Henna Art by Sadiya

Henna Art by Sadiya

Share

Assalamulaikum ❤️
Gouripur Mehedi Artist 🌸
Our Henna Service is Available in Gouripur 🖤

28/05/2026

-সুন্দরী আপুদের ভূরি পরিষ্কার করে, হাতের মেহেদীর কেমন অবস্থা এখন...!!??😶🤔
Henna Art by Sadiya 🖤🌿

Photos from Bake by Muskan's post 27/05/2026

-আলহামদুলিল্লাহ শুকরিয়া আপু 🥰
(Bake by Muskan পেজের ওনার) মুসকান আপুকে অনেক ধন্যবাদ 🖤😚
আপুকে যতবারই মেহেদী পড়িয়ে দেই, ততবারই আপুর সুন্দর সুন্দর রিভিউ, এবং ভালো ভালো কমেন্ট পাই।
এতোটা বিশ্বাস রেখে এতো ভালোবাসা দেয়ার জন্যে অনেক ধন্যবাদ আপু 🥰🎀
Mehendi:Henna Art by Sadiya 🖤🌿

Photos from Henna Art by Sadiya's post 27/05/2026

-Alhamdulillah Happy Customer🥰🌿
Review From Srabonti Akter Apu 🖤
Mehendi:Henna Art by Sadiya

Photos from Henna Art by Sadiya's post 25/05/2026

🖤🌿প্রাকৃতিক রঙে সৌন্দর্যের ছোঁয়া ✨
রাসায়নিক ছাড়া, ১০০% অরগানিক মেহেদীর লাল রঙ —
এবার উৎসব,ঈদ, নিকাহ, বা বিয়ের সাজ হোক আরও নিরাপদ ও চিরন্তন সুন্দর🖤

🌿 ত্বকে ক্ষতি করে না
🌿 রং থাকে বেশি দিন
🌿 অ্যালার্জি-ফ্রি & স্কিন-ফ্রেন্ডলি

👉 কেন ব্যবহার করবেন( Henna Art by Sadiya)
কারণ আমরা বিশ্বাস করি — “Organic Luxury You Can Trust.”

📦 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন🖤🌿

Photos from Henna Art by Sadiya's post 23/05/2026

Henna Art by Sadiya
-♥️মাত্র ৩ টি মেহেদী নিলেই ফ্রি ক্যাশ অন ডেলিভারি,🌿
❤️ মাত্র ৫ টি মেহেদী নিলেই ফ্রি ক্যাশ অন ডেলিভারি এবং সাথে ১টি নখের মেহেদী ফ্রি 🌿
🖤🌿

প্রাইস :
একটি অর্গানিক হাতের মেহেদী :১২০টাকা ( ২৫-২৮ গ্রাম ), ১০০টাকা (২০-২২)গ্রাম

একটি নখের মেহেদী :১১০ টাকা ( ১৭-১৯গ্রাম )

বি.দ্র: অর্গানিক মেহেদী ডিপ ফ্রীজ এ রেখে ৬ মাস পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন✅

Photos from Henna Art by Sadiya's post 23/05/2026

-Henna Art by Sadiya 🖤
🌿হাতের মেহেদী কোণ :(২৩-২৫)গ্রাম —১২০টাকা

🌿হাতের মেহেদী কোণ :(১৮-২২)গ্রাম —১০০ টাকা

🌿নখের মেহেদী কোণ :(১৭-১৮)গ্রাম —১১০টাকা

যারা এখনো মেহেদী নেন নি, তারা এখনি দ্রুত মেহেদী অর্ডার করতে ইনবক্স করুন 🖤🌿

Photos from Henna Art by Sadiya's post 22/05/2026

-এখানে কয়টি মেহেদী আছে...⁉️
যে প্রথম সঠিক উত্তর দিতে পারবেন তাকে ১ টি মেহেদী গিফট দেয়া হবে 🌸

১.হাতের মেহেদী
২.নখের মেহেদী
একটি উত্তর দিলে হবে না ❎
দুইটি সঠিক উত্তর দিতে হবে ✅

সময়:২৪ ঘন্টা (কালকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত)
সঠিক উত্তর যে সবার আগে দিবে তার টা গণনা করা হবে ‼️
শর্ত:
১: পেইজ টি অবশ্যই ফলো দিতে হবে✅
ফলো দিয়ে উঠিয়ে নিলে হবে না❎
২: পোস্টে রিয়েক্ট থাকতে হবে✅
৩: ৫জনকে মেনশন করতে হবে ✅
Henna Art by Sadiya

Photos from Henna Art by Sadiya's post 21/05/2026

রামিসা বাচ্চাটাকে পায়ুপথে রেইপ করা হয়েছে৷ এত নির্যাতন করা হয়েছে যে সে জায়গা ফুলে লাল হয়ে গিয়েছিল। ধর্ষক একটু আগে জবানবন্দি দিল, ধর্ষকদম্পতির আবার সন্তানও আছে।
সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদকারী তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া রিপন বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না নিজ বাসার একটি কক্ষে ঘুমাচ্ছিলেন।
সোহেল বাইরে থেকে ওই কক্ষের সিটকিনি লাগিয়ে দেন। এরপর তিনি রামিসাকে ফ্ল্যাটের বাইরে থেকে জোর করে ধরে ভেতরে নিয়ে আসেন। তার সঙ্গে ছিলেন আরেক ব্যক্তি। রামিসা চিৎকার করলে তার মুখ ওড়না দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। এরপর তাকে বাথরুমের ভেতরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে শিশুটি অচেতন হয়ে গেলে তাকে হত্যা করা হয়।’
রামিসাকে হত্যার পর দেহ টুকরো করে মরদেহ গুম করার চেষ্টা শুরু হয়। এ সময় রামিসার পরিবার ও স্থানীয়রা বাইরে থেকে বাসার দরজায় ধাক্কা দিতে শুরু করে। তারা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকার আগেই সোহেল ও তার সঙ্গী জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান।
বাসার বাইরে হৈ-হুল্লোরের শব্দে সোহেলের স্ত্রী ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। স্বামী তখন সিটকিনি খুলে দেওয়ায় কক্ষের বাইরে এসে তিনি রামিসার গলা কাটা দেহ দেখতে পান। এ সময় স্থানীয়রা বাসার দরজায় বারবার আঘাত করলেও স্বপ্না তাদের ঢুকতে না দিয়ে স্বামী ও তার সঙ্গীকে পালাতে সাহায্য করেন।
একজন নারী, সন্তানের জননী হয়েও কিভাবে এমন ক্রিমিনালদের পালাতে দিলেন সেটাই অবাক করা বিষয়।
মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুটির মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। তার যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয়। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে মাথা বালতির মধ্যে রাখা হয়।
এই ঘটনার নৃশংসতা এত ভয়াবহ যে ছেলে মেয়ে যেকোনো বাচ্চাকে নিয়েই এখন ভয়ে থাকতে হবে। সম্প্রতি সোহেল কোনো একটা মামলায় জেল খেটে ছাড়া পাওয়া ক্রিমিনাল।
পরিশেষে এটাই বলব নিজের বাচ্চাকে আগলে রাখুন, কাওকে ট্রাস্ট করবেন না। রামিসার মা বাবাও হয়তো প্রতিবেশীকে ট্রাস্ট করেছিল তারও বাচ্চা আছে দেখে।
আমরা এমন একটা জাহেলিয়াতের যুগে এসে পৌঁছেছি যে, পারস্পরিক সম্পর্কের পবিত্রতা, বিশ্বাস সব নষ্ট হয়ে গেছে। তাই প্রতিবেশী কেন, কাউকেই বিশ্বাস করবেন না, যত বড় আত্মীয়ই হোক না কেন.. কারো কাছেই সন্তানকে রেখে যাবেন না, হোক মেয়ে সন্তান কিংবা ছেলে।

মেয়ে বাচ্চার মায়েরা আজকে ঘুমাতে পারবে বলে আমার মনে হয়না।

19/05/2026

-তোমরা ঈদের জন্যে মেহেদী অর্ডার করছো না কেনো...!!
কি রাগ করলা..??🤷‍♀️🌿

Website