Asthma Shop

Asthma Shop

Share

আপনাদের সুস্থতা আমাদের সাফল্য

11/03/2023

নিয়মিত থানকুনি পাতার রস (Centella Asiatica) খেলে ব্লাড ভেসেলের যে দেওয়াল রয়েছে, তার ক্ষমতা যেমন বাড়ে, তেমনই সারা শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের প্রবাহ বেড়ে যায়। ফলে দেহের প্রতিটি অঙ্গে বিশুদ্ধ রক্ত পৌঁছে যাওয়ার কারণে রোগ-ব্যাধির প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। বাড়ে শরীরের ক্ষমতাও।

09/03/2023

শিশুর শ্বাসকষ্ট একটি জটিল রোগ। সাধারণত শর্দি-জ্বর হলে শিশুরা এই সমস্যায় ভুগে থাকে। আবার শীতকালে অনেক শিশুর শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

ফুসফুসে ভাইরাল ইনফেকশন হলেই শ্বাসকষ্ট হয়। ভাইরাস ফুসফুসের সারফেস লাইনিং নষ্ট করে দেওয়ায় মিউকোসাল ইমিউনিটি কমে যায়। এতে করে ব্যাকটেরিয়ার গ্রোথ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। ফুসফুসের এ ভাইরাল ইনফেকশন এবং ব্যাকটেরিয়ার গ্রোথ থেকেই হতে পারে নিউমোনিয়া।

শিশুদের বেশি নিউমোনিয়া হওয়ার প্রবণতা থাকে। কারণ বাচ্চাদের ডিফেন্স মেকানিজম বড়দের তুলনায় দুর্বল হয়ে থাকে। তার ওপর শিশুরা স্কুলে অনেক বাচ্চাদের সঙ্গে মিশে, মাঠে খেলাধুলা করে তাই তাদের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কাছাকাছি আসার আশঙ্কাও বেশি। বড়রা যদি বাচ্চাদের সামনে ধূমপান করেন তা থেকেও বাচ্চারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়

বিস্তারিত জানতে কল করুন 01822563231 এই নম্বরে অথবা আমাদের ইনবক্স করুন।

09/03/2023

পুষ্টি চাহিদা পূরণে ডিমের জুড়ি নেই। ডিম খাওয়ার সব ধরনের উপায়ের মধ্যে সিদ্ধ করে ডিম খাওয়াকে সবচেয়ে পুষ্টিকর উপায় মনে করা হয়। কারণ সিদ্ধ ডিমের ক্যালোরি মোটামুটি কম। এতে প্রচুর পুষ্টি, প্রোটিন, ভিটামিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে। আপনি যদি দ্রুত ওজন কমানোর চেষ্টা করে থাকেন তবে সিদ্ধ ডিম আপনাকে সাহায্য করতে পারে। চিকিৎসকরা বলছেন ওমলেট, পোচের তুলনায় সিদ্ধ ডিমই কিন্তু বেশি উপকারি।

গবেষণায় দেখা গেছে, সিদ্ধ ডিম দুই সপ্তাহের মধ্যে ১১ কেজি পর্যন্ত ওজন কমাতে পারে। ওজন হ্রাস ছাড়াও এই ডায়েট হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়, চুল এবং ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে ও ব্লাড সুগারকে কার্যকর উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

সিদ্ধ ডিমের কুসুম ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমিয়ে উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। তবে অবশ্যই নিয়ম মেনে আপনাকে ডিম খেতে হবে।

ডিমের অনেক উপকার। ডিম খেলে পেট তো ভরেই, তার সঙ্গে নানারকম পুষ্টিকর উপাদানও শরীরে যায়। চিকিৎসকদের মতে, ভাজা বা অন্য কোনও পদের চেয়ে সেদ্ধ ডিমেই বেশি উপকার।

যে কোনও বয়সেই ডিম খাওয়া যায়। সব বয়সেই ডিম খেলে উপকার পাওয়া যায়।

সিদ্ধ ডিমে থাকে ৭৮ ক্যালরি, ৫ গ্রাম ফ্যাট, ২ গ্রাম সম্পৃত্ত ফ্যাট, ১৮৭ মিলিগ্রাম কোলেস্টরল, ৬২ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১ গ্রাম সুগার ও ৬ গ্রাম প্রোটিন।

ডিম হালকা সিদ্ধ করা হচ্ছে না বেশিক্ষণ সিদ্ধ করা হচ্ছে, তার উপর পুষ্টিগুণ অনেকটা নির্ভর করছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, বেশিক্ষণ ধরে ডিম সিদ্ধ করলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করা যায়।

সিদ্ধ ডিম ওজন কমাতে সাহায্য করে। সামান্য ক্যালরি থাকায় সিদ্ধ ডিম খেলে শরীরে মেদ জমে না।

শিশুরা নিয়মিত সিদ্ধ ডিম খেলে দাঁত, হাড় শক্তিশালী হয়। গর্ভাবস্থায় মহিলারা নিয়মিত সিদ্ধ ডিম খেলে তাদের ও সন্তানের উপকার হয়।

সিদ্ধ ডিম স্নায়ু ও হৃদযন্ত্র সচল রাখতে কোলিন সাহায্য করে। এটা মস্তিষ্কের মেমব্রেন ও পেশি সুগঠিত রাখতে সাহায্য করে, যা মস্তিষ্কের ঝিল্লি গঠন করতে সহায়তা করে এবং এটা স্নায়ু থেকে পেশিতে সংবেদন পৌঁছাতে সহায়তা করে।

চোখ, চুল ও নখের জন্য উপকারী: সিদ্ধ ডিম চোখের জন্য উপকারী। প্রতিদিন একটা করে সিদ্ধ ডিম খাওয়া ‘ম্যাকুলার’ ক্ষয় কমায়। কারণ এতে আছে লুটেইন ও জ্যাক্সেন্থিন।

সিদ্ধ ডিমের সাদা অংশ কোলেস্টরল কমাতে সাহায্য করে।

সকালে কিছু খাওয়ার পর সিদ্ধ ডিম খেলে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়।

তাছাড়া সিদ্ধ ডিম খাওয়া চোখের ছানি হওয়ার ঝুঁকি কমায়। ডিমে উচ্চ মাত্রায় সালফার থাকায় তা ভিটামিন ডি’য়ের ভালো উৎস। যা চুল ও নখ ভালো রাখতেও সহায়তা করে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুসারে, দিনে ৩টি পর্যন্ত ডিম খাওয়ার কোনো সমস্যা নেই। সিদ্ধ ডিম খাওয়া শরীরের পক্ষে ভাল হলেও বেশি খাওয়া মোটেই ভাল নয়। যারা উচ্চরক্তচাপের সমস্যায় ভুগছেন তাদের বেশি সিদ্ধ ডিম বা ডিম না খাওয়াই ভাল। ইউরিক অ্যাসিডের প্রবণতা থাকলে, ডিম এড়িয়ে চলাই উচিত।

তবে ডিম শরীরের উত্তাপ বাড়িয়ে দেয় এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা উন্নত করে। তাই আপনি কোনোরকম ক্রনিক অসুখে ভুগলে ডিম খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

09/03/2023

ছোট বয়স থেকে লাইফস্টাইল এবং খাবারের তালিকায় নজর দিলে বেশি বয়স পর্যন্ত হাড় মজবুত রাখা সম্ভব। রোজকার খাবারের তালিকায় কী রাখলে হাড় মজবুত রাখা যাবে, তার পরামর্শ দিলেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, হাড় মজবুত থাকলে শরীরকেও বিভিন্ন অসুখের হাত থেকে প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট একটা বয়সের পর থেকেই হাড়ের ক্ষয় দেখা দেয়। শুধু বয়সজনিত কারণেই নয়, অনিয়মিত লাইফস্টাইল এবং অস্বাস্থ্যকর ডায়েটের ফলে হাড়ের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের হাড়ও তত দুর্বল হতে থাকে। জেনে নিন কোন কোন খাবার খেলে হাড় মজবুত হয়।

১. বাদাম - ব্রেকফাস্টে বা স্ন্যাকস হিসেবে অন্য কোনও খাবার না খেয়ে একমুঠো বাদাম খেতে পারেন। বাদামে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্টস রয়েছে। যা হাড় মজবুত রাখতে সাহায্য করে।

২. চিজ - বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্যালসিয়ামের ঘাটতির কারণে হাড়ের ক্ষয় দেখা দেয়। বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে। ৩০ বছরের উর্ধ্বের মহিলাদের মধ্যে বিশেষ করে হাড়ের ক্ষয় দেখা দেয়। এই সময়ে ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার খাওয়া খুবই জরুরি। তাই বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন চিজ খাওয়ার। তাদের মতে, চিজ খেতেও সুস্বাদু আবার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারীও। রোজকার খাবারের তালিকায় চিজ রাখলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ হয়।

