Bulbul Ahommed
আমি আমার মত, নিজের সুখ দুঃখ নিয়ে নয় বা ভাবলাম কিন্ত অন্যায় গুলো আমি মানতে পারি না, তাই প্রতিবাদ
দাদা, দাদা | অধীর চৌধুরীকে নিয়ে নতুন গান | A new Song for Adhir Chowdhury s |
আমি আগেও বলেছি আবারও বলছি নওদা বিধান সভায় তৃণমূলের প্রার্থী আর কেউ নয় শাহিনা মমতাজই - এবার যদি কংগ্রেসের কোনো সৎ ও ভালো মুখকে প্রার্থী করে তাহলে বাজিমাত কংগ্রেসের হবে, আমার চোখে নওদার যোগ্য মূখ ডক্টর শাহনওয়াজ খান
মাননীয় অধীর চৌধুরীর ভাবনা অনুযায়ী নওদা বিধানসভাতেও তৃণমূলের কোনো ছাটমাল কংগ্রেসের প্রার্থী হবে না - সেক্ষেত্রে ডক্টর বা প্রফেসরের জায়গা হতে পারে
গান টি শুনুন #কংগ্রেস #ভাইরালভিডিওシ #গ্রামের #মানবিক #মোটিভেশন #স্পীচ
সুনো কংগ্রেস সময় আছে আসল কর্মীদের সন্মান দাও | আমার প্রতিবাদ হাজারো অপমানিত আসল কর্মীদের আর্তনাদ | #কংগ্রেস
রোজার মাসেও রেহাই নেই , প্রতি রাতে আলি নগর গ্রামের মধ্যে দিয়ে ট্রাক্টর চলাচল করছে , রাত্রী 1টা থেকে শুরু 15 ,20 টা ট্রাক্টর দ্রুত গতিতে চলাচল করছে মাটি নিয়ে,, এই রাতে রোজ রোজ গাড়ি চলাচল করা কি আইনি? আমি আজ প্রতিবাদ করে বন্ধ করার চেষ্টা করেছি #ভাইরালভিডিওシ #মানবিক #গ্রামের
প্রার্থী করার সময় ভাববে না সে বেরানু কিনা সেটা ভাববা না আর দলের টিকিটে জয়লাভ করে দল ত্যাগ করে তৃণমূলে গেলে তার দোষ হয়ে গেলো; আগে সঠিক লোক কে সঠিক জায়গা দাও তারপর দোষারূপ দাও,আমি কংগ্রেসকে, কংগ্রেস দলের প্রার্থী হিসাবে দেখতে চাই, তৃণমূলের চামচাদের নয় যাঁরা কংগ্রেসে এসে প্রমশন হতে চাই তাদের নয়,
দুর্দিনে যারা কংগ্রেস কর্মী ছিলেন, শুধুমাত্র দল বদলু দের সৌজন্যে প্রতিনিয়ত অবহেহেলিত হওয়া আসল কর্মীদের দূর দূর করার প্রতিবাদ হিসাবে কংগ্রেস প্রায় ছেড়ে দিয়েছি এবার যদি দলবদলুদেরই যদি দল প্রার্থী করে তাহলে নিজের ভোট টাও চাইতে আসলে জুতো পেটা করবো,, কংগ্রেসের প্রার্থী কংগ্রেস দলেরই হতে হবে সেটা কলাগাছ হলেও চলবে
যে সভায় যোগ্যতা চুপ করে থাকে আর অযোগ্যতা তালি পায়,
সে সভা ছেড়ে বেরিয়ে আসাই বুদ্ধিমানের কাজ।
কারণ সম্মান না পাওয়া জায়গায় টিকে থাকা নয়,
নিজের মূল্য বুঝে সরে আসাই আত্মমর্যাদার আসন।
#মোটিভেশন
#স্পীচ
যে মাটিতে বীজের কদর নেই, সেখানে ফুল ফোটানোর চেষ্টা বৃথা।
যেখানে তোমার আবেগের ভাষা বোঝে না কেউ, সেখানে নীরবতাই শ্রেষ্ঠ উত্তর।
যে আয়নায় যোগ্যতার প্রতিবিম্ব নয়, তাচ্ছিল্যের ছায়া পড়ে—
সেখানে দাঁড়িয়ে নিজেকে ছোট করা নয়,
সেখান থেকে সরে আসাই আত্মসম্মানের প্রকৃত পরিচয়।
কারণ মূল্যহীন ঘরে থেকে অপমান সওয়া করার চেয়ে,
সম্মানের পথ একা হাঁটাও অনেক বড় জয়।
#স্পীচ
#মোটিভেশন
31/01/2026
