Setara Cosmetics

Setara Cosmetics

Share

100% Original product.

Photos from Setara Cosmetics's post 21/08/2026

স্কিন কেয়ার,, হেয়ার কেয়ারের সম্পূণ সমাধান।

21/08/2026

«না কয়ি আপ জেচা হুগা না কয়ি আপ জেচাথা,»

আপনার উম্মত হতে পেরে আমি গর্বিত, ইয়া রাসুলুল্লাহ🦋"صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْہ وَآلہ وَسَــــلَّـمْ(ﷺ)"🦋 হাশরের ময়দানে আপনার শাফায়াত নসিব করুন...

আমিন ইয়্যা রব্বুল আলামীন 🤲

19/08/2026

হক কেড়ে নেওয়া যায় কিন্তু ভাগ্য না।
*হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল*
আমার খুব পছন্দের লাইন আমি মন থেকে এটা বিশ্বাস করি।

18/08/2026
12/08/2026

ত্বর্ক ফর্সাও উজ্জ্বল করে

08/08/2026

হৃদিতা তার ল্যাপটপের স্ক্রিনে তীব্র গতিতে টাইপ করে যাচ্ছিল। তার সোশ্যাল মিডিয়া পেজে লাখো অনুসারী। সে নিজেকে আধুনিক, সেকুলার এবং প্রগতিশীল দাবি করতে গর্ববোধ করে। পর্দাপ্রথা, হিজাব আর শরিয়া আইনের বিরুদ্ধে বিষোদগার করা ছিল তার প্রতিদিনের রুটিন। তথাকথিত কিছু মুক্তমনা ও ইসলামবিদ্বেষী লেখকের যুক্তিহীন ভিডিও দেখে সে ইসলামকে একটি প্রাচীন ও অন্ধকার ব্যবস্থা মনে করে। খিলাফা বা আল্লাহর আইনের কথা শুনলেই তার শরীর রি রি করে উঠে।

আজ রাতেও সে হিজাবের বিরুদ্ধে একটি অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ প্রবন্ধ লিখে পোস্ট করল। নিচে কমেন্টে কেউ একজন লিখল, "বোন, আল্লাহকে ভয় করো, একদিন তো কবরে যেতে হবে।" হৃদিতা হেসে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করল খানিকক্ষণ। সে ফিরতি কমেন্টে লিখল, "কবর বিজ্ঞানসম্মত নয়, মৃত্যুর পর সব শেষ।"

ঠিক তখনই তার বুকের ভেতর একটা তীব্র মোচড় দিয়ে উঠল।
*
হৃদিতার মনে হলো তার ফুসফুস থেকে সব বাতাস কেউ ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের মতো টেনে বের করে নিচ্ছে। সে খাট থেকে মেঝেতে পড়ে গেল। তার চোখ দুটো বেরিয়ে আসার উপক্রম হলো। সে চিৎকার করতে চাইল, কিন্তু গলা দিয়ে কোনো আওয়াজ বের হলো না।

হঠাৎ ঘরের ছাদ ভেদ করে কুৎসিত, কালো এবং ভয়ঙ্কর আকৃতির কয়েকজন সত্ত্বা নেমে এলো। তাদের শরীর থেকে পচা লাশের তীব্র দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। হৃদিতা বুঝতে পারল, এরা রহমতের ফেরেশতা নয়, এরা আযাবের ফেরেশতা। কারণ সে এদের সম্পর্কে পড়েছে বহুবার। তাদের হাতে ছিল জাহান্নামের চট বা দুর্গন্ধযুক্ত কাফন।

একজন ফেরেশতা অত্যন্ত কর্কশ ও বজ্রকণ্ঠে চিৎকার করে বলল, "হে খবীস আত্মা! বের হয়ে আয় তোর প্রতিপালকের ক্রোধ এবং অসন্তুষ্টির দিকে!"

হৃদিতার আত্মা তখন তার শরীরের ভেতর দিক-বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে এদিক-অদিক পালাতে লাগল। ফেরেশতারা তার শরীরের সমস্ত শিরা-উপশিরা ছিঁড়ে, অত্যন্ত নির্মমভাবে তার আত্মাকে শরীর থেকে টেনে বের করতে লাগল। জীবিত মানুষের শরীর থেকে চামড়া ছিলে ফেলার চেয়েও কোটি গুণ বেশি যন্ত্রণায় হৃদিতার নিথর দেহটি মেঝেতে ছটফট করতে লাগল কই মাছের মতো। তার চোখ দুটো অবশ হয়ে ওপরের দিকে স্থির হয়ে গেল। বিজ্ঞান বা সেকুলারিজম-কোনো কিছুই তার শেষ মুহূর্তের শ্বাসরোধকারী ভয়ঙ্কর কষ্টকে এক সেকেন্ডের জন্যও কমাতে পারল না।
*

দাফন শেষে আত্মীয়-স্বজনরা যখন একে একে বিদায় নিচ্ছে, হৃদিতা তাদের জুতার শব্দ পরিষ্কার শুনতে পাচ্ছে। সে বুঝতে পারল, সে এক অন্ধকার, নিশ্ছিদ্র ঘরে বন্দি। মাটির দেয়ালগুলো তাকে চারপাশ থেকে প্রচণ্ড শক্তিতে চাপ দিতে শুরু করল। সেই চাপের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে, হৃদিতার বাম পাশের পাজরের হাড়গুলো ভেঙে ডান পাশে এবং ডান পাশের হাড়গুলো ভেঙে বাম পাশে ঢুকে গেল। সে যন্ত্রণায় চিৎকার করে উঠল, কিন্তু সেই চিৎকার শোনার মতো কেউ ছিল না।

হঠাৎ কবর কাঁপিয়ে দুজন ভয়ঙ্কর ফেরেশতা-মুনকার ও নাকির অবতীর্ণ হলেন। তাদের গায়ের রঙ ছিল কুচকুচে কালো, চোখ দুটো নীল আগুনের মতো জ্বলছিল এবং কণ্ঠস্বর ছিল মেঘের গর্জনের মতো। তারা হৃদিতার আত্মাকে ধাক্কা দিয়ে বসিয়ে দিলেন এবং অত্যন্ত ক্রুদ্ধ স্বরে প্রথম প্রশ্ন করলেন, "তোমার রব কে?"
হৃদিতা কাঁপতে কাঁপতে বলল, "হায়! আফসোস! আমি তো জানি না!"
— "তোমার দ্বীন কী?"
হৃদিতা বিড়বিড় করল, "আমি বলতে পারছি না, আমি সেকুলার ছিলাম!"

ফেরেশতারা গর্জন করে উঠলেন, "তুমিও জানতে না, জানার চেষ্টাও করোনি! তোমার কাছে কী কোনোভাবেই সত্য আসেনি?"

তক্ষণাৎ আকাশ থেকে একটি ঘোষণা এলো, "ওর জন্য জাহান্নামের বিছানা বিছিয়ে দাও এবং জাহান্নামের দিকে একটি দরজা খুলে দাও!"
*
মুহূর্তের মধ্যে হৃদিতার পুরো কবরটি জাহান্নামের লেলিহান আগুনে দাউদাউ করে জ্বলে উঠল। সেই আগুনের উত্তাপ দুনিয়ার আগুনের চেয়ে সত্তর গুণ বেশি তীব্র। আগুনের হলকায় তার কাফনের কাপড় পুড়ে ছাই হয়ে গেল এবং তার চামড়া গলে গলে পড়তে লাগল।

ঠিক তখনই অন্ধকারের ভেতর থেকে হিসহিস শব্দ শোনা গেল। হৃদিতা চোখ মেলে আতঙ্কে জমে গেল। তার দিকে ধেয়ে আসছে 'শুজাউল আকরা'—এক বিশাল, লোমহীন ও ভয়ঙ্কর বিষাক্ত সাপ। তার চোখ দুটো আগুনের তৈরি এবং তার বিষের তীব্রতা এত বেশি যে, তা দুনিয়ায় এক ফোঁটা পড়লে চিরকালের জন্য সমস্ত উদ্ভিদ ধ্বংস হয়ে যেত।

সাপটি তার বিষাক্ত ফণা তুলে হৃদিতার জিব ও বুকে দংশন করতে শুরু করল। প্রতিবার দংশনের সাথে সাথে হৃদিতা বিষের তীব্র জ্বালায় মাটির নিচে লাফাচ্ছিল, কিন্তু পালানোর কোনো পথ ছিল না। পর্দা ও হিজাবকে অবজ্ঞা করার অপরাধে, নিজে পর্দা না করার অপরাধে বিষাক্ত সাপগুলো তার পুরো শরীরকে পেঁচিয়ে ধরে মাংস খুবলে খেতে লাগল।
*
এরপর একজন অন্ধ ও বধির ফেরেশতা তার সামনে এসে দাঁড়াল, যার হাতে ছিল এক বিশাল লোহার হাতুড়ি। হাতুড়িটি এত ভারী ছিল যে, দুনিয়ার সব মানুষ মিলেও তা এক ইঞ্চি নাড়াতে পারত না।

ফেরেশতাটি কোনো দয়ামায়া ছাড়াই পূর্ণ শক্তিতে সেই হাতুড়ি দিয়ে হৃদিতার মাথায় এক প্রচণ্ড আঘাত করল। হাতুড়ির সেই এক বাড়িতে হৃদিতার মাথা ও পুরো শরীর চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে মাটির সাথে মিশে গেল। কিন্তু পরক্ষণেই তাকে আবার আগের রূপে ফিরিয়ে আনা হলো, যাতে সে পুনরায় আযাব ভোগ করতে পারে।

ফেরেশতাটি আবার হাতুড়ি তুলল।
এই আযাব কেয়ামত পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলতে থাকবে। দুনিয়ার বুকে যে মেয়েটি ইসলামকে অন্ধকার যুগ বলে উপহাস করেছিল, আজ সে নিজেই এক অনন্ত ও অন্তহীন অন্ধকারের আযাবে নিমজ্জিত হলো...©♠️

06/08/2026

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka