Anjali Beauty Concept

Anjali Beauty Concept

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Anjali Beauty Concept, Tanning salon, 216, V. I. P. Tower Shopping Mall, (1st floor), Kazir Dewary, Chittagong.

Photos from Anjali Beauty Concept's post 05/12/2014

চুল পড়া সমস্যাও কী কী কারণে চুল পড়েঃআরচিকিৎসা

Mar
24
চুল পড়া সমস্যাও কী কী কারণে চুল পড়েঃআরচিকিৎসা
মানুষের চুল প্রতি মাসে আধা ইঞ্চি করে বড় হয়। স্বাভাবিকভাবে একটি চুল দুই থেকে চার বছর পর্যন্ত বড় হতে থাকে। এরপর বৃদ্ধি কমে যায় ও কয়েক দিনের মধ্যে আপনা-আপনি পড়ে যায়। যদি কোনো কারণে বেশি পরিমাণে চুল বর্ধনশীল অবস্থা থেকে স্থিতিশীল অবস্থায় (পরিণত অবস্থায়) চলে আসে তবে চুল পড়ার পরিমাণ চুল তৈরি হওয়ার চেয়ে বেশি হবে।
bangla beauty tips

কী কী কারণে চুল পড়েঃ

অ্যান্ড্রোজেনের কারণে চুল পড়া:

অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন যেমন টেস্টোস্টেরন, অ্যান্ড্রোস্ট্রেনডিয়ন, ডিএইচটি হরমোনগুলো সাধারণত পুরুষের বেশি ও মহিলাদের কম পরিমাণে থাকে। এ হরমোনগুলো হেয়ার ফলিকলের ওপর কাজ করে ও চুল পড়া ত্বরান্বিত করে। সে কারণে পুরুষের চুল বেশি পড়ে। তবে সবারই যে পড়বে তা নয়, যাদের এসব হরমোনের প্রভাব বেশি তাদের বেশি করে চুল পড়ে। পুরুষের চুল পড়া বা টাক পড়া সাধারণত ২০ বছর থেকেই শুরু হতে পারে। এটিকে বলে মেল প্যাটার্ন অব হেয়ার লস বা পুরুষালি টাক। অর্থাৎ কপাল থেকে শুরু করে পেছন দিকে চুল উঠতে থাকে।
মহিলাদের মেনোপজের সময় ও পরে অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোনগুলো আনুপাতিক হারে বেড়ে যায়, তখন চুল বেশি করে পড়তে শুরু করে। তবে এ ক্ষেত্রে ফিমেল প্যাটার্ন অব হেয়ার লস হয়ে থাকে। শুধু কপালের দিক থেকে নয়, চুল পড়া শুরু হয় পুরো মাথা থেকেই। ধীরে ধীরে চুলের ঘনত্ব কমে যায়। অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোনই মেয়েদের চুল পড়া ও ছেলেদের টাকের সবচেয়ে বড় কারণ।
স্ট্রেস বা মানসিক চাপ:

দুশ্চিন্তায় ভুগলে বা মানসিক সমস্যা থাকলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি করে চুল পড়তে পারে। তবে এ চুল পড়া সাময়িক এবং পুনরায় চুল গজায়। তবে দীর্ঘদিন মানসিক দুশ্চিন্তায় থাকলে বা দুশ্চিন্তা কাটিয়ে উঠতে না পারলে অনেক বেশি চুল পড়ে যেতে পারে।

হরমোনাল পরিবর্তন:

হরমোনের কমবেশি হওয়ার কারনে চুল উঠে যেতে পারে। যেমন থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা কম বা বেশি হলে, গর্ভবতী অবস্থায় এবং বাচ্চার জন্মের পর হরমোনাল ভারসাম্য পরিবর্তিত হয় বলে তখন চুল বেশি পড়ে। হরমোনের এ পরিবর্তন আবার আগের অবস্থায় ফিরে গেলে পুনরায় চুল গজায়। তবে তা আগের অবস্থায় যেতে এক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

কেমোথেরাপির পর:

ক্যান্সার চিকিৎসায় কেমোথেরাপি দেয়ার পর চুল উঠে যায়। এর কারণ কেমোথেরাপিউটিক ড্রাগসগুলো বর্ধনশীল কোষের ওপর কাজ করে। কেমোথেরাপির প্রথম ডোজ দেয়ার দুই-তিন সপ্তাহ পর চুল পড়া শুরু হয় এবং কেমোর সর্বশেষ ডোজের তিন-চার মাস পর পুনরায় চুল গজানো শুরু হয়।
ট্রাকশন অ্যালোপেসিয়া:

চুলের বিশেষ কোনো স্টাইলের জন্য যদি দীর্ঘদিন খুব টেনে চুল বাঁধা বা টাইট করে খোঁপা বা ব্যান্ড করা হয় তবে এ ধরনের চুল পড়া শুরু হয়। দীর্ঘদিন এক রকম চুল বাঁধার কারণে চুল পড়া পুনরায় আগের অবস্থায় ফিরে যায় না। ফলে টেনে বাঁধার কারণে এ চুল পড়া স্থায়ীভাবে হেয়ার লসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। খুব বেশি পরিমাণে কালারিং এজেন্ট, বিলচিংসামগ্রী, চুল সোজা করা বা ক্রমাগত রিবল্ডিং করানো ও ঘনঘন চুল পার্ম করার সামগ্রী ব্যবহার করলে চুল পড়ার হার বেড়ে যায়। বিশেষ করে প্রোডাক্টগুলো যদি উন্নতমানের না হয় সে ক্ষেত্রে চুল বেশি করে পড়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রেই আবার চুল ওঠে; কিন্তু অনেক সময় হেয়ার ফলিকলের স্থায়ী ক্ষতি হয়ে গেলে চুল আবার নাও গজাতে পারে।
অসুখের কারণে চুল পড়া:

কিছু অসুখে যেমন অ্যানিমিয়া, টাইফয়েড, জন্ডিস, ম্যালেরিয়া, ডায়াবেটিস ইত্যাদিতে চুল পড়ে যেতে পারে। অনেক সময় অসুখ ভালো হওয়ার পরও চুল আর আগের অবস্থায় ফিরে যায় না।

ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া:

কোনো কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় চুল পড়তে পারে, যেমন জন্মনিয়ন্ত্রণের বড়ি, প্রেসারের ওষুধ, রক্ত তরলিকরণের ওষুধ, হরমোন, অ্যান্টিসাইকোটিক বা মানসিক অসুস্থতার ওষুধ ইত্যাদি।
চুল সম্পর্কে ভুল ধারণা:

bangla beauty tips

চুল সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা রয়েছে যেমন-
প্রতিদিন শ্যাম্পু করলে চুল পড়ে যায়। আসলে শ্যাম্পু করলে মাথার চামড়া পরিষ্কার থাকে। তবে সব শ্যাম্পু প্রতিদিন ব্যবহার করা যায় না। প্রতিদিন ব্যবহারের কিছু শ্যাম্পু আছে, যা ব্যবহার করলে কখনোই চুল পড়ে না।
দিনে ১০০ বার চুল আঁচড়ালে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে বলে অনেকেই বলেন। চুল বেশি আঁচড়ালে টান লেগে বরং চুল পড়ার হার বেড়ে যায়। দিনে পাঁচ-ছয়বার আঁচড়ানোই যথেষ্ট।
চুল বারবার কামালে ঘন চুল ওঠে বলে ছোটবেলায় আমরা অনেকেই মাথা ন্যাড়া করেছি। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। বেশিবার কামালে হেয়ার ফলিকল ক্ষতিগ্রস্ত হয়, এতে বরং চুল কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
তেল দিলে চুল ঘন হয় বলে মনে করেন বেশির ভাগ মানুষ। বাস্তবে চুল ঘন হওয়ার সঙ্গে তেলের কোনো সম্পর্ক নেই। তবে চুল তেল দিয়ে মসৃণ রাখলে জট লেগে চুল ছেঁড়ার আশঙ্কা কম থাকে।
গরম তেল মালিশ করলে চুল স্বাস্থ্যোজ্জ্বল থাকে বলেও কারো কারো ধারণা। কিন্তু গরম তেল হেয়ার ফলিকলে ক্ষতি করতে পারে। অবশ্য সাধারণ তাপমাত্রার তেল দিয়ে ম্যাসেজ করলে চুলের গোড়ার রক্তসঞ্চালন খানিকটা বাড়ে।
চুল টাইট করে বেণি করে ঘুমালে চুলের বৃদ্ধি বেশি হয় বলে মেয়েরা মনে করে। কিন্তু বেশি টাইট করে না বাঁধাই ভালো। এতে চুল উঠে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
কীভাবে বুঝবেন চুল পড়ছে:

দৈনিক ১০০টা পর্যন্ত চুল পড়া স্বাভাবিক। কিন্তু এর চেয়ে বেশি পড়লে তা অবশ্যই উদ্বেগের কারণ। বালিশ, তোয়ালে বা চিরুনিতে লেগে থাকা চুল গুনতে চেষ্টা করুন। অন্তত পরপর তিন দিন। অথবা অল্প এক গোছা চুল হাতে নিয়ে হালকা টান দিন। যদি গোছার চার ভাগের এক ভাগ চুলই উঠে আসে তবে তা চিন্তার বিষয়।
চিকিৎসা

ওষুধের মাধ্যমে:

বাজারে চুল পড়া রোধের জন্য মিনোক্সিডিল নামের ওষুধ পাওয়া যায়। এটি যেখান থেকে চুল পড়ছে সেখানে লাগাতে হবে। এটি নারী ও পুরুষ উভয়েই ব্যবহার করতে পারেন। এতে কাজ না হলে অন্য চিকিৎসা নিতে হবে।

লেজার থেরাপি এলএইচটি:

লেজার থেরাপি হেয়ার ফলিকলগুলোকে আবার সজীব করে। এমনিতে প্রতিদিনই চুল পড়ে ও নতুন চুল গজায়। কিন্তু বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বা অন্য কোনো অসুস্থতার ফলে যে পরিমাণ চুল পড়ে যায়, সেই পরিমাণ গজায় না। লেজার থেরাপি চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন ৫৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয় ও ফলিকলগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করে। চুলের গোড়া ও কাণ্ডের গঠন দৃঢ় করে। চুলের অকাল পতন রোধ করে।
এটি আধঘণ্টা পরে প্রতি সপ্তাহে এক দিন হিসেবে, সাধারণত ছয় মাস পর্যন্ত নিতে হয়। লেজার থেরাপির পাশাপাশি মিনোক্সিডিলও ব্যবহার করতে হয়।
হেয়ার ফলিকল রিপ্লেসমেন্ট:

এটি এক ধরনের মাইক্রোসার্জারি বা সূক্ষ্ম অপারেশন। এতে চুল পড়ে যাওয়া অংশে হেয়ার ফলিকল ইমপ্লান্ট করা হয়। অপারেশনটিতে প্রাই দুই ঘণ্টা সময় লাগে। অপারেশনের পরদিনই রোগী বাসায় চলে যেতে পারেন। সাধারণত মোট দুই-তিনটি সিটিং লাগে।

Photos 05/12/2014

সুন্দর ত্বকের জন্য ডিপ ক্লিনজিং

ত্বক নরম-কোমল ও মসৃণ রাখার প্রথম এবং প্রধান শর্তই হচ্ছে ত্বককে পরিচ্ছন্ন রাখা। আমাদের ত্বকের জমে থাকা ধুলো-ময়লা, পুরনো মেকআপ বা কসমেটিকস, অতিরিক্ত তেল, ঘাম ইত্যাদি যথাযথভাবে পরিষ্কার করাকেই বলা হয় ক্লিনজিং। আর এ ক্লিনজিং হয় দুই রকমের সাধারণ ক্লিনজিং ও ডিপ ক্লিনজিং। ঘরে বসে ত্বকের ক্লিনজিং করবেন কীভাবে?

প্রথমে বরং আমরা জেনে নেই ক্লিনজিং কেন করব?
এর কারণ হচ্ছে, সঠিকভাবে ত্বক পরিষ্কার করলে ত্বক শুধু মসৃণ ও উজ্জ্বলই হয় না, ত্বকের নানারকম সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। কারণ ত্বকে ময়লা জমে থাকলে ব্রণসহ নানারকম সমস্যা হয়। ত্বকের ক্লিনজিং করা হয় সাধারণত দু’রকম। একটা হচ্ছে সাধারণ ক্লিনজিং, আর একটা ডিপ ক্লিনজিং। সাধারণ ক্লিনজিং হচ্ছে বাইরে থেকে ফিরে ক্লিনজিং লোশন দিয়ে ত্বক ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলা। কিন্তু ডিপ ক্লিনজিংটা অবশ্যই বিশেষ পদ্ধতিতে একটু সময় নিয়ে করতে হবে।
ত্বক বুঝে ক্লিনজিং
ক্লিনজিং করার আগে অবশ্যই ত্বকের ধরন বুঝে নিতে হবে। তারপর ত্বকের ধরন অনুযায়ী ক্লিনজার বেছে নিন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ডিপ ক্লিনজিংটা বেশি জরুরি। কারণ তৈলাক্ত ত্বকে ধুলো-ময়লা জমে বেশি। এর ফলে লোমকূপ বন্ধ হয়ে যায়। তখন ত্বকে ব্রণ, ব্ল্যাক ও হোয়াইট হেডস সমস্যা দেখা দেয়। এ ধরনের ত্বকের জন্য অ্যাস্ট্রিনজেন্ট সমৃদ্ধ ক্লিনজার উপযোগী। এতে ত্বক পরিষ্কারও হয়, ত্বকের আর্দ্রতাও বজায় থাকে। আর শুষ্ক ও স্বাভাবিক ত্বকের জন্য উপযোগী হচ্ছে ক্লিনজিং মিল্ক বা লোশন।
যেভাবে করতে হবে
প্রথমে মুখটা টিস্যু দিয়ে মুছে নিন। এরপর তৈলাক্ত ত্বক হলে তুলোর সাহায্যে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট লোশন বা ওয়াটার বেসড লোশন সারা মুখে লাগান। আর শুষ্ক ও স্বাভাবিক ত্বক হলে ক্লিনজিং লোশন মুখে লাগিয়ে আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। এর পর মুখে পানির ঝাপটা দিয়ে ধুয়ে নিন। এতে বাড়তি লোশন ধুয়ে যাবে। এরপর গরম পানির ভাপ লাগিয়ে মুখ স্ট্রিম করুন মিনিট পাঁচেক। গরম পানিতে রুমাল ভিজিয়ে পানি নিংড়ে মুখে চেপে ধরেও স্ট্রিম নিতে পারেন। এরপর ব্ল্যাক হেডস, হোয়াইট হেডস চেপে বের করুন। তারপর স্ক্রাব লাগিয়ে হালকা ম্যাসাজ করুন। এরপর ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে মুখ ধুয়ে তোয়ালে দিয়ে হালকাভাবে চেপে মুছে ময়েশ্চারাইজার লাগান। শুষ্ক ত্বকে স্ক্রাবার না লাগানোই ভালো। আর ক্লিনজিংয়ের পর ত্বকে আইস থেরাপি বা বরফ ঘষা ভালো। কারণ লোমকূপ বড় হয়ে গেলে স্ট্রিম নেয়ার পর লোমকূপ খুলে যায়। ওটা বন্ধ করার জন্য বরফ ঘষতে হয়। বাজারে কেনা ময়েশ্চারাইজার লাগাতে না চাইলে হাতে সামান্য মধু নিয়ে পানি মিশিয়ে মুখে লাগান। অলিভঅয়েলের সঙ্গে পানি মিশিয়েও লাগাতে পারেন।
আরও কিছু টিপস
x কচি শসা ব্লেন্ড করে মুখে লাগিয়ে রেখে ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক ভালো পরিষ্কার হবে।
× তরমুজের লাল অংশ খাওয়ার পর সাদা শাসটা ত্বক খুব ভালো পরিষ্কার করে।
× পাকা টমেটো ও করলার রসও ত্বক পরিচ্ছন্নতায় উপকারী।
× বেবি অয়েল ও ভেজিটেবল অয়েলও ত্বক পরিষ্কার করে।
× কাঁচা দুধ তুলোর সাহায্যে ত্বকে সার্কুলার মুভমেন্টে ঘষুন। ১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
× লেবুর খোসা শুকিয়ে গুঁড়া করে রেখে দিন। পানিতে গুলিয়ে এটা স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
× আপেলের পাতলা স্লাইস ত্বকের ওপর বিছিয়ে রাখুন। অতিরিক্ত তেল শুষে নেবে।
× আপেলের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগান। এরপর টক দইয়ের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক পরিষ্কার ও উজ্জ্বল হবে।

Photos 05/12/2014

মুখের কালো দাগের চিকিৎসা

খের কালো দাগ বিভিন্ন কারণেই হয়ে থাকে। সাধারণভাবে দাগ বলতে আমরা কেবল মেছতাকেই বুঝি। মেছতা ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের কালো দাগ মুখে হতে দেখা যায় নানা রোগের কারণে।
প্রথমেই মেছতার কথায় আসা যাক। মেছতা সাধারণত কালো বা বাদামি রঙের দাগ, যা মুখমণ্ডলের যে কোনো স্থানেই হতে পারে। মেছতা সাধারণত মেয়েদেরই বেশি হয়ে থাকে। মেছতা হওয়ার প্রকৃত কারণ এখনও আবিষ্কৃৃত হয়নি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এর কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে হরমোনের তারতম্যজনিত কিছু রোগ, জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন, ইস্ট্রোজেন হরমোন গ্রহণ, গর্ভাবস্থা এবং সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি ইত্যাদি কারণে মেছতা হতে ও যাদের সামান্য মেছতা আছে তা বাড়িয়ে তুলতে পারে। মেছতার ক্ষেত্রে বংশগত প্রভাবও বিদ্যমান। যাদের পূর্বসূরিদের মধ্যে মেছতা থাকে তাদের উত্তরসূরিদের মধ্যে এর প্রভাব ঝুঁকি থাকে খুবই বেশি। সূর্যরশ্মির প্রভা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যে কোনো মেছতার গাড়ত্ব সূর্যরশ্মির প্রভাবে বেড়ে যায়। তাই সূর্যরশ্মির আলো সব সময় এড়িয়ে চলতে হবে। আর যদি সূর্যের আলোতে যেতেই হয় তাহলে মুখ ঢেকে যেতে হবে। সেটা হতে পারে একটি ছোট্ট ছাতা, কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে রাখা কিংবা সানস্ক্রিন লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করলেও সূর্যের অতি বেগুনি প্রভাব থেকে মুক্ত থাকা যায়। অনেকে আবার ভাবেন সূর্যরশ্মির মতো চুলার আগুনেও এর ক্ষতি হয়। ধারণাটি সম্পূর্ণই ভুল। চুলার আগুনের তাপে মেছতার কোনো ক্ষতি হয় না।

মনে রাখতে হবে, মুখের সব কালো দাগই মেছতা নয়। মেছতার ক্ষেত্রে কোনো রকম উপসর্গ থাকে না এবং চুলকাও না। শুধু দেখতে যা অসুন্দর লাগে। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে তাদের জন্য ভীষণ মানসিক সমস্যার সৃস্টি করে। মুখের ত্বক খুবই নাজুক, তাই মেছতা চিকিৎসার ব্যাপারে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়েই চিকিৎসা করা উচিত। যাদের মেছতা আছে তারা রোদে যাওয়ার আগে সূর্যের রশ্মিকে এড়াতে সানস্ক্রিন বা লোশন লাগাবেন। এ ছাড়া ইতিমধ্যেই যারা মেছতাই ভুগছেন তারা ২ শতাংশ হাইড্রোকুইনন ক্রিম ব্যবহার করে দাগ দূর করতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে, যে কারণে এ দাগ হয়েছে তার কারণ দূর করা না হলে মেছতা সেরে গিয়ে আবার হতে পারে। তবে এ কথাও ঠিক, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেছতার কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। মুখের কালো দাগ আবার কিছুসংখ্যক ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমেও হতে পারে। যেমন_ সোরালিন, আর্সেনিক, এন্টিএপিলেপ্টিক, ফেনোথায়াজিন ইত্যাদি। কিছু কিছু হরমোন গ্রন্থির রোগ যেমন_ এডিসনস ডিজিস, হাইপারথাইরয়েডিজম ইত্যাদি রোগের কারণেও দাগ তৈরি হতে পারে। ফ্রিকলস নামে একটি রোগ প্রায় দেখা যায়। সাধারণত এটি কম বয়সেই শুরু হয়ে শরীরের যেসব খোলা অংশে সূর্যের আলো পড়ে যেমন_ মুখ ও হাত ইত্যাদি স্থানে ১ থেকে ৬ মিলিমিটার সাইজের অসংখ্য সংখ্যায় ছোট ছোট কালো দাগ বা বাদামি রঙের দাগ হতে দেখা যায়।

ফ্রিকেল নিয়ে রোদে চলাচল করলে এ দাগ আরও কালো হতে থাকে। তাই মুখে যাদের ফ্রিকেলযুক্ত দাগ আছে তারা রোদে গেলে অবশ্যই সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করে নেবেন রোদে যাওয়ার আগে। লেন্টিগো নামে আরও একটি রোগ আছে, যার কারণে মুখে কালচে ও বাদামি রঙের দাগ হতে দেখা যায়। এ দাগ ফ্রিকেলের মতো পরিমাণে অসংখ্য হয় না এবং এ দাগ রোদে গেলে বাড়েও না। যদিও ফ্রিকেল নিয়ে রোদে গেলে দাগের গাঢ়ত্ব বাড়তে থাকে। আয়তনের দিক দিয়েও দাগগুলো একটু বড় হতে পারে। অর্থাৎ কয়েক মিলিমিটার থেকে সেন্টিমিটার পর্যন্ত সাইজের হতে পারে। ফ্রিকেল যেমন শুধুই শরীরের অনাবৃত অংশে হয়, লেন্টিগো কিন্তু তেমন নয়। আবৃত-অনাবৃত উভয় অংশেই হতে পারে।

ন্যাভাস ও ম্যালানোমা নামে আরও দুটি রোগ আছে, যার কারণে মুখ বা শরীরে কালো ও বাদামি রঙের দাগ হতে পারে। কয়েক ধরনের ন্যাভাস আছে_ যার মধ্যে জাংসানাল, ন্যাভাস দেখতে ফ্রিকেল আর লেন্টিগোরই অনুরূপ। সাধারণত ন্যাভাস ক্ষতিকারক হয় না, তবে ডেসপ্লাস্টিক ন্যাভাস হলে অবশ্যই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

ম্যালানোমা কখনও কখনও কালো দাগ নিয়ে মুখে উঠতে পারে, যা সব সময় নির্ণয় ও চিকিৎসা গ্রহণে ব্যর্থ হলে জীবনের ওপর ঝুঁকি চলে আসতে পারে।
সেবোরিক কেরাটোসিস নামে আরও একটি চর্মরোগ আছে, যা মুখে হতে দেখা যায়। এক্ষেত্রেও মুখে কালো বা বাদামি রঙের দাগ হতে দেখা যায়। হঠাৎ করে দেখা দেওয়া এবং ক্রমান্বয়ে বড় হওয়ার কারণে অনেকেই আবার এটাকে ত্বকের ক্যান্সার বলে ধারণা করেন। এ ছাড়াও আরও কিছু কিছু রোগ আছে, যার কারণে মুখের ত্বকের গায়ে কালো রঙ দেখা দেয়। তাই সবক্ষেত্রে এটাকে হালকাভাবে না নিয়ে উপযুক্ত ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়াই উত্তম।

Photos 05/12/2014

চোখের যত্নে প্রয়োজনীয় কিছু টিপস

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন। ক্লকওয়াইজ ও এন্টি ক্লকওয়াইজ চোখের মণি ঘুরিয়ে চোখের ব্যায়াম করুন। মাঝে মাঝে গোলাপ পানিতে চোখ ধোয়ার অভ্যাস করুন। যারা বেশি মানসিক পরিশ্রম করেন, অনিয়মের মধ্য দিয়ে দিন কাটান, অনিদ্রা কিংবা রক্ত স্বল্পতায় ভোগেন তারাই চোখের নিচে কালি বা চোখের চারধারে বলিরেখা এই সমস্যায় আক্রান্ত হন। এই সমস্যার হাত থেকে রেহাই পেতে -
- আলু কিংবা শসার টুকরো চোখের ওপর দিয়ে ১০ মিনিট চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নিন। ক্লান্তি কাটবে। চোখের তলায় কালি থাকলে দূর হবে।
- বিশেষজ্ঞের মতামত নিয়ে আন্ডার আই ক্রিম ব্যবহার করুন।
- যখন তখন চোখে হাত দিবেন না ও অযথা চোখ ঘষবেন না। ময়লা থেকে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ঘষাঘষিতে চোখের নরম ত্বকে বলিরেখা পড়ে।

- মুলতানি মাটি ও কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দইয়ের সাথে মিশিয়ে চোখের নিচে লাগালে উপকার পাবেন।
- তুলসি পাতাবাটা ও চন্দনবাটা গোলাপ পানি দিয়ে মিশিয়ে চোখে লাগান।
- ঠান্ডা টি-ব্যাগ চোখের পক্ষে আরামদায়ক।
- ভিটামিন এ এবং ডি যুক্ত খাবার খাওয়া প্রয়োজন। গাজর, বিট, পেঁপে, ইত্যাদি পুষ্টিকর শাক-সবজি ও ফল খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।
- আধাঘন্টা নিয়মিত স্কিপিং, জগিং, সাঁতার, হাঁটা, দৌড়ানো যেকোন ধরনের ব্যায়াম করা খুবই ভালো।
- সাজগোজের সময় ভালো ব্র্যান্ডের মেকআপ ব্যবহার করা উচিত।

Photos 05/12/2014

রাতে চুলের যত্ন

ঘুমাতে যাওয়ার আগে চুলের যত্ন নেয়া প্রয়োজন। চুল ভালো করে আঁচড়িয়ে নিন। মেটালের চিরুনি ব্যবহার না করে প্লাস্টিকের বড় দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করুন। সহজেই চুলের জট ছেড়ে যাবে। বিশেষ ধরনের কোনো হেয়ারস্টাইল করলে বা চুল বাঁধলে প্রচুর ক্লিপ, বিডস দিয়ে চুল বাঁধলে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই এগুলো চুল থেকে খুলে চুল আঁচড়ে শোবেন। বড় চুল হলে বানিটেল বা বিনুনী বেঁধে নিন। তাহলে চুলে আর জট পড়বে না। তবে খুব টেনে চুল বাঁধবেন না, এতে কপাল চওড়া হয়ে যাবে আর চুল বেশি পড়বে।
চুলের যত্ন
চুল ও স্ক্যাল্প পরিষ্কার থাকলে সারা রাত চুলে তেল লাগিয়ে রাখতে পারেন। সে ক্ষেত্রে মাথায় কাপড়ের ব্যান্ড বা কোনো কাপড় দিয়ে ঢেকে শোবেন, তাহলে বালিশে তেল লাগবে না। হেয়ারটনিক ম্যাসাজ করতে পারেন, এতে তেল সহজেই চুলের গোড়ায় ঢুকবে। ঘুমও ভালো হবে। সারারাত ঘুমানোর পর কোঁকড়ানো চুল প্রায়ই নিস্তেজ হয়ে পড়ে। সকালে ঘুম থেকে উঠে মাথা নিচু করে স্ক্যাল্পে সার্কুলার মোশনে ম্যাসাজ করুন, এতে নিস্তেজ চুলে প্রাণ ফিরে আসবে। কোঁকড়ানো চুল ব্রাশ করতে চাইলে নাইলনের তৈরি ব্রাশ দিয়ে আঁচড়াবেন না।

বালিশে ঘষা লেগে অনেক সময় চুল ভেঙ্গে যায়, চুল পড়তে শুরু করে। চুল যাতে এলোমেলো, অবিন্যস্ত না হয় সে জন্য মসৃণ ও নরম কাপড়ের বালিশের কাভার বা সার্টিনের তৈরি বালিশের কাভার ব্যবহার করুন। নরম ও মসৃণ হওয়ায় সহজে ঘষা লেগে চুল ভেঙ্গে যাবে না।

Photos 05/12/2014

টিপস: কর্মজীবী পুরুষদের জন্য

অনেকে মনে করেন রুপচর্চা ও পরিপাটি সাজগোজ শুধু মেয়েদের জন্যই প্রযোজ্য। ফলে, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাসহ শরীরের নিয়মিত যত্ন নেওয়া বা সাজানো গোছানো চলাফেরার ব্যাপারে অনেক পুরুষেরাই উদাসীন।
কিন্তু সত্যিকার অর্থে বেশ কিছু ক্ষেত্রে নারীদের থেকে বরং পুরুষদেরই আরও অনেক বেশি যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। কারণ তাদেরকেই ঘরের বাইরে ঘোরাফেরা করতে হয় তুলনামূলকভাবে বেশি। তাই ত্বকে রোদ-বৃষ্টিসহ রাস্তার ধুলাবালি আর নানা ধরনের রোগ-জীবাণুর সরাসরি সংস্পর্শের ক্ষতিকর প্রভাবটা পুরুষদের ওপরেই পড়ে বেশি।

এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই যে, টিভি মডেল বা ফ্যাশন তারকাদেরই শুধু দেখতে সুন্দর হতে হবে। সব পেশার ক্ষেত্রেই দেখতে সুন্দর, গোছানো ও কাজকর্মে পরিপাটি হওয়াটা একটা বাড়তি গুণ হিসেবে কাজ করে। আপনার মার্জিত চলাফেরা ও কাজকর্মের কারণে হয়তো একটু তাড়াতাড়িই হয়ে যেতে পারে আপনার পেশায় কাঙ্ক্ষিত পদোন্নতি।

এখানে পেশাদারি মনোভাব বৃদ্ধিতে সহায়ক কিছু টিপস দেয়া হলো:
• সকালে একটু আগেভাগেই ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন। মনও যেমন ফুরফুরে থাকবে, আর সময়মতো কর্মক্ষেত্রে পৌঁছে কাজে মন দেওয়াটাও সহজ হবে
• যারা সারাদিন অফিসে বা কর্মক্ষেত্রে থাকেন তাদের সকালে গোসল করে বের হওয়া ভালো। এতে আপনাকে সতেজ ও প্রাণবন্ত লাগবে, কাজের প্রতিও আগ্রহ বাড়বে,
• অফিস থেকে ফিরে আবার গোসল করে নিতে পারেন।সারাদিনে শরীরে জমা ময়লা আর ক্লান্তি দুইই দূর হয়ে, ঘুমটাও অনেক ভালো হবে
• প্রতিদিন সাবান দিয়ে গোসল করার অভ্যাস করুন। সুগন্ধি সাবান বাদ দিয়ে ডেটল জাতীয় সাবান ব্যবহার করা ভালো। এগুলো রোগজীবাণু প্রতিরোধে বেশি কার্যকর
• পরের দিন কী কী কাজ করবেন বা কার কার সাথে কখন দেখা করবেন তা আগের দিন রাতে ঘুমানোর আগেই পরিকল্পনা করে রাখুন। মনে না থাকার সম্ভাবনা থাকলে ডায়েরি, মোবাইল বা নির্দিষ্ট কোথাও নোট করে রাখতে পারেন। এতে পরের দিন পরিকল্পনামাফিক কাজ করা সহজ হবে
• বেশি রাত জাগার অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করার চেষ্টা করুন। এতে সকালের ঘুম ভাঙতে দেরি ও কষ্ট হয়, কাজেরও ক্ষতি হয়। বেশি দেরি করে ঘুম থেকে উঠলে আপনার সারাদিনের পরিকল্পনাটাই এলোমেলো হয়ে যেতে পারে। এছাড়া রাত জাগাটা স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর
• কর্মক্ষেত্রের একাধিক পোশাক রাখুন। এক পোশাক বারবার না পরে একদিন পরার পরই ধুয়ে ফেলুন। সবসময় ধোয়া এবং আয়রন করা কাপড় পড়ার চেষ্টা করবেন
• ঘামের দুর্গন্ধে যেনো আপনার পাশের লোকটির কষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। প্রয়োজনে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করতে পারেন
• সুগন্ধী অর্থাৎ পারফিউম বা বডি স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন। তবে অবশ্যই তা যেনো খুব বেশি কড়া না হয়
• এক থেকে তিন দিন পরপর চুলে শ্যাম্পু করুন। শ্যাম্পু করার পর চুল শুকিয়ে তাতে হেয়ার ক্রীম, জেল বা হার্বাল অয়েল দিতে পারেন। এতে চুলের সৌন্দর্য বাড়বে।
• রোদের হাত থেকে রক্ষার জন্য সানস্ক্রীন সমৃদ্ধ জেন্টস ক্রীম ব্যবহার করতে পারেন।
• অনেকের সারা বছরই ঠোঁট ফাটে। তারা লিপজেল সঙ্গে রাখুন
• ত্বকের বাড়তি যত্ন নিতে জেন্টস্ উপটান ব্যবহার করুন।জেন্টস্ পার্লার থেকে মাসে একবার ফেসিয়ালও করাতে পারেন।
• বাইরের ধুলাবালির কারণে অনেকের শ্বাস কষ্ট হয়। সেক্ষেত্রে মুখে মাস্ক ব্যবহার করলে অনেকটা রেহাই পাওয়া যায়। রুমালও ব্যবহার করা যেতে পারে
• সবসময় সঙ্গে রুমাল ও টিস্যু পেপার রাখুন
• বাসে বা পথে ঘাটে চলার ক্ষেত্রে মাথায় ক্যাপ পড়লে বাইরের ধুলাবালি থেকে চুল বাঁচানো যায়
• বাইরে রোদ ও ধুলাবালি এড়াতে ব্যক্তিত্ব ও পোশাকের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ রোদচশমা ব্যবহার করুন
• জুতা মোছার জন্য আলাদা একটি ছোট্ট রুমাল রাখতে পারেন
• সময়ানুবর্তিতা ঠিক রাখার জন্য সঙ্গে অবশ্যই একটি ঘড়ি রাখুন। ভালো ব্র্যান্ডের রুচিসম্মত হাতঘড়ি ব্যবহার করাই ভালো এতে চলতে ফিরতে বা কর্মক্ষেত্রে আপনার সুন্দর রুচির পরিচয় ফুটে উঠবে
• যেসব অফিসের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট করে দেয়া কোনো পোশাক নেই সেসব ক্ষেত্রে জাঁকালো বা চোখ ধাঁধানো পোশাক পরিহার করে মার্জিত ও ভদ্র পোশাক পরুন
• বড় চুল বা ঝুটি, গলায় চেইন, হাতে আংটি, এগুলো সাধারণত পেশাদারিত্ব ক্ষুন্ন করে
• অনেকের মুখে দুর্গন্ধ হয়। এতে আশে পাশের লোকজনেরও সমস্যা হয়। এরকম হয়ে থাকলে সমস্যাটাকে এড়িয়ে না গিয়ে নিয়মিত মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন।বাসা থেকে বের হবার আগে মাউথওয়াশ দিয়ে ভালোভাবে কুলি করে নিলে ভালো কাজ হয়।তবে বিভিন্ন কারণে মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। নির্দিষ্ট কিছু রোগের কারণেও মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। তাই মাউথওয়াশ ব্যবহারের পরেও কাজ না হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন
• অনেক সময় মোজা না ধোয়ার ফলে দুর্গন্ধ হয়। মোজা নিয়মিত ধুয়ে ব্যবহার করুন
• নিয়মিত চুল ও নখ কেটে ছোট রাখবেন
• গ্যাস্ট্রিক, এলার্জি, হাপানি ইত্যাদি রোগ থাকলে প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র সাথেই রাখুন। কারণ প্রয়োজনের সময় হাতের কাছে এসব নাও থাকতে পারে

অফিসে যাওয়ার সময় গাড়ি রাস্তায় জ্যামে আটকে থাকলে বিরক্ত না হয়ে এই সময়টায় বাসে বা গাড়িতে বসে সকালের পত্রিকাটা পড়তে পারেন। মোবাইলে নেট থাকলে ইন্টারনেটে বাংলানিউজের তাঁজা খবরগুলো পড়ে নিতে পারেন। এতে সময়টা অপচয় হলো না আর আপনিও আপডেট হয়ে গেলেন।

Photos from Anjali Beauty Concept's post 05/12/2014

ছেলেদের চুলেরসমস্যার ও সমাধান

চুলের সমস্যা ছেলেদেরও কম নয়। ছেলেদের চুলের নানা সমস্যার সমাধানও আছে।
টাক পড়া
মাথায় অকালে টাক পড়া ও পাকা প্রায় একই কারণে হয়ে থাকে। টাক পড়া ছেলেদের অন্যতম সমস্যা। অল্প বয়সী ছেলেদের মধ্যেও টাক পড়ার প্রবণতা দেখা যায়। অল্প বয়সে টাক পড়ার নানা কারণ আছে। টাক পড়াকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় অ্যান্ড্রোজেনিক অ্যালোপেশিয়া বলা যায়, যা শুরু হয় কপালের দুই পাশে রগের কাছ থেকে। তারপর ক্রমেই বাড়তে থাকে মাথার সামনের দিকে এবং এটা আস্তে আস্তে পেছনের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। তখন আপনার পুরো মাথার চুল পড়ে যায়। বংশগত বা হরমোনজনিত কারণে এটি হতে পারে। আবার বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই কারও কারও টাক পড়া শুরু হয়ে যায়। এ ছাড়া অল্প বয়সে চুল পড়ার জন্য অনেকাংশে দায়ী থাইরয়েড গ্রন্থির অসুখ। রক্তস্বল্পতা, ওজন কমানোর জন্য খাওয়াদাওয়া একদম কমিয়ে দেওয়াও চুল পড়ার কারণ হতে পারে। সুষম খাবারের বদলে অতিরিক্ত ফাস্টফুড, চকলেট ইত্যাদি খেলে প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি হয়েও চুল পড়ে যেতে পারে। ছেলেদের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে ব্যাকব্রাশ করে চুল আঁচড়ালে সাধারণত কপাল চওড়া হয়ে থাকে। ব্যাকব্রাশ করার কারণে অনেকের মাথায় টাক পড়তেও দেখা যায়।
টাক পড়া দীর্ঘস্থায়ী অসুখ। অনেক কারণে মাথায় টাক পড়তে পারে। চুলের পুষ্টি আসে ত্বকের পুষ্টি থেকে। ত্বকের পুষ্টির জন্য আমাদের ভালো খাবার খেতে হবে। চুলের পুষ্টির কারণেও অনেক সময় মাথায় টাক পড়ে। বংশগত কারণেও টাক পড়ে। তা ছাড়া চুল ভালোভাবে পরিষ্কার না করা, দুশ্চিন্তা করা ইত্যাদি কারণে মাথায় টাক পড়ে। কিছু জিনিস ভালোভাবে মেনে চললে মাথায় টাক পড়া কিছুটা কমে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে ট্রিটমেন্ট ভালো কাজ করে।

চুল পাকা
অনেক সময় অল্প বয়সে চুল পেকে যায় বা সাদা হয়ে যায়। অনেক কারণে অল্প বয়সে চুল পেকে যেতে পারে। চুলের গোড়ায় থাকা মেলানোসাইটের কারণে চুলের রং কালো হয়ে থাকে। বিভিন্ন কারণে মেলানোসাইট ক্ষতিগ্রস্ত হলেই চুল সাদা হয়ে যায়। অনেক সময় চুলের গোড়ায় খাদ্য ও অক্সিজেন সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়। এর ফলে অল্প বয়সে ছেলেদের মাথার চুল পেকে যায় বা সাদা হয়ে যায়।
তবে পাকা চুলের ব্যাপারে বংশগত ধারা একটি বিরাট কারণ। পাকা চুল ঢাকতে চুলে কালার করা যেতে পারে। একবার চুল পাকলে তার প্রতিকার করা যায় না। তবে হেয়ার ট্রিটমেন্ট চুল পাকা থেকে কিছুটা রোধ করে। চুল পাকা কমাতে হরীতকী, মেহেদিপাতা ভালোভাবে ফুটিয়ে টনিক হিসেবে ব্যবহার করুন। এতে চুল পাকা কমে যেতে পারে। এ ছাড়া জবাফুল বাটা, গন্ধরাজ বাটা, আমলা বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে লাগালে চুল কালো ও উজ্জ্বল হয়।

চুল পড়ার কারণ
সর্বদা দুচিন্তা, ভয়, আশঙ্কা, অশান্তির মধ্যে কাটালে অনেক সময় চুল পড়ে যেতে পারে।
টাটকা শাকসবজি, ফলমূল ইত্যাদি পরিমাণমতো না খেলে চুল পড়ে বা পেকে যেতে পারে।
নিয়মিত ব্যায়াম, কায়িক পরিশ্রম না করলে শরীরের রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। ফলে চুলের গোড়ায় প্রয়োজনীয় পুষ্টি পৌঁছে না। এ থেকেও চুল পড়ে।
সৌন্দর্যচর্চার নানা কৃত্রিম পদ্ধতি বেশি ব্যবহারের ফলে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বারবার রিবন্ডিং, রং করা চুলের ক্ষতির কারণ।
পরিবেশদূষণ, পানিদূষণ, বায়ুদূষণ ইত্যাদি পরোক্ষভাবে দায়ী চুল পড়ার জন্য।
খুশকি

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ আফজালুল করিম বলেন, ছেলেদের মাথায় বিভিন্ন কারণে খুশকি হয়ে থাকে। খুশকি কোনো রোগ বা রোগের লক্ষণ নয়। খুশকি প্রায় সব ছেলের কমবেশি হয়ে থাকে। নিজের চিরুনি, ব্রাশ, তোয়ালে, বালিশের কভার যথাসাধ্য পরিষ্কার এবং আলাদা রাখুন। তাতেই খুশকি অনেক কমে যাবে।

* মেথিবাটা, পেঁয়াজ, নিমপাতা, লেবুর রস, টকদই একসঙ্গে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন। ৩০-৪০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করুন। আপনার ব্যবহূত চিরুনি ডেটল পানিতে ধুয়ে ব্যবহার করুন।
* ভিনেগার ও পানি মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগালেও খুশকি কমে যেতে পারে।
* অতিরিক্ত খুশকি তাড়াতে মাথায় তেল দেওয়া বন্ধ রাখুন। খুশকিরোধী শ্যাম্পু ব্যবহার করে চুলের গোড়া পরিষ্কার রাখুন। এক দিন পরপর শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। দুই সপ্তাহের মধ্যে খুশকি কমে যেতে পারে।
* টকদই ও মেহেদিবাটা একসঙ্গে মিশিয়ে পুরো মাথায় চুলে লাগিয়ে রাখুন ৩৫-৪০ মিনিট। পানি দিয়ে ভালোমতো ধুয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। দু-তিনবার ব্যবহারে আপনার খুশকি চলে যাবে এবং চুল হয়ে উঠবে অনেক সুন্দর। দুই থেকে তিন দিন বা সপ্তাহে এক দিন ব্যবহার করতে পারেন।
* তিলের তেল, মেথি গুঁড়ো করে মিশিয়ে ১৫ দিন রেখে দিন। তারপর ওই তেল দুই মাস ব্যবহার করুন। খুশকির হাত থেকে রেহাই পাবেন। পাশাপাশি চুল পড়াও অনেক কমে যাবে।

* কাঁচা পেঁয়াজের তেল খুশকি দূর করে।
* পুরোনো তেঁতুল গুলিয়ে মাথায় কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। এতে খুশকি দূর হবে।

Photos 05/12/2014

সৌন্দর্য লাভের গুরুমন্ত্র

ত্বকের দাগ নিয়ে ভাবনা।

দীর্ঘক্ষণ ধরে ঘড়ি, চশমা, ব্রেসলেট, টুপি প্রভৃতি পরে থাকলে সেখানে একধরনের দাগ পড়তে পারে। সাধারণত সূর্যের রশ্মি সরাসরি পড়ে এমন স্থানে কাজ করলে শরীরের ঢাকা অংশ বাইরের অংশ থেকে কিছুটা সাদা দেখায়। ফলে এটি শরীরের অন্য অংশ
থেকে আলাদা দেখায়। অনেক সময় এটি নিয়ে অন্যের সামনে বিব্রত হতে হয়। এ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সূর্যের রশ্মি সরাসরি পড়ে, এমন স্থানে কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
এ অবস্থায় সেই স্থানকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হলে কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে। প্রথমত, বাইরে থেকে ঘরে ফিরে কুসুম গরম পানিতে ১০ থেকে ১৫ মিনিট গামছা ভিজিয়ে রেখে আক্রান্ত স্থানে ১০ মিনিট ধরে রাখতে হবে। তারপর স্বাভাবিক পানি দিয়ে সে স্থানটি ধুয়ে ফেলতে হবে। এরপর রাতে ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে সেখানে ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম লাগাতে হবে। ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম লাগাতে না চাইলে একটুখানি গ্লিসারিন এবং সমপরিমাণ পানি সে স্থানে লাগানো যেতে পরে। পরদিন সে জায়গাটি ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে এক দিন পর পর এ নিয়ম মেনে চললে বেশ উপকার পাওয়া যাবে।

টিপস ………

* বেশী করে জল খান৷ বিভিন্ন ভেষজ পদার্থ ত্বকে লাগান৷ ফলের রস খাওয়ার সঙ্গে মুখেও খানিকটা মেখে নিন৷ এতে ত্বক উজ্জ্বল হবে৷ এছাড়া মুখে গোলাপ জল লাগান৷

* এক গ্লাস জলের মধ্যে বরফ দিয়ে ওর মধ্যে মধু, লেবু এবং পুদিনা পাতা দিন৷ সেই জলটা পান করুন৷ এতে চমক বাড়বে৷

* তরমুজের রসের মধ্যে বরফ এবং গোলাপ জল মিশিয়ে খান৷

Photos 05/12/2014

গরমে চুল সুন্দর রাখতে আমাদের যা করতে হবে:

ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আবহাওয়ারও পরিবর্তন হয় আমাদের দেশে। এই পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগে আমাদের মনে, দেহে, চুলে সব জায়গাতেই।
এখন গ্রীষ্মকাল আর এরই মধ্যে গরমে নাভিশ্বাস উঠতে শুরু হয়েছে। গরমে বাইরে রোদে ধুলোময়লা, রোদের তাপ, বেশিক্ষণ এয়ারকন্ডিশনে থাকা, এ রকম নানা কারণে আমাদের চুল সৌন্দর্য ও কোমলতা হারিয়ে রুক্ষ হয়ে যায়।

আমাদের সৌন্দর্য এবং ব্যক্তিত্বে অনেক বড় একটা অংশ চুল। গরমে চুল সুন্দর রাখতে আমাদের যা করতে হবে:
সপ্তাহে ২-৩ বার শ্যাম্পু করতে হবে
রাতে ভাল করে তেল ম্যাসাজ করুন
গরমে চুলের ডগা ফেটে যাওয়া, রোদে পোড়ার হাত থেকে রেহাই পেতে হলে গরমের শুরুতেই চুল ট্রিম করিয়ে নিন
চুল ছোট না করতে চাইলে টুপি ব্যবহার করতে পারে, স্কার্ফ বা ক্লিপ দিয়ে চুল বেধেও রাখতে পারেন
তবে বেশি টাইট করে চুল বাধবেন না
খেয়াল রাখবেন চুলের মধ্যে যেন হাওয়া চলাচল করতে পারে।
ধুলো-ময়লা, বৃষ্টির পানিতে ভিজে অনেক সময় চুল নিস্তেজ হয়ে যায়। অলিভ অয়েল, নারকেল তেল ও ক্যাস্টর অয়েলের সঙ্গে মেথি পেস্ট মিশিয়ে মাথার তালুতে ম্যাসাজ করুন। চুল ঘন ও উজ্জ্বল থাকবে।

দইয়ের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে চুলে দিন। তারপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।
দু`ভাগ অলিভ অয়েল, একভাগ মধু মিশিয়ে পুরো চুলে লাগান। ১৫ মিনিট পর হালকা গরম পানিতে চুল শ্যাম্পু করে নিন। এভাবে অলিভ অয়েলের সঙ্গে কলা চটকেও চুলে দিতে পারেন।
চুলে শ্যাম্পু করার পর অবশ্যই ভালো কোম্পানির কন্ডিশনার লাগান।
চুলের জন্যে জোজোবা অয়েল খুব উপকারী। নিয়মিত চুলের ডগায় জোজোবা অয়েল লাগালে চুল নরম হয়। বড় কসমেটিক স্টোরে জোজোবা ওয়েল পাওয়া যায়।

বাইরে বেরোনোর সময় চুল বেঁধে রাখুন। বাইরের রোদ ময়লা থেকে অনেক খানি রক্ষা পাবেন।
গরমে তাপমাত্রা বাড়লে মাথার তালুও ঘামতে শরু করে। দিনের শেষে বাড়ি ফিরে চুল ভাল করে শুকিয়ে নিন। তারপর বড় দাতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে শুকিয়ে নিন।
প্রতিকদিন কিছুটা সময় চুলের যত্ন নিন। এভাবে নিয়মিত চুলের যত্ন নিলে দেখবেন গরমেও আপনার চুল থাকবে প্রাণবন্ত ঝলমলে।

Photos 05/12/2014

গরমেত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্ততা দূর করতে

কেভাপসা গরমে ত্বকের তৈলাক্ততা বেড়ে যায়। অতিরিক্ত তৈলাক্ততা দূর করতে সিদ্ধ ওটস, ডিমের সাদা অংশ, লেবুর রস এবং থেঁতো করা আপেল একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

রোদে পোড়া
সানবার্নে মুখে ছোপ ছোপ কালো দাগ পড়ে। কালো ছোপ থেকে ত্বককে মুক্ত করতে আলু বা শসার রস মুখে লাগান। ১৫ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
ত্বকে ভাঁজ
রোদে বের হওয়ার অন্তত মিনিট ১৫ আগে সানব্লক ক্রিম বা লোশন মুখ, গলা ও হাতে লাগান। দিনে অন্তত দুইবার শসার ঠাণ্ডা রস মুখে লাগান।
ব্ল্যাক হেডস
সাধারণত নার চারপাশে ব্ল্যাক হেডস দেখা যায়। ধনেপাতার রস ও হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে প্রতিদিন রাতে লাগান। সকালে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার মাখুন। এক সপ্তাহেই ব্ল্যাক হেডস কমে যাবে।
চোখের নিচে কালি
চোখের নিচে কালি পড়ে অতিরিক্ত টেনশন, রাত জাগার কারণে। চোখের নিচের কালি থেকে মুক্তি পেতে রাতে ঘুমানোর আগে শসা বা আলুর রস চোখের নিচে লাগিয়ে রাখুন। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন।
মেছতা
মেছতার প্রধান কারণ রোদ ও আগুনের তাপ লাগা। চালের গুঁড়ো ও ডিমের সাদা অংশ একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে সারা মুখে লাগান। এ ছাড়া লেবুর রস নিয়মিত লাগাতে পারেন। টক দই তুলা দিয়ে মুখে লাগালেও মেছতা কমবে।
ব্রণ বা একনে
জায়ফল বেটে কাঁচা দুধের সঙ্গে মিশিয়ে লাগান। ঘণ্টাখানেক পর ভালো করে ধুয়ে নিন। ব্রণ হলে কখনোই নখ লাগাবেন না। এতে করতে পারেন। এতে ব্রণও কমবে।

হোয়াইট হেডস
হোয়াইট হেডস দূর করতে কর্নফ্লাওয়ার পানিতে মিশিয়ে এর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ভিনেগার মিলিয়ে হোয়াইট হেডসে লাগান। আধঘণ্টা পর কুসুম গরম পানিতে নরম কাপড় ভিজিয়ে তুলে ফেলুন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
এজ স্পট
বয়সের সঙ্গে সঙ্গে অনেকেরই মুখে বাদামি রঙের ছিট ছিট দাগ হয়। এগুলোকে বলে এজ স্পটস। অনেকক্ষণ রোদে থাকলে এগুলো হতে পারে। ঘোলে তুলা ভিজিয়ে দিনে দুইবার পাঁচ মিনিট দাগের ওপর লাগান। এভাবে তিন মাস লাগান। এজ স্পট থাকবে না।
চোখের ফোলা ভাব
দুটি তুলার প্যাড তরল ঠাণ্ডা দুধে ভিজিয়ে চোখের ওপর রাখুন। তুলা নরম হয়ে এলে তা বদলে নিন। প্রতিদিন ১৫ মিনিট তুলার প্যাড চোখে লাগান, চোখের ফোলাভাব কমবে।

Photos 05/12/2014

অতিরিক্ত ঘামের যন্ত্রণা থেকে মুক্তির উপায়

বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ অতিরিক্ত ঘামের যন্ত্রণায় ভুগে থাকেন। হাত, পা, মুখ, বগল ঘামাকে ডাক্তারি ভাষায় হাইপারহিডরোসিস বা মাত্রাতিরিক্ত ঘাম বলা হয়। এটি এমন এক রোগ যা অনিয়ন্ত্রিত স্নায়ুপদ্ধতির জন্য হয়ে থাকে। এর ফলে আমরা প্রায়ই অনুষ্ঠান, পরীক্ষাসহ কোনও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থায় খুব সমস্যায় পড়ি। প্রতিদিনের কাজকর্ম যেমন কম্পিউটার ব্যবহার, সঙ্গীতের যন্ত্রপাতি ব্যবহার, গাড়ি চালানো ইত্যাদি কাজ করতে গিয়ে বেশ বিপত্তি ঘটে।
প্রাকৃতিক উপায়ে এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। আসুন আমরা প্রথমে প্রাকৃতিক উপায়গুলো জেনে নিই :
ভিটামিন বি-১২র অভাবে এই রোগ হয়। তাই ভিটামিন বি-১২ যেসব খাদ্যে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় সেসব খাদ্য গ্রহণ করুন ।
ভিটামিন বি পরিবার যেমন, বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫যুক্ত খাদ্য অথবা ভিটামিন বি ট্যাবলেট গ্রহণ করুন।
আয়োডিনযুক্ত খাবার যেমন, এসপারাগাস, ব্রকোলি, টারকি, গরুর মাংস, যকৃৎ, সাদা পেয়াজ, খাবার লবণ প্রভৃতি থেকে এটি হয়ে থাকে । তাই এগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
বেশি বেশি পানি পান করুন। পানি দিয়ে মুখ, হাত, পা বারবার ধুয়ে ফেলুন।
শারীরিক দুর্বলতা থেকে এটি হয়ে থাকে। তাই পুষ্টিকর খাবার, শাকসবজি, ফলমূল বেশি পরিমাণে খান।
চায়ের মধ্যকার টনিক এসিড প্রাকৃতিক ঘামবিরোধী ওষুধ হিসেবে কাজ করে। তাই দেড় লিটার পানির মধ্যে পাঁচটি চায়ের ব্যাগ মিশিয়ে সেটার মধ্যে ১০-১৫ মিনিট হাত-পা ভিজিয়ে রাখুন। তাছাড়া সবুজ চা পান করুন। এতেও উপকার পাবেন।
হাতে-পায়ে কোনও ধরনের পাউডার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন । কারণ এটি ঘাম দূর করার পরিবর্তে আরো বাড়িয়ে দেবে।
ক্যাফেইন পান, ধূমপান প্রভৃতি পান থেকে বিরত থাকুন কারণ এগুলো অতিরিক্ত ঘাম উৎপন্ন করে।
এভাবেও যদি কাজ না হয় তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের যে কোনও একটি পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।
ঘামের বিরক্তিকর অবস্থা থেকে রক্ষা পেতে চিকিৎসাবিজ্ঞান মেডিসিনিকল এবং সারজিকল দু উপায়েই চেষ্টা করে কিছু ঘামবিরোধী ক্রিম, ইনজেকশন, ইলেকট্রিক থেরাপি ও ড্রাইসল বের করেছে। সারজিকল চিকিৎসা হিসেবে অতিরিক্ত ঘাম উৎপাদনকারী স্নায়ুর বিশেষ অংশ কেটে ফেলে দেওয়া হয়। স্থায়ীভাবে ঘাম দূরীকারক এই পদ্ধতিটি তেমন সুবিধার নয়। কারণ অপারেশনের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত এবং অপারেশন-পরবর্তী ওষুধে যাদের এলার্জির সমস্যা আছে তাদের জীবনের ঝুঁকি থেকে যায়। তাই অতিরিক্ত ঘাম থেকে রক্ষা পেতে সাময়িক উপশমকারী ড্রাইসল বা অ্যালুমিনিয়াম কোরাইড হেক্সাড্রেট এলকোহোলিক সলুশনজাতীয় (ড্রাইসল) ওষুধ অনেক কার্যকর।
আসুন এবার এসব ওষুধের কিছু ব্যবহার বিধি জেনে নিই :
এই ওষুধ আপনি ঘুমাতে যাবার আগে শুষ্ক বগলে মাখুন। সকালে উঠে স্বাভাবিক পানি দিয়ে এটি ধুয়ে ফেলুন। দিনে গন্ধনাশক পদার্থ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। এলুমিনিয়াম কোরাইডে আপনার বগলের ত্বক চুলকাতে পারে। সেজন্য আপনি আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ব্যবহার করুন। যতদিন ঘাম থেকে মুক্তি না পান ততদিন এটি ব্যবহার করে যান। ঘাম থেকে মুক্তি পাবার পর আপনি দিনে গন্ধনাশক পদার্থ বা ডিওডারান্ট ব্যবহার করতে পারবেন।
ঘুমাতে যাবার সময় হাতের তালুর পাতলা চামড়ায় এটি মাখুন। শুকানোর পর প্লাস্টিকের গ্লাভস পড়–ন। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। ১০-১৪ দিন ব্যবহারে আপনি এটির ফল বুঝতে পারবেন।
পায়ের তালুতে এটি মাখুন এবং শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন । পায়ের তালুর আকারের মতো প্লাস্টিকের ব্যাগ পড়ে ঘুমান। সকালে উঠে স্বাভাবিক পানি দিয়ে পায়ের পাতা ধুয়ে ফেলুন। এক থেকে দু সপ্তাহের মধ্যে আপনি সুফল পাবেন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


216, V. I. P. Tower Shopping Mall, (1st Floor), Kazir Dewary
Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00