E-health Service

E-health Service

Share

৮ বছর ধরে মানুষের বিশ্বাস এবং ভালোবাস?

13/10/2021

নক'ল প্র'মাণে ১ লক্ষ টাকা পুরষ্কার!!

অনলাইনে অনেক কিছু চেষ্টা করে হয়েছেন ব্যর্থ আর এদিকে গি"ন্নি হচ্ছেন বার বার না"খো,শ ।

তবে আপনার জন্যে রয়েছে স্পে'শা'ল সাজেশন!

এবার আপনার ভা"লোবা,সা টিকবে স্থা"য়ী ভাবে এবং আরো বেশি সময় নিয়ে।। মানুষ অনলাইন থেকে কিছু ট্রাই করতে যেয়ে কিছু টাকার জন্যে ধোকা খেয়েছে অনেক বার। কিন্তু আমরা টিকে আছি দীর্ঘ ৮ বছর ধরে মানুষের ভর'সা এবং ভা'লোবাসার উপর নির্ভর করে।।

তবে আর দেরি কেনো!! এখনই নিচের সেন্ড বাটনে ক্লিক করে আপনার সমস্যা খুলে বলুন এবং বুঝে নিন আপনার সমস্যা অনুযায়ী স্থাঃয়ী স"মা'ধা,ন

ফেইসবুক পলিসির জন্যে বিস্তারিত লেখা হয়নাই।। বিস্তারিত জানতে পেইজে মেসেজ করুন কিংবা কল করুন 01308-049981 এই নাম্বারে..

10/10/2021

এলাচ সুগন্ধিযুক্ত একটি মসলা। এলাচকে মসলার রানী বলা হয়। সুস্বাদু খাবার তৈরিতে এলাচ একটি অন্যতম মশলা। সাধারণত রান্নার স্বাদ বৃদ্ধির সাথে খাবারের সুগন্ধ সৃষ্টি করে থাকে এই এলাচ। তাই বেশী ভাগ মানুষ এলাচকে খাবারের অতিরিক্ত স্বাদ বাড়ানোর কাজে ব্যবহার করে থাকে। রান্নার স্বাদ বাড়ানো ছাড়াও এর রয়েছে বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা। আরও রয়েছে নানা ভেষজ গুণও যা শরীরে নানা সমস্যা দূর করে থাকে। তাহলে জেনে নেওয়া যাক এলাচের স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে।

এলাচের উপকারী গুনাবলী ….

১। এলাচ এবং আদা সমগোত্রীয়। এলাচে ফ্যাটের পরিমাণ খুবই কম, বরং প্রচুর প্রোটিন আছে। তাই আদার মতোই পেটের নানা সমস্যা এবং হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে এলাচ অনেক উপকারি। বুক জ্বালাপোড়া, বমি ভাব, পেট ফাঁপা, অ্যাসিডিটির হাত থেকে মুক্তি পেতে এলাচের উপকারিতা অনেক বেশী।

২। অনেকের রক্তনালীতে রক্ত জমাট হয়ে যায়, য়ার ফলে সমস্যায় ভুগা লাগে। এলাচের মধ্য রক্ত পাতলা করার দারুণ গুন থাকায় এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব । তাই প্রতিদিন এলাচ খেলে রক্তের ঘনত্ব সঠিক রাখা যাবে।

৩। দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করতে এলাচের জুড়ি অসাধারণ। এলাচের ডিউরেটিক উপাদান দেহের ক্ষতিকর টক্সিন পরিষ্কারে সহায়ক।

৪। যদি মুখে খুব বেশি দুর্গন্ধ হয়। একটি এলাচ নিয়ে চুষতে হবে। কারন এলাচ মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং মুখের দুর্গন্ধ দূর করে থাকে।

৫। এলাচের ডিউরেটিক উপাদান উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমিয়ে আনতে সক্ষম। দেহের বাড়তি ফ্লুইড দূর করে এলাচ উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে।

৬। এলাচের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে বয়সের ছাপ, রিংকেল, ফ্রি র্যাহডিকেল ইত্যাদি পড়তে বাঁধা প্রদান করে। এলাচ ত্বকের ক্ষতি পূরণেও বেশ সহায়ক।

৭। গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস ক্যান্সার প্রতিরোধে অনেক সহায়ক। এলাচ দেহে ক্যান্সারের কোষ গঠনে বাঁধা প্রদান করে থাকে।

৮। এলাচ খাওয়ার নিয়মিত অভ্যাস মুখের দুর্গন্ধের পাশাপাশি মাড়ির ইনফেকশন, মুখের ফোঁড়া সহ দাঁত ও মাড়ির নানা সমস্যা দূর করে।

৯। শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যা কাশি, ফুসফুস সংক্রমণ ও অ্যাজমার মতো সমস্যায় যারা আছেন, তাদের জন্য এলাচ খুবই উপকারী।

১০। নারীর রূপচর্চায় এলাচের ভূমিকা বিশাল। রূপচর্চা ও চেহারার কালো দাগ দূর করতে এলাচ দারুন অবদান রাখে।

১১। মাথাব্যথা থেকে তাৎক্ষণিক মুক্তি পেতে এলাচ তেলের ব্যবহার করা যেতে পারে,এটি অনেক কার্যকারী।

১২। কালো এলাচ হার্ট সুস্থ রাখে, রক্তচাপ ও ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণ রাখে এবং রক্তসঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে।

১৩। এলাচ অনুভূতি নাশক ও অস্থিরতাকে প্রশমিত করে।

১৪। কালো এলাচ হৃদরোগ প্রতিরোধ করে, হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে ,এ ছাড়া এলাচ রক্ত সঞ্চালনে সহায়ক।

১৫। এলাচ ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে। এ জন্য ক্যান্সার প্রতিরোধে নিয়মিত এলাচ খাওয়া উচিত ।

১৬। প্রচুর ভিটামিন সি আছে এলাচে, যা রক্তসঞ্চালন ও ত্বকের সমস্যা দূর করে ।

১৭। পিত্ত, কষ, রক্তের দোষ, চুলকানি, হাপানি, বমি ও কাশিতে এলাচ উপকারী ।

10/10/2021

"যত কাঁদবেন, তত হাঁসবেন"- পেঁয়াজের ক্ষেত্রে এই কথাটা দারুনভাবে কার্যকরী। কারণ এই সবজি কাটতে গিয়ে চোখ ফুলিয়ে কাঁদতে হয় ঠিকই। কিন্তু এই প্রকৃতিক উপাদানটি শরীরেরও কম উপকার লাগে না! একাধিক গবেষণায় এ কথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে পেঁয়াজের শরীরে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি উপাদান একাধিক রোগের চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। যেমন ধরুন...

১. মুখের বদ-গন্ধ দূর করে: কাঁচা পেঁয়াজ খেলে মুখ গহ্বরের উপস্থিত ব্যাকটেরিয়াগুলি মরতে শুরু করে। ফলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। সেই সঙ্গে মাড়িতে নানাবিধ রোগ হওয়ার আশঙ্কাও কমে।

২. খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়: শরীরে ভাল কোলেস্টেরল বা এইচ ডি এল-এর মাত্রা বাড়িয়ে একদিকে যেমন শরীরকে চাঙ্গা রাখে, তেমনি অন্যদিকে খারাপ কোলেস্টরলের পরিমাণ কমিয়ে হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। এই ভাবে নিজের বিশেষ ক্ষমতা বলে পেঁয়াজ আমাদের আয়ু বাড়াতে বিশেষভাবে সাহায্য করে থাকে।

৩. জ্বরের প্রকোপ কমায়: শুতে যাওয়ার আগে একটা পিঁয়াজ কেটে নিন। তার সঙ্গে অল্প করে আলু এবং ২ টো রসুনের কোয়া মিশিয়ে মোজার মধ্যে রেখে সেই মোজা পরে শুয়ে পড়ুন। এমনটা কয়েকদিন করলেই দেখবেন সুস্থ হতে শুরু করেছেন।

৪. ডায়াবেটিসের মতো রোগকে দূরে রাখে: একেবারে ঠিক শুনেছেন! ২১ শতকের সব থেকে ভয়ঙ্কর এই রোগকে দাবিয়ে রাখতে পেঁয়াজের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই সবজিটিতে উপস্থিত বেশ কিছু উপদান রক্তে শর্করার মাত্রাকে বাড়তে দেয় না। সেই সঙ্গে ইনসুলিনের ঘাটতি যাতে দেখা না দেয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে ডায়াবেটিসের প্রকোপ বৃদ্ধির সুযোগই থাকে না।

