Anik BD Story World
সত্যকে সবার সামনে তুলে ধরা-ই আমাদের মূল লক্ষ্য! Email us for business inquiry : [email protected]
22/09/2026
সম্প্রতি কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট 'ফজলুর রহমান' উরফে ফজা পাখলা বলেছেন- ‘এই গ্রামের কত ছেলে আছে যারা পরীক্ষা দিয়ে রিটেনে পাস করছে, কিন্তু ভাইভায় এলাউ হইতে পারে নাই। চাকরি পায়নাই।
রিটেনে পাস করার সঙ্গে সঙ্গে অ্যাডমিট কার্ড আমার কাছে নিয়া যাইবা। আমি যেখানে ফোন করা দরকার, সেই জায়গা মতন ফোন কইরা দেব। চাকরি ফাইনাল।’
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইটনা উপজেলার মৃগা ইউনিয়নের আমিরগঞ্জ-জনতাগঞ্জ বাজারে আয়োজিত জনসভায় তিনি এ বক্তব্য দেন।
মূলত স্থানীয় চাকরিপ্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ করার আহ্বান জানাতে এসব কথা বলেন তিনি।
ফজলুর রহমান আরও বলেন- ‘যখনই রিটেনে পাস করবে, আমি ওই ছেলেটার জন্য যেখানে গেলে চাকরিটা পাবে সেটা বলে দেব।’
22/09/2026
চিত্রনায়িকা 'তিন্নি' চেয়েছিলেন লাইফে একটা সেটেলমেন্ট। স্বামী 'হিল্লোল'কে ভীষণ ভালোবাসতেন। তাদের আগের সাক্ষাৎকার দেখলে বুঝা যায় হিল্লোলের প্রতি তিন্নির অবসেশন।
কিন্তু তার সেখানে কাল হয়ে দাঁড়ালো আরেক নারী। মেয়ে ওয়ারিশার জন্ম হয় ২০০৯ সালে। তখনই হিল্লোলের পরকিয়ার জের ধরে তিন্নি-হিল্লোলের ঝামেলা হয়। তিন্নি আলাদা থাকা শুরু করে।
হিল্লোলের চিটিং তিন্নিকে একেবারে ভেঙ্গে দেয়। সদ্য বাচ্চা জন্মের পর স্ট্রাগল, স্বামীর চিটিং সব মিলিয়ে সে ভয়াবহ ডিপ্রেশনে ভুগতে থাকে। কষ্ট ভুলে থাকতে নে**শায় জড়িয়ে পড়ে।
২০১২ সালে হিল্লোলের সাথে ডিভোর্স হবার পর, তারই স্বামী মিডিয়ায় ছড়ায়- তিন্নির নানান পুরুষ আসক্তি ছিলো, নেশায় বুদ থাকতো তাই সংসার টিকেনি! 😅
এতো ট্রমা সহ্য করতে না পেরে তিন্নি ২০১২ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত চিকিৎসা নেন রিহ্যাব সেন্টারে।
এক সময়ের সুন্দরীতমা, মডেল, দক্ষ অভিনেত্রী শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি ছিলেন প্রায় সবারই ক্রাশ! তার করা প্রতিটা বিজ্ঞাপন ছিলো অন্যরকম সুন্দর।
যদিও আমি খুব ছোট ছিলাম তখন কিন্তু যতবারই সুন্দরীতমা বিজ্ঞাপন টিভিতে দেখাতো আমি মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাকিয়ে থাকতাম আর ভাবতাম কত সুন্দরী সে!!
পোশাক, বাচনভঙ্গি, চাল-চলন সবদিক থেকে পারফেক্ট, স্মার্ট নারী ছিলো সে।
কিন্তু হিল্লোলের মতো পুরুষেরা এমন নারী, এতো ভালোবাসার যোগ্য হয়না, এটা আবারও প্রমাণ হলো।
তিন্নির দ্বিতীয় বিয়ের পরেও সেখানে বেশিদিন সংসার টিকেনি। দ্বিতীয় স্বামী তাকে সবরকম টর্চার করতো তাই ডিভোর্স দেন।
কিছুদিন আগে এক অনলাইন পডকাস্টে তিন্নি হোস্টের প্রশ্নের জবাবে বললো, অন্য কারোর ভুল ছিলো না। ভুল হয়তো আমারই ছিলো। তাই কেউ থাকেনি আমার সাথে।
তিন্নির অপরাধ ছিলো সে তার স্বামী হিল্লোলকে পাগলের মতো ভালোবাসতো। সে চেয়েছিলো স্বামী-সন্তান নিয়ে সুন্দর, সুখী একটা পরিবার।
কিন্তু দিনশেষে তিন্নি একা রয়ে গেলেন, কারণ তিন্নি বুঝেছেন, দুষ্ট গরুর থেকে শূণ্য গোয়াল অনেক ভালো।
তুমি হাসলে যেন একফালি চাঁদ,
না হাসলে পূর্ণিমা!
সুন্দরীতমা তিন্নি ভালো থাকুন।
-arithas gallery
#পরকিয়া
22/09/2026
এই পা*গ*ল করা হরিণী চোখের মেয়েটার প্রথম নাটক ছিল ‘বিপ্রতীপ’ সিরিয়াল দিয়ে সাড়া ফেলা দেয়া এই 'অগ্নিলা'কে এখনো মিস করে নাট্যপাড়া...😥
পৃথিবী সেরা অসম্ভব সুন্দর হরিণী চোখ সহ মায়াবী হাসি এবং অভিনয় মিলিয়ে সর্বাধিক মেধাবী হিসেবে জন্ম নেয়া সম্ভবত ছোটবেলা ও বড়বেলার এ-ই গুণী লিজেন্ড অভিনেত্রী- 'অগ্নিলা ইকবাল' এর শিশুকালে বিদেশ পাড়ি দেয়া কিংবা রাজনৈতিক কারণে দেশের প্রথম বেসরকারি একুশে টেলিভিশন চ্যানেলটা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়াতে ২১/২২ পর্ব পর্যন্ত চলা গিয়াস উদ্দিন সেলিমের রচনা ও পরিচালনায় সেই আমলের তুমুল জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক বিপ্রতীপ'র পরিসমাপ্তি ঘটেনি।
কারণ গল্প ও চরিত্র মিলিয়ে এই আলোচিত নাটকটি নতুন মুখ হিসেবে স্কুলের সেই সময়ের বয়সের খাপে নব্য শিশুশিল্পী অগ্নিলাকে কেন্দ্র করেই মূলত তৈরি করা হয়েছিলো।
[beauty with brain]
একক নাটক— কথা বন্ধু মিথিলা, তোমার আমার প্রেম এবং সবমিলিয়ে দুইদিনের অবসরে আবারো প্রথম পর্ব থেকে তৃতীয়বারের মতো দেখে নিলাম বিপ্রতীপ ধারাবাহিক নাটকটি। আর এই ধারাবাহিক/সিরিয়ালটি দেখার আরেকটা কারণ হলো পৃথিবীর সেরা তুর্কী ও হলিউডের মতো পারফেক্ট পারফরম্যান্সে সেই সময়ের প্রজেক্ট নির্ভর জ্ঞানচর্চায়— ভাষা, সংস্কৃতি, পোশাকআশাক সহ চিন্তাভাবনায় কতোটা উন্নত ছিলো উপমহাদেশের মধ্যে একমাত্র আমাদের সোনার বাংলাদেশ তথা নাট্যপাড়ার পরিবেশ।
❝কবিতার মতো সে চোখ দু'টো
এখন কোথায় তোমার?
যে চোখে অপলক দৃষ্টিতে -
আমায় আপ্লুত করে রাখতে...❞
মনে আছে কী তার কথা?
- Miron Samzid
22/09/2026
আমার যেদিন দুপুরে ডি*ভো*র্স হয়েছে। সেদিন সন্ধ্যাতেই জানতে পারলাম, আমার সাবেক স্বামীর প্রেমের বিয়ে হচ্ছে তারই এক্সের সঙ্গে। সবচেয়ে অবাক করা বিষয়—মেয়েটির বাড়ি ছিল তাদের বাড়ির একদম পাশেই! 😭
কিছুদিন পর জানতে পারলাম, আমাকে ডিভোর্স দেওয়ারও দুই দিন আগে তাদের বিয়ে হয়ে গিয়েছিল। আর সেই বিয়েতে নাকি আমার সাবেক স্বামীর নিজের বোনই সবকিছুতে সহযোগিতা করেছিল। 😢
সবকিছু জানার পর আমি একেবারে ভেঙে পড়েছিলাম। কী করব, কীভাবে নিজেকে সামলাব—কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। অবস্থা দেখে আমার ফ্যামিলি ডাক্তারকে ডাকা হলো। স্যালাইন দেওয়া হলো।
রাত প্রায় ১টার দিকে হাতে স্যালাইন নিয়েই ফেসবুকে ঢুকেছিলাম। আর তখনই চোখে পড়ল—আমার সাবেক স্বামীর নতুন বউ আমারই বেনারসি পরে বউ সেজে আছে! 😭
সেদিনের অনুভূতিটা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না।
পরের দিন থেকেই দেশে নানা অস্থিরতা, নেটওয়ার্কও বন্ধ ছিল। না হলে হয়তো আরও কত কিছু দেখতে হতো, কে জানে! 😔
সেই সময়টায় টানা দুই দিন-দুই রাত আমার চোখে ঘুম ছিল না। তিন দিন পর আমার ফুপুরা এসে আমাকে আর আমার বাবুকে তাদের বাসায় নিয়ে গেলেন। ❤️
আমি সকালে গ্রাম থেকে চলে এসেছিলাম। আর সেদিন দুপুরেই আমার সাবেক স্বামী তার নতুন বউকে নিয়ে মামাবাড়িতে বেড়াতে আসে। যে মেয়েটা আমার শাড়ি পরে, তাকে নিয়ে আমার বাড়ির সামনে দিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছে! 😭💔
ওর মামার বাড়ি ছিল আমাদের বাড়ির পাশেই। তারা সেখানে প্রায় ৩-৪ দিন ছিল। কিন্তু আমার পরিবার আমাকে কোনোভাবেই জানতে দেয়নি যে তারা গ্রামে এসেছে।
সেই সময় কতদিন যে ঠিকমতো খাওয়া-ঘুম হয়নি, তার হিসাব নেই। শুধু একটা কথাই মাথায় ঘুরত- যে সংসারটা আমি এত যত্ন করে গুছিয়েছিলাম, সেখানে এখন অন্য একজন!
