DR. Enamul Kabir Tanvir
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from DR. Enamul Kabir Tanvir, Health/Beauty, Rangunia, Ranir-Hat, Chittagong.
08/02/2024
টিপস:
বুক ব্যাথা:
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় কমবেশি সবাই ভোগেন। নিয়মিত এ সমস্যার জন্য ওষুধও খান অনেকেই। গ্যাস্ট্রিকের কারণে বুকে ব্যথা হওয়া বেশ কষ্টকর। তবে এ ব্যথাকে কখনো সাধারণ ভাববেন না।
কারণ হার্টের সমস্যা হলেও কিন্তু বুকে ব্যথা হয়। অনেক সময় গ্যাসের সমস্যা ভেবে তা এড়িয়ে যান কেউ কেউ। ফলে রোগ বুঝে ওঠার আগেও বিপদ ঘনিয়ে আসে। ঘটে যায় চরম দুর্ঘটনা।
তাই বুক ব্যাথায় ডাক্তারের পরামর্শ নিন,প্রয়োজনে ECG,Cholesterol সহ প্রয়োজনীয় Test করিয়ে নিতে পারেন।
06/02/2024
অতিরিক্ত চর্বি / High Cholesterol:
অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে যে অসুখগুলো সবচেয়ে বেশি হয় তার মধ্যে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া অন্যতম। শরীরে কোলেস্টেরল থাকলেই যে বিপদ, এমন কিন্তু নয়। ভালো-খারাপ দুই ধরণের কোলেস্টেরলের মধ্যে ভালো কোলেস্টেরল আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়। তবে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে তা অবশ্যই চিন্তার বিষয়।
শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে তা একটি দরজার মতো কাজ করে। যে দরজা দিয়ে সহজেই ঢুকে পড়ে আরও অনেক রোগ। তাই প্রথম দিকেই শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারলে শরীরে নানা রোগব্যাধি বাসা বাঁধতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ, ওবেসিটি তো আছেই, কোলেস্টেরলের কারণে হৃদযন্ত্রেরও ক্ষতি হতে পারে।
লক্ষণ:
অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনে রাশ টেনে সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি একটি সঠিক ডায়েট লিস্ট অনুসরণ করে সহজেই শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। তবে তার আগে জানতে হবে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার লক্ষণগুলো সম্পর্কে।
কোলেস্টেরল বেশি মাত্রায় থাকলে চোখের নিচে হলুদ ভাব দেখা যায়। চোখের কর্নিয়ার পাশে ধুসর দাগ দেখা দিলে তা কোলেস্টেরলের লক্ষণ। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলেও অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন হতে পারে। যার থেকেই স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি থাকে। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, ধমনি সংক্রান্ত নানা ধরনের রোগের ঝুঁকির মাত্রা অনেক বেড়ে যায়। তাই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা ভীষণ জরুরি। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমেই জানা যায় কোলেস্টেরল বেড়েছে না ঠিক আছে। এছাড়াও যাদের উচ্চ কোলেস্টেরল রয়েছে তাদের মধ্যে বেশ কিছু উপসর্গ রয়েছে যা দেখলেও বোঝা যায়। জেনে নিন কীভাবে।
জন্ডিস হলেই চোখের নিচে হলুদ ভাব হয় তা কিন্তু নয়। কোলেস্টেরল বেশি মাত্রায় থাকলেও চোখে হলুদ ভাব দেখা যায়। এতে দেখতে কোনো সমস্যা হয় না কিন্তু একটানা বেশিদিন এরকম থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। চোখের কর্নিয়ার পাশে ধুসর দাগ দেখা দিলে তা কোলেস্টেরলের লক্ষণ।
রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে অনেক সময় রক্তনালী আটকে যায়। তখন মস্তিষ্কের রক্ত চলাচলে বাধা পড়ে।
এতে ঘাড় ও মাথার পেছনে ভীষণ ব্যথা হয়। শুধু মাথাতেই নয়, ঘাড়েও অস্বস্তিকর ব্যথা হয়।
হৃদপন্দন বেড়ে যাওয়া শুধুমাত্র ব্যায়াম শারীরিক পরিশ্রম অথবা টেনশনের কারণেই হয় না। কখনও কখনও রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলেও অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন হতে পারে। যার থেকেই স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
অল্প হাঁটলেই পা যন্ত্রণা করছে, মাঝেমধ্যেই পা অবশ হয়ে যাচ্ছে এই উপসর্গ কিন্তু কোলেস্টেরল বৃদ্ধির ইঙ্গিত হতে পারে। দীর্ঘ দিন ধরে মেদ জমার ফলে হৃদযন্ত্রের ধমনীর পথ সরু হয়ে যায়। ফলে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাধাপ্রাপ্ত হয়। বিশেষ করে দেহের নীচের অংশে রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে ঝিঁঝি ধরার মতো লক্ষণ দেখা যায়।
লক্ষণ:
চোখের চারপাশে ছোট ছোট মাংসপিণ্ড জমছে কি না খেয়াল করুন। সাদা বা হলুদ রঙের ছোট ছোট দানা চোখের চারপাশে ভরে উঠলেই বুঝবেন, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়েছে।
কোলেস্টেরল বাড়লে তার প্রভাব পড়ে নখেও। নখের উজ্জ্বলতাও হারিয়ে যায়, নখ হলুদ হয়ে যায়। অনেকের ক্ষেত্রেই নখের নীচের দিকে কালো ও বাদামি রঙের রেখাও চোখে পড়ে।
জিভ দেখেও বোঝা যায় শরীরে কোলেস্টেরল বাসা বাধছে কি না। এক্ষেত্রে জিভের ওপর বিবর্ণ ছোট ছোট দানা বের হয়। ছোট ছোট দানার মতো আস্তরণ যখন সারা জিভে ছড়িয়ে পড়ে ও রং পরিবর্তন করে তখন সেই লক্ষণ উপেক্ষা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
শরীরে মেদ জমাও কিন্তু উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। বিশেষ করে তলপেটে মেদ জমতে শুরু করলেও সচেতন হতে হবে।
06/02/2024
চুলকানি :
স্কেবিস কাকে বলে?
স্কেবিস হল ক্ষুদ্র ইচ মাইট (আটপাযুক্ত পোকা) দ্বারা সংঘটিত অত্যন্ত সংক্রামক একটি অসুখ। এই পরজীবীগুলিকে (মাইট) খালি চোখে দেখা যায়না, কিন্তু মানুষের ত্বককে এরা প্রজনন ক্ষেত্র হিসাবে ব্যবহার করে। যখন এই পোকাগুলি ত্বকের নিচে প্রবেশ করে ডিম পাড়ে, তখন অনাক্রম্য তন্ত্রের প্রতিক্রিয়ার ফলে তীব্র চুলকানির সৃষ্টি হয়, যা সাধারণত রাতে বৃদ্ধি পায়। শিশু ও বয়স্কদের উপর এদের আক্রমণের প্রবণতা তুলনায় বেশি। উষ্ণ আবহাওয়ার জন্যও এই অবস্থার বৃদ্ধি পায়। ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের ফলে এটি আরো জটিল চেহারা নিতে পারে, এর থেকে ত্বকে ক্ষতের সৃষ্টি, হার্টের রোগ, সেপ্টিসেমিয়া (রক্তে ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের প্রবেশ), এমনকি কিডনির সমস্যা পর্যন্ত হতে পারে।
যথাযথ চিকিৎসা করা হলে এই ইচ মাইটগুলির মৃত্যু হয় এবং সংক্রমণ সেরে যায়। কিন্তু চিকিৎসা না করলে এই পোকাগুলি অনায়াসে আরো বংশবিস্তার করে এবং সমস্যার বৃদ্ধি ঘটায়।
এর প্রধান লক্ষণ ও উপসর্গগুলি কি?
এই সমস্যাটির উপসর্গগুলি হল:
১.একটানা চুলকানি।
২.ত্বকে ফুসকুড়ি ওঠা বা ত্বক আঁশের মত হয়ে যাওয়া।
ত্বকে ক্ষতের সৃষ্টি।
৩.দেহের যে কোন অংশের ত্বকে এই সমস্যাটির সৃষ্টি হতে পারে; তবে নিচে উল্লিখিত অংশগুলিতে এর প্রভাব সবথেকে বেশি দেখতে পাওয়া যায়:
হাতে, বিশেষত নখের চারপাশে ও আঙুলের ফাঁকে।
বগল, কনুই এবং কব্জিতে।
স্তনবৃন্তে।
কুঁচকিতে।
স্কেবিসের ইনকিউবেশন পিরিয়ড হল 8 সপ্তাহ।
এর প্রধান কারণগুলি কি?
ইচ মাইট একজন মানুষ থেকে অন্যজনের মধ্যে স্থানান্তরিত হতে পারে, এটি হতে পারে সরাসরি ত্বকের সংস্পর্শের মাধ্যমে, অথবা অন্যের বিছানা, কাপড় বা আসবাবপত্র ব্যবহারের মাধ্যমে। একইভাবে, এই পোকাগুলি মার থেকে সদ্যোজাতের শরীরে যেতে পারে। কোন গ্রাহক ছাড়া এই পোকা 3-4 দিন অবধি বেঁচে থাকে।
কিভাবে এটির নির্ণয় করা হবে এবং এর চিকিৎসা কি?
দীর্ঘস্থায়ী চুলকানি এবং বুক ও যৌনাঙ্গের আশেপাশে স্কেবিস নডিউল দেখে এই সমস্যাটি নির্ণয় করা হয়। এরপর ত্বকের চেঁছে নেওয়া অংশ মাইক্রোস্কোপের তলায় পর্যবেক্ষণ এই নির্ণয়করণ নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী যথাযথ ক্রিম, লোশন ও ট্যাবলেট ব্যবহারের মাধ্যমে স্কেবিসের জটিলতা এড়ানো সম্ভব।
সংক্রমিত ব্যক্তির পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও যৌনসঙ্গীর জন্যও একই চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়া হয়। চিকিৎসা বন্ধ করে দেওয়ার পর আবার চুলকানি বা ফুসকুড়ি দেখা দিলে পুনরায় চিকিৎসা শুরু করার দরকার হতে পারে।
25/09/2021
কোভিড পরবর্তী জটিলতাকে গুরুত্ব সহকারে নিন।
এই ধরণের সমস্যা হলে যোগাযোগ করুন এবং সঠিক চিকিৎসা নিন।
আগামীকাল থেকে পুনরায় সব শুরু হচ্ছে
ইনশা আল্লাহ।
মাস্ক পড়ুন,নিরাপদ থাকুন।
সামান্য মনে করে কোনোকিছুকে অবহেলা করবেন না।
সতর্ক থাকুন।
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=346977703597543&id=105909344371048
22/07/2021
কোভিড ১৯ এ " প্রোনিং" একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
21/07/2021
চেম্বার / সাক্ষাতের সময়সুচি :
১. পার্কভিউ হসপিটাল,কাতালগঞ্জ,চটগ্রাম।
সময় ঃ সকাল ১০টা - দুপুর ২টা।
দিনঃ শুক্রবার বাদে প্রতিদিন।
২.আল-আমিন ডায়াগনস্টিক, রাণীর হাট,রাংগুনিয়া,চট্টগ্রাম।
সময় ঃ দুপুর ২টা-সন্ধ্যা ৬টা।
দিনঃ সপ্তাহের প্রতি শুক্রবার।
25/04/2021
©️Professor Dr.Syed Atiqul Haq sir
প্রধানত: বায়ুবাহিত হওয়ার কারণে আমাদের আচরণবিধিতে কি কি পরিবর্তন আনতে হবে?
১। ফিটিং ও ডাবল মাস্ক পরতে হবে।
২। ঘরের ভিতর বা নিকট প্রতিবেশিদের কারো যদি কোভিড-১৯-এর ন্যূনতম উপসর্গ থাকে তাহোলে ঘরের ভিতরেও মাস্ক পরতে হবে।
৩। যেহেতু কথা বলার সময়ও ছড়ায়, সামাজিক দুরত্ব আরও কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
৪। ঘরবাডীর জানালা যতসম্ভব খোলা রাখতে হবে। বংলাদেশে আমরা শীতকাল ছাড়া খোলাই রাখি।
৫। সারফেস স্পর্শ করার পর সাবান দিয়ে হাত অথব অন্যান্য ব্যবহৃত সামগ্রী ধোয়া বা স্যানিটাইজ করা আমরা কমিয়ে ফেলতে পারি। ঘরের আসবাবপত্রের deep cleaning থেকেও অব্যাহতি নিতে পারি।
৬। এতদিন বাইরে থেকে ফিরে আমরা বাইরে পরা কাপড় ধুতে দিতাম ও নিজেরা সাবান দিয়ে ভাল করে গোসল করতাম, তারও সম্ভবত: প্রয়োজন থাকছে না।
৭। বাইরে যেসব স্থানে বাতাসের প্রবাহ থাকে অথচ মানুষের ভীড় থাকে না, সেসব স্থানে সময় কাটানো বাসায় কাটানোর চেয়ে ভালো হবে। আমাদের শহরগুলোতে এমন স্থান কোথায় আর নগর-জীবনে তার সময়ই বা কখন?
৮। যেহেতু আমাদের দেশে বের হওয়া মানেই অন্যের সাথে দেখা হওয়া, মাস্ক ও দূরত্বের বিধি কঠোরতরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
৯। উঁচু জনঘনত্বসম্পন্ন শহরগুলোতে মাস্ক ও দূরত্বের বিধি অন্তত: ৯৫% সফল না হওয়া পর্যন্ত লকডাউন শিথিল করা যাবে না।
An airborne disease might be more transmissible overall. For example, aerosols produced by infectious person A could build up in a small, poorly ventilated room over time. Person A might depart the room but leave their aerosols behind. If person B were then to arrive in the room and spend time there, they could potentially become infected through breathing in the contaminated air.
A single person in the early stages of covid-19 could emit millions of SARS-CoV-2 particles per hour through breathing alone.
When someone is not coughing, they may produce fewer droplets but still emit many aerosols.
The virus can spread from an infected person’s mouth or nose in small liquid particles when the person coughs, sneezes, sings, breathes heavily, or talks. These liquid particles are different sizes, ranging from larger ‘respiratory droplets’ to smaller ‘aerosols.
o Lancet: speaking produces thousands of aerosol particles
Infectious particles can “remain suspended in the air for some time indoors, especially if there is no ventilation.”
o Lancet: transmission of SARS-CoV-2 is higher indoors than outdoors10 and is substantially reduced by indoor ventilation.
Tighter fitting masks or wearing two masks might reduce the emission of aerosols from a source and the inhalation by a recipient wearer.
Read the original lancet article that has been largely misinterpreted: https://www.thelancet.com/journals/lancet/article/PIIS0140-6736(21)00869-2/fulltext
https://www.bmj.com/content/bmj/373/bmj.n1030.full.pdf
Ten scientific reasons in support of airborne transmission of SARS-CoV-2 Heneghan and colleagues' systematic review, funded by WHO, published in March, 2021, as a preprint, states: “The lack of recoverable viral culture samples of SARS-CoV-2 prevents firm conclusions to be drawn about airborne transmission”.1 This conclusion, and the wide circulation of the review's ...
জ্বর নেই মানেই সুরক্ষিত আর নয়, রূপ বদলেছে করোনার লক্ষনঃ
নতুন নতুন উপসর্গ ধরা পড়ছে কোভিডের ক্ষেত্রে;
করোনার আতঙ্ক বেড়েছে যে আবার, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ঘরে ঘরে রোজ বাড়ছে অসুস্থতার হার। সতর্ক হতে বলা হচ্ছে সকলকে। কিন্তু সাবধান হওয়া যাবে কী ভাবে? কোন উপসর্গ দেখলে বুঝে নিতে হবে বাড়ির সকলের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখা দরকার? কোভিডের নতুন কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছে এখন। যা আগের বার তেমন পরিচিত ছিল না।
জ্বরজ্বর ভাব, গলা ব্যথা রয়েছে কি না, আগে খেয়াল রাখতে বলছিলেন চিকিৎসকেরা। এ বার আরও অনেক অচেনা উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। যেগুলোর কিছুই গত বার ছিল না। যেমন কোভিড আক্রান্ত অনেকেই বলছেন, কোমরে ব্যথা হচ্ছে। দিন কয়েক তেমন চলার পরে তা হয়তো একটু বাড়ল। ব্যস, ওইটুকুই। প্রথম দিকে তাঁদের কারও মনেই হচ্ছিল না করোনা পরীক্ষা যে করানো দরকার। পরে দেখা গেল কোমরে ব্যথার কারণ এই সংক্রমণই।
কারও কারও হাল্কা অস্বস্তি মতো হচ্ছে রোজ কাজের শেষে। সন্ধ্যায় এমন ক্লান্তি অনেকেরই হয়। বেশির ভাগেই মনে করেন কাজের চাপে এমনটা হচ্ছে। কিন্তু তা-ও আসলে কোভিডের উপসর্গ।
স্বাদ-গন্ধের অনুভূতি কম হওয়ার কথা অনেকেই জানেন এত দিনে। তবে কারও এ বার শুনতে সমস্যা হচ্ছে। কারও বা মুখের ভিতরটা শুকনো মনে হচ্ছে। টানা নাক দিয়ে জল পড়া বা পেটের গোলমাল হওয়াও করোনার উপসর্গ।
(Collected)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Contact the business
Telephone
Website
Address
Rangunia, Ranir-Hat
Chittagong