Setem Cooking, Beauty And Health Tips
আমাদের এই পেজ এ রান্না,বিউটি, ও স্বাস্?
আসসালামু আলাইকুম
27/05/2021
24/01/2021
যে ৭ কারণে রোজ কমলা খাবেনঃ
শীতকালে বাজারে প্রচুর কমলা পাওয়া যায়। কিন্তু সুস্বাধু এই ফলের গুরুত্ব না বুঝে আমরা অনেকেই এটি খাই না। ভিটামিন 'সি'তে ঠাসা এই ফল রোজ খাওয়া উচিত। এখন শীত-গ্রীষ্ম ১২ মাস কমলা পাওয়া যায়।
যারা ঠাণ্ডা-সর্দিতে ভোগেন তাদের জন্য প্রধান দাওয়াই এই ফল। রোগ প্রতিরোধে কমলার চেয়ে কার্যকর ফল খুবই কম আছে।
যেসব কারণে প্রচুর কমলা খাবেন সে সম্পর্কে আসুন জেনে নিই-
* রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় কমলা। রোজ কমলা খেলে ছোটখাটো রোগবালাই এমনকি বড় রোগও ঘেঁষবে না ধারেকাছে।
* কমলায় রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। ত্বকের বলিরেখা দূর করে তারুণ্য ধরে রাখে বহু বছর।
* আমাদের শরীরে মাঝে মাঝে ভিটামিন 'সি'র ঘাটতি দেখা দেয়। শরীর হয়ে পড়ে নির্জীব। কমলায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'সি' রয়েছে। ত্বকের সজীবতা ও শরীরে প্রাণশক্তি এবং কর্মস্পৃহা ধরে রাখতে কমলা খান প্রতিদিন।
* কমলায় ভিটামিন 'সি'র পাশাপাশি রয়েছে ভিটামিন বি-৬ ও ম্যাগনেসিয়াম। এই উপাদান রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
* ব্রেস্ট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার ও স্কিন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় কমলা।
* অনেকে চোখের সমস্যায় ভোগেন। কমলায় রয়েছে ভিটামিন 'এ'। এই ভিটামিন শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে।
* কমলায় রয়েছে প্রচুর আঁশজাতীয় উপাদান, যা ব্লাডসুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে।
আরো অনেক টিপস পেতে আমার পেজে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার দিয়ে সাথেই থাকুন এবং আমি আপনাদের সুবিধার জন্য অনেক রিকুয়েষ্টে ইউটিউব চ্যানেল খুলেছি আশা করি আপনারা আমার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে আমার পাশে থাকবেন,, আমার ইউটিউব চ্যানেল 👇👇
https://www.youtube.com/channel/UCPAgaD3hr-QE1PBbBdEL9Yg?sub_confirmation=1
23/01/2021
রাইস ক্রিম কিভাবে ঘরে বানাবেন
বর্তমানে সবচাইতে হাইপড প্রোডাক্ট হচ্ছে রাইস ক্রিম। যা আপনি নিজেই বানিয়ে নিতে পারবেন।
কিভাবে বানাবেন আগে বলে নেইঃ
যেহেতু সাত দিন পর্যন্ত রেখে ব্যবহার করতে পারবেন তাই বেশি বানিয়ে লাভ নেই।
এক কাপ চাল পানি দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে ভিজিয়ে রাখুন চাল টা সাদা না হওয়া পর্যন্ত।
তারপর ভাল মত ব্লেন্ড করে নিন। একদম মিহি দানা যেন হয়। তারপর ছেকে নিন। সেই তরল অংশ টাকে জাল দিয়ে ঘন করে নিন।
অবশিষ্ট গুড়া টাকে আপনি স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।
আসুন জেনে নিই এটি আসলেও কাজ করে কিনা
রাইস ক্রিম কিভাবে ঘরে বানায়
রাইস ক্রিম
চাল যেহেতু একটা আল্লাহ প্রদত্ত প্রাকৃতিক উপাদান।
তাই এর ব্যবহারে কোন সাইড ইফেক্ট নেই।
এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন যা ত্বককে খুব দ্রুত ফর্সা করে।
আমাদের ত্বকের কয়েকটা লেয়ার থাকে। একটা লেয়ার আমরা স্ক্রাব আর ফেইসওয়াশ দিয়ে ক্লিন করতে পারি।
কিন্তু নিচের লেয়ার গুলো সেই ময়লা থেকেই যায়।
এখন এই ক্রিম যখন আমরা রাতে দিয়ে ঘুমাবো তখন ভিতরের ময়লা গুলোকে ক্লিন করে দিবে।
যার ফলে প্রতিনিয়ত ব্যবহারে ত্বক হয়ে যাবে দাগমুক্ত হেলদি আর উজ্জ্বল।
এই রাইস ক্রিম আপনার পোর মিনিমাইজ এ সাহায্য করবে। ত্বককে টানটান করবে এবং ব্রন ফিরে আসতে দিবে না।
এটি আপনার স্কিনে এন্টি এইজিনং এর করবে। বয়সের ছাপ পড়তে দিবে না। রিংকেলস আর মেছতার ও সমাধান বলতে পারেন।
আরেকটা কথা বলে রাখা ভাল এটাই কিন্তু জাপানিজ দের রুপের রহস্য। জি ঠিকি শুনেছেন। তারা বছরের পর বছরের এই হোমমেইড রাইস ক্রিম ই ব্যবহার করছে।
এখন বলি আমি কিভাবে ইউস করিঃ
যাদের স্ক্রিন সুপার সেনসেটিভ তারা শুধু এটা রাতে ঘুমানোর সময় ব্যবহার করবেন।
কিন্তু আপনারা চাইলে এর মধ্যে এ্যালোভেরা জেল, আরগান ওয়েল অথবা ব্রনের প্রকোপ বেশি থাকলে বডি শপের টি ট্টি ওয়েল টা ইউজ করতে পারবে।
টানা সাত দিন ব্যবহারের পর নিজেই চমকে যাবেন। তখন আর বহুজাতিক কোম্পানির ক্রিমের পিছনে টাকা ঢালতে হবে না।
আরো অনেক টিপস পেতে আমার পেজে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার দিয়ে সাথেই থাকুন এবং আমি আপনাদের সুবিধার জন্য অনেক রিকুয়েষ্টে ইউটিউব চ্যানেল খুলেছি আশা করি আপনারা আমার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে আমার পাশে থাকবেন,, আমার ইউটিউব চ্যানেল 👇👇
https://www.youtube.com/channel/UCPAgaD3hr-QE1PBbBdEL9Yg?sub_confirmation=1
21/01/2021
বয়স-উচ্চতা অনুযায়ী আপনার আদর্শ ওজন কত হওয়া উচিত ?
আমরা কোনো কিছু না ভেবে শুধু দেখেই কাউকে মোটা বা চিকন বলে থাকি। আসলে কিন্তু ব্যাপারটি মোটেই তা নয়। চিকিৎসা বিজ্ঞান মতে বডি মাস ইনডেক্স বা বিএমআই নির্ণয় করে কাউকে রোগা বা মোটা বলা হয়ে থাকে। উচ্চতার সাপেক্ষে প্রতিটি মানুষের আছে একটি আদর্শ ওজন। ধারনা করা হয় যে ওজন যদি এই আদর্শ মাত্রায় থাকে, অর্থাৎ এর চাইতে বেশি বা কম না হয়ে থাকে, তাহলে মানুষটি সুস্থ দেহের অধিকারী।
আদর্শ ওজন নির্ণয়ের পদ্ধতিতে একজন ব্যক্তির ওজন কিলোগ্রামে মাপা হয় এবং উচ্চতা মিটারে মাপা হয়। এবার ওজনকে উচ্চতার বর্গফল দিয়ে ভাগ করা হয়। এই ভাগফলকে বলে বিএমআই। বিএমআই ১৮ থেকে ২৪-এর মধ্যে হলে স্বাভাবিক। ২৫ থেকে ৩০-এর মধ্যে হলে স্বাস্থ্যবান বা অল্প মোটা, ৩০ থেকে ৩৫-এর মধ্যে হলে বেশি মোটা। আর ৩৫-এর ওপরে হলে অত্যন্ত ও অসুস্থ পর্যায়ের মোটা বলা যেতে পারে। অতিরিক্ত ওজন কিংবা অতি কম ওজন কারোই কাম্য নয়। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন বেঁটে কিন্তু মোটা, আবার অনেকে খুব লম্বা কিন্তু যেন তালপাতার সেপাই। এরকম অবস্থা মানে উচ্চতা অনুযায়ী তাঁদের ওজন ঠিক নেই। আপনার ওজন বেশি না কম, নাকি তা ঠিকই আছে তা বুঝতে হলে জেনে নিন উচ্চতা অনুযায়ী আপনার ওজন কতো :
উচ্চতা পুরুষ(কেজি) নারী(কেজি)
►৪’৭” —— ৩৯-৪৯ —– ৩৬-৪৬
►৪’৮” —— ৪১-৫০ —– ৩৮-৪৮
►৪’৯” —— ৪২-৫২ —– ৩৯–৫০
►৪’১০” —— ৪৪-৫৪ —– ৪১–৫২
►৪’১১” —— ৪৫-৫৬ —– ৪২-৫৩
►৫ফিট —— ৪৭-৫৮ —– ৪৩-৫৫
►৫’১” —— ৪৮-৬০ —– ৪৫-৫৭
►৫’২” —— ৫০-৬২ —– ৪৬-৫৯
►৫’৩” —— ৫১-৬৪ —– ৪৮-৬১
►৫’৪” —— ৫৩-৬৬ —– ৪৯-৬৩
►৫’৫” —— ৫৫-৬৮ —– ৫১-৬৫
►৫’৬” —— ৫৬-৭০ —– ৫৩-৬৭
►৫’৭” —— ৫৮-৭২ —– ৫৪-৬৯
► ৫’৮” —— ৬০-৭৪ —– ৫৬-৭১
► ৫’৯” —— ৬২-৭৬ —– ৫৭-৭১
►৫’১০” —— ৬৪-৭৯ —– ৫৯-৭৫
►৫’১১” —— ৬৫-৮১ —– ৬১-৭৭
►৬ ফিট —— ৬৭-৮৩ —– ৬৩-৮০
►৬’১” —— ৬৯-৮৬ —– ৬৫-৮২
►৬’২” —— ৭১-৮৮ —– ৬৭-৮৪
শরীর অতিরিক্ত রুগ্ন হলে দেখতে খারাপ তো লাগেই, সাথে চেহারায় দ্রুত বলিরেখা পড়ে। অতি রুগ্ন মানুষ অপুষ্টির শিকার। ফলে পুষ্টি জনিত নানাবিধ রোগ, যেমন- অ্যানিমিয়া বা রক্ত শুন্যতা, শারীরিক দুর্বলতা, নানান রকম চর্মরোগ ইত্যাদি হওয়ার প্রবল সম্ভাবন থাকে। অপুষ্টির শিকার হলে চুল পড়ে যাওয়া, দাঁত নষ্ট হয়ে যাওয়া, হাড় খয়ে যাওয়া সহ নানা রকম রোগ হতে পারে।
আবার শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমার ফলে মানুষ মোটা হয় বা ভুঁড়ি হয়। ফ্যাট সেল বা চর্বিকোষ আয়তনে বাড়ে তখন শরীরে চর্বি জমে। পেটে, নিতম্বে, কোমরে ফ্যাট সেল বেশি থাকে। অতিরিক্ত খাওয়ার জন্য দেহে চর্বি জমে, আবার যে পরিমাণ খাওয়া হচ্ছে বা দেহ যে পরিমাণ ক্যালরি পাচ্ছে সে পরিমাণ ক্ষয় বা ক্যালরি খরচ হচ্ছে না-এ কারণেও দেহে মেদ জমতে পারে। এগুলো শোনার বা জানার পর অনেকে হয়তো বলবেন, সঠিক পরিমাণে খাদ্য গ্রহণের পরও ওজন বেশি। তাদের অভিযোগ সঠিক। বংশগত কারণেও মানুষ মোটা হতে পারে।
আরো অনেক টিপস পেতে আমার পেজে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার দিয়ে সাথেই থাকুন এবং আমি আপনাদের সুবিধার জন্য অনেক রিকুয়েষ্টে ইউটিউব চ্যানেল খুলেছি আশা করি আপনারা আমার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে আমার পাশে থাকবেন,, আমার ইউটিউব চ্যানেল 👇👇
https://www.youtube.com/channel/UCPAgaD3hr-QE1PBbBdEL9Yg?sub_confirmation=1
20/01/2021
চির তরুণ থাকার ১৫ উপায়ঃ
১� খুব ধীরে ধীরে চেষ্টা করতে করতে কয়েক মাসের মধ্যে সকালে ঘুম থেকে উঠে চারগ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। এর পর বাথরুমে যান।
২� বাথরুম থেকে ফিরে এসে আরও এক গ্লাস পানি খান এবং তার পর খান দুধ ছাড়া খুবহালকা এক কাপ চা। আপনার ওজন বেশির দিকে হলে চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। চাকখনোই অতিরিক্ত গরম খাবেন না।
৩� সারা দিনে ৮ থেকে ১২ গ্লাস বাড়তি পানি খাবেন। উপরোক্ত রং চা দিনে কমপক্ষে চার কাপ খাবেন।
৪� ওপরের নিয়মে পানি খাওয়ার নাম হচ্ছে হাইড্রোথেরাপি রা জলচিকিৎসা। মূলত এটিহচ্ছে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার বছরের প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসা। আধুনিক বৈজ্ঞানিকপরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে- ঘুম থেকে উঠে ধীরে ধীরে চার গ্লাস পানি খাওয়ারঅভ্যাস করলে প্রায় ৩৬ ধরণের রোগ হয় না এবং হলেও সেরে যায়।
