HKN beauty tips

HKN beauty tips

Share

hkn beauty tips

24/01/2022

বিউটি রুটিনের কিছু বদঅভ্যা।

মেকআপ নারীর নিজের সৌন্দর্যকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। কথায় আছে চাঁদেও দাগ আছে, তেমনি কেউই পারফেক্ট হয়না। তাই নিজেকে নিজের ছোট খুঁতগুলোকে ঢাকতে মেকআপ করা দরকার। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় মেকআপ করার পরে নিজের বয়সটা অনেকটা বেশি লাগছে বা নিজেকে খুব সুন্দর দেখাছে না। এরকম যদি আপনার সাথে হয়ে থাকে তাহলে বেশ কিছু বিউটি রুটিনের সহজ পরিবর্তন করলেই আপনি হয়ে উঠবেন সবার মাঝে অনন্যা।

১) ফাউন্ডেশন লাগানোর কিছু ভুল অভ্যাসঃ

নিজের গায়ের রঙের থেকে অনেক হালকা রঙের ফাউন্ডেশন লাগালে নিজের বয়স আরও ১০ বছর বেশি লাগে। আমাদের অনেকের মধ্যেই একটা ভুল ধারণা আছে যে ফর্সা হলেই খুব সুন্দর লাগবে। তাই অনেকেই নিজের গায়ের রঙের থেকে অনেক হালকা রঙের ফাউন্ডেশন লাগান। কিন্তু আমাদের এটা ভুললে চলবেনা যে ফাউন্ডেশন নিজেকে ফর্সা করার জন্য নয় বরং নিজের মুখের কোনও খুঁত থাকলে সেটাকে ঢাকতে সাহায্য করে। মানে ফাউন্ডেশন একটা কভারিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।

২) অধিক পরিমানে ফাউন্ডেশনঃ

অনেক বেশি পরিমানে ফাউন্ডেশন লাগালে মুখের সুক্ষ দাগ বা বলিরেখা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আর আমাদের মত আবহাওয়াতে মুখে অনেক বেশি ঘাম হতে থাকে তাই অধিক ফাউন্ডেশন লাগালে তা বিভিন্ন জাগায় আরও ফুটে উঠবে।

৩) ফাউন্ডেশন না লাগানোঃ

এখনও অনেকেই আছেন যারা ফাউন্ডেশন না লাগিয়ে অনান্য মেকআপ করে ফেলেন। মনে রাখতে হবে ফাউন্ডেশন লাগিয়ে মুখের বিভিন্ন দাগ, আনইভেন স্কিন টোন ইত্যাদি ঢাকা হয়। তাই যদি ফাউন্ডেশন না লাগানো হয় তাহলে এই সমস্যাগুলো কিন্তু দেখা দিবেই।

৪) সরু আইব্রোঃ

অনেকেরই ধারণা আছে যে আইব্রো ভীষণ সরু হলে বোধ হয় খুব ভালো দেখাবে। সেটা কিন্তু একদমই না। বরং তার ফলে বয়স অনেক বেশি দেখাবে। যদি আপনার আইব্রো নরমালি খুব সরু হয় তাহলে সেটাকে আইব্রো পেন্সিল দিয়ে কভার করে দিন।

৫) সানস্ক্রিন না লাগানোর অভ্যাসঃ

যখনি বাইরে বের হবেন সানস্ক্রিন লাগাতে ভুললে একদম চলবেই না। কারণ সূর্য ত্বকে খুব তাড়াতাড়ি বার্ধক্য এনে দেয়। তাই বাইরে বের হবার অন্তত ৩০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন লাগাতে হবেই।

৬) শুষ্ক আর রুক্ষ চুলঃ

শুষ্ক আর রুক্ষ চুল থাকলে বয়স অনেক বেশি দেখায়। মনে রাখতে হবে শুষ্ক আর রুক্ষ চুল বার্ধক্যের অন্যতম লক্ষণ।

৭) শুষ্ক আর ফাটা ঠোঁট যা বয়স বেশি দেখানোর কারণ।

৮) চুলের স্টাইল মাঝে মধ্যেই বদলাতে হবে। এর ফলে আপনার একটা নতুন ধরনের লুক আসবে। একই ধরনের হেয়ার স্টাইল সারা বছর ধরে করলে আপনাকে খুব বোরিং দেখাবে আর বয়স্ক দেখাবে।

৯) চোখের নিচে কাজলঃ

চোখের নিচে কমবেশি সবাই কাজল লাগিয়ে থাকেন। কিন্তু সারাদিনে কাজল স্মাজ হয়ে যায় আর মুখটাকে আরও ডার্ক করে দেয়। শুধু চোখের নিচে কাজল লাগালে ডার্ক সার্কেল আরও অনেক বেশি প্রমিনেন্ট হয়ে যায়। তাই চোখের উপরে ডার্ক করে কাজল বা লাইনার লাগিয়ে নিচের পাতায় তা ব্যালান্স করে দিলে এই সমস্যা থেকে অনেকটা মুক্তি পাওয়া যাবে।

১০) ডার্ক লিপস্টিক বয়সকে আরও বেশি বাড়িয়ে দেয়। তাই ফ্রেস রোজ বা ওয়ার্ম কালারের লিপস্টিক ব্যাবহার করা যেতে পারে।

Photos from HKN beauty tips's post 13/10/2021

সৌন্দর্য উৎসবের মরসুমে উজ্জ্বল ও মসৃণ ত্বক পেতে ব্যবহার করুন হলুদ টোনার! দেখে নিন তৈরির পদ্ধতি। বিশেষ করে উৎসবের মরসুমে উজ্জ্বল-মসৃণ ত্বক সবাই চায়। তাই মনের মতো ত্বক পেতে অনেকে অনেক রকম পদ্ধতি অবলম্বন করে। ত্বককে সুন্দর করে তুলতে টোনার খুব কার্যকরি বলে মনে করা হয়। বিশেষ করে, হলুদ টোনার ত্বককে গভীরভাবে পরিষ্কার করে। হলুদ টোনার ত্বকের দাগ, ব্রণ এবং বলিরেখা কমায়। আপনি ঘরে বসেই খুব সহজে হলুদ টোনার তৈরি করতে পারেন। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে বাড়িতে হলুদ টোনার তৈরি করা যায় এবং এটি ব্যবহারের পদ্ধতি। হলুদ টোনার তৈরির পদ্ধতি উপকরণ - কাঁচা হলুদ, অ্যালোভেরা জেল, গোলাপ জল, গ্রিন টি, জল এবং লেবুর রস। তৈরির পদ্ধতি টোনার বানাতে প্রথমে এক গ্লাস জল গরম করুন। জল ঠান্ডা হলে, এর সাথে হলুদ, অ্যালোভেরা জেল, গোলাপ জল, গ্রিন টি এবং লেবুর রস মেশান। হয়ে গেলে বোতলে ঢুকিয়ে রাখুন। হলুদ টোনার ব্যবহারের পদ্ধতি প্রথমে ভাল করে মুখ পরিষ্কার করুন। তারপর মুখে হলুদ টোনার লাগান। টোনার দিয়ে ২-৩ মিনিট মুখে ম্যাসাজ করুন। তারপর হালকা গরম জল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন। এরপর মুখে ময়েশ্চারাইজার লাগান।এই বিষয়গুলি মাথায় রাখুন প্লাস্টিকের বোতলে টোনার সংরক্ষণ করবেন না। কাঁচের বোতলে টোনার রাখুন। টোনার ফ্রিজে রাখতে হবে। ফ্রিজে রাখলে টোনার নষ্ট হয় না। টোনার তৈরির পর, এটি ১৫ দিনের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। তারপর টোনার নষ্ট হয়ে যায়। হলুদ টোনার সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করুন। হলুদ টোনারের উপকারিতা হলুদ টোনার ত্বকের জন্য খুবই উপকারি। হলুদের ব্লিচিং বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ত্বককে উজ্জ্বল করে। এই টোনার প্রয়োগ করলে ত্বকের পিএইচ লেভেলের ভারসাম্যতা বজায় থাকে। এছাড়া, ত্বকের সংক্রমণের ঝুঁকিও কমেl

Photos from HKN beauty tips's post 13/10/2021

গোল, চৌকো, লম্বা, মুখের ধরন অনুযায়ী কেমনভাবে শেপ করবেন আপনার ভুরু?
মুখের শেপ অনুযায়ী বেছে নিন ভুরুর শেপ

লকডাউনের জেরে পার্লার বন্ধ আর সেই সঙ্গে স্থগিত ভুরু থ্রেডিং! বেশিরভাগ মেয়েরই ভুরু এখন স্কুলজীবনের স্তরে ফিরে গেছে যখন থ্রেডিং শব্দটার সঙ্গেই পরিচয় ঘটেনি! কাজেই যখন পরিস্থতি স্বাভাবিক হবে আর আপনারা ফের পার্লারে ছুটবেন ভুরু থ্রেড করাতে, তখন কিন্তু সেটা সেই প্রথমবার ভুরু প্লাক করানোর মতোই হবে! কাজেই এখনই সময় ভুরুর শেপ নিয়ে চিন্তাভাবনা করার! ভাবছেন থ্রেডিং নিয়ে আবার চিন্তার কী? জানেন কি, আপনার ভুরুর শেপ কেমন হলে সবচেয়ে ভালো দেখাবে তা নির্ভর করে আপনার মুখের শেপের উপর? সব মুখে একইরকম শেপ ভালো দেখায় না! আপনার মুখ লম্বা, গোল, ডিম্বাকৃতি, যেমনই হোক না কেন, চোখ বুলিয়ে নিন নিচের তালিকায় আর জেনে নিন কেমন ভুরু সবচেয়ে ভালো মানাবে আপনাকে!

গোল মুখ

চওড়া চিকবোন আর ছোট্ট চিবুক হল গোল মুখের বিশেষত্ব। আপনার মুখ গোল হলে বাঁকা ধনুক টাইপ ভুরুর শেপ এড়িয়ে চলুন, না হলে মুখ আরও গোল দেখাবে। ভুরু শেপ করার সময় একটু উঁচু করে আর্চ করুন, ভুরুর লেংথ যতটা সম্ভব বেশি রাখবেন। তাতে মুখ একটু লম্বাটে লাগবে।

ডিম্বাকৃতি মুখ

এই মুখের অধিকারিণীরা ভাগ্যবতী কারণ তাঁদের মুখে মোটামুটি সবরকম ভুরুর স্টাইলই মানিয়ে যায়। গোল মুখের সঙ্গে ডিম্বাকার মুখের তফাত হল গোল মুখে যেমন চিকবোনের দিকটা চওড়া হয়, ডিম্বাকৃতি মুখে কপালের দিক চওড়া থাকে। তা ছাড়া চিবুক ছোট আর মুখের দু'পাশ চাপা হয়। খুব অ্যাঙ্গুলার ভুরুর শেপ এড়িয়ে চলুন, নরম হালকা শেপ সবচেয়ে সুন্দর দেখাবে।

চৌকো মুখ

এই মুখে জ' লাইন খুব ডিফাইনড হয়। ফলে ভুরু শেপ করার সময় মাথায় রাখতে হবে যেন স্বাভাবিক মুখের শেপের সঙ্গে ভুরুর শেপের বৈপরীত্য প্রকট না হয়। ভুরুর আর্চ উঁচু করতে পারেন, লেংথও ধরে রাখুন, তাতে মুখ লম্বাটে দেখাবে।

পানপাতা মুখ

বাঙালি মেয়েদের মধ্যে পানপাতা মুখের খুব কদর! প্রশস্ত কপাল আর সরু চিবুক মানেই পানপাতা মুখ! ভুরুর ঠিকঠাক শেপ করতে পারলেই কিন্তু চওড়া কপাল ছোট দেখাতে পারে। একটু রাউন্ড শেপে ভুরু থ্রেড করুন, অল্প কার্ভ রাখুন। কপালের চওড়াভাব অনেক কম দেখাবে।

লম্বাটে মুখ

এই মুখে কপাল, গাল আর জ'লাইন মোটামুটি সমান প্রশস্ত। ভুরুর লেংথ কখনও ছোট করবেন না, যতটা সম্ভব দৈর্ঘ্য রাখুন। জোড়া ভুরু এই মুখে মানানসই নয়, তাই দু'ভুরুর মাঝের অংশ পরিষ্কার রাখুন আএ যতটা সম্ভব রোম তুলে দিন যাতে যথেষ্ট জায়গা থাকে।

22/08/2021

মুখ খুব ভারী বা ফোলা দেখায়? ডবল চিন? জেনে নিন মুখের অতিরিক্ত মেদ ঝরানোর উপায়
এমন কয়েকটি ব্যায়াম রয়েছে যেগুলি মুখে, গালে, থুতনির নিচে জমা অতিরিক্ত মেদ বা চর্বি দ্রুত ঝরাতে অত্যন্ত কার্যকর!

নিজস্ব প্রতিবেদন: পেটের মেদ বা ভুঁড়ি অনেকেই সহজে ঝরিয়ে ফেলেন। কিন্তু সমস্যায় ফেলে মুখে জমা অতিরিক্ত মেদ। মুখে অতিরিক্ত মেদ জমার ফলে মুখ অস্বাভাবিক ভারী বা ফোলা দেখায়। থুতনির নিচে অতিরিক্ত মেদ জমে তা গলা পর্যন্ত ঝুলে পড়ে। ফলে মুখের আদলটাই বদলে যায়। দেখতেও ভাল লাগে না।

মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে তাই গালে, থুতনির নিচে জমা অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে ফেলা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু পেটের মেদ বা ভুঁড়ি কমানোর মতো মুখের মেদ ঝরানো মোটেই সহজ নয়! তাহলে কী ভাবে ঝরাবেন মুখে অতিরিক্ত মেদ? আসুন জেনে নেওয়া যাক...

ব্যায়াম ১: মুখ যতটা সম্ভব হাঁ করে খোলার চেষ্টা করুন যতক্ষণ না গালে, ঠোঁটে এবং থুতনিতে টান বা চাপ অনুভব করছেন। এই ভাবে অন্তত মিনিট তিনেক রেখে তার পর ১৫-২০ সেকেন্ড একটু বিশ্রাম নিন। দিনে মাত্র ৫-৬ মিনিট (৩ মিনিট করে দু’বার) এই পদ্ধতিতে ব্যায়াম করার ফলে মুখের রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যাবে যা মুখের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে সাহায্য করে।

ব্যায়াম ২: চোখ বন্ধ করে চোখের উপর আঙুল রেখে চোখের পাতা নিচের দিকে নামানোর সঙ্গে ভ্রু ওপরে তোলার চেষ্টা করুন। এতে কপাল টান টান হবে। প্রতিদিন অন্তত মিনিট পাঁচেকের জন্য এই পদ্ধতিতে ব্যায়াম করুন। এতে চোখের কোলে জমে থাকা মেদ ঝরে যাবে। তাছাড়া চোখ বন্ধ অবস্থায় চোখের মণি উপর থেকে নিচে নামান। অনেকটা ঠিক চোখ বন্ধ অবস্থায় কিছু দেখার চেষ্টা করার মতো! অন্তত ১৫ মিনিট এই ব্যায়াম করতে হবে। প্রতিদিন অন্তত একবার এই ব্যায়ামটি করে দেখুন উপকার পাবেন।

ব্যায়াম ৩: মাথাটা ধীরে ধীরে যতটা সম্ভব পেছনের দিকে হেলাতে থাকুন, যতক্ষণ না ঘাড়ে আর থুতনির নিচে চাপ অনুভব করছেন। এ বার চোয়াল ডান দিক থেকে বাঁ দিক এবং বাঁ দিক থেকে ডান দিকে ধীরে ধীরে ঘোরানোর চেষ্টা করুন। দিনে মিনিট পাঁচেক করে অন্তত ৫ বার এই ব্যায়াম করতে পারলে ঘাড় আর গলার পেশি টান টান হয়ে যাবে। একই সঙ্গে দ্রুত ঝরে যাবে ঘাড় আর গলার অতিরিক্ত মেদও।

ব্যায়াম ৪: মাথা পেছন দিকে যতটা সম্ভব হেলিয়ে দু’ হাত দিয়ে গালের ওপর সমান ভাবে চাপ সৃষ্টি করুন। একই সঙ্গে যতটা সম্ভব মুখ বন্ধ অবস্থাতেই হাসার চেষ্টা করুন। অন্তত ১০ মিনিট নিয়মিত এই ব্যায়াম করতে পারলে গাল থেকে অতিরিক্ত মেদ সহজেই কমে যাবে।

ব্যায়াম ৫: মুখের মধ্যে একটি বা দু’টি আঙুল ঢুকিয়ে যতটা সম্ভব জোরে চুষুন বা ওই ভঙ্গিতে মুখের ভেতরে হাওয়া টেনে গাল দু’টোকে যতটা সম্ভব সংকুচিত করুন। এটা অনেকটা সেলফি তোলার সময় ‘পাউট’ করার মতো। প্রতিদিন অন্তত ১০ বার যদি এই পদ্ধতিতে ব্যায়াম করলে গালের ফোলাভাব দ্রুত কমে।

22/08/2021

ব্যায়ামের মাধ্যমে দূর করুন মুখে বয়সের ছাপ।

নিজস্ব প্রতিবেদন :মেয়েদের মুখে বয়সের ছাপ সব থেকে আগে বোঝা যায়। মা হওয়ার সাথে সাথেই আরো ভাল ভাবে বোঝা যায় তা। কিন্তু নিজের যৌবন কে না ধরে রাখতে চায়। তাই মুখে বয়সের ছাপ লুকানোর জন্য প্রয়োজনীয় কিছু ব্যায়াম করা দরকার। আসুন দেখে নেওয়া যাক কী কী ব্যায়াম করলে লুকোনো যাবে বয়সের ছাপ....

