Asthma Care
কুরআনে প্রাকৃতিক উপাদানকে রোগমুক্তি, পুষ্টি ও সুস্থতার উৎস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা আল্লাহর করুণা ও মানব কল্যাণে সৃষ্টি।
01/06/2026
এ্যাজ'মা বা হাঁপানি হলো শ্বাসনালীর প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদী একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাসনালী ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। এতে হানী'র বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ, দম নিতে কষ্ট হওয়া এবং বাশির মতো আওয়াজ ইত্যাদি। এ অবস্থায় শ্বাসনালীতে যদি ধুলা, ঠান্ডা বা গরম বাতাস প্রবেশ করে তাহলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই শীত আসার সাথে সাথে বাড়তে থাকে এই প্রকোপ।
এ্যাজমার উপসর্গ গুলো সাধারণত রাতে বা খুব সকালে বেশি হয় এবং শ্বাসনালিতে কোনো ধরনের এ্যালজেন প্রবেশ করলে বা তাপমাত্রা পরিবর্তিত হলে এ উপসর্গের তীব্রতা বেড়ে যায়। কারও কারও ক্ষেত্রে কাশি বা শ্বাসকষ্ট বুকে বাশির মতো শো শো শব্দ শুরুর আগে নাক বা বুক চুলকায়, হাচি হয়, নাক দিয়ে পানি পড়ে, চোখ লাল হয়ে যায়। ওপরের উপসর্গ গুলোর সাথে বংশে কারও যদি এ্যাজমা আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যায় তার এ্যাজমা রয়েছে।
আপনার সমস্যার স্থায়ী সমাধান পতে এখুনি যোগাযোগ করুন আমাদের বিশেষজ্ঞ প্যানেল এর সাথে অথবা গ্রহণ করুন আমাদের অর্গানিক ফুড সাপ্লিমেন্ট ""অ্যাজমাটিক প্লাস""।
👉 কোনো প্রকার অগ্রিম পেমেন্ট ছাড়া অর্ডার করুন- https://www.biocarepoint.shop/?m=0 -details
অথবা কল করুন-০১৩১১৩১৪৮০৮
এই ১০টি উপায় মানলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে
১. প্রতি বেলার খাবার খেতে হবে সময়মতো।
২. কী পরিমাণ খাওয়া হচ্ছে, এটাও গুরুত্বপূর্ণ। তৈরি খাবার বেশি পরিমাণে না খেয়ে অল্প অল্প পরিমাণেও তো খাওয়া যায়। চিকিৎসক বললেন, ভাত না খেয়ে রুটি খেতে। এখন ভারী ভারী ছয়টা রুটি খেলে তো আর কাজ হলো না। বরং উল্টো ফল হবে।
৩. আঁশযুক্ত গোটা শস্য খাওয়ার প্রবণতা বাড়াতে হবে।
৪. অতিরিক্ত লবণ ও চর্বিজাতীয় খাবার পরিহার করুন। প্রতিদিন কিছু পরিমাণ শাকসবজি ও ফলমূল খান।
৫. ফাস্ট ফুড, কোমল পানীয় পরিহার করুন।
৬. বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানে পরিবেশিত অস্বাস্থ্যকর খাদ্য বর্জনীয়
৭. নিয়মিত শরীরকে সচল রাখতে হবে। হাঁটা উত্তম উদাহরণ হতে পারে।
৮. একটানা অধিক সময় বসে কাজ করবেন না। কম্পিউটার ব্যবহার ও কাজের ফাঁকে উঠে দাঁড়ান।
৯. ধূমপান বর্জন করুন।
১০. রক্তের গ্লুকোজ, লিপিড, রক্তচাপ ও ওজন অবশ্যই লক্ষ্যমাত্রায় রাখতে হবে।
ডায়াবেটিস নিয়তন্ত্রনে রাখতে সেবন করুন আমাদের "ডায়াবেটিস কেয়ার"
অর্ডার করতে পেজে মেসেজ দিন অথবা কমেন্ট করুন।
এলার্জি শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (ইমিউন সিস্টেম) অতিসংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া থেকে হয়। সাধারণত ইমিউন সিস্টেম শরীরে ক্ষতিকর পদার্থ, যেমন ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া, থেকে রক্ষা করে। কিন্তু এলার্জির ক্ষেত্রে, ইমিউন সিস্টেম নির্দোষ পদার্থগুলোকেও ক্ষতিকর মনে করে এবং সেগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রতিরোধ গঠন করে। এ পদার্থগুলোকে "অ্যালার্জেন" বলা হয়।
এলার্জি বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যেমন:
1. ধূলা বা পরাগরেণু: বাতাসে থাকা ধূলিকণা বা ফুলের পরাগরেণু অনেকের জন্য এলার্জির কারণ হতে পারে।
2. খাদ্য: কিছু খাবার, যেমন বাদাম, দুধ, গম, সয়াবিন, ডিম ইত্যাদি।
3. ঔষধ: কিছু ঔষধ, যেমন পেনিসিলিন বা অন্য কোনো অ্যান্টিবায়োটিক।
4. পোষা প্রাণীর লোম: কুকুর বা বিড়ালের লোম বা ত্বক থেকেও এলার্জি হতে পারে।
5. কেমিক্যালস: কিছু সাবান, শ্যাম্পু, ডিটারজেন্ট বা পারফিউমে থাকা কেমিক্যালস।
এলার্জির লক্ষণগুলো বিভিন্ন রকম হতে পারে, যেমন চুলকানি, হাঁচি, শ্বাসকষ্ট, ত্বকে ফুসকুড়ি, চোখে পানি আসা, ইত্যাদি।
✅নাক দিয়ে পানি পড়া, হাঁচি-কাশি, ত্বকে চুলকানি—এগুলো অ্যালা_র্জির লক্ষণ।
💯💯 এই লক্ষণ যদি আপনারও দেখা যায় তাহলে এখনই ইনবক্স করুন , কিছু সলিউশনের পাশাপাশি স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করুন,✅
10/05/2025
আমাদের পেশেন্ট রিভিউ 🤍
30/04/2025
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong