Mafi Online Shop
Hello Friend thanks for visit my page. please like comment and share my page
বিখ্যাত তাবেয়ী হযরত হাসান বসরি (রহ.)-এর হাতে 'আব্বাস' নামের এক যুবক তওবা করেছিল। কিন্তু সে ছিল দুর্বলচিত্তের। সে তওবা করত, আবার গুনাহে লিপ্ত হতো। এভাবে সে সত্তর বারের অধিক তওবা করেছে এবং প্রতিবারই তা ভঙ্গ করেছে।
জীবনের শেষ মুহূর্তে যখন তার মৃত্যু ঘনিয়ে এল, সে তার মাকে বলল,
মা! দয়া করে হযরত হাসান বসরি রহ. এর কাছে যাও। তাকে আমার কাছে নিয়ে এসো, যাতে আমি শেষবারের মতো তার হাতে তওবা করতে পারি। হয়তো আল্লাহ আমাকে মাফ করবেন। বৃদ্ধা মা হাসান বসরি রহ. এর কাছে গেলেন এবং সালাম দিয়ে বললেন, "আমি আব্বাসের মা। আমার ছেলে মুমূর্ষু অবস্থায় আছে। সে আপনার হাতে তওবা নবায়ন করতে চায়।
হযরত হাসান বসরি (রহ.) ভাবলেন, বারবার তওবা ভাঙলে মানুষের মনে পাপের প্রতি ভয় কমে যায়। তাই তিনি তাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য এবং তার মনে সত্যিকার অনুশোচনা জাগানোর জন্য কঠোরতা দেখালেন। তিনি বললেন: "যাও, এমন লোকের আমার কোনো প্রয়োজন নেই, যে বারবার তওবা করে আর তা ভাঙে।"
মা কাঁদতে কাঁদতে ফিরে এসে ছেলেকে জানালেন, বাবা! তোমার খারাপ কাজের কারণে শায়খ আসতে রাজি হননি।"
এ কথা শুনে আব্বাস আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করল, হে আমার ইলাহ! হে আমার মাওলা! শায়খ (হযরত হাসান বসরি রহ.) আমাকে তাড়িয়ে দিয়েছেন, কিন্তু তুমি আমাকে তাড়িয়ে দিও না। তুমি আমার আশা ভেঙো না।
সে মাকে বলল, মা! আমি মারা গেলে তুমি আমার কপালে পা রেখো এবং আমার গলায় রশি বেঁধে আমাকে বাজারের রাস্তায় টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যেও। আর বলবে, যে আল্লাহর অবাধ্য হয়, তার শাস্তি এটাই।' হয়তো আল্লাহ আমার এই অপমান দেখে দয়া করবেন। এ কথা বলেই আব্বাস ইন্তেকাল করল।
মা যখন তার কপালে পা রাখতে উদ্যত হলেন, তখন তিনি যেন একটি আওয়াজ শুনতে পেলেন, থামো! সিজদার জায়গায় (কপালে) পা রেখো না। জেনে রেখো, আল্লাহ তা'আলা তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং জা-হান্নাম থেকে মুক্তি দিয়েছেন। মা খুশি হয়ে তাকে গোসল দিয়ে দাফন করলেন। সেদিন রাতে হযরত হাসান বসরি (রহ.) এক আশ্চর্য স্বপ্ন দেখলেন। কেউ তাঁকে বলছেন,
হে হাসান! তোমাকে কিসে বাধ্য করল আমার বান্দাকে আমার রহমত থেকে নিরাশ করতে? আমিই তো তাকে সৃষ্টি করেছি এবং আমার রহমত সব কিছুকে ঘিরে আছে। আমার ইজ্জতের কসম! ভবিষ্যতে আর কখনো এমন করলে তোমাকেও ছাড় দেয়া হবে না।
আল্লাহর রহমত মানুষের ধারণার চেয়েও বিশাল। কোনো পাপী বারবার তওবা ভাঙলেও তাকে নিরাশ করা উচিত নয়। আল্লাহ আমাদের সকলের গুনাহ ক্ষমা করে দিন। আমিন
গোপন পাপ কিভাবে ছাড়বেন?
আর সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপারটা জানেন?
এই গোপন পাপগুলো চিৎকার করে আসে না, নীরবে আসে, ধীরে ধীরে আপনার ঈমান, শান্তি, আত্মসম্মান সবকিছু খেয়ে ফেলে। আপনি টেরই পান না—কখন আপনি ভেতর থেকে ফাঁকা হয়ে গেছেন। কিন্তু একটা প্রশ্ন—যখন কেউ দেখছে না… তখন কি সত্যিই কেউ দেখছে না?
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সতর্ক করেছেন—
কিছু মানুষ এমন হবে, যারা গোপনে পাপ করবে,
আর সেই গোপন পাপ তাদের সব নেক আমলকে নষ্ট করে দেবে।
ভাবুন—আপনি নামাজ পড়ছেন, ভালো কাজ করছেন…কিন্তু এমন কিছু গোপন অভ্যাস আছে—যা নীরবে সবকিছু ধ্বংস করে দিচ্ছে। আজকের এই লেখাটা আপনার জন্য—
যদি আপনি সত্যিই বদলাতে চান…যদি আপনি এই অন্ধকার থেকে বের হতে চান
কারণ—
গোপন পাপ যেমন নীরবে মানুষকে ধ্বংস করে,
তেমনি গোপন তওবাই পারে—একজন মানুষকে আবার নতুন করে গড়ে তুলতে।
তাহলে কিভাবে ছাড়বেন?
১নিজেকে একা ভাববেন না, যখন আপনি একা—তখনও আল্লাহ আপনাকে দেখছেন। এই অনুভূতিটা জাগ্রত করুন।
২ গুনাহের আগে থামুন—একটু ভাবুন
এই কাজটা করলে আল্লাহ খুশি হবেন? এই একটি প্রশ্ন অনেক গুনাহ থামিয়ে দিতে পারে।
৩ সঙ্গে সঙ্গে তওবা করুন। গুনাহ হয়ে গেলে হতাশ হবেন না। বলুন: আস্তাগফিরুল্লাহ, আন্তরিকভাবে ক্ষমা চান
৪ ট্রিগারগুলো চিনে ফেলুন
কোন সময়ে, কোন অবস্থায় আপনি গুনাহে জড়ান?
একা থাকলে? ফোন ব্যবহার করলে? নির্দিষ্ট কিছু কনটেন্ট দেখলে? এই জায়গাগুলো এড়িয়ে চলুন।
৫ নিজেকে ব্যস্ত রাখুন
ফাঁকা সময়ই গুনাহের সবচেয়ে বড় সুযোগ।
কুরআন পড়ুন, ভালো কাজ করুন, পরিবার/বন্ধুদের সাথে থাকুন
৬ রাতের নামাজ (তাহাজ্জুদ)
রাতের নির্জনে আল্লাহকে বলুন—হে আল্লাহ, আমি এই গুনাহ ছাড়তে চাই, আমাকে সাহায্য করুন, এই কান্না কখনো বৃথা যায় না।
আপনি যদি গোপনে গুনাহ করতে পারেন—তাহলে গোপনেই ভালো কাজও করতে পারেন। কেউ না দেখলে ২ রাকাত নামাজ পড়ুন। কেউ না জানলে দান করুন
আল্লাহ সেটা দেখছেন।
শেষ কথা, গুনাহ করা মানুষ হওয়ার অংশ—কিন্তু গুনাহে থেকে যাওয়া… সেটাই আসল সমস্যা। আজই সিদ্ধান্ত নিন—আপনি কি সত্যিই এই গোপন পাপ ছাড়তে চান?
কমেন্টে লিখুন— “আমি বদলাতে চাই
বিপদের সময় নবীজি (সা.) যে দোয়া পড়তেন জেনে রাখুন
জীবনে বিপদ, দুশ্চিন্তা ও কঠিন সময় আসবেই। কিন্তু একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সে জানে, বিপদের মুহূর্তে তার একজন রব আছেন, যিনি সবকিছুর মালিক।
রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনেও অনেক কঠিন পরীক্ষা এসেছে। তবুও তিনি কখনো হতাশ হননি; বরং সবসময় আল্লাহর দিকে ফিরে গেছেন এবং দোয়ার মাধ্যমে সাহায্য চেয়েছেন।
বিপদের সময় রাসূল (সা.) এই দোয়াটি পড়তেন—
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَرَبُّ الْأَرْضِ وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল আযীমুল হালীম, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রব্বুল আরশিল আযীম, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু রব্বুস সামাওয়াতি ওয়া রব্বুল আরদি ওয়া রব্বুল আরশিল কারীম।
অর্থ: মহান ও সহনশীল আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। মহান আরশের রব আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আসমানসমূহ, জমিন ও সম্মানিত আরশের রব আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।
হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, কঠিন বিপদের সময় রাসূল (সা.) এই দোয়া পড়তেন।
একবার হযরত ইউনুস (আ.)-এর ঘটনা স্মরণ করুন। তিনি যখন মাছের পেটে অন্ধকারের মধ্যে ছিলেন, তখন তিনি আল্লাহর কাছে কান্নাভরা কণ্ঠে বলেছিলেন—
لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জালিমীন।
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আপনি পবিত্র, নিশ্চয়ই আমি ভুলকারীদের একজন ছিলাম। এই দোয়ার বরকতে আল্লাহ তাআলা তাঁকে বিপদ থেকে উদ্ধার করেছিলেন।
আরেকটি ঘটনা, মক্কার জীবনে রাসূল (সা.) ও সাহাবিদের ওপর যখন নির্যাতন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছিল, তখন সাহাবায়ে কেরাম কষ্টের মধ্যেও আল্লাহর ওপর ভরসা রাখতেন। হযরত খাব্বাব ইবনে আরাত (রা.) একদিন রাসূল (সা.)-এর কাছে এসে অত্যাচারের কথা তুলে ধরলে তিনি ধৈর্য ধরতে বলেন এবং আল্লাহর সাহায্য আসবে বলে সুসংবাদ দেন।
এগুলো আমাদের শেখায়, বিপদ মানেই আল্লাহ আমাদের ছেড়ে দিয়েছেন এমন নয়, বরং অনেক সময় বিপদ আসে আমাদের ঈমান আরও শক্ত করার জন্য। আল্লাহ তাআলা আমাদের সব বিপদ থেকে হেফাজত করুন। আমিন।
🥭🥭হাড়িভাঙ্গা আমে ভরপুর, আমাদের পদাগঞ্জ রংপুর । 🥭🥭
আম শেষ হওয়ার আগে অর্ডার করুন ইনবক্সে নক দিন। ধন্যবাদ
22/06/2025
🥭🥭 রংপুরের হাড়িভাঙ্গা আম 🥭🥭
👉 আপনার ফ্যামিলির জন্য সরাসরি বাগান থেকে বিষমুক্ত এবং কার্বাইড মুক্ত ফ্রেশ আম অর্ডার করুন
1️⃣ আপনার হাতে পৌঁছানোর আগে আম নষ্ট হলে টাকা রিটার্ন।
2️⃣ সম্পুর্ন কার্বাইড এবং বিষমুক্ত গার্ডেন ফ্রেশ আম।
3️⃣ শতভাগ নিরাপদ গার্ডেন ফ্রেশ আম।
4️⃣ জেলা শহর গুলোতে পাবেন হোম ডেলিভারির সুবিধা।
5️⃣ উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা সদরের কুরিয়ার হাব থেকে রিসিভ করতে হবে।
✅ অর্ডার করতে ক্লিক করুন
21/06/2025
আলহামদুলিল্লাহ
আজকের অর্ডার
🥭🥭🥭
🥭🥭আলহামদুলিল্লাহ যারা অর্ডার করেছে তাদের জন্য আম ছেড়া হচ্ছে।🥭🥭
🥭🥭🥭ইনশাআল্লাহ দ্রুত আপনাদের বাসায় পৌঁছে যাবে 🥭🥭🥭
💯🏡Cash On Home Delivery💯🏡
(আগে আম পরে টাকা)
🥭 আমের সাইজ ৩-৪ টায় কেজি হবে ইনশাআল্লাহ।
🥭আমরা সবসময় কেমিক্যাল মুক্ত ফ্রেশ আম বাগান থেকে সংগ্রহ করে পাঠিয়ে দিয়ে আপনার ঠিকানায়।
☎️মোবাইল 01773279216 (WhatsApp)
🥭অর্ডার করতে এখনি ইনবক্স করুন।
🥭 মিনিমাম অর্ডার ১২ কেজি।
20/06/2025
আসসালামু আলাইকুম।
🥭🥭🥭🥭 বাংলাদেশের সব থেকে সুমিষ্ট ও সুস্বাদু রংপুরের হাড়িভাঙ্গা আমের অর্ডার নেওয়া শুরু হয়েছে। 🥭🥭
📢ব্যবসার উদ্দেশ্যে আম নিতে পারবেন। 📢
📌 খুচরা আম কিনতে পারবেন।
👉সাশ্রয়ী মূল্যে ফরমালিন মুক্ত আম সরাসরি বাগান থেকে পৌঁছে দিবো আপনার হাতে!
🚫 বাজার থেকে টাকা দিয়ে ফরমালিন ও জীবাণুযুক্ত বিষ না কিনে নির্দ্বিধায়অর্ডার করুন।
📦সর্বনিম্ন অর্ডারকৃত আমের পরিমাণঃ ১০ কেজি অর্ডার করা যাবে।
অর্ডার করতে ইনবক্স করুন 📩
--------------------------
📝ইনবক্সে উল্লেখ করুনঃ
📝আপনার নাম
📝 অর্ডারকৃত আমের পরিমাণ
📝মোবাইল নাম্বার
📝 ঠিকানা
-------------------------
☎️ বিস্তারিত জানতে কল করুনঃ👉 what's up 01773279216
📥আপনার অর্ডার কনফার্ম করার জন্য
বিকাশ /নগদ/রকেট এর মাধ্যমে, প্রোডাক্ট মুল্যে অগ্রীম পরিশোধ করতে হবে।
🟢বিকাশ/নগদ/রকেট নম্বরঃ 01315732202
প্যাকেজ প্রসেসিং :
--------------------------
✅ পেমেন্ট কনফার্ম হওয়ার সাথে সাথে বাগান থেকে আম নামিয়ে অর্ডারকৃত প্যাকেজটি তৈরি করা হয়
✅ অর্ডার কনফার্ম করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমের ক্যারেট পৌঁছে যাবে আপনার নিকটবর্তী কুরিয়ারে। কুরিয়ার থেকে আপনাকে জানাবে সেখান থেকে ডেলিভারি নিতে হবে।
👉🔥যেহেতু আমার বাসা হাড়িভাংগা আমের জন্মস্থানে অর্থাৎ অরজিনাল জায়গার ছেলে সেহেতু অরজিনাল হাড়িভাংগা আম নিয়ে নিশ্চিত থাকতে পারেন..আম পৌছে যাবে আপনার দরজায়
👉♥️তাই দেরি না করেই অর্ডার করে ফেলুন।
🛑বিঃ দ্রঃ আমের বাজার প্রতিদিনই কম
বেশি হয়ে থাকে। তাই বাজার অনুযায়ী
আমের মূল্য কম-বেশি হতে পারে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka