Sojib Ahmad 0.2
পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে
পরিকল্পনা পরিবর্তন করো
কিন্তু লক্ষ্য পরিবর্তন করো না।��
Celebrating my 4th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
22/07/2025
গল্পের নাম: "চালাক মা, তালাক কন্যা"
একটা ছোট শহরে রোজিনা বেগম নামে এক মহিলা থাকতেন। তিনি ছিলেন খুবই বুদ্ধিমতী, কথায় পাকা, আর সামান্য বিষয়েও নিজের মত চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতেন। তার একমাত্র মেয়ে ছিল সানজিদা। মেয়েটি দেখতে সুন্দর, শিক্ষিত, তবে মা'র প্রভাবে একটু বেশি আত্মবিশ্বাসী আর অহংকারী হয়ে উঠেছিল।
রোজিনা বেগম সবসময় মেয়েকে বলতেন,
– "তোর শ্বশুরবাড়ির কেউ যদি তোকে একটু কষ্ট দেয়, সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করবি! কোনোরকম ছাড় দিবি না। আমরা কি কেউ কম নাকি?"
সানজিদা বিয়ের পর শ্বশুরবাড়িতে যায়। স্বামী রাশেদ ছিল সহজ-সরল, ভালো মানুষ, কিন্তু খুব বেশি কথা বলতো না। শ্বশুর-শাশুড়িও ছিলেন শান্ত স্বভাবের। কিন্তু সানজিদা সেখানে একটু কিছু হলেই মায়ের শেখানো পথে প্রতিক্রিয়া দিতো।
একদিন শুধু ডাল পাতলা হয়েছে বলে সে রাগ করে নিজে রান্নাঘরে গিয়ে ডাল ফেলেই দিল। আরেকদিন স্বামী অফিস থেকে দেরি করে আসায় রেগে গিয়ে দরজা খুলতে দেয়নি। দিনদিন তার আচরণ এমন হয়ে উঠছিল যেন সবাই তার দাস।
রাশেদ অনেক চেষ্টা করেও শান্তি আনতে পারলো না। কথা বললে ঝগড়া, চুপ থাকলে অপমান। কয়েক মাস না যেতেই তালাক হয়ে গেল।
রোজিনা বেগম বললেন,
– "ওরা তোকে বুঝতে পারেনি, তুই তো ঠিকই ছিলি।"
তারপর দ্বিতীয় বিয়ে হলো। নতুন শ্বশুরবাড়ি, নতুন স্বামী। কিন্তু একই আচরণ, একই চিন্তাধারা। আবারও তালাক।
এভাবে একে একে তিনবার বিয়ে হলো সানজিদার। কিন্তু মায়ের শেখানো চালাকি, তর্ক, অহংকার, একচেটিয়া মনোভাব – সব কিছুই সম্পর্ক ভেঙে দিতে লাগলো।
শেষে যখন সানজিদা একা হয়ে গেল, তখন একদিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভাবল,
– "সব দোষ কি শুধু তাদেরই ছিল? না কি মা’র চালাকির চেয়ে একটু ভালোবাসা, ধৈর্য আর নম্রতা শিখলেই জীবনটা অন্যরকম হতো?"
গল্পের শেষে বলা যায়—
চালাকি দিয়ে সম্পর্ক টেকে না, টেকে সহনশীলতা, শ্রদ্ধা আর মনের মিল দিয়ে। মায়ের চাতুর্যের ছায়া যদি মেয়ের জীবনে অহংকার হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে প্রেমের জায়গা করে নেয় তালাকের নোটিশ।
–সমাপ্ত।
25/06/2025
ছেলের বিয়ে হয়ে গেলে ছেলে আর নিজের থাকেনা, বৌয়ের হয়ে যায়,
কিন্তু মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলেও মেয়ে কোনোদিন পর হয়না। এই কথাটা অনেকেই বলেন, কিন্তু একটু ভেবে বলুনতো কথাটা কি ঠিক?
আসলে কী জানেন, আপনি যদি মেয়েকে কিছু দেন তাহলে আপনি মেয়ের কাছ থেকে রিটার্ন কিছু চাননা বা আশা করেননা, মেয়ে সুখে থাকলেই আপনি সুখি, আপনি কখনও এটা তুলনা করেননা
যে আপনার মেয়ে আপনার চেয়ে কত ভালো বা সুখে আছে,
আপনার মেয়ে যদি আপনার চেয়ে ১০ গুন সুখে থাকে, ভালো থাকে আপনি সেটা দেখে ১০ গুন খুশি হন, আপনার মেয়ের জীবনে সমস্যা আসলে সেটাকে নিজের সমস্যা মনে করেন, মেয়ে সুখি না হলে আপনিও দুঃখি হন, সামর্থের বাইরে গিয়েও মেয়েকে, জামাইকে সাহায্য করেন, বিপদে পাশে দাঁড়ান |
অন্যদিকে ছেলের পিছনে যত খরচা করেন আর ভাবেন যে একটা সময় ছেলে এর বিনিময়ে কিছু দেবে, অনেক সময় দাবীও করেন, মনেও করিয়ে দেন যে তোর পিছে এতো খরচা করেছি। ছেলের বিয়ে দিয়ে ছেলেকে পর ভাবতে শুরু করেন। ছেলে বিয়ে করলে বাবা মায়েদের
ছেলের প্রতি একটা এমন মানসিকতা হয় যে মনে মনে ভেবে নেই
যে বিয়ে করেছিস তোর সমস্যা তোর,তোকেই এর সমাধান করতে হবে,
বিয়ে করেছিস তোকে কোন সাহায্য করতে পারবোনা, পারলেও সাহায্য করেনা অন্যদিকে মেয়েকে সাহায্য করার জন্য রেডি থাকে, সামর্থের বাইরে গিয়েও করে।
ছেলে বৌ কতটা সুখে আছে এটা নিজেদের সঙ্গে তুলনা করে, ছেলের বিবাহিত জীবনে সুখ কতজন সহ্য করেতে পারে। ছেলের বিপদে ছেলেকে একা করেন কিন্তু ছেলের বেশি সুখ হলে আবার তার ভাগ চান।
আসলে মেয়ের কাছ থেকে কিছু আশা করেননা, কোন দায়িত্ব আরোপ করেননা, তাই মেয়ে যদি ৫% ও কিছু দেয় আপনি ভাবেন মেয়ে আমাদের কথা অনেক ভাবে আর এদিকে ছেলের উপর ১০০% দায়িত্ব,
অনেক কিছু আশা করেন, এখন ছেলে সেটা দিতে না পারলে অথবা ৭০-৮০ % দায়িত্ব পালন করতে পারলেও যেটুকু পারছেননা সেটুকু ভেবেই ভাবেন যে ছেলে অনেক খারাপ।
মেয়ের পড়াশোনার পর বিয়েতে ১০ লক্ষ টাকা দিতে হলেও কি মেয়েকে পরে বলে ।তোর জন্য এতো খরচা করেছি, ছেলেকে পড়াশোনার পর ব্যবসা করতে ২ লক্ষ টাকা দিলেও মনে করিয়ে দেয় যে ব্যবসা করতে এতো দিয়েছিলাম, চাকরি পেলেও বলে এতো খরচা করে পড়াশোনা করিয়েছি | তো মেয়ের বিয়েতে যত খরচ করে, শখ আহ্লাদ করে, ছেলের বিয়েতে কি অতটা খরচ শখ আহ্লাদ করে |
আচ্ছা বলেন তো মেয়ে-জামাইকে যতটা সম্মান, গুরুত্ব ভালোবাসা দেয় ছেলে-বৌ কেও কি এতটা সম্মান, গুরুত্ব ভালোবাসা দেয় ? মেয়ের বাচ্চাদের যতটা ভালোবাসে, ছেলের বাচ্চাদের কি অতটা ভালোবাসে |
আসলে ছেলের সঙ্গে বাবা মায়ের সম্পর্কে
একটা বড়ো স্বার্থ থাকে |
- সংগৃহীত
31/05/2025
- মা, আমার একটা অনুরোধ রাখবে?"
- তুই চাইলে আমি কি না করতে পারি? বল, তোর সব কথা আমি রাখব।
- তোমার বৌমা বলছিল তোমার বয়স হয়েছে! এখন তোমার শরীরে একটু বিশ্রাম প্রয়োজন। আর এই বাড়িটাও খুব একটা বড় না — ছোট ঘুপচি! তোমার কাশিটাও বেড়ে গেছে। আর ডায়াবেটিস তো আছেই, হার্টের সমস্যা, হাড়ের সমস্যা, আরো কত কি!
- হ্যাঁ রে, মনে হয় আর বেশিদিন...!
