Jabed Media
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Jabed Media, Rajshahi Division.
সুমুধুর কন্ঠে গজল।
ছাত্রশিবির এমন একটা সংগঠন। #ইসলামিক ছাত্রশিবির
আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, একজন মহিলাকে একটি বিড়ালের কারণে আযাব দেয়া হয়। সে বিড়ালটি বেঁধে রেখেছিল, অবশেষে বিড়ালটি ক্ষুধায় মারা যায়। এ কারণে মহিলা জাহান্নামে প্রবেশ করল। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি [রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] বলেন, আল্লাহ ভালো জানেন, বাঁধা থাকাকালীন তুমি তাকে না খেতে দিয়েছিলে, না পান করতে দিয়েছিলে এবং না তুমি তাকে ছেড়ে দিয়েছিলে, তা হলে সে জমিনের পোকা-কামড় খেয়ে বেঁচে থাকত।
"রাসুল সা. এর পূর্ণ একদিনের রুটিন"
#ভূমিকা: রাসুল সা. এর জীবনীর চেয়ে শ্রেষ্ঠ জীবনী এই পৃথিবীতে আর কারোর হতে পারে না। রাসুল সা. এর চেয়ে শ্রেষ্ঠ মানব এই পৃথিবীতে আর কেউ হতে পারে না। এজন্য আল্লাহ তায়ালা রাসুল সা. কে আমাদের জন্য মডেল বানিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন,
لَقَدۡ کَانَ لَکُمۡ فِیۡ رَسُوۡلِ اللّٰہِ اُسۡوَۃٌ حَسَنَۃٌ
অবশ্যই তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। (সুরা আহযাব ২১)
অনুসরণের জন্য রাসুল সা. এর জীবনীর চেয়ে শ্রেষ্ঠ জীবনী আর কারো হতে পারে না। এজন্য আমরা রাসুল সা. কে অনুসরণ করব।
وَ مَاۤ اٰتٰىکُمُ الرَّسُوۡلُ فَخُذُوۡہُ ٭ وَ مَا نَہٰىکُمۡ عَنۡہُ فَانۡتَہُوۡا ۚ
রাসূল তোমাদের যা দেয় তা গ্রহণ কর, আর যা থেকে সে তোমাদের নিষেধ করে তা থেকে বিরত হও। (সুরা হাসর ৭)
রাসুল সা. এর রয়েছে ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবন। তার জীবনী মহা এক সমুদ্র। যার আলোচনা করতে থাকলে সারা জীবন করেও শেষ করা যাবে না। আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু হচ্ছে "রাসুল সা. এর দৈনন্দিন রুটিন"। ২৪ঘন্টা সময় রাসুল সা. কিভাবে কাটাতেন। তার পূর্ণ একটা দিন কিভাবে অতিবাহিত করত তা উম্মত হিসেবে আমাদের মনে চায় কি চায় না!?
🔴 ১। রাসুল সা. মাঝ রাত্রিতে ঘুম থেকে জাগতেন। উঠে আল্লাহ তায়ালার প্রসংশা করতেন
وَإِذَا اسْتَيْقَظَ قَالَ : " الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَمَا أَمَاتَنَا، وَإِلَيْهِ النُّشُورُ
সহিহ বুখারী, হাদিস নং 6314
ঘুমালে মানুষ অর্ধ মৃত থাকে। তাই ঘুম থেকে জেগে আল্লাহর শুকরিয়া জ্ঞাপন করতেন।
النومُ أخو الموتِ ، ولا يموتُ أهلُ الجنَّةِ
الراوي : جابر بن عبدالله | المحدث : الألباني | المصدر : صحيح الجامع | الصفحة أو الرقم : 6808 | خلاصة حكم المحدث : صحيح | التخريج : أخرجه البيهقي في ((شعب الإيمان)) (4745)، وابن الجوزي في ((العلل المتناهية)) (1554).
২। সুরা আলে ইমরানের শেষ ১০আয়াত তিলাওয়াত করতেন।
৩। মিসওয়াক করতেন এবং ওজু করতেন
اسْتَيْقَظَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَجَلَسَ يَمْسَحُ النَّوْمَ عَنْ وَجْهِهِ بِيَدِهِ، ثُمَّ قَرَأَ الْعَشْرَ الآيَاتِ الْخَوَاتِمَ مِنْ سُورَةِ آلِ عِمْرَانَ، ثُمَّ قَامَ إِلَى شَنٍّ مُعَلَّقَةٍ، فَتَوَضَّأَ مِنْهَا فَأَحْسَنَ وُضُوءَهُ، ثُمَّ قَامَ يُصَلِّي.
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ১৮৩
৪। ৮ রাকাত তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতেন ঘরে। কিংবা মসজিদে নববীতে। সেখানে লিখা مكان تهجد رسول ﷺ
৫। লম্বা রুকু সিজদা দিতেন। পা ফুলে যেতো।
وَقَالَتْ عَائِشَةُ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا كَانَ يَقُومُ حَتَّى تَفَطَّرَ قَدَمَاهُ ، فَيُقَالُ لَهُ فَيَقُولُ " أَفَلاَ أَكُونُ عَبْدًا شَكُورًا
সহিহ বুখারী ১১৩০
فَقَالَتْ مَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَزِيدُ فِي رَمَضَانَ وَلاَ فِي غَيْرِهِ عَلَى إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً، يُصَلِّي أَرْبَعًا فَلاَ تَسَلْ عَنْ حُسْنِهِنَّ وَطُولِهِنَّ، ثُمَّ يُصَلِّي أَرْبَعًا فَلاَ تَسَلْ عَنْ حُسْنِهِنَّ وَطُولِهِنَّ، ثُمَّ يُصَلِّي ثَلاَثًا،
সহিহ বুখারী ১১৪৭
🔴 ৬। রাত্রির এক ষষ্ঠমাংশ বাকি থাকতে স্ত্রীদের জাগিয়ে দিতেন বিতর নামাজের জন্য।
৭। কখনো মসজিদে নববীর পাশে জান্নাতুল বাকি গোরস্থানে গিয়ে মৃত স্ত্রী ও মাইয়্যিতদের জন্য দোয়া করতেন।
৮। তার পর বাসায় ফিরে অল্প সময় বিশ্রাম নিতেন।
قَالَتْ عَائِشَةُ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتَنَامُ قَبْلَ أَنْ تُوتِرَ. فَقَالَ " يَا عَائِشَةُ، إِنَّ عَيْنَىَّ تَنَامَانِ وَلاَ يَنَامُ قَلْبِي
সহিহ বুখারী ১১৪৭
৯। ফজরের আযানের পর হালকাভাবে ২রাকাত সুন্নত পড়তেন। এটাই সুন্নাহ। আযানের পর সুন্নতের আগে কাযা নামাজ ছাড়া আর কোন নামাজ নেই। অনেকেই ছুটে যাওয়া ফজরের সুন্নত পড়ে থাকেন ফজরের ফরজ নামাজ পড়ার পর। এটি নিষেধ।
نَهَى عَنِ الصَّلَاةِ بَعْدَ الفَجْرِ حتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ، وبَعْدَ العَصْرِ حتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ
সহিহ বুখারী 548
১০। তারপর ফজরের নামাজ পড়ানোর জন্য চলে যেতেন। নামাজে ৬০-১০০ আয়াত তিলাওয়াত করতেন।
১১। নামাজ শেষে জিকির আজকার পড়তেন।
১২। অত:পর বলতেন, তোমরা রাতে সপ্নে কিছু কেউ দেখেছো? সপ্নের তাবির করতেন। (বুখারী)
🔴 ১৩। সূর্য উঠার পর ইশরাকের সালাত পড়তেন।
১৪। তারপর ঘরে যেতেন। আর যখনই ঘরে যেতেন তখনি সালাম দিতেন সবার আগে। বিবিরা কোনদিন আগে সালাম দিতে পারেন নি। অত:পর ২রাকাত নামাজ আদায় করতেন।
১৫। তারপর মিসওয়াক করতেন। স্ত্রীদের সাথে কথা বলতেন। জিজ্ঞেস করতেন বাড়িতে কি কোন খাবার আছে? যদি না থাকতো তাহলে বলতেন আমি রোজা রাখলাম।
عائشة أم المؤمنين قالت دَخَلَ عَلَيَّ النبيُّ صَلَّى اللَّهُ عليه وسلَّمَ ذَاتَ يَومٍ فَقالَ: هلْ عِنْدَكُمْ شيءٌ؟ فَقُلْنَا: لَا، قالَ: فإنِّي إذَنْ صَائِمٌ
সহিহ মুসলিম ১১৫৪
১৬। ফজরের পর আর ঘুমাতেন না। কারণ ফজরের পর কাজে আল্লাহ তায়ালা বরকত দেন।
🔴 ১৭। তারপর মসজিদে গিয়ে ২রাকাত নামাজ আদায়ের পর অফিসিয়ালী রাষ্ট্রের সকল কাজ মসজিদ থেকেই পরিচালনা করতেন। এটাই ছিল সংসদ ভবন, কোর্ট আদালত ইত্যাদি।
🔴১৮। আনুমানিক সকাল ১০/১১টায় আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ খবর নিতেন। বিশেষ করে ফাতেমা রা. এর বাড়িতে। হাসান হোসাইনের সাথে খেলা করতেন। হাসানকে لكع (পিচ্চি) বলে ডাকতেন।
১১টার দিকে কখনো বাজারে যেতেন এবং ব্যবসায়ীদের পণ্যে ভেজাল আছে কিনা চেক করতেন। একবার খেজুরের ভিতরে ভিজা দেখলেন কিন্তু উপরে শুকনা। ব্যবসায়ীকে প্রশ্ন করলে উত্তরে সে বলল বৃষ্টি আসছিল। অথচ বৃষ্টি আসলে খেজুরের উপরেও ভেজা থাকার কথা। তখন রাসুল সা. ঐতিহাসিক বিখ্যাত হাদিসটি বললেন,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ حَمَلَ عَلَيْنَا السِّلاَحَ فَلَيْسَ مِنَّا وَمَنْ غَشَّنَا فَلَيْسَ مِنَّا " .
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১৮৪
১১টার সময় কোনদিন নারীদের প্রশ্নোত্তর পর্ব থাকতো।
১১টায় কখনো বাড়িতে গিয়ে কাজ করতেন, দুধ দোহন করতেন, কাপড় সেলাই করতেন, জুতা সেলাই ইত্যাদি কাজ করতেন।
অথবা পায়ে হেটে মসজিদে কুবায় গিয়ে ২রাকাত নামাজ আদায় করতেন। এতে একটি কবুল ওমরার নেকি।
🔴 ১৯। যোহরের পূর্বে লান্স করতেন। যদিও আমরা যোহরের নামাজের পর করি। অনেক সময় সাহাবিরা বিভিন্ন খাবার হাদিয়া দিত তা খেতেন। একাকি খাবার খেতেন না। কোনদিন খাদ্যে ভুল ধরতেন না।
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ مَا عَابَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم طَعَامًا قَطُّ إِنْ اشْتَهَاهُ أَكَلَهُ وَإِلَّا تَرَكَهُ
قَلْبِي
সহিহ বুখারী 3563
রাসুল সা এর খাদ্যের তালিকা। খেজুর, দুধ, সিরকা, রুটি, ছাতু, বকরির হাতা, কালোজিরা, যায়তুন, আনার, লাউ, কিসমিস, তীন/ডুমুর ফল, ছারিদ (গোস্ত রুটি মিক্সিং), আংগুর, পনীর, মাশরুম
عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " الْكَمْأَةُ مِنَ الْمَنِّ ، وَمَاؤُهَا شِفَاءٌ لِلْعَيْنِ ".
