Asthma Cure

Asthma Cure

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Asthma Cure, Health/Beauty, Chittagong.

01/11/2024

আমাদের ট্যাবলেট সরাসরি আমেরিকার শিকাগো থেকে আমদানি করা হয়। এটি আমেরিকার লং লাইফ ফুড সাপ্লিমেন্ট প্রতিষ্ঠান তৈরী করে থাকে। আর আমরা দীর্ঘ ৮ বছর ধরে এই প্রোডাক্ট আমদানি করে সারাদেশে প্রোভাইড করছি।এটি বাংলাদেশ সাইন্স ল্যাব কর্তৃক পরিক্ষিত এবং অনুমোদিত।

01/09/2022

অ্যালার্জির কারণ ও করণীয়

মনি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

হাঁচি থেকে শুরু করে খাবার ও ওষুধের প্রতিক্রিয়াতে এই রোগ হতে পারে। কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জি সামান্য অসুবিধা করে। আবার কারও ক্ষেত্রে জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।

ঘরের ধুলাবালি পরিষ্কার করছেন। দেখা গেল হঠাৎ করে হাঁচি এবং পরে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। অথবা ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন বা গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ বা গরুর দুধ খেলেই শুরু হল শরীর চুলকানি আর চামড়ায় লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে ওঠা।

তিনি অ্যালার্জির নানা বিষয় নিয়ে জানান।

প্রত্যেক মানুষের শরীরে এক একটি প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ‘ইমিউন সিস্টেম’ থাকে। কোনো কারণে এই ব্যবস্থায় গোলযোগ দেখা দিলে তখনই অ্যালার্জির বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

অ্যালার্জি: আমাদের শরীর সব সময়ই ক্ষতিকর বস্তুকে (পরজীবী, ছত্রাক, ভাইরাস, এবং ব্যাকটেরিয়া) প্রতিরোধের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধের চেষ্টা করে। কখনও কখনও আমাদের শরীর সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন অনেক ধরনের বস্তুকেও ক্ষতিকর ভেবে প্রতিরোধের চেষ্টা করে। সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন সব বস্তুর প্রতি শরীরের এ অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে অ্যালার্জি বলা হয়।

অ্যালার্জিজনিত প্রধান সমস্যাগুলো-

অ্যালার্জি জনিত সর্দি বা ‘অ্যালার্জিক রাইনাইটিস’:এর উপসর্গ হচ্ছে অনবরত হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, কারও কারও চোখ দিয়েও পানি পড়ে এবং চোখ লাল হয়ে যায়।

‘অ্যালার্জিক রাইনাটিস’ দুই ধরনের।

সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাটিস: বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হলে একে সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বলা হয়।

পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: সারা বছর ধরে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হলে একে পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বলা হয়।

লক্ষণ ও উপসর্গ

সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: ০ ঘন ঘন হাঁচি। ০ নাক দিয়ে পানি পড়া। ০ নাসারন্ধ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া। ০ চোখ দিয়ে পানি পড়া। ০ চোখে তীব্র ব্যথা অনুভব করা।

পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের উপসর্গগুলো সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের মতো। তবে এক্ষেত্রে উপসর্গগুলোর তীব্রতা কম হয় এবং স্থায়িত্ব কাল বেশি হয়।

24/08/2022

হাঁপানি বংশগত হতে পারে আবার পরিবেশগত কারণেও হতে পারে। তবে ইদানীং পরিবেশগত কারণটিই বেশি দেখা যাচ্ছে বিশেষ করে শহরাঞ্চলে। শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্ক যে কারো হাঁপানি হতে পারে।
রাজশাহী শহরের বাসিন্দা ফারহানা নাহারকে হাঁপানির জন্য ছোটবেলা থেকেই নিয়মিত ইনহেলার ও কিছু ঔষধ ব্যবহার করতে হয়। তিনি বলছেন, কিছু সময় আছে যখন তার হাঁপানির প্রবণতা অনেক বেড়ে যায়।
"যেদিন বাতাসে খুব ধুলোবালি থাকে, বিশেষ করে গরমকালে, সেই ধুলোবালি যদি নাকে যায় তাহলে সাথে সাথে হাঁচি শুরু হয়ে যায়, শ্বাসকষ্ট হয়, শ্বাসে টান উঠে যায়। তখন আমাকে ইনহেলার নিতে হয়। বদ্ধ ঘরে কয়েকদিন থাকলেও একই ধরনের সমস্যা হয়।"

24/08/2022

এ্যা জমা বা হাঁ পানি হলো শ্বাস নালির প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদি একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাস নালি ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। এতে হাঁ পানির বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন- কা শি, শ্বাস কষ্ট, বু কে চাপ চাপ অনুভব করা, দম নিতে কষ্ট হওয়া এবং বাঁশির মতো শোঁ শোঁ আওয়াজ হওয়া ইত্যাদি। এ অবস্থায় শ্বাস নালিতে যদি ধুলা,ঠান্ডা বা গরম বাতাস প্রবেশ করে তাহলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে এর প্রকোপ।

এ্যা জমার উপসর্গগুলো সাধারণত রাতে বা খুব সকালে বেশি হয় এবং শ্বাস নালীতে কোন ধরনের এ্যা লজেন প্রবেশ করলে বা তাপমাত্রা পরিবর্তিত হলে এ উপসর্গের তীব্রতা বেড়ে যায়। কারও কারও ক্ষেত্রে কা শি বা শ্বাস কষ্ট, বুকে বাঁশির মতো শোঁ শোঁ শব্দ শুরুর আগে নাক বা বুক চুলকায়, হাঁচি হয়,না ক দিয়ে পানি পড়ে, চো খ লাল হয়ে যায়। ওপরের উপসর্গগুলোর সঙ্গে বংশে কারও যদি এ্যা জমায় আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যায় তার এ্যা জমা রয়েছে

এ্যা জমা/হাঁ পানি যে কোন বয়সেই হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগ বেশি দেখা যায়। দেখা গেছে, কারও কারও বংশগত কারণে বা পরিবেশগত কারণেও এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া ধুলোবালির মধ্যে থাকা মাইট নামের ক্ষুদ্র কীট, ফুলের পরাগরেণু থেকে,পশুপাখির পালক, ছত্রাক,মল্ট,ইস্ট,প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সিগারেটের ধোঁয়ার মধ্যে যারা থাকে তাদের এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া মানসিক চাপে থাকলে হাঁ পানি/শ্বাস কষ্টের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে।কারও কারও বিভিন্ন সুগন্ধি,মশার কয়েল বা কারও কারও কীটনাশকের গন্ধ থেকেও শ্বাস কষ্ট বেড়ে যেতে পারে।

এ্যা জমার বয়স যত বৃদ্ধি পাবে এর সমস্যার পরিধিও তত বৃদ্ধি পাবে।তাই উক্ত সমস্যা থেকে স্থায়ী সমাধান পেতে ইনবক্সে নক দিয়ে আপনার বয়স এবং সমস্যা খুলে বলুন অথবা কল করুন ০১৭৩২১০০৯৯৯

13/07/2022

শীত বাড়ার সাথে হাঁপানির সমস্যাও বাড়ে। আবহাওয়ার তারতম্যের জন্য বছরের যে কোনও সময়ে হাঁপানি রোগীদের সমস্যা বাড়লেও শীতে এর প্রকোপ অনেক বেড়ে যেতে পারে। তাই চলুন রোগটির বিভিন্ন কারণ ও এসময়ে যেসব বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সে সম্পর্কে জেনে নিই।

শীত বাড়ার সাথে সাথে বাড়ে হাঁপানির সমস্যাও। ডাক্তারদের মতে আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে যদিও বছরের যে কোনও সময়ে হাঁপানি রোগীদের সমস্যা বাড়তে পারে তবে শীতকালে এর প্রকোপ অনেক বেড়ে যায়। চলুন জেনে নিই রোগটির বিভিন্ন কারণসহ ও শীতকালে হাঁপানি রোগীদের যেসব বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সেসব বিষয়ে বিস্তারিত।

হাঁপানি কি?

আমাদের ফুসফুসে রয়েছে সরু সরু অনেক নালী পথ যার মাধ্যমে আমদের দেহে ফুস্ফুস থেকে সারা শরীরে অক্সিজেন বাহিত হয়। তবে ধুলা-বালি, অ্যালার্জেন বা অন্যান্য কারণে যদি শ্বাসনালীর পেশি ফুলে যায় তাহলে অক্সিজেনবাহী এই নালীসমুহের পথগুলি সঙ্কুচিত হয়ে যায়। এর ফলে আমাদের শরীরে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাব ঘটে এবং শুরু হয় নিঃশ্বাসের কষ্ট-সহ নানা শারীরিক সমস্যা যাকে আমরা হাঁপানির সমস্যা বলে থাকি।

হাঁপানির কারণ সমূহ

অ্যাজমা বা হাঁপানি হচ্ছে শ্বাসনালির প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদি একটি রোগ। মুলত এটি একটি বংশগত রোগ হলেও ইদানীং সময়ে মাত্রাতিরিক্ত পরিবেশ দূষণের জন্য বেড়ে যাচ্ছে এই সমস্যাটি। এই রোগের কারণে প্রদাহের জন্য শ্বাসনালি ফুলে যায় এবং তা অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। নিম্নে রোগটির কিছু কারণ দেওয়া হলো।

হাঁপানির অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে অ্যালার্জি। বাতাসে ভেসে বেড়ানো ধুলো-বালি, ধোঁয়া, পশু-পাখির লোম, তুলোর আঁশ, রান্নাঘর বা বিছানার ধুলা কিংবা বাতাসে ভেসে বেড়ানো ফুলের রেণু ইত্যাদি শ্বাসনালীতে প্রবেশ করে সমস্যাটি সৃষ্টি করে। এইসব অ্যালার্জেন ‘অ্যাজমা অ্যাটাক’-এর ঝুঁকিকে অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়।বিভিন্ন প্রকার রাসায়ানিকের উগ্র গন্ধ বা গ্যাস হাঁপানির সমস্যাকে অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে।কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও অ্যাজমার সমস্যা হতে পারে।ধূমপান করা এই রোগের জন্য অনেকটা ঝুঁকিপুর্ণ। ধূমপান প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ উভয়ই হাঁপানির সমস্যাকে অনেকটা জটিল করে তুলতে পারে। বিশেষকরে সন্তানসম্ভবা কোনও মহিলা ধূমপান করলে বা ধূমপানের সংস্পর্শে আসলে তাঁর গর্ভের শিশুর হাঁপানিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়।ঋতু পরিবর্তনের জন্য জ্বর, সর্দি-কাশির জটিলতা সহ হাঁপানির প্র

13/07/2022

এজমা কি? এজমা থেকে মুক্তির উপায়

বর্তমানে এজমা সমস্যার নাম শুনে নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আমরা নিজেরা কিংবা আমাদের আশেপাশে বহু লোক এই এজমা সমস্যায় ভুগছেন। বিশেষ কারনবশত শ্বাসনালী সরু বা সংকুচিত হয়ে গেলে শ্বাস-প্রশ্বাসে অসুবিধা তৈরী হয়। সেটাই এজমা বা হাঁপানি। বিশেষজ্ঞদের মতে হাপানি স্থায়ী ও বংশানুক্রমিক একটি অসুখ। আরো বলা হয় এই রোগের কোনো নিরাময় নেই৷ অর্থাৎ এমন কোনো সমাধান নেই যার ফলে একবারে এজমা সমস্যা নির্মূল হয়ে যাবে৷

তবে চিন্তার কোনো কারন নেই। এজমা কোনো মরণব্যাধী রোগ নয়। এজমা থেকে মুক্তি কিংবা সাময়িক নিরাময়ের অনেক উপায় রয়েছে। এসব চিকিৎসা করালে এবং জীবনযাপনের সাধারন কিছু নিয়ম মেনে চললে, এজমা আপনার স্বাভাবিক জীবনযাপনে কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। কিন্তু অনেকেই জানেন না এজমা থেকে মুক্তির উপায় কি। এ কারনে এজমার প্রকোপ অনেক মানুষকে নাজেহাল করে দেয়। তাই আমরা আজকে এজমা কি? কেন হয়? এবং এজমা থেকে মুক্তির উপায় গুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরব।

বিষয় বস্তুসমূহঃ

এজমা কি?এজমার কারনএজমার ধরনঅ্যাজমার উপসর্গএজমা থেকে মুক্তির উপায় চিকিৎসার মাধ্যমে এজমা থেকে মুক্তিদ্রুত ত্রাণ বা উদ্ধারকারী ঔষধদীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণজীবনধারার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এজমা থেকে মুক্তিশিশুর এজমা সমস্যা ও চিকিৎসাশেষকথা

এজমা কি?

শ্বাসনালীতে অনেক সময় ইওসিনোফিল কোষ ও অন্যান্য উপাদান জমা হয়। ফলে শ্বাসনালীর ছিদ্রপথ সংকুচিত হয়ে যায়। তখন শ্বাসপ্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি হয় ও শ্বাসনালিতে প্রদাহ তৈরী হয়। শ্বাসনালী সরু হয়ে যাওয়া ও প্রদাহ সৃষ্টিকারী এই অবস্থাকেই বলা হয় এজমা। তবে অনেকেই শ্বাসকষ্ট ও এজমাকে এক করে ফেলেন। এজমার কারনে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। তবে এজমা ও শ্বাসকষ্ট এক জিনিস নয়। শ্বাসকষ্ট অনেক রোগের উপসর্গ মাত্র।

এজমার কারন

প্রকৃতপক্ষে কি করনে এজমা হয় তা এখনও জানা যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন বংশগত কিংবা পরিবেশগত কারনে এজমা হতে পারে। সব বয়সের মানুষেরই এজমা হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এর প্রকোপ গুরুতর। সাধারণত শীতকালে, শুষ্ক ও ঠান্ডা বাতাসের উপস্থিতিতে এজমার সমস্যা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও ধুলাবালি, আগাছা, কীটপতঙ্গ, পশুপাখির পালক অথবা বিভিন্ন খাবারের প্রভাবে এজমা দেখা যায়।

12/07/2022

হাঁপানি হল ফুসফুসীয় শ্বাসনালির দীর্ঘ মেয়াদিপ্রদাহজনিত রোগ।[৩] এর বৈশিষ্ট্য হল রোগটি বিভিন্ন মাত্রায় ও বার বার লক্ষন দেখা দেওয়া এবং পরবর্তীতে চিকিৎসা না করলে খারাপ হতে থাকা,শ্বসনপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হওয়া, এবং সহজেই বা অল্পতেই ব্রঙ্কোস্পাজম বা শ্বাসনালি সরু হয়ে যাওয়ার মত অবস্থায় চলে যাওয়া যার ফলে হাঁপানি বেড়ে যায়।[৮][৯] লক্ষনগুলোর মধ্যে আছে শো শো শব্দ হওয়া, কাশি, বুকে চাপ অনুভব করা (বুকের মাংসপেশি শক্ত হয়ে যাওয়া), এবং স্বল্প মাত্রায় শ্বাস নিতে পারা।[২] এগুলো এক দিনে একাধিকবার হতে পারে আবার এক সপ্তাহে ধীরে ধীরে হতে পারে।[৩]ব্যক্তিভেদে হাঁপানির লক্ষনগুলো রাতে বেড়ে যেতে পারে বা ভারি কাজ বা ব্যায়াম বা খেলাধূলা করলেও বেড়ে যেতে পারে।[৩]

হাঁপানি জিনগত এবং পরিবেশগত কারনে হয় বলে ধারণা করা হয়।[৪] পরিবেশগত কারনগুলোর মধ্যে আছে বায়ু দূষন এবং বাতাসে এ্যালার্জেন বা এ্যালার্জি উদ্রেককারী উপাদানের উপস্থিতি।[৩] অন্য কারনগুলো হল এসপিরিনজাতীয় ঔষধ এবং বেটা ব্লক করে এমন এমন ঔষধ সেবন করা।[৩] লক্ষনের ধরন দেখে পরিক্ষা করা হয়, তার ভিত্তিতে যে ঔষধ প্রয়োগ করা হয় তা ব্যক্তির উপর কিভাবে কাজ করছে তা দেখা হয় (দীর্ঘ মেয়াদে) এবং ফুসফুসের কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করা হয় স্পাইরোমেট্রি। [৫] হাঁপানি কতটুকু জটিল তা বুঝার জন্য লক্ষনগুলো কত দ্রুত দেখা দেয় তা দেখা হয়, সেই সাথে এক সেকেন্ডে প্রশ্বাসের ভলিউম কতটুকু তাও যোগ করা হয় যাকে (FEV1)বলে এবং পিক ফ্লো ব্যবহার করা হয়।[১০] এটপিক এবং নন এটপিক হিসেবেও একে ভাগ করা হয় যেখানে এটপিক হল টাইপ ১ ধরনের সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া দেখানো।[১১][১২]

এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করাতে পারে এমন কোন ঔষধ তেরী হয়নি, কিন্তু এটিকে সহজেই চিকিৎসা করে নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় রাখা যায়।[৩]উপসর্গগুলো দেখা দেবার পূর্বেই যে কারনগুলো হাঁপানির উদ্রেক করে যেমন এ্যালার্জেন, শ্বাসতন্ত্রের প্রতি হুমকি এমন পরিবেশ বা উপাদান, সেগুলো বন্ধ করতে পারলে এবং সেই সাথে কর্টিকোস্টেরয়েড গ্রহণ করলে হাঁপানির উপসর্গগুলো বন্ধ করা যায়।[১৩][১৪]শুধুমাত্র কর্টিকোস্টেরয়েড দিয়ে যদি হাঁপানি নিয়ন্ত্রিত না হয়, তাহলেদীর্ঘ-মেয়াদি বেটা এগনিস্ট অথবাএন্টিলিউকোট্রিন এজেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।[১৫][১৬] যখন দ্রুত হাঁপানি বাড়তে থাকে তখন শ্বাসের সাথে গ্রহণ করা যেতে পারে স্বল্প মেয়াদিবেটা-২

12/07/2022

শিশুদের হাঁপানি বা এ্যাজমার আধুনিক চিকিৎসা

ছোট বড় সকলেরই হাঁপানি হতে পারে। তবে বাচ্চাদের হাঁপানিতে বেশী ভুগতে দেখা যায়। মোট হাঁপানি রোগীর অর্ধেকের বয়স দশ বছরের মধ্যে। মেয়েদের তুলনায় ছেলেদেরই শিশু বয়সে এই রোগ বেশী হয়।

সারা বিশ্বের প্রায় ১০ কোটি লোক শ্বাসনালীর সচরাচর সমস্যা-এ্যাজমায় আক্রান্ত হয়। তাদের ৯০% এরও বেশী অত্যাধুনিক চিকিৎসা পায় না এবং অনেক রোগী মারা যায়। যদিও এ মৃত্যুর ৮০% প্রতিরোধ করা সম্ভব যদি আধুনিক চিকিৎসা ও ডাক্তারের তদারকির মাধ্যমে এ্যাজমা নিয়ন্ত্রণের শিক্ষা দেয়া যায়।

বাচ্চাদের কেন এত বেশী হাঁপানী রোগ অনেক কারণে হয়ে থাকে। একই সঙ্গে একাধিক কারণকে এ অসুখের জন্য দায়ি মনে করা হয়। বাচ্চাদের হাঁপানিতে বেশী আক্রান্ত হবার কারণ হিসাবে মনে করা হয় শ্বাসনালীর হাইপার রেসপোনসিভনেসকে।

আসলে বড়দের তুলনায় বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটা কম। তাই তাদের বার বার রেসপিরেটরী ট্রাক্ট এর সংক্রামণজনিত কারণে সর্দিকাশি হওয়ার প্রবণতা বেশী। কিছু কিছু শিশুর রেসপিরেটরী ট্রাক্ট এর সংক্রমণের ফলে শ্বাসনালীগুলোতে হাইপার ইরিটেবিনিটি দেখা দেয় অর্থাৎ অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে।

এই ক্রনিক ইনফ্লামেশনের ফলে বাইরে থেকে কোনও কিছু (ঠাণ্ডা, মাইট, ধুলো, ফুলের রেণু ইত্যাদি) শ্বাসনালীতে ঢুকলেই শুরু হয় সংকোচন এর ফলস্বরূপ হাঁপানি। তবে ছোট বাচ্চাদের হাঁপানির লক্ষণ নিয়ে আসলে চিকিৎসককে ভীষণ সজাগ থাকতে হয়। কারণ অনেক সময় লেবুর দানা। বোতাম, পুঁতি ইত্যাদি ফরেন বডি বাবা-মায়ের অজান্তে বাচ্চাদের নাক-মুখ দিয়ে ঢুকে শ্বাসনালীতে আটকে থাকতে পারে। এর ফলে সর্দি, কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদিতে বাচ্চাটি ভুগতে পারে।

জেনেটিক কারণে কারো কারো বেশী হয়ে থাকে। ঘর-বাড়ীর ধুলো ময়লায় মাইট পোকা, ফুলের বা ঘাসের পরাগ রেণু, পাখির পালক, জীব জন্তুর পশম, ছত্রাক, কিছু কিছু খাবার, কিছু কিছু ওষুধ, নানা রকম রাসায়নিক পদার্থ ইত্যাদি থেকে এলার্জিজনিত এ্যাজমা হয়ে থাকে।

বংশগতভাবে এ্যাজমার ঝুঁকি কতটা?

মাতৃকুলে হাঁপানি থাকলে তিনগুণ বেশী রিস্ক আর পিতৃকুলে হাঁপানি থাকলে অনেকটা কম রিস্ক। মায়ের হাঁপানি থাকলে মোটামোটিভাবে বলা যায় তিন সন্তানের মধ্যে একটির হাঁপানি, একটির আপাত সুস্বাস্থ্য এবং একটির অস্বাভাবিক শ্বাসনালীর সংকোচন থাকতে পারে। শেষেরটির হাঁপানি না হয়ে সর্দি-কাশির প্রবণতা থাকতে পারে।

12/07/2022

অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগীর সংখ্যা দিন দিন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিশুসহ যেকোনো বয়সের নারী-পুরুষ এতে আক্রান্ত হতে পারে। অ্যাজমায় মানুষ মারা যায় না বললেই চলে। কিন্তু সুচিকিৎসার অভাবে তারা বেশ কষ্ট পায়।

শ্বাসনালির প্রদাহজনিত দীর্ঘস্থায়ী রোগ হলো অ্যাজমা। শ্বাসনালিতে বিভিন্ন কোষ প্রধানত ইওসিনোফিল ও অন্যান্য উপাদান জমা হয়ে শ্বাসনালির ছিদ্র পথ সরু হয়ে যায়। রোগী শ্বাসকষ্টসহ শুকনো কাশি, বুকে কাশি জমে যাওয়া, শ্বাস নেওয়ার সময় বুকে শোঁ শোঁ আওয়াজ হওয়া ইত্যাদি সমস্যায় ভুগতে থাকে।

শীতকালে শুষ্ক ঠান্ডা আবহাওয়া বাতাসে উড়ে বেড়ানোয় ধূলিকণার আধিক্যে অ্যাজমার সমস্যা বেড়ে যায়।

কারণ

অ্যাজমার প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে গবেষকরা ধারণা করেন, কিছু বংশগত ও পরিবেশগত কারণে অ্যাজমা হয়। সব বয়সের মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হলেও শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত ঝামেলা বেশি হয়।

যাদের রক্তের সম্পর্কে কারও মধ্যে অ্যাজমা থাকে, তাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

এছাড়াও ঘরের উপাদানের থাকা ক্ষুদ্র কীট, ধুলাবালি, গাছ-আগাছা, ফুলের পরাগরেণু, পশুপাখির পালক, কীটপতঙ্গ ইত্যাদি থেকে সংক্রমণ হয়ে থাকে।

লক্ষণসমূহ

শ্বাসকষ্ট।

কাশি (রাতে ঘুমানোর সময় কাশি বেড়ে যায়)।

কফ থাকতে পারে।

শারীরিক কর্মকাণ্ড যেমন হাঁটলে বা সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করলে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়।

বুক ভার হয়ে থাকে।

শ্বাস নেওয়ার সময় বাঁশির মতো আওয়াজ হয়।

করণীয়

অ্যাজমার ওষুধ বা ইনহেলার সবসময় হাতের কাছে রাখুন।

ভিটামিন-এ জাতীয় খাবার, কলিজা, গাজরসহ শাক-সবজি ও মধু খাবেন।

নিয়মিত চেকআপ করাবেন।

নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করতে পারেন।

ধূমপান ও ধুলোবালি এড়িয়ে চলুন।

বালিশ লেপ তোশক-পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন।

ঘরে কার্পেট ব্যবহার না করা।

ঠাণ্ডা খাবার আইসক্রিম ইত্যাদি না খাওয়া।

বাড়িতে পোষা প্রাণী (কুকুর, বিড়াল) থাকলে নিয়মিত গোসল করাতে হবে বা পরিচ্ছন রাখতে হবে।

মানসিক চাপ, উৎকণ্ঠা এড়িয়ে চলতে হবে।

12/07/2022

হাঁপানি এমন একটি দুরারোগ্য ব্যাধি যাতে একবার আক্রান্ত হলে দুঃসহ যন্ত্রণা নিয়ে রোগীকে সারা জীবন কাটাতে হয়। হাঁপানি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি কখনও সামাজিক বা পারিবারিক আনন্দ উল্লাসে যোগদান করতে পারে না। পারে না কোন পরিশ্রমের কাজে অংশ নিতে। তাকে অনেক সময় গৃহবন্দি অবস্থা দিন কাটাতে হয়। অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই ঠাণ্ডা আবহাওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক। বর্ষার ঠাণ্ডায়, শীতের ঠাণ্ডায় রোগ বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে ব্রংকিয়াল হাঁপানি শীতকালে বাড়ে।
শীতের ঠাণ্ডা রোগীর অসহ্য। শীতকালে নাকে একটুখানি ঠাণ্ডা বাতাস বা কুয়াশা প্রবেশ করলেই প্রথমে হাঁচি নাকঝরা ও পরে শ্বাসকষ্ট দেয়া দেয়। বর্ষাকালে দু-এক ফোটা বৃষ্টির পানি গায়ে পড়লে, খোলা জানালার পাশে রাতে ঘুমালে, ভেজা বাতাসে ভ্রমণ করলে রোগ লক্ষণ বৃদ্ধি পায়।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Chittagong