Happy Happy Shop

Happy Happy Shop

Share

we are providing all kinds of natural and organic food sales agency

23/06/2022

ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফর্সা হওয়ার উপায়:
বেশ কিছু উপায়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফর্সা হওয়া যায় নিমেষেই।

১. দুধ ও বেসনের প্যাক:
দুধ আমাদের প্রত্যেকেরই ঘরে থাকে এর জন্য বাড়তি কোনো খরচ নেই। কিছুটা দুধ ও ৩-৪ চামচ বেসন ও ২-৩ চামচ মধু একসাথে মিশিয়ে একটা প্যাক তৈরী করে রোজ স্নানের আগে মুখে ও গলায়, হাতে-পায়ে মাখলে কয়েকদিনের মধ্যে ত্বক অত্যন্ত নরম ও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। দুধ ত্বকের ফাঁকে জমে থাকা ময়লাও পরিস্কার করে দেয়।

২.কাঁচা হলুদের পেস্ট:
কাঁচা হলুদ গায়ে মাখা খুব উপকারী। দুধের সাথে হলুদ মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে মুখে এবং গায়ে মাখলে ত্বকের রঙ উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। এটি ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফরসা হওয়ার একটি অন্যতম উপায়।

৩.দইয়ের প্যাক:
টকদইয়ের প্রচুর গুণ আছে, যা আমাদের শরীরের জন্য তো উপকারী এছাড়া চুলের যত্ন নিতে ও খুবই কার্যকরী। তবে আমাদের ত্বকের যত্ন নিতে টকদইয়ের ব্যবহার অনস্বীকার্য। টকদইয়ের সাথে বেসন ও হলুদ মিশিয়ে সাথে একটু মধু বা যদি অ্যালভেরার রস দিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ওটা মুখে মাখেন নিয়মিত তো আপনার ত্বকের জৌলুস ফিরে আসবে। বেশি না মাত্র ১০ মিনিট মুখে লাগিয়ে তারপর একটা ভিজা কটন দিয়ে তুলে দিন বা ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।

কয়েকটি জরুরী টিপস:
আমরা যে গায়ের রঙ নিয়ে জন্মাই তাকে রক্ষণ করলেই কোনো বাড়তি যত্নের প্রয়োজনই পড়ে না। এমন কয়েকটি টিপস হল-

১. বাইরে রোদে বেরোনোর সময় সানস্ক্রিন মেখে নিন বা ওড়না, টুপিতে মুখ গলা মাথা ভাল করে ঢেকে নিন। যাতে সানবার্ন থেকে ত্বকের রক্ষা হয়।

২. মাঝে মাঝেই ভেজা রুমাল বা ওয়েট টিস্যু দিয়ে মুখ মুছে নিন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।

৩. বাইরে থেকে বাড়ি ঢুকেই ফেসওয়াশ দিয়ে ভালভাবে মুখ পরিস্কার করে নিন। তুলো জলে ভিজিয়ে চোখের নিচ, কানের নিচ ভাল ভাবে পরিস্কার করুন।

৪. সপ্তাহে ১ বার স্ক্রাবিং করা যাতে ত্বকে জমা ময়লা বা ব্ল্যাকহেডসগুলো উঠে যায়।

৫. মাসে একবার অন্তত ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফেসিয়াল করা.

23/06/2022

ব্রেস্টফিডিং:
মায়ের দুধের অভাবে মরছে শিশুরা!

আগামী এক সপ্তাহ ধরে সারা বিশ্ব জুড়ে নানা অনুষ্টান হবে, নানা ভাবে ব্রেস্টফিডিং বাচ্চার জন্য কতটা উপকারি সে বিষয়ে আলোচনাও কম হবে না। কিন্তু এত কিছুর পরেও দিনে দিনে পরিস্থিতি কেন এতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে, সে প্রশ্নের উত্তর জানার আগ্রহ কারও নেই। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ইউনিসেফ একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা গেছে মাতৃদুগ্ধ খাওয়ানোর বিষয়ে এই দুটি প্রতিষ্টান যে নিয়ম নীতি ঠিক করে দিয়েছে, তা প্রায় কোনও দেশই মেনে চলছে না। শুধু তাই নয়, গত কয়েক দশকে আরও একটু বিষয় ধীরে ধীরে মারাত্মক সমস্যা হিসেবে সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। কী সেই সমস্যা? কোনও দেশের সরকারই মায়েদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে না। আর সরকারি নিয়মের অনুপস্থিতিতে কোনও অফিসই প্রসবের পর মায়েদের বেশি দিন ছুটি দিচ্ছে না। ফলে ব্রেস্ট ফিডিং করাকালীনই তাদের ছুটতে হচ্ছে চাকরি করতে। এমনটা করার কারণে বাচ্চারা তাদের প্রয়োজনীয় পুষ্টির থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যে কারণে একাধির রোগ ছোট থেকেই তাদের ঘিরে ধরছে। ফলে বাড়ছে মৃত্যু। আমাদের দেশের অবস্থা আরও ভয়ঙ্কর। এমন পরিস্থিতিতে যদি এখনই কিছু করা না হয়, তাহলে আগামী দিনে যে কী হবে, তা ভগবানই জানেন। বাচ্চার জন্মের ১ ঘন্টার মধ্যে তাকে মায়ের দুধ খাওয়াতে হয়। এটাই নিয়ম। কারণ জন্মের পর এই দুধই হল তার শরীরের গঠনের প্রথম দাওয়াই। এর পর টানা ছ মাস বাচ্চা শুধু এই খেয়েই বেঁচে থাকে। এই সময় মায়ের দুধ ছাড়া বাচ্চাকে আর কিছু খাওয়াতে মানা করেন চিকিৎসকেরা। কারণ মায়ের দুধে উপস্থিত একাধিক পুষ্টিকর উপাদান বাচ্চার শরীরকে জীবন যুদ্ধের জন্য তৈরি করতে থাকে। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে তুলতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক কথায় মায়ের দুধ হল বাচ্চার জন্য ভ্যাকসিনের সমান। আর এই ওষুধ, বাচ্চার মুখে তুলে দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না মায়েরা। বাঁধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে তাদের চাকরি জীবন। এই কারণে পরিস্থিতি কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে তা সম্প্রতি গ্লোবাল ব্রেস্টফিডিং স্কোরকার্ডের দিকে চোখ ফেরালেইই বুঝতে পারা যায়। এই রিপোর্ট অনুসারে সারা বিশ্বে প্রায় ৪৪ শতাংশ মা তাদের বাচ্চাকে জন্মের প্রথম ঘন্টায় দুধ খাওয়ান না। এখানেই শেষ নয়, এই নীল গ্রহে মাত্র ২৩ টি দেশ আছে যেখানে বাচ্চাদের মায়ের দুধ খাওয়ানোর বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। আর দুর্ভাগ্যের বিষয় এই ২৩ টি দেশের মধ্যে নেপাল এবং শ্রীলঙ্কার নাম থাকলেও দূর দূরান্ত পর্যন্ত ভারতের দেখা নেই। এই অবস্থায় বিশ্বের মানচিত্রের যেখানে যেখানে ভারতীয়রা বসবাস করেন, তাদের সকলকেই এই প্রবন্ধে চোখ রাখতেই হবে। কারণ প্রত্যেকেরই জানা উচিত মায়ের দুধ বাচ্চার জন্য কতটা জরুরি। আর তা পেলে কী হতে পারে! জন্মের পর থেকে টানা ৬ মাস মায়ের দুধ বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করলে কী কী হতে পারে জেনে নিন।

১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
ব্রেস্ট মিল্কে উপস্থিত ভিটামিন, প্রোটিন, উপকারি ফ্যাট এবং প্রকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করার কারণে ধীরে ধীরে নবজাতকের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মারাত্মক উন্নতি ঘটে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই ব্যাকটেরিয়া এবং ক্ষতিকর জীবাণু ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে বারে বারে নিউমোনিয়া এবং ঠান্ডা লাগার মতো শারীরিক সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

২. ডায়াবেটিস, হার্টের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা কমে:
মায়ের দুধে উপস্থিত উপকারি উপাদান ছোট থেকেই বাচ্চার শরীরকে এতটাই মজবুত করে দেয় যে বড় হয় ডায়াবেটিস বা হার্টের রোগের মতো মারণ ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন আমাদের দেশের পাশাপাশি সারা বিশ্বে কম বয়সে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার মতো ঘটনা কেন ঘটছে। তাই মায়েরা, জন্মের পর থেকে ৬ মাস পর্যন্ত আপনার বাচ্ছারা যাতে মায়ের দুধ পান কারার সুযোগ পায় সেদিকে খেয়াল রাখবেন দয়া করে।

৩. হাড় শক্ত হয়:
ব্রেস্ট ফিডিং করালে যে শুধু বাচ্চারই উপকার হয়, এমন নয় কিন্তু! বাচ্চার সঙ্গে সঙ্গে মায়েদেরও স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে থাকে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে দুধ খাওয়ানোকালীন বাচ্চার যেমন হাড় শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে, তেমনি মায়েদের পোস্টমেনোপোজাল অস্টিওপোরোসিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৪. হঠাৎ মৃত্যুর আশঙ্কা কমে:
গবেষণা বলছে জন্মের পর পরই যদি নবজাতককে মায়ের দুধ খাওয়া শুরু করা যায়, তাহলে হঠাৎ করে বাচ্চার মৃত্যুর আশঙ্কা অনেক কমে যায়। প্রসঙ্গত, গত এক দশকে আমাদের দেশের প্রায় প্রতিটি রাজ্যেই ইনফ্যান্ট ডেথ লাফিয়ে লাফিয়ে বৃদ্ধি পয়েছে। এক্ষেত্রে অনেকাংশে বাচ্চাকে মায়ের দুধ না খাওয়ানোকেই দায়ি করছেন চিকিৎসকেরা।

৫. ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে না:
ব্রেস্ট ফিড করালে মায়ের যেমন ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা হ্রাস পায়, তেমনি বাচ্চারও বড় হয়ে মোটা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। প্রসঙ্গত, আজকাল যেখানে ওবেসিটির কারণে ইয়ং জেনারেশনের গড় আয়ু চোখে পরার মতো কমছে, সেখানে ব্রেস্ট ফিডিং-এর গুরুত্ব আরও যে বেড়ে গেছে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ৬.ক্যান্সার দূরে থাকে: টানা ছয় মাস ব্রেস্ট ফিডিং করালে একদিকে বাচ্চার যেমন ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে, তেমনি মায়েরও ওভারিয়ান ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, সারা বিশ্বেই এখন যেভাবে ওভারিয়ান ক্যান্সারের প্রকোপ চোখে পরার মতো বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেখানে এই পরিস্থিতিতে ব্রেস্ট ফিড করা কতটা জরুরি হয়ে উঠেছে, তা নিশ্চয় আর বলে দিতে হবে না।

৭. মায়ের উপকার হয়:
একাধিক কেস স্টিড করে দেখা গেছে নিয়মিত ব্রেস্ট ফিড করলে মায়ের ইউটেরাস স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

13/06/2022
12/06/2022

#ধামাকা অফার

#চ*র্বি বার্ন করুন
#মে*দ - ভুড়ি কমান
কমবে নিশ্চিন্তে

#বিশ্বের_সবচেয়ে_জনপ্রিয় প" #ণ্য #

-631663

#শতভাগ # #মানিব্যাক # # #হান্ড্রেড_পারসেন_রেজাল্টেড_ইনশাআল্লাহ #বিস্তারিত_জানতে_মেসেজ_অপশনে_ক্লিক_করুন #ইন্টারন্যাশনাল

দেরি না করে ইনবক্সে চলে আসুন এবং আপনার স*ম*স্যার শ*ত*ভ*গ স*মা*ধা*ন নিন এখুনি ইনশাআল্লাহ আপনিও হয়ে উ*ঠ*বে*ন ফি*ট

04/06/2022

প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য


আমলকীর ২০টি উপকারিতা
ছৈয়দ আহমদ তানশীর উদ্দীন
প্রকাশিত : ১০:১১, ৭ নভেম্বর ২০২০

A- A A+

আমলকী হল আমাদের দেহের জন্য সবচাইতে উপকারি ভেষজের মাঝে একটি। এটি আপনি প্রতিদিনই খেতে পারেন এবং এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। বরং আছে দারুণ সব উপকার।

প্রতিদিন এক গাদা ভিটামিন ট্যাবলেট না খেয়ে খান একটি করে আমলকী। কিংবা আমলকীর আচার। খেতে পারেন আমলকীর মোরব্বা কিংবা আমলকীর পাউডার ব্যবহার করতে পারেন রান্নায়। এই সামান্য আমলকী আপনার দেহের করবে বিস্ময়কর সব উপহার। কীভাবে জানতে চান? আসুন জানি প্রতিদিন একটি আমলকী খাওয়ার ২০টি উপকারিতা সম্পর্কে।

১) আমলকী চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।

২) এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।

৩) আমলকীর রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।

৪) এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকী গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু'বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।

৫) আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকীর আচার হজমে সাহায্য করে।

৬) প্রতিদিন সকালে আমলকীর রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

৭) আমলকীর রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ।

৮) আমলকী চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

Photos from Happy Happy Shop's post 04/06/2022

কাচা মরিচ বেশি দিন থাকেনা পচে যায় তাই ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন।শুকনো মরিচের থেকে কাচা মরিচের পেস্ট দিয়ে রান্না করলে অনেক সুস্বাদু হয়😋আর কালারটা সুন্দর আসে তরকারীর।আপনাদের কাজে লাগতে পারে তাই শেয়ার করলাম।😍

04/06/2022

লিচুর উপকারিতা

লিচু আমদের শরীরে ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে যথেষ্ট সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি হলে সব ধরনের ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। এছাড়া লিচুতে থাকা পুষ্টি উপাদানগুলা আমাদের রক্তের শ্রেতকণিকা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

লিচু শরীরের ব্লাড সার্কুলেশন বা রক্তের সঞ্চালন বৃদ্ধি করতের সহায়তা করে। রক্তের পরিসঞ্চালন বৃদ্ধি পাওয়ায় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

লিচু শরীরে ওজন কমাতে যথেষ্ট সহায়তা করে। লিচুতে থাকা খাদ্য-আঁশ খাদ্যের পরিপাক এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এছাড়া এই খাদ্য-আঁশগুলো দেহের ভেতর থেকে টক্সিন বের করে দিতে সহায়তা করে।

লিচুর সবচেয়ে বড় উপকারিতা হচ্ছে- এটি ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে। লিচুতে থাকা ভিটামিন-সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আমাদের শরীরে ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে।

এছাড়া লিচু আমাদের হজমে সহায়তা করে। তবে পরিমাণে বেশি খেলে এটি আমাদের শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।

লিচু রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণেও বেশ ভালো ভূমিকা রাখে। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।

সূত্র: ডক্টর টিভি

04/06/2022

কামরাঙায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ও ভিটামিন রয়েছে, যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এই ফল খাওয়ার পাশিপাশি নিয়মিত এর রস ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখবে এবং ত্বক দাগমুক্ত রাখবে।

বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের জীবনধারা বিভাগে কামরাঙার কার্যকারিতা ও ব্যবহারের উপায় সম্বন্ধে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এক নজরে চোখ বুলিয়ে নিন।

ব্রণ দূর করে

কামরাঙা ব্রণ দূর করতে বেশ কার্যকর। সমান পরিমাণ কামরাঙার রসের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবার একটি তুলার বলে এই মিশ্রণ লাগিয়ে ব্রণের ওপর লাগান। ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

চোখের নিচের ফোলাভাব দূর করে

কামরাঙার স্লাইস চোখের নিচে লাগিয়ে ১০ মিনিট চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকুন। এবার পানি দিয়ে ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এটি আপনার চোখের চারপাশের ফোলাভাব দূর করবে এবং টানটান রাখবে।

ত্বক পরিষ্কার করে

নিয়মিত বাসায় ফিরে কামরাঙার রস ত্বকে লাগিয়ে ৫ মিনিট ম্যাসাজ করে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই রস আপনার ত্বকের ময়লা জীবাণু সহজেই পরিষ্কার করে ত্বক সতেজ করতে সাহায্য করবে।

বয়সের ছাপ দূর করবে

যেকোনো প্রাকৃতিক উপাদানের সঙ্গে কামরাঙার রস মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখে লাগান। এটি আপনার ত্বকের বলিরেখা দূর করবে এবং ত্বক টানটান করবে। এর ফলে চেহারার বয়সের ছাপ দূর হবে।

04/06/2022

যৌবন ধরে রাখতে ও সুস্থ থাকতে থানকুনি পাতা খাও...

১. পেটের রোগ নির্মূল করতে থানকুনির বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলে যে কোনও পেটের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। একই সঙ্গে পেট নিয়ে কোনও দিনও সমস্যায় ভুগতে হয় না।

২. শুধু পেটই নয়, আলসার, এগজিমা, হাঁপানি-সহ নানা চর্মরোগ সেরে যায় থানকুনি পাতা খেলে। ত্বকেও জেল্লা বাড়ে।

৩. থানকুনি পাতায় থাকে Bacoside A ও B। Bacoside B মস্তিষ্কের কোষ গঠনে সাহায্য করে ও রক্ত চলাচল বাড়ায়। থানকুনি পাতা নিয়মিত খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

৪. থানকুনি স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে।

৫. মৃতকোষের ফলে চামড়ায় অনেক সময়ই শুষ্ক ছাল ওঠে। রুক্ষ হয়ে যায়। থানকুনি পাতার রস মৃতকোষগুলিকে পুনর্গঠন করে ত্বক মসৃণ করে দেয়।

৬. পুরনো ক্ষত কোনও ওষুধেই না সারলে, থানকুনি পাতা সিদ্ধ করে তার জল লাগালে সেরে যায়। সদ্য ক্ষতে থানকুনি পাতা বেটে লাগালে, ক্ষত নিরাময় হয়ে যায়।

৭. থানকুনি পাতা চুল পড়া আটকে দেয়। এমনকি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে।

৮. বয়স বাড়লেও, যৌবন ধরে রেখে দেয় থানকুনি পাতার রস। প্রতিদিন একগ্লাস দুধে ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে খেলে, চেহারায় লাবণ্য চলে আসে।

৯. দাঁতের রোগ সারাতেও থানকুনির জুড়ি মেলা ভার। মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে বা দাঁতে ব্যথা করলে একটা বড় বাটিতে থানকুনি পাতা সিদ্ধ করে, তারপর ছেঁকে নিয়ে সেই জল দিয়ে কুলকুচি করলে উপকার পাওয়া যায় চটজলদি।

04/06/2022

চোখের নীচে কালি? কী করবেন?

আপনি কি দীর্ঘক্ষণ কমপিউটারের সামনে বসে কাজ করেন? কিংবা চাপের কারণে রাতে অনেক ক্ষণজাগতে হচ্ছে ইদানীং? বা পার্টির মরশুমে একটু বেশি মাত্রায় পান কে ফেলছেন? মনে রাখবেন, এর ছাপ পড়বে আপনার চোখে। শরীর ক্লান্ত থাকলে, তার প্রভাব চোখে পড়বেই। কিন্তু ক্লান্ত চোখকে চাঙ্গাও করা যায়। হাতে রয়েছে বেশ কয়েকটি সহজ রাস্তা।

১। গ্রিন টি
গ্রিন টি ডিটক্স হিসেবে খুব কার্যকরী। দুটো টি-ব্যাগ এক কাপ গরম জলে ডুবিয়ে রাখুন। তিন-চার মিনিট রাখার পর টি-ব্যাগ সমেত কাপটি ফ্রিজে রেখে দিন ঠান্ডা করার জন্য। যদি তাড়া থাকে, তাহলে বরফ শীতল জলেও টি-ব্যাগ জুবিয়ে দিতে পারেন। আর কাপের জলটি ব্যবহার করার আগে টি-ব্যাগ চেপে ভিতরে থাকা রসটি বার করে নিন। ঠান্ডা গ্রিন টি বন্ধ চোখের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। ক্লান্তি অনেকটা দূর হবে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বলে, চোখের জ্বালাও দূর করবে এই গ্রিন টি।

২। খাবার বদলান
চোখের তলায় কালি পড়ছে? মনে রাখবেন আপনার পাতের হাই-অ্যালার্জেন খাবারও এ জন্য দায়ি হতে পারে। ফলে সম্ভব হলে দুধ, আটা-ময়দা এবং সয়াবিন জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। তার জায়গায় বেশি করে খান কলা, স্পিনাচ বা পালং শাক এবং অবশ্যই বিট। চোখের নীচের কালি কমবে।

৩। শসার ব্যবহার
শসা চোখের জন্য ভালো। এ কথা তো সবাই জানেন। কিন্তু কেন ভালো জানেন কি? শসার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের ক্লান্তি অনেকটা দূর করতে পারে। শসা ফালি ফালি করে কেটে দুটো চোখের ওফর ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত রাখুন। যদি ইচ্ছে হয়, তার আগে শসাকে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিতে পারেন। তাতে বেশি আরাম লাগবে।

৪। ভিটামিন সি
চোখ প্রচণ্ড ক্লান্ত হয়ে পড়ছে? মাঝে মাজেই প্রচণ্ড জ্বালা? ভিটামিন সি-এর অভাবে এই সমস্যা হতে পারে। আগামী দিন তাই ক্রিম কেনার আগে দেখে নিন, তাতে ভিটামিন সি রয়েছে কি না। মনে রাখবেন, চোখের নীচে এই ক্রিমের ব্যবহার আপনার চোখকে আরাম দেবে। এবং চোখের অসুখ কমাবে।

৫। ঠান্ডা চামচ
বাড়িতে শসাও নেই, গ্রিন টি-ও নেই। তাহলে উপায়? চটজলদি ক্লান্ত চোখের উপসম চাইলে, চামচ দিয়েও কাজ চালাতে পারেন। দুটো চামচ ডিপ ফ্রিজে রেখে বরফ শীতল করে ফেলুন। তারপর প্রতিটা চোখের নীচে রাখুন। মনে রাখবেন, ৩০ সেকেন্ডের বেশি সময় একবারে রাখবেন না। দিনের মাথায় এই প্রক্রিয়া তিন-চার বার করতে পারেন।

৬। সিগারেট এড়িয়ে
খুব ক্লান্ত চোখ? তাহলে সিগারেটের ধোঁয়া একেবারে এড়িয়ে চলুন। মনে রাখবেন, এতে চোকের ক্ষতি বাড়বে। যাঁরা নিয়মিত মদ্যপান করেন, তাঁরাও পানাভ্যাসে একটু কমালে ভালো হয়। কারণ এই দু'টির প্রভাবেই চোখের অস্বাভাবিক রক্তসঞ্চালন বাড়ে।

৭। ন্যুড আইলাইনার
চোখ ক্লান্ত থাকলে চোখের পাতা বেশি পড়ে। ফলে আপনি যদি কালো মোটা আইলাইনার বেশি ব্যবহার করেন, তাহলে ওপরের পাতা থেকে বেশি পরিমাণে লাইনার নীচে ঝরবে। তাতে চোখের নীচে কালি পড়েছে বলে মনে হবে। এবং চোখকে বেশি ক্লান্ত দেখাবে। এক্ষেত্রে ন্যুড আইলাইনার ব্যবহার করুন।

04/06/2022

নবজাতকদের সুস্থ রাখতে হেল্থ গাইড!

শিশু মাত্রই সে স্পর্শকাতর। বিশেষত শিশুদের ত্বক নরম হওয়ায় খুব সহজেই তাঁরা নানারকম সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে পরে। বিশেষ করে জন্মের পরের কয়েক মাস বেশিরভাগ শিশুই নানাবিধ ত্বকের সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকে। তাই তো মা-বাবাদের সেদিকে সব সময় নজর রাখা উচিত। তবে কোনও কোনও সময় বেশ কিছু ত্বকের সমস্যা এতটাই বেড়ে যায় যে চিন্তার কারণ হয়ে ওঠে। সেই কারণেই তো মা-বাবাদের তাদের শিশুদের ত্বকের সমস্যা সম্পর্কে সাধারণ কিছু ধারণা থাকা একান্ত প্রয়োজন, যাতে আক্রান্ত শিশু সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা পেতে পারে। কচিকাঁচাদের এমনই কিছু ত্বকের সমস্যা নিয়ে আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদন।

ত্বক হল শরীরের একটি অন্যতম অঙ্গ, যা নানা রকমের জীবাণুকে শরীরে ঢুকতে বাধা দেয়। তবে ত্বকের বেশীরভাগ অংশই যেহেতু উন্মুক্ত থাকে, তাই অনেকক্ষেত্রেই মারাত্মক ধরণের কিছু জীবাণুকে আটকানো স্কিনের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না। তখন ত্বক নানা রকম সমস্যা দ্বারা আক্রান্ত হয়ে পরে। আর এমনটা যদি শিশুদের সঙ্গে হয়, তাহলে তো কথাই নেই! সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হতে থাকে। প্রসঙ্গত, যে যে স্কিনের রোগে নবজাতকেরা বেশি মাত্রায় আক্রান্ত হয়ে থাকে, সেগুলি হল...

ব্রণ বা ফুসকুড়ি:
ব্রণর সমস্যা শুধুই যে বড়দের হয়, এমন নয়। এই ধরনের ত্বকের রোগ শিশুদেরও হতে দেখা যায়। অনেক সময় নতুন পরিবেশ, কখনও আবার মায়ের হরমোনের সমস্যা দেখা দিলেও তা শিশুর ত্বকে আক্রমণ করে বসে। কারণ শিশুরা মায়ের দুধের ওপরই বেশীরভাগ সময় নির্ভরশীল থাকে। এছাড়াও জন্মের সময়ই অনেক শিশুর ত্বকে অ্যাকনে বা ফুসকুড়ি দেখা যায়। সেক্ষেত্রে এই ধরণের সমস্যা জন্মের প্রথম কয়েক সপ্তাহের মধ্যেও দেখা যেতে পারে। শিশুদের গাল, পিঠ এবং কপালেই প্রধানত অ্যাকনে দেখা যায়। অ্যাকনে হওয়ার নানা কারণও আছে। যেমন, মায়ের দুধ পান করার থেকে হতে পারে, আবার খুব শক্ত এবং খসখসে কাপড় ব্যবহার করলেও হতে পারে। এমনকি খুব ক্ষার জাতীয় ডিটারজেন্ট বা সাবান দিয়ে শিশুদের জামাকাপড় ধুলেও তার থেকে এই ধরণের ত্বকের সমস্যা হতে পারে।

চিকেন পক্স
শিশুদের ক্ষেত্রে চিকেন পক্স হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। মাথা যন্ত্রণা, জ্বর, খিদের অভাব, বমি বমি ভাব এবং গায়ে ব্যাথা ইত্যাদি উপসর্গ দিয়েই শুরু হয় চিকেন পক্স। শিশুরা তাদের কষ্ট বলে বোঝাতে পারে না বলে তাদের এই ধরণের সমস্যাগুলি বোঝা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। সেক্ষেত্রে শিশুদের শরীর লক্ষ্য করে দেখতে হয় যে, কোনও জল ভরা ফুসকুড়ির মতো হয়েছে কিনা। এটি সাধারণত আকারে ছোট এবং লালচে হয়। এই ফুসকুড়িগুলো যন্ত্রণাদায়ক হয় না ঠিকই, কিন্তু চিকেন পক্স সেরে ওঠার সময় এগুলো চুলকানির সৃষ্টি করে। প্রসঙ্গত, চিকেন পক্স মূলত ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। যদিও কয়েকদিনের মধ্যে সেরেও যায়। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এই ধরণের সমস্যায় ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া একান্ত জরুরি। এছাড়াও গায়ের চুলকানি ভাব কমাতে ক্যালামাইন লোশন ব্যবহার করা যেতে পারে। সেই সঙ্গে এই সময় শিশুকে সঠিক আহার এবং যত্নের মধ্যে রাখতে হয়।

ক্র্যাডেল ক্যাপ
ক্র্যাডেল ক্যাপ শিশুদের একটি খুব সাধারণ সমস্যা। এটি শিশুদের মাথাতেই হয়ে থাকে। ক্র্যাডেল ক্যাপ দেখতে একদম খুশকির মতো হয়। ক্র্যাডেল ক্যাপের ক্ষেত্রে মাথার ত্বক প্রথমে লালচে হয়ে যায়। তারপর হলদে বর্ণ ধারণ করে। এরপর সেটি শুষ্ক এবং শক্ত হয়ে প্রায় গুঁড়োতে পরিণত হয়। এই সময় প্রচুর মাত্রায় চুল ঝরে যায়। মাথা ছাড়াও মুখ, নাক, গলা, পশ্চাৎদেশ এবং বগলেও এমন রোগ দেখা দিতে পারে। প্রসঙ্গত, এই ধরণের সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন মাথা এবং চুল পরিষ্কার করতে হবে। সেই সঙ্গে নরম চিরুনির দ্বারা ধীরে ধীরে খুব সহজে ক্র্যাডেল ক্যাপ পরিষ্কার করতে হবে।

একজিমা
শিশুদের ত্বকের আরও একটি সমস্যা হল একজিমা। শরীরের যে কোনও অংশে, বিশেষত হাত, ভুরু, গলা, মুখ এবং হাঁটুর পিছনের দিকে এই ধরনের চর্ম রোগ হয়ে থাকে। একজিমা মূলত লালচে রঙের, শুষ্ক গোলাকার আকৃতি বিশিষ্ট হয়। বেশিরভাগ সময় চুলকানি দেখা যায় এক্সিমার ক্ষেত্রে। কিছুদিন পরে এগুলি থেকে পুঁজ বেরোতে থাকে, কখনও কখনও রক্তও বেরোয়। যদিও শিশুরা বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আপনা আপনি এই ধরণের সমস্যা ঠিক হতে শুরু করে।

হাম
ছোটবেলায় হাম হয়নি, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন। শিশুদের যে ধরণের ত্বকের সমস্যায় বেশি ভুগতে দেখা যায়, তার মধ্যে অন্যতম হল হাম। এই রোগের সূত্রপাত ঘটে খুব সাধারণ ভাবেই। যেমন, নাক দিয়ে জল পড়া, জ্বর, চোখ ফুলে যাওয়া এবং চোখের চারপাশে কালশিটে পড়া, সর্দি এবং মুখের ভেতরে সাদা রঙের ফুসকুড়ি হওয়া ইত্যাদি। এর কিছুদিন পরেই শরীরের বেশ কিছু অংশ, যেমন মুখ, গলা, কানের পিছনে লালচে দাগ বিশিষ্ট ছোট ছোট অসংখ্য অ্যাকনের মতো দেখা দেয়। ৫-৬ দিন থাকার পর এগুলি ধীরে ধীরে ঠিক হতে শুরু করে। যদিও এই সময় ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া অবশ্যই দরকার।

মিলিয়া
সদ্যজাতরা এই রোগে খুব ভুগে থাকে। এটিও বাকি ত্বকের সমস্যার মতোই হঠাৎ করে শুরু হয়। এক্ষেত্রে শিশুদের মুখমণ্ডলে সাদা রঙের অ্যাকনের মতো দেখতে মিলিয়া গাল, কপাল, থুতনি, নাক এবং চোখের চারপাশে দেখা যায়। কিছু কিছু সময় এই অ্যাকনে গুলি আকারে বড় হতে শুরু করে এবং ভীষণই নরম হয়। তবে শিশুদের এই ধরণের ত্বকের সমস্যায় ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কারণ ৬ সপ্তাহের মধ্যে অ্যাকনেগুলি মিলিয়া যেতে শুরু করে।

ন্যাপি র‍্যাশ
এই ধরনের ত্বকের রোগ সাধারণত শিশুদের শরীরের নিম্নভাগে দেখা যায়। অর্থাৎ ন্যাপি দ্বারা শরীরের যে অংশ ঢাকা থাকে, সেখানেই মূলত ন্যাপি র‍্যাশ হয়। ন্যাপি র‍্যাশের উপসর্গ হল, নিতম্ব এবং জননেন্দ্রিয়ের পাশে লালচে ব্রণর মতো হয়ে থাকে। কোনও কোনও সময় এগুলি শুষ্ক অথবা জলীয় পদার্থে ভরা অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। সদ্যোজাত থেকে এক বছর বয়সি শিশুদের ক্ষেত্রে ন্যাপি র‍্যাশের সমস্যা সবথেকে বেশী দেখা যায়। ন্যাপি র‍্যাশ হওয়ার প্রধান কারণই হল ডায়াপার। ভেজা ডায়াপার পরিয়ে রাখলে শিশুদের এই ধরণের সমস্যা হয়ে থাকে।

25/05/2022

কাঁঠাল

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Cda Avenue
Chittagong
4200