Mayan's

Mayan's

Share

It's all about homemade products

07/10/2022

খেজুর চিনি

আপনি যদি সুস্থ সবল থাকতে চান, নিয়মিত খান খেজুর চিনি। এই খাবার দশ থেকে বারো রকমের রোগ দমন করতে সক্ষম। জেনে নিন খেজুর চিনি/পাউডার উপকারিতা এবং এটি সেবনের নিয়ম এই লেখা থেকে।

খেজুর পাউডারের উপকারিতাঃ
১. হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপ কমায়ঃ
খেজুর পাউডার রক্তে কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ কমিয়ে আনে। রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্যের কারণে হৃদরোগ, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, এবং ধমনীতে ব্লক ধরা পড়ে। খেজুর সম্পূর্ণ কোলেস্টেরল মুক্ত এবং পটাশিয়াম সমৃদ্ধ একটি খাবার।

প্রতিদিনের ডায়েটে খেজুর পাউডার অন্তর্ভুক্ত করলে হৃদযন্ত্রের বহু জটিল রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। যেসব রোগীদের বাইপাস সার্জারি বা এনজিওপ্লাস্টির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে তাদের জন্য খেজুর পাউডার খাওয়া অত্যাবশ্যক। এছাড়াও প্রতিদিন সকালে খেজুর পাউডার খেলে উচ্চ রক্তচাপ কমে যায়।

২. পেটের সমস্যা দূর করেঃ
খেজুর পাউডার পেটের যাবতীয় রোগবালাই দূর করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে খেজুর পাউডারের জুড়ি নেই। এটি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্রানজিট অ্যাক্টিভিটি ত্বরান্বিত করে। ফলে মলত্যাগে কষ্ট অনুভূত হয় না। তাছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে শরীরে মিনারেলের যে অসামঞ্জস্যতা হয় সেটিও সমাধান করে খেজুর পাউডার। খেজুরের ফাইবার অন্ত্রের ক্যান্সার, তলপেটের ক্যান্সার সহ অন্যান্য যাবতীয় রোগ প্রতিরোধ করে।

৩. আয়রনের ঘাটতি পূরণ করেঃ
বহুদিন ধরে আয়রন স্বল্পতায় ভুগছেন যারা তারা খেজুর পাউডার খেলে উপকার পাবেন। শরীরে আয়রনের ঘাটতি বা রক্তশূন্যতা হলে অত্যধিক দুর্বলতা, অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠা, বুকে ব্যথা, মাথা ঘোরা, নখ ভেঙে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যার সৃষ্টি হয়। খেজুর বা খেজুরের পাউডার আয়রন সমৃদ্ধ একটি খাবার। নিয়মিত খেজুর পাউডার গ্রহণে আয়রনের ঘাটতি দূর হয় এবং রক্তশূন্যতা সেরে যায়। পাশাপাশি, খেজুর পাউডার রক্ত বিশুদ্ধ করে।

৪. গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের জন্য সহায়কঃ
সন্তান জন্মদানের পূর্ববর্তী অবস্থায় অর্থাৎ গর্ভাবস্থায় খেজুর পাউডার খেলে মা ও শিশুর শরীরে ব্লাড সার্কুলেশন বাড়ে। প্রসূতি মায়েদের শরীরে এই পাউডার দুধের উৎপাদন বাড়ায়। আবার সন্তান জন্মদানের সময়ে প্রসব বেদনা কমাতেও সাহায্য করে খেজুর।

৫. ত্বক সুন্দর করেঃ
খেজুর পাউডারে বিদ্যমান ভিটামিন সি ও ডি ত্বকের ইলাস্টিসিটি, মসৃণতা, এবং উজ্জ্বলতা বাড়ায়। এছাড়াও এটি ত্বকের অন্যান্য সমস্যাও দূর করে। ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়া থেকে আটকায় এবং ত্বকে মেলানিন জমতে দেয় না।

৬. হাড়ের স্বাস্থ্য উন্নত করেঃ
খেজুরে প্রচুর পরিমাণে কপার, ম্যাগনেসিয়াম, সেলেনিয়াম, এবং ম্যাঙ্গানিজ আছে। এই উপাদানগুলো হাড়ের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখে এবং অস্টিওপরোসিসের ঝুঁকি কমায়। এছাড়াও এর ক্যালসিয়াম হাড় সুগঠিত করতে সাহায্য করে।

৭. মস্তিষ্কের রোগ সারায়ঃ
মস্তিষ্কে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং ইনফ্লেমেশন কমায় খেজুর। প্রতিদিন খেজুর পাউডার খেলে নিউরোডিজেনারেটিভ ডিজিজের আশঙ্কা কমে। বৃদ্ধ বয়সে কগনিটিভ পারফরমেন্সের উন্নতি ঘটায় খেজুর পাউডার। এছাড়াও মাথাব্যথা, উন্মাদনা সহ নানা ধরণের মানসিক রোগ নির্মূল করে খেজুর পাউডার।

৮. এনার্জি বাড়ায়ঃ
খেজুর পাউডারে আছে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট যা এনার্জি বাড়ায়। এতে আছে সুক্রোজ, ফ্রুক্টোজ, এবং গ্লুকোজের মতো ন্যাচারাল সুগার যা সারাদিনের জন্য শরীরকে চাঙ্গা রাখে৷

৯. নার্ভাস সিস্টেম উন্নত করেঃ
খেজুর পাউডারে পটাশিয়ামের আধিক্য এবং সামান্য পরিমাণে সোডিয়াম থাকায় এটি নার্ভাস সিস্টেম উন্নত করে। ফলে মাসল কন্ট্র্যাকশন, হার্টবিট, রিফ্লেক্স, এবং অন্যান্য বডি ফাংশন ঠিক থাকে।

১০. ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ
ওজন কমাতে সাহায্য করে খেজুর পাউডার। কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ওজন কমে শরীর হবে ঝরঝরে। প্রতিদিন সকালে উষ্ণ জলে খেজুর পাউডার মিশিয়ে পান করলে মিলবে সুফল।

১১. চোখের সমস্যা দূর করেঃ
দুর্বল দৃষ্টিশক্তি, রাতকানা রোগ, এবং অন্যান্য চোখের রোগ সারায় খেজুর পাউডার।

খেজুর পাউডার কিভাবে খাবেনঃ
পাউডার বের করে এয়ার টাইট জারে সংরক্ষণ করুন।
প্রতিদিন সকালে ১ চা চামচ খেজুর পাউডার খাবেন। খালি পেটে খেলেই বেশি ভালো হয়। জলে বা দুধে গুলে খেতে হবে। যেকোন ডেজার্ট আইটেমের সাথেও মিশিয়ে খাওয়া যায়।

12/09/2022
31/08/2022

শিশুর স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য গ্রহণের অভ্যাস কিন্তু পরিবার থেকেই হয়। যে পরিবারের সদস্যদের খাবার গ্রহণের ধরন যেমন সেই পরিবারের শিশুদের খাদ্য গ্রহণের অভ্যাস সেভাবেই গড়ে উঠবে। সুতরাং, শিশুকে সর্বদা ঘরে তৈরি খাবার গ্রহণের প্রতি আগ্রহী করে তুলুন। আর ভুল করেও বাইরের চকলেট, চিপস বা বিস্কিট দেবেন না।

বাইরে থেকে আসার সময় শিশুর জন্য এই সব অস্বাস্থ্যকর খাবারের বদলে ভিন্ন ভিন্ন ফল নিয়ে আসুন। তাহলে, ছোটবেলা থেকেই শিশুর ভালো অভ্যাস গড়ে উঠবে।

অন্তত শিশুর বয়স ৫ বছর হওয়া পর্যন্ত এই অভ্যাসটি চালিয়ে যেতে পারেন। মনে রাখবেন, শিশুকে যখনই খাবার দিন না কেন সেই খাবারটি যেন স্বাস্থ্যসম্মত এবং সুষম হয়, সেই বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে।

Photos from Mayan's post 27/08/2022

👶 হোমমেইড বেবিফুড 👶

শিশুর ৬ মাস বয়স হলে অনেক মা চিন্তায় পরে যায় তাদের বাড়তি খাবার নিয়ে। আর সেজন্য ৬ মাস থেকে বাচ্চাদের নিশ্চিন্তে দিতে পারেন পুষ্টিকর ও স্বাস্হ্যকর উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি হোমমেইড বেবিফুড।

👉 এর মধ্যে কোন রং, প্রিজারভেটিভ ও রাসায়নিক উপাদান নেই।
👉 অন্যান্য পুষ্টিকর খাবারের প্রতি শিশুদের রুচি নষ্ট করে না।
👉 বাজার থেকে কেনা বেবিফুডের তুলনায় এটা স্বাস্থ্যসম্মত।
👉 যা শিশুর মেধা ও বুদ্ধি বিকাশে এবং ওজন বাড়াতে সহায়ক।
👉 বিস্তারিত জানতে এবং অর্ডার করতে ইনবক্স করুন।

26/08/2022

ফলের মণ্ড বা পিউরি

ফলের মন্ড বা পিউরি তৈরি করা সহজ,খাওয়া সহজ এবং সর্বোপরি প্রচুর পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ যা শিশুদের সার্বিক বিকাশে সহায়তা করে। কিন্তু আপনি কখন বাচ্চাদের এই মন্ড বা পিউরিগুলি পরিবেশন করা শুরু করবেন। যদি প্রতিদিন একই ধরণের ফলের মন্ড বা পিউরি বাচ্চাকে পরিবেশন করেন,আপনি আশা করতেই পারেন যে কিছু বাচ্চা রেগে যাবে ও বিরক্ত হবে।

👉কখন ও কীভাবে বাচ্চার সাথে ফলের মন্ড বা পিউরির পরিচয় করবেন?

ফলের মন্ড বা পিউরি সাধারণত হজম করা সহজ। তবুও আপনার জানা প্রয়োজন ঠিক অন্যান্য শক্ত খাবারের মতই আপনার বাচ্চার ডায়েটের সাথে কখন সেগুলির পরিচয় করানো ভাল। আপনি যেকোন একটি ফল এক চামচ করে দিনে দুবার করে দিয়ে শুরু করতে পারেন। তারপর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ভাবে সেটির পরিমাণ বাড়ান।

সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী,আপনি 6-8 মাসের মধ্যে বাচ্চার সাথে এগুলির স্বাভাবিক ভাবে পরিচয় করাতে পারেন। এটি হল সেই সময় যখন থেকে সাধারণত বাচ্চারা বুকের দুধ খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে ফেলে। সুতরাং সার্বিক পুষ্টির জন্য তাদের খাদ্য তালিকায় প্রয়োজন হয় অন্যান্য খাদ্য উপকরণ সংযোজনের।

👉ফলের মন্ড বা পিউরি তৈরির নির্দেশাবলী

বেশীর ভাগ ফল থেকে মন্ড বা পিউরি তৈরি করতে নিচের নির্দেশ গুলি অনুসরণ করলে জানতে পারবেন কিভাবে ফলের মন্ড বা পিউরি তৈরি করা হয় বাচ্চাদের জন্য।

মন্ড বা পিউরি টি সব সময় অবশ্যই পাকা ফল দিয়েই তৈরি করতে হবে। কারণ এর ফলে পিউরিটি স্বাদে মিষ্টি হবে এবং ফলগুলিও সহজে পিষে যাবে।
প্রতিটা ফলেই তার নিজস্ব পুষ্টিগুণ বজায় থাকে। তাই আপনি ফলের পিউরি বা মন্ড তৈরির জন্য বিভিন্ন ধরণের ফল নিতে পারেন,যাতে আপনার বাচ্চা সঠিক পুষ্টি লাভ করে ও তার সামঞ্জস্য বজায় থাকে।
প্রথমে যেকোনো একধরণের ফলের মন্ড আপনার বাচ্চাকে খাওয়ানো শুরু করুন এরপর ধীরে ধীরে নির্দিষ্ট কিছু ধরণের ফলের মন্ড খাওয়ান।
12মাস না হওয়া পর্যন্ত আপনার বাচ্চাকে কমলালেবু,আনারস এবং প্যাসন ফল দেওয়া থেকে বিরত থাকুন কারণ এগুলি ছোট বাচ্চাদের এলার্জির কারণ হতে পারে।
ফলগুলি কখনো সেদ্ধ করবেন না কারণ এর ফলে এগুলির কিছু পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।এগুলির সর্বাধিক পুষ্টিগুণ বজায় রাখার জন্য আপনি এগুলিকে স্টীম করতে পারেন।

👉বাচ্চাদের জন্য ফলের মন্ড বা পিউরির সহজ রন্ধনপ্রণালী
আমরা ইতিমধ্যেই উল্লেখ করেছি যে,আপনার বাচ্চার ফল খাওয়ার যাত্রা শুরু করবেন একটি মাত্র ফল দিয়ে।আপনার শিশুটি ওই একধরণের ফল সহ্য করতে পারার পর থেকে আপনি তার জন্য অন্যান্য ফল নির্বাচন করতে পারেন,এবং তারও পরে তাকে দিতে পারেন সবধরণের ফলের মিশ্রণের মন্ড বা পিউরি।

1.সবেদা মন্ড বা পিউরি

নরম ও মিষ্টি সবেদা সাত মাসের বেশী বয়সী বাচ্চাদের জন্য আদর্শ। এটি ভিটামিন A এবং C সমৃদ্ধ হয়।

উপকরণ

1 টি ছোট সবেদা
বুকের বা প্রক্রিয়াজাত কৌটার দুধ

কীভাবে তৈরি করবেন

সবেদাটির খোসা ছাড়িয়ে নিন এবং তাকে টুকরো টুকরো করে কাটুন।
এটিকে বীজ মুক্ত করুন।
ব্লেন্ডারে এটিকে পিষে কাথ বানিয়ে নিন।
আপনি এর সাথে বুকের দুধ বা প্রক্রিয়াজাত কৌটার দুধ মেশাতে পারেন।

2.খেজুরের মন্ড বা পিউরি

আটমাস পরে বাচ্চাদের খেজুর মন্ড বা পিউরি দেওয়া উপযুক্ত।এগুলি ভিটামিন B কমপ্লেক্স এর উৎস এবং বিভিন্ন খনিজ যেমন কমপ্লেক্স এর উৎস এবং বিভিন্ন খনিজ যেমন সিলিনিয়াম,কপার,পটাশিয়াম,ম্যাগনেশিয়াম,ক্যালশিয়াম এবং আয়রণে সমৃদ্ধ হয়।

উপকরণ

কিছু পরিস্কার ও তাজা খেজুর
বুকের দুধ বা প্রক্রিয়াজাত কৌটার দুধ

কীভাবে তৈরি করবেন
খেজুরগুলি থেকে বীজ ছাড়িয়ে ফেলুন।
খেজুরগুলিকে প্রেসার কুকারে 4-5 টি হুইসেল বা সিটি দিয়ে সামান্য রান্না করে নেওয়া প্রয়োজন,সেগুলিকে যথেষ্ট নরম করতে, মন্ড বা পিউরি বানানোর জন্য।
প্রসেসরের মধ্যেই সেদ্ধ খেজুরগুলি পিষে নিন।
ওইটির সাথে কিছুটা বুকের দুধ বা প্রক্রিয়াজাত কৌটার দুধ মিশিয়ে নিতে পারেন।

3.পেপে এবং পাকা পেয়ারার মন্ড বা পিউরি

শিশুদের জন্য এই মিক্স ফ্রুট বা মিশ্র ফলের মন্ড বা পিউরি হল একটি ভীষণ পুষ্টিকর খাদ্যের সমন্বয় বিশেষ,বিশেষত ছয় মাসের বেশী বয়সী শিশুদের জন্য। এটি একটি কমলালেবুর থেকেও অনেক গুণ বেশি ভিটামিন A সমৃদ্ধ এবং অন্যান্য অনেক ফলের থেকেও বেশীমাত্রায় ভিটামিন C এ ভরপুর হয়। এছাড়াও এটির মধ্যে রয়েছে প্রোটিন,তন্তু বা ফাইবার এবং ফোলেট। এটিকে তাই মাঝে মধ্যেই বলা হয় ‘ফলের রানী‘ বা ‘সুপারফল‘ কারণ বহুফলের থেকেও এই মিশ্রফলের মন্ডটি পুষ্টিগুণের বৈচিত্রে ভরপুর,যা এটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিশুখাদ্যে পরিণত করেছে।

পেপে হল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন ক্যারোটিন,ভিটামিন C এবং ফ্ল্যাভোনয়েডস– এর একটি মহান উৎস।এছাড়াও এটি ভিটামিন B,ফোলেট, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড,পটাশিয়াম, কপার এবং ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ হয়।এতে থাকে খাদ্য –তালিকাগত তন্তু বা ফাইবার যার ফলে এগুলি হজম করা সহজ।ক্রিস্টোফার কলম্বাস এটিকে ‘ফলের দেবদূত‘বলে অভিহিত করতেন এটির গুনগত মান ও সুস্বাদের জন্য।

উপকরণ

একটি অর্ধেক পেয়ারা (পাকা)
পেপের কয়েকটি টুকরো (পাকা)

কীভাবে তৈরি করবেন

ভালভাবে ধুয়ে নিন,খোসা ছাড়ান এবং দুটি ফলকেই ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন।
পেপের বীজ ছাড়িয়ে নিন।
পেপের শাঁসটি নিন বেশি মাত্রায় আর পেয়ারার শাঁসটি অপেক্ষাকৃত কম পরিমাণে নেবেন।
ফুড প্রসেসরে এগুলিকে পিষে নিন।

4. নাশপাতি এবং প্লাম মন্ড বা পিউরি

এই সমন্বয় মিশ্রণটির সাথে পরিচয় করান যখন বাচ্চার বয়স 6-8 মাসের মধ্যে থাকে। প্লাম সামান্য পিচ্ছিলকারক তাই এটি প্রথম ছয়মাস বাচ্চাদের না দিতে সুপারিশ করা হয়।

নাশপাতি ভিটামিনA,C,ফোলেট এবং বিভিন্ন খনিজ যেমন পটাশিয়াম, ফসফরাস,ম্যাগনেশিয়াম এবং ক্যালশিয়াম সমৃদ্ধ হয়। আবার প্লামগুলি হল সুগার,প্রোটিন,ভিটামিন C এবং K এর উৎস। যাই হোক এই দুটি ফলেই অতিরক্ত মাত্রায় খাদ্যতন্তু বা ফাইবার থাকে,তাই এই পিউরি বা মন্ডটি আপনার বাচ্চাকে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয়।

উপকরণ

খুব অল্প পরিমাণে নাশপাতি এবং সামান্য কিছু প্লাম।
কীভাবে তৈরি করবেন

ভালভাবে ধুয়ে নিন,খোসা ছাড়ান এবং নাশপাতিগুলিকে খুব ছোট ছোট টুকরো করে কাটুন।
প্লামগুলিকেও ভালভাবে ধুয়ে নিন,তার গায়ে ছিদ্র করুন এবং সেগুলিকে চতুর্থাংশের আকারে টুকরো করে নিন।
মসৃন ও নরম না হওয়া পর্যন্ত এগুলিকে স্টীম করুন।
ফুড প্রসেসরে এগুলি পিষে নিন।
পিউরি বা মন্ডটির একটি সুগঠন দেওয়ার জন্য এর সাথে জল মেশান।
এটিকে তরল করার জন্য এর সাথে আরো বেশি মাত্রায় জল বা বুকের দুধ কিম্বা প্রক্রিয়াজাত কৌটার দুধ মেশান।