প্রতিটা রাতে মনে হতো, যে মানুষটার পাশে এতদিন আমি ঘুমিয়েছি, এখন তার পাশে অন্য কেউ ঘুমাচ্ছে। এই চিন্তাটাই আমাকে ভেতর থেকে শেষ করে দিচ্ছিল। 💔
ধীরে ধীরে আমার শরীর-স্বাস্থ্য এতটাই খারাপ হয়ে গেল যে আমাকে দেখলে নিজের বয়সের চেয়ে অনেক বেশি বয়স্ক মনে হতো। শুকিয়ে যাচ্ছিলাম, চেহারার উজ্জ্বলতা হারিয়ে গিয়েছিল। শেষ কবে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়েছি, সেটাও মনে নেই।
তখন আশেপাশের সবাই আমাকে একটা কথাই বলত—
“তোমার ছেলের জন্য তোমাকে বাঁচতে হবে।”
আমি ধীরে ধীরে আমার ছেলেকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে শুরু করলাম।
আমার প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন আর বন্ধুবান্ধব—সবাই আমাকে অনেক মানসিক সাপোর্ট দিয়েছে। তাদের ভালোবাসা আমাকে আবার নতুন করে দাঁড়ানোর সাহস দিয়েছে। ❤️
কিন্তু গল্পটা এখানেই শেষ নয়।
একদিন বিকেলে পাশের এক ভাবি এসে জানালেন, আমার সাবেক স্বামীর বর্তমান স্ত্রী নাকি তাকে ডি*ভো*র্স দিয়ে দিয়েছে!😅
এরপর শুরু হলো নতুন করে চাপ। আমাকে বলা হলো, আমি যেন সবকিছু ভুলে তাদের ক্ষমা করে দিই। ছেলের কথা চিন্তা করে যেন আবার সেই সংসারে ফিরে যাই। 💔
এদিকে আমার সাবেক স্বামী নাকি এখন মামার বাড়িতে এসে ঘুরঘুর করছে, আমার জন্য কষ্ট পাচ্ছে!
কিন্তু মানুষ ভুলে যায়—একটা মেয়ের হৃদয় ভেঙে দেওয়ার পর শুধু “কষ্ট পাচ্ছি” বললেই সবকিছু আগের মতো হয়ে যায় না।
আমি ছোটবেলা থেকেই অনেক আদরে বড় হয়েছি। আব্বু-আম্মুর কাছে ভীষণ আদরের ছিলাম। এমনকি ছোটবেলায় গালে তুলে খাওয়ানো ছাড়া খাবারও খেতাম না। 🥺
সেই আমি সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য কত কিছু যে সহ্য করেছি! মুখ বুজে চাকরানির মতো জীবন কাটিয়েছি, গালি শুনেছি, আঘাত সহ্য করেছি। তবুও সংসারটা ধরে রাখার চেষ্টা করেছি।
কিন্তু এখন যত কিছুই হোক, আমি আর সেই সংসারে ফিরতে চাই না।
আমাকে নিয়ে কত অপবাদ, কত কথা যে বলা হয়েছে! আমার শাশুড়ি আর ননদ গ্রামে এসে কত অপমানজনক কথা ছড়িয়েছে, তার কোনো হিসাব নেই। 😔
শাশুড়ি শুরু থেকেই আমাকে পছন্দ করতেন না। কেন এতটা বিরূপ ছিলেন, আজও বুঝতে পারিনি। একই গ্রামের মেয়ে হওয়ার কারণে, নাকি অন্য কোনো পুরোনো কারণ ছিল। জানি না।
ডিভোর্সের প্রায় পাঁচ মাস পর, তিন দিন আগে আমার এক্স আমার ছেলেকে দেখতে এসেছিল। কিন্তু আমি তাকে ছেলেকে দেখতে দিইনি।
যে মানুষ এতদিন নিজের সন্তানকে ছেড়ে থাকতে পেরেছে, তার জন্য আমার মনে হয় দূরে থাকাটাও কঠিন হওয়ার কথা নয়। 💔
আলহামদুলিল্লাহ, এখন আমি আগের চেয়ে অনেক ভালো আছি। আমার বাচ্চাকে নিয়ে ভালো আছি। ❤️
ওর মামা-মামি আর নানীর চোখের মণি আমার সোনাটা। 🥰
এখন আমার একটাই স্বপ্ন—আমার ছেলেকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা।
সবাই আমার সন্তানের জন্য দোয়া করবেন।
আমি চাই, সে যেন তার জীবনে ভালো মূল্যবোধ নিয়ে বড় হয়। যেন কারও প্রতি অন্যায় না করে, কাউকে কষ্ট দিয়ে নিজের সুখ খুঁজে না নেয়।
কারণ শুধু মানুষ হয়ে জন্মালেই মানুষ হওয়া যায় না। মানুষ হতে হলে মনুষ্যত্বও থাকতে হয়।
১০ বছর বয়সেই আমি আমার আব্বুকে হারিয়েছি। সবাই বলত, আমি নাকি আব্বুর খুব আদরের, খুব শখের মেয়ে ছিলাম।
সেই মেয়েটার জীবন আজ কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে!
জীবন আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। অনেক কিছু দিয়েছে, আবার অনেক কিছু কেড়েও নিয়েছে।
তারপরও সবশেষে আমি শুধু একটাই কথা বলতে চাই
আলহামদুলিল্লাহ। 🤲
আচ্ছা আমি কী ভুল কিছু করেছি?