৫� অপরপক্ষে, দুধহীন এবং দুধ-চিনি-হীন হালকা গরম চা হচ্ছে আড়াই হাজার বছর আগেরএকটি চায়নিজ হারবাল মেডিসিন। সেকালে এই চা দিয়ে হার্ট, ব্লাড প্রেসার (উচ্চ রক্তচাপ) ও পেটের নানা রকম রোগের চিকিৎসা করা হতো। আবার আধুনিকবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে- চায়ে রয়েছে অ্যান্টিঅিডেন্ট, যাক্যান্সার প্রতিরোধে নিশ্চিত অবদান রাখে। এ ছাড়াও অন্য বহুগুণ রয়েছেচায়ে। তবে যে চা-টা প্রক্রিয়াজাত হয়নি, সে চায়ের গুণাগুণই অপেক্ষাকৃতভালো।
৬� ভিটামিন সি একটি বৈপ্লবিক খাদ্যপ্রাণ। অসংখ্য এর গুণাগুণ।জানা গেছে, দিনে ১ হাজার মিলিগ্রাম ভিটামিন সি খেলে মানুষ চির তরুণ থাকে।তবে ট্যাবলেট খেলে কিছুই উপকার পাওয়া যায় না। খেতে হবে ভিটামিন সি সমৃদ্ধতাজা ফলমূল। প্রতিদিনই খেতে হবে। ভিটামিন সিও ক্যান্সার ঠেকাতে সাহায্যকরে।
৭� আমলকি, সব ধরনের লেবু, টমেটো, কমলা, পেয়ারা, নানা রকর টক স্বাদের ফলে বিভিন্ন মাত্রায় ভিটামিন সি রয়েছে।
৮� রেডমিট অর্থাৎ গরু, মহিষ, খাসি, ভেড়া ইত্যাদির মাংস খাওয়া ছেড়ে দিতে হবে।ফার্মের মুরগিও চলবে না। শুধু চর্বিহীন বাচ্চা মুরগির মাংস খাওয়া চলতেপারে।
৯� প্রচুর পরিমাণে আধা-সেদ্ধ শাক-সবজি, তরিতরকারি এবং খুব অল্প পরিমাণে ভাত-রুটি, এই হওয়া উচিত আপনার দৈনন্দিন মূল খাদ্য।
ভাজাভুজিখাবেন না। অতিরিক্ত তেল, চর্বি, ঘি, মাখন খাবেন না। মসলার বিভিন্ন ভেষজগুণ আছে, তবুও রান্নায় খুব বেশি মসলা ব্যবহার করবেন না।
১০� সালাদ হিসাবে প্রতিদিন বেশি করে খাবেন কাঁচা লেটুস পাতা, পুদিনা পাতা, টমেটো ইত্যাদি।
১১� বিধিনিষেধ না থাকলে সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খাবেন।
১২� পূর্ণবয়স্কদের জন্য গরু, ছাগল, মহিষের দুধ অপ্রয়োজনীয় তো বটেই, রীতিমতো ক্ষতিকর। দুগ্ধজাত খাবারই তাই।
১৩� ছোট-বড় সব ধরনের মাছ খাবেন। সমুদ্রের মাছ খাওয়া অভ্যাস করতে পারলে তোখুবই ভালো। কেননা, ওটা মহৌষধ। গাদা-গাদা মাছের কাটা খাওয়া ঠিক নয়। ওতেপাকস্থলিতে পাথর হতে পারে।
১৪� সূর্যমূখী ফুলের বীজ হচ্ছে হার্টেরভেষজ ওষুধ। রান্নায় সূর্যমূখী তেল ব্যবহার করলে হার্টের সুরক্ষা যেমন হয়, তেমনি হার্টের অসুখ থাকলে তা সারাতে সাহায্য করে।
১৫� প্রতিদিন অল্প একটু টক দই খাওয়ার অভ্যাস করুন। টক দই উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে।
আরো অনেক টিপস পেতে আমার পেজে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার দিয়ে সাথেই থাকুন এবং আমি আপনাদের সুবিধার জন্য অনেক রিকুয়েষ্টে ইউটিউব চ্যানেল খুলেছি আশা করি আপনারা আমার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে আমার পাশে থাকবেন,, আমার ইউটিউব চ্যানেল 👇👇
https://www.youtube.com/channel/UCPAgaD3hr-QE1PBbBdEL9Yg?sub_confirmation=1
18/01/2021
প্রাকৃতিক উপায়ে জিরা দিয়ে বদহজম-গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তিঃ