5. আঙুর,তরমুজ এবং লেবুর মন্ড বা পিউরি

এই পিউরি বা মন্ডটি শিশুকে দীর্ঘ সময় ধরে পূর্ণ মেজাজে রাখতে পারে, কারণ প্রতিটি আঙুর দানার রসে আছে 5 ক্যালোরি করে শক্তি।

এটি আবার তিনটি সেরা পুষ্টিগুণ সম্পন্ন পদার্থের উৎসস্থান।আঙুর শুধুমাত্র ক্যালোরি সমৃদ্ধই নয় এটিতে ভিটামিন A,C,B-6 এবং ভিটামিন K থাকে এবং নানারকম খনিজ যেমন পটাশিয়াম,ম্যাগনেশিয়াম,ক্যালশিয়াম এবং আয়রণ সমৃদ্ধ হয়। আবার এটিতে তন্তু বা ফাইবারও সংযুক্ত থাকে। তরমুজে ভাল পরিমাণে ভিটামিন A,C,B-6, লাইকোপেন,অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট,অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং কিছু পটাশিয়াম থাকে।লেবু তার নিজস্ব উচ্চমাত্রার ভিটামিন C এর উপাদানের জন্য পরিচিত। এছাড়াও এটি ফোলেট ও পটাশিয়াম সমৃদ্ধ হয়।

উপকরণ

দানা বিহীন সবুজ আঙুর
তরমুজের রস
এক ফালি লেবু
কীভাবে তৈরি করবেন

ফলগুলি ভালভাবে ধুয়ে নেবেন
ছুঁড়ি দিয়ে আঙুরের পাতলা আস্তরণটি ছাড়িয়ে ফেলুন
আঙুরগুলিকে অর্ধেক করে কাটুন
একটি ব্লেন্ডারে সেগুলি পিষে নিন
সামান্য লেবু যোগ করুন,খুব বেশি দিয়ে ফেললে এটি টক হয়ে যেতে পারে
মিশ্রণটির ঘনত্ব পাতলা করতে তার সাথে তরমুজের রস মেশান
চিনি যোগ করুন
ভুল করেও এর সাথে বুকের দুধ বা কৌটার দুধ মেশাবেন না কারণ এই পিউরি মধ্যস্থ লেবুর রস ওই দুধগুলিকে ছানা কেটে দিতে পারে।
যদি আপনি উষ্ণ জলবায়ু অঞ্চলে বসবাস করেন তবে আঙুর পিউরিটি ফ্রিজের ভিতরে রেখে শীতলীকরণ করতে পারেন ঠান্ডা পিউরি বা মন্ড পাওয়ার জন্য।
এইসকল মন্ড বা পিউরির প্রতিটিই খাঁটি এবং প্রাকৃতিক গুণে সমৃদ্ধ, তাই আপনার বাচ্চার স্বাস্থের বিকাশের জন্য এগুলি একদম আদর্শ।

Photos from Mayan's post 17/08/2022

চিয়া সীড (Chia seed) কি?
চিয়া সিড বা চিয়া বীজ মরুভূমিতে জন্মানো সালভিয়া হিসপানিকা (Salvia Hispanica) উদ্ভিদের বীজ। এই অতি উপকারি বীজটির আদি জন্মস্থান সেন্ট্রাল আমেরিকা এবং সেখানকার প্রাচীন আদিবাসি অ্যাজটেক জাতির খাদ্য তালিকায় এই বীজ অন্তর্ভুক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রাচীন মায়া এবং অ্যাজটেক জাতির মানুষ চিয়া সিডকে সোনার থেকেও মূল্যবাণ মনে করত। তারা বিশ্বাস করত এটা তাদের শক্তি ও সাহস জোগাবে।