- অন বিহাফ
22/09/2026
আমি জীবনে প্রায় দশ হাজার খাতা দেখেছি। বাংলা পরীক্ষার খাতা। লাল কালির কলম দিয়ে নম্বর দিয়েছি। কোথাও আট। কোথাও বারো। কোথাও পঁচিশ। কোথাও শূন্য। মানুষের লেখা দেখে মানুষকে বিচার করা আমার পেশা ছিল। কখনো ভাবিনি, একদিন একটা খাতা আমার নিজের জীবনটাকেই বিচার করবে।
ঘটনাটা আজ থেকে প্রায় বাইশ বছর আগের।
তখন আমি মোহনগঞ্জ হাই স্কুলের শিক্ষক। নবম শ্রেণির খাতা দেখতাম। সেবার একটা রচনা ছিল, “আমার দেখা একটি বর্ষার দিন।”
বেশিরভাগ ছাত্র একই কথা লিখেছিল। বৃষ্টি। কাদামাটি। ছাতা। ভেজা রাস্তা। খিচুড়ি। নদী। কারও কারও লেখায় রবীন্দ্রনাথও এসেছিলেন। কারও লেখায় নজরুল। কেউ লিখেছিল, “বর্ষা আমার প্রিয় ঋতু।” কেউ লিখেছিল, “বর্ষার সৌন্দর্য অপরূপ।” সবই পরিচিত কথা।
তারপর একটা খাতা পেলাম। খাতাটা অন্যগুলোর মতো ছিল না। ছেলেটা লিখেছিল,
“আমাদের বাড়িতে বৃষ্টি হলে মা হাঁড়ির নিচে আরেকটা হাঁড়ি বসায়। কারণ ছাদ দিয়ে পানি পড়ে।”
আমি পড়তে থাকলাম।
“আমার মা বলে, বৃষ্টি ভালো। কারণ বৃষ্টি হলে ধুলো কমে।”
তারপর,
“আমি বৃষ্টি পছন্দ করি না।”
পরের লাইনে কারণ লিখেছে,
“বৃষ্টির দিনে বাবার মেজাজ খারাপ থাকে।”
আমি একটু থেমে গেলাম।
ছেলেটা লিখেছে,
“বাবা রিকশা চালায়। বৃষ্টি হলে মানুষ রিকশায় কম ওঠে। তাই সেদিন আমাদের ভাত কম হয়।”
তারপর শেষ দিকে একটা লাইন,
“আমি বড় হয়ে এমন একটা কাজ করতে চাই, যেদিন বৃষ্টি হলে কারও ভাত কমবে না।”
আমি অবাক হয়ে দেখলাম, ছেলেটা সবগুলো প্রশ্নের উত্তর লেখেনি। মাত্র তিনটা প্রশ্নের উত্তর লিখেছে। বাকী দুইটাতে তেরো পেয়েছে। অর্থাৎ রচনায় বিশের মধ্যে বিশ না পেলে ছেলেটা ফেইল করবে।
জানি না কেন, আমি আমার শিক্ষাগত জীবনে প্রথমবারের মতো নিয়ম ভাঙলাম। আমি খাতাটা বন্ধ করলাম। উপরে নম্বর দিলাম, ৩৩।
৩৩ খুব বেশি নম্বর না। ছেলেটা ভালো লিখেছিল।
আমি খাতার উপর ছোট করে লিখে দিলাম,
“ভাষা ভালো। নিজের অভিজ্ঞতা ধরে রাখবে।”
সেদিন প্রায় একশো বিশটা খাতা দেখেছিলাম। রাতে বাসায় ফিরে খাতাটার কথা ভুলে গেলাম।
বারোদিন পর স্কুল থেকে একটা চিঠি এলো। কয়েকটা খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য পাঠানো হয়েছে। একটা খাতায় অভিযোগ, নম্বর বেশি দেওয়া হয়েছে। খাতাটা আমার হাতে এলো। আমি নাম দেখে চিনতে পারলাম। সেই ছেলেটা। নাম,
সাইফুল ইসলাম। তার নম্বর ৩৩ থেকে ২০ করার সুপারিশ করা হয়েছে।
কারণ হিসেবে হেডস্যার লিখেছেন,
“অতিরিক্ত আবেগপ্রবণ। প্রশ্নের বিষয়বস্তু যথাযথভাবে উপস্থাপিত হয়নি।”
আমি আবার খাতাটা পড়লাম। একই লেখা। একই বৃষ্টি। একই ভাঙা ছাদ। একই রিকশাওয়ালা বাবা। আমি ৩৩ ই রাখলাম।
হেডস্যার আমার উপর প্রচন্ড ক্ষিপ্ত হলেন। এই কারণেই কি-না, মাসখানেক পর আমাকে রাঙামাটি সরকারি হাইস্কুলে বদলি করা হলো।
তারপর অনেক বছর কেটে গেল।
আমি অবসর নিলাম। আমার ছাত্ররা দেশের নানা জায়গায় ছড়িয়ে গেল। কেউ ডাক্তার। কেউ ব্যাংকার। কেউ শিক্ষক। কেউ বিদেশে। কেউ আর কোনোদিন যোগাযোগ করেনি। এটাই স্বাভাবিক। শিক্ষকের জীবনে ছাত্ররা আসে। থাকে।তারপর চলে যায়। শুধু কিছু খাতা থেকে যায়। কিছু বাক্য থেকে যায়।
একদিন দুপুরে আমার বাসায় একজন যুবক এল। বয়স পয়ত্রিশের কাছাকাছি। পরনে খুব সাধারণ শার্ট। হাতে একটা ফাইল।
সে বলল,
“স্যার, আমাকে চিনেছেন?”
আমি বললাম,
“চেহারা পরিচিত লাগছে।”
সে হাসল।
“চিনবেন না।”
তারপর ফাইল খুলে একটা পুরোনো কাগজ বের করল।
আমার লেখা।
লাল কালিতে।
“ভাষা ভালো। নিজের অভিজ্ঞতা ধরে রাখবে।”
আমি অনেকক্ষণ কাগজটার দিকে তাকিয়ে থাকলাম।
তারপর বললাম,
“সাইফুল?”
সে মাথা নেড়ে হাসল।
“জি।”
আমি অবাক হয়ে বললাম,
“এত বছর পর?”
“আপনাকে একটা জিনিস দেখাতে আসছি।”
সে ফাইল থেকে একটা ছবি বের করল। ছবিতে একটা বড় ঘর। অনেকগুলো মেশিন।
দেয়ালে লেখা,
“বৃষ্টির দিনেও কাজ বন্ধ হবে না।”
আমি ছবিটার দিকে তাকিয়ে বললাম,
“এটা কী?”
সে বলল,
“আমার কারখানা।”
“তুমি কারখানা করেছ?”
“জি।”
“কী তৈরি করো?”
“রেইনকোট।”
আমি হেসে ফেললাম।
সে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইল।
আমি তাকে চা দিলাম।
সে বলল,
“স্যার, আমি একটা কথা বলতে চাই।”
“বলো।”
“আপনি যদি ঐ খাতায় ৩৩ না দিতেন!”
সে থেমে গেল।
“তাহলে?”
“বাবা আমার লেখাপড়া বন্ধ করে দিতো।”
তারপর একটা লম্বা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো।
”হয়তো বাবার মতো আমাকেও রিকশা চালাতে হতো।”
আমি জিজ্ঞেস করলাম,
“তুমি সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দাওনি কেন?”
সে একটু নিচের দিকে তাকাল।
“আমার মা খুব অসুস্থ ছিল।”
আমি চুপ করে শুনছিলাম।
“নেত্রকোনা হাসপাতালে ভর্তি ছিল। পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময়ও জানতাম না মা বাঁচবে কি না। হলের মধ্যে বসে বারবার মনে হচ্ছিল, আমি এখানে কী করছি?”
সে একটু থামল।
“সেদিন আমার মাথায় পরীক্ষা ছিল না, স্যার। শুধু মনে হচ্ছিল, মা একা শুয়ে আছে।”
“তোমার মা?”
“একমাস পর মারা গেছেন।”
আমি কিছুক্ষণ চুপ করে রইলাম।
বললাম,
“কলেজে ভর্তি হয়েছিলে?”
“জি”
“বিশ্ববিদ্যালয়?”
“জি?”
“কী নিয়ে পড়েছো?
“টেক্সটাইল।”
আমি হেসে বললাম,
“তাহলে রেইনকোটের সঙ্গে সম্পর্ক আছে।”
সে বলল,
“আছে।”
তারপর কিছুক্ষণ চুপ করে থাকল।
“কিন্তু আমার আসল কাজ অন্য।”
“কী?”
সে জানালার দিকে তাকিয়ে বলল,
“আমি এমন কাপড় বানানোর চেষ্টা করি যেটা খুব সস্তায় মানুষের শরীর শুকনো রাখতে পারে।”
আমি বললাম,
“কেন?”
সে আমার দিকে তাকাল।
“কারণ আমি বৃষ্টিতে ভাত কম খেয়েছি।”
আমি আর কথা বললাম না। তারপর সে আমাকে কারখানায় নিয়ে গেল। বিশাল কারখানা। হাজারের উপর কর্মী। বেশিরভাগই নারী।
একটা মেশিনের সামনে দাঁড়িয়ে সাইফুল বলল,
“বৃষ্টি হলে এখানে কারো ভাতের অভাব হয় না।”
আমি বললাম,
“তুমি কি সব কর্মীকে বৃষ্টির দিনে বাড়তি টাকা দাও?”
সে বলল,
“না।”
“তাহলে?”
“বৃষ্টি হলে কাজ বেশি দিই।”
আমি বুঝলাম না।
সে বলল,
“বাইরে যারা রাস্তায় কাজ করতে পারে না, তাদের জন্য এই কারখানাটা খোলা থাকে।”
তারপর আরেকটা মেশিনের পাশে গিয়ে দাঁড়াল।
একজন মহিলা সেলাই করছিল।
সাইফুল তাকে বলল,
“খালা, আজ কয়টা?”
মহিলা বললো,
“বত্রিশ।”
সাইফুল হেসে বলল,
“ঠিক আছে।”
আমি জিজ্ঞেস করলাম,
“তার নাম?”
“শাহিদা।”
“কতদিন ধরে কাজ করে?”
“দুই বছর।”
শাহিদা আমাদের দিকে তাকিয়ে একটু হাসলো।
তারপর আবার কাজ করতে লাগলো।
বাড়ি ফেরার আগে সে আমাকে একটা ছোট প্যাকেট দিল।
আমি বললাম,
“এটা কী?”
“পড়ে খুলে দেখবেন।”
“কেন?”
