Fashion & Beauty
Fashion & Beauty is a indian, Pakistani, Dubai & Malaysian dresses, saree & cosmetic based page. you can take desire dress & personal care from our page.
we will provide cash on delivery all over Bangladesh.
23/11/2025
আলহামদুলিল্লাহ, 3 STAR 150 watt Solar Panel Test Video , সরাসরি লোড টেস্ট ভিডিও দেখুন , ভালো চিনুন ভালো কিনুন, একবার কিনুন বারবার নয় ,
বিস্তারিত জানতে চাইলে হোয়াটসঅ্যাপ নক দিন 01985712332
কোয়ালিটি পণ্যটি কিনুন, বছরের পর বছর নিশ্চিতে থাকুন, নিরাপদে থাকুক আপনাদের মূল্যবান সকল ইলেক্টট্রনিক্স ডিভাইস ।
আমাদের কাছ থেকে পাবেন ( 100% আমদানিকৃত পণ্য )
আমরা পাইকারী ও খুচরা বিক্রি করে থাকি,
IPS, IPS, SOLAR PANEL, , UPS, BATTERY.
# আমরা হালাল উপার্জন করার চেস্টা করি, আমরা সততার সঙ্গে দীর্ঘ ১২ বছরের বেশি ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি, আমরা মিথ্যা আশ্বাস দেই না , যারা মিথ্যা আশ্বাস দেয় তাদের উপর আল্লাহপাকের গজব পরুক, যারা মানুষকে ঠকায় তাদের উপর আল্লাহপাকের গজব পরুক, ফেজবুকে যারা নীতির কথা বলে নীতির মত চলে না, তাদের উপর আল্লাহপাকের গজব পরুক, চিটার বাটপার থেকে দুরে থাকুন ।
# আমাদের কোম্পানির বৈশিষ্ট্য *
* আমাদের আছে নিজস্ব সার্ভিস সেন্টার।
* আছে দক্ষ ইন্জিনিয়ার ও টেকনিশিয়ান ,
* আপনার মেশিনের সঠিক সেবা প্রদান করবে।
* দাম কম দিয়ে অসুস্থ প্রতিযোগিতা নয়, প্রতিযোগিতা হবে
কোয়ালিটি, কমিটমেন্ট, এবং সততা দিয়ে।
* সঠিক দামে সঠিক পন্য ও সার্ভিস বুঝে দেই ।
* আমাদের আছে ২০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা ।
* আমাদের কাজের কোয়ালিটি আর সার্ভিস অন্যদের থেকে আলাদা।
* আমরা শুরুতে কম প্রাইজ বলে কাজের পরে হিডেন চার্জ ধরিয়ে দেই না।
* আমাদের প্যাকেজ প্রাইজ এর ভিতরে সব খরচ ইনক্লুড থাকে।
* আমাদের কথা আর কাজের মিল পাবেন ।
* আমরা সারা বাংলাদেশে সার্ভিস দিয়ে থাকি ।
আমাদের সকল প্রকার পণ্য সার্ভিস করে থাকি খুবই সল্প মূল্যে যেমনঃ
১. অন লাইন ইউ পি এস
২. HOME UPS / IPS
৩. অন গ্রীড সোলার সিস্টেম
৪. হাইব্রিড সোলার সিস্টেম
৫. সোলার প্যানেল
৬. সার্ভো ভোল্টেজ ইস্টেবিলাইজার।
# প্রয়োজনে আমাদের অফিস পরিদর্শন করুন যে কোন সময়,
সরকারি ছুটির দিন ও শুক্রবার বাদে
# অফিস সময়ঃ সকাল ১০ঃটা থেকে রাত ৮ঃটা।
# অফিস ঠিকানাঃ বাংলার আলো, কাপ্তান বাজার কমপ্লেক্স ভবন নং -1,ঢাকা ।
23/11/2025
21/12/2024
আপনারা যারা সোলার পাম্পের প্রজেক্ট করতে আগ্রহী Banglar আলো এ আস্থা রাখুন ❤️ আশা করি নিরাশ হবেন না। মোবাইল: 01985712332 #𝐥𝐢𝐭𝐡𝐢𝐮𝐦𝐛𝐚𝐭𝐭𝐞𝐫𝐲
12/12/2024
বাংলার আলো সোলার ভবন নং ১, কাপ্তান বাজার দোকান নং ২৫৩,০১৯৮৫৭১২৩৩২ ,
06/09/2024
কোথা থেকে এলো ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উদযাপন?
