Germany Classical Homeo Care
Provides the up to date content related to all entertainment and many more category. We are Wacky!! We do only Entertainment.
Dr. Abu Razin (Razib)
(10 years of experience in sexual health)
BHMS (On course) Dhaka University
DHMS BHMEC Dhaka
BA (Hon's) in English NU
Reg no - 46005
https://germanyclassicalhomeocare.com/
যৌন রোগের ১০০% সমাধান পেতে যোগাযোগ করুন।
Mob 01913556699 Providing a good direction toward life and many more things to set up a good life will be made available on
Love Heard
We actually don't read peop
02/09/2026
02/09/2026
🧠❄️ নার্ভাস বা ঠান্ডায় লিঙ্গ ছোট ও ভেতরের দিকে সঙ্কুচিত দেখায় কেন?—বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা
অনেক পুরুষ লক্ষ্য করেন—ঠান্ডা আবহাওয়া, ঠান্ডা পানিতে গোসল/সাঁতার, ভয়, লজ্জা, দুশ্চিন্তা বা অতিরিক্ত নার্ভাস অবস্থায় লিঙ্গ স্বাভাবিকের তুলনায় ছোট, কুঁচকানো বা শরীরের দিকে টেনে নেওয়া মনে হচ্ছে।
এটি দেখে অনেকেই চিন্তা করেন—
❌ “লিঙ্গ কি ছোট হয়ে যাচ্ছে?”
❌ “রক্ত চলাচল কি বন্ধ হয়ে গেছে?”
❌ “এটা কি যৌন দুর্বলতার লক্ষণ?”
❌ “এটা কি কোনো রোগ?”
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উত্তর হলো—না। এটি শরীরের স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রতিক্রিয়ার অংশ হতে পারে।
---
🔬 ১. ঠান্ডায় লিঙ্গ কেন সঙ্কুচিত হয়?
মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো core body temperature বা শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা স্থিতিশীল রাখা।
ঠান্ডা পরিবেশে শরীর তাপ ধরে রাখার জন্য ত্বকের কাছাকাছি রক্তনালিগুলোকে সংকুচিত করে। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয়—
Vasoconstriction
অর্থাৎ রক্তনালির ব্যাস সাময়িকভাবে কমে যায়, যাতে শরীরের ভেতরের তাপ বাইরে অতিরিক্ত বেরিয়ে না যায়।
লিঙ্গও রক্তনালি ও স্পঞ্জি erectile tissue-সমৃদ্ধ অঙ্গ। ফলে ঠান্ডার প্রভাবে সেখানে রক্তপ্রবাহ ও টিস্যুর অবস্থায় সাময়িক পরিবর্তন ঘটে।
ফলাফল?
👉 Flaccid অবস্থায় লিঙ্গ ছোট দেখা যেতে পারে।
👉 লিঙ্গ শরীরের দিকে কিছুটা টেনে যেতে পারে।
👉 অণ্ডথলি ও অণ্ডকোষও শরীরের কাছাকাছি উঠে আসতে পারে।
এটি মূলত তাপ সংরক্ষণের শারীরবৃত্তীয় ব্যবস্থা।
Cleveland Clinic-এর ইউরোলজি বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ঠান্ডায় লিঙ্গের এমন সাময়িক সঙ্কোচন একটি স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক physiological response, এবং শরীর উষ্ণ হলে সাধারণত আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে।
---
🧠 ২. নার্ভাস বা ভয় পেলে কেন এমন হয়?
