Nur's by Mou
You can trust it and use
10/11/2023
Gd morning. It's wonderful products.
Good Morning everyone. Welcome back to my page..
Hello Everyone
13/09/2020
Hello Everyone. Welcome my page.
ব্রন কিভাবে সহজে দূর করা যায়??
সমাধান।
দই, লেবুর খোসা এবং গোলাপজল একটি বাটিতে এক চা চামচ টক দই, এক চা চামচ লেবুর খোসা বাটা এবং সামান্য একটু গোলাপজল নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার এটি মুখে লাগিয়ে রাখুন পুরোপুরি না শুকানো পর্যন্ত। পুরো শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি পোরস, গর্ত ইত্যাদি দূর করার সাথে সাথে আপনার ত্বককে সুপার হাইড্রেট, ময়েশ্চারাইজ এবং মসৃন করবে। বাড়াবে ত্বকের কোমলতাও।
লেবুর জল
শরীর ভিতর থেকে পরিষ্কার রোগমুক্ত রাখতে বিকল্প নেই লেবুর জলের। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গেলাস লেবু মেশানো হালকা গরম জল খাওয়ার অভ্যেস করতে পারলে আপনার লিভার ধন্যবাদ দেবে আপনাকে। লেবুর রসে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডান্ট আর ভিটামিন সি থাকে যা আপনার ত্বকে বাড়তি জৌলুস এনে দেবে।
হালকা ব্যায়াম করুন
আপনার ব্যায়ামের অভ্যেস থাকলে ভালো, না থাকলেও ঘাবড়ানোর কিছু নেই! মোটেই ট্র্যাকস্যুট পরে মাঠে নামতে হবে না! সাধারণ কিছু ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন, বাগানে বা বাড়ির ছাদে মিনিট দশেক জোরকদমে হাঁটলেও চলবে। সকালে ব্যায়াম করলে আপনার শরীর সারাদিন চাঙ্গা থাকে, তা ছাড়া ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে টক্সিন বেরিয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের জেল্লাও বাড়ে।
মুখ ধুয়ে নিন
ঘুমোনোর সময় সারা রাত ধরে মুখে তেলময়লা জমতে থাকে। সকালে উঠে কোমল ফেসওয়াশ দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলুন, তারপর ফেস সিরাম বা হালকা ময়শ্চারাইজার মেখে নিন। সারাদিন তরতাজা লাগবে।
দরকার ভালো ময়শ্চারাইজার
যে ময়শ্চারাইজারটা রোজ মাখছেন সেটি আপনার ত্বকের উপযোগী কিনা সেটা আগে জানা দরকার। ময়শ্চারাইজার মাখার পরে ত্বকে টান না ধরলে বা ত্বক তেলতেলে না লাগলে বুঝতে হবে ময়শ্চারাইজার ঠিক আছে। ময়শ্চারাইজারে এসপিএফ থাকলে তা আপনাকে রোদ থেকেও সুরক্ষা দেবে।
মুখ এক্সফোলিয়েট করুন
ত্বকের উপরে মৃত কোষ জমে গেলে মুখ বিবর্ণ অনুজ্জ্বল দেখায়। সপ্তাহে অন্তত দু'বার ঘরোয়া স্ক্রাব দিয়ে মুখ এক্সফোলিয়েট করতে ভুলবেন না।
ডায়েটে রাখুন ফল আর সবজি
শাকসবজি আর ফল যে ত্বক ভালো রাখে, সে জানা কথা। তাই প্রতিদিন সকালের প্রথম খাবার অর্থাৎ ব্রেকফাস্টে যে কোনও ফল বা সবজি রাখার চেষ্টা করুন। গোটা ফল বা ফলের রস খেতে পারেন বা শাকসবজি পিষে গ্রিন স্মুদি বা জুস বানিয়ে খেতে পারেন। সকালে এরকম একটি পানীয় আপনার সিস্টেমকে ভিতর থেকে পরিষ্কার রাখবে, ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে আর ত্বক হয়ে উঠবে জেল্লাদার।
পরের স্টোরি :স্পায়ের আরাম মিস করছেন? এই সপ্তাহান্তে বাড়িতেই ট্রাই করবেন নাকি?