“আমার সামনে খুললে আমি লজ্জা পাব।”
আমি হেসে প্যাকেটটা নিলাম।
বাড়ি ফেরার পথে খুলে দেখি, একটা রেইনকোট। খুব সুন্দর। ভেতরে ছোট একটা কাগজ। তাতে লেখা- “স্যার, আপনি আমাকে নম্বর দিয়েছিলেন। আমি শুধু চেষ্টা করেছি, নম্বরটার মান রাখতে।”
আমি অনেকক্ষণ কাগজটা হাতে নিয়ে বসে থাকলাম। সময়টা উদযাপন করতেই কি-না, বৃষ্টি পড়তে শুরু করলো। আমি রেইনকোটটা ব্যাগ থেকে বের করে গায়ে দিলাম। রাস্তা ভিজে যাচ্ছিল। রিকশাগুলো ধীরে চলছিল। দোকানের টিনের চাল থেকে পানি পড়ছিল। একটা বাচ্চা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে ছিল। তার হাতে ছাতা নেই। কিন্তু সে ভয় পাচ্ছিল না। আমি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে তাকে দেখলাম। তারপর হঠাৎ মনে হলো, মাঝে মাঝে পৃথিবীর এক প্রান্তে নিয়ম ভাঙতে হয়, যেন পৃথিবীর আরেক প্রান্তে দারুণ কিছু গড়ে ওঠে।
আমি হয়তো সারা জীবন খাতায় নম্বর দিয়েছি। কিন্তু সেদিন প্রথমবারের মতো বুঝতে পেরেছি, কখনো কখনো একজন শিক্ষক শুধুমাত্র ছাত্রের খাতা দেখেন না। তার সামনে পড়ে থাকে একজন মানুষের ভবিষ্যৎ। আর সেই ভবিষ্যৎকে পাশ করিয়ে দেওয়ার জন্য সামান্য কয়টা নম্বরই যথেষ্ট!
-লেকখ : Sohel R Rahman
22/09/2026
দেশ-শ*ত্রু শেখ হাসিনা যতবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণের জন্য গেছে অধিকাংশ সময়ই কিন্তু সবচাইতে ব্যয়-বহুল 'বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের' নিয়মিত ফ্লাইট ব্যবহার করতো।
জাতিসংঘে যাওয়ার সময় কিংবা আসার সময় যাত্রীদের সাথে শেখ হাসিনার এমন নিয়মিত ফ্লাইটের শত শত ছবি এবং ভিডিও আছে।
অথচ অপরদিকে দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে, দেশের টাকা যেন নষ্ট না হয়, তাই আজ জনাব 'তারেক রহমান' গেলেন সবচাইতে সস্তা বিমান 'টার্কিশ এয়ারলাইন্সের আভিজাত ফ্লাইটে।'
যেখানে তিনি একজন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উনার উচিত ছিলো প্রাইভেট জ্যাটে করে যাওয়া।
তারপর আরও দেখলাম তুরস্কে নেমে উনি লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার কিনে খাচ্ছেন সাধারণ সেজে। অথচ সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো- উনি যে ফ্লাইটে গেছেন সেই ফ্লাইটে সুস্বাদু খাবার, বিশেষ ডায়েট এবং শারীরিক প্রয়োজনের জন্য স্পেশাল মিল থাকে। কিন্তু ১০০৳ টাকার বাজেটের ভেতরে খাবার না পাওয়ায় তিনি খেলেন না।💔
ডায়াবেটিক মিল, গ্লুটেন-ফ্রি মিল, ভেগান ও ভেজিটেরিয়ান ও হালাল ফুড থাকে। সাধারণ খাবারের মধ্যে মুরগির মাংস, গরুর মাংস ও পাস্তা থাকে। মিষ্টি বা ডেজার্ট হিসাবে চকলেট বা ঐতিহ্যবাহী তার্কি প্রেস্ট্রি থাকে। কমলা বা আপেলের জুস, সফট ড্রিকস, চা ও কপি এবং ওয়াইন বা বিয়ার থাকে। তাহলে ভাইয়ার আর কি খাবারের দরকার ছিলো? তবুও ভায়া কার্ড বানাতে প্রচূর পয়সা খরচ হয়ে যাওয়ায় সেসব কিছুই খেলেন না।💔
ভায়া'র এমন মহামানবতা ছড়িয়ে পড়ুক বিশ্বজুড়ে। বিশ্ব নেতারা ভায়া'কে দেখে কিছু শিখুক।
জামাত আর আমীলীগের নিন্দুকের দেশের উন্নয়ন সহ্য করতে না পেরে গু*জ*ব রটিয়ে যাচ্ছে, আমরা কী তাহলে হীরার মতন সরকারের কদর করতে জানি না?
সমস্যা নেই, নিন্দুকদের নরম হাতে প্রতিহত করার জন্য শালাউদ্দিন নতুন সংবিধান তৈরি করছে শীঘ্রই।
লিখেছেন- "একজন তারেক সৈনিক 'নয়ন।'
21/09/2026
মনে আছে কি? ২০১৪ সালের এপ্রিল। নেদারল্যান্ডসের দুই তরুণী ক্রিস ক্রেমার্স ও লিসান ফ্রুন পানামার এল পিয়ানিস্তা ট্রেইলে হাঁটতে বেরিয়েছিলেন। পরিকল্পনা ছিল সেদিনই ফিরে আসার। কিন্তু তারা আর ফেরেননি।
নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাদের ফোন থেকে জরুরি নম্বরে কল করার চেষ্টা শুরু হয়। জঙ্গলের গভীরে নেটওয়ার্ক না থাকায় কলগুলো সংযোগ পায়নি। পরবর্তী কয়েক দিন ফোন দুটো বারবার চালু করে জরুরি কলের চেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে সেই তৎপরতাও বন্ধ হয়ে যায়।
প্রায় ১০ সপ্তাহ পর নদীর ধারে একটি ব্যাকপ্যাক খুঁজে পান স্থানীয় এক নারী। ব্যাগের ভেতরে ছিল দুই তরুণীর ফোন, লিসানের ক্যামেরা, সানগ্লাস, পানির বোতল এবং কিছু নগদ অর্থ।
সবচেয়ে রহস্যজনক তথ্য পাওয়া যায় ক্যামেরা থেকে।
নিখোঁজ হওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ পর গভীর রাতে ক্যামেরাটি দিয়ে প্রায় ৯০টি ছবি তোলা হয়েছিল। বেশিরভাগ ছবিতে অন্ধকারের মধ্যে পাথর, গাছপালা ও আশপাশের কিছু অংশ দেখা যায়। একটি ছবিতে দেখা যায় ক্রিসের মাথার পেছনের অংশ।
পরে নদীর কাছাকাছি ক্রিসের শর্টস পাওয়া যায়। আরও অনুসন্ধানে একটি বুটের ভেতরে লিসানের পায়ের অংশ, ক্রিসের পেলভিসের অংশ এবং দুজনেরই আরও কিছু হাড়গোড় উদ্ধার হয়। তাদের দেহের বেশিরভাগ অংশ আর কখনো পাওয়া যায়নি।
সরকারি তদন্তে দুর্ঘটনা, পথ হারানো এবং পরে প্রাকৃতিক কারণে মৃত্যুর সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দেওয়া হলেও, ঘটনাটির বেশ কিছু অস্বাভাবিক দিক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন রয়ে গেছে। রাতের ছবিগুলো কেন তোলা হয়েছিল, শেষ কয়েক দিনে ঠিক কী ঘটেছিল এবং দুজন কীভাবে নদীর ওই এলাকায় পৌঁছালেন, তার পূর্ণাঙ্গ উত্তর আজও পাওয়া যায়নি।
এ কারণেই ক্রিস ক্রেমার্স ও লিসান ফ্রুনের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা এক দশক পরও বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত অমীমাংসিত ভ্রমণ-রহস্যগুলোর একটি হয়ে আছে আজও।
#নিখোজ
21/09/2026
প্রধানমন্ত্রী 'তারেক রহমানে'র সবচেয়ে প্রিয় 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ' এর পূত্র 'সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ'
জুলাইয়ের আগে তিনি ছিলেন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের
সাধারণ একজন শিক্ষক। সাধারণ মানুষের মতই ক্লাস নিতেন আর বাড়ি ফিরতেন। খুবই সাধারণ জীবনযাপন ছিলো তার।
তার বাবা নাকি ভা*র*তে ১৭ বছর গর্তের ভেতরে গু**ম ছিলো। অথচ পুরো জুলাই আন্দোলনে সোশাল মিডিয়ায় সরকারের বিপক্ষে একটা শব্দও লিখে প্রতিবাদ জানানোর সৎ-সাহস হয়নি এই বীর পুত্র'র।
অথচ জুলাইয়ের এই বাংলাদেশে নির্বাচনের পর তার বাবার সরকারি দাপটে তিনি বনে গেছেন 'বিসিবি'র উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।
এমনকি কোনধরনের অভিজ্ঞতা ছাড়াই তার কোম্পানী প্রায় ৬০০ কোটি টাকার কমিশনের জাপানি কোম্পানির লোকাল এজেন্ট হিসেবে কাজ পেয়েছে।
মূলত এরাই হলো জুলাইয়ের সর্বোচ্চ ফলভোগি, আর তার বাবা আজ মন্ত্রীত্বের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করে উঠতে বসতে আমাদের সংবিধান শেখাচ্ছেন।
আর এগুলো নিয়েই জনগন যখন প্রতিবাদ করছে তখন এদের দলীয় চ্যালা-চামুন্ডারা এদেরকে ডিফেন্ড করে আমাদের উপর কমেন্ট-বক্সে হা**য়ে**নার হা**মলে পড়ছে।
অপরদিকে 'হাসিনার' আমলে যে 'সাইবার সিকিউরিটি' আইন ছিল, যেটা প্রয়োগ করে যাকে তাকে তুলে নিয়ে যেত! সেই আইন 'ইউনুস' সরকারের আমলেই বাতিল হবার কথা ছিলো।
অথচ সেই আইনকে বাতিল করার পরিবর্তে সেটিকে আবার নতুন করে জীবিত করেছে 'বিএনপি সরকার'! মিথ্যে মনে হলে গুগলে খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন।
তারা এই 'সাইবার সিকিউরিটি' আইনকে জীবিত করেছে এবং তার সাথে আরও কিছু নতুন বিধিনিষেধ যোগও করেছে।
অর্থাৎ হাসিনার চেয়েও কঠোর ভাবে ধমন করার জন্য বানাচ্ছে জনগনের গা*লা-গা*লি বন্ধ করার জন্য, কণ্ঠরোধ করার জন্য!
মানে এরা দেশটাকে লুটেপুটে খাবে,মন্ত্রীত্বের চেয়ারে বসে আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটাবে, সাধারণ মানুষের লা**শে**র বন্যা বয়ে যাবে, রোজ ৭৫টা শি**শু অ**প**হরণ হবে, অথচ আমরা কিছু বলতে পারবোনা!
এরা যদি জুলাইয়ের সর্বোচ্চ ফলভোগী না হয়, তাহলে জুলাইয়ের ফলভোগী কারা? আপনারাই কন?
- Asadul Islam
21/09/2026
একপ্লেট ভাত এর জন্য এই কাজ কিভাবে করলি রে জা** *নোয়ার? তোর দলের সরকার ক্ষমতায় আছে বলে কী যা খুশি তা করবি?
আজমল ছেলেটারে পি**টাইতে পিটা**ইতে দুনিয়া থেকেই স**রিয়ে দিতে হইল?
বলছি‚ দেশটা কী মগের মুল্লুক হয়ে গেছে?
এই ঘটনাটি তখনই ঘটাইছে, যখন দেশের মানুষ 'অপ্রতিম' এর ঘটনা নিয়ে সবাই ব্যস্ত।
খুলনার এক মেসে ঘটে এই হৃদয় বিদারক ঘটনা।
নি*&হত আজমুলের বাবা কান্নারত অবস্থায় আকুতি করছে- “আমি কার কাছে এ বিচার দিব? আমি কারো কাছে বিচার দিব না। বিচার দিলে হয়তো আমাকেও ওরা বাঁ**চতে দিবে না, আমরা গরিব মানুষ‚ বাড়ি অনেক দূরে। শুধু আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম!”
বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্যমতে‚ চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থেকে বুকে একরাশ স্বপ্ন নিয়ে খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন ২১ বছরের আজমুল হোসেন।
কিন্তু নতুন শহরের পড়াশোনার বয়স মাত্র ১০ দিন পার হতেই নি**ভে গেল তার জীবন-প্রদী°প।
শুক্রবার রাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের একটি ছাত্রাবাসে ঘটে যায় এই মর্মা°ন্তিক নৃ"শং"সতা। আজমুলের অ°প°রাধ ছিল— " সে, সেদিন গ্রামের বাড়ি থেকে ফিরে, মেসে অন্য একজনের খাবার খেয়ে ফেলেছিল, কারণ সেদিন তার খাবার আসেনি! আর যার খাবার খেয়েছিল, সে অনেক রাত হয়ে যাবার পরেও আসেনি, তাই ফিরে আসবে না ভেবেই খেয়ে ফেলে। এটাই তার জীবনে কাল হয়ে দাড়ায়।
আজমুলকে সামান্য ভাত খাওয়ার অ°পরা°ধে মেসের কয়েকজন ও বহিরাগত যুবক তাকে চারতলার ছাদে ঘা**ড় ধরে টে*নে নিয়ে যায়। আজমুল অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চাওয়ার পরেও রক্ষা হয়নি তার।
সেখানে চালায় নির্মম নি**র্যা--তন। এমনকি ওই অবস্থায় তার বাবার কাছে এক লাখ টাকার মুক্তিপণও চাদা দাবি করা হয়। বাবা হতদরিদ্র, তাই টাকা দিতে পারবে না জানায়। হাতজোড় করে ছেলের প্রাণ ভিক্ষা চায় বাবা।
তবুও দয়া না করে, টাকা না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে - নি*র্যা*তনের একপর্যায়ে তাকে চারতলার ছাদ থেকেই নি**চে ফে**(লে দেওয়া হয়।
গুরুতর অবস্থায় হসপিটালে নিলেও ছেলেটাকে আর ফেরানো যায়নি!
মানে‚ কোনদেশে বসবাস করছি অনেকক্ষণ ভাবলাম। মেসের নিয়ম আগে মিল দিতে হয়। কিন্তু মাত্র ১০ হইছে মেসে জয়েনিং করা সম্পূর্ণ নতুন একটা ছেলে না হয় বুঝে নাই। তাই বলে তাকে এভাবে ভাত খাওয়ার অপরাধে মে**রেই ফেলতে হবে? মনে হচ্ছে- সরকারি ছাত্রদলের জন্য মানুষ মা/***রা এখন ফরজ হয়ে গেছে! আহারে মানুষ। 😅
20/09/2026
লু*চ্চা লম্পট গাজী নজরুলের ভিডিও ভাই**রাল হবার পর ঘরের দরজা খুলে প্রবেশ ও গো-পন ভিডিও ছড়ানোর তীব্র প্রতিবাদ করেছি আমি।
পরবর্তীতে সে বিয়ে করে এবং আরো এক নারীর সাথে ভিডিও ভাই**রাল হয়।
আমি বলেছিলাম এভাবে কারো কক্ষে ঢোকা এবং ভিডিও ভাই*রাল করা সম্পূর্ণ অনৈতিক।
অনেকে আমাকে গা*লি দিয়েছেন। এমনকি জামাত পর্যন্ত বলেছেন।
এখন দেখেন আপনাদের কাজের ফলাফল।
আপনারা একটি নারীকে মে**রে ফেলেছেন।
আমি গাজী নজরুলের কট্টর সমালোচক হওয়া সত্বেও বলেছি কাজটা ভালো হয় নাই।
share পর্যন্ত করি নাই।
এবার বোঝা গেল ইসলাম যে সঠিক?
জি ইসলামে আপনাদের শা**স্তি হতো অন্যের গো**পন ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেওয়া নিয়ে।
আপনারা যা করেছেন খুব সম্ভবত তার কারণে একটি প্রাণ ঝরে গেল। এই দায় কত বড় ভাবতে পারেন?😅
( হতেও পারে দুই মাস পর অন্য কারণে এই মৃ***ত্যু ঘটেছে কিন্তু তারমানে এই না যে আপনি দায় মুক্ত)
- মোহাইমিন পাটোয়ারী
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Website
Address
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Anik BD Story World posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.