Diabetic Health Center
Natural treatment for diabetics patient
11/09/2022
আমরা যখন খাবার খাই, তখন আমাদের প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়। ইনসুলিনের কাজ হলো, যে খাবার খাচ্ছি, সেটার অতিরিক্ত গ্লুকোজ কমিয়ে দেওয়া। যখন ইনসুলিনের উৎপাদন কমে যায় বা ইনসুলিন উৎপাদন হওয়ার পরও যখন কাজ করতে পারে না, তখন শরীরে অতিরিক্ত গ্লুকোজ থাকে। সেই অবস্থাকে আমরা ডায়াবেটিস বলছি। খালি পেটে যদি গ্লুকোজের মাত্রা ৭-এর বেশি থাকে আর খাওয়ার পর যদি ১১-এর বেশি থাকে, তখন সেই অবস্থাকে ডায়াবেটিস বলে। টাইপ-১ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে সবাই বুঝতে পারে। হঠাৎ করে স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়। ওজন কমে যায়। সমস্যা হয় টাইপ-২ ডায়াবেটিসের রোগীদের বেলায়। তাঁরা বুঝতেই পারেন না যে তাঁদের ডায়াবেটিস আছে। বারবার প্রস্রাব করা, খাবার খেয়েও ক্ষুধা না মেটা, ক্লান্ত লাগা, ঝিম ধরা ভাব, কোথাও কেটে গেলে বা ঘা হলে সহজে সেটা না শুকানো—এ রকম কিছু লক্ষণ থাকে। যেহেতু তাঁরা চিকিৎসকের কাছে যান না, তাই তিন-চার বছরে অনেক ক্ষতি হয়ে যায়। দেখা গেল, চোখে রক্ত জমেছে। হার্টে ব্লক, যকৃতে ক্রিয়েটিনিন বেশি।
10/09/2022
ডায়া বেটিস একধরনের মেটাবলিক ডিজঅর্ডার।শরীরে ইন সুলিন আছে,কিন্তু কাজ করতে পারছে না।কিংবা বিটা সেল ইনএক্টিব হয়ে গেছে,ফলে ইন সুলিন উৎপাদন হচ্ছে না।আমরা সাধারণত চার ধরনের ডায়া বেটিসের কথা বলি। টা"ইপ ১,টা"ইপ ২,জে স্টেশনাল এবং অন্যান্য। টা"ইপ ১ মানে হলো,যেভাবেই হোক,যাঁদের বিটাসেল ইনএক্টিব হয়ে গেছে,তাঁদের যদি আলাদা করে ইন সুলিন দেওয়া না হয়,তাহলে তাঁরা মারা যেতে পারেন।
আমরা যখন বাইরের নানা ধরনের খাবার খাই,ফাস্ট ফুড খাই,তখন শরীরে একধরনের পরিবর্তন আসে।দেখা যায়, শরীরে ইন সুলিন আছে, কিন্তু সেটা কাজ করতে পারছে না।তখন আমরা যে খাবারই খাই,সেটার গ্লু কোজ রক্তে জমে যায়।এটা টা'ইপ ২ ডায়া বেটিস।
যখন ইন সুলিনের উৎপাদন কমে যায় বা ইন সুলিন উৎপাদন হওয়ার পরও যখন কাজ করতে পারে না, তখন শরীরে অতিরিক্ত গ্লু কোজ থাকে।সেই অবস্থাকে আমরা ডায়া বেটিস বলছি।খালি পেটে যদি গ্লু কোজের মাত্রা ৫.৫-এর বেশি থাকে আর খাওয়ার পর যদি ৭.৮-এর বেশি থাকে,তখন সেই অবস্থাকে ডায়া বেটিস বলে।
টা'ইপ ১ ডায়া বেটিসের ক্ষেত্রে সবাই বুঝতে পারে। হঠাৎ করে স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়। ওজন কমে যায়।সমস্যা হয় টা'ইপ ২ ডায়া বেটিসের রোগীদের বেলায়।তাঁরা বুঝতেই পারেন না যে তাঁদের ডায়া বেটিস আছে।বারবার প্রস্রাব করা,খাবার খেয়েও ক্ষুধা না মেটা,ক্লান্ত লাগা,ঝিম ধরা ভাব,কোথাও কেটে গেলে বা ঘা হলে সহজে সেটা না শুকানো—এ রকম কিছু লক্ষণ থাকে।যেহেতু তাঁরা চিকিৎসকের কাছে যান না,তাই তিন-চার বছরে অনেক ক্ষতি হয়ে যায়।দেখা গেল, চোখে রক্তনালী ব্লক,হা"র্টে ব্লক,য"কৃতে ক্রিয়ে"টিনিন বেশি ইত্যাদি।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগীরা যে ভুলটা করে, তারা শুরুতে রোগ টাকে সাধারন মনে করে অবহেলা করে।ধীরে ধীরে সমস্যা বেগতিক মনে হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়।আর ডা ক্তার মেডি সিন/ইন সুলিন দিয়ে থাকলেও সেগুলো ক্যা মিকেল/স্টে রয়েডযুক্ত হওয়ায় সুগার লেভেল কে সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ রাখতে সক্ষম হয়।ফলে রোগ শরীরের মধ্যে থেকে যায় এবং
বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই সমস্যা আরো মারাত্মক আকার ধারন করে।
এই সমস্যার জন্য আমরা দীর্ঘ ৮ বছর ধরে দিয়ে আসছি Natural & Organic Medication।ক্যামিকেল শরীরের সাথে মিশে না,তাই একটা এ্যালো প্যথিক মেডিসিনে ১৬ঘন্টা-১ দিন সুস্থ থাকা যায়।কিন্তু আমাদের এই Natural ওষুধ সেবনের ফলে তা রক্ত এবং শরীরের সাথে মিশে যায় এবং শতভাগ বিটা সেল এক্টিভ করে।ফলে এটার গুনগত মান কয়েক যুগ(১২ বছর+) আপনার শরীরে লাস্টিং করবে।যার কারনে আমাদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোর্স সেবন করলে আমি কোন ইন সুলিন/মেডি সিন ছাড়া চিরস্থায়ীভাবে সুস্থ থাকতে পারবেন।
উপরওয়ালা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য পৃথিবীতে সকল উপকরণ দিয়েছে।রোগ/ব্যাধির ক্ষেত্রে ও একই।তিনি প্রকৃতিতে এমন কিছু মহাও ষুধ দিয়েছেন যেগুলো সেবনে আমাদের দূরা রোগ্য রোগ ও সেরে যায়।কিন্তু আমরা শুরুতেই ডা ক্তারের কাছে ছুটে যাই এবং হাতের কাছে যে উপরওয়ালা প্রদত্ত সহজ সমাধান ছিল সেটাকে ভুলে যাই।আসুন উপরওয়ালা কে স্মরণ করি এবং তার মাধ্যমেই সুস্থ হই..
এ্যালো প্যাথিক/হোমিও প্যাথিক/আয়ু র্বেদিক/হার বাল/বনে দী/কবি রাজি ইত্যাদি চিকিৎসা পদ্ধতি'র অস্তিত্ব বাংলাদেশ রয়েছে।যেগুলো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াযুক্ত।
আমাদের ট্রিটমেন্ট পদ্ধতি হল"Food supplement"।
এটি একবিংশ শতাব্দীর Unique এবং কার্যকরী চিকিৎসা পদ্ধতি।যেটা Nature & Science এর কম্বিনেশন তৈরি করা হয়।
আমাদের চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত।ফলে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ০% এবং সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা ১০০%।
আমাদের চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়নি এমন পেশেন্ট বাংলাদেশ একটাও নেই।কারন আমরা আপনাকে গ্যারান্টি দিব যে,আপনি অবশ্যই সুস্থ হবেন।কারন,আমরা বিশ্বাস করি মৃত্যু ছাড়া সকল সমস্যার সমাধান রয়েছে।
তাই আপনি যে আমাদের চিকিৎসায় সুস্থ হবেন,এটা ধরে নিতে পারেন।
বিস্তারিত জানতে কমেন্ট বক্সে ঘুরে আসুন এবং চিকিৎসা নিতে ইনবক্সে নক করুন।
06/09/2022
ডায়া বেটিস একধরনের মেটাবলিক ডিজঅর্ডার।শরীরে ইন সুলিন আছে,কিন্তু কাজ করতে পারছে না।কিংবা বিটা সেল ইনএক্টিব হয়ে গেছে,ফলে ইন সুলিন উৎপাদন হচ্ছে না।আমরা সাধারণত চার ধরনের ডায়া বেটিসের কথা বলি। টা"ইপ ১,টা"ইপ ২,জে স্টেশনাল এবং অন্যান্য। টা"ইপ ১ মানে হলো,যেভাবেই হোক,যাঁদের বিটাসেল ইনএক্টিব হয়ে গেছে,তাঁদের যদি আলাদা করে ইন সুলিন দেওয়া না হয়,তাহলে তাঁরা মারা যেতে পারেন।
আমরা যখন বাইরের নানা ধরনের খাবার খাই,ফাস্ট ফুড খাই,তখন শরীরে একধরনের পরিবর্তন আসে।দেখা যায়, শরীরে ইন সুলিন আছে, কিন্তু সেটা কাজ করতে পারছে না।তখন আমরা যে খাবারই খাই,সেটার গ্লু কোজ রক্তে জমে যায়।এটা টা'ইপ ২ ডায়া বেটিস।
যখন ইন সুলিনের উৎপাদন কমে যায় বা ইন সুলিন উৎপাদন হওয়ার পরও যখন কাজ করতে পারে না, তখন শরীরে অতিরিক্ত গ্লু কোজ থাকে।সেই অবস্থাকে আমরা ডায়া বেটিস বলছি।খালি পেটে যদি গ্লু কোজের মাত্রা ৫.৫-এর বেশি থাকে আর খাওয়ার পর যদি ৭.৮-এর বেশি থাকে,তখন সেই অবস্থাকে ডায়া বেটিস বলে।
টা'ইপ ১ ডায়া বেটিসের ক্ষেত্রে সবাই বুঝতে পারে। হঠাৎ করে স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়। ওজন কমে যায়।সমস্যা হয় টা'ইপ ২ ডায়া বেটিসের রোগীদের বেলায়।তাঁরা বুঝতেই পারেন না যে তাঁদের ডায়া বেটিস আছে।বারবার প্রস্রাব করা,খাবার খেয়েও ক্ষুধা না মেটা,ক্লান্ত লাগা,ঝিম ধরা ভাব,কোথাও কেটে গেলে বা ঘা হলে সহজে সেটা না শুকানো—এ রকম কিছু লক্ষণ থাকে।যেহেতু তাঁরা চিকিৎসকের কাছে যান না,তাই তিন-চার বছরে অনেক ক্ষতি হয়ে যায়।দেখা গেল, চোখে রক্তনালী ব্লক,হা"র্টে ব্লক,য"কৃতে ক্রিয়ে"টিনিন বেশি ইত্যাদি।
উক্ত সমস্যা থেকে স্থায়ী পেতে এবং ইন সুলিন মেডি সিন ছাড়া বাকি জীবন সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে ইনবক্সে নক দিয়ে আপনার বয়স এবং সমস্যা খুলে বলুন অথবা কল করুন ০১৭৩২১০০৯৯৯
30/08/2022
আমেরিকান ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশনের গাইডলাইন অনুযায়ী এইচবিএ১সির মান ৫.৭-এর নিচে থাকলে তাকে স্বাভাবিক ধরা যায়। এটি ৬.৫-এর বেশি হলে ডায়াবেটিস আছে বলে ধরা হবে। এই মান ৫.৭ থেকে ৬.৫-এর মধ্যে থাকলে প্রি-ডায়াবেটিস বা ডায়াবেটিসের পূর্বাবস্থা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
30/08/2022
ডায়াবেটিস একবার আক্রান্ত হলে তা চিকিৎসায় পুরোপুরি নিরাময় করা যায় না। এটি তেমন রোগ নয়। কিন্তু সেটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। আর নিয়ন্ত্রণ করে স্বাভাবিক জীবন যাপন করা যায়।অতিরিক্ত ক্ষুধা। *শরীরের ওজন কমে যাওয়া। অন্যান্য উপসর্গ: প্রধান লক্ষণগুলো ছাড়াও এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শরীরে নানা উপসর্গ দেখা যায়। এসব হলো শরীরে চুলকানি, বাত ব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা, ঘন ঘন চশমা বদল, পা জ্বালাপোড়া করা এবং অবশ বোধ করা, কাটা-ছেঁড়া সহজে না শুকানো।
30/08/2022
হাইলাইটস Prediabetes হল বর্ডার লাইন ডায়াবিটিস। এটি হল এমন একটি পরিস্থিতি, যখন রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক থাকে না, তবু আপনাকে Diabetic Patient হিসেবে বিবেচিত করা হয় না। অর্থাৎ সহজ কথায় Diabetes-এ আক্রান্ত হওয়ার একেবারে আগের স্টেজ হল বর্ডার লাইন Diabetes
30/08/2022
বহুমূত্র রোগ, মধুমেহ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস একটি হরমোন সংশ্লিষ্ট রোগ। দেহযন্ত্র অগ্ন্যাশয় যদি যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরি করতে না পারে অথবা শরীর যদি উৎপন্ন ইনসুলিন ব্যবহারে ব্যর্থ হয়, তাহলে যে রোগ হয় তা হলো 'ডায়াবেটিস' বা 'বহুমূত্র রোগ'। তখন রক্তে চিনি বা শকর্রার উপস্থিতিজনিত অসামঞ্জস্য দেখা দেয়।
30/08/2022
ডায়াবেটিস এমন একটি শারীরিক অবস্থা যা সারা জীবনের জন্যে বয়ে বেড়াতে হয় এবং সারা বিশ্বে এর কারণে প্রতি বছর ১০ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। এছাড়া যে কোন ব্যক্তিই এই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন
30/08/2022
যখন ইনসুলিনের উৎপাদন কমে যায় বা ইনসুলিন উৎপাদন হওয়ার পরও যখন কাজ করতে পারে না, তখন শরীরে অতিরিক্ত গ্লুকোজ থাকে। সেই অবস্থাকে আমরা ডায়াবেটিস বলছি। খালি পেটে যদি গ্লুকোজের মাত্রা ৭-এর বেশি থাকে আর খাওয়ার পর যদি ১১-এর বেশি থাকে, তখন সেই অবস্থাকে ডায়াবেটিস বলে। টাইপ-১ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে সবাই বুঝতে পারে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Muradpur
Chittagong
4246