------------------------------------------
হাদিসের ৬ খানা বিশুদ্ধ ও প্রসিদ্ধ কিতাবের অন্যতম সুনানুত তিরমিজি শরিফে একখানা আলাদা চ্যাপ্টার আছে "বাবু মা জায়া ফি মিলাদিন্নাবি ﷺ" অর্থ্যাৎ "প্রিয়নবী ﷺর দুনিয়াতে আগমন সম্পর্কে যা এসেছে" নামে। ওই অধ্যায়ের হাদিসও দিলাম একদম নিচে দেখুন। দেখুন সাহাবায়ে কেরাম হুজুর রাসূলুল্লাহ ﷺর জন্মবৃত্তান্ত অর্থ্যাৎ মিলাদুন্নবী নিয়ে আলোচনা করতেন কীনা! এরকম অসংখ্য হাদিস এসেছে হাদিস, সিরত, দালায়েলু ন্নুবুয়্যাহ, শামাইল এবং তাবাকাত এর কিতাবে সনদসহ। এসবের প্রাতিষ্ঠানিক রুপ হচ্ছে ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উদযাপন, এখন আমরা যা করছি।
সাহাবায়ে কেরাম সুন্নাহ শুনেছেন, দেখেছেন কিন্তু সুন্নাহ স্টাডির প্রাতিষ্ঠানিক রুপ তখন ছিল না। পরবর্তীতে মাদ্রাসা সিস্টেমে সেটা হয়েছে " উলুমুল হাদিস" নামে। তাফসির শুনেছেন কিন্তু তা প্রাতিষ্ঠানিক রুপ পায়নি, পরে এটা প্রাতিষ্ঠানিক রুপ পায় "ইলমুত তাফসির" নামে। সাহাবায়ে কেরামের যুগে ইলমুত তাফসির নামে আলাদা কোন সাব্জেক্ট ছিল না। শ্রেষ্ঠ মুফাসসির হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. এঁর জন্য নবি করিম ﷺ এই বলে দোয়া করেছেন, "আল্লাহুম্মা আল্লিমহুত তা'ভিল, ওয়া ফাককিহহু ফিদ্দিন"। কুরআন মাজিদের তাভিল শিক্ষা দেয়ার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেছেন, দ্বীনের বুঝ দেয়ার জন্য দোয়া করেছেন। এই তাভিলই পরে হয় তাফসির শাস্ত্র। অর্থ কুরআন মাজিদের ব্যাখ্যা। দ্বীনের গভীর বুঝ হয় ইলমুল ফিকহ।
প্রিয়নবীﷺ ও সাহাবায়ে কেরামের যুগে অপ্রাতিষ্ঠানিকভাবে আত্মশুদ্ধি চর্চা শাস্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক নাম হয় অনেক পরে ইলমুত তাসাউউফ। এভাবে শত বিষয় বলতে পারব যা অপ্রাতিষ্ঠানিকভাবে হুজুর রাসূলুল্লাহ ﷺ এবং সাহাবায়ে কেরামের যুগে প্রচলিত ছিল যা পরবর্তীতে প্রাতিষ্ঠানিক নাম ও রুপ পায়। নামে কী আসে যায়? সেক্সপিয়ার বলেছিলেন। আর আরবে বলে, লা মুশাহহাতা ফিল ইসতিলাহ। কোন নামে কী হচ্ছে তাতে কী আসে যায়! যে নামেই হোক কাজ কী করা হচ্ছে সেই নামের আড়ালে, সেটাই মূল বিষয়। হারাম কাজকর্ম দ্বারা যদি কেউ ঈদে মিলাদুন্নবী মাহফিল করে তবে তা সর্বোতভাবে হারাম। নারী পুরুষ একত্রিত হয়ে খেমটা নাচ ও গান বাজনা উদাহরণস্বরূপ। অথবা ডিজে পার্টি, হিন্দি গান যদি বাজে। মায়াজাল্লাহ।
এটা তো কমনসেন্স। কে এগুলোকে জায়েজ বলবে?
কিন্তু কুরআন মাজিদের তিলাওয়াত, হুজুর রাসূলুল্লাহ ﷺর শান-মান, প্রশংসা, মুহাব্বাত, সুন্নাহ, আদর্শ, শিক্ষা, বৈশিষ্ট্য, গঠন ইত্যাদি আলোচনা, দরুদ ও সালাম পাঠ, নাতে রাসূল পাঠ, জিকির, মানুষকে খাবার খাওয়ানো এই কাজগুলো যা আমরা ঈদে মিলাদুন্নবী মাহফিলে করে থাকি। এই সবগুলো কাজের পক্ষে আলাদা আলাদাভাবে সহিহ হাদিস ও সাহাবায়ে কেরামের আমল আছে। এখানে কোন কাজটা হারাম? কোনোটাই না।
এখন বলবেন, আলোকসজ্জা, গেইট, তোরণ, জশনে জুলুসের র্যালী ইত্যাদি কোথা থেকে এলো? আমাদের বুঝা দরকার এই কাজগুলো কোনো ইবাদাত না। এগুলো হচ্ছে সাকাফাত বা সংস্কৃতি। রমাদানে আরবের প্রায় সব দেশে সাজসজ্জা হয়। এগুলো কী ইবাদাত নাকি যে আমরা বেদাতের ফতোয়া দেব? ইবাদাত ও সাকাফাতের পার্থক্যটা আমরা খুব কম মানুষই বুঝি। ইবাদাত ও সওয়াব লাভের আশায় কোনো কিছু করা হলে যার কোনো অস্তিত্বই ইসলামে নাই, কুরআন সুন্নাহের বিপরীত এমন কাজ বেদাতে সায়্যিয়াহ বা খারাপ পথভ্রষ্ট বেদাত যা পরিত্যাজ্য।
আজ ৯০% মুসলমানের এই দেশে হিন্দু দেবতাদের নামে র্যালী হয়, আলোকসজ্জা, গেইট, তোরণ ইত্যাদি নির্মাণের মাধ্যমে পৌত্তিলিকতাকে প্রমোট করা হচ্ছে৷ অবশ্যই এটা তাদের ধর্মীয় ও নাগরিক অধিকার। আমরা কোনভাবেই এগুলোতে বাঁধা দিতে পারি না সেকুলার এই বাংলাদেশে। আমরা অহিংসার পক্ষে ১০০%৷ সকল ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পক্ষে আমরা।
কিন্তু ৯০% মুসলমানের দেশে আমরা কেন আমার নবীর নামকে উর্ধ্বে তুলে ধরতে পারব না? যিনি সায়্যিদুল মুরসালিন, রাহমাতুল্লিল আলামিন। সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মাধ্যমে আমাদের ইয়াং জেনারেশনকে বিপথগামী করছে অন্য ধর্ম ও মতের মানুষেরা। আমরা মুবাহ জায়েজ এমন বিকল্প কালচার ও সংস্কৃতি না দেয়ার কারণে এরা এখন স্বরসতী পুজা, দূর্গা পূজা, কালি পূজা ইত্যাদিকে জাতীয় উৎসব মনে করে পালন করছে। পহেলা বৈশাখে হাতি পেঁচা ইত্যাদি নিয়ে মংগল শোভাযাত্রা করে। হুজুর রাসূলুল্লাহ ﷺর পরিবর্তে মায়াজাল্লাহ বলতেও কেমন লাগে, মেসি, রোনালদো নায়ক গায়ককে আইডিওলাইজ করছে আমাদের ইয়াং জেনারেশন। কাকে আইকন হিসেবে দেখার কথা আর কাকে দেখছে তারা! কেন হচ্ছে এসব? চিন্তা করুন।
কাজেই মিলাদুন্নবী, শবে বরাত, শবে মেরাজ, ওরস ফাতেহা ইত্যাদি আরো জৌলুসপূর্ণভাবে করা দরকার আমাদের আবহমান সংস্কৃতির অংশ হিসেবে। এগুলোর সবকিছু সওয়াব ও ইবাদাতের নিয়তে হয় না। সময়ের বিশেষ প্রয়োজনে হয়।
সূরা ইউনুসের ৫৮ নং আয়াত, সূরা দোহার সর্বশেষ আয়াত, সূরা আম্বিয়ার ১০৭ নং, মায়েদার ১১৪, আলে ইমরানের ১৬৪ ও ৮১ নং আয়াতসহ আরো বহু আয়াত দিয়ে আমি দলিল দিতে পারি ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺউদযাপনের পক্ষে। সেদিকে আমি যাব না। মদিনা শরিফে নবী করিম ﷺযখন পৌঁছান তখন সকল মদিনাবাসী "তালায়া'ল বাদরু আ'লাইনা" গেয়ে দফের তালে তালে হুজুর রাসূলুল্লাহ ﷺ কে বরণ করে নিয়েছেন জুলুস বা র্যালী করে যা মুসলিম শরিফেও এসেছে সংক্ষেপে আনাস বিন মালিক রা. থেকে৷ সেদিন হাজার হাজার মদিনাবাসীর জবানে ছিল " ইয়া মুহাম্মদ ইয়া রাসূলাল্লাহ" এই স্লোগান (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭০০১)! সিরতের সবচাইতে নির্ভরযোগ্য কিতাব সিরতে ইবনে ইসহাক ও সিরতে ইবনে হিশামের গ্রহণযোগ্য বর্ণনা, হজরত ওমর ফারুক রা. ও সায়্যিদুশ শুহাদা আমির হামজা রা. ইসলাম গ্রহণের পর তাঁদের দুজনকে সামনে রেখে, অর্থ্যাৎ সাহাবায়ে কেরামের দুইভাগের নেতৃত্বে দুজনকে রেখে নবী করিম ﷺ র্যালী বা মিছিল করে ইসলামের প্রথম অনানুষ্ঠানিক মাদ্রাসা বা খানকা "দারুল আরকাম" থেকে কা'বা শরিফ পর্যন্ত গিয়ে প্রকাশ্যে নামাজ আদায় করেছেন, প্রথমবারের মত সবাইকে নিয়ে জামায়াতের সাথে। এসব দলিল আমি দিচ্ছি না। বরং আমি বলছি এসব আমাদের সংস্কৃতি। এসব প্রয়োজন। কখন কী নামে শুরু হল তা বিষয় না।
কাইস ইবনু মাখরামা রা. থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি ও রাসূলুল্লাহ ﷺহস্তী বছরে (আবরাহার বাহিনী ধ্বংসের বছর) জন্মগ্রহণ করি। তিনি বলেন, ইয়াসার ইবনু লাইস গোত্রীয় কুবাস ইবনু আশইয়ামকে উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) প্রশ্ন করেন, আপনি বড় নাকি রাসূলুল্লাহ ﷺ? তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ আমার চাইতে অনেক বড়, তবে আমি তাঁর আগে জন্মগ্রহণ করি। রাসূলুল্লাহ ﷺহাতীর বছর জন্ম গ্রহণ করেছেন। আমার মা আমাকে এমন জায়গায় নিয়ে গেলেন যেখানে গিয়ে আমি পাখিগুলোর (হাতিগুলোর) মলের রং সবুজে বদল হয়ে যেতে দেখেছি।
জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ৩৬১৯
কৃতঃ সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া আজহারী
20/08/2024
০১৬৭৬০৮৫৮০০
20/08/2024
গেঞ্জি বিক্রি হচ্ছে, ভৈরব হাটে
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Road/1
Dhaka