এখানেও জড়িত রয়েছে আমাদের Autonomic Nervous System (ANS)।
Autonomic nervous system এমন অনেক শারীরিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে যেগুলো আমরা ইচ্ছা করে নিয়ন্ত্রণ করি না।
এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো—
Sympathetic Nervous System (SNS)
ভয়, উদ্বেগ, উত্তেজনা, মানসিক চাপ বা “fight-or-flight” পরিস্থিতিতে sympathetic activity বৃদ্ধি পেতে পারে। এই অবস্থায় শরীর মূলত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর দিকে রক্তপ্রবাহ ও শক্তি ব্যবস্থাপনার ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়।
ফলে কিছু পুরুষের ক্ষেত্রে তখন—
🔹 লিঙ্গ আরও বেশি flaccid হয়ে যেতে পারে
🔹 লিঙ্গের দৃশ্যমান অংশ ছোট মনে হতে পারে
🔹 শরীরের দিকে টেনে নেওয়া বা “ভেতরে ঢুকে গেছে” বলে মনে হতে পারে
🔹 er****on পাওয়া সাময়িকভাবে কঠিন হতে পারে
অর্থাৎ নার্ভাস অবস্থায় লিঙ্গের সাময়িক আকার পরিবর্তন মানেই যৌন অক্ষমতা নয়।
---
❤️ ৩. Flaccid p***s-এর আকার কেন এত পরিবর্তনশীল?
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বুঝতে হবে—
Flaccid p***s-এর আকার স্থায়ী কোনো নির্দিষ্ট মাপ নয়।
একই ব্যক্তির লিঙ্গ কখনো তুলনামূলক বড়, আবার কখনো অনেক ছোট দেখা যেতে পারে।
এর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে—
🌡️ পরিবেশের তাপমাত্রা
🧠 মানসিক চাপ
😰 ভয় বা anxiety
❤️ যৌন উত্তেজনার মাত্রা
🩸 রক্তপ্রবাহ
🏃 শারীরিক কার্যকলাপ
🛀 উষ্ণতা
😴 বিশ্রাম ও ঘুম
Urology Care Foundation স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে warmth, cold বা worry-এর কারণে flaccid p***s-এর size পরিবর্তিত হতে পারে, এবং এটি সাধারণত p***s-এ রক্ত আসা ও বের হওয়ার ভারসাম্যের সঙ্গে সম্পর্কিত স্বাভাবিক পরিবর্তন।
---
🩸 ৪. “লিঙ্গ ছোট দেখাচ্ছে” মানেই কি রক্ত চলাচল খারাপ?
অবশ্যই নয়।
ঠান্ডায় স্বাভাবিক vasoconstriction-এর কারণে সাময়িকভাবে রক্তপ্রবাহের ধরন পরিবর্তিত হওয়া এবং কোনো রোগের কারণে দীর্ঘস্থায়ী রক্তসঞ্চালন সমস্যা—দুটি এক জিনিস নয়।
উদাহরণ:
❄️ ঠান্ডায় কিছুক্ষণ লিঙ্গ ছোট দেখা গেল → স্বাভাবিক physiological response হতে পারে।
কিন্তু—
⚠️ দীর্ঘদিন ধরে er****on আগের তুলনায় দুর্বল
⚠️ বারবার er****on ধরে রাখতে সমস্যা
⚠️ যৌন উত্তেজনা থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত er****on না হওয়া
⚠️ ব্যথা, বক্রতা বা অন্য অস্বাভাবিক পরিবর্তন
থাকলে বিষয়টি আলাদাভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
কারণ erectile dysfunction কখনো কখনো cardiovascular বা vascular সমস্যার সঙ্গেও সম্পর্কিত হতে পারে।
---
🔥 ৫. উষ্ণ হলে কী হয়?
সাধারণত শরীর উষ্ণ হওয়ার পর ঠান্ডাজনিত vasoconstriction কমে যায়।
রক্তনালির স্বাভাবিক কার্যক্রম ফিরে আসে এবং লিঙ্গ আবার আগের flaccid অবস্থার কাছাকাছি ফিরে যেতে পারে।
তাই—
ঠান্ডায় ছোট → উষ্ণতায় স্বাভাবিক
এই পরিবর্তনটি একাই সাধারণত রোগের প্রমাণ নয়।
---
📌 ৬. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুল ধারণা
Flaccid অবস্থায় লিঙ্গ ছোট দেখানো ≠ স্থায়ীভাবে লিঙ্গ ছোট হয়ে যাওয়া।
একজন পুরুষের flaccid p***s-এর আকার দিনে বিভিন্ন সময়েও পরিবর্তিত হতে পারে।
এমনকি দুই ব্যক্তির ক্ষেত্রে flaccid অবস্থার আকারের পার্থক্য থাকলেও তা যৌন সক্ষমতার নির্ভরযোগ্য মাপকাঠি নয়।
Cleveland Clinic-এর তথ্য অনুযায়ী, p***s-এর আকার ও আকৃতিতে স্বাভাবিকভাবেই যথেষ্ট ব্যক্তিগত পার্থক্য রয়েছে এবং আকার সাধারণত sexual function নির্ধারণ করে না।
---
🚨 কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত?