অকারণে ভুরু কুঁচকে থাকবেন না। যদি আপনি চান কপালে কোন রকম ভাজ না পড়ুক, তাহলে যতটা সম্ভব বড় বড় করে তকানোর চেষ্টা করুন। ফলে ত্বকের পেশি মোলায়েম হয়ে। এছাড়াও প্রাণ খুলে হাসলে কমে বয়স। একটি গবেষনায় দেখা গেছে, বেশি হাসলে রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়ে।

গালের ফোলা ভাব কমাতে হলে করুন গালের পেশির ব্যায়াম।

যদি আপনার চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল থাকে, তাহলে এক চোখ বন্ধ করে অন্য় চোখটি ২০-২৫ বার খোলা আর বন্ধ করলে দূর হবে ডার্ক সার্কেল।

মুখের ব্যায়াম করলে ত্বক থেকে দূর হবে বলিরেখা, ত্বক হবে টানটান, মুখে ক্লান্তি ও বয়সের ছাপ সহজে পড়ে না, পেশির গঠন মজবুত হয় ও রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়।

22/08/2021

ব্রণ-র সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে টোনার বানান বাড়িতেই, পান ঝকঝকে ত্বক!

বাড়িতেই বানিয়ে নিতে পারবেন টোনার, দেখে নিন কীভাবে।
ত্বক অতিরিক্ত তৈলাক্ত হল মুখে ব্রণর সমস্যা দেখা যায়। তা আরও খারাপ অবস্থা নেয় যখন মুখে থাকা ব্রণ কমে যাওয়ার পরেও থেকে যায় দাগ। তাই ব্রণ-র সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে একদম প্রথমেই নিন সঠিক ব্যবস্থা। বাড়িতেই প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি করে নিতে পারেন তিনটি টোনার যা শুধুমাত্র আপনাকে তৈলাক্ত ত্বকের হাত থেকে মুক্তি দেবে না, কমাবে ব্রণ-র সমস্যাও।

টোনার ত্বক পরিষ্কার করতে এবং ত্বকের রোমকূপের মুখগুলোকে সঙ্কুচিত করতে ব্যবহৃত হয়। কারণ রোমকূপ খুলে গেলে ত্বকে তেল-ময়লা বেশি জমে ও ত্বক দাগযুক্ত দেখায়। অতএব, মুখকে সুন্দর ও পরিষ্কার করতে টোনার রোজ ব্যবহার করা উচিত। যাদের তৈলাক্ত ত্বক তাঁরা বাড়িতেই এভাবে টোনার বানিয়ে নিতে পারেন।

অ্যালোভেরা জেল টোনার:

অ্যালোভেরা জেল দিয়ে টোনার তৈরি করতে পারেন খুব সহজে। পানীয় জলে এক চামচ অ্যালোভেরা জেল যোগ করুন। যদি আপনার ত্বক খুব সংবেদনশীল হয়, তাহলে আপনি ৪-৫ ফোঁটা টি-ট্রি অয়েলও এতে যোগ করতে পারেন। এবার তা তুলোয় করে লাগান। ফ্রিজে রাখলে একবার বানানোর পর ২-৩ দিন রাখতে পারবেন। টি-ট্রি অয়েলের বদলে আপনি এতে আধা চা চামচ আপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে দিনে অন্তত তিনবার মুখে স্প্রে বা তুলা দিয়ে লাগাতে পারেন।

গোলাপ জলের টোনার:

যারা অ্যালোভেরা জেল পছন্দ করেন না তাদের জন্য গোলাপ জল সবচেয়ে ভালো বিকল্প। গোলাপ জলে আধা চা চামচ গ্লিসারিন যোগ করুন। ১০-১৫ দিনের জন্য এটি সংরক্ষণ করতে পারেন।

নিম টোনার:

এটি বানানোর জন্য নিম পাতা জলে ফুটিয়ে নিন। সেই জল একটি স্প্রে বোতলে ভরে নিন। এবার তা স্প্রে বোতলের সাহায্যে মুখে ছিটিয়ে নিন। এটাও ফ্রিজে রাখলে ৩-৪ দিন ব্যবহার করা যাবে।

Photos from HKN beauty tips's post 12/08/2021

কোভিড থেকে বাঁচতে দীর্ঘ সময় মাস্ক পরে থাকছেন? ত্বকের ক্ষতি হচ্ছে না তো?

কিছুদিন আগে একটা মিম খুব ঘুরছিল সোশাল মিডিয়ায়, হয়তো অনেকেই দেখে থাকবেন। কোভিড থেকে বাঁচতে একটানা মাস্ক পরে থাকার ফলে কেমন মুখে মাস্কের মতো দাগ হয়ে গেছে, সেটাই মিমের বিষয়বস্তু। আপাতভাবে মিমটি মানুষকে হাসানোর জন্য বানানো হলেও এর আড়ালে কিন্তু লুকিয়ে রয়েছে কঠিন সত্য। দীর্ঘদিন একটানা মুখে মাস্ক পরতে পরতে সত্যিই অনেকরকম ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে পারে। ঠিক যেমন একটানা ঘড়ি পরতে পরতে ওই জায়গাটা বরাবর ত্বকের রঙে তফাত হয়ে যায়, একই সমস্যা হতে পারে একটানা মাস্ক পরলেও। সঙ্গে ব্রণ, অ্যালার্জি, র‍্যাশের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে ত্বকে।

মাস্ক পরলে ত্বকে সমস্যা হয় কেন?
ঠিকভাবে মাস্ক পরলে তা নাক আর মুখের উপর চেপে বসে, ফলে বাতাস ঠিকমতো খেলে না। কাজেই ওই অংশের তাপমাত্রা আর আর্দ্রতা খুব বেড়ে যায়। নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন, মাস্ক পরলে মুখ কতটা গরম আর ভেজা ভেজা লাগতে শুরু করে কিছুক্ষণ পর থেকেই? গরম আর ঘাম একসঙ্গে ত্বকে বিক্রিয়া করে, যার ফলে ব্রণ, ত্বকের রঙে তফাত, ট্রমা লাইনের মতো সমস্যা দেখা দেয়। কিছুদিন আগে ভাইরাল হওয়া নার্সদের মুখে সেই ট্রমা লাইনের ছবি নিশ্চয়ই মনে আছে?

প্রশ্ন হল, কোভিড থেকে বাঁচতে মাস্ক পরা যখন বাধ্যতামূলক, তখন ত্বকের সঙ্গে আপস করাই কি একমাত্র উপায়? আমাদের বক্তব্য, মোটেই নয়! মাস্ক তো পরতেই হবে, তবে সেই সঙ্গে জেনে রাখতে হবে কিছু কৌশল যাতে ত্বকটাও বাঁচে।

মাস্ক পরার ফলে ত্বকে কী কী ধরনের সমস্যা হতে পারে, আর তার থেকে বাঁচার উপায়ই বা কী? টিপস দিলাম আমরা, জেনে রাখুন আপনিও!

ব্রণর উৎপাত:
নাক-মুখ একটানা চাপা মাস্ক দিয়ে ঢেকে রাখার ফলে ওই অংশে খুব ঘাম হতে থাকে। যাঁদের এমনিতেই ব্রণর ধাত, তাঁদের সমস্যা বেশি হয়। মুখের এই অংশ ব্রণয় ভরে যায়, ব্যথাও হয়। এ ক্ষেত্রে স্পট ট্রিটমেন্ট সবচেয়ে ভালো কাজ দেবে। ব্রণ নিরাময়ের যে সব ক্রিম ওষুধের দোকানে পাওয়া যায়, তা ব্যবহার করে দেখুন। চন্দন বেটে ব্রণর উপরে লাগালে আরাম পাবেন। বাইরে থেকে ফিরে মুখ অয়েল-ফ্রি ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে হালকা ময়শ্চারাইজার লাগান।

ঘামের সমস্যা:
একে প্রচণ্ড গরম, তার উপর মাস্কে নাকমুখ ঢাকা, এ অবস্থায় ঘাম তো হবেই! আপনার সর্দিকাশির মতো কোনও উপসর্গ না থাকলে বাড়ির ভিতরে মাস্ক পরে থাকার দরকার নেই। বাইরে যাওয়ার সময় ব্যাগে ওয়েট টিস্যু রাখুন। মুখ ঘেমে গেলে টিস্যু দিয়ে মুছে নিন। সুতির কাপড়ের তৈরি মাস্ক পরতে পারেন, গরম একটু কম লাগবে।

লালচেভাব:
যাঁদের ত্বক সেনসিটিভ, মাস্ক পরলে তাঁদের ত্বক লাল হয়ে যাওয়ার বা র‍্যাশ বেরোনোর আশঙ্কা থেকেই যায়। অনেক সময় জায়গাটা চুলকোয়, আঁশের মতো চামড়া উঠতে থাকে। মাস্কের মেটেরিয়ালের সঙ্গে ত্বকের বিক্রিয়ায় এমন হয়ে থাকে। বাড়ি ফিরেই মাস্ক খুলে ফেলুন। ঠান্ডা জলে ধুয়ে নিন জায়গাটা। তারপর অ্যালো ভেরা জেল লাগিয়ে নিলে ধীরে ধীরে লালচেভাব কেটে যাবে।

অ্যালার্জি:
মুখে মাস্ক পরলেই জ্বালা করছে, চুলকোচ্ছে, দানা দানা বেরোচ্ছে? সম্ভবত মাস্কের উপাদানটি আপনার ত্বকের সঙ্গে মানানসই নয়। মাস্কের ধরন বদলে দেখুন। গেঞ্জি কাপড়ের বদলে সুতির মাস্ক পরুন। অ্যালার্জির কারণে সমস্যা হলে কমে যাওয়ার কথা।

ত্বকের রঙে তফাত:
একটানা কোনও জায়গা চাপা থাকলে সে অংশে রঙের তফাত হয়ে যায়। এই কারণে ঘড়ির ব্যান্ডের নিচে, চটির স্ট্র্যাপের ঠিক নিচের অংশে চামড়ার রং বাকি অংশের চেয়ে হালকা দেখায়। একটানা মাস্ক পরার অভ্যেস করে ফেললে আপনার মুখেও একই অবস্থা হবে, অর্থাৎ মাস্কের ঠিক নিচের অংশটুকুর রং মুখের বাকি অংশের চেয়ে হালকা দেখাবে। মাস্ক পরা বন্ধ করার উপায় যখন নেই, তখন এ থেকে বাঁচার একটাই উপায়, পুরো মুখ ঢেকে ফেলা। বাইরে বেরোলে মাস্কের বদলে সুতির নরম স্কার্ফ বা ওড়না দিয়ে পুরো মুখ আর মাথা জড়িয়ে নিন, চোখে পরুন রোদচশমা। তাতে কোভিড থেকেও বাঁচবেন, আবার আপনার অমূল্য ত্বককেও বাঁচাতে পারবেন।

বিশেষ টিপস:
পরিষ্কার শুকনো মাস্ক পরুন: ভেজা মাস্ক থেকে ত্বকে সংক্রমণ হতে পারে, প্রদাহ তৈরি হতে পারে। বাইরে বেরোলে সঙ্গে দু' তিনটি বাড়তি মাস্ক রাখুন। ভিজে গেলেই বদলে নিন,

মাস্ক পরার আগে মুখে ভারী ক্রিম বা ময়শ্চারাইজার মেখে নিন: শিয়া বাটার, কোকো বাটার, জোজোবা অয়েল আপনার ত্বকে বাড়তি সুরক্ষা জোগায়। তাই আগে মুখে ভালো করে ময়শ্চারাইজার মেখে তবেই মাস্ক পরবেন।

মেকআপ হালকা রাখুন: মাস্ক পরলে আপনার মুখ ঘামবেই। তার উপর মুখে ভারী মেকআপ করলে তা ঘামের সঙ্গে মিশে ত্বকে বিক্রিয়া করতে পারে। তাই মেকআপ খুব হালকা রাখুন, ফাউন্ডেশন, কমপ্যাক্ট যতটা সম্ভব কম মাখুন এ ক'টা দিন।

ত্বকের নিয়মিত যত্ন নিন: মুখ নিয়মিত পরিষ্কার করে টোনার আর ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে রাখুন। অ্যালো ভেরা বেসড টোনার আর ময়শ্চারাইজার ত্বক স্নিগ্ধ রাখবে।

ভরসা থাক বরফে: ত্বক খুব জ্বালা করলে বা লাল হয়ে গেলে বরফের কমপ্রেস নিতে পারেন। পাতলা কাপড়ে বরফ মুড়ে লাল হয়ে যাওয়া অংশে ধীরে ধীরে লাগালে আরাম পাবেন।

13/07/2021

লকডাউনে ত্বকেরও সঠিক যত্নের প্রয়োজন; রাতে ঘুমনোর আগে মেনে চলুন এই সহজ রুটিন
লকডাউনে ঘরবন্দি অবস্থায় ত্বকেরও সঠিক যত্নের প্রয়োজন। নাহলেই ফিরবে ব্রণ-ফুসকুড়ি বা রুক্ষ ত্বকের সমস্যা..
নিজস্ব প্রতিবেদন: ভারতে এই মুহূর্তে করোনা আক্রান্ত ২৮ হাজার ৪৬ জন, মৃত্যু হয়েছে ২৮০৪৬ জন মানুষ। করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে লকডাউন চলছে গোটা দেশে। পরিস্থিতির মোকাবিলায় দফায় দফায় বাড়ানো হয়েছে লকডাউনের মেয়াদ।

এই লকডাউনে ঘরবন্দি অবস্থায় ত্বকের সঠিক যত্ন নিতে পারছেন না? ত্বক রুক্ষ হয়ে পড়েছে বা তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ-ফুসকুড়ির সমস্যা বেড়েছে? রাতে ঘুমনোর আগে মেনে চলুন এই সহজ রুটিন, কমবে সমস্যা, ফিরবে ত্বকের জেল্লা!

মেক আপ: কখনওই মেক আপ নিয়ে রাতে ঘুমোতে যাবেন না। এতে ত্বকের রোমকূপ বন্ধ হয়ে থাকবে। ভিটামিন ই সমৃদ্ধ কোনও ণেক আপ রিমুভার ব্যবহার করা ত্বকের জন্য সবচেয়ে ভাল।

সারা দিনের ধুলো ময়লা জমে মুখের ত্বকের ক্ষতি হয়। তাই মেক আপ না করে থাকলেও রাতে ঘুমনোর আগে ভাল কোনও ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে জল দিয়ে, শুকনো করে মুছে নিন।

মুখ ধোওয়ার পর ত্বকের পিএইচ ব্যালান্স কমে যাওয়ায় শুষ্ক লাগতে পারে। এমনটা হলে অবশ্যই কোনও টোনার লাগিয়ে নিন মুখে। যা পিএইচ ব্যালান্স ধরে রাখতে সাহায্য করবে।

রাতে ঘুমনোর সময় ত্বক ভাল করে ময়শ্চারাইজ করা জরুরি। যে কোনও ক্রিম বা ময়শ্চারাইজার নয়, রাতে শোওয়ার আগে কোনও ভাল নাইট ক্রিম মাসাজ করুন।কারণ এই সময় ত্বকের বেশি পুষ্টি প্রয়োজন।

চোখের কথা কিন্তু অবশ্যই ভুলে যাবেন না। চোখের তলার কালি ও সকালে ফোলা ভাব কমাতে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে অবশ্যই চোখের কোলে ভাল কোনও আন্ডার আই ক্রিম মাসাজ করুন।

13/07/2021

নাকে-মুখে বাড়তে থাকা ব্ল্যাকহেডস নিয়ে চিন্তিত? কাজে লাগান আলুর টোটকা
ব্ল্যাকহেডসের সমস্যায় কী ভাবে কাজে লাগাবেন আলু? জেনে নিন...

নিজস্ব প্রতিবেদন: বেশির ভাগ মানুষই সবচেয়ে বেশি সচেতন নিজের মুখ নিয়ে। মুখের সৌন্দর্য ধরে রাখতে প্রয়োজন নিয়মিত মুখের ত্বকের সঠিক যত্ন নেওয়া। আর মুখের সৌন্দর্যের ক্ষেত্রে একটি বড় সমস্যা হল ব্ল্যাকহেডস।

আমাদের অনেকেরই নাকে ও মুখে ব্ল্যাকহেডস ওঠে। আর এই ব্ল্যাকহেডস নিয়ে দুশ্চিন্তার অন্ত নেই! পার্লারে গিয়ে স্ক্র্যাবিং, ফেসিয়াল, ক্লিনিং— কত কী না করি আমরা! তার পরেও সমস্যা কিন্তু থেকেই যায়। আর এখন তো লকডাউনের জেরে পার্লারে যাওয়ারও উপায় নেই। তবে চিন্তা নেই! ব্ল্যাকহেডস-এর এই সমস্যা পুরোপুরি দূর করতে আজ জেনে নিন আলুর ব্যবহার। অবাক হচ্ছেন! ত্বকের পরিচর্যায় আলু অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। বিশেষ করে ব্ল্যাকহেডস-এর সমস্যায় এটির কার্যকারীতা অবিশ্বাস্য!

উপকরণ:

১টি মাঝারি মাপের আলু, ১ চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার, পর্যাপ্ত পরিমাণে জল।

পদ্ধতি:

১) একটি মাঝারি মাপের আলু ভাল করে ধুয়ে পরিষ্কার করে খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কাটুন।

২) এ বার আলুর টুকরোগুলোকে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারের সঙ্গে মিশিয়ে ভাল করে ব্লেন্ড করুন বা মিহি করে বেটে নিন।

৩) আলু আর অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারের মিশ্রণটি সামান্য জল দিয়ে পাতলা করে নিন।

৪) এ বার এই মিশ্রণটি একটি আইস ট্রেতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে ৩-৪ ঘণ্টা রেখে দিন।

৫) ক্লিনজার বা সামান্য উষ্ণ জল দিয়ে মুখ ভাল করে পরিষ্কার করে নিন।

৬) এ বার বরফ হয়ে যাওয়া আলু আর অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারের মিশ্রণের টুকরো নিয়ে ত্বকের উপর (বিশেষ করে ব্ল্যাকহেডস আক্রান্ত স্থানে) মালিশ করুন।

৭) দিনে ২-৩ বার এই পদ্ধতিতে আলু আর অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারের মিশ্রণটি দিয়ে ত্বকের ব্ল্যাকহেডস আক্রান্ত স্থানে মালিশ করতে পারলে সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

13/07/2021

খুশকির সমস্যায় নাজেহাল? রইল অব্যর্থ ৬টি ভেষজ সমাধান
খুশকির সমস্যার সমাধানে সঠিক সময়ে তৎপর না হলে মাথা ভরা চুল ঝরে গিয়ে অল্পদিনের মধ্যেই ‘গড়ের মাঠ’ হয়ে যেতে পারে।
নিজস্ব প্রতিবেদন: চুলের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে খুশকি একটা বিরাট সমস্যা। আগে শুধুমাত্র শীতকালের শুষ্ক আবহাওয়াতেই খুশকির সমস্যা দেখা দিত বা বৃদ্ধি পেত। কিন্তু বর্তমানে মাত্রাতিরিক্ত দুষণের ফলে মোটামুটি সারা বছর এই সমস্যা লেগেই থাকে। অত্যধিক চুল ঝরা, রুক্ষ চুল, বিভিন্ন ধরনের স্ক্যাল্প ইনফেকশন জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ি এই খুশকি। তাই খুশকির সমস্যার সমাধানে সঠিক সময়ে তৎপর না হলে মাথা ভরা চুল ঝরে গিয়ে অল্পদিনের মধ্যেই ‘গড়ের মাঠ’ হয়ে যেতে পারে।

খুশকি থেকে রেহাই পেতে বাজারে নানা ধরনের শ্যাম্পু ও লোশন পাওয়াই যায়। কিন্তু সেগুলিতে থাকা বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানের প্রভাবে কখনও কখনও উল্টে চুলেরই ক্ষতি হয়। তাহলে উপায়! উপায় আছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক এমন বেশ কয়েকটি কার্যকরী ভেষজ উপাদান সম্পর্কে যেগুলি খুশকির সমস্যা দ্রুত সমাধানদূর করতে একেবারে অব্যর্থ! আর এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় উপাদানগুলির দামও সামান্য। তাই অল্প খরচে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই খুশকির সমস্যার সমাধান করুন।

১) পেঁয়াজের রস: দুটো পেঁয়াজ ভাল করে বেটে এক মগ জলে মিশিয়ে নিন। মাথায় এই পেঁয়াজের রস ভাল করে লাগিয়ে মালিশ করুন। কিছু ক্ষণ পর হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এ ভাবে সপ্তাহে দু’বার পেঁয়াজের রস মাথায় মাখলে খুশকির সমস্যায় দ্রুত উপকার পাবেন।

২) নারকেল তেল: নারকেল তেল খুশকির প্রকোপ কমাতে খুবই কার্যকরী। এ ছাড়া চুলে গোড়া ময়েশ্চারাইজ করে খুশকি এবং স্ক্যাল্প ইনফেকশনের সম্ভাবনাও অনেক কমিয়ে দেয়। সপ্তাহে দু’বার চুলের গোড়ায় সামান্য উষ্ণ নারকেল তেলের মালিশ করলে দ্রুত উপকার পাবেন।

৩) টকদই: খুশকির সমস্যা থেকে বাচঁতে টকদই খুব কার্যকরী। খুশকি দূর করতে টকদই মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ১০ মিনিট রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। খুশকির সমস্যা পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে দু’বার এই ভাবে চুলে টকদই ব্যবহার করা যেতে পারে।

৪) লেবুর রস: দুই টেবিল-চামচ লেবুর রস অল্প জলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথার ত্বকে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। ২-৫ মিনিট ম্যাসাজ করার পর চুল ধুয়ে নিন। খুশকির সমস্যা পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত সপ্তাহে দু’বার এই ভাবে চুলে লেবু ব্যবহার করা যাবে।

৫) মেথি: মেথি সারারাত জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে ছেঁকে নিয়ে ভাল করে বেটে নিন। ছেঁকে নেয়া জল ফেলে দেবেন না। এবার বেটে নেয়া মেথি চুলের গোঁড়ায় মাথার ত্বকে ভাল করে লাগিয়ে নিন। ঘণ্টা খানেক রেখে চুল ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। চুল ধোয়ার পর মেথি ভিজিয়ে রাখা জল দিয়ে আরও একবার চুল ধুয়ে নিন। এ ভাবে সপ্তাহে দু’বার মেথি-মালিশ করলে উপকার পাওয়া যাবে দ্রুত।

৬) রিঠা: চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে রিঠার জুরি মেলা ভার। খুশকির সমস্যার সমাধানেও এটি বেশ কার্যকর। রিঠা পাউডার বা রিঠা সিদ্ধ জল চুলের ত্বকে লাগিয়ে ঘণ্টা খানেক রেখে ভালমতো ধুয়ে ফেলুন। এ ভাবে সপ্তাহে দু’বার রিঠা মাথায় মাখলে খুশকির সমস্যায় দ্রুত উপকার পাবেন।

13/07/2021

বিরক্তিকর স্ট্রেচ মার্ক দূর করতে কাজে লাগান ৬টি অব্যর্থ ঘরোয়া উপায়! ফল পাবেন হাতেনাতে।
ঘরোয়া উপায় কাজে লাগিয়ে সহজেই স্ট্রেচ মার্ক দূর করা সম্ভব। জেনে নিন তেমনই কয়েকটি অব্যর্থ ঘরোয়া উপায়!

নিজস্ব প্রতিবেদন: বাড়তি মেদ ঝরিয়ে হয়তো সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই সুন্দর ছিপছিপে চেহারা পেয়ে গিয়েছেন। কিন্তু মেদ ঝরে যাওয়ার পর নতুন করে চিন্তা বাড়িয়েছে শরীরের বিভিন্ন অংশের স্ট্রেচ মার্ক। তবে ঘরোয়া উপায় কাজে লাগিয়ে সহজেই স্ট্রেচ মার্ক দূর করা সম্ভব। জেনে নিন তেমনই কয়েকটি অব্যর্থ ঘরোয়া উপায়!

প্রতিদিন যে কোনও ধরণের প্রয়োজনীয় জিনিসের সঙ্গে আমন্ড অয়েল মিশিয়ে নিন। এরপর সেই মিশ্রণ স্ট্রেচ মিশ্রণের উপর লাগিয়ে ফেলুন। কয়েক মিনিট রেখে দেওয়ার পর, তা ধুয়ে ফেলুন। স্ট্রেচ মার্ক দূর হবে।

লেবুর রসের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এরপর স্ট্রেচ মার্কের উপর ব্যবহার করুন ওই মিশ্রণ। গরম জল দিয়ে ধুয়ে, মশ্চারাইজার লাগান। উপকার পাবেন।

স্ট্রেচ মার্ক দূর করতে লেবুর রসও ব্যবহার করতে পারেন। প্রতিদিন স্ট্রেচ মার্কের উপর লেবুর রস মেখে নিন। এরপর ১০ মিনিট রেখে গরম জল দিয়ে ধুয়ে মশ্চারাইজার লাগান। উপকার পাবেন।

একটি বোতলে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার ভরে নিন। এরপর প্রতিদিন স্ট্রেচ মার্কের উপর সেটা স্প্রে করুন। ঘুমোতে যাওয়ার আগে প্রতিদিন নিয়ম করে ব্যবহার করুন অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। এরপর সকালে তা ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন।

স্ট্রেচ মার্ক নির্মূল করতে হলুদও বেশ উপকারী। দই-এর সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে যদি স্ট্রেচ মার্কের উপর ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে উপকার পাবেন। প্রতিদিন ওই মিশ্রণ স্ত্রিয়াচ মার্কের উপর লাগাতে হবে এবং ধুয়ে ফেলতে হবে গরম জল দিয়ে। এরপর সেখানে মশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। দূর হবে স্ট্রেচ মার্ক।

স্ট্রেচ মার্ক দূর করতে ব্যবহার করুন জোজোবা অয়েল। প্রতিদিন যদি আপনি জোজোবা অয়েল ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে যেমন ত্বক নরম থাকবে, তেমনি সেখানে নতুন করে কোষও তৈরি হবে।

Photos from HKN beauty tips's post 13/06/2021

নখ পাতলা হয়ে ভেঙে যাচ্ছে? কীভাবে ফের মজবুত করে তুলবেন নখ?

লকডাউন শুরু হওয়ার পর একমাস হতে চলল প্রায়। আর এই একমাসে ঘরের সমস্ত কাজের চাপ সামলাতে হয়েছে আপনাকে, বলা ভালো আপনার দুটি হাতকে। স্বাভাবিকভাবেই ডিটারজেন্ট, ডিশ ওয়াশিং পাউডার, ফিনাইলের মতো কড়া কেমিক্যালের সংস্পর্শে এসে ক্ষতিগ্রস্ত আর ভঙ্গুর হয়ে যাচ্ছে আপনার নখ। সহজে ভেঙে যাচ্ছে, পাতলা হয়ে যাচ্ছে, দেখতেও খারাপ লাগছে।

এমন পরিস্থিতিতে নখ মজবুত করে তুলতে ফের চোখ ফেরান আপনার রান্নাঘরের শেলফের দিকে। যেহেতু এখনও বেশ অনেকদিনই এভাবেই ঘরের কাজ করে যেতে হবে, তাই নখ মজবুত করে তোলা ছাড়া উপায় নেই। আর আপনার রান্নাঘরেই আছে এমন কিছু উপাদান যা সাহায্য করতে পারে আপনাকে। জেনে নিন এক্ষুনি!

অলিভ অয়েল আর লেবুর রস
পরিমাণমতো অলিভ অয়েলে কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস মেশান। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে দশ আঙুলের নখে ভালো করে তা দিয়ে মাসাজ করুন। সারা রাত মিশ্রণটা নখে লাগানো থাকবে। কিছুদিন লাগালে উপকার পাবেন।

অ্যাপল সাইডার ভিনিগার
জলে অ্যাপল সাইডার ভিনিগার মিশিয়ে 10 মিনিট নখ ডুবিয়ে রাখুন। অ্যাপল সাইডার ভিনিগারে পটাশিয়াম, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের মতো নানান খনিজ উপাদান আছে যা নখের সংক্রমণ কমিয়ে নখ মজবুত রাখে।

সৈন্ধব লবণ
বাটিতে জল নিয়ে তাতে খানিকটা সৈন্ধব লবণ ফেলে দিন। সঙ্গে যোগ করুন কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস। সপ্তাহে একবার এই মিশ্রণে নখ ডুবিয়ে রাখলে নখ আগের চেয়ে মজবুত হবে।

ভিটামিন ই
নখ শক্ত আর মজবুত করতে ব্যবহার করতে পারেন ভিটামিন ই অয়েল। একটা ভিটামিন ই ক্যাপসুল কেটে ভিতরের জেলটা বের করে নখে মাখুন। ভিটামিন ই ক্যাপসুল খেতেও পারেন।

ভঙ্গুর নখকেও করে তুলুন মজবুত।

নখের স্বাভাবিক যত্নের জন্য
প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার আপনার ভঙ্গুর নখকে ফের মজবুত করে তুলবে ঠিকই, কিন্তু তার পাশাপাশি নখ সুস্থ রাখতে কিছু বাড়তি সতর্কতাও মেনে চলতে হবে। রইল তেমনই কিছু টিপস।

*নখ আর্দ্র রাখুন
প্রতিদিন বাসন মাজা বা কাপড় কাচার কাজ শেষ হলে হাত ধুয়ে মুছে খুব ভালো করে ময়শ্চারাইজার মেখে নিন। তাতে হাত আর নখ, দুইই ভালো থাকবে।

*ঘরের কাজ করার সময় গ্লাভস পরুন
নখ সুরক্ষিত রাখতে ঘরের কাজ করার সময় ডিসপোজেবল গ্লাভস পরে নিতে পারেন।

*ঘন ঘন নেল পলিশ বা রিমুভার ব্যবহার করবেন না
এই সময় যেহেতু ঘরের সমস্ত কাজই আপনাকে করতে হচ্ছে, তাই এমনিতেই নখের উপর বাড়তি চাপ পড়ছে। এই সময় যদি বারবার রং পালটে পালটে নেল পলিশ পরেন বা রিমুভার দিয়ে পালিশ তোলেন, তা হলে বাড়তি কেমিক্যাল নখের আরও ক্ষতি করে দেবে। তাই খুব ঘন ঘন নেল পলিশের রং পাল্টাবেন না, এড়িয়ে চলুন রিমুভারও।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Chittagong