Lazy me

Lazy me

Share

Simple Girl with her lazy lifestyle

20/07/2026
20/07/2026

বাসায় থাকা ছোটখাটো জিনিস দিয়েও বাচ্চাদের জন্য দারুণ শিক্ষণীয় খেলার ব্যবস্থা করা যায়। 🧩
এ ধরনের খেলায় বাচ্চাদের ফাইন মোটর স্কিল উন্নত হয়, হাতের গ্রিপিং, পিকিং, হ্যান্ড-আই কো-অর্ডিনেশন এবং মনোযোগ বাড়ে। ভিডিওতে আমি যে জিনিসগুলো দেখিয়েছি, সেগুলোর বেশিরভাগই আমাদের প্রতিদিনের ঘরেই থাকে।
তাই নতুন খেলনা কেনার আগে ঘরের নিরাপদ ছোটখাটো জিনিসগুলো বড়দের পর্যবেক্ষণে বাচ্চাকে খেলতে দিন। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে এসব সাধারণ জিনিসই বাচ্চার ফাইন মোটর স্কিল ও শেখার দক্ষতা বাড়াতে দারুণ ভূমিকা রাখে। 💛

19/07/2026

বাচ্চাকে ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন ধরনের রং ব্যবহার করার সুযোগ করে দিন। রং পেন্সিল, জলরং, প্যাস্টেল বা স্কেচ পেন—যেটাই হোক না কেন, ওদের হাতে তুলে দিন।
প্রতিটি শিশুই নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা ও সৃজনশীলতা নিয়ে জন্মায়। যত বেশি তারা বিভিন্ন রংয়ের সঙ্গে পরিচিত হবে, ততই তাদের কল্পনাশক্তি, সৃজনশীলতা, হাতের দক্ষতা এবং সূক্ষ্ম মোটর স্কিল (Fine Motor Skills) বিকশিত হবে।
তাই প্রতিদিন কিছুটা সময় বাচ্চাকে ছবি আঁকা বা রং করার সুযোগ দিন। এতে তারা আনন্দের সঙ্গে নতুন কিছু শিখবে, মনোযোগ বাড়বে এবং একই সঙ্গে স্ক্রিন টাইমও অনেকটাই কমে আসবে। খেলতে খেলতে শেখার এই অভ্যাসই শিশুর সার্বিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

16/07/2026

বাচ্চাকে কখনোই জোর করে পড়াশোনা করাবেন না। এতে পড়াশোনার প্রতি ভয় বা অনাগ্রহ তৈরি হতে পারে। বরং খেলাধুলার পাশাপাশি এডুকেশনাল টয়, গল্পের বই এবং বয়স উপযোগী শিক্ষামূলক ভিডিওর মাধ্যমে শেখার পরিবেশ তৈরি করুন। এতে শেখাটা বাচ্চাদের কাছে আনন্দের হয়ে ওঠে।

একজন মা এবং একজন নার্সারি ক্লাস টিচার হিসেবে আমি একটি বিষয় খুব ভালোভাবে বুঝেছি—প্রতিটি শিশুই আলাদা। তাই একেকটি বাচ্চার শেখার ধরনও একেক রকম। তাদের ওপর চাপ না দিয়ে, তাদের স্বভাব ও আগ্রহ বুঝে শেখাতে হবে।

মনে রাখবেন, ছোট বাচ্চারা স্কুলে মাত্র দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় থাকে। বাকি সময় তারা পরিবারের কাছ থেকেই সবচেয়ে বেশি শেখে। তাই একটি শিশুর সুন্দর বিকাশের জন্য বাসার পরিবেশ, মা-বাবার আচরণ এবং পারিবারিক শিক্ষার ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আর ছোট থেকেই বাচ্চাকে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যান, নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিন এবং নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ দিন। এতে ভবিষ্যতে নতুন স্কুল বা নতুন পরিবেশে তারা আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবে।

16/07/2026

বাচ্চাকে ছোট থেকেই বই, খাতা ও পেনসিলের সঙ্গে পরিচিত করুন। খেলতে খেলতেই যদি এগুলোর সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়, তাহলে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহও ধীরে ধীরে তৈরি হবে। ভবিষ্যতে স্কুলের পড়াশোনার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াও তাদের জন্য অনেক সহজ হবে।
তবে পড়াশোনা শেখানোর জন্য অযথা তাড়াহুড়া করার কোনো প্রয়োজন নেই। প্রতিটি শিশুই তার নিজস্ব গতিতে এবং বয়স অনুযায়ী বিকশিত হয়। অনেকেই দুই–আড়াই বছর বয়স থেকেই বাচ্চাকে পড়াতে বসিয়ে দেন, কিন্তু এটি সব সময় প্রয়োজনীয় বা যুক্তিযুক্ত নয়।
আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত, বাচ্চার বয়স ও মানসিক প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে ধীরে ধীরে বই, খাতা ও পেনসিলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। এতে শেখার প্রতি ভালোবাসা তৈরি হবে এবং শেখার যাত্রাটাও হবে আনন্দময়।

16/07/2026

প্রতিদিনের লেখার অভ্যাসই বাচ্চার সুন্দর হাতের লেখার প্রথম ধাপ। ✍️
স্কুলের পড়াশোনার পাশাপাশি প্রতিদিন মাত্র ১০–১৫ মিনিট সময় নিয়ে বর্ণ, অক্ষর ও সংখ্যা লিখতে অনুশীলন করান। নিয়মিত চর্চার ফলে হাতের লেখা সুন্দর হয়, অক্ষরের সঠিক ফর্মেশন গড়ে ওঠে এবং লেখার প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়ে। এই ছোট্ট অভ্যাসই ভবিষ্যতে পড়াশোনা ও পরীক্ষায় অনেক উপকারে আসে।

16/07/2026

আসসালামু আলাইকুম। 🌸
একটা বিষয় আমরা অনেকেই ভুল করি—নিজের বাচ্চার সঙ্গে অন্য বাচ্চার তুলনা করি।
মনে রাখবেন, প্রতিটি বাচ্চার বেড়ে ওঠার গতি আলাদা। এক বছরের বাচ্চা, দুই বছরের বাচ্চা আর পাঁচ বছরের বাচ্চার বিকাশ কখনোই এক রকম হবে না।
কেউ ১০ মাসে হাঁটতে শেখে, আবার কেউ দেড় বছরেও শেখে। কেউ ৮–৯ মাসে কিছু শব্দ বলতে শুরু করে, আবার কেউ দুই থেকে আড়াই বছর বয়সে কথা বলে। এগুলো অনেক ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক।
তাই অন্য বাচ্চা কী করছে, সেটা দেখে নিজের বাচ্চাকে বিচার করবেন না। বরং দেখুন, আপনার সন্তানের বয়স অনুযায়ী উচ্চতা, ওজন, দৈনন্দিন কার্যক্রম ও বিকাশ ঠিকভাবে হচ্ছে কি না।
প্রয়োজন মনে হলে অবশ্যই একজন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। তবে অযথা তুলনা করে নিজের ওপর চাপ নেবেন না।
প্রতিটি শিশুই আলাদা, প্রতিটি শিশুই বিশেষ। সব ছোট্ট সোনামণির জন্য অনেক অনেক দোয়া ও ভালোবাসা। 🤍

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka
1229