটি শিশুর পূর্ণাঙ্গ গঠন দেখা কঠিন হয়ে যায়
তখন করা হয় এমআরআই
আর সেই ছবিগুলো দিয়ে তৈরি করা হয় ভ্রূণগুলোর ত্রিমাত্রিক মডেল
একটি অনন্য চিকিৎসা ইতিহাস সৃষ্টি হয়
৩২ সপ্তাহে হঠাৎ শুরু হয় জরায়ুর সংকোচন
মায়ের শ্বাসকষ্ট বাড়তে থাকে
অবশেষে করা হয় সিজারিয়ান অপারেশন
আর তখনই পৃথিবী সাক্ষী হয় এক অবিশ্বাস্য মুহূর্তের
একসঙ্গে জন্ম নেয় চারটি পুত্রসন্তান
চারজনই জন্মের পর সুস্থ
এমনকি অ্যাপগার স্কোরও ছিল স্বাভাবিক
দুজন ৩৪ দিন পর হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পায়
আর বাকি দুজন ৩৬ দিন পর ঘরে ফেরে
এটা কেবল এক চিকিৎসা সফলতার গল্প নয়
এটা এক অদম্য ভালোবাসা ও বিশ্বাসের গল্প
যেখানে প্রতিটি ব্যর্থতা ছিল নতুন আশার প্রস্তুতি
যেখানে এক নারীর সহ্যশক্তি আর এক পুরুষের ধৈর্য
একসাথে তৈরি করেছে অলৌকিক এক চার গুণ আশীর্বাদ।
03/11/2025
"মেরি জান" গাঙ্গুবাঈ মুভির একটা গানে একটা
দৃশ্য আছে।গাড়িতে করে ডেটে যাওয়ার সময় আলিয়া ভাটের প্রেমিক তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করতে যায়। কিন্তু আলিয়া তার প্রেমিকের হাতটা নিজের মাথায় রাখে।দৃশ্যটা এত বেশী টাচি ছিল!
সেদিন ৫ বছরের টক্সিক সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসা খুব কাছের একজন খুব আক্ষেপ নিয়ে বলছিল- "আমার ৫ বছরের বিবাহিত জীবনে আমি কোন আদর পাইনি।"
এই কথাটা আমার রুহ পর্যন্ত পৌছে গিয়েছিল।
আদর মানে সেক্সুয়াল ইন্টিমেসি নয়।
ওইযে মাথায় হাত বুলানো,যত্ন করা, আগলে রাখা, ভরসার জায়গা হওয়া।এটা কয়জন পুরুষ বোঝে!!!!
নারী সারাদিন সবার জন্য করে। কিন্তু দিনশেষে নারী চায় কেউ একজন রাতের বেলায় মাথায় হাত রাখুক, বলুক - "আমি আছি তোমার জন্য।ঘুমাও তুমি।"
এইটুকু দিতেও যে কত পুরুষের কার্পণ্য!!!! 🙂
সংগৃহীত
02/11/2025
সরি টু সে….ছেলে-মেয়ে সঠিক শিক্ষা না দিতে পারলে ভবিষ্যতে সেই ছেলে-মেয়ের হাতেই এভাবে শেষ হতে হয়! অবশ্যই এই ছেলে ১দিনে এই সাহস পায় নি, দিনের পর দিন বাবা-মার আসকারা(আমার ছেলেটা মাথা গরম রগচটা কিন্তু মানুষ ভালো, আমার ছেলেটা রেগে গেলে মাথা ঠান্ডা রাখতে পারেনা, আজকালকার ছেলেরা একটু এমন হয়) এমন পেতে পেতে এই পর্যায় যায়!…….
কি মর্মান্তিক...