চিয়া সীড সব ধরণের আবহাওয়ায় হয় এবং এতে পোকামাকড়ের আক্রমণ তেমন হয় না। চিয়া বীজ সাদা ও কালো রং এর এবং তিলের মত ছোট সাইজের হয়। এখানে উল্লেখ্য যে চিয়া সীড এবং তোকমা নিয়ে একটি ভুল ধারণা আছে। অনেকেই তোকমাকে ভুল করে চিয়া সীড মনে করেন। চিয়া সীড তোকমার চেয়ে সাইজে ছোট, তোকমার ইংরেজি নাম ব্যাসিল সীড (Basil seed)।



চিয়া সীডের পুষ্টিগুণ
দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশী ক্যালসিয়াম
কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি
পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশী আয়রন (লোহা)
কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম
স্যামন মাছের থেকে ৮ গুণ বেশী ওমেগা-৩

এক আউন্স (২৮ গ্রাম) চিয়া সিডে আছে;
ফাইবার- ১১ গ্রাম
প্রোটিন- ৪ গ্রাম
ফ্যাট- ৯ গ্রাম (যার ৫ গ্রাম আবার Omega-3s)
ক্যালসিয়াম- RDA (Recommended Dietary Allowance) এর ১৮%
ম্যাঙ্গানিজ- RDA এর ৩০%
ম্যাগনেসিয়াম- RDA এর ৩০%
ফসফরাস- RDA এর ২৭%
সমুচিত পরিমাণে জিঙ্ক, ভিটামিন বি৩ (নায়াসিন), পটাশিয়াম, ভিটামিন বি১ (থায়ামিন) ও ভিটামিন বি২

এনার্জি – ১৩৭ ক্যালোরি,

কার্বোহাইড্রেড – ৩ গ্রাম

জিঙ্ক – ১ মিলিগ্রাম

তামা – ১ মিলিগ্রাম,

পটাশিয়াম – ৮ মিলিগ্রাম,



চিয়া সীডের ১৫টি উপকারিতা
১। এটা শক্তি এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে

২। চিয়া সীড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে

৩। চিয়া বীজ ওজন কমাতে সহায়তা করে

৪। চিয়া সিড ব্লাড সুগার (রক্তের চিনি) স্বাভাবিক রাখে, ফলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়

৫। চিয়া বীজ হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষ উপকারি

৬। চিয়া সিড মলাশয় (colon) পরিষ্কার রাখে ফলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়

৭। চিয়া সিড শরীর থেকে টক্সিন (বিষাক্ত পদার্থ) বের করে দেয়

৮। চিয়া সীড প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করে

৯। চিয়া সীড ভাল ঘুম হতে সাহায্য করে

১০। চিয়া বীজ ক্যান্সার রোধ করে

১১। চিয়া সিড হজমে সহায়তা করে

১২। চিয়া বীজ হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথা দূর করে

১৩। চিয়া সীড এটেনশান ডেফিসিট হাইপার এক্টিভিটি ডিসর্ডার (Attention deficit hyperactivity disorder ADHD) দূর করে

১৪। চিয়া সিড ত্বক, চুল ও নখ সুন্দর রাখে

১৫। চিয়া সীড গৃহপালিত পশুর খাদ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হয়



খাবারের নিয়মঃ

দ্রুত ওজন কমাতে খালি পেটে সকালে এবং রাতে ঘুমানোর আগে ১গ্লাস পানির মধ্যে ১ চা চামচ চিয়া সিড ও ২ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।খাওয়ার ৩০মিনিট আগে নরমাল পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়।

12/08/2022

মিক্সড ড্রাই ফ্রুটস 😍

🍂শুধু সৌন্দর্যে নয়, স্বাস্থ্য রক্ষায়ও এর জুড়ি মেলা ভার।

🍂যারা ডায়েট করছেন এবং গর্ভবতীদের জন্য এটাকে সুপারফুড বলা হয়।

🍂ছোটদের জন্যও ড্রাই ফ্রুটস দারুণ উপকারী। তবে ওদের গোটা ড্রাই ফ্রুটস না দিয়ে এর পাউডার দেয়া ভালো যাতে গলায় না আটকে যায়।