একটা সময় আমি বামফ্রন্টকে খুব অপছন্দ করতাম, আর কংগ্রেসকে বুকের মধ্যেই রাখতাম, আজই রাখি কিন্তু কংগ্রেসের নীতি হলো সারাজীবন উপুত করে খাটো, দলের জন্যে নিজের জীবন দিয়ে দিলেও ভোটের সময় কোনো ধান্দাবাজ দলে আসলে, তাদের চিটারি করা লোকের ভিড় দেখলে আমার প্রাণের দল আমাকেও লাথি মারতে পারে দল বদলুদের নিয়ে ব্যস্ত থাকতে নিজের দলের সোনার মতো খাটি আসল সম্পদদের ভুলে ঐ দল বদলুদের বনু ভেবে নেই,, আর নিঃস্বার্থভাবে দল করা দলের সক্রিয় কর্মীদের তাচ্ছিল্য করে তাঁদের কে কাঁদিয়ে বালির বাঁধ কে চীনের প্রাচীর ভেবে নেই,, আর ঐ ধান্দাবাজ গুলো যখন মুখে বাড়া ঘুসে দিয়ে আবার চাটতে অন্য দলে চলে যায় তখন পার্স হীন কিছু ছাগল কংগ্রেসের নেতা তখন আবার পুরানো ওই কর্মীদের পা ধরে, এর মানে দলে লোক আসলে তোরা ফুটে যা তোদের আর দরকার নেই আর বোনু গুলো দল ছাড়লেই আবার মনে পড়ে,
বিশেষ করে আমাদের ব্লকে কংগ্রেসকে ভালোবাসি বলে প্রচার করে সেই আবাল দের থেকে আর অকৃতজ্ঞ কেঁউ আছে বলে আমার অন্তত জানা নেই, দেখবেন কিছু মেয়ে আছে বা ছেলেও দেখবেন একটা স্বামীর ঘর করছে কোনো কারনে সেই স্বামী বাদ গিয়ে আবার কোনো স্বামী ধরলে সেখানেও একই ভঙ্গিতে চলে এদের ঢাকের বাওয়া বলে,, এরা ওই ই
দলে কেঁউ আসলেই জায়গা আর পুরানো কর্মী আমের আঁটি চুসো, 3দিন আগে যারা আমাদের প্রিয় নেতাকে গালি দিলো তারাও দলে আসলে পদ সামনের আর পুরানো গুলো ভেগে যা, এর আগের নির্বাচনের এক চিটার দলে আসলো আর নেতারা পুরানো কংগ্রেস দেখলে লুকিয়ে পালিয়ে যেতো আর চিটার কে প্রার্থী করা হলো, চিটার আবার কংগ্রেসের আসল কর্মীদের ল্যাং মেরে তার চোর চিটার গুলো কে সামনে রেখে ভোটে জেতার লড়াইয়ে নেমে পড়লো - ভোটের ফল মানুষ মুখে ক্যাচ কলা ঢুকিয়ে দিলো,, আবার নির্বাচন আসছে আবার শুরু হয়ে গেছে পুরানো কংগ্রেসকে কান্না করার,, আবারো পরিণাম ঐ ডবল কলা হবে,,
পরিশেষে বলি যেখানে নাড়ির টানে কংগ্রেস কর্মীদের জায়গা হয়না সেই অন্যায় এর প্রতিবাদ হিসাবে আমি নিজে অন্তত এই ধরনের নিষ্ঠুর কষাঘাত বা মানসিক টর্চার থেকে অব্যহতি নিতে - নীতি হীন সিস্টেম ছাড়া একটা দলের ছায়া থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলাম, ,, কখনও যদি এই বৈষম্য, এই অরাজকতা আর ধন্দবাজদের জায়গা যদি সিংহাসন বাদ দিয়ে আসল লোক জায়গায় থাকার, মিনিমাম সন্মান পাওয়ার সু ব্যবস্থা কখনও হয়, আবার আসবো,, আর্ একটা কথা না বললেই নয় আমার প্রতিবাদের ভাষায় হলো দলের প্রতি ভালবাসো এটা যদি দল হিসাব করে দল সিস্টেমে চলে দলেরই মঙ্গল হবে,,, বালির বাঁধ কে যে ভরষা করে তাঁদেরও পতন টা ভেবেই চলা দরকার
আর্ বাম ফ্রন্ট - দলের যখন সব ছিলো তখনও দলের সিস্টেম আর আজ কিছু নেই, আজও দলের সিস্টেম একই রয়েছে, কেউ 10 মাথা নিয়ে রাবণ হলেও জায়গা মিলে না, সাথে সাথে | আর কোনো ধান্দাবাজ আসলে বনু বলে নোনুও চোষে না - আর ভোটের ইশতেহার মানুষের জন্যে, আর দলের নেতৃত্বও অধিকতর শিক্ষিত,, আমার সব ঘৃনা ও থেকে তুলে নিলাম আর বাংলার মানুষের স্বার্থে একই ভাবে বাম কেই ক্ষমতায় চাইছি আল্লাহুর কাছে,,
আমার নতুন পেজে সকল বন্ধুদের স্বাগত, আশা করছি কেউ না কেউ আমাকে ভালোবাসো - তাই আমাকে Follow দিয়ে সাথে থাকবে 🙏