বদহজম-গ্যাস্ট্রিক হলেই গলা জ্বালা, চোঁয়া ঢেকুর, বুকে-পিঠে ব্যথা, মাথায় যন্ত্রণার মতো লক্ষণ দেখা দেয়। দেরি করে ঘুম থেকে ওঠার ফলে ঠিক মতো প্রাতরাশ অনেকেই করেন না। সেটিও বদহজমের বড় কারণ। সে ক্ষেত্রে সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে ভারী ব্রেকফাস্ট করে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ডিনারের পরেও হালকা হাঁটাচলা, ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ় করলে হজমের সুবিধে হয়। তবে এ সবই হচ্ছে সমস্যার আগের সতর্কতা। কিন্তু বদহজম, গ্যাস্ট্রিক হলে কী করবেন। দ্রুত অরোগ্যের জন্য বাসি, পচা ও তৈলাক্ত খাবার বর্জন করুন। বদহজম-গ্যাস্ট্রিক সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধান হলো প্রাকৃতিক কিছু খাবার যেমন জিরা পানি যা থেকে আপনি পরিত্রাণ পেতে পারেন।
জিরাপানি
এক চা চামচ জিরা নিয়ে ভেজে ফেলুন। এবার এটিকে এমন ভাবে গুড়া করুন যেন পাউডার না হয়ে যায়, একটু ভাঙা ভাঙা থাকে।এই গুড়াটি একগ্লাস পানিতে মিশিয়ে প্রতিবার খাবারের সময় পান করুন। দেখবেন কেমন ম্যাজিকের মতো কাজ করে। অ্যাসিডিটির সমস্যার জন্য ভালো জিরা পানি খুবই উপকারি। যেকোনো ভারী খাবার খাওয়ার পর ধীরে ধীরে জিরাপানি খেলে অ্যাসিডিটির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। পেটের গ্যাস কমাতে জিরা পানি সাহায্য করে।
আরো অনেক টিপস পেতে আমার পেজে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার দিয়ে সাথেই থাকুন এবং আমি আপনাদের সুবিধার জন্য অনেক রিকুয়েষ্টে ইউটিউব চ্যানেল খুলেছি আশা করি আপনারা আমার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে আমার পাশে থাকবেন,, আমার ইউটিউব চ্যানেল 👇👇
https://www.youtube.com/channel/UCPAgaD3hr-QE1PBbBdEL9Yg?sub_confirmation=1
16/01/2021
টোনার নিয়ে ৫ ভুল ধারণাঃ
ত্বক সম্পর্কে সচেতন যেকোনো মহিলাই টোনার ব্যবহার করে থাকেন। টোনার ব্যবহারে আপনার হারানো ঔজ্জ্বল্য যেমন ফেরে তেমনই আবার ত্বককে করে তোলে আরও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। কিন্তু টোনার সম্পর্কে ভুল ধারণা রয়েছে অনেকেরই। আপনিও কী এই ধারণায় বিশ্বাসী? চলুন তবে তা জেনে নেওয়া যাক।
অনেকেই মনে হয় টোনার ব্যবহারের ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। একেবারেই ঠিক নয়। কারণ, সব ধরনের টোনারে থাকা উপাদান একইরকম হয় না। তার ফলে এক একটি টোনার আলাদা আলাদা কাজ করে। তাই আপনি কীরকম টোনার কিনছেন তার উপরেই তৈলাক্ত কিংবা শুষ্কতা নির্ভর করে।
ক্নিনজারের বিকল্প হিসাবে টোনার ব্যবহার করা যায়। এই ধারণা থাকলে তা আজই বদলের সময় এসেছে। কারণ বিশেষজ্ঞদের দাবি, মুখ ভালো করে পরিষ্কারের পরেও আপনার ত্বকে থাকা ব্যাকটেরিয়া, বাড়তি তেল, মৃত কোষকে পরিষ্কার করতে টোনার কাজে লাগে। তবে তা কখনই ক্লিনজারের বিকল্প হতে পারে না।
স্ক্রাবারের পরিবর্তে শুধুমাত্র টোনার ব্যবহারেই ত্বকের মৃত কোষের বিড়ম্বনার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলেই ধারণা রয়েছে অনেকের। তবে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। হয়তো আপনার ত্বককে সামান্য ঔজ্জ্বল্য ফেরাতে সাহায্য করতে পারে টোনার। তবে তা কখনই পুরো মাত্রায় আপনার ত্বককে মৃত কোষমুক্ত করতে পারে না।
ত্বকে থাকা ব্রণ কিংবা কালো দাগ তুলতে পারে না টোনার। তবে আপনার অতিরিক্ত তৈলাক্ত ত্বক হলে তা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে টোনার। তার ফলে ব্রণর সমস্যা থেকে সামান্য মুক্তি মিলতে পারে।
অনেকেই ভাবেন স্পর্শকাতর ত্বকে টোনার ব্যবহার করা এক্কেবারে উচিত নয়। এই ভাবনা বদলের সময় এসেছে। কারণ, একাধিক সংস্থা বিভিন্ন রকমের ত্বকের চরিত্র অনুযায়ী টোনার বাজারে এনেছে। শুধু আপনাকে ত্বকের চরিত্র অনুযায়ী তা বেঝে নিতে হবে। তাহলেই বাজিমাত।
আরো অনেক টিপস পেতে আমার পেজে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার দিয়ে সাথেই থাকুন এবং আমি আপনাদের সুবিধার জন্য অনেক রিকুয়েষ্টে ইউটিউব চ্যানেল খুলেছি আশা করি আপনারা আমার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে আমার পাশে থাকবেন,, আমার ইউটিউব চ্যানেল 👇👇
https://www.youtube.com/channel/UCPAgaD3hr-QE1PBbBdEL9Yg?sub_confirmation=1
15/01/2021
শীতে ত্বকের যত্নে গুঁড়ো দুধঃ
রূপচর্চায় দারুণ উপকারী এই গুঁড়ো দুধ। গরম জলে গুঁড়ো দুধ গুলে কফি পাউডার মেশালে যেমন দারুণ কফি হয় তেমনই গুঁড়ো দুধের সাথে চিনি আর কফি পাউডার মিশিয়ে মুখের জন্য খুব ভালো স্ক্রাবার বানানো যায়।
শীতকালে গুঁড়ো দুধের তৈরি এই স্ক্রাবে যেমন ময়লা উঠে যায় তেমনই ত্বক বেশ চকচকেও থাকে। শীতকালে সবসময় অনুষ্ঠান লেগেই থাকে। আর শীতের শুষ্ক ত্বকে মেকআপও কিন্তু একটু ঝামেলার। আর তাই সবাই চান তাকে যেনো সতেজ লাগে। উজ্জ্বল, নরম ত্বক সকলেরই পছন্দ। তাই আজ থেকেই রূপচর্চায় ব্যবহার করুণ গুঁড়ো দুধ। দেখে নিন গুঁড়ো দুধের কয়েকটি ফেসপ্যাক।
*উপকরণ হিসাবে ২ চামচ চাল গুঁড়ো,৩ চামচ গুঁড়ো দুধ,জল।
পদ্ধতি
একটি পাত্রে চালের গুঁড়ো আর গুঁড়ো দুধ জল দিয়ে মিশিয়ে ঘন্টা খানেক রেখে দিতে হবে।তারপর ভালো ভাবে মিশিয়ে মুখে লাগাতে হবে আর রাখতে হবে ৩০ মিনিট মতো। ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন তারপর। এটা সপ্তাহে একদিন করতে পারেন। এতে চালের গুঁড়ো থাকায় মুখের ভালো স্ক্রাবিংও হয়ে যাবে।
*গুঁড়ো দুধের সাথে হলুদের ব্যবহারের সময় ২ চামচ গুঁড়ো দুধ,৩ চামচ কাঁচা হলুদ বাটা, ২ চামচ মধু, জল লাগবে।
পদ্ধতি
সবকটি উপকরণ মেশান খুব ভালো করে। এবার মিশ্রণটা মুখে, গলায় লাগিয়ে রেখে দিন ২০ মিনিট মতো। তারপর হাল্কা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু’বার করুন।
*গুঁড়ো দুধ আর লেবুর রসের ক্ষেত্রে ২ চামচ গুঁড়ো দুধ, ৩ চামচ লেবুর রস।
পদ্ধতি
জল দিয়ে দুটি উপকরণ মিশিয়ে নিন। তারপর মুখে মেখে রেখে দিন ১৫ মিনিট মতো। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিন। ত্বকের জন্য খুব উপকারী এই প্যাক।
*গুঁড়ো দুধ আর গোলাপ জলের সময় গুঁড়ো দুধ ৪ চামচ,গোলাপ জল ৬ চামচ, জল।
পদ্ধতি
গুঁড়ো দুধ প্রথমে জল দিয়ে গুলে নিন। তাতে এবার গোলাপ জল মেশান আর খানিকক্ষণ এমনি রেখে দিন। তারপর তা মুখে লাগিয়ে রাখুন ঘন্টা খানেক মতো। তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটা আপনি সপ্তাহে একবার করুন আর টানা দু’মাস করুন। বাড়বে ঔজ্জ্বল্য।
গুঁড়ো দুধ আর কমলার খোসা
*৪ চামচ কমলালেবুর খোসা গুঁড়ো, ২ চামচ গুঁড়ো দুধ,কাঁচা দুধ ২ চামচ।
পদ্ধতি
কমলালেবুর খোসা গুঁড়ো আর দুধ মিশিয়ে নিন জল দিয়ে। তারপর মুখে লাগিয়ে রেখে দিন ২০ মিনিট মতো।তারপর শুকিয়ে আসলে আগে হাল্কা ম্যাসাজ করে নিন, তারপর ধুয়ে ফেলুন।
আরো অনেক টিপস পেতে আমার পেজে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার দিয়ে সাথেই থাকুন এবং আমি আপনাদের সুবিধার জন্য অনেক রিকুয়েষ্টে ইউটিউব চ্যানেল খুলেছি আশা করি আপনারা আমার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে আমার পাশে থাকবেন,, আমার ইউটিউব চ্যানেল 👇👇
https://www.youtube.com/channel/UCPAgaD3hr-QE1PBbBdEL9Yg?sub_confirmation=1
14/01/2021
পা ফাটা দূর করার ৫টি ঘরোয়া উপায়ঃ
শুধু শীতকাল নয়, অনেকেরই সারাবছর পায়ের গোড়ালি ফাটে। এর কারণ- গোড়ালির ত্বকের শুষ্কতা বা স্তরীভূত মরাকোষ। অনেক বেশি হাঁটাচলা, দিনের দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে কাজ করা, ডিহাইড্রেশন ইত্যাদির কারণেও সারাবছর পা ফাটতে পারে। দীর্ঘদিনের পা ফাটা সমস্যা দূর করতে ছোট ছোট কিছু ব্যাপার লক্ষ্য রাখা জরুরি।সাধারণত পায়ের ত্বকে আর্দ্রতা কমে যাওয়ার কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়। তাই রাতে ভালোভাবে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে তবেই ঘুমানো উচিত। আসুন জেনে নিন পা ফাটা দূর করার ৫টি ঘরোয়া উপায়।
১.চালের গুড়া,মধু,অ্যাপেল: তিন টেবিল চামচ চালের গুড়া, এক চামচ মধু এবং ২ থেকে ৩ ফোটা আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে একটা মিশ্রণ তৈরি করুন। প্রথমে পায়ের গোড়ালি হালকা গরম পানিতে ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। এরপর পাটা মুছে তাতে মিশ্রণটা লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুইদিন এটা করলে পা ফাটা কমে যাবে।শুধু মধু ব্যবহার করেও পা ফাটা রোধ করা যায়। গামলায় হালকা গরম পানিতে এক কাপ মধু ঢালুন। পা-টা তাতে ২০ মিনিটের মতো ডুবিয়ে রাখুন। এবার পা ঘষার পাথর দিয়ে ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করুন। নিয়মিত এটি করলে পা ফাটা রোধ করা যায়।
২.কলা: দুটি পাকা কলা ভালভাবে চটকে নিন। এরপর এটি আক্রান্ত স্থানগুলোতে ভালভাবে লাগান। ২০ মিনিট পর পা ধুয়ে ফেলুন। কলায় থাকা প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার ,ভিটামিন এ, বি সিক্স, এবং ভিটামিন সি ত্বকে আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
৩.বেকিং সোডা: একটি বালতি অথবা গামলায় হালকা গরম পানিতে তিন চামচ বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশান। পানিতে ২০মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। পাথর দিয়ে পায়ের গোড়ালি আস্তে আস্তে ঘষুন। এরপর পরিষ্কার পানিতে পা ধুয়ে তোয়ালে দিয়ে মুছে ফেলুন। পা শুকিয়ে এলে ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করুন। সপ্তাহে অন্তত তিন বার বেকিং সোডা এভাবে ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।
৪.গ্লিসারিন ও গোলাপজল: পা ফাটা রোধে গ্লিসারিন ও গোলাপজলের মিশ্রণ দারুন কার্যকরী। প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে গ্লিসারিনের সঙ্গে সমপরিমাণ গোলাপজল মিশিয়ে পায়ে ম্যাসাজ করুন। এটি পা ফাটা রোধ করবে।
৫.লেবু ,ভ্যাসলিন: লেবুর রসের সঙ্গে ভ্যাসলিন মিশিয়ে পায়ে লাগাতে পারেন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পা ভালভাবে পরিষ্কার করে মিশ্রণটি লাগান। এটি আপনার পা ফাটা রোধ করবে।
আরো অনেক টিপস পেতে আমার পেজে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার দিয়ে সাথেই থাকুন এবং আমি আপনাদের সুবিধার জন্য অনেক রিকুয়েষ্টে ইউটিউব চ্যানেল খুলেছি আশা করি আপনারা আমার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে আমার পাশে থাকবেন,, আমার ইউটিউব চ্যানেল 👇👇
https://www.youtube.com/channel/UCPAgaD3hr-QE1PBbBdEL9Yg?sub_confirmation=1
13/01/2021
এই ৫ সহজ উপায়ে শীতেও পান উজ্জ্বল ত্বকঃ
১.নিয়মিত ময়শ্চারাইজ করুন, মনে রাখবেন তৈলাক্ত ত্বকেরও কিন্তু ময়শ্চারাইজিংয়ের প্রয়োজন পড়ে। ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়শ্চারাইজার লাগান সকাল ও রাতে।
২.সারাদিনে অন্তত ৩ লিটার পানি খান। শীতকালে অনেকেরই তেষ্টা কম পায়। তাই প্রায়ই পানি খাওয়ার পরিমাণও কমে যায়। সচেতন হন। ডাবের পানিও খেতে পারেন নিয়মিত। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি রয়েছে।
৩.অনেকেই ভাবেন শীতে সানস্ক্রিন লাগানোর প্রয়োজন পড়ে না। ধারণাটা একেবারেই ভুল। শীতের সূর্যের আলট্রাভায়োলেট রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করে। রেহাই পেতে রোদে বেরোনোর আগে অবশ্যই সানস্ক্রিন লাগান।
৪.মুখ ধোয়ার সময়ে খুব ঠান্ডা অথবা গরম জল ব্যবহার করবেন না। ঈষদুষ্ণ জলে মুখ ধোবেন সব সময়ে। এতে ত্বক তার স্বাভাবিক তৈলাক্ত ভাব এবং আর্দ্রতা হারাবে না।
৫.সারা দিনের ক্লান্তি দূর করতে রাতে ভালো করে ক্লেনজিং, টোনিং এবং ময়শ্চারাইজিং করুন। প্রয়োজনে নাইট রিপেয়ারিং ক্রিম অথবা হাইড্রেটিং অয়েল লাগান।
আরো অনেক টিপস পেতে আমার পেজে লাইক কমেন্ট ও শেয়ার দিয়ে সাথেই থাকুন এবং আমি আপনাদের সুবিধার জন্য অনেক রিকুয়েষ্টে ইউটিউব চ্যানেল খুলেছি আশা করি আপনারা আমার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে আমার পাশে থাকবেন,, আমার ইউটিউব চ্যানেল 👇👇
https://www.youtube.com/channel/UCPAgaD3hr-QE1PBbBdEL9Yg?sub_confirmation=1
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Kamargari
Bogura
5800