ঠান্ডা বা নার্ভাস অবস্থায় সাময়িক shrinkage সাধারণত উদ্বেগের কারণ নয়।
তবে নিচের বিষয়গুলো থাকলে ইউরোলজিস্ট/চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত—
🔴 পরিবর্তনটি দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী হচ্ছে
🔴 er****on-এর মান ধারাবাহিকভাবে কমে যাচ্ছে
🔴 er****on পেতে বা ধরে রাখতে নিয়মিত সমস্যা হচ্ছে
🔴 লিঙ্গে ব্যথা হচ্ছে
🔴 নতুন করে উল্লেখযোগ্য বক্রতা তৈরি হয়েছে
🔴 আঘাতের পর পরিবর্তন হয়েছে
🔴 প্রস্রাবের সমস্যা রয়েছে
🔴 লিঙ্গের চেহারা বা কার্যক্ষমতায় হঠাৎ ও অস্বাভাবিক পরিবর্তন হয়েছে
কারণ দীর্ঘস্থায়ী পরিবর্তনের পেছনে vascular disease, erectile dysfunction, Peyronie’s disease, আঘাতসহ বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে।
---
🧪 সহজ ভাষায় পুরো বিষয়টি
ঠান্ডা → Vasoconstriction → সাময়িক রক্তপ্রবাহের পরিবর্তন → flaccid p***s ছোট/সঙ্কুচিত দেখাতে পারে।
ভয়/নার্ভাসনেস → Sympathetic nervous system সক্রিয়তা → সাময়িক শারীরিক পরিবর্তন → লিঙ্গ আরও ছোট/সঙ্কুচিত মনে হতে পারে।
উষ্ণতা ও স্বাভাবিক মানসিক অবস্থায় → শরীরের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে।
তাই শুধু ঠান্ডা বা নার্ভাস অবস্থায় লিঙ্গ ছোট দেখানোকে দেখে “যৌন দুর্বলতা” বা “লিঙ্গ স্থায়ীভাবে ছোট হয়ে গেছে”—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো বৈজ্ঞানিকভাবে ঠিক নয়।
🧠 মনে রাখুন
“Flaccid size changes; function matters more.”
অর্থাৎ, শুধু বিভিন্ন সময়ে লিঙ্গ কতটা ছোট বা বড় দেখাচ্ছে তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—
✅ er****on স্বাভাবিক হচ্ছে কি না
✅ er****on ধরে রাখা যাচ্ছে কি না
✅ ব্যথা বা অস্বাভাবিক পরিবর্তন আছে কি না
✅ যৌন ও প্রস্রাবের কার্যক্রম স্বাভাবিক আছে কি না
শরীরের স্বাভাবিক physiological response নিয়ে অযথা ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে কোনো পরিবর্তন স্থায়ী বা কার্যক্ষমতাজনিত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।
📚 তথ্যসূত্র:
Cleveland Clinic — P***s Shrinkage; P***s Anatomy & Function
Urology Care Foundation — Erectile Dysfunction
MSD Manual — Erectile Dysfunction
Cleveland Clinic — Vasoconstriction & Autonomic Nervous System
***sHealth #পুরুষেরস্বাস্থ্য #যৌনস্বাস্থ্য #বৈজ্ঞানিকতথ্য
টাকার অভাবে কিনতে না পারা জিনিসটার নাম কি..?
29/08/2026
বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমান বীর্য নির্গত হয় তাতে ৪০ কোটি শুক্রাণু থাকে। তো, লজিক অনুযায়ি মেয়েদের গর্ভে যদি সেই পরিমান শুক্রানু স্থান পেতো তাহলে ৪০ কোটি বাচ্চা তৈরি হতো!
এই ৪০ কোটি শুক্রাণু, মায়ের জরায়ুর দিকে পাগলের মত ছুটতে থাকে, জীবিত থাকে মাত্র ৩০০-৫০০ শুক্রাণু।
আর বাকিরা ? এই ছুটে চলার পথে ক্লান্ত অথবা পরাজিত হয়ে মারা যায়। এই ৩০০-৫০০ শুক্রাণু, যেগুলো ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে। তাদের মধ্যে মাত্র একটি মহা শক্তিশালী শুক্রাণু ডিম্বানুকে ফার্টিলাইজ করে, অথবা ডিম্বানুতে আসন গ্রহন করে। সেই ভাগ্যবান শুক্রাণুটি হচ্ছে আপনি কিংবা আমি, অথবা আমরা সবাই।
কখনও কি এই মহাযুদ্ধের কথা মাথায় এনেছেন?
১। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন" তখন ছিলনা কোন চোঁখ হাত পা মাথা, তবুও আপনি জিতেছিলেন।
২। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন"তখন আপনার ছিলোনা কোন সার্টিফিকেট, ছিলোনা মস্তিষ্ক তবুও আপনি জিতেছিলেন।
৩। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন তখন আপনার ছিলনা কোন শিক্ষা, কেউ সাহায্য করেনি তবুও আপনি জিতেছিলেন।
৪। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন তখন আপনার একটি গন্তব্য ছিলো এবং সেই গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্য ঠিক রেখে একা একাগ্র চিত্তে দৌড় দিয়েছিলেন এবং শেষ অবধি আপনিই জিতেছিলেন।
- এর পর, বহু বাচ্চা মায়ের পেটেই নষ্ট হয়ে যায় । কিন্তু আপনি মারা যান নি, পুরো ১০ টি মাস পূর্ণ করতে পেরেছেন ।
- বহু বাচ্চা জন্মের সময় মারা যায় কিন্তু আপনি টিকেছিলেন ।
- বহু বাচ্চা জন্মের প্রথম ৫ বছরেই মারা যায়। আপনি এখনো বেঁচে আছেন ।
- অনেক শিশু অপুষ্টিতে মারা যায়। আপনার কিছুই হয় নি ।
- বড় হওয়ার পথে অনেকেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে, আপনি এখনো আছেন ।
আর আজ......
আপনি কিছু একটা হলেই ঘাবড়ে যান, নিরাশ হয়ে পড়েন, কিন্তু কেন? কেনো ভাবছেন আপনি হেরে গিয়েছেন ? কেন আপনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন ? এখন আপনার বন্ধু বান্ধব, ভাই বোন, সার্টিফিকেট, সবকিছু আছে। হাত-পা আছে, শিক্ষা আছে, প্ল্যান করার মস্তিষ্ক আছে, সাহায্য করার মানুষ আছে, তবুও আপনি আশা হারিয়ে ফেলেছেন। যখন আপনি জীবনের প্রথম দিনে হার মানেননি। ৪০ কোটি শুক্রাণুর সাথে মরণপণ যুদ্ধ করে, ক্রমাগত দৌড় দিয়ে কারো সাহায্য ছাড়াই প্রতিযোগিতায় একাই বিজয়ী হয়েছেন।
কেনো আপনি একটা কিছু হলেই ভেঙে পড়েন??
কেনো বলেন আমি আর বাচতে চাইনা?
কেনো বলেন আমি হেরে গিয়েছি?
এমন হাজারো কথা তুলে ধরা সম্ভব, কিন্তু আপনি কেনো হতাশ হয়ে পড়েন?
আপনি কেন হারবেন? কেন হার মানবেন? আপনি শুরুতে জিতেছেন, শেষে জিতেছেন, মাঝপথেও আপনি জিতবেন। নিজেকে সময় দিন, মনকে প্রশ্ন করুন কি প্রতিভা আছে আপনার। মনের চাওয়া কে সব সময় মূল্য দিন, সব সময় সৃষ্টিকর্তা কে স্বরণ করুন। দেখবেন আপনি জিতে যাবেন l
Thank you.❤
Collected ....
29/08/2026
মানুষ আমাকে অনেক ভাবে ধোকা দিছে, বউ ভাতের দাওয়াত দিয়ে শুধু ভাত দিছে! বউ দেয় নাই.।
21/08/2026
দলের দাসত্ব, নেতার চামচামি ও পা চাটার পরিনতি কি হয় যুবকরা দ্যাখো।।
বিশ্বজিৎ হ/ত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত প্রধান আ/সা/মী ছাত্রলীগ কর্মী রফিকুল ইসলাম শাকিল; প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় এসেছে। সে ২০১২ সাল থেকে জেল খাটছে।
একসময়ের টগবগে তরুণ আজ কারাগারের গ্লানি টানতে টানতে বড্ড ক্লান্ত। বয়সের ভাড়ে প্রায় নুয়ে পড়েছে। সাদা হয়ে গিয়েছে চুল-দাঁড়ি। প্রেমিকা হয়তো বিয়ে করেছে অন্য কোথাও। বাবা এক যুগেরও বেশি সময় সন্তানের জন্য চোখের জল ফেলে সন্তানের মুখ দেখতে না পেয়ে মা/রাই গেলো।
যাদের হুকুমে, যাদের খুশি করতে সে এই অপকর্ম করেছে তারা সবাই স্ত্রী সন্তান সহ বিদেশে আলিশান জীবন কাটাচ্ছে। কেউ তার খোজও নিতে আসেনি।
নেতা আর দলের চামচামি করতে গিয়ে তার জীবনের করুণ দশা হয়তো আগামীর রাজনৈতিক চামচাদের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।
ছবি : সংগ্রহীত।
20/08/2026
১৫ হাজার ডলার চাইছে! এক ডলার ১২২ টাকা হিসেবে ১৮ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা দাঁড়ায়। কথা না শুনায় জীবননাশের চেষ্টা! এতো টাকা কামাও, কিছু দিলে সমস্যা কী! এটাই চাঁদাবাজদের নীতিকথা!
ইনি ঢাকা মেডিকেলের নাক কান গলা বিভাগের প্রধান। তার অসংখ্য রোগী স্যারের চিকিৎসার ভূয়সী প্রশংসা করেছে।
একজন ডাক্তার একদিনে তৈরি হয়না। আজীবন তাকে প্রস্ততি নিতে হয়। সারাজীবন সে ক্লাসের ফার্স্ট বয় থাকে, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় সেরাদের সেরা হয়ে চান্স পেতে হয়, এমবিবিএস ডিগ্রি পেতে মায়ের দুধ মুখ দিয়ে ওঠে! তারপর এমডি, এফসিপিএস, এফআরসিএস এরকম অসংখ্য ডিগ্রীর পর একজন ডাক্তার কোনো নির্দিষ্ট রোগের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাদেরকে পড়ালেখার মধ্যে থাকতে হয়। অথচ তার জীবনের সব পরিশ্রম এক হাতুড়ির বারিতেই শেষ!
তাহলে পরিশ্রম করে ভাগ্য উন্নয়নের চেষ্টা করে কী লাভ! কষ্ট করে টাকা উপার্জন করে কী লাভ! তার থেকে ফকির মিসকিন হয়ে বেঁচে থাকাই ভালো। অন্তত কাউকে চান্দা দিতে হবেনা! জঘন্য দুনিয়া!
Cp
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
40 Feet Main Road, Bosila, Muhammadpur, Dhaka
Faridpur
Opening Hours
| Monday | 08:00 - 22:00 |
| Tuesday | 08:00 - 22:00 |
| Wednesday | 08:00 - 22:00 |
| Thursday | 08:00 - 22:00 |
| Friday | 08:00 - 12:00 |
| Saturday | 08:00 - 22:00 |
| Sunday | 08:00 - 22:00 |