Dr. Humayun Kabir
Dr. Humayun Kabir, MBBS from Dhaka Medical College, General Practitioner, Researcher...
বাংলাদেশের রোগীদের সবথেকে বড় ভোগান্তির কারণ হলো, তাঁরা জানেন না, তাঁদের রোগটি নিয়ে কোথায় যেতে হবে।
ফলে তাঁরা তাঁদের রোগ নিয়ে একবার এ ডাক্তার, আরেকবার ও ডাক্তারের কাছে দৌড়াদৌড়ি করতে থাকেন। ফলে তাঁদের অবর্ণনীয় হয়রানি হতে থাকে। সাথে চলে যায় পানির মতো টাকা।
ধরা যাক, একজনের রোগ এন্ডোক্রাইনোলজির, তিনি গিয়েছেন নিউরোলজির ডাক্তারের কাছে। আবার উক্ত নিউরোলজির ডাক্তার সাহেব কিছুদিন নিজের মতো করে চিকিৎসা দিতে থাকলেন, রোগীটি তাঁর সংশ্লিষ্ট না হবার পরও।
এই দোষ অবশ্য আমি উক্ত নিউরোলজির ডাক্তারকে দেবো না। এই দোষ বাংলাদেশের সিস্টেমের। আমাদের এখানে ভালো কোনো রেফারাল সিস্টেম গড়ে ওঠেনি।
আবার কোনো ডাক্তার যদি সৎ মনে রোগী রেফার করেন, অনেক ক্ষেত্রে রোগীরা মনে করেন, আরে, এই ডাক্তার তো কিছুই পারে না, ফলে আমাকে আরও বড় ডাক্তারের কাছে রেফার করেছে- এই মিথ্যা অপবাদ অনেক ডাক্তার নিতে চান না বলে রেফার করেন না।
যাইহোক, উন্নত রাষ্ট্রগুলোয় সুন্দর রেফারাল সিস্টেম রয়েছে। সেখানকার জিপি ডাক্তাররা (জিপি= জেনারেল প্রাক্টিশনার) প্রথমে রোগী দেখেন। রোগটি যদি তাঁরা আয়ত্তে থাকে তবে তিনিই চিকিৎসা করেন। আর তাঁর আয়ত্তে না হলে, অন্য কোনো স্পেশালিটির হলে তিনি তখন রেফার করেন। রোগীকে কিছুই চিন্তা করতে হয় না।
এদিকে দেখেন, আমাদের দেশে সামান্য সর্দি হলেও লোকে প্রফেসরের কাছে চলে যান। ফলে উক্ত প্রফেসরের চেম্বারের সামনে কম্বা লাইন। একটা লোক দিনে একশটার মতো রোগী দেখলে তার এনার্জি স্বাভাবিকভাবেই থাকবে না। ফলে আমাদের অভিযোগ, আমার কথা ডাক্তার মন দিয়ে শোনেননি, আমাকে ভালোমতো সময় দেননি।
যদি আমাদের দেশে এমন সিস্টেম হত, লোকে প্রথমে একজন জেনারেল প্রাক্টিশনারের কাছে যাবেন। এরপর উক্ত জেনারেল প্রাক্টিশনার রেফার করতে হবে নাকি হবে না সেই সিদ্ধান্ত নেবেন, তাহলে কেমন হতো ভাবুন তো!
কিছুদিন আগে আমার মা স্ট্রোক করেছিলেন। আমি সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো জানি বলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পেরেছিলাম (এরপরও কিছু হয়রানি হয়েছিল অবশ্য) এবং এখন আমার মা মোটামুটি সুস্থ। আমি যদি কিছু না জানতাম, এত দ্রুত হয়তো আমার মা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারতেন না। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, স্ট্রোক জিনিসটা কতটা ভয়াবহ।
যাইহোক, আপনারা যদি কখনো স্বাস্থ্য বিষয়ে দ্বিধায় পড়েন, এই অধমকে নক দিতে পারেন। আমি আমার সর্বাত্মক চেষ্টা করব আপনাকে উপযুক্ত পরামর্শ দেবার। যদি তা আমার আওতায় থাকে তাহলে তো হলোই, আমার আওতায় না হলে কোথায় যেতে হবে, কোন স্পেশালিষ্টকে কিভাবে দেখাবেন, সে বিষয়ে পরামর্শ দেবার চেষ্টা করব। আমি চাই, স্বাস্থ্য বিষয়ে কেউ হয়রানির শিকার না হোক।
আপনার নিজের কেউ খুব বেশি অসুস্থ হলে যদি তাঁর আইসিইউ লাগে তবে যত্রতত্র মানহীন আইসিইউতে নেবেন না। মনে রাখবেন, আইসিইউ নিয়ে এই দেশে বিরাট ব্যবসা চলে। ফলে এই সেক্টরে দালালেরও অভাব নেই।
মানহীন হলেও টাকা নেবার ক্ষেত্রে এই আইসিইউগুলো পিছপা হয় না। চিকিৎসার চেয়ে টাকাটা মূখ্য এদের কাছে।
আপনার রোগীর জীবন যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি টাকাটাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই আইসিইউতে নেবার ক্ষেত্রে দালালের কথা শুনবেন না। নেবার আগে জানা-শোনাওয়ালা, বিশ্বস্ত কাউকে জিজ্ঞেস করে নেবেন উক্ত আইসিইউ সম্পর্কে।
আজ একজন ফোন করে বলল- আমার স্ত্রীর বয়স ৩৩, দেখতে ফর্সা। কিন্তু তার মুখে অনেক মেছতার দাগ। তাছাড়া শারিরীকভাবে সে অত্যন্ত দূর্বল।
জিজ্ঞেস করলাম- জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্য আপনারা কোন পদ্ধতি ব্যবহার করেন (মেছতার অন্যতম একটি কারণ জন্মবিরতিকরণ পিল সেবন)।
লোকটা উত্তর দিল- ও বড়ি খায়, সুখী বড়ি।
বুঝিয়ে বললাম- এজন্যই এত সমস্যা আপনার স্ত্রীর। এই জন্মনিরোধক পিলগুলো মানবদেহে হরমোনাল পরিবর্তন আনে। এজন্য মেয়েদের নানা ধরণের শারিরীক সমস্যা দেখা দেয়।
কনডম ব্যবহারে এই সমস্যা হয় না। তাছাড়া কনডম নিরাপদও। এতে আপনিও ভালো থাকবেন, আপনার স্ত্রীও ভালো থাকবেন।
কনডমে আরাম পাই না, মজা নাই- লোকটা হেসে বলল। হাসিতে নির্লজ্জতা মাখা ছিল।
বললাম- পুরুষও কনডম ছাড়া জন্ম নিয়ন্ত্রণের অন্যান্য কিছু পদ্ধতি আছে, সেগুলো এ্যাপলাই করতে পারে, জানেন?
জানে, বলল লোকটা।
তাহলে আপনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন না কেন? এতে আপনার আরামেরও ব্যাঘাত ঘটবে না। সবসময় শুধু স্ত্রীকেই কেন জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে?
