Refresh Corner
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Refresh Corner, Health/Beauty, Chattogram, Cumilla.
আপু কি বেবির আম্মু!!
ঝেড়ে ফেলুন সমস্ত মেদ ভুঁড়ি, নিজের স্মার্টনেস ফিরিয়ে আনুন প্রাকৃতিকভাবে🥰 সম্পুর্ন প্রাকৃতিক নিয়মে মাত্র এক মাসেই স্থায়ী ভাবে কমিয়ে ফেলুন আপনার ওজন এবং মেদভুরি।
💁 আমাদের 'ফ্যাট ব্লাস্টার স্লিমিং টি' এর মাধ্যমে ☕
থাকছে,,,.....💁
সিলভার প্যাক ৪-৬ কেজি
গোল্ডেন প্যাক ৮-১২ কেজি
প্লাটিনাম প্যাক ১৪-১৮ কেজি
বিস্তারিত জানতে নিচের দেওয়া সেন্ড মেসেজ অপশন এ ক্লিক করুন অথবা কল করুন এই নম্বরে; ☎️ +8801637-694995
15/09/2023
15/09/2023
আনারসের ১০ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা
আনারস রসালো ও তৃপ্তিকর সুস্বাদু ফল। ফলটিতে আঁশ ও ক্যালোরি ছাড়াও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম থাকে। কলস্টেরল ও চর্বিমুক্ত বলে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এর জুড়ি নেই। আসুন জেনে নিই আনারসের বিভিন্ন উপকারিতা সম্পর্কে।
আনারস মিষ্টি, রসালো ও তৃপ্তিকর সুস্বাদু ফল যা মানব দেহের জন্য অনেক উপকারি। এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম রয়েছে। ফলটিতে প্রচুর পরিমাণে আঁশ ও ক্যালোরি রয়েছে। এটি কলস্টেরল ও চর্বিমুক্ত। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ফলের জুড়ি নেই। আসুন জেনে নিই আনারসের উপকারিতা সম্পর্কে-
১। পুষ্টির অভাব পূরণে:
পুষ্টিগুণে ভরপুর ফলের নাম আনারস। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। এসব অপরিহার্য উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
২। হজমশক্তিকে উন্নত করতে:
আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধি করতেও আনারসের জুড়ি নেই। আনারসে ব্রোমেলিন নামক এনজাইম থাকে যা হজমশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে। তাই বদহজম বা হজমজনিত যে কোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আনারস খাওয়া যেতে পারে।
৩। ভাইরাসজনিত ঠাণ্ডা ও কাশি প্রতিরোধে:
আনারসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় তা ভাইরাসজনিত ঠাণ্ডা ও কাশি প্রতিরোধে ভুমিকা রাখে। তাছাড়া জ্বর ও জন্ডিস প্রতিরোধে আনারস বেশ উপকারী। এছাড়া নাক দিয়ে পানি পড়া, গলাব্যথা এবং ব্রংকাইটিসের বিকল্প ওষুধ হিসাবে আনারসের রস খেতে পারেন।
৪। শরীরের ওজন কমাতে সহায়তা:
আনারসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ থাকে। এছাড়া এতে কোন ফ্যাট না থাকায় পরিমিত পরিমানে আনারস খেলে বা আনারসের জুস পান করলে তা শরীরের ওজন কমাতে সহায়ক হতে পারে। আনারস তাই আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণের পথ্য হতে পারে। দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এই ফল। ফলে শিরা-ধমনির মধ্য দিয়ে সারা শরীরে সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহিত হতে পারে।
৫। দাঁত ও মাড়ি সুরক্ষায়:
আনারসে ক্যালসিয়াম থাকায় তা দাঁতের সুরক্ষায় কাজ করে। নিয়মিত আনারস খেলে দাঁতে জীবাণুর সংক্রমণ কম হয় ফলে দাঁত ঠিক থাকে। এছাড়া মাড়ির যে কোনো সমস্যা সমাধান করতে আনারস বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
৬। চোখের যত্নে আনারস:
আনারস চোখের রেটিনা নষ্ট হয়ে ধীরে ধীরে অন্ধ হয়ে যাওয়া রোগ “ম্যাক্যুলার ডিগ্রেডেশন”রোগটি হওয়া থেকে আমাদের রক্ষা করে। আনারসে রয়েছে বেটা ক্যারোটিন। প্রতিদিন আনারস খেলে এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। ফলে সুস্থ থাকে আমাদের চোখ।
৭। ত্বকের যত্নে আনারস:
আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি থাকে যা আমাদের শক্তির যোগান দেয়। এতে থাকা প্রোটিন ত্বকের মৃত কোষ দূর করে, ত্বককে কুঁচকে যাওয়া থেকে বাঁচায়। এছাড়া দেহের তৈলাক্ত ত্বক, ব্রণসহ সব রূপলাবণ্যে আনারসের যথেষ্ট কদর রয়েছে।
৮। হাড়ের সমস্যাজনিত রোগ প্রতিরোধ:
আনারসে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে যা হাড়ের গঠনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া এতে থাকা ম্যাঙ্গানিজ হাড়কে করে তোলে মজবুত। তাই খাবার তালিকায় পরিমিত পরিমাণ আনারস রাখলে হাড়ের সমস্যাজনিত যে কোনও রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
৯। ক্রিমিনাশক হিসেবে:
ক্রিমিনাশক হিসেবে আনারসের রস ভালো কাজ করে। নিয়মিত আনারসের রস খেলে কয়েকদিনের মধ্যেই কৃমির উৎপাত বন্ধ হয়ে যায়। কৃমি দূর করতে সকালবেলায় ঘুম থেকে জেগে খালি পেটে আনারস খাওয়া উচিত।
১০। ক্যান্সার প্রতিরোধী:
ফ্রি-রেডিকেল বা মুক্ত মুলক মানবদেহের কোষের উপর বিরূপ ক্রিয়ার সৃষ্টি করে ফলে ক্যান্সার এবং হৃদরোগের মত মারাত্মক রোগ দেখা দিতে পারে। দেশী আনারসে আছে উচ্চ মাত্রায় পানিতে দ্রবনীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন-সি এবং পানিতে দ্রবনীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা দেহকে ফ্রি-রেডিকেল বা (মুক্ত মুলক) থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। ফলে ক্যান্সার এবং হৃদরোগের মত মারাত্মক রোগ দেহে বাসা বাঁধতে বাধাগ্রস্থ হয়।
আনারসের কিছু পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া
আনারসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা থাকলেও এটি সবার জন্য ঠিক স্যুট করে না। অনেকেরই আনারস এলার্জির সমস্যা যেমন বিভিন্ন ধরনের চুলকানি, ফুস্কুরি ইত্যাদি হতে পারে।
আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমানে প্রাকৃতিক চিনি যা ডায়বেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতিকর। আনারসের মধ্যে অতিরিক্ত চিনি আমাদের দেহে রক্তের চিনির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। তাই ডায়াবেটিস রোগীরা আনারস বেশি না খেয়ে সপ্তাহে ২ দিন খেতে পারেন।
আনারস একটি এসিডিক ফল। তাই খালি পেটে ফলটি খেলে পেটে প্রচন্ড ব্যথার তৈরী হতে পারে। আনারস আর দুধ এক সাথে খাওয়া যায় না, এটি একটি কুসংষ্কার। এখন পর্যন্ত আনারস এবং দুধের মাঝে এমন কোন রাসায়নিক বিক্রিয়া খুঁজে পাওয়া যায়নি যার ফলে এদেরকে এক সাথে খেলে সেটা মানুষের জীবনহানি করবে। বর্তমানে অনেক খাবারেই দুধ ও আনারস একসাথে মেশানো হয় এবং সারা বিশ্বেই তা খাওয়া হয়। কোন গ্যাস্ট্রিকের রোগী যদি খালিপেটে আনারসের সাথে দুধ খায় তাহলে তাঁর পেটে প্রচন্ড ব্যথার "ফুড ট্যাবু" এর উদ্ভব হতে পারে।
রক্ত তরল করার জন্য যে ওষুধ বানানো হয় তাতে আনারস ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই ফল দেহে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়াতে বাঁধা প্রদান করে থাকে। তাই যাদের আনারস খেলে এ সকল সমস্যায় ভুগেন তারা অবশ্যই আনারস থেকে দূরে থাকবেন।
পুষ্টিসাধন সহ দেহকে সুস্থ রাখতে আনারস একটি অতুলনীয় ও কার্যকরী ফল। এটি দামেও সস্তা এবং সহজলভ্য। এছাড়া এর বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যে কোন একটি ফল থাকলে মন্দ হয়না। তাই চাইলেই প্রতিদিনের খাবারে আনারস রাখা যেতেই পারে।
"
15/09/2023
সুস্থ দেহ,সুন্দর মন🥰🥰🥰
সুঠাম স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চান..?
তাহলে আর দেরি কেন!!!
আজই অর্ডার করুন মিল্ক শেক /বাদাম শেক💜
অর্ডার কনফার্ম করতে ইনবক্স করুন অথবা কল করুন 👉 ০১৮৫৮২২২৫০২ এই নম্বরে...
14/09/2023
হজমে সাহায্য করে
মুখের স্বাস্থ্যের উন্নতি
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
রক্ত বিশুদ্ধিকরণ
ওজন কমানো
ত্বক কোমল করা
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী
14/09/2023
প্রায় সব ধরনের শাকে প্রচুর পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফাইটো কেমিক্যাল যেমন-লুটেনইন, বিটা ক্রিপটোজানথিন, জিয়া জানথিন ও বিটা ক্যারোটিন থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন শাক খেলে হৃদরোগের সম্ভাবনা প্রায় ১১ শতাংশ কমে যায়। টাইপ টু ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য শাকপাতা খুবই উপকারী।
14/09/2023
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে |আরো খবর ...
ভিটামিন 'সি'র চাহিদা পূরণ করে |আরো খবর ...
ভিটামিন 'বি'র চাহিদা পূরণ করে |আরো খবর ...
খনিজের চাহিদা পূরণ করে এই ফলে নানা রকম খনিজ উপাদান আছে। ...
রক্ত ও হাড়ের ভালো রাখে লটকনে যে আয়রন রয়েছে তা রক্ত ও হাড়ের জন্য বিশেষ উপকারী। ...
খাদ্যশক্তির যোগান দেয় ...
রুচি বাড়ায় ...
পেটের অসুখ সাড়ায়
14/09/2023
মুখের রুচি ফিরিয়ে আনতে এবং ভালো ঘুমের জন্য সেবন করুন মিল্ক শেক / বাদাম শেক। যা প্রাকৃতিক উপাদানের সমন্বয় তৈরি শতভাগ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত....
14/09/2023
আলহামদুলিল্লাহ মিল্ক শেক খেয়ে উপকৃত হয়ে কাস্টমারের রিভিউ 🥰🥰
13/09/2023
মাশরুম ভিটামিন বি, ডি, পটাশিয়াম, কপার, আয়রন এবং সেলেনিয়াম সমৃদ্ধ। এছাড়া মাশরুমে কোলিন নামক একটি বিশেষ পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়, যা পেশীর সক্রিয়তা ও স্মৃতিশক্তি বজায় রাখতে খুবই উপকারী। মাশরুম অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। এর মধ্যে বিশেষ হল এরগোথিওনিন, যা বার্ধক্যের লক্ষণ কমাতে এবং ওজন কমাতে সহায়ক।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chattogram
Cumilla