E-health care zone
Welcome to E- health care zone, not business, service is our main goal, stay with us to get something good.
We do not parcel products, we believe parcels, our head office is on the 3rd and 4th floor of Chittagong Muradpur Jalal Plaza.
26/07/2022
আসসালামু আলাইকুম
🍀কো"ন রক"মের ডা"য়েট ছাড়াই ও"জন ক"মান স্থায়ী"ভাবে🍀
☘️আমাদের সকলেরই জানা যে মে"দ আমাদের স্বা"স্থ্যের জন্য কতটা ক্ষ তি"কর-☘️
🍀অ"তিরি"ক্ত মে"দ একটি বিব্র-তকর বিষয়🍀
🔹এবার আপনাকে স্লি-ম ফি-টনে-স এনে দিবে ন্যা"চারা'ল জুস সাপ্লিমেন্টে যা স্থা'য়ীভা'বে কাজ করে-🍀🖐️
✅বিস্তা"রিত জান'তে ইন-বক্সে মেসেজ করুন অথবা কল করুন পেইজে দেওয়া নাম্বারে।
ধন্যবাদ-❤️
19/07/2022
স্ট্রবেরির গুণাগুণ:
১. স্ট্রবেরিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আটটি স্ট্রবেরিতে একটি কমলার সমান ভিটামিন সি পাওয়া যায়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এ ফল।
২. সোডিয়াম প্রায় নেই বলে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্রোগীদের জন্য এটি ভালো। রক্তচাপ রোধে সহায়তা করে এই ফল।
৩. স্ট্রবেরিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অনেক, বিশেষ করে পলিফেনলজাতীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
৪. স্ট্রবেরি মানুষের শরীরের ক্ষতিকর চর্বি এলডিএল কমায়।
৫. বিভিন্ন রকম সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে।
৬. স্ট্রবেরিতে আছে প্রচুর ফাইবার, যা ডায়াবেটিস ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে।
৭. ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৮. চুল পড়া রোধ করে।
৯. স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।
১০. ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।
🖤
18/07/2022
টনসিলের সমস্যার কারণে গলাব্যাথায় ভুগে থাকেন অনেকে। যদিও টনসিলের সমস্যা সব বয়সেই হয়ে থাকে , তারপরও শিশুদের ক্ষেত্রে টনসিলের ইনফেকশন একটু বেশি হয়। টনসিলের এই ইনফেকশনকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় টনসিলাইটিস বা টনসিলের প্রদাহ।
জিভের পিছনে গলার দেয়ালের দু’পাশে গোলাকার পিণ্ডের মতো যে জিনিসটি দেখা যায় সেটাই টনসিল। টনসিল দেখতে মাংসপিণ্ডের মতো মনে হলেও এটি লসিকা কলা বা লিম্ফয়েড টিস্যু দিয়ে তৈরি। মুখগহ্বরের দু’পাশে দুটি টনসিল পুলিশের মতো পাহারায় থাকে বলে এটিকে মুখগহ্বরের পুলিশ বলা হয়। মুখ, গলা, নাক কিংবা সাইনাস হয়ে রোগজীবাণু অন্ত্রে বা পেটে ঢুকতে বাধা দেয় এই টনসিল।
টনসিল শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। কিন্তু এই টনসিল যখন নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন সেটির চিকিৎসা করাতে হয়, প্রয়োজনবোধে অপারেশন করে ফেলেও দিতে হয়। অপারেশন করে টনসিল ফেলে দিলে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না, কারণ কোনো নষ্ট জিনিস শরীরে না রাখাই ভালো।
এছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির জন্য শরীরে আরও অনেক বড় বড় অঙ্গ রয়েছে, তারা এই কাজটি করে দেবে। আর বয়স্কদের ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে টনসিলের বিশেষ কোনো কাজ থাকে না।
টনসিলের ইনফেকশন মানে কী?
সাধারণত ভাইরাসের সংক্রমণে টনসিলের প্রদাহ হয়ে থাকে। বিশেষ করে সর্দি-কাশির জন্য দায়ী ভাইরাসগুলোই এই কাজটি করে থাকে। এছাড়া ব্যাকটেরিয়ার কারণে বিশেষ করে স্ট্রেপটোকক্কাস গোত্রের ব্যাকটেরিয়া টনসিলের প্রদাহ সৃষ্টি করে থাকে। যেকোনো বয়সেই টনসিলের ইনফেকশন বা টনসিলাইটিস হতে পারে। শৈশবে এটা বেশি দেখা যায়, তবে বয়স্কদের বেলায়ও এটি হয়ে থাকে।
রোগীর যেসব উপসর্গ দেখা দেয়:
১। টনসিলের ইনফেকশন হলে মূলত গলা ব্যাথা হবে, গিলতে অসুবিধা হবে।
২। তীব্র গলাব্যাথা।
৩। মাথাব্যাথা, উচ্চ তাপমাত্রা।
৪। শিশুর খাবার গ্রহণে অনীহা কিংবা নাক দিয়ে পানি ঝরা ইত্যাদি থাকতে পারে।
৫। অনেকের ক্ষেত্রে গলার বাইরে গ্রন্থি ফুলে যেতেও দেখা যায়।
৬। ভাইরাসজনিত টনসিলাইটিসে টনসিলের প্রদাহ ধীরে ধীরে বাড়ে, ফলে উপসর্গগুলোও ধীরে ধীরে আবির্ভূত হয়।
৭। শরীরে সামান্য জ্বর থাকবে।
৮। অনেক সময় গলার স্বর পরিবর্তিত হয়, নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ থাকে।
৯। ব্যাকটেরিয়াজনিত টনসিলাইটিস হঠাৎ করেই তীব্রভাবে আক্রমণ করে। ফলে উপসর্গ হঠাৎ-গলাব্যাথা হঠাৎ করেই দেখা দেয়।
15/07/2022
মানুষ কীভাবে সুস্থ থাকতে পারে এবং কোন উপায়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে, সেটি নিয়ে নানামুখী গবেষণা হয়েছে বিশ্বজুড়ে।
চিকিৎসক এবং পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী না হলে অল্প অসুস্থতাতেও মানুষ খুব সহজে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রোগের আক্রমণও জোরালো হয়।
এক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস এবং জীবন-যাপনের পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করছেন চিকিৎসকরা।
মানুষ সচরাচর যে ধরণের খাবার খায়, সেগুলো হচ্ছে - শর্করা, প্রোটিন এবং ফ্যাট বা চর্বি জাতীয় খাবার।
15/07/2022
আলহামদুলিল্লাহ আজকের ডেলিভারি📲
15/07/2022
*শরীর ফিট রাখতে প্রথম শর্ত স্বাস্থ্যকর খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। এর সঙ্গে সঙ্গে করতে হবে শারীরিক ব্যায়াম।
শরীর ফিট রাখতে করতে পারেন এই কাজগুলো-
বাইরে যাওয়ার সময় সঙ্গে নিতে পারেন বাদাম, আমন্ড, কাজু, ওয়ালনাট, তিসির বীজ, বাড়িতে তৈরি ভ্যানিলা।বাইরে চকলেট, চিপস না খেয়ে খেতে পারেন এগুলো।
টিভি দেখতে দেখতে খাওয়া যাবে না। যদি এই কাজটি করেন তাহলে খেয়াল থাকবে না আপনি কতটা খাচ্ছেন।
ছোট পাত্রে খাওয়ার অভ্যাস করুন। বেশি বার খান তবে অল্প অল্প। এতে শরীরে খাবারের ভারসাম্য বজায় থাকবে।
খাওয়ার সময় ভালোভবে চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এর ফলে খাবারের জরুরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করবে। ফলে গ্যাসের সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে।
শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন। দিনে ১০ মিনিট এ ধরনের ব্যায়াম করলে দুশ্চিন্তার মাত্রা অনেকটা কমে যাবে। হার্টরেট স্বাভাবিক থাকবে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থেকে শরীরও সুস্থ রাখবে।
খাবার খাওয়ার ১৫ মিনিট আগে অথবা পরে পানি খান। এতে হজমশক্তি বাড়বে।
অনেকের খাবার দেখলেই খেতে ইচ্ছা করে। আর এ কারণে ক্ষুধা না লাগলেও খেতে থাকেন অনেকে। এই অভ্যাসটি শরীরের জন্য ভালো নয়। ক্ষুধা পেলে তবেই খেতে হবে।
রান্নাঘরে স্বাস্থ্যকর খাবার রাখুন। প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবারের বদলে ফল, সবজি, ডিম, দুগ্ধজাত দ্রব্য রান্নাঘরে রাখুন। এতে কাজ করতে করতে উপকারী খাদ্যগ্রহণের অভ্যাস তৈরি হবে।
15/07/2022
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Muradpur Jalal Plaza
Chittagong
4000