Farid Chowdhury Fundation
Fundation
29/11/2025
আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। মহান রব্বুল আলামীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে শেফা দান করুন- আমিন।
23/04/2024
24/01/2024
Alhamdulillah
12/05/2022
হয়ত তার আকাশে সে ভালোই আছে, তার আকাশটা বসন্তের মত উজ্জল, আর আমার আকাশটা মেঘাচ্ছন্নতায় অন্ধকারে আচ্ছাদিত , 😥, কতশত ডাকি তোমায় তুমি কি তা শুনতে পাওনি বা শোনার চেষ্টাও করনি
01/05/2022
আল্লাহ দেওয়া উপহার, মানুষের মাঝে বিতরণ। সকলেই ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সচেষ্টায় ।
12/04/2022
একটি গল্প শোনা যাক !
এক মোরগ রোজ সকালে আযান দিত । তো , একদিন তার মালিক তাকে হুমকি দিল যে , "আরেকদিন যদি আযান দিতে দেখি তাহলে তোর সমস্ত পালক আমি তুলে ফেলবো ।"
ভয় পেয়ে গেল মোরগ ! মনে মনে যুক্তি দাঁড় করালো প্রয়োজনের কারণে হারাম জিনিস হালাল হতে পারে ।
শরিয়া রাজনীতি অনুসারে আমার উচিত আজান দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া নীতির সঙ্গে আপোষ করে নিজেকে বাঁচানো ।
কাজেই মোরগ আযান দেওয়া বন্ধ করে দিল ।
এক সপ্তাহ পর আবার তার মালিক ফিরে এসে তাকে হুমকি দিল , "তুই যদি মুরগির মতো গরগর শব্দ না করিস তাহলে গায়ের একটা পালকও থাকবে না "।
মোরগ নীতির সাথে আপোষ করল আবারও মোরগ হয়ে মুরগির মতো গরগর করতে লাগলো ।
এক মাস চলে গেল , মালিক আবার আসলো । এবার দিল ভয়াবহ হুমকি । এখনই যদি তুই ডিম না পারিস তাহলে আমি আগামীকালই তোকে জবাই করব !
বেচারা মোরগ কোন উপায় না পেয়ে কাঁদতে শুরু করল । চোখের জলে ভিজিয়ে দিল পুরো দেহ । কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগল ,
ইশ ! প্রথমবারই যদি আপোষ না করতাম । আযান দিতে দিতেই যদি মৃত্যু ঘটত ।
নীতির সাথে একটু আপোষ করলে এরকম একটার পর একটা আপোষ করে যেতে হয় ।
পরিস্থিতি যাই হোক না কেন কখনোই নীতির সঙ্গে আপোষ করা যাবে না ।
প্রথমবার আপনি স্বেচ্ছায় আপোষ করবেন কিন্তু নিশ্চিত থাকুন এর পরের বার থেকে আপনি আপোষ করবেন কারণ আপনাকে আপোষ করতে বাধ্য করা হবে ।
বলা হয়ে থাকে ," যদি আপনি আপোষের পথের পথিক হন তাহলে নীতিতে অবিচল মানুষদের কখনো অপবাদ দিবেন না , বলবেন না যে এরা উগ্র"
তারচেয়ে বরং নিজের দিকে নজর দিন । দেখুন কি এক গভীর চোরাবালিতে ডুবে গেছেন আপনি ।
দুনিয়ার সমস্ত মানুষ যদি একটি হারাম কাজ করে তারপরও ওইটা হারামই থেকে যাবে ।
অন্য সবাই করছে আমিও একটু করি এরকম ভাববেন না । আপনার কাজের জবাবদিহিতা আপনাকে দিতেই হবে । নিজের খেয়াল খুশি মতো কোন পথে নয় বরং সেই পথে অবিচল থাকুন যে পথে আল্লাহ আপনাকে অবিচল থাকার আদেশ দিয়েছেন ।
আফ্রিকার একটা প্রবাদ আছে , " সিংহ ক্ষুধার্ত হলেও ঘাস খায় না । "
আপনার পেটে খাবার নেই , এ কারণে নীতির সাথে আপোষ করবেন না কখনোই ।
হালাল-হারামের যে অনুভূতি আপনার মনে আছে , খুব সাবধান ! খুব সাবধান !