ছেলের হাতে এবার বাবা খু-ন....😓😓
এমন কুলাঙ্গার ছেলে জন্ম দেওয়ার চেয়ে বিয়ে না করাই ভালো।
বর্তমান সমাজ আধুনিক হতে হতে এমন সময় আসছে
ছেলেমেয়ে বাবা মাকে মানে না,খু-ন পযর্ন্ত করে ফেলছে।
কি শিক্ষা দিচ্ছি আমরা নিজের আদরের ছেলে মেয়েদের।
যে ছেলে বাবার বুকে ছু-রি চালাতে পারে,সে পারবেনা এমন কোন কাজ নেই।
আল্লাহ আপনি এমন সন্তান এবং তাদের বাবা-মাকে হেদায়েত দান করুন।
31/10/2025
ডিভোর্সের আগে মনে হতো শ্বশুরবাড়িটা যেন এক জেলখানা। আজ, ডিভোর্সের তিন বছর পর, নিজের বাড়িটাই আমার কাছে নরকের মতো লাগে।
আমি জানি না কেন লিখছি—হয়তো এই আশায়, যেন আর কোনো মেয়ে আমার মতো ভুল না করে। যেন রাগের মাথায়, জেদের চোটে কারো সংসার না ভাঙে।
আমার নামটা গোপনই থাকুক। বয়স এখন বাইশ। বিয়ের সময় ছিল মাত্র ঊনিশ। নিজের পছন্দেই বিয়ে করেছিলাম—আমার স্বামী, শান্ত-স্বভাব, কাজের মানুষ। ছোটখাটো জেদ ছিল, কিন্তু খারাপ ছিল না মোটেই।
সংসার চলল প্রায় আড়াই বছর। আমাদের একরত্তি ছেলে তখন এক বছরের।
বিয়ের পর প্রথম দিকে খুব সুন্দরই চলছিল সব। কিন্তু আমি ছিলাম বেশ আবেগপ্রবণ, একটু রাগীও বটে। সামান্য কথাতেই মন খারাপ হয়ে যেত, আর একটু ঝগড়া হলেই ব্যাগ গুছিয়ে বাপের বাড়ি চলে আসতাম।
সেই সময় আমার দিদি, মামা, ভাইরা সবাই আমার পাশে দাঁড়াত—ওদের কাছে নিজের কষ্টগুলো খুলে বলতাম, কিন্তু নিজের ভুলের কথা বলতাম না কখনো। সবাই স্বামীকে দোষারোপ করত, আর আমিও ভাবতাম—আমি তো কিছুই ভুল করিনি!
একদিন তুচ্ছ একটা বিষয় নিয়ে আমাদের প্রচণ্ড ঝগড়া বাঁধে। কথার পর কথায় আমি এমন সব কথা বলেছিলাম, যেগুলো কোনো স্ত্রীকেই স্বামীর প্রতি বলা উচিত নয়। রাগে উত্তেজনায় ওর সহ্যশক্তি ভেঙে যায়, আর ও এক চড় মেরে বসে।
ওই একটা চড়ই আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
রাগে কাঁপতে কাঁপতে আমি বাপের বাড়ি ফিরে আসি। নিজের দোষের দিকটা লুকিয়ে সবার কাছে কেঁদেকেটে শুধু ওর দোষটাই বললাম। পরিবার বলল—“ওর সঙ্গে আর থাকা উচিত না, মামলা কর।”
আমি ওর নামে নারী নির্যাতনের মামলা করলাম। পুলিশ ওকে ধরে নিয়ে গেল। ওর বাবা-মা বারবার এসে অনুরোধ করলেন, যেন আমি মামলা তুলে নিই।
রাতে বিছানায় শুয়ে ভাবতাম, সত্যিই কি ও এত খারাপ? ও তো সঙ্গে সঙ্গে হাত জোড় করে ক্ষমাও চেয়েছিল। আমি যদি তখন একটু ধৈর্য ধরতাম!
শেষমেশ মামলা তুলে নিলাম, কিন্তু ওর কাছে ফেরত গেলাম না। কিছুদিন পর দুই পরিবারের মধ্যে মিটমাটের চেষ্টা হল, সবাই বলল নতুন করে শুরু করতে। আমিও রাজি হলাম।
প্রথম কিছু মাস সব ঠিকই চলছিল। কিন্তু হঠাৎ একদিন আবার ঝগড়া—আর আমি ফের বাপের বাড়ি। ও অসুস্থ, শুনেও যাইনি। বাড়ির সবাই বলল, ওর অসুস্থতা নাকি নাটক। ওর আত্মীয়রা আসুক, ওরা ক্ষমা চাইবে—তবেই আমি যাব!
