Asthma Tips BD
Only for asthma patients ��
26/09/2022
প্রকৃতি জুড়ে স্বতেজ নিশ্বাস নিন....... এ্যা জমা বা হ্যা'পানী হলো শ্বাস নালির প্রদাহজনিত দীঘমেয়াদি
একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাস নালি ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। এতে হা'নীর বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন, কা শি, শ্বাস কষ্ট বু কে চাপ চাপ অনুভব করা দম নিতে কষ্ট হওয়া এবং বাঁশির মতো আওয়াজ হওয়া ইত্যাদি,
এ অবস্থায় শ্বাস নালিতে যদি ধুলা, ঠান্ডা বা গরম বাতাস প্রবেশ করে তাহলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে এর প্রকোপ।
এ্যা জমার উপসর্গগুলো সাধারণত রাতে বা খুব সকালে বেশি হয় এবং শ্বাস নালিতে কোন ধরনের এ্যা লজেন প্রবেশ করলে বা তাপমাত্রা পরিবর্তিত হলে এ উপসর্গের তীব্রতা বেড়ে যায়। কারও কারও ক্ষেত্রে কা শি বা শ্বাস কষ্ট, বুকে বাঁশির মতো শোঁ শোঁ শব্দ শুরুর আগে নাক বা বুক চুলকায়, হাঁচি হয়, নাক দিয়ে পানি পড়ে, চোখ লাল হয়ে যায়। ওপরের উপসর্গ গুলোর সঙ্গে বংশে কারও যদি এ্যাজমায় আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যায় তার এ্যাজমা রয়েছে।
এ্যা জমা / হাঁপানি যে কোন বয়সে হতেই পারে। তবে শিশুদের ক্ষেএে এইরোগ বেশি দেখা যায়। দেখা গেছে কার ও কার বংশগত কারণে বা পরিবেশগত কারণে ও এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া ধুলোবালির মধ্যে থাকা মাইট নামের ক্ষুদ্র কীট, ফুলের পরাগরেণু থেকে, পশু পাখির পালক ছএাক,মল্ট, ইস্ট, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সিগারেটের ধোঁয়ার মধ্যে যারা থাকে তাদের এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া মানসিক চাপে থাকলে হাঁ পানি / শ্বাস কষ্টের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে। কারও কার ও ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুগন্ধি, মশার কয়েেল বা কার ও কার ও কিটনাশকের গন্ধ থেকে ও শ্বাস কষ্ট বেড়ে যেতে পারে।
এ্যাজমার বয়স যত বৃদ্ধি পাবে এর সমস্যার পরিধি ও তত বৃদ্ধি পাবে।তাই উক্ত সমস্যা থেকে স্থায়ী সমাধান পেতে ইনবক্সে নক দিয়ে আপনার বয়স এবং সমস্যা খুলে বলুন।
25/09/2022
সাপ্লিমেন্ট এর নাম-
★এজমা গার্ড পাউডার।
★এজমা গার্ড টেবলেট।
★এজমা গার্ড মসলা(কাশি,শুকনো কাশি,হাঁচি, গলায় শ্লেষ্মা জমা দূর করে ঠান্ডা সমস্যা নিরাময় করে।)
25/09/2022
প্রোডাক্ট নামঃ এ্যাজমা গার্ড
প্রোডাক্ট কার্যকারীতাঃ যাদের দীর্ঘদিনের শ্বাস কষ্ট রয়েছে বুক ব্যাথা, কাশি, ক্বপ জমিয়ে থাকা ও ফুসফুস ব্যাথা রয়েছে তাদের জন্য প্রযোজ্য।
ব্যাবহারবিধিঃ কুসুম গরম পানিতে কিসমিস ভিজিয়ে এবং ১চামচ পাউডার মিশিয়ে খাওয়ার ১ ঘন্টা আগে দৈনিক একবার খাইতে হবে এবং ৩০টি ট্যাবল্যাট থাকবে দৈনিক ১টি করে খাইতে হবে।
সাইডইফেক্টঃ আমাদের প্রতিটি প্রোডাক্ট বাংলাদেশ সাইন্সল্যাব দ্বারা পরিক্ষিত এবং অনুমোদিত এবং এটি সম্পুর্ণ প্রাকৃতিক ও সম্পুর্ণ রিক্স ফ্রী।
25/09/2022
25/09/2022
আমাদের ★এজমা গার্ড★ সাপ্লিমেন্ট টি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি ফুড সাপ্লিমেন্ট। কোন কেমিক্যাল বা ড্রাগ মিক্স নাই।
বিঃদ্রঃসাইন্সল্যাব কর্তৃক পরিক্ষিত এবং অনুমোদিত কপি।
এজমা গার্ড পাউডার এবং টেবলেটের কার্যকারিতা -
এজমা গার্ড পাউডার ...............................................
★ এজমা গার্ড পাউডার সেবন করলে এলার্জি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে
ফলে ধুলাবালিতে গেলে নাক মুখ চুলকানো হাচি কাশি, দীর্ঘদিন সর্দি কাশি লেগে থাকা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে
এজমা গার্ড টেবলেট .............................
★এটি সেবন করার ফলে ফুসফুসকে প্রসারিত করে ফলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয় না শ্বাসকষ্ট নিয়ন্ত্রণে চলে আসে,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
শিশুদের শ্বাসকষ্টের লক্ষণগুলো হলঃ-
➤ঘন ঘন শ্বাস নেবে এবং শ্বাস নেয়ার হাড় বেড়ে যাবে
➤শ্বাসের সঙ্গে কোনো আওয়াজ হলে
➤শ্বাস নেওয়ার সময় পেট ভেতরে ঢুকে গেলে
➤বুকে ব্যথা হলে
➤ ঘন ঘন শুকনা কাশি
➤অতিরিক্ত খিটখিটে মেজাজ
➤ বেশ কয়েক দিন টানা জ্বর
➤ঘুমঘুম ভাব এগুলোর সঙ্গে যদি কাঁপুনি দিয়ে জ্বর এবং নাকের মাথা, ঠোঁটের চারপাশে নীল হয়ে যায় তাহলে অবহেলা না করে চটজলদি একজন শিশু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে।
আসুন এজমা কি এবং এটি কেনো হয়ে থাকে তা সম্পর্কে জেনেনি.....................................................................................................................................................
★ এজমা কি?
শ্বাসনালীতে অনেক সময় ইওসিনোফিল কোষ ও অন্যান্য উপাদান জমা হয়। ফলে শ্বাসনালীর ছিদ্রপথ সংকুচিত হয়ে যায়। তখন শ্বাসপ্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি হয় ও শ্বাসনালিতে প্রদাহ তৈরী হয়। শ্বাসনালী সরু হয়ে যাওয়া ও প্রদাহ সৃষ্টিকারী এই অবস্থাকেই বলা হয় এজমা। তবে অনেকেই শ্বাসকষ্ট ও এজমাকে এক করে ফেলেন। এজমার কারনে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। তবে এজমা ও শ্বাসকষ্ট এক জিনিস নয়। শ্বাসকষ্ট অনেক রোগের উপসর্গ মাত্র।
★এজমার কারনঃ
প্রকৃতপক্ষে কি করনে এজমা হয় তা এখনও জানা যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন বংশগত কিংবা পরিবেশগত কারনে এজমা হতে পারে। সব বয়সের মানুষেরই এজমা হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এর প্রকোপ গুরুতর। সাধারণত শীতকালে, শুষ্ক ও ঠান্ডা বাতাসের উপস্থিতিতে এজমার সমস্যা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও ধুলাবালি, আগাছা, কীটপতঙ্গ, পশুপাখির পালক অথবা বিভিন্ন খাবারের প্রভাবে এজমা দেখা যায়।।
কিছু এলার্জি যুক্ত খাবার
➤ পালংশাক,ফুই শাক,পাটশাক, টমেটো,নারিকেল,নারিকেল মাছ,ইলিশ মাছ,রুপচাঁদা মাছ,সাগর কলা,ঢেরশ,কচু জাতীয় সবজি,গরুর মাংশ,ইলিশ মাছ,চিংড়ী, হাঁসের ডিম,হাঁসের মাংস,ঠক ফল,মিষ্টি কুমড়া,বেগুন, ছাগলের মাংস ইত্যাদি
শীত বাড়ার সাথে হাঁপানির সমস্যাও বাড়ে। আবহাওয়ার তারতম্যের জন্য বছরের যে কোনও সময়ে হাঁপানি রোগীদের সমস্যা বাড়লেও শীতে এর প্রকোপ অনেক বেড়ে যেতে পারে। তাই চলুন রোগটির বিভিন্ন কারণ ও এসময়ে যেসব বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সে সম্পর্কে জেনে নিই।
শীত বাড়ার সাথে সাথে বাড়ে হাঁপানির সমস্যাও। ডাক্তারদের মতে আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে যদিও বছরের যে কোনও সময়ে হাঁপানি রোগীদের সমস্যা বাড়তে পারে তবে শীতকালে এর প্রকোপ অনেক বেড়ে যায়। চলুন জেনে নিই রোগটির বিভিন্ন কারণসহ ও শীতকালে হাঁপানি রোগীদের যেসব বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সেসব বিষয়ে বিস্তারিত।
*হাঁপানি কি?
আমাদের ফুসফুসে রয়েছে সরু সরু অনেক নালী পথ যার মাধ্যমে আমদের দেহে ফুস্ফুস থেকে সারা শরীরে অক্সিজেন বাহিত হয়। তবে ধুলা-বালি, অ্যালার্জেন বা অন্যান্য কারণে যদি শ্বাসনালীর পেশি ফুলে যায় তাহলে অক্সিজেনবাহী এই নালীসমুহের পথগুলি সঙ্কুচিত হয়ে যায়। এর ফলে আমাদের শরীরে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাব ঘটে এবং শুরু হয় নিঃশ্বাসের কষ্ট-সহ নানা শারীরিক সমস্যা যাকে আমরা হাঁপানির সমস্যা বলে থাকি।
★হাঁপানির কারণ সমূহ:
অ্যাজমা বা হাঁপানি হচ্ছে শ্বাসনালির প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদি একটি রোগ। মুলত এটি একটি বংশগত রোগ হলেও ইদানীং সময়ে মাত্রাতিরিক্ত পরিবেশ দূষণের জন্য বেড়ে যাচ্ছে এই সমস্যাটি। এই রোগের কারণে প্রদাহের জন্য শ্বাসনালি ফুলে যায় এবং তা অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। নিম্নে রোগটির কিছু কারণ দেওয়া হলো।
হাঁপানির অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে অ্যালার্জি। বাতাসে ভেসে বেড়ানো ধুলো-বালি, ধোঁয়া, পশু-পাখির লোম, তুলোর আঁশ, রান্নাঘর বা বিছানার ধুলা কিংবা বাতাসে ভেসে বেড়ানো ফুলের রেণু ইত্যাদি শ্বাসনালীতে প্রবেশ করে সমস্যাটি সৃষ্টি করে। এইসব অ্যালার্জেন ‘অ্যাজমা অ্যাটাক’-এর ঝুঁকিকে অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়।বিভিন্ন প্রকার রাসায়ানিকের উগ্র গন্ধ বা গ্যাস হাঁপানির সমস্যাকে অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে।কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও অ্যাজমার সমস্যা হতে পারে।ধূমপান করা এই রোগের জন্য অনেকটা ঝুঁকিপুর্ণ। ধূমপান প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ উভয়ই হাঁপানির সমস্যাকে অনেকটা জটিল করে তুলতে পারে। বিশেষকরে সন্তানসম্ভবা কোনও মহিলা ধূমপান করলে বা ধূমপানের সংস্পর্শে আসলে তাঁর গর্ভের শিশুর হাঁপানিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়
কোল্ড এ্যালার্জি বা সাইনোসাইটিস আমাদের দেশে খুব কমন একটি রোগ। আমাদের আবহাওয়ায় আদ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় আমাদের দেশে এই রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি।
রক্ত পরিক্ষা করলে রোগীর দেহে এ্যালার্জির মাত্রা জানা যায়। কারো শরীরে শত শত কারো শরীরে হাজার হাজার এ্যালার্জির মাত্রা পাওয়া যায়। অথচ সিরাম IgE অর্থ্যাৎ এ্যালার্জির নরমাল রেঞ্জ মাত্র ০ থেকে ৮৭ এর মধ্যে।
এর লক্ষণ :
অ্যালার্জি জনিত সর্দি বা ‘অ্যালার্জিক রাইনাইটিস’:
এর উপসর্গ হচ্ছে --
১. অনবরত হাঁচি,
২. নাক চুলকানো,
৩. নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া,
৪. কারও কারও চোখ দিয়েও পানি পড়ে এবং চোখ লাল হয়ে যায়।
৫. মাথাভার বোধ হওয়া।
# ঘরের ধুলাবালি পরিষ্কার করছেন। দেখা গেল হঠাৎ করে হাঁচি এবং পরে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। অথবা ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন বা গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ বা গরুর দুধ খেলেই শুরু হল শরীর চুলকানি আর চামড়ায় লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে ওঠা।
# কোল্ড এ্যালার্জি বা সাইনোসাইটিস পুরাতন হতে হতে এটি এ্যাজমা বা শ্বাসকষ্টে রুপধারণ করে। তাই সাইনোসাইটিসের রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা নেয়া জরুরী।
# অ্যাজমা বা হাঁপানি: এর উপসর্গ হচ্ছে কাশি, ঘন ঘন শ্বাসের সঙ্গে বাঁশির মতো শব্দ হওয়া বা বুকে চাপ লাগা। আমাদের শ্বাসপথে বায়ু চলাচলের রাস্তা সরু হয়ে যাওয়ার ফলে যে কষ্ট হয় এটাকেই শ্বাসকষ্ট বলা হয়।
এই এ্যাজমা ধীরে ধীরে ক্রনিক বা পুরাতন হয়ে COPD হয়ে যায়। COPD হলো দীর্ঘমেয়াদি ফুসফুসের রোগ। যা বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর অন্যতম কারণ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Nasirabad
Chittagong