Slimming Nature
মেদ ভুড়ি কমান চা খেয়েই
জরুরী নি.য়োগ বিজ্ঞ.প্তি
শুধু.মাত্র চট্ট.গ্রামে ই-ক.মার্স প্রতি.ষ্ঠান এর জন্য কিছু সংখ্যক পু.রুষ / মহি.লা নিয়োগ ।।
কাজ : ফেইস.বুক পেই.জে কাস্ট.মার এর সাথে কথা বলে অ.র্ডার কালে.ক্ট করতে হবে ।।
শিক্ষাগত যোগ্যতা : নূন্যতম এস.এস.সি
সেলারী : আলোচনা সাপেক্ষে
লোকেশন - কালামিয়া বাজার,বক্সিরবিট , চট্টগ্রাম
বিস্তারিত - 01839153599
বি:দ্র: Wha.tsApp cv দিবেন ।।
13/09/2023
স্লিম থাকার সিক্রেট ফর্মুলা
13/09/2023
আলহামদুলিল্লাহ ❤️❤️
13/09/2023
আলহামদুলিল্লাহ কাস্টমার হাসিমুখ
আপু ও বেবীর আম্মুদের জন্য শুখবর শরীরের অতিরিক্ত মে'দ ভুড়ি কমান চায়ের আদলেই!!
থাকছে,
সিলভার প্যাক.... ৫*৭কেজি
গোল্ডেন প্যাক.... ১০*১৩কেজি
প্লাটিনাম প্যাক.... ১৭*২০কেজি
বিস্তারিত জানতে নিচের দেওয়া সেন্ড মেসেজ অপশন এ ক্লিক করুন... 01949855820
08/07/2023
দেশে গরমকালে অনেকের অন্যতম প্রিয় ফল তরমুজ। এটি একই সঙ্গে রসালো ও সুস্বাদু। এর পুষ্টিগুণও বেশ।
তরমুজের সেরা ৯টি স্বাস্থ্যগত উপকারিতার কথা তুলে ধরেছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথলাইন।
১. পানির চাহিদা মেটাতে সহায়তা
অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো ঠিকমতো কাজ করতে দরকার শরীরে পর্যাপ্ত পানির জোগান বা শরীরকে সিক্ত রাখা। শরীরের তাপমাত্রার নিয়ন্ত্রণ, অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম, কোষে পুষ্টি প্রবেশের মতো বিষয়গুলো নির্ভর করে পর্যাপ্ত পানি বা তরল গ্রহণের ওপর।
তরমুজের মতো প্রচুর তরলযুক্ত ফল থেকে আসতে পারে পর্যাপ্ত পানির জোগান, যা শরীরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করতে পারে।
তরমুজে ৯২ শতাংশ পানি রয়েছে, যা দেহের দৈনিক তরলের চাহিদা পূরণে ভালো ভূমিকা রাখতে পারে।
২. পুষ্টিকর উপাদানে সমৃদ্ধ
তরমুজে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’ ও ভিটামিন ‘সি’র মতো পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। এতে ক্যালোরির পরিমাণ তুলনামূলক কম। প্রতি ১৫২ গ্রাম তরমুজে ৪৬ ক্যালোরি রয়েছে।
১৫২ গ্রাম তাজা তরমুজে ৪৬ ক্যালোরি, সাড়ে ১১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, দশমিক ৬ গ্রাম আঁশ, ৯.৪ গ্রাম চিনি, দশমিক ৯ গ্রাম প্রোটিন ও দশমিক ২ গ্রাম ফ্যাট রয়েছে।
তরমুজে সিট্রুলিন নামের এক ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে, যা ব্যায়ামের সময় পারফরম্যান্স ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে।
৩. ক্যানসারবিরোধী ভূমিকা রাখতে পারে
তরমুজে লাইকোপেন ও কিউকারবিটাসিন ই নামের উপাদান আছে, যেগুলোর ক্যানসারবিরোধী ভূমিকা হয়তো থাকতে পারে। গবেষণায় মিশ্র ফল পাওয়া গেলেও লাইকোপেন প্রোস্টেট বা মলদ্বারের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে।
তরমুজে থাকা কিউকারবিটাসিন ই ক্যানসারযুক্ত কোষগুলোকে অপসারণ করে টিউমারের বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করে। যদিও এ বিষয়ে আরও গবেষণা দরকার।
৪. হৃৎপিণ্ডের সুস্থতা
তরমুজে থাকা বেশ কিছু উপাদান হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতে সহায়ক হতে পারে। গবেষণায় দেখা যায়, তরমুজে থাকা লাইকোপেন কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করতে পারে।
৫. প্রদাহ কমাতে পারে
শরীরে দীর্ঘমেয়াদি অনেক রোগের কারণ প্রদাহ। তরমুজে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, লাইকোপেন ও ভিটামিন ‘সি’ প্রদাহ কমাতে সহায়তা করতে পারে।
৬. দৃষ্টিশক্তি লোপ হওয়া প্রতিরোধ
তরমুজে থাকা উপাদান লাইকোপেন চোখের উপকারে আসতে পারে। বয়সজনিত দৃষ্টিশক্তি লোপ একটি সাধারণ সমস্যা যা থেকে বয়স্করা অন্ধত্বের শিকার হতে পারেন।
লাইকোপেন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী হিসেবে ভূমিকা রাখায় এটি বয়সজনিত দৃষ্টিশক্তি লোপ হওয়া প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে। যদিও এ বিষয়ে খুব বেশি গবেষণা হয়নি।
৭. পেশির ব্যথা উপশমে সহায়ক হতে পারে
তরমুজে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড সিট্রুলিন ব্যায়ামের পারফরম্যান্সের উন্নতিতে সহায়ক হতে পারে। এটি একই সঙ্গে পেশির ব্যথা কমাতে সাহায্য করতে পারে। এ বিষয়ে আরও গবেষণা দরকার।
৮. ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখায় সহায়ক হতে পারে
তরমুজে থাকা ভিটামিন ‘এ’ ও ভিটামিন ‘সি’ ত্বক সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ভিটামিন ‘সি’ ত্বককে কোমল ও চুল শক্ত রাখতে সহায়তা করে। অন্যদিকে ভিটামিন ‘এ’ ত্বকে নতুন কোষ গজানোর পাশাপাশি কোষের ক্ষতিপূরণে সহায়তা করে।
৯. হজমে সহায়ক হতে পারে
তরমুজে প্রচুর পানি ও অল্প পরিমাণে আঁশ থাকে। এ দুটিই স্বাভাবিক হজম প্রক্রিয়ার জন্য দরকার।
আঁশ মলত্যাগ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। অন্যদিকে পানি শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থগুলোকে নিষ্কাশনে সহায়তা করে।
05/07/2023
খিদে পেলেই তো হাতে তুলে নিচ্ছি বার্গার অথবা পিৎজা। পেট ভরলেই ভেবে নেই শরীরও ভরলো। যদিও, এটি খুবই ভুল ধারণা। আসলে এই ধরনের খাবারগুলো আমাদের শরীরকে আরও খারাপের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাই, শরীরে বাসা বাঁধছে হাজারো সমস্যা। ২০০৪ সালে আমেরিকায় ১০০-এরও বেশি খাবারের ওপর গবেষণা করে হয়।
মূলত, খাদ্যগুলোর মধ্যে কতটা পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে, তা জানতেই এই গবেষণা করা হয়েছিল। এর মধ্যে লাল এবং সবুজ আপেল যথাক্রমে ১২ এবং ১৩তম স্থানে রয়েছে। তো দেখে নেওয়া যাক, আপেলের কোন কোন গুণ আমাদের কিভাবে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
১.সাদা ঝকঝকে দাঁত আপেল খেলে দাঁতের দারুণ উপকার হয়। তার কারণ, আপেলে কামড় দিয়ে যখন আমরা চিবোতে শুরু করিই, তখন আমাদের মুখের ভিতর লালার সৃষ্টি হয়। এই পদ্ধতিতে দাঁতের কোণা থেকে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বেরিয়ে আসে। এর ফলে সেই ব্যাকটেরিয়া আর দাঁতের কোনও ক্ষতি করতে পারেনা। তাই বলে, শুধু আপেল খেয়ে দাঁতের যত্ন নিতে যাবেন না যেন! মনে করে, পেস্ট ব্রাশ ব্যবহার করে দাঁতের যত্ন নেবেন।
২.ক্যান্সার দূর করে: আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর ক্যান্সার রিসার্চ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আপেল খেলে অগ্ন্যাশয়ে ক্যান্সারের সম্ভাবনা প্রায় ২৩% হারে কমে। কারণ আপেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভোনল থাকে। এছাড়াও কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা আপেলের মধ্যে এমন কিছু উপাদানের সন্ধান পেয়েছেন, যা ট্রিটারপেনয়েডস নামে পরিচিত। এই উপাদানটি লিভার, স্তন এবং কোলোনের মধ্যে ক্যান্সারের কোষ বেড়ে উঠতে বাঁধা দেয়। ন্যাশানাল ক্যান্সার ইন্সটিটিউট ইন দ্য ইউ এস- এর গবেষণা থেকে জানা যায় যে, আপেলের মধ্যে যে পরিমাণে ফাইবার থাকে, তা মলাশয়ের ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে।
৩.ডায়াবেটিসের সমস্যা কমায় যে সকল মেয়েরা প্রতিদিন আপেল খান, তাদের ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা ২৮% কমে যায়। তার কারণ, আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা রক্তে শর্করার পরিমাণ সঠিক রাখতে সাহায্য করে।
৪.কোলেস্টেরল কমায় আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা অন্ত্রের ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। যার ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকে। আর একবার শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করলে হার্টের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে।
৫.হার্ট ভালো রাখে আগেই বলা হয়েছে যে, আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও, আপেলের খোসার মধ্যে যে ফেনলিক উপাদান থাকে, তা রক্তনালিকার থেকে কোলেস্টেরল দূর করতে সাহায্য করে। এর ফলে হার্টে রক্তচলাচলা স্বাভাবিক থাকতে। ফলে হৃদযন্ত্রের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে।
৬.গলস্টোন সারাতে সাহায্য করে পিত্তথলির মধ্যে অতি পরিমাণে কোলেস্টেরল জমে গেলে তখন গলস্টোন হয়। গলস্টোন কমানোর জন্য ডাক্তাররা সব সময় ফাইবার সমৃদ্ধ ফল বা খাদ্য খাওয়ার উপদেশ দেন। সেই সঙ্গে গলস্টোন সারাতে ওজন এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, এই সবকটি কাজ যাতে ঠিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে আপেলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।
৭.ডায়ারিয়া এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে আপনি কি সারাদিনে বারে বারে বাথরুমেই যেতে থাকেন? কোনও কিছু খেলেই বাথরুমে দৌড়াতে হয়? আবার এমনও কি হয়, যখন বাথরুমে গেলেন তখন দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয়? অথচ কিছুতেই পেট পরিষ্কার হয় না। তাহলে এই দুই সমস্যারই একটাই ওষুধ। তা হল, আপেল, যা প্রয়োজন অনুযায়ী বর্জ্য থেকে অতিরিক্ত জল টেনে রাখতে পারে। ফলে একদিকে যেমন অতিরিক্ত বার বাথরুমে যেতে হয় না, তেমনিই হজম শক্তি বৃদ্ধি করে, সেই সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর করে।
৮.ওজন কমাতে সাহায্য করে কত মানুষই তো আছেন, যারা অতিরিক্ত ওজনের কারণে জর্জরিত। আবার শুধুমাত্র এই কারণে, নানারকম রোগও শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করে। এমনকি, ডায়াবেটিস, হাড়ের রোগ কত কিছুই না হয়। তাই সেই সমস্ত রোগকে যদি বিদায় জানাতে চান, তাহলে নিয়ম করে আপেল খান। ফলটিতে উপস্থিত ফাইবার আপনার পেট ভরাতে সাহায্য করে কোনও ক্যালরি ছাড়াই। এর ফলে ওজনও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
৯.লিভার সুস্থ থাকে আমরা যা কিছু খাই, তার মধ্যে কিছু না কিছু ক্ষতিকারক পদার্থ থাকে। ফলে আমাদের লিভারের ক্ষতি হতে শুরু করে। যে কারণে লিভারকে সুস্থ রাখাটা খুবই চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তবে লিভারকে ১০০ শতাংশ সুস্থ রাখতে পারে আপেল। এটি খুব সহজেই লিভারে জমা হওয়া ক্ষতিকারক উপাদানদের বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে।
১০.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় আপেলের মধ্যে এক ধরনের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে, যা কুয়েরসেটিন নামে পরিচিত। এটি আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে এবং আমাদের শরীর ভাল রাখতে সাহায্য করে।
05/07/2023
১ চা–চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়। রক্তশূন্যতায়: মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। কারণ, এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ। ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে: বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী।
05/07/2023
লটকনে আছে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট এবং প্রোটিন। যা আপনার ত্বক সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। পর্যাপ্ত প্রোটিনের কারণে শরীর পায় তার প্রয়োজনীয় শক্তির উৎস। এ ছাড়া মানসিক অবসাদ, চর্মরোগ এবং রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে খুবই উপকারী একটি ফল লটকন।
05/07/2023
হৃদ্ররোগ, সংবহন তন্ত্রের জটিলতা, টাইপ ২ ডায়াবেটিস এবং স্থূলতা রোধে শারীরিক ব্যায়াম কার্যকর ভূমিকা রাখে। এছাড়া মানসিক অবসাদগ্রস্ততা দূর করতে, ইতিবাচক আত্মসম্মান বৃদ্ধিতে, সামগ্রিক মানসিক স্বাস্থ্যের সুরক্ষায়, ব্যক্তির যৌন আবেদন বৃদ্ধি, শরীরের সঠিক অনুপাত অর্জনে শারীরিক ব্যায়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
05/07/2023
ফাইবারসমৃদ্ধ এই ফলটি খেলে হজম শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে এবং অন্ত্রের গতিবিধি উন্নত করে। এছাড়া ফ্রি র্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং অক্সিডেটিভ ক্ষতি রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে লিচু। লিচুর থিয়ামিন ও নিয়াসিন নামে উপাদান শরীরের মেটাবলিজম বাড়ায়। তাই ওজন কমাতেও দারুণ সাহায্য করে এ ফলটি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong