ELITE Care
Branded company elite Corporation is doing business with reputation for long 14 years. We believe in words and deeds. We have 1000+ products.
17/10/2021
মানিব্যাগ গ্যারান্টি পন্য
☎️01815668727
কোন পা-র্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই ও'জন কমান সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে।
যারা ৩-৭ কে,জি ও,জন ক'মাতে চান তারা আমাদের হাফ কোর্স গ্রহণ করতে পারবেন আর যারা ১০ -১৫ কে'জি ও'"জন ক'মাতে চান তারা আমাদের ফুল কোর্স গ্রহণ করতে পারবেন। (বর্তমানে ডিসকাউন্ট চলছে)
আরও বিস্তারিত জানতে 💬 অপশনে ক্লিক করুন।অথবা সরাসরি কথা বলুন 01815668727
17/10/2021
কফি খেতে খুবই ভালবাসে অনিন্দিতা। সেই কলেজ লাইফ থেকেই ওর কফির নেশা। ওই একটাই নেশা ওর! আর কোনও নেশা নেই। অনিন্দিতার কফি-অ্য়াডিকশন দেখে ওর মা মাঝে মাঝেই বকুনি দেন। বলেন, এত কফি খাওয়া ভাল নয়। কিন্তু ও সবে কান দেয় না অনিন্দিতা। কফি (Drinking Coffee) খাওয়া শুরু করার পরেও কেটে গিয়েছে অনেক বছর। এখন ও নামকরা মিডিয়া হাউসে কাজ করে। এত দিন পরেও ও বুঝে উঠতে পারে না, কফির খারাপটা কোথায়! আসলে ওর সকালটা শুরুই হয় কফি (Coffee) মগে চুমুক দিয়ে। তার পর সারা দিন তো চলতেই থাকে। অফিসে থাকলে তো কফির কাপে চুমুকের সঙ্গে সঙ্গে কি-বোর্ডেও ঝড় ওঠে। বাড়ি ফিরেও সন্ধের জলখাবারের সঙ্গে কফি চলতেই থাকে। আর রাতেও খাওয়ার পরে ওর একটু কফি চাই-ই চাই। আর রাত জেগে কিছু পড়লে বা কাজ করলে তো কথাই নেই! তখনও কফি (Coffee) কিন্তু চলতেই থাকে!
আসলে অনেকেরই কফি প্রচণ্ড প্রিয়। আর হবে না-ই বা কেন? কফির গন্ধটাতেই তো আলাদা একটা মাদকতা আছে। শীতকালে প্রচণ্ড ঠান্ডায় গরম গরম ধোঁয়া ওঠা কফি কার না ভাল লাগে! সারাদিন টুকটাক কফি (Coffee) তো চলতেই থাকে। তার সঙ্গে শীতের সন্ধেয় বাড়ি ফিরে ফ্রেশ হয়ে এক কাপ গরম গরম কফি পেলে কেমন হয়! আর গরমের দিনে না হয় কোল্ড কফিই চলল। ধরুন, কোথাও বেরিয়েছেন। রোদে হাঁসফাঁস দশা। তার মধ্যেই গলা ভিজিয়ে নিতে পারেন কোল্ড কফিতে। বা গরমের দুপুরে বাড়িতেই বানিয়ে খেতে পারেন কোল্ড কফি। ক্লান্তি দূর করার সঙ্গে সঙ্গে ফ্রেশও লাগবে। এ তো নয় গেল কফি খাওয়ার (Drinking Coffee) কথা। কিন্তু জানেন কি, আপনার চুল আর স্কিনের যত্নে কফির উপকারিতা? চুলকে ন্যাচারালি কালার করা থেকে শুরু করে চুলকে নরম-মসৃণ করতেও কফির জুড়ি মেলা ভার। আর কফির মাস্ক (Coffee Mask) তো স্কিনের জন্য দারুণ। তবে অনেকেই বলেন, অত্যধিক কফি খাওয়া ভাল নয়, এতে শরীরে ক্ষতি হয় (Coffee Side Effects)। সেটা কিছুটা হলেও সত্যি! কারণ অতিরিক্ত কোনও কিছুই ভাল নয়। তাই অত্যধিক কফি পানেরও (Drinking Coffee) কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Coffee Side Effects) রয়েছে। তা হলে জেনে নিন, কফির উপকারিতা আর সাইড এফেক্টস (Benefits And Side Effects Of Coffee)।
কফির উপকারিতা (Benefits Of Coffee)
১। এক্সফোলিয়েশন (Exfoliation)
কফির গুঁড়ো অথবা কফি পাউডার খুব ভাল এক্সফোলিয়্যান্ট (Exfoliant) হিসেবে কাজ করে। আসলে কফি গুঁড়ো জলে গুলে যায় না। তাই স্ক্রাবিংয়ের মাধ্যমে ডেড স্কিন সেলস দূর করতে সাহায্য করে এটা। শুধু তা-ই নয়, গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কফির (Coffee) মধ্যে থাকা উপাদান স্কিনের জন্য দারুণ। কফির মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস। যা কোলাজেন লেভেল বাড়িয়ে দেয়, এবং সময়ের আগেই বুড়িয়ে যাওয়া থেকে স্কিনকে রক্ষা করে। কফির মধ্যে থাকা ক্যাফেইক অ্যাসিডে রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান। যা জীবাণু থেকে স্কিনকে রক্ষা করে। আর একটা সহজ এক্সফোলিয়েটিং স্ক্রাব কী ভাবে বানাবেন, সেটা জেনে নিন। এর জন্য লাগবে- ১/৪ ভাগ কফির গুঁড়ো আর সম পরিমাণ ব্রাউন সুগার। পরিমাণমতো লেবুর রস। এ বার সব ক’টা উপাদান মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। স্কিনে ওই মিশ্রণ লাগিয়ে স্ক্রাব করে নিন। কয়েক মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ২-৩ বার ব্যবহার করলে ভাল ফল পাওয়া যাবে।
২। কফি স্ক্রাব (Coffee Scrub)
আধ কাপ কফির (Coffee) সঙ্গে আধ কাপ কোকো পাউডার মিশিয়ে নিন। তাতে ১ কাপ দুধ, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ও মধু নিন। মধু এখানে ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করবে। আর লেবুর রস ও দুধ আপনার ত্বক উজ্জ্বল করে তুলবে। পরিষ্কার ত্বকে মিশ্রণটি (Coffee Scrub) লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন। শুকিয়ে আসলে ইষদুষ্ণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দু’দিন ব্যবহার করুন এই মাস্ক।
৩। সূর্য রশ্মি থেকে রক্ষা (Coffee Protects From UV Rays)
কফির মধ্যে রয়েছে পলিফেনলের মতো অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস (Antioxidant)। আর এটাই আপনার ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (UV Rays) থেকে রক্ষা করে। এ ছাড়াও সূর্যালোক থেকে স্কিনকেও বাঁচায় কফি। কফি পান করা থেকে শুরু করে কফি (Coffee) স্কিনে লাগানো- সব কিছুতেই আপনার স্কিনকে সূর্য রশ্মি থেকে রক্ষা করে।
৪। ব্রণ-র ট্রিটমেন্ট (Remove Acne)
ব্রণ-র সমস্যায় ভুগছেন? তা হলেও কফি (Coffee) আপনাকে দারুণ সাহায্য করবে। কফির মধ্যে থাকা অ্যান্টি অক্সিড্যান্টস, স্টিমুল্যান্টস আর ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড ব্রণ বা অ্যাকনের ট্রিটমেন্টে (Acne Treatment) দারুণ।
২। ব্যথা কমাতে (Relieves Pain)
কফি (Coffee) ওয়ার্ক আউটের সময় আপনার এনার্জি শুধু বাড়ায়ই না, তার সঙ্গে ওয়ার্ক আউটের পরেও আপনার খেয়াল রাখে। আসলে ওয়ার্ক আউটের পরে যে ব্যথা হয়, সেটাই কমাতে সাহায্য করে কফি (Coffee)। ব্যথা কমাতে দিনে অন্তত ২ বার কফি খান।
৩। অ্যালঝাইমার্সের ঝুঁকি কমাতে (Prevents Alzheimer’s)
সাধারণত প্রবীণরা এই রোগে আক্রান্ত হন। ডিমেনশিয়ার প্রধান কারণ অ্যালঝাইমার্সই। এই রোগের কারণে মেমোরি স্কিলস, থিঙ্কিং স্কিলস হারিয়ে যেতে থাকে। তবে দুঃখের বিষয়, এর সে ভাবে কোন সমাধান নেই। তবে কিছু কিছু রাস্তা আছে। তার মধ্যে অন্যতম কফি পান (Drinking Coffee)। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁরা কফি পান করেন, তাঁদের অ্যালঝাইমার্সের ঝুঁকি ৬৫ শতাংশ কমে যায়।
৪। ডিপ্রেশনের সঙ্গে যুঝতে (Coping With Depression)
আপনি কি কোনও কিছুর জন্য মাঝেমধ্যেই ডিপ্রেশনে (Depression) ভোগেন? তা হলে কফি (Coffee) আপনার জন্য দারুণ। কফির মধ্যে থাকা ক্যাফিনই ডিপ্রেশনের সঙ্গে যুঝতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে ডিপ্রেশনের ঝুঁকিও কমিয়ে দেয়।
৫। লিভারের সমস্যায় (Liver Problems)
অ্যালকোহল লিভারের নানা অসুখের জন্য দায়ী। কিন্তু কফির ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ঠিক উল্টো। কফি খেলে (Drinking Coffee) লিভার সুস্থ থাকবে।
৬। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমাতে (Cure Heart Attack)
কফি (Coffee) হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমাতে সাহায্য করে। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন! হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমাতে কফির দারুণ গুণ। তবে একটা জিনিস মাথায় রাখবেন। কফি যেন বেশি খাবেন। অল্প পরিমাণ কফি পান (Drinking Coffee) আপনার হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
৭। মাথা ব্যথা কমাতে (Get Rid Of Headache)
মাইগ্রেনের ব্যথা অথবা মাথা ব্যথা কমাতেও কফি (Coffee) দারুণ কার্যকর। মাথা যন্ত্রণা করলে কফি পান (Drinking Coffee) করুন।
৮। ডায়াবিটিস দূর করতে (Cure Diabetes)
ডায়াবিটিসের জন্য ব্ল্যাক কফি দারুণ ওষুধ। ডায়াবিটিসের সম্ভাবনা তো কমায়ই, তার সঙ্গে সঙ্গে ডায়াবিটিস আক্রান্তরা ব্ল্যাক কফি খেলে (Drinking Coffee) ভাল উপকার পাবেন।
17/10/2021
পুষ্টিগুণ
বিটে ঠাসা রয়েছে ভিটামিন বি-সিক্স, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফাইবার, ম্যাঙ্গানিজ, পটাসিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। এতে রয়েছে নামমাত্র ক্যালোরি এবং ৮৮% জলীয় উপাদান। এর মধ্যে রয়েছে অজৈব নাইট্রেট এবং বেটানিন এবং ভালগাজ্যানথিনের মতো পিগমেন্ট।1. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করেউচ্চ রক্তচাপ স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের মতো সমস্যার দিকে ঠেলে দিতে পারে। কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে বিট খেলে এই সমস্যার মোকাবিলা করা যায়। এর মধ্যে থাকা নাইট্রেট রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে, যার জন্য হৃদরোগের সম্ভাবনা কমে।2. উদ্দীপনা বাড়ায়অনেক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে যে বিট খেলে অ্যাথলেটিক পারফরম্যান্স বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ এটা স্ট্যামিনা বাড়ায় ও শরীরে অক্সিজেনকে গ্রহণকে উৎসাহিত করে। এছাড়াও ওয়ার্কআউটের পর পেশীর ব্যাথা কমাতেও বিট সাহায্য করে।