৫. ইনসমনিয়ার মতো রোগের প্রকোপ কমায়: আপনি কি রাতের তারা? ঘড়ীর কাঁটা সকালের দিকে এগিয়ে গেলেও চোখের পাতা এক করতে পারেন না? তাহলে তো প্রতিদিনের ডায়েটে পেঁয়াজের থাকা চাইই চাই। কারণ ইনসমেনিয়ার মতো রোগের উপশমে এই সবজিটি দারুন কাজে আসে।

৬. পুড়ে গেলে কাজে আসে : রান্না করতে গিয়ে হাত পুড়ে যাওয়ার ঘটনা গৃহিণীদের সঙ্গে আকছারই হতে থাকে। এক্ষেত্রেও পিঁয়াজ দারুন উপকারে লাগে। কেমন ভাবে? এবার থেকে পুড়ে গেলে, ক্ষতস্থানে এক টুকরো পিঁয়াজ কিছু সময়ের জন্য রেখে দিন। অল্প সময়েই দেখবেন জ্বালা ভাব কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতও সেরে গেছে।

৭. আঁচিল দূর করে: গোল করে পেঁয়াজ কেটে আঁচিলের উপর রেখে একটা কাপড় দিয়ে বেঁধে দিন। যাতে সেটি পরে না যায়। প্রতিদিন রাতে শুতে যাওয়ার আগে এমনটা করলে অল্প দিনেই দেখবেন আঁচিল খসে পরে গেছে।

৮. স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটায়: সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র অনুসারে নিয়মিত কাঁচা পেঁয়াজ খেলে ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে স্মৃতিশক্তির যেমন উন্নতি ঘটে, তেমনি নার্ভাস সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে একাধিক ব্রেন ডিজিজ হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৯. ক্যান্সারের মতো রোগকে দূরে রাখে: ব্রেন, কোলোন এবং ঘারের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে শূন্যতে এসে দাঁড়ায় যদি প্রতিদিন পেঁয়াজ খাওয়া যায়। কারণ এই সবজিটিতে উপস্থিত বেশ কিছু উপাদান শরীরের অন্দরে ক্যান্সার কোষের জন্ম হতে দেয় না। ফলে এমন ধরনের মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

১০.কাশির প্রকোপ কমায়: একটা পেঁয়াজকে কেটে নিয়ে তার রস সংগ্রহ করে নিন। তারপর তাতে কয়েক ড্রপ মধু মিশিয়ে এই মিশ্রন দিনে কম করে দুবার পান করলেই কাশি কমে যেতে শুরু করবে।

10/10/2021

দেখতে হুবহু ফুলকপির মতো, রঙটাই যা শুধু আলাদা। শীতকাল হলেই মিষ্টি সবুজ রঙের এই সবজিটির দেখা মেলে বাজারে, নাম ব্রকলি। শুধু দেখতেই সুন্দর নয়, এই সবজিটি খাওয়া কিন্তু স্বাস্থ্যের পক্ষেও খুবই উপকারি।

শীতের দুপুরের পাস্তা হোক বা ডিনারের স্যুপ, ব্রকলি ছোট ছোট টুকরো করে কেটে ছড়িয়ে দিলেই আপনার খাবারের স্বাদ এবং পুষ্টিগুণ বেড়ে যাবে কয়েকগুণ। এটা শুধু কথার কথা নয় কিন্তু। ব্রকলিতে থাকা পুষ্টিগুণের মাত্রা জানলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

প্রতি ১০০ গ্রাম ব্রকলিতে:
প্রোটিন থাকে ৩.৩ গ্রাম
ফ্যাট থাকে ০.১ গ্রাম
ক্যালসিয়াম থাকে ১৫০ মিলিগ্রাম
কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা থাক ৫.৫ গ্রাম
আয়রন থাকে ১.৬ মিলিগ্রাম

পাশাপাশি রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন। যার মধ্যে ভিটামিন সি, বি-১ এবং বি-৩ রয়েছে। শুধু তাই নয় এক বাটি ব্রকলিতে এক বাটি ভাতের সমান প্রোটিন থাকে। কিন্তু ক্যালোরি থাকে তার অর্ধেক। তাই ভাত খাওয়ার ফলে ভুঁড়ি হলেও ব্রকলি খেলে তা হবে না।

প্রতিদিন ব্রকলি খেলে যে যে উপকার পাবেন
প্রতিদিনের খাবারে যদি এখন থেকে অ্যাড করে নিতে পারেন ব্রকলি তাহলে সুস্থ্য থাকার গ্যারান্টি চোখ বন্ধ করে আপনার হাতে রয়েছে। ভাবছেন জাস্ট লেখা জন্য লিখছি। তাহলে বলবো একেবারেই ভুল ভাবছেন। আজকের প্রতিবেদিন বদলে দেবে আপনার এই ভাবনা। কালই বাজারে খুঁজতে চলে যাবেন ব্রকলি কেনার জন্য।

১) খারাপ কোলেস্টরল কমাতে এবং ভাল কোলেস্টরল বাড়াতে
কোলেস্টরলের মতো সমস্যা কিন্তু হৃদরোগের সম্ভাবনা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।
নিয়মিত ব্রকলি খেলে কিন্তু তা আপনার শরীরে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে শুরু করে।
আর ভালো কোলেস্টরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় আপনার অজান্তেই।
২) হৃদযন্ত্রকে সতেজ রাখে
ব্রকলি হার্টের জন্য কিন্তু খুবই ভাল। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ যদি নিজের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ব্রকলি রাখেন তাহলে তা তার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
কারণ ব্রকলিতে রয়েছে আইসোথিওসায়ানেটস এবং সালফোরাফেন’এর মতো অ্যান্টিইনফ্লেমেটারি উপাদান, যা হৃদপিন্ডে রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে থাকে।
৩) ক্যালসিয়ামের ভরপুর উৎস
আগেই বলেছি যে, ব্রকলি হল ক্যালসিয়ামের ভরপুর উৎস।
স্কুল বা কলেজ পড়ুয়া বা বিশেষ করে মহিলাদের ব্রকলি খাওয়া খুবই দরকার।
এর ফলে শরীরের হাড় এবং দাঁত মজবুত হয়ে থাকে।
যার ফলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জয়েন্ট পেইনের মতো সমস্যাকে সহজেই দুরে রাখা যায়।
৪) শরীরে অ্যালার্জি এবং প্রদাহ রোধ করে
ব্রকলিতে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটারি উপাদান।
যা হার্টকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন অ্যালার্জি থেকে সংক্রমণের প্রবণতা রোধ করে।
শুধু তাই নয়, শরীরে বিভিন্ন প্রদাহ থেকে ও বাঁচাতে সাহায্য করে।
৫) ডায়াবেটিক পেশেন্টরা অবশ্যই খান
ব্রকলি ডায়াবেটিক পেশেন্টদের জন্য এক প্রাকৃতিক ওষুধ বলা চলে।
ব্রকলি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
তাই অকালে মধুমেহ রোগে আক্রান্ত হতে না চাইলে খাদ্যতালিকায় যোগ করুন ব্রকলি।
৬) কোষ্ঠকাঠিন্যকে চির বিদায়
ব্রকলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার।
যারা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় কষ্ট পান, তাঁরা ওষুধ না খেয়ে নিয়মিত ব্রকলি খান।
একমাসের মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্যের মত সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
৭) অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর ব্রকলি
ফুলকপি বা বাধাকপির তুলনায় ব্রকলিতে রয়েছে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
ভিটামিন সি ছাড়াও ক্যারোটেনয়েড (Carotenoids), লুটেইন (Lutein), বিটা-ক্যারোটিন (beta-Carotene), ফ্ল্যাভনয়েড (Flavonoid) রয়েছে ব্রকলিতে, যা কিনা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবেই চিহ্নিত করেন চিকিৎসকরা।
তাই ব্রকলি খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

10/10/2021

মাংসের ঝাল ঝাল মজাদার কিছু রান্না করতে যাচ্ছেন? এতে গোলমরিচ দেবেন না, তা কি হয়? ছোট ছোট কালো গোল এই মসলা দিলে তরকারির স্বাদ যে পাল্টে যায়, তা ভোজনরসিকেরা জানেন। দেখতে একরত্তি, অথচ প্রবল তেজি এই মসলা নিজের গুণেই রান্নাঘরে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