সহিহ বুখারী, হাদিস নং 4478
🔴 ২০। তাজা খাবার খেতেন। কিন্তু কম খেতেন। খাবারের পর কায়লুলা করতেন। তারপর যুহরের নামাজের জন্য মসজিদে যেতেন। নসিহত করতেন। অত:পর রাষ্ট্রের সকল কাজ আঞ্জাম দেয়া হয়েছে কিনা খোঁজ খবর নিতেন। রাষ্ট্রীয় কাজ সব মসজিদেই করতেন
🔴২১। আসরের নামাজ আদায় করতেন। তারপর বিবিদের ঘরে গিয়ে কথা বলতেন। অথবা কোন প্রয়োজন হলে বাহিরেও যেতেন।
🔴 ২২। মাগরিবের পর রাতের খাবার খেতেন। মসজিদে চলে যেতেন। মুসল্লী বেশি হলে এশারের নামাজ দ্রুত পড়ে ফেলতেন। মসল্লি কম হলে দেরী করে নামাজ পড়তেন। একবার অর্ধ রাত্রি পর্যন্ত দেরী করেছেন এবং বলেছেন
لو لا أن أشق علي أمتي لأمرتهم أن يصلوا هكذا
সহিহ বুখারী, হাদিস নং 570
২৩। এশারের আগে ঘুমাতেন না। এশারের পর কথা বলতেন না। প্রয়োজন ছাড়া।
وَكَانَ يَكْرَهُ النَّوْمَ قَبْلَهَا وَالْحَدِيثَ بَعْدَهَا،
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৫৪৭
🔴 ২৪। প্রথমত বিছানা ঝাড়তেন, ওজু করতেন, স্ত্রীর সাথে গল্প করতেন। হাদিসে আয়েশা রা. এর অনেক কিচ্ছা শামায়েলে তিরমিজিতে উল্লেখ আছে, দেখে নিতে পারেন।
২৫। হাদিসে বর্ণিত বিভিন্ন আযকার পড়তেন, ৩ কুল পড়ে ফুক দিয়ে শরীরে মাসাহ করতেন এবং বলতেন
عَنْ حُذَيْفَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ : كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَخَذَ مَضْجَعَهُ مِنَ اللَّيْلِ وَضَعَ يَدَهُ تَحْتَ خَدِّهِ، ثُمَّ يَقُولُ : "
اللَّهُمَّ بِاسْمِكَ أَمُوتُ وَأَحْيَا ".
সহিহ বুখারী, হাদিস নং 6314
اللَّهُمَّ أَسْلَمْتُ وَجْهِي إِلَيْكَ، وَفَوَّضْتُ أَمْرِي إِلَيْكَ، وَأَلْجَأْتُ ظَهْرِي إِلَيْكَ، رَغْبَةً وَرَهْبَةً إِلَيْكَ، لاَ مَلْجَأَ وَلاَ مَنْجَا مِنْكَ إِلاَّ إِلَيْكَ، اللَّهُمَّ آمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِي أَنْزَلْتَ، وَبِنَبِيِّكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ. فَإِنْ مُتَّ مِنْ لَيْلَتِكَ فَأَنْتَ عَلَى الْفِطْرَةِ، وَاجْعَلْهُنَّ آخِرَ مَا تَتَكَلَّمُ بِهِ
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ২৪৭
🔴 ২৬। যদি সহবাস করতেন তাহলে গোসল করতেন। অন্যথায় অজু করে ঘুমিয়ে যেতেন। তাহাজ্জুদের সময় গোসল করতেন।
🚫 শিক্ষা:
১। জীবনে অপচয় করতেন না।
২। সহজ জীবন যাপন করতেন, খেতেন নতুবা রোজা রাখতেন।
৩। জীবনটা হিসেব করে চালাতেন।
৪। সবার আগে জাগতেন। কাযী নজরুল বলেছিলেন, আমি হব সকাল বেলার পাখি, সবার আগে কুসুম বাগে উঠব আমি জাগি। সুবহানাল্লাহ
৫। কম আহার করতেন।
৬। কবর জিয়ারত করতেন মায়্যিতদের জন্য দোয়া করতেন। সবাইকে ভালবাসতেন। সেই উম্মতকে বাস্তবে দেখুক আর নাই দেখুক। তিনি একবার বলেছেন আমার ভাইদের সাথে যদি আমার দেখা হত! সাহাবীরা বললেন, আমরা কি আপনার ভাই নয়? রাসুল সা বলেছেন, না। তোমরা আমার সাহাবী। আমার ভাই তারা যাদেরকে এখনো আমি দেখি নি।
✍️ M***i Jubayer Ahmad
কেমন_হবে_বিচার_দিবস-?
১। "সেদিন সকলে একত্রিত হবে।"
__[সূরা আনআম-২২]
২। "দুনিয়ার জমিন হবে রুটির ন্যায়।"
_____[মিশকাত-৫২৯৮]
৩। "মানুষ নগ্নপদ, নগ্নদেহ ও খতনাবিহীন সমবেত হবে।"
____[বুখারি, মুসলিম]
৪। "কেউ কারোর প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার অবকাশ পাবে না।"
___[মিশকাত-৫৩০২]
৫। "প্রতি হাজারে ৯৯৯ জন লোক জাহান্নামী বলে ঘোষিত হবে।"
___[বুখারি-৪৭৪১]
৬।"ঐদিন মানুষ ঘর্মাক্ত হবে, এমনকি ঘাম তাদের কান পর্যন্ত পৌছাবে।"
__________[বুখারি]
৭। "সূর্যকে অতি নিকটে আনা হবে এবং মানুষের আ'মল অনুপাতে ঘামের মধ্যে ডুবে থাকবে।"
____[বুখারি, মুসলিম]
৮। "দুনিয়াতে যারা আল্লাহ্'র জন্য সিজদাহ্ করে নাই কিংবা লোক দেখানোর জন্য সিজদাহ্ করেছে তারা সেদিন আল্লাহ্-কে সিজদাহ্ দিতে পারবে না।"
___[সূরা ক্বলম-৪২, ৪৩]
৯। "মু'মিনদের হিসাব হবে মুখো-মুখি।"
___[মিশকাত]
১০। "যার হিসাব পুংখানুপুংখ যাচাই করে হবে, সে ধ্বংস হবে।"
________[মিশকাত-৫৩১৫]
১১। "ঐদিন মানুষের মুখ বন্ধ করে দেওয়া হবে।"
_______[সূরা ইয়াসিন-৬৫]
১২। "হাত, পা, কান, চক্ষু এবং চামড়া মানুষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে।"
________[সূরা নুর-২৪]
১৩। "সে দিনের সময়সীমা হলো ৫০ হাজার বছরের সমান।"
___[মুসলিম মিশকাত~১৭৭৩]
১৪। "তবে ঐ দিন মু'মিনের জন্য একটি ফরজ সালাত আদায়ের সময়ের ন্যায় মনে হবে।"
___[বায়হাকী মিশকাত~৫৫৬৩]
আল্লাহ্ আমাদের সকলকে ক্ষমা করুক এবং পরিপূর্ণ ঈমান ও আমল নিয়ে আল্লাহর কাছে যাওয়ার তাওফিক দান করুন।
------- আমিন🤲 -------
Just wow
যুবক তোমরা বিয়ে করে ফেলো।।। তোমাদের ঠিক থাকবে।ইনশাআল্লাহ
05/04/2025
Celebrating my 1st year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
ইসলামে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো ঈমান। ঈমান অর্থ বিশ্বাস। একজন মুসলিমকে আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোর ওপর বিশ্বাস স্থাপন করতে হয়। এই বিশ্বাসের মৌখিক স্বীকৃতি ও অন্তরের দৃঢ়তাই হলো ঈমান।
ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো সালাত (নামাজ)। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরজ। নামাজ আল্লাহর প্রতি বান্দার আনুগত্য ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।
এছাড়াও, যাকাত, সাওম (রোজা), হজ - এগুলোও ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ আমল। যাকাত হলো সমাজের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সাহায্য করা। সাওম হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পানাহার থেকে বিরত থাকা। আর হজ হলো সামর্থ্যবান মুসলিমদের জন্য জীবনে একবার মক্কা ভ্রমণ করা।
এইসব আমলগুলো ইসলামের স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত এবং প্রত্যেক মুসলিমের জীবনে এর গুরুত্ব অপরিসীম।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Culinary Team
Attire
Website
Address
Rajshahi Division