3. হজমশক্তিবিটে রয়েছে ফাইবার, অন্যতম প্রধান উপাদান যা পেটকে ভাল রাখে। এতে হজমশক্তি ভাল হয়, কোষ্ঠকাঠিন্য সারায় এবং অন্যান্য পেটের রোগকে দূরে রাখে।4. ক্যান্সার প্রতিরোধ ক্ষমতাকিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, যে বিট খেলে নির্দিষ্ট কয়েক ধরণের ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায়। বিটের মধ্যে থাকা পিগমেন্ট শরীরে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষের বৃদ্ধি আটকাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এই গবেষণা বিছিন্ন মানবকোষ এবং ইঁদুরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ এবং এ নিয়ে আরও বৈজ্ঞানিক তথ্যপ্রমাণ প্রয়োজন।5. শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টবিটে রয়েছে ভরপুর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা ক্ষতিকর ফ্রি-রাডিকালসের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে এতে জ্বালাযন্ত্রণা কমে এবং অস্টিও-আরথ্রাইটিসের যন্ত্রণা থেকে উপশম মেলে। এছাড়াও আয়রন এবং ফলিক অ্যাসিড থাকার ফলে, বিট অ্যানিমিয়াকেও প্রতিরোধ করে। এতে লোহিত রক্তকণিকা আরও বেশি পরিমাণে তৈরি হয়, যারা অক্সিজেনকে আমাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে দেয়। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে কমতে থাকা কগনিটিভ ফাংশনকে উন্নত করে মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখে। মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমায়। ওজন কমে যাওয়া এবং ডায়াবিটিসের ক্ষেত্রেও বিট উপকারী।
17/10/2021
প্রিয় খাবারের মধ্যে বাঙালিদের অনেকেই ভাজা শুকনা মরিচ বা লাল মরিচের কথা উল্লেখ করেন। পোড়া মরিচ দিয়ে ভর্তা বানিয়ে সেটা দিয়ে ভাত, আহা নির্ঘাত আপনার জিভে জল। কেউ একটু ডিম ভেজে নেবেন, কেউ মাছ, কেউ আবার ঘি ভাতে পোড়া মরিচ নেবেন।
কাঁচা বা সবুজ মরিচও কম যায় না। মোট কথা খাবার হবে ঝোলে-ঝালে। তবে আপনি যদি এসিডিটির শিকার হয়ে থাকেন কাঁচা মরিচ, শুকনা মরিচ, তেল, ঝাল সবই আপনার জন্য পরিমিত, ক্ষেত্র বিশেষে নিষিদ্ধ।
তবে শুকনা মরিচের ৭টি দারুণ গুণের কথা জেনে নিন-
১) লাল মরিচের ক্যাপসাইসিন উপাদান আপনাকে মোটা হওয়া থেকে রুখবে, যত বেশি শুকনা মরিচ তত শুকনা!
২)খিদে কমাবে। এই ক্যাপসাইসিন উপাদানটি আপনার ক্ষুধা কমিয়ে আনবে। সবসময় একটি পেট ভরা অনুভূতি কাজ করবে।
৩)উচ্চরক্ত চাপ কমাতেও একটি ভালো ভূমিকা পালন করবে এই মরিচ। এর অন্যতম উপাদান আঁশ যা রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে।
৪) হজম শক্তি বাড়ায়। আঁশ জাতীয় খাবার হওয়ার কারণে হজম বাড়ে।
৫) গিটে গিটে ব্যথা কমায়, মরিচে থাকা ভিটামিন-ই ব্যাথা কমানোর কাজ করে।
৬) লাল মরিচে থাকা ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস কোলন ক্যান্সার ও স্তন ক্যান্সার রোধে কাজ করে।
৭)লাল মরিচে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ থাকায় এটি দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করতেও কাজ করে।
তবে এত গুণ শুনে এখনি গাদা গাদা লাল মরিচ নিয়ে বসে যাবেন না প্লীজ। প্রতিদিনের ডায়েটে ২/৩টে লাল মরিচই যথেষ্ট।
17/10/2021
আপেল ছোট-বড় সবার পরিচিত এবং প্রিয় একটি ফল। আপেলের অনেক গুণ, এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে। নিয়মিত আপেল খেলে এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটা কমে যায়। ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে, এন এ্যাপেল আ ডে কিপ দ্য ডক্টর অ্যাওয়ে। অর্থ, নিয়মিত আপেল খেলে চিকিত্সকের প্রয়োজন হয় না। আপেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোনিউট্রিএন্টস, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন ই। এটি হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কাজ করে। সম্প্রতি একটি গবেষণায় বলা হয়,আপেল খাওয়া দাঁতের জন্য ভালো কারণ আপেল দাঁত পরিষ্কার করে এবং ব্যাকটেরিয়া রোধে কাজ করে। তো দেখে নেওয়া যাক, আপেল এর উপকারিতা এবং পুষ্টিগুন যা আমাদেরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
আপেল এর উপকারিতাঃ সম্মানিত পাঠক আসুন এবার জেনে নেই আপেল এর উপকারিতা এবং পুষ্টিগুন যা আমাদেরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
আপেল ক্যান্সার প্রতিরোধকঃ আপেল খেলে অগ্ন্যাশয়ে ক্যান্সারের সম্ভাবনা প্রায় ২৩% হারে কমে। কারণ আপেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভোনল থাকে। আপেলের মধ্যে ট্রিটারপেনয়েডস উপাদান লিভার, স্তন এবং কোলোনের মধ্যে ক্যান্সারের কোষ বেড়ে উঠতে বাঁধা দেয়। তাছাড়া এক গবেষণা থেকে জানা যায় যে, আপেলের মধ্যে যে পরিমাণে ফাইবার থাকে, তা মলাশয়ের ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে
আপেল হার্ট ভালো রাখেঃ আপেলে রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট উপাদানসমূহ, যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এর ফলে হার্টে রক্তচলাচল স্বাভাবিক থাকে। ফলে হৃদযন্ত্রের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে।
ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ ওজন নিয়ন্ত্রণে আপেল খাওয়া খুবই উপকারী। ফলটিতে উপস্থিত ফাইবার কোনও ক্যালরি ছাড়াই পেট ভরাতে সাহায্য করে এর ফলে ওজনও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। যেসব মহিলা ওজন কমাতে চায় তারা দৈনিক তিনটি আপেল খেলে ডায়েট করার চেয়ে ভালো ফল পাবে।
সাদা ঝকঝকে দাঁতের জন্য আপেলঃ আপেল খেলে দাঁতের দারুণ উপকার হয়। আপেলের রস আপনার দাঁতের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। ফলে ব্যাকটেরিয়া দাঁতের কোনও ক্ষতি করতে পারেনা। ফলে দাঁত ভালো থাকে এবং দাঁত শক্ত ও মজবুত করে থাকে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ আপেলের মধ্যে কুয়েরসেটিন নামক এক ধরনের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে, যা আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে এবং আমাদের শরীর ভাল রাখতে সাহায্য করে।
ডায়াবেটিসের সমস্যা কমায়ঃ আপেলে পেকটিন নামের একটি উপাদান থাকে যা ইনসুলিনের পরিমাণ ঠিক রেখে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে থাকে। তাছাড়া আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা রক্তে শর্করার পরিমাণ সঠিক রাখতে সাহায্য করে।
শরীরের ত্বক ভালো রাখেঃ আপেল ত্বক মলিন রাখে এবং মুখের ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, নিয়মিত প্রতিদিন আপেল খেলে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান হয়। সুধু তাই নয়,
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টঃ আপেলে প্রচুর পরিমাণে ফ্লেভনয়েড ও পলিফেনল নামক উপাদান আছে যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এর প্রধান উপাদান । আর এই উপাদান দুটি আমাদের শরীরের DNA এর ক্ষতি রোধ করে এবং ক্যানসারও রোধ করতে সাহায্য করে থাকে।
হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করেঃনিয়মিত আপেল খেলে পাকস্থলীতে হজমের জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরী হয়। যা হজম শক্তি বৃদ্ধি করে সেই সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর করে।
তছাড়া আপেল দাঁত ভালো রাখে, শরীরের হাড় শক্ত করে, অ্যালঝেইমার্স প্রতিরোধে করে, পানিশুন্যতা দূর করে, লিভার ও নালীর সমস্যা রোধ করে। সুধু তাই নয়, আপেল ডায়রিয়া হলে তা সারাতে সাহায্য করে, আমাদের শরীরে মাসেল টোন করতে সাহায্য করে এমনকি গেস্টিক এর সমস্যা দূর করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।
17/10/2021
কখনও কখনও লাল ক্রাউট বা বেগুনি বাঁধাকপি হিসাবে সম্বোধন করা হয়, পুষ্টি সমৃদ্ধ লাল বাঁধাকপি আপনার জন্য ভাল, আপনি এটি যাই বলুন না কেন পছন্দ করুন। মাটি জন্মায় তার পিএইচ স্তরের কারণে লাল বাঁধাকপি আরও লাল বা বেগুনি দেখা যায় Interest মজার বিষয় হল, রান্না করা হলে এই বাঁধাকপিটি নীল হয়ে যাবে। এর বর্ণ-অপূর্ব প্রকৃতি সত্ত্বেও, এটি কেবল একটি সুন্দর গাছের চেয়ে বেশি। এই বাঁধাকপি, যা এর সাদা অংশগুলির তুলনায় অনেক সহজ এবং দীর্ঘস্থায়ী করে, অনেক দর্শনীয় স্বাস্থ্য সুবিধার সাথে যুক্ত। আপনার সাপ্তাহিক ডায়েটের অংশ হিসাবে লাল বাঁধাকপি খাওয়া আপনার স্বাস্থ্যের জন্য নিম্নলিখিত উপায়ে উপকৃত হবে।
হজম উন্নতি
আপনার ডায়েটে আরও বেশি লাল বাঁধাকপি যুক্ত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হ'ল এটি হজম উন্নতি করতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করার ক্ষমতা রাখে। আপনি কল্পনাও করতে পারেন যে আপনার মা ডিনার স্যালাডগুলিতে প্রচুর আকর্ষণীয় লাল বাঁধাকপি যুক্ত করেছেন, তবে আপনাকে নিয়মিত রাখতে এই শাক-সবজির বয়সের পুরানো দক্ষতা সম্পর্কে তিনি জানেন। লাল বাঁধাকপি ডায়েটার ফাইবারযুক্ত হয়। সর্বোত্তম অবস্থায় আপনার পাচনতন্ত্রের কার্যকারিতা বজায় রাখার জন্য এই ফাইবার অপরিহার্য। আপনি তার সালাদগুলিতে লাল বাঁধাকপি যুক্ত করতে পারেন বা এর হজম স্বাস্থ্যের সুবিধাগুলি উপভোগ করতে এক কাপ কোলেস্লো উপভোগ করতে পারেন।
ক্যান্সার প্রতিরোধ
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগগুলিতে সমৃদ্ধ উবার সমৃদ্ধ, লাল বাঁধাকপি একটি সুপরিচিত শাকসব্জী যা ক্যান্সারের সাথে লড়াইয়ের সম্ভাবনা রাখে। লাল বাঁধাকপির অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টগুলির মধ্যে অ্যান্থোসায়ানিনস এবং ইনডোলস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা মুক্ত অণুবিশেষকে রোগহীন অবাঞ্ছিত হার্বিংগারগুলিকে নিরপেক্ষ করার একটি দুর্দান্ত কাজ করে। নিখরচায় র্যাডিকালগুলি কেবলমাত্র সেলুলার ফাংশনগুলির ফলাফল হিসাবে আমাদের দেহে বিভিন্ন কারণে ঘটতে পারে। অন্যদিকে, যখন তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, তখন দেহ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। বায়ু দূষণ এবং ধূমপানের মতো বিষয়গুলি ফ্রি র্যাডিকালগুলির উপস্থিতিতে অস্বাস্থ্যকর উত্থানের দিকে নিয়ে যেতে পারে। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টগুলি আমাদের দেহে বিপর্যয় ডেকে আনতে ফ্রি র্যাডিকেলগুলিকে শক্তিহীন করে তোলে।
আপনার হৃদয়কে স্বাস্থ্যকর রাখুন
এর অনেকগুলি পুষ্টির পাশাপাশি, লাল বাঁধাকপিতে পটাসিয়াম রয়েছে যা নিয়মিত, স্বাস্থ্যকর হৃদস্পন্দন প্রচার করার জন্য অত্যাবশ্যক। অধিকন্তু, লাল বাঁধাকপির ফাইবার খারাপ এলডিএল কোলেস্টেরলের অস্বাস্থ্যকর স্তর হ্রাস করতে সহায়তা করে যা হৃদরোগের কারণ হতে পারে। লাল বাঁধাকপির অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টগুলি হৃদরোগের স্বাস্থ্য বজায় রাখতেও সহায়তা করে। যদি আপনি হৃদরোগের বিকাশের বিষয়ে উদ্বিগ্ন হন বা এটি যদি আপনার পরিবারে চলে তবে আপনার হৃদয়-স্বাস্থ্যকর ডায়েট খেতে ভুলবেন না যাতে লাল বাঁধাকপির মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ খাবার রয়েছে।
পুরো অনুভব করুন, ওজন হারাবেন
লাল বাঁধাকপি কম ক্যালোরি, তবে এটি খাওয়ার পরে একজন ব্যক্তির যথেষ্ট তৃপ্তি বোধ করতে পারে। আপনি যদি ডায়েটিং করে থাকেন তবে আপনি সম্ভবত কম ক্যালোরিযুক্ত খাবার খেতে চাইছেন যা ফ্যাট কম এবং পুষ্টির পরিমাণ বেশি। লাল বাঁধাকপি খাওয়ার পরে, আপনি অন্যান্য কম স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্সের সাথে জড়িত হবেন না। এমনকি যদি আপনি ডায়েট নাও করেন তবে লাল বাঁধাকপি খাওয়া আপনার ওজন বজায় রাখতে সহায়তা করবে। পার্শ্বযুক্ত থালা হিসাবে ব্রিজযুক্ত লাল বাঁধাকপি উপভোগ করুন বা খাবারের মধ্যে আচারযুক্ত এটি খান।
ব্রেন বুস্ট
কে এখন আর মস্তিষ্কের উত্সাহ পছন্দ করবে না? আপনি যখন মানসিকভাবে নিস্তেজ বোধ করছেন তখন আপনার খাবারে কিছু লাল বাঁধাকপি যুক্ত করুন। লাল বাঁধাকপি ম্যাগনেসিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজ রয়েছে। এই পুষ্টিগুলি সুস্থ মস্তিষ্কের কোষের পাশাপাশি সর্বোত্তম স্নায়ু কার্যক্রমে অবদান রাখে। যখন আপনার মস্তিষ্ক অনুকূলভাবে কাজ করছে তখন আপনি উন্নত শক্তি এবং আরও ভাল ফোকাস অনুভব করবেন। আপনার মস্তিষ্ককে স্বাস্থ্যকর বাড়াতে লাল বাঁধাকপি ছিটিয়ে আপনার লাঞ্চের শীর্ষে।
চোখের সুরক্ষা
লাল বাঁধাকপি ভিটামিন এ সমৃদ্ধ, একটি পুষ্টি যা চোখের সর্বোত্তম স্বাস্থ্যকে সমর্থন করে। লাল বাঁধাকপি খাওয়া আপনাকে ছানি এবং ম্যাকুলার অবক্ষয় প্রতিরোধের মাধ্যমে আপনার চোখের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সহায়তা করতে পারে। আমাদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে চোখের সুস্বাস্থ্যের প্রচারের জন্য, বিটা ক্যারোটিনযুক্ত বা ভিটামিন এযুক্ত খাবারগুলি খাওয়া ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। লাল বাঁধাকপি আরও অনেক পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে যা আপনার দৃষ্টিকে সর্বোত্তমভাবে রাখতে সহায়তা করতে পারে।
17/10/2021
ক্যাপসিকামের উপকারিতা
চোখ ভালো রাখতে
উচ্চ পরিমান ভিটামিন-এ থাকার কারনে এটি চোখের জন্য খুব উপকারী। বিশেষ কর নাইট ভিশনের জন্য৷এটি লুটেইন নামক ক্যারোটিন সমৃদ্ধ যা চোখের মাস্কুলার ডিজেনারেশন এর ঝুকি কমায়। এটি সাধারনত বয়স জনিত দৃষ্টিশক্তি কমাকে বুঝায়।
অধিক ক্যালোরি ক্ষয় করে
লাল ক্যাপসিকাম থার্মোজেনেসিসকে কার্যকরী করে মেটাবোলিজম হার বৃদ্ধি করে। এরা অন্যান্য মরিচের মতো হার্ট ও ব্লাড প্রেশার বৃদ্ধি না করেই মেটাবোলিজম হার বাড়াতে পারে। এভাবে এটি বাড়তি ওজন কমাতে পারে।
এন্টি ক্যান্সার হিসেবে
এন্টি অক্সিডেন্ট ও ইনফ্লেমেটরি নিউট্রিয়েন্ট বৃদ্ধির মাধ্যমে ক্যান্সার রোধ করে থাকে৷এটি সাস্থ্যের জন্য উপকারী সালফার সরবরাহ করে এবংএনজাইমের মাধ্যমে গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার ও খাদ্যনালীর ক্যান্সার রোধ করে৷ক্যারোটিনয়েড লাইকোপিন প্রোস্টেট ও মূত্রথলির এবং গলদেশ ও অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার রোধে খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
কার্ডিওভাসকুলার উপকার
লাইকোপিন সমৃদ্ধ লাল ক্যাপসিকাম হার্টের জন্য খুবই উপকারী। অন্যদিকে সবুজ ক্যাপসিকাম কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। হোমোসিস্টেইন বেড়ে হার্টের মারাত্বক ক্ষতি হয়। কিন্তু ক্যাপসিকাম এর ভিটামিন-বি৬ এবং ফলেট এর মাত্রা কমিয়ে এনে হার্টকে ভালো রাখে। এর এন্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি৬ হার্টের ফ্রি রেডিক্যালকে দমন করে। এতে রয়েছে ১৬২ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, যা রক্তচাপ কমিয়ে হার্টকে ভালো রাখে।
ইমিউন সিস্টেমকে সাহায্য করে
ভিটামিন সি যা এতে রয়েছে,ইমিউন সিস্টেম কে সাহায্য করে এবং শক্ত কোলাজেন তৈরি করে যাতে ত্বক ও জয়েন্ট ভালো থাকে ও আরথ্রাইটিস রোধ করে৷ভিটামিন-কে রক্তজমাট বাধাতে সাহায্য করে।
আয়রনের ঘাটতি পূরনে
যাদের আয়রনের ঘাটতি রয়েছে,তাদের প্রতিদিন লাল ক্যাপসিকাম খাওয়া উচিত। এটি প্রায় ৩০০% ভিটামিন-সি সরবারহ করে যা আয়রন তৈরিতে ভূমিকা রাখে ৷
রয়েছে ক্যাপসিসিন
ক্যাপসিসিন কোলেস্টেরল এর মাত্রা ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমায়। আলসার সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং ইমিউনিটিকে উন্নত করে।
ডিটক্সিফাইয়িং প্রোপার্টিস
এটা নাকে এবং ফুসফুসে জমে যাওয়া মিউকাস গ্রন্থিকে পরিষ্কার করে এবং ঘামের মাধ্যমে বিষাক্ততা কমায়।
17/10/2021
কন্দ-জাতীয় সবজি মিষ্টি আলু তাপ প্রয়োগের ফলে এর স্টার্চ ভেঙে প্রাকৃতিক শর্করা ‘মল্টোজ’য়ে পরিণত হয়।
পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে মিষ্টি আলুর উপকারিতা সম্পর্কে জানানো হল।
মিষ্টি আলু উচ্চ আঁশজাতীয় খাবার যা কার্বোহাইড্রেইটের জটিল যৌগ। ফলে তা শরীরে শক্তি যোগাতে সাহায্য করে। এটা বিটা ক্যারটিনের ভালো উৎস যা মূলত অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন এ’তে রূপান্তরিত হয়। এটা কেবল চোখের স্বাস্থ্যই ভালো রাখে না বরং ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং বয়সের গতি ধীর করে।
প্রচলিত বিশ্বাস ও পুষ্টিবিজ্ঞানের তথ্যানুসারে অনুযায়ী, মিষ্টি আলু স্টার্চ বা মল্টোজের কারণে রক্তচাপ বাড়ায় না। এটা উচ্চ আঁশ-জাতীয় হওয়ায় তা ধীরে খরচ হয় যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। টাইপ টু ডায়াবেটিস দূরে রাখে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে মিষ্টি আলু বেশ উপকারী।
17/10/2021
টক মিষ্টি স্বাদের ফল কমলায় রয়েছে ভরপুর ভিটামিন। তাছাড়া আরও আছে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় বেশ কিছু উপাদান।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে কমলার স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়।
প্রদাহ সারাতে কার্যকর
রক্তে থাকা ক্ষতিকর ও প্রোদাহজনক মৌল থেকে রক্ষা করে ভিটামিন সি। সিট্রাসজাতীয় ফলে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। আর কমলা হচ্ছে ভিটামিন সি’র অন্যতম উৎস।
ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে
কমলায় রয়েছে নারিজেনিনের মতো বায়োঅ্যাক্টিভ উপাদান যা উন্নত মানের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টিইনফ্লামাটর। এছাড়া রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরের অক্সিজেনের অণু স্থিতিশীল করতে এবং ফ্রি রাডিক্যালস নিষ্ক্রিয় করতে সাহায্য করে। এই নিষ্ক্রিয় করার ক্ষমতার কারণে ত্বক পরিষ্কার হয় এবং বয়সের ছাপ সহজে পড়ে না। তাছাড়া ত্বক ভিতর থেকে উজ্জ্বল করতেও সাহায্য করে কমলা। তাই একটু বেশি বয়সি মহিলাদের জন্য কমলা খুবই উপকারী।
ত্বকের জন্য ভালো
কমলার ভিটামিন ত্বক নমীয়, কোমল এবং সুন্দর করতে সাহায্য করে। প্রসাধনী সামগ্রী তৈরি করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কমলা ব্যবহার করে।
ওজন কমাতে সাহায্য করে
কমলা ‘ক্যালরি ফ্রি’ ফল হিসেবে পরিচিত, আর এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। তাই কমলার পুষ্টি উপাদানগুলো শরীরের বাড়তি মেদ কমাতে সাহায্য করে। মানুষের জন্য অত্যাবশ্যক পুষ্টি যেমন থিয়ামাইন, নিয়াসিন, ভিটামিন বি সিক্স, ম্যাগনেশিয়াম এবং কপার রয়েছে কমলায়।
ওষুধ শোষণ
শরীরে ওষুধ গ্রহণে সাহায্য করে কমলা। এই ফলের রস ওষুধের বায়োকেমিক্যাল ও সাইকলজিকাল প্রভাব শরীরে গ্রহণের মাধ্যমে দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে।
দৃষ্টিশক্তি
চোখের জন্য ভিটামিন এ দরকার। আর কমলায় বেশ ভালো পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে।
হৃদস্পন্দন এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করে
কমলায় আছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ উপাদান যা হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি নিয়মিত রাখতে সাহায্য করে।
পটাশিয়াম এবং ক্যালশিয়ামের মতো খনিজ উপাদানগুলো শরীরে সোডিয়ামের প্রভাব নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
কমলার চর্বিহীণ আঁশ, সোডিয়াম মুক্ত এবং কোলেস্টেরল মুক্ত উপাদানগুলো হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখে।
ক্যান্সার প্রতিরোধক
কমলায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিনের পাশাপাশি রয়েছে আলফা ও বেটা ক্যারোটিনের মতো ফ্ল্যাভনয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগ যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
কমলার উচ্চমাত্রার পুষ্টিগুণ হচ্ছে ফ্ল্যাভনয়েড যা ফুসফুস এবং ক্যাভিটি ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর।
শর্করা নিয়ন্ত্রণ
কমলার খোসায় চিনির পরিমাণ নেই বললেই চলে, তাই এটা রক্তে শর্করার মাত্রায় প্রভাব ফেলে। ডায়াবেটিস ও মেটাবলিক সিন্ড্রম রোগীদের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রেণ রাখতে হয়। তাই কমলার পুষ্টিগুণ ডায়াবেটিকদের জন্য উপকারী।
17/10/2021
প্রচলিত এই কথার গুরুত্ব কতটুকু তা বুঝতে হলে আপেল খাওয়ার উপকারী দিকগুলো সম্পর্কে জানা ভালো।
তার মানে এই নয় শুধু আপেল খেয়েই থাকতে হবে। আপেলের মতো প্রতিদিন একটি কলা খাওয়াও শরীরের জন্য উপকারী। সুস্থ জীবনযাপনের জন্য নিজেকে স্বাস্থ্যকর খাবারে অভ্যস্ত করা প্রয়োজন।
ডাক্তারের কাছে যেতে হবে না- এটা একটা কথার কথা হলেও আপেলে বেশ কিছু উপাদান রয়েছে যা আসলেই শরীরের জন্য ভালো।
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে জানানো হল আপেলের উপকারী দিক সম্পর্কে।
ওজন নিয়ন্ত্রণ: স্ন্যাকস বা নাস্তা হিসেবে যদি এমন কিছু খাওয়া যায় আপনার ওজন কমাতে সহায়ক হবে তবে তো সোনায় সোহাগা। আপেল ঠিক সেই কাজটিই করে। এতে আছে পানি আর ভোজ্য আঁশ, যা পেট ভরা রাখে লম্বা সময়। যেকোনো বেলার খাবার খাওয়ার আগে কয়েক টুকরা আপেল খেয়ে নিলে পেট ভরবে অল্পতেই। ফলে প্রায় ২০০ ক্যালরি পর্যন্ত কম গ্রহণ করবেন।
স্নায়ুবিক স্বাস্থ্যের উন্নতি: আপেলে থাকা পুষ্টি উপাদান ‘কোয়েরসেটিন’য়ের মাঝে ‘নিউরোপ্রোটেক্টিভ’ প্রভাব পেয়েছেন গবেষকরা। ফলে আপেল নিয়মিত খাওয়ার কারণে মস্তিষ্কের ‘নিউরন’গুলো আরও বেশিসময় কর্মক্ষম থাকবে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: আপেল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। আর বর্তমান মহামারীর সময়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রত্যেকেরই পরম বন্ধু। এখানেও পর্দার আড়ালে কাজ করে ‘কোয়েরসেটিন’, যা প্রদাহ কমাতেও সহায়ক হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, আপেল খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া চলবে না।
হৃদরোগের ঝুঁকি: হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোর ক্ষেত্রে আপেল নিয়ে খুব বেশি মাতামাতি হয় না। তবে এর উপকারিতা মোটেই অবহেলার যোগ্য নয়। পাশাপাশি আপেলে থাকা ‘ফ্লাভানয়েড’ ‘স্ট্রোক’য়ের ঝুঁকি কমায় প্রায় ২০ শতাংশ। আবার কোলেস্টেরল কমাতেও আপেলের ভূমিকা আছে।
অন্ত্রের সুস্বাস্থ্যে: অন্ত্রের স্বাস্থ্য নিয়ে মানুষের চিন্তা থাকে কমই। তবে প্রতিদিন আপনার মন মানসিকতা কেমন থাকবে তা অনেকাংশে নির্ভর করে অন্ত্রের স্বাস্থ্যের উপরেই। হুটহাট পেট ব্যথা, পেট ফোলা, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদির ব্যাখ্যা হয়ত অন্ত্রের সমস্যাই। অন্ত্রের অবস্থা ভালো রাখতে কার্যকর একটি ‘প্রোবায়োটিক’ উপাদান হল ‘পেকটিন’ যা মেলে আপেল থেকে।