গোলমরিচকে বিশ্বের অন্যতম স্বাস্থ্যসম্মত মসলা হিসেবে মনে করা হয়। এর আছে নানা ঔষধি গুণাগুণ। সাধারণত জ্বর, সর্দি, গনোরিয়া ও পেট ফাঁপায় গোলমরিচ বেশ কার্যকর। তা ছাড়া গোলমরিচ ও পেঁয়াজবাটা একসঙ্গে চুলের জন্য পুষ্টিকর। কোষ্ঠকাঠিন্য, ক্ষুধামান্দ্য, রক্তাল্পতা, দাঁতের রোগ, ডায়রিয়া ও হৃদ্‌রোগেও উপকারী গোলমরিচ।

জেনে নিন গোলমরিচের নানা গুণের কথা:
১. গোলমরিচ মসলা ও ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পিপারিন নামের রাসায়নিক উপাদানের কারণে এটি ঝাল ঝাল হয়। এই মসলা আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাংগানিজ, জিংক, ক্রোমিয়াম, ভিটামিন এ ও সি এবং অন্যান্য উপাদানে ভরপুর।\

২. গোলমরিচকে দারুণ প্রদাহনাশক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
৩. আবহাওয়া বদলের সময় ও ঠান্ডায় সর্দি-কাশির সমস্যা খুবই সাধারণ। শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে গোলমরিচ।
৪. পেটে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড বাড়িয়ে হজমে সাহায্য করে। ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো সমস্যা দূর করতে ভালো হজম হওয়া জরুরি। পেটের গ্যাস হওয়া ঠেকাতে পারে গোলমরিচ।
৫. গোলমরিচ ক্ষুধামান্দ্য ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করে। ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৬. শরীরে চর্বি দূর করতে পারে। এ ছাড়া অতিরিক্ত ক্যালরি পুড়িয়ে শরীররে শক্তি জোগায়।
৭. গোলমরিচে রয়েছে ডায়রিয়া, কলেরা ও আরথ্রাইটিস প্রতিরোধের ক্ষমতা। এটি রক্তপ্রবাহ বাড়িয়ে অস্থিসন্ধির ব্যথা কমাতে পারে।
৮. গোলমরিচে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে এ মসলা।

10/10/2021

দাঁরুচিনি এমন একটি মশলা যা প্রায় সব ভারতীয় দের রান্না ঘরে পাওয়া যাবে ।দাঁরুচিনি শুধু একটি মশলাই নয় এটি একটি ঔষধীও। যাতে আছে antioxidants, যা বেশ কিছু অসুখ থেকে যেমন arthritis, diabetes এমন কি মারণ রোগ ক্যান্সার এর হাত থেকে ও সুরক্ষিত রাখে। আজকের এই লেখা‌য় আমি দারুচিনীর গুনা গুন আপনাদের বলব। এখন দেখুন দাঁরুচিনি আপনার শরীরের জন্য কতটা উপকারী আর কোন্‌ কোন্‌ রোগ প্রতিরোধে দাঁরুচিনি ব্যবহার করা হয়।

আর্থারাইটিসের ব্যাথা কমায় দারুচিনিঃ
বয়েস বাড়ার সাথে সাথে আমাদের হাড় গুলি দুর্বল হতে থাকে, আবার কেউ কেউ আর্থারাইটিসে আক্রান্ত হন। এই আর্থারাইটিসে দাঁরুচিনি ঔষধের মত কাজ করে। দাঁরুচিনি তে আয়রণ(লৌহ), ক্যালসিয়াম, ম্যান্গানিজের মত ধাতব লবন গুলি থাকে যে গুলি এই গাঁটের যন্ত্রণায় উপশম পাওয়া যায় (৩)। একটা পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে রিউমাটয়েড আর্থারাইটিসে্ যে যন্ত্রণা ও ফোলা ভাব হয় তাতে এই দারুচিনী অনেক টা উপকার দেয় (৪)।

দারুচিনি ব্লাড সুগার আর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করেঃ
অনিয়মিত, অনিয়ন্ত্রণ জীবনযাত্রার জন্য আজকাল অনেকেরই ডায়াবেটিস্ তথা মধুমেয় রোগ এর শিকার হয়ে পড়ছেন। প্রাথমিক পর্যায় এই রোগ এর দিকে নজর না দিলে ভবিষ্যতে এই রোগের জন্য বিপদের আশংকা থেকে যায়। সময় এর সাথে সাথে ডায়াবেটিস্ আরো কিছু কিছু রোগের জন্ম দেয়। ডায়াবেটিস্ তথা মধুমেহ রোগী যদি খাদ্যে দারুচিনী ব্যাবহার করেন তবে এই ডায়াবেটিসের এর হাত থেকে অনেকটাই রক্ষা পাওয়া যায়। দাঁরুচিনি তে উপস্থিত আ্যন্টি আক্সিডেন্ট আক্সিডেটিস্ স্ট্রেস কে কমাতে সাহায্য করে যা নাকি ডায়াবেটিস্ এর একটি প্রধান কারণ (৫)।

স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি তেঃ
মস্তিষ্কের জন্য ও দাঁরুচিনি খুব উপকারী। দাঁরুচিনির সুগন্ধ মস্তিষ্কের কার্য ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি মস্তিষ্কের একটি টনিক। এটি যে শুধু মাত্র মস্তিষ্ক কে দ্রুত কাজ করতে সক্ষম করে তাই নয়, একাকীত্ব, ডিপ্রেশন ও আ্যন্গজাইটিতে ও উপকার দেয়। যারা এই দারুচিনীর তেলের ঘ্রাণ নেয় তাদের স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি পায় (৮)। এছাড়া দারুচিনী তে বর্তমান আ্যন্টি আক্সিডেন্ট আ্যলজাইমার আর পারকিনসন্ এর মত রোগের হাত থেকেও রক্ষা করে(৯)।যখন আ্যলজাইমারে স্মৃতি শক্তি কমতে থাকে তখন অসতে আসতে শরীরে কম্পন শুরু হয়।

সর্দি কাশি তে দারুচিনিঃ
দারুচিনিতে অ্যান্টি – মাইক্রবিয়াল আর অ্যান্টি ইনফ্লেমেটোরি গুন বর্তমান। এই গুণ আপনাকে সর্দি কাশি থেকে সুরক্ষা করে।

রক্তসংবহনের জন্য দারুচিনির ব্যবহারঃ
দারুচিনি রক্ত সংবহন প্রক্রিয়া উন্নত করতে সাহায্য করে। দারুচিনি তে এই গুণ গুলো ধমনী বা হৃৎপিণ্ড জনিত কোন অসুখ থেকে বাঁচতে সাহায্য করে। উন্নত রক্ত সংবহন শরীরের ব্যাথা বোধের হ্রাস ঘটিয়ে অক্সিজেনের চলাচল বৃদ্ধি করে।

কোলেস্টেরল আর হৃদয়ের জন্য দারুচিনিঃ
দারচিনির ব্যাবহার শরীরের হানিকারক কোলেস্টেরল কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল এর মাত্রা বজায় রাখে। এটা টাইপ – ২ ডায়বেটিস এর রুগীদের জন্য খুব উপকারি।

নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধঃ
দারচিনির ব্যাবহার শুধু মাত্র দাঁত এর ব্যাথার জন্য ভালো নয়, এটার ব্যাবহার মুখের মধ্যে যে কোন সংক্রমণ আর দুর্গন্ধ কে দূরে রাখে।

হজম শক্তি বাড়ানোর জন্য দারুচিনিঃ
দারুচিনির অ্যান্টি – মাইক্রবিয়াল গুণ আপনার শরীর কে যেকোনো সংক্রমণ, ব্যাকটেরিয়ার আর ক্যানডিডা নামক রোগ এর সাথে লড়তে সাহায্য করে।

রক্ত চাপের সময় দারুচিনির উপকারিতাঃ
আজ কাল উচ্চ বা নিম্ন রক্ত চাপের লক্ষণ সবার মধ্যেই দেখা যায়। দারুচিনির প্রয়োগে এই সমস্যা কমানো যেতে পারে। বিশেষ করে টাইপ ২ ডায়বেটিস এর রুগীদের জন্য খুব বেশী উপযোগী।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Chittagong CDA Avenue Modina Market Third And Fifth Floor
Chittagong
4217