E-Shop

E-Shop

Share

We supply organic food supplement products all over Bangladesh through courier services on Conditions.

01/07/2022

সেরা অফার এবং বিশাল সুখবর!!
আপনি কি জানেন প্রাকৃ তিক উপায়ে মে দ - চ র্বি - ও জন কমানো যায়!! সুতরাং আর নয় দুশ্চিন্তা গ্রহণ করুন ও য়েট লস জুস।

এটি সম্পুর্ণ ন্যাচা রাল ফরমূলা দিয়ে তৈরী এবং বাংলাদেশ বিসি এসরআইরআর কর্তৃক অনুমোদিত তাই কোন ধরনের সাইড এ ফেক্ট নাই,,

বিস্তারিত জানতে ম্যাসেজ করুন বা সরাসরি কলঃ
☎️ 01879-628001
সারা বাংলাদেশ হোম ডেলিভারি দিচ্ছি, কোন ধরনের অগ্রিম পেমেন্ট ছাড়া।

01/07/2022

সুখবর!! সুখবর!! সুখবর!!
মে দ - ভু ড়ি - ও জ ন কমিয়ে ফেলুন সম্পূর্ণ প্রাকৃ তিক উপাদানে তৈরী সাপ্লি মেন্ট এর মাধ্যমেই!!

এটি বাংলাদেশ বিসি এস আই আর কর্তৃক অনুমোদিত এবং পরীক্ষা নিরীক্ষা করা। ন্যাচা রাল ফরমুলা থেকে তৈরী হওয়ার কারনে কোন ধরনের সাইড এফে ক্ট নেয়।

বিস্তারিত জানতে SEND MESSAGE অপশনে ক্লিক করুন অথবা সরাসরি কথা বলুনঃ
☎️ 01879-628001

01/07/2022

বিশাল সুখবর রয়েছে আপনাদের সবার জন্য!!
মে দ, ভু ড়ি কিংবা ও জ ন কমিয়ে ফেলুন সম্পূর্ণ প্রাকৃ তিক উপায়ে তৈরী সাপ্লি মেন্ট জু স এর মাধ্যমেই,,

এটি বাংলাদেশ বিসি এস আই আর কর্তৃক অনুমোদিত এবং পরীক্ষা নিরীক্ষা করা। ন্যাচা রাল ফরমুলা থেকে তৈরী হওয়ার কারনে কোন ধরনের সাই ড এফে' ক্ট নেয়।

বিস্তারিত জানতে SEND MESSAGE অপশনে ক্লিক করুন অথবা সরাসরি কথা বলুনঃ
☎️ 01879-628001

01/07/2022

অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাচ্ছে? এই কারণে নয় তো?

ওজন বেড়ে যাওয়ার পেছনে আসলেই কোনও কারণ কাজ করে কিনা সেটির সঠিক ব্যাখ্যা নেই। মানুষের শরীর বিভেদে এর পরিবর্তন হতে পারে। এবং সেই থেকে দেখা দিতে পারে নানা রোগের সমস্যা। আবার অনেক সময় দেখা যায় অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়ার কারণে সেই থেকেও পরবর্তীতে শারীরিক সমস্যা দেখা যায়।

তবে শুধু খাবার খেলেই যে পরবর্তীতে ওজন বৃদ্ধি হতে পারে এই ধারণা কিন্তু একেবারেই ভুল। প্রচুর মানুষ এমন আছেন যাদের খাবার গায়েই লাগে না। কম করে বেশ কিছু কারণ আছে বিশেষ করে নারীদেহে যেই কারণেই ওজন বাড়তে পারে। যেমন :

মেনোপোজ :- হরমোনাল এই সমস্যায় নারীদেহে মাঝ বয়সেও ওজন বাড়তে পারে। এবং সেই থেকে pcos কিংবা pcod এই জাতীয় সমস্যা দেখা দেওয়া খুব সাধারণ বিষয়। মেনোপজের সময় সারা দেহের হরমোন এদিক ওদিক হয়ে যায়। যার থেকেই দেখা যেতে পারে ওজনের হেরফের।

স্ট্রেস :- অত্যধিক স্ট্রেস নিলে কিন্তু প্রচন্ড মাত্রায় ওজন বাড়তে পারে। কারণ স্ট্রেসের কারণে হরমোনাল সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেই কারণে বেশি মানসিক চাপ থেকে ওজন বাড়ার এই সমস্যা আলাদাই রূপ নিতে পারে।

ফ্লুইড ইনটেক :- শরীর ভাল রাখতেই খালি ফ্লুইড জাতীয় খাবার খান? জল কম খান? এবং এটাই হতে পারে সমস্যার প্রধান কারণ। যখন পেশী থেকে জল শোষিত হতে শুরু করে, তখন শরীরে জলের ঘাটতি দেখা যায়। এর থেকে কোষ্ঠকাঠিন্য এবং হজমের সমস্যা দেখা যায়। এই জিনিসটি খুব খারাপ, চেষ্টা করতে হবে যেন সেইদিকে একটু খেয়াল রাখতে পারেন।

অসময়ে ঘুম এবং খাওয়া :- অসময়ে ঘুম এবং খাবার খাওয়ার সমস্যা ভীষণ মাত্রায় সমস্যায় ফেলতে পারে আপনাকে। বিশেষ করে যারা রাত্রে ৭/৮ ঘণ্টা আসলেই ঘুমান না তাদের মধ্যে এই জাতীয় সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর থেকে চোখ মুখ ফুলে যাওয়ার সঙ্গেই ওজন বাড়িয়ে দিতে সাহায্য করে।

ঋতুস্রাবের গরমিল :- চিকিৎসা শাস্ত্র বলে, ওজন বাড়ার এই বিষয়টিও কিন্তু নির্ভর করে মেনস্ট্রুয়েশনের ওপর। এই সময়ের ধারে কাছে এলেই ওজন কিছুটা বেড়ে যায়। বিশেষ করে জলের ঘাটতি দেখা যায় এই সময়। শরীরে অনেক ধরনের পরিবর্তন হতে পারে তাই যত্নে থাকা প্রয়োজন।

01/07/2022

অনেক চেষ্টার পরও যদি ওজন না কমে তবে নিচের তথ্যগুলো থেকে খুঁজে নিন- আপনার সমস্যাগুলো কোথায়?

আপনার মতে আপনি নিয়মিত ব্যায়াম করছেন, কম খাচ্ছেন অথবা সব নিয়ম মানার পরও যদি আপনার ওজন না কমে তবে বুঝতে হবে সমস্যা আরো গভীরে।

• যাদের দেহে আয়রন, ভিটামিন-বি এবং ভিটামিন-ডি এর অভাব রয়েছে অথবা হরমোনাল সমস্যা যেমন- থাইরয়েড বা পিসিওএস রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে ওজন কমানো কঠিন। সেক্ষেত্রে, এসব রোগ চিকিৎসা করা এবং চিকিৎসার পাশাপাশি যদি নিয়মিত সঠিক খাদ্য এবং ব্যায়াম করা হয় তবে ওজন কমানো সম্ভব।

• যারা খাবার স্কিপ করে, অর্থাৎ এক বেলা খায় আর এক বেলা খায় না তাদের ক্ষেত্রেও সহজে ওজন কমে না। না খেয়ে থাকার ফলে শরীর দুর্বল থাকে, তাই অনেকক্ষণ না খেয়ে থাকার পর যখনই সামনে খাবার আসে তখন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাবার গ্রহণ করা হয়। ফলাফল ওজন বৃদ্ধি।

• যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন এবং ব্যায়াম করার পর তৈলাক্ত এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার খেয়ে থাকেন তাদের ক্ষেত্রে ওজন সহজে কমে না।

• খাবার খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়া। আপনি যত কম খাবারই খান না কেন, যদি খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে শুয়ে পড়েন তবে মেটাবলিজম স্লো হয়ে যায়, ফলাফল ওজন বৃদ্ধি। খাওয়া এবং ঘুমাতে যাওয়ার ব্যবধান অন্তত ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট থেকে ৩ ঘণ্টা হলে সব চেয়ে ভালো হয়।

• ফল খান না অথচ ফলের জুস আপনার অনেক পছন্দ। ফলে এমনিতেই প্রাকৃতিক চিনি থাকে আর জুস তৈরিতে ব্যবহার করা হয় টেবিল সুগার। ফলে আপনার খাদ্য তালিকায় যোগ হয় এক্সট্রা ক্যালরি। আর ‘এক্সট্রা ক্যালরি’ মানে ‘এক্সট্রা ওয়েট গেইন’।

• অনেকে দিনে অনেকবার চা খেয়ে থাকেন আর প্রতিবার চায়ের সঙ্গে যে চিনি যোগ করে থাকেন তা ওজন কমার অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। আপনি যদি ফিট থাকতে চান তবে সারাদিনে ২ চা চামচের চেয়ে বেশি চিনি নয়।

• প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার বা খাদ্যআঁশ গ্রহণ না করা। শাকসবজি এবং ফলমূল বা ফাইবার আমাদের ক্ষুধাকে ডমিনেট করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি শরীর থেকে ফ্যাট বের করে দিতে সাহায্য করে।

• পানি কম পান করা। পানি আমাদের দেহের প্রতিটা অর্গানকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে এবং মেটাবলিজমকে বৃদ্ধি করে। সুতরাং, ওজন কমাতে চাইলে সঠিক পরিমাণে পানি পান করতে হবে।

• নিয়মিত ব্যায়াম না করা। ওজন কমানো বা ফিট থাকার জন্য সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট ব্যায়াম করা উচিত।

• এক জায়গায় অনেকক্ষণ বসে থাকা। নিয়ম হল- যাদেরকে সারাদিন বসে কাজ করতে হয় অন্তত ৩০ মিনিট পর পর জায়গা থেকে উঠে ২-৩ মিনিট হাঁটাহাঁটি করা।

সুতরাং, যাদের ওজন বেশি তারা ওজন কমাতে চাইলে প্রথমেই একজন ডাক্তার এবং পুষ্টিবিদের পরামর্শ গ্রহণ করুন। এর ফলে আপনার ওজন বেড়ে যাওয়ার সঠিক কারণগুলো বের করা সহজ হবে এবং যে কারণে ওজন বেড়েছে তা বের করে সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ওজন কমানো বেশ সহজ হয়ে যাবে।

আর হ্যাঁ, প্রতি বড় মিল গ্রহণ করার পর শুয়ে বা বসে না পড়ে যদি অন্তত ১৫ মিনিট ধীরে ধীরে রুমের মধ্য পায়চারী করা হয় তবে সুগার নিয়ন্ত্রণ করা এবং ওজন কমানো বেশ সহজ হয়।

01/07/2022

আমাদের যেসব ভুলের কারণে ওজন সহজে কমে না

আজকাল ওজন বেড়ে যাওয়া খুবই সাধারণ চিত্র। ইদানীং, প্রায় সবাই ওজন বেড়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন। অনেকে ওজন বেড়ে যাওয়ার চিন্তা করতে করতে আরো ওজন বাড়িয়ে ফেলছেন। অনেকে আবার অনেক চেষ্টা করেও নিজের ওজন কমাতে পারছেন না। আসলে, ওজন বেড়ে যাওয়ার পেছনে যেমন অনেক কারণ থাকে, তেমনিভাবে ওজন না কমার পেছনেও অনেক কারণ থাকে।

যদিও আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষের ওজন বেড়ে যাওয়ার কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে অলস জীবন যাপন, অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার গ্রহণ, পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যআঁশ গ্রহণ না করা, ব্যায়াম না করা এবং আরো একটি বড় কারণ হল- তিনবেলা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণ ভাত খাওয়া।

এছাড়া, আরো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ আছে যে কারণে মানুষের ওজন খুব দ্রুত বাড়লেও সহজে ওজন কমে না। সেসব ক্ষেত্রে ওজন বাড়ার মূল কারণ বের করা হয় না বলে ওজন কমানো সম্ভব হয়ে ওঠে না।

01/07/2022
Photos from E-Shop's post 01/07/2022
01/07/2022

ডায়াবেটিস জীবন ধ্বংসী শরীরের ভিতরে
প্রবাহিত একটি ঝড় ...

একজনের রক্তে যত বেশি সুগারের আধিক্য থাকে তার আয়ু হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি।

কারণ হার্ট শরীরের টিস্যুগুলিতে রক্ত ​​সরবরাহ করতে কঠোর পরিশ্রম করে কিন্তু রক্তে বেশি সুগারের আধিক্য থাকায় সে আর কুলিয়ে উঠতে পারে না । সে নিজেও আক্রান্ত হয় আর
তখনই শরীরের সব অর্গান গুলো আস্তে আস্তে নিশ্তেজ হয়ে পরে ।

আর অবহেলা নয় এক মুহূর্ত !
এই মুহূর্ত থেকে শরীরে সুগার না বাড়তে যা যা করণীয় তাই করুন ।

ডায়াবেটিসের তান্ডব আর ধ্বংস ঝড় থেকে নিজেকে ও পরিবারকে রক্ষা করুন ।

হেলায় খেলায় আল্লাহর দেয়া সবচেয়ে বড় নেয়ামত সুস্থ্যতা হারিয়ে ফেলবেন না । একবার হারিয়ে গেলে আর কোনদিন এমন নেয়ামত পৃথিবীর কোথাও পাবেন না ।

01/07/2022

বর্তমান বিশ্বের খুবই পরিচিত ও জটিল রোগ হলো ডায়াবেটিস। এটি এমন একটি রোগ যার কারণে দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যক্ষমতা হ্রাস পেয়ে হার্ট অ্যাটাক, কিডনি ফেইলিউর, অন্ধ হয়ে যাওয়া, পায়ে পচন, এমনকি পা কেটে ফেলা পর্যন্ত লাগতে পারে। বৈশ্বিক এই স্বাস্থ্য সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণ বা প্রতিরোধে দরকার জনসচেতনতা এবং জনসম্পৃক্ততা। খাদ্যাভ্যাস ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য জরুরি একটি বিষয়। আসুন জেনে নিই এ রোগীরা কী খাবেন, আর কী এড়িয়ে চলবেন-

*সময়মতো ইন্টারভেনশন (খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাত্রার পরিবর্তন), নিয়মিত হাঁটার মাধ্যমে প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ডায়াবেটিস প্রতিরোধ সম্ভব বলে জানা যায়। শুধু উন্নত বিশ্ব নয়, স্বল্পোন্নত দেশেও এ রোগীর সংখ্যা বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে।

*আমরা সবাই জানি তাজা ফলমূল স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি উপকারী, কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীদের বেলায় একথাটা একবারেই ঠিক নয়। তাজা ফলমূল ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। তবে অমড়া, আনারস, কামরাঙ্গা, পেয়ারা এবং টক বড়ই খেতে পারেন ডায়াবেটিস রোগীরা। বোতলজাত ফলের জুসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে চিনি ও ক্যালরি যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

*কিশমিশ ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়।। কেননা, যে কোন ফল যখন ড্রাই করা হয় তখন তাতে চিনির পরিমান দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য তা ক্ষতির কারণ হয়ে যায়।

*সাদা চালের ভাত যতো বেশি খাওয়া হয় ততো বেশি টাইপ-২ ডায়াবিটিসের আশঙ্কা বেড়ে যায়। তাই ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য কতটুকু ভাত খেতে পারেবেন তা একজন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলে নেয়া আবশ্যক।

*চাইনিজ খাবারে রয়েছে অনেক বেশি ফ্যাট, ক্যালরি, সোডিয়াম, কার্বোহাইড্রেট যা হুট করেই দেহে সুগারের মাত্রা অনেক বেশি বাড়িয়ে তোলে। কিছু খাবার আছে যাতে দুধের পরিমাণ খুব বেশি যেমনঃ দই, দুধের তৈরি ক্রিম, চিজ এই খাবার গুলো ডায়াবেটিক রোগীদের না খাওয়াই উত্তম।

*স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনুতে বরবটি, শালগম, কাঁচা পেপে, সীম, কাঁচা আম, করলা, কলার মোচা, কাঁচা কলা, ঢেঁড়স ও বেগুন ইত্যাদি সবজিগুলো রাখতে পারেন। ডায়াবেটিস রোগীর জন্য শর্করা জাতীয় খাবার ক্ষতিকর। অন্যদিকে ডায়াবেটিস রোগীর জন্য আমিষ জাতীয় খাবার ভালো। তবে বেশি আমিষ স্বাস্থের জন্য মোটেই ভাল নয় ।

সর্বোপরি ডায়াবেটিস থেকে সুরক্ষা পেতে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন ।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Nasirabad
Chittagong
4203