৩. পালং শাক - সবুজ শাক-সবজি সবসময়ই শরীরের জন্য উপকারী। তার মধ্যে পালং শাক হাড়ের জন্য খুবই উপকারী। পালং শাকে থাকা ম্যাগনেশিয়াম এবং ভিটামিনকে হাড়ের ক্ষয় রোধ করে বৃদ্ধি ঘটায়। পালং শাক ছাড়া ব্রকোলি এবং বাঁধাকপিও হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে।

৪. স্যামন মাছ - স্যামন বা টুনা মাছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ভিটামিন ডি রয়েছে। রোজকার খাবারের তালিকায় রাখলে হাড় মজবুত থাকবে।

৫. মুরগির মাংস - হাড় মজবুত রাখার কথা চিন্তা করবেন আর সেই তালিকায় মুরগির মাংস রাখবেন না, তা হয় নাকি! প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে মুরগির মাংসে। হাড় মজবুত করার পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন ঘাটতি পূরণে কার্যকরী চিকেন।

হাড় মজবুত রাখার জন্য লাইফস্টাইলেও নজর দেওয়া জরুরি বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এক্ষেত্রে তাদের মত, স্বাস্থ্যকর খাবারের পাশাপাশি নিয়মিত শরীরচর্চা করাও খুবই জরুরি। এরই সঙ্গে অত্যধিক ধূমপান কিডনির সমস্যার সঙ্গে হাড়েরও ক্ষতি করে। তাই হাড়ের ক্ষয় দূর করে সুস্থ থাকার জন্য ধূমপান এবং মদ্যপান অবশ্যই ত্যাগ করা দরকার।

09/03/2023

গাছ কতটা মূল্যবান তা আমরা সবাই জানি তার সাথে সবুজ প্রকৃতি সবার প্রিয়। ছোট কালে আমরা পড়েছি গাছ কার্বনডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে যার ফলে আমরা নিশ্বাস ঠিকভাবে নিতে পারি। তবে, এখনকার সময় গ্রাম এলাকায় গাছ দেখা গেলেও শহরে তেমন দেখা যায় না।

কিন্তু, বাড়ির ব্যালকনিতে আমরা অনেকেই ছোট ছোট সুন্দর প্লান্টিং করি যা দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি আমাদের লাইফস্টাইল সুন্দর করে তোলে। কিন্তু ,এই প্লান্টগুলো শুধু সুন্দর না বরং আমাদের মানসিক ও শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখতেও কাজে আসে।

বাড়িতে প্লান্টিং এর ফলে কি ধরনের উপকার পাওয়া যায়?

• গাছপালা স্ট্রেস দুর করতে সাহায্য করে।

চারপাশের গাছপালায় সবুজে ঘেরা দেখলে উচ্চ রক্তচাপ হওয়ার প্রবণতা কম থাকে। চিন্তামুক্ত থাকার ফলে রক্তচাপ কম থাকে এবং মন ও শরীর স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।

• প্লান্টিং এর ফলে সর্দি কাটাতে উপকার পাওযা যায়।

গাছপালা সর্দি কাটানোর সম্ভাবনা ৩০% হ্রাস করতে পারে। গাছের পাতাগুলি আর্দ্রতা বৃদ্ধি করে এবং বায়ুবাহিত ধূলিকণা অপসারণ করে ।

• বাড়িতে গাছপালা থাকলে চারপাশের বায়ু পরিষ্কারে সহায়তা করে।

আমরা জানি, গাছ বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড হ্রাস করে এবং এটি অক্সিজেন ত্যাগ করে। তারই সাথে গাছপালা ধূলিকণা সংগ্রহ করে এবং বায়ুমণ্ডলে ক্ষতিকারক পদার্থগুলিও ভেঙে দেয়। স্বাস্থ্যকর আর্দ্রতা বাড়ির বাতাসের গুণমানকেও উন্নত করে। এপিপ্রিমেনাম এবং স্পাথিফিলিয়ামের মতো ধরণের গাছপালা বায়ু-বিশোধক উদ্ভিদ।

• গাছপালা এলার্জি প্রতিরোধে সহায়তা করে।

বাড়িতে গাছপালা থাকার ফলে এলার্জি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে, বিশেষ করে শিশুদের।

• গাছ সিগারেটের ধোঁয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে।

গাছ সিগারেটের ধোঁয়ায় থাকা টক্সিনগুলিকে ফিল্টার করে এবং বায়ু পরিষ্কার করে।

• বাড়িতে গাছপালা লাগালে ঘুম ভালো হয়।

এয়ার-পিউরিফাইং হাউস গাছ জলবায়ু তৈরি করে এবং আরও অক্সিজেন উৎপন্ন করে। পাশাপাশি তাদের সৌন্দর্য এবং প্রশম শক্তি আরও ভাল ঘুমাতে সহায়তা করে।

• গাছপালা অনেক ক্ষেত্রে হতাশামুক্ত করতে পারে।

গবেষণা দেখায় যে, গাছ হতাশার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। মনের অবস্থা ভালো ও প্রফুল্ল করে তোলে এবং ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করে।

• বাড়িতে প্লান্টিং ফলে মাথা ব্যথা হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।

গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন যে গাছপালা বায়ু থেকে বেনজিন, ট্রাইক্লোরিথিলিন এবং ফর্মালডিহাইড অপসারণে সহায়তা করতে পারে এবং মাথা ব্যথা হ্রাস করতে পারে।

• গাছপালা ফোকাস ঠিক রাখতে সহায়তা করে।

পরিষ্কার বাতাস এবং একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশে মন প্রফুল্লিত থাকে। কাজের জায়গার হোক বা বাড়ি, গাছপালা মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। গাছ আমাদের মনোযোগের পেশীগুলি রিচার্জ করতে পারে, আরও সজাগ থাকতে এবং ক্লান্তি দূরে রাখতে সহায়তা করে তারই সাথে স্মৃতিশক্তি ধরে রাখে।

গাছপালা অনেক উপকারি সে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। শহরের উঁচু দালানের মাঝে বৃক্ষরোপণ না করা গেলেও বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের ছোট ছোট প্লান্ট লাগানো যায়। যার ফলে বাড়ি দেখতে ডেকোরেটেড লাগে এবং আমাদের লাইফস্টাইলে অনেক পরিবর্তন

05/03/2023

আসসালামু আলাইকুম।

এজমা হাঁপানি এলার্জি নিয়ে চিন্তা আর না।
সম্পূর্ণ ন্যাচারাল ফুড সাপ্লিমেন্ট সেবনের মাধ্যমে ৭থেকে ১০দিনের মধ্যে মেডিসিন এবং ১৫থেকে ২০দিনের মধ্যে ইনহেলার পরিহার করুন।

বাংলাদেশ সাইন্সল্যাবের অনুমোদন প্রাপ্ত ১০০% প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি।

সারাদেশে হোম ডেলিভারি এবং ক্যাশ অন ডেলিভারিতে প্রোডাক্ট বুঝে নিন আজই।

বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন অথবা ফোন করুন ☎️01612130998 নাম্বারে।

05/03/2023

বাসাবাড়িতে বিভিন্ন জায়গায় জমে থাকা ধুলোবালি, অফিসের খাতাপত্র বা ফাইলে জমে থাকা ধুলো এবং রাস্তাঘাটে প্রতিনিয়ত যে ধুলো উড়ছে তা হাঁ'পানি বা শ্বাস'কষ্টের প্রধান উদ্রেককারী।

05/03/2023

ফুসফুসের অনেক রোগ আছে। অ্যাজমা মানে হলো হাঁ পানি রোগ। কিন্তু হাঁ পানি যে শুধু অ্যা জমার কারণেই হয়, সেটি নয়। সিওপিডি আছে, নিউ মোনিয়া আছে—এসব শুধু ফুসফুসজনিত কারণে হয়। আবার হার্টের কিছু কারণেও শ্বাসকষ্ট হয়। যেমন : একিউট লেফট ভ্যান্টিকুলার ফেইলিউর, মায়োকার্ডিয়াল ইনফেকশন, এগুলো হলো কার্ডিয়াক কারণ। আবার অন্য কিছু আছে, যেমন—এনিমিক হার্ট ফেইলিউর। শরীরে রক্ত অনেক কমে গেছে। তাহলেও শ্বাস কষ্ট হবে। আবার অধিক মোটা মানুষের শ্বাস কষ্ট হয়।

