Health Care BD

Health Care BD

Share

E-commerce

30/03/2023

শরীর সুস্থ রাখতে হলে অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। তবে ব্যস্ততার কারণে আমরা নিয়মমতো পানি পান করতে ভুলে যাই।
পরিমাণমতো পানি পান না করলে শরীরের নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। 😔

আয়ুর্বেদ চিকিৎসা অনুযায়ী, শরীর সুস্থ রাখতে দিনের নির্দিষ্ট সময়ে সঠিক পরিমাণে পানি পান করা উচিত।
কোন সময়ে পানি পান সবচেয়ে ভালো–

১. ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে দুই গ্লাস পানি পান করা শরীরের জন্য সবচেয়ে ভালো। এই পানি পান করার ফলে শরীরের সব অঙ্গপ্রতঙ্গ সক্রিয় হয়ে উঠবে।😀

২. দুপুরের খাবার কিংবা রাতের খাবারের অন্তত আধাঘণ্টা আগে পানি পান করা উচিত। 😃

৩. গোসলের আগে এক গ্লাস পানি পান করতে পারেন। এতে উচ্চ রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকবে। 😊

৪. দুপুর ও রাতের খাবারের সময়ে পানি পান করতে ভুলবেন না। যখনই পিপাসা অনুভব করবেন তখনই পানি পান করবেন।😇

৫. খাবারের অন্তত আধাঘণ্টা আগে পানি পান করতে হবে। এতে হজমশক্তি ভালো হবে।🫠

27/03/2023

**লেমনগ্রাস খাওয়ার উপকারিতা**
# # থাইপাতা হিসেবে পরিচিত লেমনগ্রাস আমাদের দেশে সাধারণত থাই সুপ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

‘ঘাস খাও’- কথাটা ব্যঙ্গাত্মক অর্থে বুদ্ধিহীনতার উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার হলেও লেমনগ্রাস বা থাই পাতা খাওয়া কিন্তু মোটেই বোকার পরিচয় নয়।

থাই সুপ তৈরিতে এই পাতা ব্যবহার করা হয়। তাই লেমনগ্রাস আমাদের কাছে থাই পাতা নামে পরিচিত। এর সুগন্ধ মনকে সতেজ রাখতে সহায়তা করে।

শুধু তাই নয়, এর রয়েছে নানান উপকারী গুণ।

**হজমে সহায়তা করে:** চাইনিজ ঔষধি গাছ হিসেবে পরিচিত লেমনগ্রাস পাকস্থলির নানা রকম সমস্যা যেমন- কোষ্ঠকাঠিন্য, ফোলাভাব বা বদহজম থেকে রক্ষা করে। এতে রয়েছে পেট ঠাণ্ডা রাখার মতো উপাদান যা হজম ক্রিয়া উন্নত রাখে।

লেমনগ্রাসের প্রাথমিক উপাদান হল ‘সিট্রাল’ যা হজমে সাহায্য করে। তাই খাবারের পরে লেমনগ্রাস সমৃদ্ধ পানীয় পান উপকারী। এছাড়াও, গবেষণা থেকে জানা যায় যে, এটা পেশিকে আরাম দিতে সাহায্য করে এমনকি ‘পিএমএস’য়ের নানান লক্ষণ যেমন-মাথাব্যথা, পেশি ও অস্থির সংযোগস্থলের ব্যথা ইত্যাদি উপশমে সহায়তা করে। তাছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহনাশক উপাদান থাকায় তা নিয়মিত খাওয়া সার্বিকভাবেই শরীরের জন্য উপকারী।

**অ্যানিমিয়া দূর করে:** রক্তে লোহিত কণিকা বা হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার কারণে দেখা দেয় অ্যানিমিয়া।“সুস্থ লোহিত রক্ত কণিকার অভাবে রক্তে অক্সিজেনের সরবারহ কমে যায়। ফলে শরীর দুর্বল ও ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে লোহিত রক্ত কণিকা বাড়াতে লেমন গ্রাস ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।”

এতে ফলিক অ্যাসিড, তামা, থায়ামিন, লৌহ, দস্তা ইত্যাদি উপস্থিত থাকায় তা লোহত কণিকা বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়াও এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফার্মালজিকেল উপাদান।

মেডিকেল নিউজের করা এক গবেষণায় জানা গেছে যে, ৩০ দিন ধরে প্রতিদিন লেমনগ্রাস চা পান করা হলে তা হিমোগ্লোবিনের ঘনত্ব, কোষের ঘনত্বের পরিমাণ এবং দেহের লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা বাড়াতে সহায়তা করে।

**ওজন কমায়:** ‘লেমন গ্রাস টি’ সারা পৃথিবীতে ‘ডেটক্স টি’ হিসেবে পরিচিত। এটা বিপাক বাড়িয়ে ওজন কমাতে সহায়তা করে। লেমন গ্রাস প্রাকৃতিকভাবেই মূত্রবর্ধক হওয়ায় তা শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান দূর করে। এবং ওজন কমাতে সহায়তা করে।

**রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করে:** “রক্ত চাপ কমানোর প্রাকৃতিক ও কার্যকর উপায় হল লেমন গ্রাস।”

পুষ্টিবিদরা একে ‘সুপার ফুড’ বলে ব্যাখ্যা করেন। কারণ এতে আছে পটাসিয়াম যা, রক্ত সঞ্চালনকে উদ্দীপিত করে ও রক্তচাপ হ্রাস করে। “এটা যকৃত সুস্থ রাখে এবং অন্ত্র থেকে নিঃসৃত কোলেস্টেরল শোষণ করে শরীর সার্বিকভাবে সুস্থ রাখে।”

**উজ্জ্বল ত্বক ও চুলের জন্য:** ‘লেমন গ্রাস’ ব্যাক্টেরিয়া ও ফাঙ্গাসরোধী উপাদান সমৃদ্ধ এবং এটা ত্বক পরিষ্কার করতেও খুব ভালো কাজ করে।

‘লেমন গ্রাস’ ভিটামিন‘এ’ ও ‘সি’য়ের ভালো উৎস। যা ত্বক ও চুল সুন্দর রাখতে সহায়তা করে। এটা মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুলের ফলিকলকে শক্তিশালী করে, মাথার ত্বকের অস্বস্তি দূর করে। আর চুলকানির সমস্যা দূর করে।

এটা ত্বকের বাড়তি তেল শুষে নিয়ে ত্বককে পরিষ্কার করে। ব্রণ, একনি ও একজিমার মতো ত্বকের সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে সহায়তা করে।

27/03/2023

গ্যাস্টিকে পান পাতা।☘️

27/03/2023

প্রেসার হাই এবং লো হলে কি খাবেন?

13/03/2023

দ্রুত ওজন কমাতে খালি পেটে সকালে ও রাতে ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস পানির মধ্যে ২ চা চামচ চিয়া সিড ও ২ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে। খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে পানিতে সাধারণ তাপমাত্রায় ভিজিয়ে রাখতে হবে।

পুষ্টিবিদ সৈয়দা শিরিনা স্মৃতি বলেন, 'চিয়া সিড একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার৷ এতে আছে দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম, কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি, পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি আয়রন, কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম, মুরগির ডিম থেকে ৩ গুণ বেশি প্রোটিন, এতে আছে স্যামন মাছের চেয়ে ৮ গুণ বেশি ওমেগা-৩। তাই খাদ্য তালিকায় সপ্তাহে অন্তত ৩-৪ দিন চিয়া সিড রাখতে পারেন।'

চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা
১। চিয়া সিডে আছে ওমেগা-৩, যা হৃদরোগের ঝুঁকি ও ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে
২। এটি শরীরের শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ায়
৩। প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় চিয়া সিড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে
৪। মেটাবলিক সিস্টেমকে উন্নত করার মাধ্যমে এটি ওজন কমাতে সহায়তা করে
৫। চিয়া সিড ব্লাড সুগার (রক্তের চিনি) স্বাভাবিক রাখে, যা ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়
৬। এতে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, যা হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষ উপকারী
৭। চিয়া সিড কোলন পরিষ্কার রাখে। ফলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমে
৮। এটি শরীর থেকে টক্সিন (বিষাক্ত পদার্থ) বের করে দিতে সাহায্য করে
৯। চিয়া সিড পেটের প্রদাহজনিত বা গ্যাসের সমস্যা দূর করে
১০। ভালো ঘুম হতেও সাহায্য করে চিয়া সিড
১১। এই বীজ ক্যানসার রোধ করে
১২। চিয়া সিড হজমে সহায়তা করে
১৩। চিয়া বীজ হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথা দূর করে
১৪। চিয়া সিড অ্যাটেনশান ডেফিসিট হাইপার-অ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডার দূর করে
১৫। এটি ত্বক, চুল ও নখ সুন্দর রাখে

07/02/2023

কচু শাকের উপকারিতা জেনে নেই চলুন➡️

⏩কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় রক্তশূন্যতায় ভোগা মানুষদের কচুশাক খাওয়া একরকম আবশ্যক।
⏩কচুশাক রাতকানা ও চোখের ছানি পড়াসহ চোখের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে এবং দৃষ্টিশক্তি বুদ্ধি করে। এই কচু শাকে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে আঁশ বা ফাইবার, যা যেকোন খাবারকে দ্রুত হজম করতে সহযোগীতা করে।
⏩ডাক্তাররা বহু রোগীকে বলে থাকেন যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাঁরা যেন বেলায় বেলায় খাবারে কচুশাক আইটেম রাখেন।

⏩কচুশাকের আয়রন ও ফোলেট মানবদেহে রক্তের পরিমাণ বাড়ায়। যার ফলে অক্সিজেন সংবহন অবস্থা পর্যাপ্ত থাকে। এতে উপস্থিত ভিটামিনকে কা*টাছেঁড়া র*ক্তপাতের সমস্যা প্রতিরোধ করে।

⏩কচু শাকে বিদ্যমান নানা রকমের ভিটামিন ও খনিজ উপাদান গর্ভবর্তী মা ও শিশুর জন্য অনেক উপকারী।

⏩কচু শাক সহজ লভ্য তাই দরিদ্র পরিবারের গর্ভবতী মহিলারা ভিটামিন ও আয়রনের চাহিদা পূরণের জন্য এই কচুশাক খেতে পারেন।

⏩কচুশাক খেলে রক্তের কোলেস্টরেল মাত্রা কমে যায়, এবং উচ্চরক্ত চাপে ভোগা রোগীদের জন্য কচুশাক এবং কচু বেশ উপকারী। নিয়মিত কচুশাক খেলে কোলন ক্যান্সার ও ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে।

★➡️সতর্কতাঃ
অনেকের কচু শাক বা কচু খেলে গলা চুলকায় কারন অক্সলেট নামক একটি উপাদান থাকার কারণে। তাই কচু রান্না করার সময় লেবুর রস বা সিরকা ব্যবহার বাঞ্চনীয়।

❌তবে যাদের শরীরে অ্যালার্জির সমস্যা আছে তাদের কচু বা কচুশাক না খাওয়াই ভাল।

26/12/2022

পেঁপে-(Papaya)

আসসালামু আলাইকুম। 🤍
আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভাল আছেন। 😇
এখন আলোচনা করবো একটি মজাদার ফল পেঁপে নিয়ে। 🥰
স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকায় পেঁপের অবস্থান অন্যতম। এটি কাঁচা ও পাকা দুভাবেই খাওয়া হয়ে থাকে। কাঁচা অবস্থায় সবজি ও পাঁকা অবস্থায় ফল হিসেবে খাওয়া হয় পেঁপে। আর এটি পাওয়া যায় সারা বছরেই।🙂
এত সুস্বাদু খাবার হওয়ার পাশাপাশি কাঁচা পেঁপের রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। তাই বিশেষজ্ঞরা একে 'সুপারফুড' হিসেবেও আখ্যায়িত করে থাকেন। শরীরকে সুস্থ রাখতে ও শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করার পাশাপাশি এটি জ্বর নিরাময়ে, পেটের সমস্যা দূর করতে, গ্যাস্ট্রিক এবং বদহজমেও অনেক উপকারী।

জানুন কাঁচা পেঁপের বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে—

১. এনজাইমের উৎস
কাঁচা পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম থাকে। এতে কেমোপেইন, প্যাপিন, পাইপাইন ও সাইমোপ্যাপিনের মতো উপাদান থাকে। এগুলো কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন চর্বি দূর করতে সাহায্য করে।

২. পেটের জন্য উপকারী
এটি পেটের জন্য অনেকটা ওষুধের মতো কাজ করে থাকে। কাঁচা পেঁপে কোলনের জন্য এবং পেটের পচন প্রকৃয়ার জন্য অনেক ভালো। এটি পেটে গিয়ে অনেকটা ঝাড়ুর মতো করে পেটকে পরিষ্কার করে ফেলে। আর এতে থাকা ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য, পাইলস, ডায়রিয়া ও গ্যাসের সমস্যা নিরাময়ে অনেক কার্যকরী।

৩. ত্বকের জন্য ভালো
কাঁচা পেঁপে মৃত কোষকে দূর করতে কার্যকরী। আর এতে থাকা ফাইবার আমাদের শরীরের ভেতরেও পরিষ্কার করে। তাই এটি খেলে ব্রণ ও ত্বকের নানা সমস্যা দূর করতে অনেক ভালো কাজ করে।

৪. পুষ্টির উৎস
ব্রিটিশ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, কাঁচা পেঁপেতে গাজর ও টমেটোর চেয়েও অনেক বেশি ক্যারটিনয়েডস পাওয়া যায়। তাই এটি আমাদের শরীরের ক্যারটিনয়েড ও ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করে পুষ্টির উৎস হিসেবে কাজ করে।
এ ছাড়া কাঁচা পেঁপে হাঁপানি, অস্টিও আর্থারাইটিস, গাউট, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের রোগের উপকারে এবং হার্টকে ভালো রাখতে অনেক কার্যকরী।
তো উপকারীতা গুলো পাওয়ার জন্য পেঁপে খাবেন তো😉

12/12/2022

পুদিনা-(Mint).

পুদিনা পাতার উপকারিতাঃ

পুদিনা পাতায় পাওয়া যায় ‘পলিফেনল’ যা একে ঔষধি গুণ দেয়। হাঁপানি, পেটের গোলমাল সারাতে তাই পুদিনা পাতা বিশেষ উপকারী।"অপরদিকে এর ক্যালরি, প্রোটিন, চর্বি সবকিছুরই মাত্রা কম। ভিটামিন এ, সি আর বি – কমপ্লেক্স মেলে পুদিনা পাতা থেকে, যা ত্বকের যত্নে আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অত্যন্ত জরুরি উপাদান। এছাড়াও এই পাতায় মেলে লৌহ, পটাসিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজ। এই খনিজ উপাদানগুলো রক্তে ‘হিমোগ্লোবিন’য়ের মাত্রা বাড়ায় এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা অটুট রাখে।

হজমে সহায়ক: ‘অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট’, ‘মেন্থল’ আর ‘ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট’য়ের প্রাচুর্য থাকে পুদিনা পাতায়। এই উপাদানগুলো হজমের জন্য প্রয়োজনীয় ‘এনজাইম’ তৈরি করে। পুদিনা পাতার ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’য়ের আছে শক্তিশালী জীবাণুনাশক ক্ষমতা। পাশাপাশি তা পাকস্থলিকে শীতল করে, অম্লীয় খাবার সামাল দিতে সাহায্য করে। ফলে পেটের গোলমাল কমে।

হাঁপানি কমায়: নিয়মিত পুদিনা পাতা খাওয়ার অভ্যাস করতে পারলে বুকে কফ জমতে পারেনা। এখানে মুখ্য ভূমিকা থাকে ‘মেন্থল’য়ের, যা ফুসফুসে আটকে যাওয়া ‘মিউকাস’ ছাড়ায়। এছাড়াও নাকের ফুলে ওঠা ‘মেমব্রেন’কে সারিয়ে তোলে ‘মেন্থল’। ফলে শ্বাস নেওয়ার কষ্ট দূর হয়। তবে অতিরিক্ত খাওয়া ঠিক নয়, নতুবা শ্বাসনালীতে অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।

30/11/2022

আদাঃ

কথায় বলে ‘আদা সকল রোগ নিরাময়ে দাদা’। যার অর্থ আমাদের শরীরে সব রোগ নিরাময়ের জন্য আদা যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে সক্ষম। আদায় রয়েছে পটাশিয়াম, আয়রণ, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালশিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, জিংক, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন এ, বি৬, ই ও সি এবং অ্যান্টি–ব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট ও অ্যান্টি–ইনফ্লামেটরি এজেন্ট বিদ্যমান। যার কারণে সব বয়সী মানুষ আদা খেতে পারেন, বিশেষ করে শিশুদের জন্য আদা–মধু–জল সুস্থ দেহ ও সতেজ মনের জন্য খুবই কার্যকর।

জেনে নেওয়া যেতে পারে আমাদের কোন কোন সমস্যা নিবিড়ভাবে কাজ করে আদা।

আমাশয়, পেটফাঁপা, পেটব্যথা
যাঁরা এসব সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য খাওয়ার পর এক কাপ গরম পানিতে এক চা–চামচ আদার রস মিশিয়ে খেলে আমাশয়, পেটফাঁপা, পেটব্যথা দূর হবে। যাঁরা এ সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন, তাঁরা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস ও মধু, একত্রে এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে দিনে এবং রাতে নিয়মিত খেলে সুফল পাবেন।

হাঁপানি ও ফুসফুসে সংক্রমণ
ফুসফুসের ধমনিতে কোনো সংক্রমণ থাকলে এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হলে অথবা হাঁপানি থাকলে প্রতিদিন দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস, মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খেলে এবং ঠান্ডাজাতীয় খাবার এড়িয়ে চললে ১৫ দিনের মধ্যে এর সুফল পাবেন।

শরীরের ভেতরের বায়ু ও কোষ্ঠবদ্ধতা, পেটে গ্যাস, কোনো খাবার খেলেই গ্যাস বের হতে থাকে, সেই সঙ্গে কোষ্টকাঠিন্য, প্রতিদিন মলত্যাগ হয় না, মলে দুর্গন্ধ এবং শক্ত, তাঁদের জন্য প্রথম সাত দিন এক চা–চামচ আদার রস এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে ছয় থেকে সাতবার খেতে হবে। এতে সমস্যার কিছুটা সমাধান হবে; তারপর প্রতিদিন দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস ও মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খেতে হবে। তাহলে গ্যাসের স্থায়ী সমাধান মিলবে। মনে রাখতে হবে, গ্যাসের সমস্যার প্রধান কারণ শরীর বিরুদ্ধ খাবার; আসলে যে খাবার আপনার শরীরের জন্য ক্ষতিকর তা এড়িয়ে গেলে কোনো ওষুধেরই প্রয়োজন হয় না।

অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, হাড়ের জয়েন্টের ব্যথা
মূলত এ রোগগুলোর কোনো স্থায়ী সমাধান নেই। শরীরের ওজন ঠিক রেখে, নির্দিষ্ট ব্যায়াম ও দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস, মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খেলে এর তীব্রতা কমে। যেহেতু এ রোগ হওয়ার অন্যতম কারণ শরীরে পানি ও ক্যালসিয়াম ঘাটতি, সেহেতু পানি খাওয়ার প্রবণতা বাড়াতে হবে।

30/11/2022

আপনি কি আপনার রোগা ও চিকন শরীর নিয়ে চিন্তিত?🤔🤔

আপনার আপনার চিন্তা দূর করার জন্য নিয়ে এসেছি " ওয়েট গেন মিল্ক সেক এবং চকলেট সেক"

এখন আপনি ও চাইলে ১০-২৫ কেজির মতো ওজন বাড়াতে পারেন অনায়াসে 🤗

আমাদের প্রত্যেক টি প্রোডাক্ট ন্যাচেরাল এবং বাংলাদেশ সাইন্স ল্যাব কতৃক অনুমোদিত তাই সাইড এফেক্ট এর কোনো ভয় নেই।

সাথে পাচ্ছেন মানি রির্টান গ্যারেন্টি। আমার সারাদেশে ক্যাশ অন হোম ডেলিভারি দিয়ে থাকি। সুতরাং থাকছে প্রোডাক্ট চেক করে টাকা পরিশোধ করার সুযোগ।

অর্ডার করতে এখনই পেইজে মেসেজ করুন অথবা ফোন করুন 📞📞01914508611

Category

Address


Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health Care BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Chittagong.