- আহ থামো তো মা! তোমার সব সময় দেখাশোনার জন্য কাউকে রাখতে হবে।
- আচ্ছা আমাকে তাহলে গ্রামের বাড়িতে...।
- না না, তোমাকে বৃদ্ধাশ্রমের স্পেশাল ব্র্যাঞ্চে ভর্তি করালে কেমন হয়? এটাই বলছিল তোমার বৌমা। ওখানে অনেকে থাকবে তোমার মতোই। তাদের সাথে গল্প করতে পারবে। এ বাড়িতে তো কেউই নেই! আমি ব্যবসায় দৌড়াচ্ছি, তোমার বৌমা অফিসে আর মিঠু তো সারাদিনই স্কুলে। ওখানে তুমি আরামেই থাকবে মা। এটাই আমার, মানে আমাদের চাওয়া।
- আচ্ছা তুই চাইলে তাই হবে।
- থ্যাংকস মা। আচ্ছা, কাল বিকেলেই কিন্তু ওখানে যাচ্ছো তাহলে! তোমার ব্যাগ গুছিয়ে রাখবে।
পরের দিন ট্রাফিক জ্যামে আটকে আছে মা-ছেলে। নীরবতা ভাঙলেন মা, "বাবা ওখানে আমাকে দেখতে যাবি তো? পারলে একটা ফোন কিনে দিস আমাকে!"
- মা তুমি ফোন দিয়ে কি করবে? ওখানে ল্যান্ডফোন আছে তো!
- তোর বাবা মারা যাওয়ার পর আত্মীয়স্বজনরা যখন আমাদের ঘরবাড়ি দখল করে নিল, তোর ছোট বোনকে কোলে নিয়ে আর তোর হাত ধরে আমি অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছিলাম। মনে আছে তোর?
- মনে আছে মা।
- সেদিন তুই বারবার জিজ্ঞাসা করছিলি, মা আর কতদূর?
- এসব কথা এখন বলছ কেন মা?
- আজ আমার কেন জানি সেই দিনটার কথা খুব মনে পড়ছে। সেদিন আর আজকের মধ্যে কোথায় জানিস? সেদিন তুই আমার সাথে গিয়েছিলি, আর আজ আমি তোর সাথে যাচ্ছি!
কিছুক্ষণ পর একটা বাড়ির সামনে এসে গাড়ি থামাল। সবকিছু নিরীক্ষণ করে ছেলে বলে উঠল, "নামো মা, এটাই তোমার বৃদ্ধাশ্রম। বলেছিলাম না, তোমার পছন্দ হবে। তোমার জন্য দোতালার দক্ষিণের ঘরটা বুকিং দিয়ে রেখেছি।"
টিং ডং টিং ডং (দরজা খুললো)
হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ ! হ্যাপি বার্থ ডে টু ডিয়ার 'মা'!
দরজা খুলতেই চমকে গেলেন মা। আরে ওই তো তার একমাত্র নাতি আর বৌমা কেক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। একসাথে এত বেলুন আগে কখনো দেখেননি তিনি। এমন আয়োজন করে কেউ কখনও তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছাও জানায়নি। আরে, ওই তো তার মেয়ে আর জামাই দাঁড়িয়ে। ওদেরও ডেকে এনেছে তার পাগল ছেলেটা।
"হ্যাপি বার্থ ডে মা।"
"আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না", মা কান্না ভেজা কন্ঠে বললেন, "এটা কার ঘর?"
- নামফলকটা দেখনি? বাবার নামে বাড়ির নাম রেখেছি। এই পুরো বাড়িটাই আমাদের। ভাড়া বাসায় তোমাকে আর থাকতে হবে না। এবার তুমি আরামে থাকতে পারবে।
- তুই না! এমন কেউ করে? (মা চোখের জল মুছতে মুছতে জোরে জোরে মাথা নাড়ছেন। আনন্দে কথা বলতে পারছেন না।)
আয়োজন শেষে সবাই ঘুমাতে যাবে, এমন সময় পেছন থেকে মায়ের ডাক! হাতের ব্যাগটা আতিপাতি খুঁজে একটা কৌটা বের করে ছেলের হাতে ধরিয়ে দিলেন।
নে এটার আর দরকার হবে না! ভেবেছিলাম যদি বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসিস, সেদিনই ইঁদুর মারা বিষটা খেয়ে নেব।
ধুর মা, কি যে বলো! এটা তো আমি কাল রাতেই পাল্টে তোমার ক্যালসিয়ামের ওষুধ ভরে রেখেছি। তুমি ঘুমাও।
জনমদুখিনী মায়ের আজ আর কিছু চাওয়ার নেই। আর কিছু না হোক তার ছেলেকে অন্তত মানুষ করতে পেরেছেন তিনি। যাক, আজকের ঘুমটা সত্যিই আরামের হবে, ঘুমের ট্যাবলেট খেতে হবে না।
20/05/2025
অভাব কাকে বলে ? 😢😢😥
অর্থনীতি ক্লাসে বয়স্ক একজন স্যার, রুমে ঢুকেই সামনে বসা ছেলেটিকে প্রশ্ন করলেন,
বলো তো, অভাব কাকে বলে ?
-'অর্থনীতিতে বস্তুগত বা অবস্তুগত কোনো দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্খাকে 'অভাব' বলে।'
ছেলেটি উত্তর দিল।
-এটা তো অর্থনীতির ভাষা,
সাধারণ ভাবে অভাব কাকে বলে ? অর্থাৎ 'অভাব' বলতে তুমি ঠিক কি বোঝ ?
ছেলেটি মাথা নিচু করে বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে আছে।
কি বলবে ভাবছে সে।
স্যার আবার তাড়া দিলেন
'বল' ...
ছেলেটি এবার বলতে শুরু করল।
১। আমি কলেজে আসার সময় মা আমাকে ভাড়া দিতে গিয়ে তার ব্যাগ তন্ন তন্ন করে খুঁজে অনেক কষ্টে ২০/৩০ টাকা বের করে দেন, 😔
আর আমি বাড়ি থেকে বের হয়ে ৫/৭ মিনিট পর বাড়িতে ফিরে ভাড়ার টাকাটা মাকে দিয়ে বলি, মা! আজ কলেজে ক্লাস হবে না।
মা তখন বলেন, আগে খবর নিবি না ক্লাস হবে কিনা ?
মায়ের সাথে এই লুকোচুরি হচ্ছে 'অভাব'।🙂
২। বাবা যখন রাত করে বাড়ি আসেন মা তখন বাবাকে জিজ্ঞেস করেন এত রাত হলো কেন ফিরতে ?
বাবা বলেন, 'ওভারটাইম' ছিল।
'ওভারটাইম' না করলে সংসার কিভাবে চলবে ? বাবার এই অতিরিক্ত পরিশ্রম হচ্ছে আমার কাছে 'অভাব'।
৩। ছোট বোন মাস শেষে প্রাইভেট টিচারের টাকা বাবার কাছে চাইতে যখন সংকোচবোধ করে সেটাই 'অভাব'।
৪. মাকে যখন দেখি ছেঁড়া কাপড়ে সেলাই দিতে দিতে বলে কাপড়টা অনেক ভাল আরো কিছুদিন পরা যাবে এটাই 'অভাব'।
৫। মাস শেষে টিউশনির পুরো টাকাটা মায়ের হাতে দিয়ে বলি,
মা এটা তুমি সংসারে খরচ করো,
মা তখন একটা স্বস্তির হাসি হাসেন।
এই স্বস্তির হাসি হচ্ছে 'অভাব'।
৬। বন্ধুদের দামী স্মার্টফোনের ভিড়ে নিজের নর্মাল ফোন লজ্জায় যখন লুকিয়ে রাখি এই লজ্জাই আমার কাছে 'অভাব'।
৭। অভাবী হওয়ায় কাছের মানুষগুলো যখন আস্তে আস্তে দূরে সরে যায়,এই দূরে সরে পড়াটাই আমার কাছে 'অভাব'। ....
পুরো ক্লাসের সবাই দাঁড়িয়ে গেল!
অনেকের চোখে জল!
স্যার ও চোখের জল মুছতে মুছতে ছেলেটিকে কাছে টেনে নিলেন।🥰❤️
বস্তুতঃ আমাদের সহপাঠীদের মধ্যে এমন অনেকেই আছে,
যারা কয়েক মাস অপেক্ষা করেও বাড়ি থেকে সামান্য টাকা পায় না।
সব দুঃখ-কষ্টকে আড়াল করে হাসিমুখে দিনের পর দিন পার করে দেয় খেয়ে না খেয়ে!
তাদের হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা কষ্ট টুকু বুঝার সুযোগ হয়তো আমাদের হয়ে ওঠে না!
এটাই বাস্তবতা।
©
20/05/2025
“টাকাই সব নয়” —এ কথা বলা যতটা সহজ, বাস্তবে তা মানা ততটাই কঠিন। এই সমাজে টাকা ছাড়া কোনো মানুষের অস্তিত্বই যেন স্বীকৃত নয়…!!
যার হাতে টাকা নেই, তার কণ্ঠস্বর শোনা হয় না, তার দুঃখ-ব্যথা অনুভব করা হয় না। একজন মানুষ যখন অর্থহীন হয়ে পড়ে, তখন শুধু তার প্রয়োজনগুলোই অপূর্ণ থাকে না—সাথে সাথে সমাজ তার উপর ছুঁড়ে দেয় অবহেলার, অবজ্ঞার আর অপমানের তীক্ষ্ণ বাক্য।
টাকা না থাকলে—
তুমি এক ফোটা ওষুধ কিনতে পারবে না,
তোমার সন্তানের মুখে এক টুকরো হাসি ফোটাতে পারবে না,
তোমার মা-বাবার শেষ বয়সে চিকিৎসাটুকু করাতে পারবে না।
সত্যিটা নির্মম—অনেক বাবা-মা শুধুমাত্র গরিব থাকার কারণে বিনা চিকিৎসায় পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। অনেক সন্তান নিজের স্বপ্ন ছুঁতে না পেরে ভেঙে পড়ে, থেমে যায়, কেবল টাকার অভাবে।
টাকা না থাকলে—
তুমি যতই ভালো ব্যবহার করো না কেন, কেউ মূল্য দেবে না। তুমি যতই সম্পর্ক ধরে রাখতে চাও, এক সময় সম্পর্কও তোমাকে ছেড়ে চলে যাবে।
এই সমাজ কেবল তখনই তোমাকে আপন ভাবে, যখন তোমার হাতে কিছু থাকে। আর যদি না থাকে? তখন তুমি তাদের চোখে শুধু একটা ‘বোঝা’।
টাকা ছাড়া—
না হয় ভালোবাসা কেনা যায় না, কিন্তু ভালোবাসার মানুষটাকে পাশে রাখতে হলেও টাকা লাগে। টাকা না থাকলে, সময়ের সঙ্গে সবাই দূরে সরে যায়…
কারণ এই সমাজ কেবল স্বপ্ন দেখে,
কেউ স্বপ্ন পূরণের দায় নেয় না।
কেউ যদি ভাবে, কিছু মানুষ কেবল টাকার পেছনে ছোটে—তবে তারা বোঝে না, যারা টাকার পেছনে ছোটে, তারা জানে অভাবের কষ্ট কতটা গভীর, তারা জানে সন্তানের মুখে দুমুঠো হাসি ফোটাতে কতটা যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়, তারা জানে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে কতটা যুদ্ধ করতে হয়।
টাকাই কি সব? না, হয়তো নয়।
কিন্তু টাকাই সেই ভিত্তি, যার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে জীবন, দায়িত্ব, সম্পর্ক, স্বপ্ন আর আত্মসম্মান। যারা বলে টাকা দিয়ে সুখ কেনা যায় না, তাদের বোঝা উচিত— সুখ যদি না-ও কেনা যায়, সুখে বাঁচার রাস্তাটা কিন্তু টাকা দিয়েই তৈরি হয়।
আর সব থেকে বড় কথা দুবেলা দুমুঠো খাবার যোগাড় করার জন্যও কিন্তু ওই টাকাটাই প্রয়োজন।
তাই জীবনকে ছোট মনে কোরো না। টাকাকে ঘৃণা নয়—সৎভাবে উপার্জনের মানসিকতা গড়ে তুলো। বুদ্ধি, ব্যবহার, ভালোবাসা সবকিছুর পাশাপাশি টাকাও প্রয়োজন—
কারণ জীবন শুধু আবেগ দিয়ে চলে না, চলে প্রয়োজন পূরণের সক্ষমতা দিয়ে। আর সেই সক্ষমতার নামই “টাকা”।
সংগৃহীত
09/04/2025
🤍❤️🥰🥰
04/04/2025
লাগলে নিতে পারো,wallpaper,
হিসেবে, আর যদি অন্য রকম লাগে, তাহলে বলো, যেমন চাইবে তেমনি দিবো, 🥰🥰❤️
23/03/2025
টাকার অভাব খুব ভয়ং'কর, ঘরের ছেলে কে, ঘর ছাড়া করে দেয়..!💔😅
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Barishal