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়: আপেল হতে পারে আপনার ক্যান্সার থেকে দূরে থাকার চাবিকাঠি, বিশেষ করে যারা ধূমপান করেন কিংবা আগে করতেন। ফুসফুস ক্যান্সার বিষয়ক একাধিক গবেষণা এমনটাই দাবি করে। এতে ‘ফাইটোকেমিকেল’ ও আঁশ থেকে ‘অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট’য়ের সুবিধা মেলে, যা কোষকে বিভিন্ন ক্ষয় থেকে সুরক্ষা দেয়।
ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়: প্রতি সপ্তাহের কয়েকটি আপেল খাওয়া আপনাকে ডায়াবেটিসের কবল থেকে রক্ষা করতে পারে। আবার প্রতিদিন একটা খেতে পারলে আরও ভালো, এতে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে প্রায় ২৮ শতাংশ, দাবি বিশেষজ্ঞদের।
অ্যালার্জি থেকে সুরক্ষা: আপেলকে প্রতিদিন খাদ্যাভ্যাসে যোগ করার আগে আপনাকে জেনে নিতে হবে এই ফল বা ফলটির কোনো উপাদানে আপনার অ্যালার্জি আছে কি না। যদিও এমনটা হওয়া বেশ দুর্লভ, তবে সাবধানের মার নেই। আপেল খাওয়ার পর ত্বকের কোথাও ফুলে ওঠা, চুলকানি, জিভ চুলকানো ইত্যাদি দেখা দিলে বুঝতে হবে আপনার অ্যালার্জি আছে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
হাঁপানির তীব্রতা কমাতে: নিয়মিত কী পরিমাণ আপেল খাচ্ছেন সেটার ওপর নির্ভর করে হাঁপানির সমস্যা কমে। ‘অ্যাডভান্সেস ইন নিউট্রিশন’ জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রায় ৬৮ হাজার নারীকে নিয়ে করা গবেষণায় দেখা যায়, যারা দিনে একটি আস্ত আপেল গ্রহণ করেছেন অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে তাদের হাঁপানির তীব্রতা কমেছে সবচাইতে বেশি। যারা দিনে একটি আপেলের ১৫ শতাংশ খেয়েছেন তাদের রোগের তীব্রতা কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ।
দাঁত সাদা করে: আপেল দাঁতের হলদেটে ভাব দূর করতেও বেশি কার্যকর। আপেল চিবানো সময় তা দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাদ্যকণা এবং দাঁতের ওপরের হলদেটে আস্তর পরিষ্কার করে। আপেলে অম্লীয় গুণই এখানে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
17/10/2021
ডিম ছাড়া যেন সকালের জলখাবারে আসে না পরিপূর্ণ তৃপ্তি। ডিম কিন্তু সুস্বাস্থ্যের জন্যও অপরিহার্য এক খাবার। প্রতিদিন সকালের জলখাবারে একটি করে সেদ্ধ ডিম রাখলে দূরে থাকতে পারবেন অনেক রোগ থেকে। তবে অনেক রোগের ক্ষেত্রে চিকিত্সকরা বেশি ডিম খেতে নিষেধ করেন। সেক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবেন ডিম। জেনে নিন সেদ্ধ ডিমের উপকারিতা...
সেদ্ধ ডিমে শরীরের জন্য উপকারী মনোআনস্যাচুরেটেড ও পলিআনস্যাচুরেটেড চর্বি আছে। এগুলো স্যাচুরেটেড ফ্যাটকে সরিয়ে দিয়ে তার স্থান দখল করে এবং রক্তের কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে ফেলে। ফলে হৃত্পিণ্ড ভালো থাকে। হার্টের জন্য উপকারী এই চর্বিগুলো ইনসুলিনও নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্তের চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। বিশেষ করে টাইপ-২ ডায়বেটিসের জন্য এ ধরনের ফ্যাটগুলো খুবই উপকারী। সেদ্ধ ডিমের দুই তৃতীয়াংশই এ ধরণের উপকারী ফ্যাট দিয়ে গঠিত।
সেদ্ধ ডিমে প্রাকৃতিকভাবেই প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে। ব্রেকফাস্টে একটি সেদ্ধ ডিম খেলে ৬ গ্রামের বেশি প্রোটিন পাওয়া যায়।
ডিমের একটি প্রধান খাদ্য উপাদান হলো ভিটামিন এ। ভিটামিন এ রেটিনায় আলো শুষে নিতে সহায়তা করে, কর্নিয়ার পাশের মেমব্রেনকে রক্ষা করে এবং রাতকানার ঝুঁকি কমায়। প্রতিদিন সকালে একটি সেদ্ধ ডিম খেলে খাবার তালিকায় ৭৫ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন এ যুক্ত হয়।
সেদ্ধ ডিমে আছে ভিটামিন ডি, যা হাড় ও দাঁত শক্ত করে। ভিটামিন ডি খাবার থেকে ক্যালসিয়াম গ্রহণ করতে সহায়তা করে এবং রক্তের ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে শরীরের হাড়ের কাঠামো মজবুত ও শক্ত হয় এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ হয়।
একটি বড় সেদ্ধ ডিমে প্রায় ৮০ ক্যালোরি আছে। এর মধ্যে ৬০ শতাংশ ক্যালোরি আসে চর্বি থেকে। ফলে সকালে একটি মাত্র সেদ্ধ ডিম খেলে সারাদিন শক্তি পাওয়া যায় এবং দুর্বলতা হ্রাস পায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong CDA Avenue Modina Market Third And Fifth Floor
Chittagong
4217