👉 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন

29/07/2022

🍂পিনাট বাটারের উপকারিতা

পিনাট বাটার যে শুধুমাত্র সুস্বাদু তাই নয়, এর অনেক উপকারি গুণাগুণও রয়েছে। এতে রয়েছে প্রোটিন, ফাইবার, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন ই। এছাড়াও পটাশিয়াম সমৃদ্ধ পিনাট বাটারে অল্প পরিমাণ জিঙ্ক এবং ভিটামিন ই রয়েছে। যদি পিনাট বাটারের আসল পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সবাই অবগত হয়, তাহলে এটি গ্রহণের পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পাবে।

🍂 প্রতিদিন ডায়েটে পিনাট বাটার রাখলে, আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ওজন অতিরিক্ত বেড়ে যাবে না। আবার শরীরেও যথাযথ পুষ্টি যোগাবে।

🍂 অ্যান্টি-অক্সিডেন্টস, ভিটামিন ই-সহ প্রচুর পরিমাণে নিউট্রিশন রয়েছে পিনায় বাটারে।

🍂 হৃদপিণ্ডের জন্য স্বাস্থ্যকর মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে পিনাট বাটারে।

🍂 কোলেস্টেরলের মাত্রা কম করে।

🍂 টাইপ টু ডায়াবিটিসের ঝুঁকি কমায়।

🍂 কোলন, প্রস্টেট এবং স্তন ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

🍂 গলব্লাডার স্টোনের ঝুঁকি কমায়।

29/03/2022

🌺 হোমমেইড সেরেলাক 🌺

🌺শিশুর বয়স বাড়ার সাথে সাথে তাদের পুষ্টি চাহিদাও বেড়ে যায়। আর এসব পুষ্টি চাহিদা পূরণের জন্য বাচ্চাদের পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাদ্যের প্রয়োজন হয়।

🌺 শিশুর খাদ্য তৈরিতে প্রয়োজন হয় বিশেষ সাবধানতার। তাই বিভিন্ন প্রসেসিং এর মাধ্যমে তৈরি করি এসব খাবার। যা আপনার বাড়ন্ত শিশুর স্বাস্থ্য ও মেধা বিকাশে সহায়ক। এর মধ্যে কোন রং, প্রিজারভেটিভ ও রাসায়নিক উপাদান নেই।

🌺 বয়স অনুযায়ী দুইটি স্টেজে উপাদানের সংমিশ্রণ করা হয় তাই বাচ্চারা সহজে হজম করতে পারে।

👉 উপাদান -
১. নাজিরশাইল চাল
২. চিনিগুরা চাল
৩. আমন চাল
৪. মুশুরী ডাল
৫. মুগ ডাল
৬. বুটের ডাল
৭. মাশকলাই ডাল
৮. গম
৯. ভূট্টা
১০. সাবুদানা
১১. খেজুর
১২. কাজুবাদাম
১৩. পেস্তাবাদাম
১৪. আখরোট
১৫. কাঠবাদাম
১৬. চিনাবাদাম
১৭. এলাচ
১৮. দারুচিনি ইত্যাদি।

17/02/2022

🌿হোমমেইড খিচুড়ি মিক্স (৬ মাস থেকে)🌿

শিশুর পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে তৈরি পুষ্টিকর ও স্বাস্হ্যকর হোমমেইড খিচুড়ি মিক্স। এতে কোন প্রিজারবেটিভ ও রাসায়নিক উপাদান নেই। এটি স্বাস্হ্যসম্মত পরিবেশে তৈরি একটি পুষ্টিকর খাদ্য। যা শিশুর পুষ্টি চাহিদা করতে সহায়ক।

উপাদান -
১. চিনিগুড়া চাল
২. নাজিরশাইল চাল
৩. আমন চাল
৪. মুগ ডাল
৫. মুসুরী ডাল
৬. বুটের ডাল
৭. মাসকলাই ডাল
৮. সাগুদানা
৯. হলুদ
১০. এলাচ
১১. দারুচিনি

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Barishal?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Barishal