Body Fitness

Body Fitness

Share

Alhamdulillah our product is made in a completely natural way and is approved by Bangladesh Sciencela

31/10/2022

স্মার্টনেস কে না চায়!! নিজেকে আরো আকর্ষনীয় করে তুলুন,,, অতিরিক্ত মে" দ কমিয়ে ফেলুন।

দেশের যেকোনো জায়গায় আমাদের সেবা গ্রহন করুন হোম ডেলিভারিতে অগ্রিম পেমেন্ট ছাড়াই।

এবং সাথে থাকছে হেলথ অবজারভেশন টিম এর সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ

বিস্তারিত জানতে send message অপশনে ক্লিক করুন
আথবা সরাসরি কল করুনঃ 01851595565

31/10/2022

শরীরের নানা রকম সমস্যার সমাধানের জন্য রান্না ছাড়াও নিয়মিত একটি করে এলাচ খাবেন অন্তত দশটি কারণে-

১. এলাচ পেটের সমস্যা ও অ্যাসিডিটি দূর করে। বিপাকতন্ত্রকে সক্রিয় রাখে এবং হজমে সাহায্য করে। বুক জ্বালা, বমি বমি ভাব থেকে মুক্তি পেতে এলাচ মুখে দিলে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: এলাচপানির এত গুণ?

২. দেহের ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে দিতে এলাচের জুড়ি নেই। যাদের ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করেছে, তাঁরা নিয়মিত সকালে খালি পেটে এলাচ ভেজানো জল খেলে বলিরেখা কমে ত্বক টানটান হয়।

৩. মধু, লেবুর রস ও গরম জলের সঙ্গে একটা এলাচ মিশিয়ে দিয়ে পান করলে শ্বাসকষ্ট দূর হবে। যাঁরা হুপিংকাশি ও ফুসফুস সংক্রমণের মতো সমস্যায় ভোগেন তাঁদের জন্য এলাচ খুবই উপকারী।

৪. এলাচ হাঁপানি ও হৃদরোগ নিরাময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখে ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ ছাড়া এলাচ রক্তসঞ্চালনেও সহায়ক। প্রতিদিন এলাচ খেলে রক্তের ঘনত্ব সঠিক থাকে।

৫. মুখে খুব বেশি দুর্গন্ধ হয়? একটি এলাচ নিয়ে চিবাতে থাকুন। এলাচ মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাক্টেরিয়া ধ্বংস করে। এছাড়াও মাড়ির ইনফেকশন, মুখের ফোঁড়াসহ দাঁত ও মাড়ির নানা সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

৭. গবেষণায় দেখা যায় নিয়মিত এলাচ খাওয়ার অভ্যাস ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এলাচ দেহে ক্যানসারের কোষ গঠনে বাঁধা প্রদান করে থাকে।

৮. অনেক সময় ভারী কোনও জিনিস তুলতে গেলেই পেশিতে টান ধরে। এ ক্ষেত্রে ছোট বা বড় এলাচ গরম জলে ফুটিয়ে খেলে তত্‍ক্ষণাত্‍ উপশম হয়।

আরও পড়ুন: খালি পেটে জিরাপানি খেলে এত উপকার!

৯. গরম জলে চা পাতা, এলাচ গুঁড়া ও মধু দিয়ে ফুটিয়ে তৈরি করে নিন এলাচ চা। মাথা ব্যথা করলে এক কাপ গরম এলাচ চা খেয়ে দেখুন। ব্যথা নিমেষেই দূর হবে। এ ছাড়াও এলাচ মানসিক চাপ কমাতেও সাহায্য করে।

১০. এলাচ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর। সর্দি-কাশির সমস্যাতেও এলাচ খেলে সুফল পাবেন

31/10/2022

আমরা সকলে জানি ফল খেলে উন্নতি হয়। প্রবাদে আছে, খালি পেটে জল আর ভরা পেটে ফল! আসলে এই খালি পেটে ফল খাওয়ার তথ্যটি কতটা সত্য সে বিষয়ে জানা যায়নি। অনেকের মতে এই তথ্যটা সম্পূর্ণ সঠিক নয়। আসলে অ্যাসিডের প্রকোপ নিয়ে আমরা যে চিন্তায় থাকি তার জন্যে এই প্রবাদের প্রচলন রয়েছে। এমনকি রাতেও ফল খেতে নিষেধ করা হয়।

কিন্তু আপনি কি জানেন, ফল খাওয়ার সেরা সময় কিন্তু সকাল। অর্থাৎ ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ফল খেতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। পুষ্টিবিদের মতে, এর আগে কিন্তু নির্দিষ্ট পরিমাণে জল পান করে নিতে হবে। প্রয়োজন হবে না চা কফির। সকালে খালি পেটে খেতে পারেন আপেল, কমলালেবু বা পেঁপে, কলা। মনে রাখবেন, এতে আপনার অ্যাসিডিটির পরিমাণও কমে যাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজ সকালে একটা করে আপেল (Apple) খেলে উপকার পাবেন। এ ক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো, উপোস ভাঙার পরও কিন্তু ফল বা ফলের রস খাওয়া হয়। সুতরাং, খালি পেটে আপেল খেলে কখনই আপনার শরীর খারাপ হবে না। চিকিৎসকরা সবসময় বলেন সকালে খালি পেটে আপেল (Apple) খেতে। কারণ আপেলের মধ্যে রয়েছে আয়রন, প্রোটিন, ভিটামিন। এছাড়া আপেলে (Apple) কার্বোহাইড্রেটও পাওয়া যায়। সকালে আপেল (Apple) খেলে সারাদিন শরীরে এনার্জি পাওয়া যায়। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে আপেল খেলে আপনার স্বাস্থ্যের জন্য কী কী উপকার হয়। জেনে নিন।
​পুষ্টি উপাদানে ভরপুর এই ফল

undefined

আপেল (Apple) ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ। যখন খালি পেটে আপেল খাওয়া হয়, তখন শরীর সহজেই আপেলে উপস্থিত এই সমস্ত পুষ্টি শুষে নেয়। শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব পূরণ হয়, একটি মাঝারি আকারের আপেলে পটাশিয়াম ও ভিটামিন সিও থাকে।

​রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

undefined

বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য শরীরের শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন। আপনি প্রতিদিন সকালে খালি পেটে একটি আপেল খেয়ে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে পারেন। আপেলে রয়েছে ভিটামিন সি, প্রোটিন এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

​ওজন কমাতে সাহায্য করে

undefined

যারা ওজন কমাতে চান, তারা প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১টি করে আপেল খেতে পারেন। আপেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং ফ্ল্যাভোনয়েড পলিমার। যার কারণে ওজন কমানোর জন্য আপেল আদর্শ ফল। খোসা সমেত আপেল খেলে বেশি উপকার পাবেন। আপেল রক্তে শর্করার পরিমাণও নিয়ন্ত্রণে রাখে। ব্লাডসুগার নিয়ন্ত্রণে থাকলে অকারণ খিদে পায় না।

আরও পড়ুন: এই ৫ ফল রোজ খেলে ওজন কমবেই! মিলিয়ে নিন...

​হার্ট ভালো রাখে
undefined

খালি পেটে আপেল খেলে হার্টও সুস্থ থাকে। আপেলে উপস্থিত ফাইবার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও আপেলে রয়েছে ভিটামিন সি এবং পটাশিয়াম, এই উপাদানগুলো হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমায়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পরিমাণ মতো আপেল খেলে ২০ শতাংশ স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে। ২৫ গ্রাম আপেল অর্থাৎ চার থেকে পাঁচ টুকরো আপেল প্রতিদিন খেলে ৯ শতাংশ স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে।

আরও পড়ুন: Fruit Side Effects: ফল ভালো, কিন্তু নিয়ম না মেনে খেলে বিপদও ডাকে!

​ফোলা কমাতে সাহায্য করে
আপেল সবসময় খোসা-সহ খেতে হবে। খালি পেটে খোসা-সহ আপেল খেলেও শরীর ফোলা কমাতে সাহায্য করে। আপেলের খোসায় থাকে ফ্ল্যাভোনয়েড কোয়ারসেটিন, যা শরীরে প্রদাহ কমায়। তাই শরীরের কোথাও ফোলাভাব থাকলে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে আপেল খাওয়া উচিত। সুস্থ থাকতে হলে সকালে চায়ের কাপের পরিবর্তে একটি আপেল তুলে নিন। এতে যেমন আপনার এনার্জি বাড়বে তেমনই স্বাস্থ্যের জন্য উপকার পাবেন। বলা হয়, সুস্থ শরীরের জন্য চাই সুন্দর মন। আর আপনার শরীর যদি সুস্থ থাকে তবে মনও ভালো থাকবে। কাজকর্মে উদ্যম ধরে রাখতে পারবেন।

30/10/2022

পাকাকলা এই দুটোই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। অনেকে মনে করেন কলাতে ক্যালোরি বেশি হওয়ায় তা ডায়েটের জন্য ভালো না, কিন্তু এ ধারণা ভুল। তবে কলার রকমফেরে কাঁচা থেকে পাকার মধ্যেও বদলে যায় তার গুণাগুণ। এজন্য শরীরের প্রয়োজন বুঝে তারপর কলা খেতে হবে।

১.কাঁচা অবস্থায় কলা সবুজ থাকে। পাকার সঙ্গে সঙ্গে হলুদ হয় সেই সঙ্গে পুষ্টিগুণও বদলাতে থাকে। রং দেখেই বোঝা যায় উপস্থিত উপাদানগুলোর পরিমাণ।

২.সবুজ কলায় রেসিস্ট্যান্ট স্টার্চের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি এবং শর্করার পরিমাণ কম থাকে। অ্যামিনো অ্যাসিড, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালশিয়াম, ফসফরাসের মতো উপাদানও থাকে যথেষ্ট পরিমাণে।

৩. কলা পাকার সঙ্গে সঙ্গে রেসিস্ট্যান্ট স্টার্চ শর্করায় পরিবর্তিত হতে থাকে। তাই হলুদ কলায় শর্করা বেশি। সেই সাথে এতে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের পরিমাণ বেশি থাকে।

৪.যে কলা একটু বেশি পাকার দিকে চলে যায় অর্থাৎ খয়েরি ছোপযুক্ত কলায় শর্করার পরিমাণ আরও বেশি। খয়েরি ছোপ যত বেশি, ততই বেশি শর্করা।

৫. সম্পূর্ণ খয়েরি কলা মানে সেটি অতিরিক্ত পাকা কলা। এতে শর্করা এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, দু’টিই সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে।

রোগ সারাতে কলা:

ডায়াবেটিক রোগীদের এখন আমরা কোনও ফল খেতেই মানা নেই, শুধু পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কলার ক্ষেত্রেও তাই। যদি কোনও রোগীর ডায়েটে ১০০-১৫০ গ্রাম ফল থাকে, তা হলে তার অর্ধেক অর্থাৎ ৫০-৭৫ গ্রাম কলা খাওয়া যাবে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তাদের পাকা কলা খাওয়া উচিত। এতে ফাইবার থাকায় পেট পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। আবার পেট খারাপের সমস্যায় ভুগলে কাঁচকলা খেলে উপকার পাওয়া যাবে। কলা পটাশিয়াম, মিনারেল, ভিটামিন সি-তে পরিপূর্ণ। তবে পটশিয়ামের মাত্রা বেশি থাকার কারণেই, যাদের রেনাল ফেলিয়োর রয়েছে বা কোনও অসুখের কারণে পটাশিয়াম খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে বলা হয়েছে, তাদের কলা না খাওয়াই ভাল। ভিটামিন, মিনারেলের পাশাপাশি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টও পাওয়া যায় কলায়।

30/10/2022

কাঁঠাল আমাদের সবার পছন্দের একটি ফল। কাঁঠালের মধ্যে রয়েছে অনেক পুষ্টি গুণাগুণ। আজ আমরা একজন পুষ্টিবিদের কাছ থেকে কাঁঠালের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানব।

এনটিভির নিয়মিত স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান স্বাস্থ্য প্রতিদিনের একটি পর্বে কাঁঠালের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বলেছেন বিআরবি হসপিটাল লিমিটেডের পুষ্টিবিদ ইশরাত জাহান।

পুষ্টিবিদ ইশরাত জাহান বলেন, কাঁঠাল আমাদের দেশি একটি ফল এবং খুবই সুস্বাদু। এটি মৌসুমি ফলও বটে। কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকে, যে আঁশটা আমাদের বাউয়েল মুভমেন্টকে সহায়তা করে। আমাদের সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। কাঁঠালের হলুদ যে অংশটা আমরা দেখি, সেটা পুরোপুরি ভিটামিন এ সমৃদ্ধ। ভিটামিন এ কিন্তু একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। আমাদের শরীরে প্রতিনিয়ত ফ্রি রেডিক্যালস তৈরি হয়। সেগুলো আমাদের অসুস্থতার অন্যতম কারণ। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের অসুস্থতারও কারণ। এমনকি এই ফ্রি রেডিক্যালসের কারণে আমাদের ক্যানসারও হতে পারে। আমাদের খেয়াল রাখতে হবে এই ধরনের খাবার যদি আমরা গ্রহণ করি, তাহলে অনেকটাই আমরা সুস্থ থাকতে পারব।

30/10/2022

বাজারে উঠেছে জিবে জল আনা জলপাই। সাধারণত ডালের সঙ্গে কিংবা আচার করেই জলপাই খায় সবাই। কিন্তু কাঁচা জলপাইয়ের পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। প্রতিদিন জলপাই খাওয়ার অভ্যাস করলে আপনার স্বাস্থ্য ভালো থাকবে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়বে।
জলপাইয়ের খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ। এই আঁশ নিয়মিত খাবার হজমে সাহায্য করে। পাশাপাশি পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত, বৃহদন্ত্র ও কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে এই ফল। গবেষণায় দেখা গেছে, এর তেলও খুব স্বাস্থ্যকর।
জলপাইয়ের পুষ্টিগুণ: প্রতি ১০০ গ্রাম জলপাইয়ে খাদ্যশক্তি ৭০ কিলোক্যালরি, ৯ দশমিক ৭ শর্করা, ৫৯ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি।
আসুন, জেনে নেওয়া যাক জলপাইয়ের কিছু উপকারিতা।
হৃদ্যন্ত্রের যত্নে: যখন কোনো মানুষের রক্তে ক্ষতিকর মুক্ত কণিকা (ফ্রি র্যা ডিকেল) ও কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায় তখন হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি থাকে। জলপাইয়ের তেল হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। জলপাইয়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে কমে যায় হৃদ্রোগের ঝুঁকি।
ক্যানসার প্রতিরোধে: কালো জলপাই ভিটামিন-ই–এর বড় উৎস। যা ফ্রি র্যা ডিকেল ধ্বংস করে। ফলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। জলপাইয়ের ভিটামিন-ই কোষের অস্বাভাবিক গঠনে বাধা দেয়। ফলে ক্যানসারের ঝুঁকি কমে।

Category

Website

Address


Muradpur Jalal Plaza
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Body Fitness posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Chittagong.