কিন্তু কেউ এল না। তার বদলে এলো একটা চিঠি—ডিভোর্স লেটার।
চিঠিটা হাতে পেয়েই আমার ভেতরটা জ্বলে গেল। ভাবলাম, এ কী সাহস! আমি নিজে কত কষ্ট পেয়েছি, আর ও আমাকে ত্যাগ করছে!
তখন আমি ঠিক করলাম, এবার আমিই শেষ কথা বলব। আদালতে গিয়ে মাসিক খরচ, ভরণপোষণ—সবকিছুর জন্য বিশাল অঙ্ক দাবি করলাম। ভাবলাম, ওর যেন নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়।
কিন্তু ও একটাও কথা না বলে সব মেনে নিল।
আমার হাতে এল সন্তান, আর্থিক নিরাপত্তা—আর ওর হাতে এল স্বাধীনতা।
আজ সাড়ে তিন বছর কেটে গেছে। শুনেছি, ও আবার বিয়ে করেছে, বেশ ভালোও আছে। আর আমি?
আমার জীবন যেন থমকে গেছে। রাতে ছেলের ঘুমন্ত মুখের দিকে তাকিয়ে ভাবি—একটা ভুল, একটুখানি জেদ, এক মুহূর্তের রাগ কীভাবে একটা পুরো সংসার শেষ করে দিল!
ও আমাকে একবার মেরেছিল, কিন্তু আমি ওকে কথায়, অহংকারে, অভিমানে অজস্রবার আঘাত করেছি।
আজ বুঝি, সংসার মানে ক্ষমা করা, মানিয়ে নেওয়া, ভালোবাসার মধ্যে ছোট হয়ে যাওয়া।
বড় হয়ে গেলে সংসার টেকে না, টেকে না মনের টান।
যারা ভাবছেন, ডিভোর্স মানে মুক্তি—না, মুক্তি নয়, সেটা এক ধরণের নিঃসঙ্গ কারাবাস।
যখন চারপাশে সবার সংসার, হাসিখুশি জীবন, তখন নিজের একলা ঘরটা সত্যি দম বন্ধ করা নরকের মতো লাগে।
আমার শুধু এতটাই বলার আছে—বোনেরা, স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া হতেই পারে, কিন্তু রাগের মাথায় “ডিভোর্স দাও” কথাটা মুখে আনবেন না।
একটু নরম হোন, একটুখানি ছাড় দিন, হয়তো তাতেই আপনার পুরো জীবন বদলে যাবে।
© B**g Bulletin ( )
30/10/2025
😭❤️👉একজন শিশুর আর্তনাদ — স্বাধীনকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন 😭 💔
ছোট্ট শিশু স্বাধীন এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে... 😭
হবিগঞ্জের বানিয়াচং রোডে ভয়াবহ এক দুর্ঘটনায় তার এক পা ভেঙে গেছে 💔
ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল, কিন্তু টাকার অভাবে তাকে বাড়িতে নিতে হয়েছে 😭
তার বাবা একজন টমটম চালক, প্রতিদিনের রোজগারেই সংসার চলে কষ্টে…
এখন এই চিকিৎসার খরচ চালানো তার পক্ষে অসম্ভব 💔
একটু সাহায্য… হয়তো একটি প্রাণ বাঁচাতে পারে 🙏
আপনার ৫০ টাকা — এই শিশুর জন্য হতে পারে জীবনদায়ী আশীর্বাদ 💖
দয়া করে, সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।
ভাইয়ের বিকাশ: 01995033498 (পার্সোনাল)
নগদ: 01995033498 (পার্সোনাল)
যোগাযোগের আগে যাচাই করে নিন — আপনার দান হোক কল্যাণের পথে।
#স্বাধীন_কে_বাঁচান 😭
#মানবিক_আবেদন 🙏
💔
😭
Click here to claim your Sponsored Listing.