Nayema
DM me for collaboration and promotions. subscribe my channel
https://www.youtube.com/channel/UCXtate
মৃত্যু আসার আগেই আপনার পরিবারকে যে সমস্ত বিষয়ে ওসিয়ত করে যাবেন!!
১) মাইকে আমার মৃত্যুর খবর বলবেন না..
২) আমার মৃত্যুর সংবাদ শুনলে পড়ুন "ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন"
৩) আমার মৃত্যুকে অকাল মৃত্যু বলবেন না, কারণ আমি আমার নির্ধারিত রিযিক ভোগ করে ফেলেছি।
৪) আমাকে নিয়ে বিলাপ-মাতম করবেন না কারণ এটা সুন্নাহ বিরোধী কাজ,
৫) আমার মৃত্যুতে চল্লিশা, কুল-খানি, মিলাদ করবেন না .. কারণ এটা স্পষ্ট বিদ'আত,
৬) যারা আমার মৃত্যুর খবর শুনবেন বা যারা আমার মৃত্যুর সময় থাকবেন তারা অবশ্যই আমার জানাজায় অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করবেন।
৭) আমার লাশ মাহরাম ছাড়া অন্য কাউকে দেখাবেন না
৮) আমার লাশকে সুন্দরভাবে গোসল করার ব্যবস্থা করে দিবেন,
৯) লাশ দাফনে ইসলামিক রীতিনীতি অবলম্বন করবেন.... সমাজের নয়
১০) আমাকে কবরস্থ করার পর কিছুক্ষণ সেখানেই থাকুন আর পড়ুন আল্লাহুম্মা সাব্বিতহু আল্লাহুম্মা সাব্বিতহু।
১১) আমার কবরের আজাব লাঘবের জন্য ও মুনকার নাকিরের প্রশ্নের উত্তর যেন দিতে পারি সেই দোয়া করবেন আল্লাহুম্মা সাব্বিত হু আলাল ইমান।
১৩) আমার হয়ে দান-সাদাকা করবেন
১৪) আমার সাদাকায়ে জারিয়া চালু থাকলে সেটার খবর নিয়েন,, সে গুলোকে সমুন্নত করার চেষ্টা করবেন।
১৫) আমার পরিবারের খবর নিয়েন
১৬) আমার মৃত্যু থেকে এই শিক্ষা নিয়ে ফিরে যাবেন... আপনার সময়ও অতি নিকটে..!!!
১৭/ আমার পাওনা আমার পরিবার কে ফিরিয়ে দিবেন, না পারলে সাদকাহ জারিয়া করবেন আমার জন্য, তাও না পারলে আজিবন আমার জন্য দুয়া করবেন আমি ক্ষমা করে দিব ইন শা আল্লাহ ।
১৮/ আপনি আমার কাছে পেয়ে থাকলে আমার জীবিত অবস্থায়ই চেয়ে নিবেন আমার কাছে, আর যদি মরে যাই পরিবারের কাছে চাবেন। তারা না দিলে ক্ষমা করে দিবেন আল্লাহর জন্য আল্লাহ ও আপনাকে ক্ষমা করবেন ।
اللهم إني أسألك حسن الخاتمة مع كلمة التوحيد موتا شهيدا وأدخلني الجنة الفردوس الاعلي بلا حساب ولاعذاب يا رب العالمين.
আল্লাহ তুমার কাছে কালিমা নসিব করে উত্তম শহিদি মরন চাই। কোন প্রকার আযাব হিসাব ছাড়া জান্নাতুল ফেরদৌসের প্রবেশ করতে দিও হে পৃথিবীর মালিক।
কোন কাজ টা করার সময় আপনার আবেগ কাজ করছিলো??
বিবেক কাজ করে নাই 🤔
14/09/2023
sunny good morning 🌄🌄🌄
ইস্তিগফারের আমল:
#আপনার চাকুরি দরকার?
#ব্যবসার মূলধন নেই?
#রিযিকের ব্যাপারে পেরেশানিতে ভুগছেন?
#বিপদ-আপদ, দুঃখ-দুঃচিন্তা থেকে মুক্তি চাচ্ছেন?
#বিয়ে হচ্ছেনা?
#সন্তান দরকার?
#পার্থিব জীবনে সমৃদ্ধি দরকার?
#ফসল-ফলাদির ভালো ফলন দরকার?
আপনার সব কিছুর সমাধান একটা আমলের মধ্যে রয়েছে, তা হচ্ছে- ইস্তিগফারের আমল।
ইস্তিগফারকে নিজের জীবনে আবশ্যক করে নেন। চলতে, বসতে, ঘুরতে সব সময় ঠোঁটে ইস্তিগফারের আমল জারি রাখুন।
#হাসান আল বসরি রাহিমাহুল্লার বিখ্যাত সেই ঘটনা আমরা অনেকেই জানিঃ
একবার হাসান বসরী রহ. এর কাছে এক ব্যক্তি জানালোঃ
“আমার ফসলে খরা লেগেছে। আমাকে আমল দিন”
-হাসান বসরী রহ. তাকে বললেন ইস্তেগফার করো।
কিছুক্ষণ পর আরেক ব্যক্তি এসে অভিযোগ পেশ করল “আমি গরীব। আমাকে রিজক এর আমল দিন”
-হাসান রহ. তাকেও বলেলন ইস্তেগফার করো।
এমনিভাবে অপর এক ব্যক্তি এসে সন্তান হও্য়ার আমল চাইলে, তিনি বললেন, ইস্তেগফার করো।”
উপস্থিত ছাত্ররা জিজ্ঞেস করল, “সবাইকে এক পরামর্শই দিলেন যে?”
বিখ্যাত তাবেয়ী হাসান বসরী রহ. বললেন, “আমি নিজের পক্ষ থেকে কিছুই বলিনি। এটা বরং আল্লাহ তায়ালা তার কুরআনে শিখিয়েছেন। তারপর তিনি সুরা নুহ এর আয়াতটি তেলাওয়াত করলেন। (তাফসীরে কুরতুবী ১৮/৩০৩)
فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا. يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُمْ مِدْرَارًا. وَيُمْدِدْكُمْ بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَلْ لَكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَلْ لَكُمْ أَنْهَارًا
নুহ আ. বললেন “তোমরা তোমাদের রবের কাছে এস্তেগফার করো। (ক্ষমা চাও) নিশ্চয় তিনি অতি ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর অজস্র বারিধারা বর্ষণ করবেন। তিনি তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধির মাধ্যমে তোমাদের সাহায্য করবেন। তোমাদের জন্যে উদ্যান তৈরি করবেন, তোমাদের জন্যে নদীনালা প্রবাহিত করবেন।”
(সুরা নূহ- ১০-১২)
ইস্তিগফার মানে ক্ষমা চাওয়া, আল্লাহর কাছে নিজের গুনাহের জন্য ক্ষমা চাওয়া। পাপের জন্য লজ্জিত, অনুতপ্ত হওয়া।
🌿দোয়া-১:
ﺃَﺳﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠﻪَ আস্তাগফিরুল্লা-হ।
অর্থ - "আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি।"
প্রতি ওয়াক্তের ফরয সালাতে সালাম ফিরানোর পর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এই দোয়া ৩ বার পড়তেন। [মিশকাত-৯৬১]
🌿দোয়া -২:
ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠﻪَ ﻭَﺃَﺗُﻮْﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ
"আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতূবু ইলাইহি।"
অর্থ - আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি ও তাঁর দিকে ফিরে আসছি।
রসুলুল্লাহ সঃ প্রতিদিন ৭০ বারের অধিক তাওবা ও ইসতিগফার করতেন। [বুখারী-৬৩০৭]
🌿দোয়া - ৩:
মূল আরবীঃ
ﺭَﺏِّ ﺍﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲْ ﻭَﺗُﺐْ ﻋَﻠَﻲَّ ﺇِﻧَّﻚَ ( ﺃﻧْﺖَ ) ﺍﻟﺘَّﻮَّﺍﺏُ ﺍﻟﺮَّﺣِﻴْﻢُ ( ﺍﻟﻐَﻔُﻮْﺭُ )
"রব্বিগ্ ফিরলী, ওয়া তুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রহীম।"
অর্থ - হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়।
রসুলুল্লাহ সঃ মসজিদে বসে এক বৈঠকেই এই দোয়া ১০০ বার পড়েছেন।
[আবূ দাঊদ-১৫১৬, তিরমিযী-৩৪৩৪]
🌿দোয়া-৪:
ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻻَ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻻَّ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﺤَﻰُّ ﺍﻟْﻘَﻴُّﻮﻡُ ﻭَﺃَﺗُﻮﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ
"আস্তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যূম ওয়া আতূবু ইলাইহি।"
অর্থ - আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, তিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা‘বূদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছে তাওবাহ্ করি।
এই দোয়া পড়লে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন-যদিও সে যুদ্ধক্ষেত্র হতে পলায়নকারী হয়। [আবু দাউদ-১৫১৭, তিরমিযী-৩৫৭৭]
🌿দোয়া-৫:
ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ দু'আঃ সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার:
ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺭَﺑِّﻲ ﻟَﺎ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ ﺧَﻠَﻘْﺘَﻨِﻲ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﺒْﺪُﻙَ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﻠَﻰ ﻋَﻬْﺪِﻙَ ﻭَﻭَﻋْﺪِﻙَ ﻣَﺎ ﺍﺳْﺘَﻄَﻌْﺖُ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﺻَﻨَﻌْﺖُ ﺃَﺑُﻮﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﻨِﻌْﻤَﺘِﻚَ ﻋَﻠَﻲَّ ﻭَﺃَﺑُﻮﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﺬَﻧْﺒِﻲ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻟَﺎ ﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮﺏَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ
উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আংতা রব্বী লা-ইলাহা ইল্লা আংতা খলাক্কতানী ওয়া আনা আ’বদুকা ওয়া আনা আ’লা আহ্দিকা ওয়া ও’য়াদিকা মাসতাত্ব’তু আ’উযুবিকা মিন শার্রি মা ছ’নাতু আবূউলাকা বিনি’মাতিকা আ’লাইয়্যা ওয়া আবূউলাকা বিযামবী ফাগফির্লী ফাইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয্যুনূবা ইল্লা আংতা।
অর্থ - হে আল্লাহ তুমিই আমার প্রতিপালক। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমারই গোলাম। আমি যথাসাধ্য তোমার সঙ্গে প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার সব কৃতকর্মের কুফল থেকে তোমার কাছে পানাহ চাচ্ছি। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নিয়ামত দিয়েছ তা স্বীকার করছি। আর আমার কৃত গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। তুমি আমাকে মাফ করে দাও। কারন তুমি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারবে না।
যে সকাল, সন্ধ্যায় সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার অর্থ বুঝে দৃঢ় বিশ্বাস সহকারে পড়বে, সে ঐ দিন কিংবা রাতে মারা গেলে অনবশ্যই জান্নাতে যাবে।
[বুখারীঃ ৬৩০৬]
মহান আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলা যেন আমাদেরকে সবসময় বেশি বেশি "ইস্তেগফার" করার তৌফিক দান করেন।
জাযা-কাল্লা-হু খইরান।
©️emranrdesk
👉নবী করিম ﷺ - বলেছেন ১২ জন মানুষ সবচেয়ে সর্বোত্তম !
👉আসুন চেক করে দেখি আপনি আমি সেই লিস্টে আছি কি না?
👉● এক.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
ﺧَﻴْﺮُﻛُﻢْ ﻣَﻦْ ﺗَﻌَﻠَّﻢَ ﺍﻟْﻘُﺮْﺁﻥَ ﻭَﻋَﻠَّﻤَﻪُ
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি, যে নিজে কোরআন শেখে এবং অন্যকে শেখায়।’
(বুখারি, হাদিস নম্বর : ৫০২৭)
👉● দুই.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
ﺇِﻥَّ ﺧِﻴَﺎﺭَﻛُﻢْ ﺃَﺣَﺎﺳِﻨُﻜُﻢْ ﺃَﺧْﻼَﻗًﺎ
‘নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ঐ ব্যক্তি, যে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম আচরণের অধিকারী।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ৬০৩৫)
👉● তিন.
রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন,
ﺇِﻥَّ ﺧِﻴَﺎﺭَﻛُﻢْ ﺃَﺣْﺴَﻨُﻜُﻢْ ﻗَﻀَﺎﺀً
‘তোমাদের মধ্যে সর্বসেরা ব্যক্তি সে, যে ঋণ পরিশোধের বেলায় ভালো।’
(বুখারি, হাদিস নম্বর : ২৩০৫)
👉● চার.
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন,
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যার কাছ থেকে সবাই কল্যাণ আশা করে, অনিষ্টের আশঙ্কা করে না।’ (তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ২২৬৩/২৪৩২)
👉● পাঁচ.
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন,
‘তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ঐ ব্যক্তি, যে তার পরিবারের কাছে ভালো।’
(সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নম্বর : ৪১৭৭)
👉● ছয়.
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন,
ﺧِﻴَﺎﺭُﻛُﻢْ ﺃَﻃْﻮَﻟُﻜُﻢْ ﺃَﻋْﻤَﺎﺭًﺍ ﻭَﺃَﺣْﺴَﻨُﻜُﻢْ ﺃَﻋْﻤَﺎﻟًﺎ
তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে তোমাদের মধ্যে বয়সে বেশি এবং (নেক) কাজে উত্তম।
(আহমাদ ৭২১২, ৯২৩৫, সিঃ সহীহাহ ১২৯৮)
👉● সাত. রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন,
ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﺃﻧْﻔَﻌُﻬُﻢْ ﻟِﻠﻨَّﺎﺱِ
সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ সেই ব্যক্তি, যে মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী।
(সহীহুল জামে’ হা/ ৩২৮৯, দারাক্বুত্বনী, সিঃ সহীহাহ ৪২৬)
👉● আট.
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন,
ﻣَـﺨْﻤُﻮْﻡِ ﺍﻟْﻘَﻠْﺐِ ﺻَﺪُﻭْﻕِ ﺍﻟﻠِّﺴَﺎﻥِ ﻗَﺎﻟُﻮﺍ ﺻَﺪُﻭْﻕُ ﺍﻟﻠِّﺴَﺎﻥِ ﻧَﻌْﺮِﻓُﻪُ ﻓَﻤَﺎ ﻣَـﺨْﻤُﻮﻡُ ﺍﻟْﻘَﻠْﺐِ
‘শ্রেষ্ঠ মানুষ হলো যার অন্তর পরিচ্ছন্ন ও মুখ সত্যবাদী। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসুল! সত্যবাদী মুখ বোঝা গেল, কিন্তু পরিচ্ছন্ন অন্তরের অধিকারী কে? রাসুলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন, যে অন্তর স্বচ্ছ ও নির্মল, মুত্তাকি, যাতে কোনো পাপ নেই, বাড়াবাড়ি বা জুলুম নেই, নেই খেয়ানত ও বিদ্বেষ।
(ইবনে মাজাহ ৪২১৬ ,সহিহুল জামে, হাদিস : ৩২৯১)
👉● নয়.
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন,
ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻷَﺻْﺤَﺎﺏِ ﻋِﻨْﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺧَﻴْﺮُﻫُﻢْ ﻟِﺼَﺎﺣِﺒِﻪِ ﻭَﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟْﺠِﻴﺮَﺍﻥِ ﻋِﻨْﺪَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺧَﻴْﺮُﻫُﻢْ ﻟِﺠَﺎﺭِﻩِ
‘আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে উত্তম। আর আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম প্রতিবেশী সে, যে তার প্রতিবেশীর কাছে উত্তম।’
(তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ১৯৪৪)
👉● দশ.
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন,
ﺇِﻥَّ ﻣِﻦْ ﺧِﻴَﺎﺭِﻛُﻢْ ﺃَﺣْﺴَﻨَﻜُﻢْ ﺃَﺧْﻠَﺎﻗًﺎ
‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যার চরিত্র সবচেয়ে বেশি সুন্দর।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ৩৫৫৯)
👉● এগারো
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন
ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟﻨَّﺎﺱِ ﻣَﻨْﺰِﻟَﺔً ﺭَﺟُﻞٌ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﺘْﻦِ ﻓَﺮَﺳِﻪِ ﻳُﺨِﻴﻒُ ﺍﻟْﻌَﺪُﻭَّ ﻭَﻳُﺨِﻴﻔُﻮﻧَﻪُ
মর্যাদায় সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সে, যে নিজ ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হয়ে শত্রুকে সন্ত্রস্ত করে এবং শত্রুরাও তাকে সন্ত্রস্ত করে।
(বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ৪২৯১, সিলসিলা সহীহাহ ৩৩৩৩)
👉● বারো
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ
ﻟَﻤُﺆْﻣِﻦٌ ﻣُﺠَﺎﻫِﺪٌ ﺑِﻨَﻔْﺴِﻪِ ﻭَﻣَﺎﻟِﻪِ ﻓﻲ ﺳَﺒﻴﻞِ ﺍﻟﻠﻪِ
ঐ মু’মিন (সর্বশ্রেষ্ঠ) যে আল্লাহর পথে তার জান ও মাল দিয়ে যুদ্ধ করে।
(বুখারী ২৭৮৬, ৬৪৯৪, মুসলিম ৪৯৯৪-৪৯৯৫)
👉আল্লাহপাক রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে এইরকম সর্বোত্তম মানুষ হবার তাওফীক দান করুন।
আমীন◾
ইন্না লিল্লাহি্ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন
১ নাম্বার থেকে ৯ নাম্বার পর্যন্ত পড়ুন, আল্লাহর নেয়ামতের তথ্য পাবেন।
১. সুবহানাল্লাহ
জান্নাতে একটি ফল গাছ রোপন করে নিলেন।
২. আলহামদুলিল্লাহ
মিযানের পাল্লাটা একটু ভারি করে নিলেন।
৩. আল্লাহু আকবার
আল্লাহর নামে আর একটি তাকবির পেশ করলাম।
৪. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ
যার নেক সাত আসমান ও সাত জমিন হইতেও উত্তম।
৫. লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
জান্নাতের একটি রত্ন কুড়িয়ে পেলাম।
৬. আলিফ লাম মিম
পেয়ে গেলাম ৩০ নেকি।
৭. সুবহান্নাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি, সুবহান্নাহিল আজিম
এবার জান্নাতে একটি খেজুর গাছ রোপন করে নিলেন।
৮. আস্তাগফিরুল্লাহ
আর একবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলাম।
৯. সুবহান্নাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি
আসমান আর জমিনের মাঝখানের ফাঁকা জায়গাটি সমান সওয়াব অর্জন করে নিলেন
আল্লাহ আমাদের সবাইকে আমল করার তাওফিক দান করুন...আমিন।
নোটঃ আপনি যদি পুরোটা পড়ে থাকেন, তাহলে এতোক্ষণে আপনার আমলনামায় অনেক সওয়াব লেখা হয়েছে... সুবহানআল্লাহ।
বিষয়ঃ সূরা আসরের আলোকে কারা ক্ষতিগ্রস্থ নয় ?
◍ ভূমিকাঃ
পবিত্র কুরআন মাজীদের ১০৩ নম্বর সূরা আল-আসর। এই সূরা ১ রুকু ও ৩ আয়াত বিশিষ্ট, যা মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।
◍ অনুবাদঃ
আসুন প্রথমে আমরা দেখে নেয় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা এই সূরাতে কি উল্লেখ করেছেনঃ.......... ১) সময়ের কসম।.......... ২) মানুষ অবশ্যই ক্ষতির মধ্যে রয়েছে।.......... ৩) কিন্তু তারা নয়, (যারা ঈমান আনে) ও (সৎকর্ম করে) এবং (পরষ্পরকে সত্যের উপদেশ দেয়) ও (ধৈর্য্য ধারণে পরষ্পরকে উদ্বুদ্ধ করে।)
◍ ব্যাখ্যাঃ
❛ আসর শব্দের অর্থ হলো সময় / কাল / মহাকাল।
❛ এই ছোট্ট সূরায় ইসলামের গূরুত্বপূর্ণ মূলনীতি এবং মানুষের জীবনের সংক্ষিপ্ত পথনির্দেশিকা চলে এসেছে।
❛ ইমাম শাফেয়ী রহমাতুল্লাহ বলেন,.........."মানুষ যদি শুধু এ সূরার বিষয়বস্তু নিয়ে চিন্তা করত, তাহলে এ সূরা-ই তাদের নাজাতের জন্য যথেষ্ট হয়ে যেতো।" ...........
সূরার শুরুতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা সময়ের কসম করে বলছেন, সমস্ত মানবজাতি ক্ষতিগ্রস্ততার মধ্যে, যদিও তারা বাহ্যিক সরঞ্জামের দিক দিয়ে সমৃদ্ধ। তবে তারা এ ক্ষতি থেকে বেঁচে যাবে, যাদের মধ্যে চারটি গুণ বিদ্যমান থাকবে। গুণগুলো হলোঃ..........✓ ঈমান আনা (বিশ্বাস স্থাপন করা)..........✓ সৎকর্ম করা (নেক আমল করা)..........✓ সত্যের উপদেশ দেয়া একে অপরকে..........✓ এক অপরকে ধৈর্য্যধারণ করার উপদেশ দেয়া (উদ্বুদ্ধ করা)
◍ একটু খেয়াল করে দেখুন নাজাত পাওয়ার সমস্ত বিষয় এই চারটি গুণের মধ্যে এসে গেছে। তবে শর্ত হলো, এই চারটি গুণ একজনের মধ্যে থাকতে হবে। কোন একটি গুণের অনুপস্থিতি তাকে ক্ষতির মধ্যে নিপতিত করবে। কারণ প্রত্যেকটি গুণ-ই ওতোপ্রোতো ভাবে জড়িত সবকিছুর সাথে।
◍ উদাহরণ দেয়া যাকঃ..........❛ আপনি নেক আমল করেন, সত্যের উপদেশ দেন, বিপদে ধৈর্য্যশীল-ও কিন্তু আপনার ঈমান নেই (অর্থাৎ যে সব বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করার কথা সেগুলোর উপর কোন কিছুই করেন না) তাহলে আপনি নিশ্চিত ক্ষতির মধ্যে আছেন।
..........❛ আবার আপনি ঈমান এনেছেন ঠিকই, কিন্তু কথায়, কাজে এবং অন্তরে সব কিছু উল্টো করেন যেমন, আপনি নেক আমল গুলো সঠিক ভাবে আদায় করেন না, মিথ্যার মিশ্রণ আছে আপনার কথায় ও কাজে, আবার বিপদে ধৈর্য্য হারা হয়ে যান। তাহলেও আপনি ক্ষতির মধ্যেই আছেন।
◍ আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন এই চারটি গুণের একসাথে একজনের মাঝে বিদ্যমান থাকা কতটুকু আবশ্যক যদি সে আল্লাহর পাকড়াও থেকে বেঁচে থাকতে চায়, ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত হতে না চায়।
◍ উপসংহারঃ
পরিশেষে মুহতারাম এবং মুহতারামাগণ দোয়া করি আমরা যেন নিজের মধ্যে এই চারটি গুণ সমাধিস্থ করতে পারি আল্লাহর অশেষ দয়ায় এবং আমাদের উপর্যুপরি মেহনতে নচেৎ নাজাত পাওয়া দুষ্কর হয়ে যাবে।
বারাকাল্লাহু ফিকুম।
©️
--একদিন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) হযরত আলী (রাঃ) কে বলেছিল "ঘুমাতে যাওয়ার আগে ৫টি কাজ প্রতিরাতে করবে"
১..৪ হাজার দিনার সদকা করবে।
২..একটি কুরআন খতম করবে।
৩..জান্নাতের মূল্য পরিশোধ করবে।
৪..দুজন ব্যক্তি যদি দুজনের উপর রাগ করে থাকে তাইলে সেই রাগ ভাঙ্গিয়ে তাদেরকে খুশি করে তুলবে।
৫..একবার হজ্জ করবে, তারপর ঘুমাতে যাবে।
---হযরত আলী (রাঃ) তখন বললেন "হে রাসূলুল্লাহ! এটা তো মনে হচ্ছে অসম্ভব,আমি এই পাঁচটি কাজ কিভাবে করতে পারবো?
--তখন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বললেন:
১.. "সূরা ফাতিহা ৪বার পড়লেই চার হাজার দিনার সদকা করার সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে"
২.. "সূরা ইখলাস ৩বার পড়লে একটি কুরআন খতমের সাওয়াব পাবে"
৩.. "তিনবার যেকোনো একটি দরুদ শরীফ পড়বে, তাহলে জান্নাতের মুল্য পরিশোধ করার সমপরিমাণ সাওয়াব পাওয়া যাবে। যেমন সবচেয়ে ছোট দরুদ শরীফ হচ্ছে "সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম"
৪.."যেকোনো ইস্তাগফার বা আস্তাগফিরুল্লাহ ১০বার পাঠ করলে দুজন অখুশি মানুষকে খুশি করার সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে"
৫.."সর্বশেষ কালেমা শাহাদত চারবার পাঠ করলে একটি হজ্জ সমপরিমাণ সাওয়াব পাওয়া যাবে"
সুবহান-আল্লাহ্। আমরা যদি সারাদিন এর ব্যস্ততা সরিয়ে আল্লাহ্ তায়ালা কে দুই ঘণ্টা সময় দেই মন থেকে আমাদের আল্লাহ্ বেশি কিছু চাই না আমাদের থেকে ,,,
আমাদের আল্লাহর একটাই চাওয়া তোমরা তোমাদের কিছু টা সময় আমাকে দাও আমি তোমাদের আমার সব টা দিয়ে দিবো হে আমার বান্দারা।।
আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের সবাইকে বোঝার জন্য উত্তম তৌফিক দান করুন আমীন
27/07/2023
my favorite serums 🦋🦋
from the page .shop
চারদিকে ডেংগু ভয়াবহ ভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। যে কোন ক্ষতিকর প্রাণী থেকে বেচে থাকার সহজ নববি আমল আছে। জানা থাকার পর ও করা হয়না। নিচের আমল টি নিয়মিত করার চেষ্টা করি।
বিষধর প্রাণীর ক্ষতি থেকে নিরাপত্তাঃ
তিন বার সকাল ও বিকালবেলা বলবে,
أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ
আল্লাহ্র পরিপূর্ণ কালেমাসমূহের ওসিলায় আমি তাঁর নিকট তাঁর সৃষ্টির ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাই।
আ‘ঊযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা খালাক্বা।
আহমাদ ২/২৯০, নং ৭৮৯৮; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ, নং ৫৯০; ইবনুস সুন্নী, নং ৬৮; আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৮৭; সহীহ ইবন মাজাহ ২/২৬৬; তুহফাতুল আখইয়ার লি ইবন বায, পৃ. ৪৫
এই দুয়া সকাল সন্ধ্যা ৩ বার পড়লে বিষধর প্রাণীর ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে ইন শা আল্লাহ।
21/07/2023
celebrating my mans birthday 🎂
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong
Opening Hours
| 09:00 - 17:00 |