Sweet Sunshine
শততা মানুষকে সম্মান আর গৌরবের উচ্চ শিখরে পৌছে দেয়
মিথ্যা জিবনকে কলংকিত করে দেয়৷৷💜
الله اكبر
23/04/2026
হাই কেমন আছো সবাই
20/04/2026
how are you all my dear
স্বপ্নের দেশে
Saudi Gazette
Saudi Sports Company - شركة الرياضة السعودية
Dhakapost.com
হিংসা নয়,
বন্ধুত্বেই শক্তি মেলে,
হাতে হাত দিয়ে চললে সাফল্য হাসি মিলবেই 💯✅,হিংসা নয় যত বেশি এনগেজমেন্ট ততো বেশি বন্ধু, ততো নিকটে মনিটাইজেশন ❤️✅💯🥰একতাই শক্তি ✅💪
12 second bake to bake💚💚🇧🇩❤️🥀🇧🇩
দুর্বল পুরুষের সম্বল
চলছে গণভোট...
জামায়াতে ইসলামী ~হ্যাঁ ⚖️
বিএনপি~ না 🌾
22/10/2025
17/10/2025
বিয়ের দিন।
বরযাত্রী নিয়ে গেলাম ২৪৬ জন।
মেয়ের বাবা আড়ালে আমাকে ডেকে নরম স্বরে বললেন—
“বাবা, তোমাদের তো ১০০ জন বরযাত্রী আসার কথা ছিল? এতজন কেনো?”
আমি হাসিমুখে বললাম—
“বাবা, আমি পরিবারের ছোট ছেলে। সবাই শখ করে আসতে চেয়েছে। বললে কি করে না করি বলুন?”
তিনি একটু থেমে বললেন—
“তা ঠিক আছে, তবে আগে থেকে জানালে ভালো হতো। এখন ওদেরকে বলে দাও, খাবারে সামান্য দেরি হবে। আমরা সবার জন্য একসাথে আয়োজন করছি।”
আমি বললাম—
“বাবা, আপনি টেনশন করবেন না। আমি বলে দিচ্ছি।”
এভাবেই বিয়েটা হয়ে গেল।
আমি আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব—কাউকে বাদ দিইনি। মনে হয়েছিল, এরা-ই আমার আপনজন।
বছর ঘুরে এলো স্ত্রীর ডেলিভারির দিন।
হাসপাতালে দাঁড়িয়ে আমার নিঃশ্বাস আটকে আসছে।
চরম জরুরি অবস্থায় দরকার এ নেগেটিভ রক্ত।
আত্মীয়-স্বজন অনেকের সাথেই রক্ত মিলে যায়, কিন্তু তারা নানান অজুহাতে পাশ কাটিয়ে গেলো।
হতাশায় রিকশায় উঠে ছুটলাম কলেজের দিকে, ভাবলাম হয়তো কোনো স্বেচ্ছাসেবক সাহায্য করতে পারবে।
আমার ছটফটানি দেখে রিকশাওয়ালা মামা জিজ্ঞেস করলো—
“মামা, এত চিন্তিত কেন? কী হইছে?”
আমি বললাম—
“স্ত্রীর ডেলিভারি, এ নেগেটিভ রক্ত লাগবে। কোথাও পাই নাই।”
রিকশাওয়ালা মামা কিছু না ভেবেই বললো—
“মামা, আমার রক্তই তো এ নেগেটিভ। আমারটা নিবেন?”
অবশেষে, সেই অচেনা রিকশাওয়ালা মামার রক্তেই আমার স্ত্রীর ডেলিভারি হলো।
আমি দীর্ঘশ্বাস ফেলে ভাবলাম—
বিয়েতে যাদের দলে দলে নিয়ে গিয়ে খাওয়ালাম, যাদের আপন ভেবেছি, আজ সেই বিপদে কেউ নেই। পাশে দাঁড়ালো কেবল একজন অচেনা মানুষ—রিকশাওয়ালা মামা।
তারপর থেকে যখনই বাসায় ভালো খাবার রান্না হয়, আমি তাকে ফোন করে ডেকে আনি। কারণ, আপন বলতে তিনিই প্রমাণ দিয়েছেন।
মানুষের ভিড়েই সবসময় আপনজন পাওয়া যায় না।
আসল আপনজন সেই, যে বিপদের দিনে পাশে দাঁড়ায়।
অচেনা মানুষও আপন হয়ে উঠতে পারে, আর যাদের আপন ভেবেছিলাম তারা অনেক সময় দূরে সরে যায়।
Collected
কেমন লাগলো কমেন্টে বলে যাবেন প্লিজ।
এক স্ত্রী তার স্বামীকে পরীক্ষা করে দেখতে চাইলেন ।
স্বামী তাকে কতটুকু পছন্দ করে এবং তাকে ছাড়া বাঁচতে পারে কি না ।
তাই সে তার স্বামীর
প্রতিক্রিয়া জানার জন্য একটা চিঠি
লিখল -"দেখো আমি তোমার প্রতি
এবং আমাদের লাইফ নিয়ে প্রচন্ড
বিরক্ত।
আমি আর তোমার সাথে
থাকতে চাই না । আমি সাড়া
জীবনের জন্য চলে গেলাম ।" . স্ত্রী
এই
চিঠি টা লিখে টেবিলের উপর রাখল।
এবং নিজে খাটের নিচে লুকিয়ে
রইলো। সন্ধ্যার সময় স্বামী বাসায়
আসল
।
আসার পরে স্বামী প্রথমে চিঠিটা
হাতে নিয়ে পড়ল। তার পর কলম দিয়ে
চিঠিতে একটা লাইন কি যেন লিখল।
আবার চিঠিটা টেবিলে রেখে
দিলো ।
একটু দুঃখ ভারাক্রান্ত থেকে
কয়েক মিনিট পর,স্বামীর নীরবতা
থেকে হঠাৎ খুব খুশি হলো । শিস
বাজাতে লাগলো । গান ছেড়ে
ধামাক নৃত্য শুরু করলো । তারপর
টেলিফোন সেটটাকে বিছানার উপর
আনল ।
আনার পর তার স্বামী তার
কোনো এক বান্ধবীকে ফোন দিলো।
ফোনে ঐ প্রান্তকে বলছে,"আজ
অটোম্যাটিক্যালি আমার লাইফ
থেকে আমার আপদ দূর হয়েছে ।
ডার্লিং তুমি আমার জীবনে আগের
মতই থাকবে । আমার স্ত্রী আমাদের
মাঝে আর বাঁধা হয়ে থাকবে না ।
তুমি এনিটাইম আমার বাসায় চলে
আসবে ।
বেবী, তোমাকে ছাড়া আমি
বাঁচব না ।" . এমন অনেকক্ষন কথা
বলার পর,
স্বামী ফোন রেখে বাসার বাইরে
চলে গেলো হাসতে হাসতে.হয়তো
তার ফোনের ঐ প্রান্তের বান্ধবীকে
বা অন্য কাউকে আনতে গেছে ।
এদিকে তার স্ত্রী তো খাটের নিচে
থেকে কাঁদতে কাঁদতে বের হলো। এমন
কুলাঙ্গার স্বামীর সাথে সংসার
করেছে এতোদিন এই ভেবে কপাল
চাপড়াচ্ছিল । হঠাত তার মনে হলো,
দেখিতো স্বামী চিঠিতে কি
লিখছে । তাই তাড়াতাড়ি টেবিলের
কাছে এসে চিঠিটা হাতে নিলো ।
চিঠির ভাঁজ খুলে স্বামীর লেখাটা
বের করলো । স্বামী যে এক লাইন
লিখে রাখছে, তা হলো -
"আমার জীবন থেকে চলে গেছো
ভালো কথা, কিন্তু খাটের নিচে
থেকে কেন তোমার পা দেখা যাচ্ছে
আমি ডিম আনতে বাইরে গেলাম ।"
নিয়মিত গল্প পেতে আইডি টা ফলো করে রাখুন ধন্যবাদ। 🌸
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Address
Dammam