যদি কখনো মৃত্যু ঘটে তার ', তাহলে মোরগ হিসেবেই মরে যান ।
অন্যথায় বেঁচে থাকলে মুরগির মতো ডিম পাড়তে হবে আপনার ।
(আফ্রিকান একটি ভিডিও থেকে অনুদিত)
collected
সারা বিশ্ব এখন সার্স কভ-২ (SARS COV-2) এর ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট এর প্রকোপে এতোটাই আক্রান্ত যে, একে "সুনামী" আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
কিভাবে বুঝবেন আপনিও ওমিক্রনে আক্রান্ত কি না?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, ওমিক্রন ভ্যারিয়ান্টের নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। আক্রান্ত ব্যক্তি কিছু উপসর্গ থেকে প্রাথমিক ধারণা পেতে পারেন এবং বুঝতে পারেন ওমিক্রন আক্রান্ত হয়েছেন কি না!
উপসর্গগুলো হলো-
* অল্প জ্বর
* গলায় খুসখুসে ভাব ( sore throat)
* হঠাৎ গলার স্বর বদলে যাওয়া
* গলা ব্যথা
* ভীষণ ক্লান্তিভাব
* অবসাদ
* শুকনো কাশি
* মাথা যন্ত্রণা
* শরীর ব্যথা
* রাতে শরীর ঘামানো
( বিঃদ্রঃ ওমিক্রন আক্রান্তদের স্বাদ এবং গন্ধের অনুভূতির কোনো বদল হওয়ার মতো উপসর্গ ব্যাপকহারে দেখা যায় না।)
প্রচলিত Real Time- PCR টেস্ট এ ওমিক্রন দিয়ে আক্রান্ত কি না জানা যাবে কি?
উঃ আমাদের দেশের প্রচলিত Real Time- PCR টেস্ট এ কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ কি না সেটা জানা যায়। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট নিশ্চিত হতে হলে জিনোম সিকোয়েন্সিং করতে হবে।
** আজকের (৭/০১/২০২২) ব্রিফিংয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান ওমিক্রনকে হালকা ভাবে নিতে না করেছেন। এই ভ্যারিয়েন্ট এ মৃত্যুর কথাও উল্লেখ করেন।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন।
অমিক্রন নিয়ে সুসংবাদ (আপাতত)-
১. এটি ফুসফুসের কোষকে তেমন সক্রিয়ভাবে আক্রমন করতে পারেনা। ফলে এর আক্রমনে মৃদু উপসর্গযুক্ত বা উপসর্গহীন কোভিড-১৯ হতে পারে।
২. ভ্যাক্সিনেশন বা ন্যাচারাল ইনফেকশনের ফলে সৃষ্ট T cell immunity অমিক্রনের বিরুদ্ধে ৮০-৮৫% কার্যকর।
দুঃসংবাদঃ
১. ডেল্টা ও ওমিক্রন একইসাথে একই মানুষের দেহে অনুপ্রবেশ করে পারস্পরিক জীন অদলবদলের মাধ্যমে ডেলমিক্রনের জন্ম দিতে পারে যেটি যেমন সংক্রামক, তেমন মারাত্মক।
মুম্বাইয়ে জেনোমিক সিকুয়েন্সিং এ এক তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে অমিক্রন পাওয়া গেছে।
সীমান্তগুলো সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রন করা না গেলে বাংলাদেশে তৃতীয় ওয়েভ ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়বে।
মনে রাখবেন, এবারে শিশুরা সবচেয়ে বেশী vulnarable.
২য় ওয়েভ থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে৷ Reactive না হয়ে Proactive হতে হবে।