Asthma

Asthma

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Asthma, Health/Beauty, Chittagong.

06/09/2022

আমাদের প্রতিষ্ঠান এবং পেইজে যারা ২৪ ঘন্টা পেশেন্টদের ট্রিটমেন্ট দিয়ে থাকে,তারা সকলেই স্বনামধন্য আয়ুর্বেদিক ডাক্তার।তারা,DUMS এবং DAMS কোর্সটি কমপ্লিট করে চেম্বার খুলে পেশেন্টদের ট্রিটমেন্ট দিয়ে আসছে।তারা সর্বদা রোগীকে সুস্থ করার জন্য,সঠিক ট্রিটমেন্ট দেয়ার জন্য মুখিয়ে থাকে।

তাই,আপনি ভালো ট্রিটমেন্ট পাবেন এবং কোন সন্দেহ ছাড়াই চিকিৎসা নিতে পারেন।

04/09/2022

সারা বিশ্বের প্রায় ১০ কোটি লোক শ্বাসনালীর সচরাচর সমস্যা-এ্যাজমায় আক্রান্ত হয়। তাদের ৯০% এরও বেশী অত্যাধুনিক চিকিৎসা পায় না এবং অনেক রোগী মারা যায়। যদিও এ মৃত্যুর ৮০% প্রতিরোধ করা সম্ভব যদি আধুনিক চিকিৎসা ও ডাক্তারের তদারকির মাধ্যমে

03/09/2022

এ্যা জমা বা হাঁ পানি হলো শ্বাস নালির প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদি একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাস নালি ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। এতে হাঁ পানির বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন- কা শি, শ্বাস কষ্ট, বু কে চাপ চাপ অনুভব করা, দম নিতে কষ্ট হওয়া এবং বাঁশির মতো শোঁ শোঁ আওয়াজ হওয়া ইত্যাদি। এ অবস্থায় শ্বাস নালিতে যদি ধুলা,ঠান্ডা বা গরম বাতাস প্রবেশ করে তাহলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে এর প্রকোপ।

এ্যা জমার উপসর্গগুলো সাধারণত রাতে বা খুব সকালে বেশি হয় এবং শ্বাস নালীতে কোন ধরনের এ্যা লজেন প্রবেশ করলে বা তাপমাত্রা পরিবর্তিত হলে এ উপসর্গের তীব্রতা বেড়ে যায়। কারও কারও ক্ষেত্রে কা শি বা শ্বাস কষ্ট, বুকে বাঁশির মতো শোঁ শোঁ শব্দ শুরুর আগে নাক বা বুক চুলকায়, হাঁচি হয়,না ক দিয়ে পানি পড়ে, চো খ লাল হয়ে যায়। ওপরের উপসর্গগুলোর সঙ্গে বংশে কারও যদি এ্যা জমায় আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যায় তার এ্যা জমা রয়েছে

এ্যা জমা/হাঁ পানি যে কোন বয়সেই হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগ বেশি দেখা যায়। দেখা গেছে, কারও কারও বংশগত কারণে বা পরিবেশগত কারণেও এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া ধুলোবালির মধ্যে থাকা মাইট নামের ক্ষুদ্র কীট, ফুলের পরাগরেণু থেকে,পশুপাখির পালক, ছত্রাক,মল্ট,ইস্ট,প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সিগারেটের ধোঁয়ার মধ্যে যারা থাকে তাদের এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া মানসিক চাপে থাকলে হাঁ পানি/শ্বাস কষ্টের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে।কারও কারও বিভিন্ন সুগন্ধি,মশার কয়েল বা কারও কারও কীটনাশকের গন্ধ থেকেও শ্বাস কষ্ট বেড়ে যেতে পারে।

এ্যা জমার বয়স যত বৃদ্ধি পাবে এর সমস্যার পরিধিও তত বৃদ্ধি পাবে।তাই উক্ত সমস্যা থেকে স্থায়ী সমাধান পেতে ইনবক্সে নক দিয়ে আপনার বয়স এবং সমস্যা খুলে বলুন অথবা কল করুন ০১৭৩২১০০৯৯৯

29/08/2022

প্রতিরোধ (ওষুধবিহীন চিকিৎসা)

* অ্যাজমার অন্যতম প্রধান কারণ অ্যালার্জি। কোনো জিনিসে বা খাদ্যে কারও অ্যালার্জি থাকলে, তা যথাসম্ভব পরিহার করা উচিত।

* কিছু কিছু বিষয়ে সচেতন হয়ে হাঁপানি থেকে পরিত্রাণ সম্ভব। অ্যালার্জেন নয়, অথচ শ্বাসকষ্ট বাড়ায় এমন জিনিস পরিহার। যেমন- মানসিক চাপ, উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তা কমানো।

* অ্যালাজেন পরিহার : অ্যালার্জি দ্রব্যাদি এড়িয়ে চলা অ্যাজমার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার সবচেয়ে সহজ পন্থা অর্থাৎ যে জিনিসে অ্যালার্জি তা যতদূর সম্ভব এড়িয়ে চলা।

* ধুলাবালি, ধোঁয়া, গন্ধ, ঘরের ঝুল ইত্যাদি এড়িয়ে চলা। ঘরের ভেতর কয়েল, ধূপ, সব রকমের ধুলাবালি এড়িয়ে চলতে হবে। বিশেষ করে অ্যাজমা আক্রান্ত রোগীর শোবার ঘরটি সব সময় শুষ্ক, ধুলা ও মাইটমুক্ত হতে হবে।

ঘরে যাতে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস থাকে সে ব্যবস্থা করুন। রাতে ঘুমানোর সময় পর্যাপ্ত উষ্ণতায় থাকুন।

* ঘর-বাড়িকে ধুলোবালি থেকে মুক্ত রাখার চেষ্টা করা। এজন্য দৈনিক অন্তত একবার ঘরের মেঝে, আসবাবপত্র, ভেজা কাপড় দিয়ে মুছতে হবে অথবা ভ্যাকিউম ক্লিনার ব্যবহার করতে হবে।

* ঘরে কার্পেট না রাখা।

* বালিশ, তোষক, ম্যাট্রেসে তুলা ব্যবহার না করে স্পঞ্জ ব্যবহার করা।

* আতর, সেন্ট, পারফিউম ব্যবহার না করাই উত্তম।

* যেসব খাবার অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তা পরিহার করা বা এড়িয়ে চলা।

* ধূমপান না করা।

* ফুলের রেণু পরিহার করতে হবে, সকাল কিংবা সন্ধ্যায় বাগান এলাকায় কিংবা শস্য ক্ষেতের কাছে যাওয়া বন্ধ করতে হবে।

* কুকুর, বিড়াল, কবুতর ও পশু-পাখির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন।

অ্যালার্জি হয় এমন পরিবেশ পরিহার করা

* দিনে বা রাতে কুয়াশায় চলাফেরার সময় নাক ঢেকে রাখুন (গায়ে পর্যাপ্ত শীতের কাপড় থাকলেও)।

* স্যাঁতসেঁতে বা ঘিঞ্জি পরিবেশ এড়িয়ে চলুন। অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা পরিবেশ ক্ষতিকর।

* রাস্তাঘাটে চলাচলের সময় সম্ভব হলে মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন।

29/08/2022

অ্যাজমা বা হাঁপানি শ্বাসতন্ত্রের অ্যালার্জিজনিত দীর্ঘমেয়াদি রোগ। বিভিন্ন অ্যালার্জেন, শ্বাসতন্ত্রের সংবেদনশীলতা এবং ফুসফুসের প্রদাহের জন্য শ্বাসনালিতে বাতাস চলাচলে বিঘ্ন ঘটে, ফলে স্বাভাবিকভাবে নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয় বা শ্বাসকষ্ট হয়। একই সঙ্গে নিশ্বাসে সাঁই সাঁই শব্দ শোনা যায়। অ্যাজমা আক্রমণের সময় শ্বাসনালির আস্তরণ ফুলে যায়, ফলে শ্বাসনালি সংকীর্ণ বা চিকন হয়ে যায়। এর ফলে প্রশ্বাস ও নিশ্বাসে বাতাস চলাচলের গতি কমে যায় ও কষ্টসাধ্য হয়।

29/08/2022

হাঁপানি এমন একটি দুরারোগ্য ব্যাধি যাতে একবার আক্রান্ত হলে দুঃসহ যন্ত্রণা নিয়ে রোগীকে সারা জীবন কাটাতে হয়। হাঁপানি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি কখনও সামাজিক বা পারিবারিক আনন্দ উল্লাসে যোগদান করতে পারে না। পারে না কোন পরিশ্রমের কাজে অংশ নিতে। তাকে অনেক সময় গৃহবন্দি অবস্থা দিন কাটাতে হয়। অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রেই ঠাণ্ডা আবহাওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক। বর্ষার ঠাণ্ডায়, শীতের ঠাণ্ডায় রোগ বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে ব্রংকিয়াল হাঁপানি শীতকালে বাড়ে।

29/08/2022

হাঁপানি নিয়ন্ত্রণের একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো সতর্কভাবে খেয়াল রাখা, কোন কোন কারণে রোগীর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায় তা নির্ণয় করা এবং তা থেকে দূরে থাকা। কারণ সব হাঁপানি রোগীর রোগের উপসর্গ কমা বা বাড়ার জন্য একই উত্তেজক দায়ী নয়। অনেক সময় পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপরও আমাদের কোন নিয়ন্ত্রণ থাকে না। হাঁপানির ওষুধ সঠিকভাবে ব্যবহার করলে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব

29/08/2022

হাঁপানির উপসর্গগুলো সাধারণত রাতে বা খুব সকালে বেশি হয় এবং শ্বাসনালীতে কোন ধরনের এ্যালজেন প্রবেশ করলে বা তাপমাত্রা পরিবর্তিত হলে এ উপসর্গের তীব্রতা বেড়ে যায়। কারও কারও ক্ষেত্রে কাশি বা শ্বাসকষ্ট, বুকে বাঁশির মতো শোঁ শোঁ শব্দ শুরুর আগে নাক বা বুক চুলকায়, হাঁচি হয়, নাক দিয়ে পানি পড়ে, চোখ লাল হয়ে যায়। ওপরের উপসর্গগুলোর সঙ্গে বংশে কারও যদি হাঁপানিতে আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যায় তার হাঁপানি রয়েছে

29/08/2022

এ্যাজমা বা হাঁপানি হলো শ্বাসনালির প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদি একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাসনালি ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। এতে হাঁপানির বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন- কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ চাপ অনুভব করা, দম নিতে কষ্ট হওয়া এবং বাঁশির মতো শোঁ শোঁ আওয়াজ হওয়া ইত্যাদি। এ অবস্থায় শ্বাসনালিতে যদি ধুলা, ঠা-া বা গরম বাতাস প্রবেশ করে তাহলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে এর প্রকোপ। তবে সঠিক ও নিয়মিত চিকিৎসার ফলে এ উপসর্গগুলো নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব। পরিসংখ্যান বলছে, সারা বিশ্বে ৩০ কোটিরও বেশি মানুষ এ্যাজমা বা হাঁপানিতে আক্রান্ত। বাংলাদেশে এর সংখ্যা প্রায় ৭০ লাখের মতো

20/08/2022

হাঁপানি একটি শ্বাসকষ্ট সংবলিত রোগ। কার্যতঃ এটি শ্বাসনালির অসুখ। এর ইংরেজি নাম অ্যাজমা যা এসেছে গ্রিক শব্দ Asthma থেকে। বাংলায় হাঁপানি। যার অর্থ হাঁপান বা হাঁ-করে শ্বাস নেয়া। হাঁপানি বলতে আমরা বুঝি শ্বাসপথে বায়ু চলাচলে বাধা সৃষ্টির জন্য শ্বাসকষ্ট।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Chittagong