05/03/2023

স্বর্ণলতা গাছের উপকারিতা

জন্ডিস নিরাময়ে বেশ কার্যকরী এই আগাছা।
তলপেটে ব্যথা এবং ক্ষত উপশমে বেশ কার্যকরি এই আগাছা ।
কৃমি দমনে এবং ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী এই আগাছা।

05/03/2023

আসসালামু আলাইকুম।
এজমা- হাঁপানি -এল্লার্জি নিয়ে ভয় আর নয়।
বাংলাদেশ সাইন্সল্যাবের অনুমোদন প্রাপ্ত ন্যাচারাল ফুড সাপ্লিমেন্ট সেবন করে ইনশাআল্লাহ ৭থেকে ১০দিনের মধ্যে মেডিসিন/ইনহেলার পরিহার করুন।

সারাদেশে হোম ডেলিভারি এবং ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধাসহ বুঝে নিন আমাদের পন্য।

বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে নক করুন অথবা যোগাযোগ এর জন্য ফোন করুন☎️ 01612130998 নাম্বারে

05/03/2023

★ফুসফুস শক্তিশালী রাখার কয়েকটি প্রাকৃতিক উপায়:-

১। গভীরভাবে শ্বাস নেওয়া:

শ্বাস নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ানোর অন্যতম উপায় হচ্ছে গভীরভাবে শ্বাস নেওয়া যা সবচেয়ে সহজও। প্রতিদিন ‘ইয়োগা’ করাও এক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে।

২। নিয়মিত শরীরচর্চা করা:

সব ধরনের শরীরচর্চাই শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষমতা বাড়ানো সহ ফুসফুসের জন্য অনেক উপকারী। এজন্য নিয়মিত সাঁতার কাটা, দৌড়ানো, ট্রেকিং ইত্যাদি কর্মকাণ্ডে নিজেকে সংযুক্ত করা দরকার।

৩। প্রচুর পানি পান করা:

শরীরের বিভিন্ন প্রকার সমস্যার সমাধানে পানির ভুমিকা অপরিসীম। নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করলে শরীরে রক্ত চলাচল সুগম হয় এবং ফুসফুস আর্দ্র ও ভালো থাকে। তাই ফুসফুসকে ভালো রাখতে প্রচুর পানি পান করা উচিত।

05/03/2023

শীতের অসুখ অ্যাজমা থেকে বাঁচতে সতর্কতা

অ্যাজমা বা হাঁপানি- দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ এবং সংবেদনশীলতায় স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, একে বলে হাঁপানি বা অ্যাজমা। অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট এমন একটা রোগ যার নির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা না গেলেও প্রধানত ২টি কারণকে এর জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানান চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা। এ ২টি হলো-
১) ‘এটোপি’ বা বংশগত ও ‘এলার্জি’ যা পরিবেশগত উপাদান
২) শ্বাসনালীর অতি-সক্রিয়তা। বিশ্বজুড়ে ৩০ কোটি লোক অ্যাজমায় আক্রান্ত। বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ। যার মধ্যে ৪০ লাখই শিশু। ৬৫% মানুষের আক্রান্ত হবার কারণ এলার্জি। যুবক বয়সে অ্যাজমা আক্রান্তের হার ১৫%।

অ্যাজমা রোগের লক্ষণ- শ্বাসকষ্ট, সাথে শুকনো কাশি। শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বাঁশির মতো সাঁ সাঁ শব্দ। হঠাৎ দমবন্ধ ভাব অনুভব করা। ধুলোবালি বিশেষভাবে ঘরের ধুলো, ঠান্ডা কিংবা গরমের কারণে শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট। ঋতু পরিবর্তনের সময় শ্বাসকষ্ট। বিটাব্লকার বা অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ খেলে শ্বাসকষ্ট।

অ্যাজমা রোগের চিকিৎসা- চিকিৎসার জন্য দরকার প্রথমেই রোগ নির্ণয়। রক্ত পরীক্ষায় বিশেষত ইয়োসিনোফিল এবং সিরাম আইজিই-এর মাত্রা বেশি আছে কিনা দেখা হয় অ্যাজমা নির্ণয়ে। এবং এলার্জির জন্য স্কিন প্রিক টেস্ট করা হয়। এ পরীক্ষায় রোগীর চামড়ার ওপর বিভিন্ন এলারজেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয় এবং এ পরীক্ষাতে কোন কোন জিনিসে রোগীর এলার্জি আছে তা ধরা পড়ে। বুকের এক্স-রে করে দেখা হয় যে অন্য কোনো কারণে রোগীর শ্বাসকষ্ট কি না তা জানতে।

কিছু কিছু বিষয়ে সচেতনতা হাঁপানি থেকে দূরে রাখে।
১) এলার্জেন পরিহার- অ্যাজমার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচেয়ে সহজ পন্থা হলো যে জিনিসে এলার্জি তা যতদূর সম্ভব এড়িয়ে চলা। তাই অ্যাজমা রোগীদের প্রথমেই এলার্জি টেস্ট করে জানা দরকার তার কিসে কিসে এলার্জি হয়।
২) ওষুধপত্র- অ্যাজমার নানা ধরনের ওষুধ আছে। প্রয়োজনমতো ওষুধ ব্যবহার করে রোগী সুস্থ থাকতে পারেন।
৩) এলার্জি ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি- এলার্জি দ্রব্যাদি থেকে এড়িয়ে চলা ও ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিন ব্যবহার করা অ্যাজমা রোগীদের সুস্থ থাকার অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি। এ পদ্ধতি ব্যবহারে কর্টিকোস্টেরয়েডের ব্যবহার অনেক কমে যায়। ফলে কর্টিকোস্টেরয়েডের বহুল পার্শপ্রতিক্রিয়া থেকেও রেহাই পাওয়া যায়। বিশ্বের অধিকাংশ দেশ বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোতে এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেয়া হয়ে থাকে। বর্তমানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এ ভ্যাকসিন পদ্ধতির চিকিৎসাকে এজমার অন্যতম চিকিৎসা বলে অভিহিত করে। এটাই অ্যাজমা রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ থাকার একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি। বর্তমানে বাংলাদেশেও এ পদ্ধতিতে চিকিৎসার পরামর্শ দেয়া হয়।

#শীতের_অসুখ_অ্যাজমা_থেকে_বাচতে_সতর্কতা-
এলার্জিকারক বস্তু এড়িয়ে চলুন। যেমন- ধুলো, বালি, ঘরের ঝুল, ধোঁয়া ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন।

ঘর বাড়িকে ধুলো বালি থেকে মুক্ত রাখার চেষ্টা করা। এজন্য দৈনিক অন্তত একবার ঘরের মেঝে, আসবাপত্র, ভেজা কাপড় দিয়ে মুছতে হবে অথবা ভ্যাকিউম ক্লিনার ব্যবহার করা।

* ঘরে কার্পেট রাখবেন না।
* বালিশ, তোষক, ম্যাট্রেসে তুলা ব্যবহার না করে স্পঞ্জ ব্যবহার করা।
* শীতকালে যথা সম্ভব গরম পানিতে গোসল করা।
* ধূমপান করবেন না।

#যেসব_খাবারে_এলার্জিক_প্রতিক্রিয়া_সৃষ্টি_করে_তা_পরিহার_করে_চলুন।
* ঠান্ডা খাবার, আইসক্রিম ইত্যাদি খাবেন না।
* মানসিক চাপ, উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তাকে ইতিবাচক মনোভাবে মানিয়ে চলুন। কিংবা মানসিক চাপের কারণকে এড়িয়ে চলুন।

#পেশাগত_কারণে অ্যাজমা হলে চেষ্টা করতে হবে স্থান কিংবা পেশা পরিবর্তনের।

#পরিশ্রম_কিংবা খেলাধুলার কারণে শ্বাসকষ্ট বাড়লে চেষ্টা করতে হবে পরিশ্রমের কাজ কম করতে।

ইতিবাচক চিন্তা করবেন। ইতিবাচক মন আপনাকে ভালো থাকতে সাহায্য করবে।

#রেণু_পরিহারে সকাল কিংবা সন্ধ্যায় বাগান এলাকায় কিংবা শস্য ক্ষেতের কাছে যাবেন না।

#রেণু_এলাকা থেকে বাসায় ফিরে মাথার চুল ও কাপড় ধুয়ে ফেলুন।

#কুকুর_বিড়াল বাগান থেকে রেণু বহন করতে পারে। এজন্য নিয়মিত কুকুর বিড়ালকে গোসল করানো প্রয়োজন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Ctg
Chittagong
4000