লোকটা দাঁত ক্যালিয়ে হেসে বলল- সাইড ইফেক্ট হয়, শরীল কিড়মিড় করে, দূর্বল লাগে, গিরায় গিরায় শূলায়। তাছাড়া এসব বাড়ির মহিলারাই নিবে। এটাই তো নিয়ম।
আমি বললাম- ঠিক আপনার যে সমস্যাগুলো হয়, সেসব আপনার স্ত্রীরও হয়। আপনার স্ত্রী কখনো মুখ ফুটে বলে না, সহ্য করে যায়। ওরা ধরে নিয়েছে এটাই নিয়ম।
লোকটা বিজবিজ করে "আমার বউ, আমি যা ইচ্ছা খাওয়ামু। যত ইচ্ছা পিল খাওয়ামু। দরকার হলে মবিল, আলকাতরা, পেট্রোল, ডিজেল খাওয়ামু। আইছে নারীবাদী জ্ঞান মারাইতে" বলে খট করে ফোনটা কেটে দিল।
ধরা যাক, কারও বাসায় একজন হঠাৎ অসুস্থ হলেন। অসুস্থ ব্যক্তিকে নিয়ে বের হলেন হাসপাতালের উদ্দেশ্যে।
একের পর এক হাসপাতাল ঘুরছেন। অধিকাংশ হাসপাতাল থেকেই বলা হচ্ছে- এই চিকিৎসা আমাদের এখানে হয় না, বা সিট ফাঁকা নেই, আপনি অন্য হাসপাতালে নিন।
এভাবে ঘুরতে ঘুরতে আপনার রোগীর অবস্থা আরও বেশি খারাপ হয়ে গেলো।
শেষমেশ কোনো দালালের খপ্পরে পড়ে নিয়ে গেলেন কোনো মানহীন হাসপাতালে বা আইসিইউতে, যেখানে যথেষ্ট চিকিৎসক বা চিকিৎসা সরঞ্জাম নেই।
ভর্তি করিয়ে টাকা দিচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু আশানুরূপ ফল পাচ্ছেন না। কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে আপনার রোগীর কোনো আপডেটই দেয়া হচ্ছে না আপনাকে।
তাই আমার মতে, রোগী নিয়ে বের হবার পূর্বে কোনো একজন অভিজ্ঞ রেজিস্টার্ড ডাক্তারকে বিস্তারিত বলে তাঁর কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে বের হবেন যে- আপনার রোগীকে ঠিক কোন হাসপাতালে নিলে সর্বোত্তম চিকিৎসা পাওয়া যাবে।
যেমন, আপনার যদি ইমিডিয়েট আইসিইউ লাগে, আর আপনি যদি আপনার রোগীকে কোনো সরকারি হাসপাতালে নিয়ে বসে থাকেন, তবে বলা যায় যে, ৯০% এর ওপরে সম্ভাবনা, আপনি আইসিইউতে সিট পাবেন না। সেক্ষেত্রে প্রায় বিনা চিকিৎসায় এক বড় দূর্ঘটনাও ঘটে যেতে পারে।
আবার আপনি প্রাইভেট আইসিইউতেই নিলেন কারও প্ররোচনায়, তখন সে আইসিইউ কতটা মানসম্মত, সেই দিকটাও সর্বাগ্রে বিবেচ্য।
কাজেই, যদি সম্ভব হয়, রোগী নিয়ে বের হবার পূর্বে কোনো অভিজ্ঞ রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিন সম্ভব হলে।
আগামীকাল গরুর মাংস খাবার পর নিজের ব্লাড প্রেশারের দিকে খেয়াল রাখবেন। বিশেষ করে যাঁদের উচ্চরক্তচাপ রোগ রয়েছে, তাঁরা বিশেষ সতর্ক থাকবেন।
সাধারণত গরুর মাংস খাবার পর ব্লাডপ্রেশার কিছুটা বেড়ে যায়। যাঁরা নিয়মিত প্রেশারের ওষুধ খান, তাঁরা অবশ্যই আজ রাতের প্রেশারের ওষুধটা খেতে ভুলবেন না।
হঠাৎ প্রেশার বেড়ে গিয়ে অনেকসময় স্ট্রোক, হার্ট এ্যাটাকের মতো বিপদজনক ঘটনাও ঘটে যায়।
সাথে যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁরা মিষ্টি জাতীয় খাবারের ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করবেন।
দীর্ঘদিন ধরে সেক্সুয়াল মেডিসিন নিয়ে কাজ করছি। আমি ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ সেক্সুয়াল মেডিসিন (ISSM) এর একজন পেইড মেম্বার। সেক্সুয়াল মেডিসিন নিয়ে বেশ কিছু ইন্টারন্যাশনাল কোর্স আমার করা আছে।
আমি মূলত যৌন দূর্বলতা (দ্রুত বীর্যপাত), ইরেক্টাইল ডিসফাংশন (লিঙ্গ উত্থিত না হওয়া), সেক্সে অনাগ্রহ, পেইনফুল সেক্সুয়াল ইন্টারকোর্সসহ নানাবিধ সেক্সুয়াল সমস্যা নিয়ে কাজ করছি।
অনেকেই আমার কাছ থেকে সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট হয়েছেন। যেহেতু সেনসিটিভ বিষয়, সেহেতু আমি আমার সফলতা অনলাইনে ডিসক্লোজ করতে পারি না।
যাঁরা আমার আওতার বাইরে, তাঁদের উপযুক্ত জায়গায় রেরফার করি, যেমন ইউরোলজিস্ট, ভাস্কুলার সার্জন, সাইকিয়াট্রিস্ট, এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট, ইন্টার্নিস্ট ইত্যাদি।
আপনি চাইলে আমার কাছ থেকে অনলাইন বা অফলাইনে পেইড সার্ভিস নিতে পারেন। বিস্তারিত জানতে আমাকে ইনবক্স করলেই চলবে।
কুকুর, বিড়াল বা বেজি কামড়ানোর পর র্যাবিস রোগ হবার সম্ভাবনা থাকে। যদি উক্ত কুকুর বা বিড়াল র্যাবিসে আক্রান্ত থাকে এবং আপনাকে কামড়ায় তবে আপনিও অবশ্যই র্যাবিসে আক্রান্ত হবেন।
র্যাবিস এমন এক রোগ, এ রোগে আপনি একবার আক্রান্ত হলে দুনিয়ায় এমন কোনো চিকিৎসক নেই, এমন কোনো ওষুধ নেই, যা আপনাকে বাঁচাতে পারে। অর্থাৎ র্যাবিসে মৃত্যুর হার শতভাগ, র্যাবিসে আক্রান্ত হলে আপনি মারা যাবেনই।
শুধু মারা গেলেও একটা কথা ছিল। র্যাবিসের মৃত্যুটা খুব কষ্টের (কতটা কষ্টের, ইউটিউবে Hydrophobia in Rabies লিখে সার্চ দিয়ে দেখুন, ভয় পেয়ে যাবেন)। শুরুতেই আপনার গায়ে ব্যাথা, জ্বর, সর্দিকাশি ইত্যাদি দিয়ে শুরু হয়। এরপর ধীরে ধীরে এই ভাইরাস আপনার পুরো নার্ভাস সিস্টেমকে আক্রমন করে বসে। তখন আপনার শরীরের মাংসপেশিগুলোর প্রতি আপনার মস্তিষ্কের আর কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। ফলে এসব মাংসপেশি উল্টাপাল্টা আচরণ শুরু করে দেয়।
র্যাবিসে আক্রান্ত রোগীরা পানি দেখলে আতংকিত হয়ে পড়ে। এর কারণ হলো, পূর্বেই বলেছি, শরীরের মাংসপেশিগুলো এ রোগে উল্টাপাল্টা আচরণ করে থাকে। সাধারণত পানি পান করার সময় আমাদের গলার, খাদ্যনালীর মাংশপেশিগুলো শিথিল হয়ে যায়, ফলে অনায়াসেই আমরা পানি পান করতে পারি। কিন্তু র্যাবিসে আক্রান্ত হলে, গলা ও খাদ্যনালীর মাংশপেশিগুলো উলটো আচরণে, শিথিল হবার পরিবর্তে প্রবলভাবে সংকুচিত হয়। ফলে এক ফোঁটা পানি ভেতরে ঢুকতে পারে না। সেই সাথে অনুভূত হয় তীব্র ব্যাথা। ফলে পানি দেখামাত্রই রোগী ভয়াবহ রকমের আতংকিত হয়ে পড়ে।
এভাবে একে একে শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলোও উল্টাপাল্টা আচরণ করতে শুরু করে। একে একে ডায়াফ্রাম, অন্ত্র, প্রশ্রাবের থলি এবং ফুসফুসও আক্রান্ত হয়ে পড়ে। এবং শেষে ভয়াবহ কষ্টের মাধ্যমে একজন র্যাবিসে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু নিশ্চিত হয়।
কোন কোন প্রাণীর কামড়ে র্যাবিস হয়ঃ
র্যাবিসে আক্রান্ত সমস্ত প্রাণীর কামড়েই র্যাবিস হতে পারে৷ এমনকি কোনো র্যাবিসে আক্রান্ত মানুষের লালাও যদি আপনার কোনো ক্ষতস্থানে লেগে যায়, আপনি তখন র্যাবিসে আক্রান্ত হতে পারেন।
যেসব প্রাণীর কামড়ে র্যাবিস হতে পারে এবং অবশ্যই ভ্যাক্সিন নিতে হবেঃ
১. কুকুর
২. বিড়াল
৩. শেয়াল
৪. বেজি
৫. বানর
৬. বাদুড়
যেসব প্রাণী কামড়ালে সাধারণত র্যাবিস হয় না এবং ভ্যাক্সিন নিতে হয় নাঃ
১. ইঁদুর
২. খরগোশ
৩. কাঠবিড়ালি
৪. গুঁইসাপ
৫. মানুষ
আপনি যেহেতু জানেন না, আপনাকে কামড়ানো প্রাণীটি র্যাবিসে আক্রান্ত কি না, সেহেতু আপনাকে ভ্যাক্সিন নিতেই হবে। কামড়ে রক্ত বের হোক, না হোক, ভ্যাক্সিন নেয়া উত্তম। এমনকি আপনার কোনো ক্ষতস্থান কোনো প্রাণী চাটলেও ভ্যাক্সিন নেয়া ভালো।
র্যাবিসের ভ্যাক্সিন ৫ টি ডোজে দেয়া হয়।
প্রথমটি যেদিন কামড়িয়েছে, সেদিন অথবা যত দ্রুত সম্ভব। এরপরেরগুলো ৩, ৭, ১৪ এবং ২৮ তম দিনে (1-1-1-1-1 রেজিমে দিলে পাঁচটি ডোজ, 2-1-1 রেজিমেন তিনটি, তখন শিডিউল হয়- ০, ৭, ২১ তম দিন)।
কোন কোন অবস্থায় ভ্যাক্সিন নিলেও কোনো সমস্যা নেইঃ
১. গর্ভাবস্থায়
২. মায়ের দুগ্ধ দানকালে
৩. অন্য যেকোনো অসুস্থতায়
৪. ছোট বাচ্চা
৫. বৃদ্ধ
যেহেতু একবার র্যাবিস হলে মৃত্যু অবধারিত, সেহেতু হেলা না করে র্যাবিস ছড়াতে পারে এমন কোনো প্রাণী কামড়ানো মাত্রই উক্ত স্থান ১৫-২০ মিনিট ধরে কাপড় কাঁচা সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন এবং দ্রুত ভ্যাক্সিন নিন।
মহাখালী সংক্রামক ব্যধি হাসপাতালে র্যাবিসের ভ্যাক্সিন ফ্রি দেয়া হয়, এছাড়া কিছু সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও ফ্রিতে পাওয়া যায়।
শীতকালে যদি দেখেন, কোনো কারণ ছাড়াই অযথা মন খারাপ থাকছে, তবে অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি ভিটামিন ডির বিষয়টিও মাথায় রাখবেন।
ভিটামিন ডির অভাবে ডিপ্রেসন হয়। শীতকালে রোদ কম পাওয়া যায় বলে এমনটি হয়।
বিভিন্ন শীতপ্রধান দেশে, যেখানে সূর্যের আলো পাওয়াই যায় না, সেসব দেশের মানুষ নিয়মিত ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট নিয়ে থাকেন ডিপ্রেসনের হাত থেকে বাঁচার জন্য।
ভিটামিন ডি পরীক্ষা বেশ ব্যয়বহুল। কাজেই নিজে নিজেই ডিপ্রেসনের জন্য ভিটামিন ডি টেস্ট বা সাপ্লিমেন্ট নেবেন না। এজন্য একজন রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka