Farvaz Hossain

Farvaz Hossain

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Farvaz Hossain, Health/Beauty, ছয়ানী বাজার, .

24/07/2026

With MS Store-এম এস স্টোর – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

24/07/2026

With রাইসা বিনতে সিনহা – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

24/07/2026
Photos from Farvaz Hossain 's post 22/07/2026

হুমায়রা ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর মনে হয়েছে, আমি আর আমার পরিবার যেন হঠাৎ করেই কোনো উত্তাল সাগরের মাঝখানে পড়ে গেছি। চারপাশে শুধু অনিশ্চয়তা, ভয় আর অসহায়ত্ব। আমাদের মতো একটি সাধারণ পরিবারের কাছে এমন একটি রোগের নাম শুনলেই বুক কেঁপে ওঠে। অথচ আজ সেই কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছি।
তবুও আমরা ভেঙে পড়িনি। চোখে অশ্রু এসেছে, অনেক নির্ঘুম রাত কেটেছে, বেথা যন্ত্রণাতে ছটফট করেছি, নিজ চোখে পরিবারের সদস্যদের কান্না আহাজারি দেখেছি, অসংখ্য দুশ্চিন্তা ঘিরে ধরেছে—কিন্তু মহান আল্লাহর উপর ভরসা কখনো ছেড়ে দিইনি। আমি বিশ্বাস করি, তিনি চাইলে অসম্ভবকেও সম্ভব করে দিতে পারেন।
এই কঠিন সময়ে আমার আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু, সহকর্মী জানা অজানা প্রবাসী ভাইয়েরা আমার পাশে দাড়িয়েছে আমাকে মানসিকভাবে সাহস দিয়েছেন। অনেকেই নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের এই ভালোবাসা ও আন্তরিকতা আমি কোনোদিন ভুলতে পারবো না।
কিন্তু ক্যানসারের চিকিৎসার ব্যয় এতটাই বিশাল যে, চিকিৎসার প্রতিটি ধাপে নতুন নতুন খরচ সামনে এসেছে, আর তখনই বুঝেছি এই যুদ্ধটা শুধু রোগের বিরুদ্ধে নয়, অর্থনৈতিক কঠিন বাস্তবতার বিরুদ্ধে।

আমি কোনো সেলিব্রিটি নই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও কখনো নিয়মিত ছিলাম না। কনটেন্ট তৈরি করা, ভিডিও বানানো, মানুষের কাছে নিজের কষ্ট তুলে ধরা—এসব কিছুই জানতাম না। জীবনে কখনো ভাবিনি, একদিন নিজের মেয়ের জন্য চিকিৎসার জন্য মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন করতে হবে।
আমি অনেক বড় বড় ফেসবুক পেজের অ্যাডমিন, জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরের কাছে বারবার অনুরোধ করেছি। বলেছি, "ভাই, স্যার, আমার অবস্থা খুব খারাপ। অনুগ্রহ করে আমার নিয়ে একটি পোস্ট করুন, হয়তো কিছু মানুষ দেখবে, হয়তো কেউ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে।"
অনেকেই আমার মেসেজ দেখেছেন, কেউ এক লাইনের উত্তর দিয়ে আর কোনো খোঁজ নেননি, আবার অনেকেই কোনো উত্তরই দেননি। কারও ব্যক্তিগত নম্বরে ফোন করেছি, হোয়াটসঅ্যাপে লিখেছি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো ফল পাইনি।
কিন্তু পাশে পেয়েছি প্রবাসী ভাইদের কে পাশে পেয়েছি ভাই বন্ধুদের কে পাশে পেয়েছি বড় ভাই ছোট ভাইদের কে পাশে পেয়েছি জানা অজানা অনেক মানুষ কে

তখন আর কিছু না ভেবে আল্লাহর নাম নিয়ে নিজের ছোট্ট ফেসবুক প্রোফাইল থেকেই আমার অসুস্থতার কথা বলা শুরু করলাম। একেবারে সাধারণ একটি মোবাইল ফোন দিয়ে তোলা ছবি, কোনো প্রফেশনাল ভিডিও নয়, কোনো এডিটিং নয়—শুধু নিজের বাস্তব জীবনের কষ্ট, চিকিৎসার পথচলা আর মেয়ের বেঁচে থাকার আকুতি মানুষের সামনে তুলে ধরেছি।
আর তখনই আল্লাহ আমাকে আপনাদের মতো অসাধারণ কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন।
আপনারা একজন সম্পূর্ণ অপরিচিত মানুষকে বিশ্বাস করেছেন। আমার পোস্ট শেয়ার করেছেন, অন্যদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন, উৎসাহ দিয়েছেন, পাশে থেকেছেন। অনেকেই হয়তো সামর্থ্য অনুযায়ী কিছু অর্থ দিয়েছেন, কিন্তু সেই সাহায্যের মূল্য আমার কাছে অনেক বড়। কারণ সেই টাকার সঙ্গে ছিল আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া আর আন্তরিকতা।
হয়তো চিকিৎসার জন্য যে বিপুল অর্থ প্রয়োজন, তার খুব অল্প অংশই আমি ফেসবুকের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পেরেছি। কিন্তু আমি পেয়েছি কয়েক হাজার টাকার চেয়েও অনেক বড় সম্পদ—লাখো মানুষের দোয়া, ভালোবাসা, আন্তরিকতা এবং আমার জন্য চোখের পানি ফেলা অসংখ্য অচেনা মানুষের হৃদয়।
সত্যি বলতে, এই ভালোবাসার যোগ্য আমি নিজেকে কখনোই ভাবিনি।😢
আজ আমি বিশ্বাস করি, পৃথিবীতে এখনো অনেক ভালো মানুষ আছেন। এমন মানুষ, যারা নিজের স্বার্থের আগে অন্যের কষ্ট অনুভব করতে পারেন। যারা কোনো প্রতিদানের আশা না করেই বিপদে থাকা একজন মানুষকে সাহায্য করেন। যারা এই কঠিন পৃথিবীর কঠিন সমাজের মাঝেও নিজের হৃদয়কে কোমল রাখতে পেরেছেন।
এসব কিছুই সম্ভব হয়েছে পরম করুণাময় আল্লাহর অসীম দয়া ও রহমতে। তিনি আপনাদেরকে আমার মেয়ের জীবনের কঠিনতম সময়ে অসিলা হিসেবে পাঠিয়েছেন। আল্লাহ যেন আপনাদের প্রত্যেকের জীবনে বরকত দান করেন, আপনাদের পরিবারকে সুস্থ, নিরাপদ ও সুখী রাখেন এবং দুনিয়া ও আখিরাতে উত্তম প্রতিদান দান করেন।
আমার মেয়ে যদি আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকে তাহলে আমিও চেষ্টা করবো আপনাদের মতো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে। যতটুকু সামর্থ্য হবে, ততটুকু নিয়েই মানুষের উপকার করার চেষ্টা করবো।
আমি আজীবন আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকবো।

এখনো অনেকটা চিকিৎসার পথ বাকী। কেমোথেরাপি শুরু থেকে প্রতিটি কেমো খুবই ব্যয়বহুল। আপনাদের নিকট আরো কিছু শেয়ার আশা করতেছি যাতে আরো কিছু মানুষের কাছে আমার আবেদন পৌছায়। অনেক সহৃদয়বান প্রবাসী ভাই আছেন আপনারা যদি আমার পাশে থাকতেন আমার আবেদন আরো কিছু ভাইয়ের কাছে পৌঁছে দিতেন খুব উপকার হতো।🙏
বিকাশ পার্সোনাল, +8801858221996
হিসাব নং 0114901013293
সোনালি ব্যাংক
ফার্মগেট ব্রাঞ্চ।
রাউটিং নাম্বার 200261452


আপনারা আমার মেয়ের জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন আমার মেয়ে কে সম্পূর্ণ সুস্থতা দান করেন এবং একদিন আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসে আপনাদের এই ভালোবাসার প্রতিদান মানুষের সেবা করার মাধ্যমে দিতে পারি।
আল্লাহ আপনাদের সবাইকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমীন।

সবার কাছে লাইক, অনেক অনেক কমেন্ট, ও সর্বোচ্চ শেয়ারের আকুতি থাকবে কারণ আপনারা এই পোস্ট টা নিয়ে যতবেশি এনগেজ থাকবেন পোস্ট টা ততোবেশি মানুষের কাছে ছড়িয়ে পড়বে।

22/07/2026

শিক্ষক, শিক্ষিকার চাকরি কতটা সম্মানের কতটা মর্যাদার, কিন্তু এই সম্মানের চাকরিটাকে কলঙ্কিত করেছে কিছু -শিক্ষক শিক্ষিকা নামধারী কুলাঙ্গার, লুচ্চা, বদমাইশ শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

বাংলাদেশের মতো জায়গায় মেয়েদের জন্য কোন চাকরি নিরাপদ নয়। 90% চাকরিজীবী মেয়েরা তার সহকর্মী, তার বস কিংবা কলিকের সাথে ইচ্ছা - অনিচ্ছায় নিজের মনের অজান্তে কোন না কোন সময় সম্পর্কে জড়িয়ে যায়।

তার নমুনা এই যে নিচের ছবিটা।
এমন হাজারো গল্প কাহিনী আছে আমাদের সমাজে যারা চাকরি করতে গিয়ে নিজের মূল্যবান সম্পদ হারিয়ে ফেলেছে।

তাই আপনার যদি সামর্থ্য থাকে নিজের বউকে ঘরে পর্দার মধ্যে রাখার চেষ্টা করুন। দুবেলা দুমুঠো ডাল ভাত একসাথে বসে খেয়ে শান্তিতে জীবন যাপন করতে পারবেন।

17/07/2026

নিজেরাই যু*দ্ধ-বি'ধ্ব'স্ত নানা স'মস্যায় জ'র্জরিত তবুও চট্টগ্রাম ও সিলেট বন্যায় বাংলাদেশের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে ফিলিস্তিন ও ইরান!

মানবতার এক অনন্য নজির দেখালে ফিলিস্তিন ও ইরান।

আজ ঢাকায় নিযুক্ত ফিলিস্তিন দূতাবাসের নেতৃত্বে এবং ওআইসি (OIC) ভুক্ত ১৮টি মুসলিম দেশের (যার মধ্যে ইরান দূতাবাস অন্যতম প্রধান অংশীদার) যৌথ উদ্যোগে চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত অসহায় মানুষের জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তা পাঠানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম ও সিলেটের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ২,০০০-এরও বেশি বন্যাকবলিত পরিবারের জন্য বিশেষ ‘রেডি-টু-ইট’ (রান্না ছাড়া খাওয়ার উপযোগী) ফুড বাস্কেট প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রতিটি প্যাকেটে রয়েছে:
চাল, চিড়া ও মুড়ি,পুষ্টিকর খেজুর, চিনি ও লবণ, বিশুদ্ধ খাবার পানি।

শ*ত্রুপক্ষের আ*ঘাতে নিজেরাই যেখানে জ*র্জরিত, সেই জায়গা থেকে বাংলাদেশের বন্যা কবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ঘটনায় বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

আন্তরিক ধন্যবাদ ফিলিস্তিন ও ইরান দূতাবাস এবং ওআইসি ভুক্ত সকল বন্ধু রাষ্ট্রকে! ❤️

17/07/2026

এই #ফটোগ্রাফি এর ইতিহাস 💕🥰✍️🤲🕋🕋
👇👉দুটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি আবিষ্কারের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল: প্রথমটি হল ক্যামেরা অস্পষ্ট ইমেজ প্রজেকশন, দ্বিতীয়টি হল আবিষ্কার যে কিছু পদার্থ আলোর এক্সপোজার দ্বারা দৃশ্যমানভাবে পরিবর্তিত হয়[২]। 18 তম শতাব্দীর আগে হালকা সংবেদনশীল উপকরণ দিয়ে ছবি তোলার কোন প্রচেষ্টা নির্দেশ করে এমন কোন শিল্পকর্ম বা বর্ণনা নেই।
লে গ্রাস ১৮২৬ বা ১৮২৭ এ জানালা থেকে দেখা দৃশ্য, মনে করা হয় যে এটি সবচেয়ে আগে বেঁচে থাকা ক্যামেরার ছবি। [১] আসল (বামে) এবং রঙিন পুনর্নবীকরণ (ডান)।
১৭১৭ সালের দিকে, জোহান হেইনরিচ শুলজ একটি বোতলের উপর কাটা-আউট অক্ষরগুলির ছবি তুলতে হালকা সংবেদনশীল স্লারি ব্যবহার করেছিলেন। তবে এই ফলাফলগুলো স্থায়ী করার চেষ্টা করেননি তিনি। 1800 এর কাছাকাছি, থমাস ওয়েডগউড প্রথম নির্ভরযোগ্যভাবে নথিভুক্ত করেছেন, যদিও স্থায়ী রূপে ক্যামেরার ছবি তোলার ব্যর্থ প্রচেষ্টা ছিল। তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা বিস্তারিত আলোকচিত্র তৈরি করেছিল, কিন্তু ওয়েডগউড এবং তার সহযোগী হামফ্রি ডেভি এই ছবিগুলিকে ঠিক করার কোন উপায় খুঁজে পাননি।
1826 সালে, Nicephore Niépce প্রথম একটি ছবি ঠিক করতে সক্ষম হয়েছিল যা একটি ক্যামেরা দিয়ে ধরা হয়েছিল, কিন্তু কমপক্ষে আট ঘন্টা বা এমনকি কয়েক দিন ক্যামেরার এক্সপোজার প্রয়োজন ছিল এবং প্রাথমিক ফলাফলগুলি খুব অপরিশোধিত ছিল। নিপেসের সহযোগী লুই ড্যাগেরেরে ড্যাগেররিওটাইপ প্রক্রিয়া বিকশিত করতে শুরু করেছেন, প্রথম প্রকাশ্যে ঘোষিত এবং বাণিজ্যিকভাবে কার্যকর ফটোগ্রাফিক প্রক্রিয়া। ড্যাগেররিওটাইপের ক্যামেরায় শুধুমাত্র কয়েক মিনিট এক্সপোজার প্রয়োজন, এবং পরিষ্কার, সূক্ষ্মভাবে বিস্তারিত ফলাফল তৈরি। ২ আগস্ট, ১৮৩৯ তারিখে ড্যাগেরে প্যারিসে চেম্বার অফ পিয়ারস-এ প্রক্রিয়াটির বিবরণ প্রদর্শন করেন। ১৯ আগস্ট ইনস্টিটিউট প্যালেস এ অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স এবং অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস এর একটি সভায় কারিগরি বিবরণ প্রকাশ করা হয়। (জনসাধারণকে আবিষ্কারের অধিকার প্রদানের জন্য, ড্যাগেররে এবং নিপেসেকে জীবনের জন্য উদার বার্ষিকী প্রদান করা হয়। )[3][4][5] যখন মেটাল ভিত্তিক ড্যাগেররিওটাইপ প্রক্রিয়া জনসাধারণের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদর্শিত হয়েছিল, তখন কাগজ-ভিত্তিক ক্যালোটাইপ নেতিবাচক এবং লবণ প্রাই এর প্রতিযোগী পদ্ধতি
আলহ #ফটোগ্রাফি এর ইতিহাস 💕🥰✍️🤲🕋🕋
দুটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি আব

15/07/2026

Website