Israt Heaven
Beauty cosmetic
19/10/2025
- মেয়েরা নিরাপত্তা খোঁজে সেই ছোঁয়ায়, যেখানে ছাড়ার ভ'য় নেই, আছে শুধু থাকার প্রতিশ্রুতি!'💜🌸
29/08/2025
আমার হ্যাজবেন্ড আমাকে সবসময় একটা কথা বলে- তুমি কখনো অন্য কারো থেকে আশা করবেনা।
আমি যতোদিন বেঁচে আছি, আর আমার শরীরে যতদিন রক্ত আছে আমি তোমার সব শখ পূর্ণ করার চেষ্টা করবো।
তোমার কোনো অভাব অপূর্ণ রাখবোনা।
যেইদিন পকেট একদম শূন্য হবে আমার, ঐদিন আমি বেঁচে থাকতে বুঝিয়ে দিবো- আমার শূণ্য টাকা থেকে লাখ টাকার মালিক তুমি।
তোমাকে আমি রাণীর মতো রাখবো, এই বিশ্বাস টা রেখো আমার উপরে।😇💕
আসলে “প্রায়োরিটি” জিনিস টা 'ভিক্ষা' করে চেয়ে নেওয়ার মতো জিনিস না! '
তুমি আমাকে প্রায়োরিটি দাও না কেনো?'
টাইপের অভিযোগ করে লাভ নাই!
অভিযোগ করে কেউ কোনোদিন প্রায়োরিটি পায় নাই!
প্রায়োরিটি জিনিস টা মন থেকে আসে।
আপনাকে যে প্রায়োরিটি দিবে, দেখবেন সে আপনাকে তার সাধ্যের মধ্যে রাণী বানিয়ে মাথায় তুলে রাখবে।
রাণী বলতে স্বর্ণ গয়না দিয়ে ভরে রাখা নয়। কারণ, পুরুষ চাইলে তার শখের নারীকে কুড়েঘরেও রাজপ্রাসাদের সুখ দিতে পারে❣️ আবার, ঐ পুরুষই চাইলে রাজপ্রাসাদের একজন রানী বানাতে পারে।
13/06/2025
31/05/2025
ছবিটি একটু ভালো করে খেয়াল করলে দেখা যায়, একজন সু /স্থ-স 'ব 'ল পুরুষ দাঁড়িয়ে আছেন। ঠিক পাশেই একটি সিটে প /র্দা /শী /ন এক নারী ঘুমিয়ে আছেন। এটি ছিল ময়মনসিংহ থেকে চট্টগ্রামগামী এক রাতভর ট্রেনযাত্রার কথা।
পুরুষটি সারারাত দাঁড়িয়ে ছিলেন, এমন নয় যে তাঁর সিট ছিল না। সিট ছিল, তবে সেখানে ঘুমিয়ে ছিলেন তাঁর স্ত্রী। আর স্ত্রী যেন একটু আরামে ঘুমাতে পারেন, এই কারণেই তিনি নিজের সিটে না বসে দাঁড়িয়ে রাত পার করেছেন।
ট্রেনে মাঝে মাঝে ঝাঁ 'কু 'নি লাগে, স্ত্রী হঠাৎ জেগে ওঠেন। তখন পুরুষটি হাঁটু গেড়ে বসে যান স্ত্রীর পাশে। মাথায় হাত বুলিয়ে কানে কানে জিজ্ঞেস করেন, কিছু খাবে? ক /ষ্ট হচ্ছে নাকি?
আমি এক সময় বললাম, ভাই, আমার পাশে বসে যান না। উনি হালকা হেসে বললেন, ভাই, আমি বসলে আমার জায়গায় অন্য কেউ দাঁড়িয়ে যাবে। আমার বউ অ 'গোছালোভাবে ঘুমাচ্ছে, তখন সে আরাম পাবে না।
প্রতিদিন হাজারো নারী নি /র্যা /ত /নে /র সংবাদে ভা 'রী থাকে সোশ্যাল মিডিয়া। তার ভিতরে এই ভালোবাসার দৃশ্য যেন এক নিরব আশীর্বাদ। এমন সম্মান, প্রেম টাকা দিয়ে কেনা যায় না। এই ভালোবাসা প্রতিটি নারীর ভাগ্যে জোটে না।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি শ্রেষ্ঠ, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম। আর আমি আমার স্ত্রীদের জন্য তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি।
– তিরমিজি
27/05/2025
একজন নারী তার শ্বশুর বাড়িতে ঠিক কতটুকু গুরুত্ব পাবে, তা নির্ভর করে তার প্রতি স্বামীর ভালোবাসা এবং গুরুত্বের উপর। যে নারী তার স্বামীর ভালোবাসা পায়, স্বামী তাকে গুরুত্ব দেয় এবং মূল্যায়ন করে, সেই নারীকে শ্বশুর বাড়ির কেউই অসম্মান করতে পারে না।
বিয়ের পর শ্বশুর বাড়ির অন্যান্য মানুষগুলোর চাইতে সঙ্গী ভালো হওয়াটা জরুরী। সঙ্গী ভালো হলে, শ্বশুর বাড়ির অন্যান্য মানুষ যেমনই হোক, তবুও সংসারে টিকে থাকা যায়। তবে সঙ্গী যদি ভালো না হয়, তবে সেখানে অন্য সবাই ভালো হলেও সংসার করাটাই কঠিন হয়ে দাঁড়ায় একজন নারীর জন্য।
স্বামীর মানসিক সাপোর্ট এবং ভালোবাসা একজন নারীকে দাম্পত্য জীবনের প্রতি মনোযোগী করে তোলে। সেই সাথে স্ত্রীর প্রতি স্বামীর যত্নশীল মনোভাব, স্ত্রীর প্রতি সহমর্মিতা থাকলে সেখানে অনায়াসে যুগের পর যুগ একজন নারী পার করে দিতে পারে।
বিয়ের পরবর্তী সময়টা সব পুরুষদের জন্যই চ্যালেঞ্জের! কেননা তখন মা-বাবা এমনকি স্ত্রীর সম্পর্কের ব্যালেন্স ঠিক রাখার জন্য অনেক বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়! তার মানে এই নয়, একপক্ষকে খুশি করতে অপরপক্ষের সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েন ঘটানো যাবে।
মা-বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ থাকার পাশাপাশি স্ত্রীর প্রতিও কৃতজ্ঞতাবোধ থাকতে হয়। মা-বাবার কথামতো স্ত্রীকে, কিংবা স্ত্রীর কথামতো মা-বাবাকে কখনোই কষ্ট দেয়া ঠিক নয়। স্ত্রীকে ঠিক ততটুকুই গুরুত্ব দিন, যতটুকু গুরুত্ব পেলে সে নিজেকে আপনার বাড়িতে কখনোই অসহায় মনে করবে না। শ্বশুর বাড়ির সব পরিস্থিতিতে সবাইকে আপন করে নিতে তাকে ভরসা দিন, তাকে আত্মবিশ্বাসী হতে সহায়তা করুন।
আসলে শ্বশুর বাড়িতে একজন নারী গুরুত্ব কতটুকু পাবে, তা নির্ভর করে তার প্রতি স্বামীর ভালোবাসা এবং গুরুত্বের উপর। কেননা স্বামী যদি ভালোবাসে, স্বামী যদি গুরুত্ব দেয় এবং পাশে থাকে, তবে শ্বশুর বাড়ির অন্য সবাই যেমনই হোক না কেন, একজন নারী অবলীলায় তার এক জীবন পার করে দিতে পারে সেই সংসারে। অন্যথায় একটা দিন টিকে থাকাটাই সেই নারীর জন্য অসম্ভব হয়ে যায়!
17/03/2025
যেকোনো সম্পর্ক হলো ইলাস্টিকের টেনে ধরা দুই প্রান্তের মতো। সমান হারে দুপাশ থেকে টেনে ধরতে হবে নইলে যে কেউ একপাশ থেকে ছেড়ে দিলে অপরপ্রান্তের অবস্থান রত মানুষটির হাতে সজোরে আঘাত লাগবে। আঘাত না পেতে হলে হয় দুজনকেই একসাথে ছেড়ে দিতে হয়, নয়তো আস্তে আস্তে ছাড়তে হয়।
একটা সময় আমি যেকোনো সম্পর্কে রক্ষার্থে অসম্ভব এফোর্ট দিতাম বা দিই। ইদানীং হয়ে গেছি আয়নার মতো। যে যতোটুকু করে আমিও তারজন্য ততোটুকুই করছি। যখন থেকে সম্পর্কের সুতা নিজ থেকে ঢিল করে দেখেছি অপরপ্রান্ত থেকে শক্ত করে ধরছে কিনা। না, কেউ শক্ত করে ধরে নি, হাতে গোনা দু'একটা মানুষ ছাড়া। ঘুড়ি যেমন সুতা ছাড়তে ছাড়তে অনেকটা দূর আকাশে উড়ে গিয়ে মিলিয়ে গিয়ে সুতা কেটে যায় সম্পর্ক গুলোও তেমন মিলিয়ে গেছে, মিলিয়ে যায়.....
21/02/2025
নিজের যত্ন নিন—কারণ সমাজ আপনার ত্যাগ মনে রাখবে না
সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে এক নারী তার স্বামীর পরকীয়ার প্রসঙ্গে কথা বলছেন। ভিডিওটি দেখে সত্যি বলতে আমার তার জন্য খুব খারাপ লেগেছে। দুটি সন্তান বড় করছেন, অথচ তার স্বামী অন্য একজন নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন।
কিন্তু বিষয়টা এখানেই শেষ নয়। ভিডিওর কমেন্ট সেকশনে যা দেখলাম, তা আরও বেশি হতাশাজনক। অধিকাংশ মন্তব্য ওই নারীর বাহ্যিক সৌন্দর্য নিয়ে। কেউ বলছে, "এটা দেখে মনে হচ্ছে মায়ের বয়সী!" কেউ আবার বলছে, "এমন বউ থাকলে আমিও পরকীয়া করতাম!" শুধু পুরুষরাই নয়, কিছু নারীর মন্তব্যও ছিল অবমাননাকর।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই নারী বিয়ের সময় কি এমন ছিলেন? না, তিনি যথেষ্ট সুন্দরী ছিলেন, নইলে তার স্বামী তাকে বিয়ে করতেন না। তাহলে আজ তার এই অবস্থা কেন?
খুব সহজ উত্তর—সংসার, স্বামী, সন্তান সামলাতে সামলাতে তিনি নিজের যত্ন নেওয়ার সুযোগই পাননি। স্বামীর দায়িত্বহীনতা, শ্বশুরবাড়ির মানসিক চাপ, ঘর-সংসারের বোঝা কাঁধে নিয়ে হয়তো ঠিকমতো বিশ্রামও নিতে পারেননি। দিনশেষে, তার সৌন্দর্য নয়, তার পরিশ্রমকেই অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে।
তাই, মেয়েরা—নিজেকে উপেক্ষা করবেন না!
এই সমাজ আপনার আত্মত্যাগ মনে রাখবে না। স্বামী, সন্তান, সংসার সামলানোর পাশাপাশি নিজের যত্নও নিতে হবে। সময় দিন নিজেকে, নিজের রূপচর্চায় মন দিন, নিজের ভালো থাকার জন্য কিছু করুন।
সংসারের সব টাকা ঘরের আসবাব, পর্দা, হাড়িপাতিলে ব্যয় না করে নিজের জন্য ভালো একটা ফেসওয়াশ, ময়েশ্চারাইজার নিন।
নিজের পোশাক-পরিচ্ছদের দিকেও নজর দিন। সাজগোজ করুন, নিজের সৌন্দর্যকে উপভোগ করুন।
প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট নিজেকে দিন—এই সময়টা শুধু আপনার নিজের জন্য হোক।
কারণ বাস্তবতা হলো—যদি আপনি নিজেকে ভালোবাসতে না পারেন, তাহলে এই সমাজও আপনাকে ভালোবাসবে না।
নিজেকে ভালোবাসুন, নিজের যত্ন নিন—কারণ আপনি গুরুত্বপূর্ণ!
19/08/2024
"শিশিরের মত সুন্দরী মেয়েও প্রতারিত হইলো"
এটা বলার আগে ছবির অপর কাপলের দিকে তাকাবেন। যার চরিত্রে সমস্যা সে বাইরের মেয়েদের ভিতরে হুরপরী দেখবে আর যার চরিত্র ঠিক সে তাঁর বউকেই হুর পরী মনে করবে 👍
আপনি দেখতে যেমনই হোন সেটা গুরুত্বপূর্ণ না।
গুরুত্বপূর্ণ হলো গুরুত্বের সাথে পার্টনার নির্বাচন করা 👍
02/08/2024
মুগ্ধ ছেলেটির প্রিয় মানুষটার লেখা কথা গুলো🙂🥀।
jaaan,
তুই আজ ধরা, ছোঁয়া, রাগ, অভিমান, ভালোবাসা সকল কিছুর ঊর্ধ্বে চলে গেছিস। আমি যতই তোকে ডাকি, তুই আর কোনদিন বলবি না, " hae jaan bolo"
আমি আর কখনো তোর গলা শুনব না। জীবন কত নিষ্ঠুর শিক্ষা দিয়ে দিলো আমাদের বল। আমার পোস্ট, স্টোরির একজন ও ভিউয়ার হলে সেটা তুই ছিলি। আজকে আমার এই লেখা ও তোকে আর স্পর্শ করবে না।
আমি অনেক কপাল করে তোকে পাইছি, আল্লাহ যেন এমন কপাল কাউকে না দেয়।
২০ জুন ২০২১,
তুই প্রথম আমাকে বললি তোর আমাকে ভালো লাগে। আমি টিপ পরি তাই তুই একটা ফেসবুক পোস্ট করলি টিপ নিয়ে। আমি ভাবলাম আতরা ফাতরা ছেলে তুই, খালি খালি ফ্লার্ট করতেছিস, তারওপর পড়াশোনায় ডাব্বা। এরকম ছেলের সাথে কথা বলতে আম্মু নিষেধ করে দিছে।
এরপর ইনবক্সে অনেক ফ্লার্ট চলল তোর.......
অক্টোবর ২০২১
করোনার পরে আমাদের টার্ম ফাইনাল শুরু। সেবার ফিজিক্স পরীক্ষার প্রশ্ন ভীষণ কঠিন, আমি হিমসিম খাচ্ছিলাম এনসার করতে। চোখ পরল তোর দিকে, দেখি বেঞ্চে থুতনি দিয়ে অসহায় এর মত তাকিয়ে আছিস খাতার দিকে। মায়া লাগল, আহারে লিখতে পারছিস না। রিটেক কোর্স টা এই বছর পাশ করলি।
২৫ নভেম্বর ২০২১,
তুই আমাকে বিকেলে কল করলি অর্পা কই তুই। ভার্সিটি ডে আমি বের হব না কেনো, জোরাজোরি করেও বের করতে পারলি না। আমি একটু পরে কল দিয়ে বললাম আমি বের হব, তুই ততক্ষণে শীববাড়ি চলে গেছিস। সেদিন বের হওয়া হলো না। পরেরদিন হলের নিচে তোর আগের হরনেট টা নিয়ে এসে কল দিলি, নাম। আমি তো অবাক এ পাগল বলে টা কি, এভাবে বাইকে চড়ে যাব সবাই কি বলবে! তুই তো নাছোড়বান্দা। নামতে বলছি নাম। তারপর আর কি নামলাম। গেলাম বার্গার খেতে। নাগা নিয়ে তোর সে কি নাকের জ্বল চোখের জ্বল এক হয়ে গেলো। এরপর আস্তে আস্তে শুরু হলো আমাদের ডেটিং পিরিয়ড।
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২২,
তুই প্রপোজ করলি তাও এটা বলে যে আজকে থেকে সব মেয়ে বাদ, তুই আমার সেটেল হওয়া অবধি ওয়েট করবি। আমি তোকেই বিয়ে করব। সেদিন আমরা ভীর- জারা সিনেমাটা দেখছিলাম।
আমরা একবছর একদম উথাল পাথাল প্রেম করলাম।এরপর আমাদের লাগল একদিন মহা ক্যাচাল। ব্যাচমেট, কেউ কাউকে গুনলাম না। যাহ থাকবই না।
আমি কেঁদে একদম একাকার। তুই তো মুখ বোঝা এমনিই। কাউকে বলতে পারলি না খালি সিগারেট আর সিগারেট।
১২ দিন পর আমরা আর পারলাম না। সব ভেঙে চুরে কান্না কাটি শেষে আমি তোকে তপন দার দোকানে জড়ায়ে ধরলাম।
এরপর তিন মাস একদম একের প্রেম চলল। তারপর আবার লাগল, এবার ও কেউ কাউকে পাত্তা দিলাম না। করলাম ব্রেকআপ।
টিকল না ৭ দিন ও।
তারপর আবার সব ঠিক করে র্যাগ এর আগে লাগল মহা ক্যাচাল। তুই কনভেইনার সে কি ব্যস্ত। আমি তো পাই ই না।
৯ অক্টোবর ২০২৩,
তোর জন্মদিন, আমি রান্না করে রাখলাম তুই র্যাগ নিয়ে দৌড়াতে গিয়ে আর রান্না খাওয়ার সময় হলো না। সে কি অভিমান আমার। এই নিয়ে দিলাম র্যাগ এর আগে আগে সব শেষ করে। তখন একটা বাজে অবস্থাই হলো আমাদের, একেতো র্যাগ তারওপর জুনিয়র নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি। কেউ কারো মুখ দেখি না।
কিন্তু ভেতর তো পুরে ছাড়খার।
২৩ নভেম্বর ২০২৩,
তোর কল আসল, আমি ধরলাম না। সাগরে বললাম তোর বন্ধুকে বলবি আমাকে আর কল না দিতে। তুই সে কত বার কল, ম্যাসেজ। শেষে অনলাইন থেকে একটু কল দিয়ে হ্যালো হ্যালো শুনলি।
তখন তোর কি বাজে অবস্থা।
৩০ নভেম্বর ২০২৩,
রিফাহর জন্মদিন শেষে কাদের ভাই এর দোকানে গিয়ে দেখি তুই বসা, দেখেই আমি সরে চলে আসলাম। তুই আমাকে এক ঝলক দেখে চুপচাপ বের হয়ে বাইক এমন টান দিলি। আমি বুঝতে পারলাম যে জ্বলতেছে তাও আমি নরম হলাম না। একঘন্টা পর শুনি তুই রুপসা গিয়ে বাইক নিয়ে পরে গেছিস। কি যে কষ্ট টা পেলাম, তাও মন নরম হলো না।
১ ডিসেম্বর ২০২৩,
আননোন নম্বরের কল,
-হ্যালো কে
-আমি
শুনেই বুঝলাম আমার ছোট মানুষ টা।
হ্যাঁ বল
তুই একটু হলরোডে আয়, আমি প্রমান করে দিব জুনিয়র এর সাথে আমার কিছু নাই।
আমি এক্সিডেন্ট করছে দেখে আর আটকাতে পারলাম না, গেলাম। মুখের দিকে তাকায়ে কি মায়া লাগল।
কিছুক্ষন পরে আমার হাত ধরে, হাঁটুতে মাথা দিয়ে বললি
," তোরে ছাড়া আমার শান্তি লাগে না। তুই পুরা আম্মুর মত। আমার সব আছে, শান্তি নাই, অর্পা তোর ফেরত আসা লাগবে না। আমি তোর বাসায় প্রস্তাব দেব ৬ মাস পর "
আমি তখনো চুপ।
- আচ্ছা শামীম চৈতির মত বিয়ে করে ফেলি তাহলে লুকায়ে।
আমি জানি দুজনের কেউ ই রেডি না বিয়ে করতে। তাও, কেউ কাউকে ছাড়া থাকতে পারি না। কেনোভাবেই হারাতে দেব না।
আমি টাইম চাইলাম (যদিও নাটক)
১৩ ডিসেম্বর ২০২৩,
আমি সিলেট যাব, মেহরাব কে বলে রাখছিলাম। মুগ্ধকে বললাম আমি সিলেট যাব। এখন ও ও যাবে। আমার জন্য হেলমেট কিনল। স্নিগ্ধ, জিদান ওদের ও রাজি করালো।
সেদিন আমাকে মেইনগেইট থেকে বাইকে চড়ায়ে সেই সাস্ট অবধি নিয়ে গেলো। কি কষ্ট টাই না হইছিলো একা একা এতদূর ড্রাইভ করতে! চোখ গুলো লাল হয়ে গেছে। তাও সারাপথ কত কথা বললাম আমরা দুজন দুজনের সাথে।
১৫ ডিসেম্বর ২০২৩,
আমরা শ্রীমঙ্গল গেলাম, রাতে ট্রুথ এন্ড ডেয়ার খেলায় কত কত সত্যি বের হয়ে আসল তোর। আমি যে মাইর টা দিলাম...............
পরেরদিন আমাকে খুলনা নামায় দিলি।
২৯ মার্চ ২০২৪,
আমি ঢাকা গেলাম। আজমপুর যেখানে তোর লাশ টা পরে ছিলো। আমি ওখানে নামলাম। পরেরদিন তুই, আমি, স্নিগ্ধ, আদ্রিতা গেলাম শপিং এ। নিজে খুঁজে খুঁজে আমাকে পছন্দ মত দুইটা জামা কিনে দিলি। ট্রায়াল রুম থেকে বের হলেই তোর চোখে মুখে হাসি। jaaan কি সুন্দর লাগছে তোকে! আর তোর বরাবর এর প্রিয় মি. মানিকের বার্গার।ওটা তো আমাকে তুই খাওয়াবিই।
১১ মে ২০২৪,
রক এন্ড রিদম এর কনসার্ট। আমি আতিফ আসলামের টায় যেতে পারি নি। এটাতে যাবই। জিদান, স্নিগ্ধ, রাহাত ওরাও আসবে। গেলাম সবাই। গেটে ঢুকতে মারামারির মত শুরু হলে, তুই সে কি আমাকে বারবার হাত দিয়ে সরায়ে দিচ্ছিস। তোর গায়ে ধাক্কা লাগতেছে। আমার গায়ে যেন না লাগে। ঢুকলাম কোনোভাবে। কতবার জড়ায়ে ধরলাম, চুমু খাইলাম। শেষে অনি হাসান পূর্নতা বাজাবে আর মিজান গাইবে। আমি দেখি না। তুই আমাকে বললি কাঁধে বস। আমিও আর দুনিয়ায় চিন্তা না করে বসলাম কাঁধে চড়ে। তুমি সেই পূর্নতা আমার অনুভবে"" শুনলাম তোর কাঁধে বসেই। সেদিন সারারাত ঢাকা শহরে চড়ে বেড়াইলাম। হাতিরঝিল এসে আমি মুগ্ধর পিঠে হ্যালান দিয়ে বসে আছি। জিদান বললো," অর্পার ই ভালো"
হ্যাঁ আসলেই জিদান। আমার ই ভালো ছিলো দিন।
পুরান ঢাকার কত খাবার দাবার খেলাম আমরা। টিএসসি তে স্নিগ্ধর সাথে গ্যান্জাম করলাম। পরেরদিন বিকেলে আমাকে বাসে তুলে দিলি তুই।
২১ জুন ২০২৪,
অঙ্কুরের বিয়েতে তোকে সারপ্রাইজ দিতে গেলাম। তুই আগেই টের পেয়ে গেছিলি। মন খারাপ আমার তাও তুই বললি, "jaaan ami ter pai nai."
আন্টি আমাকে গরুর মাংস মুখে তুলে দিতে দিতে বলল দুই ছেলের একসাথে বউ আনব.........।
আমি একটু সরে এসে তোর মুখে একটা খেজুর দিতে যাব তখনি দীপ ভাইয়া আর ভাবী সামনে পরে গেলো। তুই ও আচমকা দেখিয়ে বললি এইযে ভাইয়া, ভাবী। আমি লজ্জা পেলে ভাবী আমাকে নিয়ে একটু মজা করল।
খাইতে বসার আগে আমি বলে দিছিলাম সাদা পাঞ্জাবী, হলুদ লাগে না যেন। ঠিক ই লাগল। তুই দূর থেকে হাত উঁচু করে দেখায়ে বললি হলুদ লেগে গেছে অর্পা।
আমি দিলাম ঝাড়ি।
কিছুক্ষন পরে তুই নিচে নেমে গেলি লিফট ধরে ওই টাই তোকে আমার শেষ দেখা। কেনো যেন তাকায়ে ছিলাম তোর দিকে সেদিন তুই ও একটা হাসি দিয়ে আমাকে ফেলে নেমে গেলি।
jaaan মনে আছে তোকে আমি একটা ডাইরি লিখে দিছি। হাফ আমার লেখা, আমাদের কত ছবি সেখানে। বাকিটা আমি তোকে লিখতে বলছিলাম। জীবন আমাদের ওই ডাইরির কটা পেজের থেকেও ছোট তাই না বল?
কত তোলা তোলা করে ভালোবাসছিস আমায় তুই। এত ছোটাছুটির পরেও আমার কাছে এসে সব ঠান্ডা তোর। আমার এত মেজাজ, এর রাগ, সব কেমন চুপ করে সহ্য করে গেছিস। কোনদিন আমাকে একটা বাজে কথা বলিস নি। উঁচু গলায় কথা বলিস নি। আল্লাহ!!! কি আদর, কি আদর। কত যত্নে আমাকে তুই রাখতি মুগ্ধ একবার মনে করে দেখ।
আজকে তুই বীরের মত সবার মনে বেঁচে আছিস। জান আমি তো আগেই জানতাম তুই বীর। তুই আমার মুগ্ধ। আমার একটাই মুগ্ধ ছিলো।
এখন আর আর্তনাদ করি না। I am so proud of you jaaan.
I mean you are a hero. A great soul.
আমার কাছে তুই তো একটা বাচ্চা। যেই মাথায় তোর গুলি টা লাগলো মুগ্ধ, আমি কত সহস্র বার হাত বুলায়ে দিছি, আদর করে দিছি।আজকে আর আমি তোকে ছুঁতে পারি না। কিন্তু তুই তো নাকি আর আমার একার নাই, পুরো দেশের হয়ে গেছিস।
মেনে নিলাম।
সারাজীবন তো তোর আদর সোহাগের ভাগ কাউকে দেই নি, আজকে তাই কাউকে পাচ্ছি না যাকে জিজ্ঞেস করতে পারি তোমার কি একই হাহাকার!
আমার মুগ্ধ আর নেই।
"কিন্তু তুই আমাকে পূর্ন করে দিয়ে গেলি মুগ্ধ।
একটা ছবি কেবল আমি আমার টাইমলাইন এ রাখতে চাই আমাদের। দয়া করে আমাকে আর মুগ্ধকে সবাই রেসপেক্ট করবেন। আমি এই পোস্ট টা হাজার বার দেখতে চাই।
আমি একদিন রাগ করছি, তুই নিচে বসে আমাকে মানাচ্ছিস। এক হাত দিয়ে আমার গাল টেনে ধরে বসে আছিস আমার হাঁটুর কাছে।
এত আদরে রেখে আজকে কেমন দেশের হয়ে গেলি!
27/07/2024
পুরুষত্বহীন পুরুষ তাদের কে বলে যারা নিজের পরিবারের নারী দের প্রোটেকশন দিতে পারেনা,,
এরা সমাজের সবার কাছে রীতিমতো একটা আইডল...
কিন্তু এদের স্ত্রী-সন্তান পুরো সমাজের কাছে অনিরাপদ,,, এমনকি তার নিজের ফ্যামিলির কাছেও অনিরাপদ..!
একটা কথা মাথায় রাখবেন,,,
যে পুরুষ নিজের পরিবার,আত্মীয়-স্বজন থেকে আপনাকে নিরাপত্তা দিতে পারে না সে সামাজিক ভাবে আপনাকে কিভাবে নিরাপত্তা দিবে!
এই যে বউ নির্যাতন এর কথা শুনেন এগুলার ম্যাক্সিমাম স্বামী গুলা হচ্ছে পুরুষত্বহীন।
এইজন্যই তাদের বউ নির্যাতিত হয় , কখনও মানসিক নির্যাতন কখনও বা শারীরিক নির্যাতন!
তাই বর্তমানে মেয়েদের বিয়ে মা বাবা দিক বা নিজের পছন্দেই করুক, আগে জেনে নিতে হবে সে কি শুধু আকৃতির দিক দিয়েই পুরুষ নাকি পুরুষের মতো বৈশিষ্ট্য ও আছে!
সব কিছুর অভাব পুষিয়ে নেওয়া যায় কিন্তু এই স্বভাবের পুরুষত্বহীনতা পুষিয়ে নেওয়া যায়না,
সারাজীবন নিজেও ধুকে মরতে হবে নিজের সন্তান ও কোনো দাম পাবেনা যদি এমন গায়রত হীন পুরুষত্বহীন পুরুষ জীবনে জুটে যায়,,,
জীবন একটাই!!!
এমন পুরুষত্বহীনের সাথে সংসার না করে জীবন গুছিয়ে নেওয়া উচিত...
মানুষ কি বলবে এইজন্য এক সংসারেই থেকে যেতে হবে এমন চিন্তা বাদ দিন,,,
স্বামী ছাড়া আমার কি হবে এই চিন্তা ও বাদ দিন...
যার যার রিজিক উপর থেকে নির্ধারণ হয়...
যখন বাপের বাড়ি ছিলেন বাপের মাধ্যমে আল্লাহ আপনার রিজিকের ব্যবস্থা করেছেন।
স্বামীর কাছে আছেন তাই স্বামীর কামাই তে আপনার রিযিক দেওয়া আছে,,,
স্বামী না থাকলে আপনাকে দুনিয়া থেকে উঠাই নেওয়া হবে না!
আল্লাহ অন্য ভাবে রিযিকের ব্যবস্থা করে দিবেন,,,
আর লোকের কাজ ই কথা বলা,
আপনি এমন পুরুষের ঘর করলেও আপনাকে অপমান করবে আবার ডিভোর্স হয়ে গেলেও কথা বলবে!
নিজের দিকে তাকান,
নিজেকে যে নিজেই সম্মান করে না সে কোথাও সম্মান পায় ও না!
আর পুরুষত্বহীন পুরুষদের জন্য শেষ কথা হলো দয়া করে আপনারা যাই করেন বিয়ে করবেন না,
বিয়ে করে শুধু ভাত কাপড় না বউ বাচ্চার সম্মানের দায়িত্ব ও নিতে হয়,আর আপনাদের তা দেওয়ার ক্ষমতা নাই,,
তাই বিয়ে করে একটা মেয়ের জীবন ধ্বংস করবেন এরপর আরো কয়েকটা রে দুনিয়াতে এনে তাদের জীবন ও ধ্বংস করবেন!
কেয়ামতের দিন কি জবাব দিবেন?
নাকি আল্লাহ রেও বিশ্বাস করেন না!?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Rampur Kotbari Cumilla
Cumilla