মন্তব্য
পরের স্টোরি
স্পায়ের আরাম মিস করছেন? এই সপ্তাহান্তে বাড়িতেই ট্রাই
সারাটা দিন শুধু কাজ আর কাজ! নানারকমের কাজ করতে করতেই কেটে যায় লকডাউনের দিনগুলো, নিজেকে একটু প্যাম্পার করার সময় বা উপায় কোনওটাই মেলে না! পার্লার বন্ধ থাকার দরুন একটা যে বডি স্পা করাবেন, সে গুড়েও বালি! তবে চিন্তা নেই, সামনেই উইকএন্ড আসছে আর এই উইকএন্ডে বহু আকাঙ্ক্ষিত সেই স্পা করার সুযোগ পেয়ে যেতে পারেন আপনি। না, তার জন্য পার্লারে যাওয়ার প্রশ্নই নেই, বাইরেও বেরোতে হবে না। একদম নিজের বাড়ির আরামে বসেই পেয়ে যাবেন এক্সক্লুসিভ স্পায়ের আমেজ! শুধু হাতে দরকার খানিকটা সময়। সপ্তাহান্তের অবসরে ঘণ্টাদুয়েক অবসর থাকলেই হল! কীভাবে স্পা নেবেন, তার কিছু টিপস দিয়ে দিলাম আমরা।
স্নানের জলটা খুব হালকা গরম করে নিন। এই গরমে শরীরে ঠান্ডা জল ঢাললে দারুণ আরাম লাগবে ঠিকই কিন্তু মাসলগুলো শিথিল হওয়ার অবকাশ পাবে না। জলটা অল্প গরম করে নিয়ে গায়ে ঢাললে প্রতিটি রোমকূপ খুলে যাবে, শরীরের গ্রন্থিগুলোও শিথিল হতে শুরু করবে।
প্রথমে পায়ের যত্ন থেকে শুরু করা যাক, কারণ পায়ের উপর দিয়েই সারাদিনের বেশিরভাগ ঝক্কিঝামেলাটা যায়। পায়ে ব্যথা থাকলে নিতে পারেন ফুট বাথ। জল হালকা গরম করে গামলায় ঢেলে নিন। তাতে খানিকটা সুগন্ধী এপসম সল্ট ভালো করে মিশিয়ে নিন। যে কোনও ওষুধের দোকানে বা অনলাইনে এপসম সল্ট পাবেন। এবার গামলার জলে পা ডুবিয়ে মিনিট দশেক বসে থাকুন। আরাম তো পাবেনই, ব্যথাবেদনাও অনেক কমে যাবে।
যাঁদের বাথরুম একটু বড়ো, তাঁরা বাথটব রাখার কথা ভাবতে পারেন। বাথটবে তৈরি করে নিন বাবল বাথ। বাথটবের জলে কিছুক্ষণ চুপচাপ শরীর ডুবিয়ে শুয়ে থাকার যে আরাম, তার তুলনা হয় না! বাথটব না থাকলেও কিছু যায় আসে না! বালতিতে স্নানের জলে খানিকটা সুগন্ধী এসেনশিয়াল অয়েল ঢেলে দিন। এবার ওই জলে স্নান করুন। শরীরের প্রতিটি কোনা সুগন্ধে ভরে উঠবে! কোনও সিন্থেটিক সুগন্ধ ব্যবহার করবেন না কিন্তু! ভরসা রাখুন খাঁটি এসেনশিয়াল অয়েলে।
পিঠে বা কোমরে ব্যথা থাকলে বালতির জলেও মিশিয়ে নিতে পারেন বাথ সল্ট বা এপসম সল্ট। গায়ে জল ঢাললেই আরাম পাবেন।
অল্প ঠান্ডা দুধে কিছুটা গোলাপজল মিশিয়ে পাতলা করে নিন। কিছু গোলাপ পাপড়ি থেঁতো করে মিশিয়ে দিন ওই জলে। এবার পাতলা মসলিন বা আদ্দির কাপড় দুধজলের মিশ্রণে ভিজিয়ে মুখে খানিকক্ষণ চাপা দিয়ে রাখুন। মুখের ত্বক উজ্জীবিত হয়ে উঠবে।
স্নানের সময় প্রাকৃতিক লুফা দিয়ে গা ঘষে নিন। সমস্ত মৃত কোষ উঠে গিয়ে ত্বক কোমল আর ঝকঝকে হয়ে উঠবে। এই সময়টায় কিছুটা মাসাজও নিতে পারেন। আঙুলের ডগা দিয়ে পিঠ, ঘাড়, পায়ের পাতা আর গোড়ালি মিনিট দশেক চেপে চেপে মাসাজ করে নিন, অনেকটা হালকা লাগবে।
হাতের কাছে রাখুন পরিষ্কার, নরম সুতির তোয়ালে। স্নানের পর চেপে চেপে গা মুছে জলটা শুষে নিন। স্নান সেরে গা অল্প ভেজা থাকতে থাকতেই ভালোভাবে ময়শ্চারাইজ়ার মেখে নিন। ভেজা ত্বকে ময়শ্চারাইজ়ার ভালো করে শুষে যেতে পারে।
পরের স্টোরি :গোলাপজল মানেই ত্বকে স্নিগ্ধ শীতল অনুভূতির সঙ্গে মনকাড়া সুগন্ধ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Naogaon
Dhaka
6500