Ujjal Hossain Prodhan
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ujjal Hossain Prodhan, Health/Beauty, dhaka, Dhaka.
জীবনে এমন একটা মানুষ থাকা খুব প্রয়োজন
11/06/2023
চোখের কোণে পানি চলে আসলো মনের অজান্তেই🥹
ছেলে শোধরাতে চায় - বাবা'র ঋণ !!
ছেলেরা বাবা হয়, বাবা কখনো ছেলে হতে পারে না।
ইতালী প্রবাসী ছেলে তার জীবনের প্রথম মাসের বেতন পেয়ে তার বাবাকে ফোন করলো -
হ্যালো আব্বু?
- হ্যা,
বাবু কেমন আছিস?
বাবা আমি ভাল আছি। তুমি ভাল আছো তো?
- শরীর ভাল, তবে তোকে খুব মনে পড়ে।
বাদ দে তোর কি খবর বল?
আমিও ভাল আছি। একটা নাম্বার দিচ্ছি লেখ। (মানিগ্রাম)
- কিসের নাম্বার খোকা?
আমি সেলারী পেয়েছি বাবা। পুরা এক লাখ
- আলহামদুলিল্লাহ্।
বাবা একটা কথা বলি? ( কিছুটা দুষ্টামির ছলে )
- এতদিন পর ফোন করেছিস মাত্র একটা কথাই বলবি?
বাবা তুমি তো বলেছিলে পিতৃ ঋণ কোন দিন শোধ হয় না। তুমি ছাব্বিশ বছরে আমার পেছনে যত টাকা খরচ করেছ তুমি কি জানো আমি আগামী পাঁচ বছরে সে টাকা তোমায় ফিরিয়ে দিতে পারবো। আমার এখানে এক টাকা তোমার ওখানে একশ টাকা বাবা'।
- বাবা : ( কিছুটা মুচকি হেসে) বাবা একটা গল্প শুনবি?
ছেলেটা কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে গেল। নিচু স্বরে বললো-
বলো বাবা শুনবো......
- বাবা : তোর বয়স যখন চার আমার বেতন তখন তিন হাজার টাকা। ১,২০০ টাকা ঘর ভাড়া দিয়ে ১,৮০০ টাকায় চলে সংসার। আমি আমার সাধ্যের মধ্যে সব সময় চেষ্টা করেছি তোর 'মা কে 'সুখী করতে। তোকে যেই বার স্কুলে ভর্তি করলাম সেবার ই প্রথম আমরা আমাদের ম্যারিজডে টা পালন করিনি। সে বছর তোর মাকে কিছুই দিতে পারিনি আমি।
তুই যখন কলেজে উঠলি আমাদের অবস্থা তখন মোটা মুটি ভাল। কিন্তু খুব কষ্ট হয়ে গেছিল যখন আমার ট্রান্সফার নারায়ণগঞ্জ হয়। রোজ রোজ উত্তরা থেকে নারায়ণগঞ্জ বাসে করে, পায়ে হেটে, ঘামে ভিজে খুব দুর্বিষহ লাগছিল। একদিন শোরুম থেকে একটা বাইক দেখে আসলাম। সে রাতে আমি স্বপ্নেও দেখেছিলাম আমি বাইকে চড়ে অফিস যাচ্ছি। কিন্তু পরের দিন তুই বায়না ধরলি উত্তরা থেকে বনানী ভার্সিটি করতে তোর কষ্ট হয়। তোর কষ্টে আমার কষ্ট হয় বাবা। আমি তোকে বাইক টা কিনে দিয়েছিলাম।
আমার এক টাকা তোর ওখানে এখন এক পয়সা! কিন্তু মনে করে দেখ এই এক টাকা দিয়ে তুই বন্ধুদের নিয়ে পার্টি করেছিস। ব্রান্ড নিউ মোবাইলে হেড ফোন কানে লাগিয়ে সারা রাত গান শুনেছিস। পিকনিক করেছিস, ট্যুর করেছিস, কন্সার্ট দেখেছিস। তোর প্রতিটা দিন ছিল স্বপ্নের মতন।
আর তোর একশ টাকা নিয়ে আমি এখন হার্টের বাইপাস করাই ডায়াবেটিক মাপাই । জানিস বাবা আমার মাছ খাওয়া নিষেধ, মাংস খাওয়া নিষেধ, কি করে এত টাকা খরচ করি বল! তোর টাকা নিয়ে তাই আমি কল্পনার হাট বসাই। সে হাটে আমি বাইক চালিয়ে সারা শহর ঘুরে বেড়াই। বন্ধুদের নিয়ে সিনেমা দেখতে যাই। তোর মায়ের হাত ধরে চাঁদনী পসরে সেন্ট মার্টিনের বালুচরে হেঁটে বেড়াই।
- ছেলে : বাবা চুপ করো প্লীজ! আমি তোমার কাছে চলে আসব। টাকা না তোমার ভালবাসা তোমায় ফিরিয়ে দিব।
- বাবা : হাহাহা বোঁকা ছেলে! বাবাদের ভালবাসা কখনো ফিরিয়ে দেয়া যায় না। ছোট্ট শিশুর মল মুত্রও মোছা যায় আর বুড়োদের ঘরেও ঢোকা যায় না।
তোকে একটা প্রশ্ন করি বাবা। ধর তুই আমি আর তোর খোকা তিন জন এক নৌকায় বসে আছি। হঠাৎ নৌকা টা ডুবতে শুরু করলো ..... যে কোন একজনকে বাঁচাতে পারবি তুই। কাকে বাঁচাবি বল?
ছেলেটা হাজার চেষ্টা করেও এক চুল ঠোঁট নড়াতে পারছেনা!
- বাবা : উত্তর দিতে হবে না। ছেলেরা বাবা হয়, বাবা কখনো ছেলে হতে পারে না। পৃথিবীতে সব চেয়ে ভারী জিনিস কি জানিস?
পিতার কাঁধে পুত্রের লাশ!
আমি শুধু জায়নামাজে বসে একটা জিনিস চাই। আমার কবরের ঘরটায় যেন আমি আমার ছেলের কাঁধে চড়ে যাই। তাহলেই তুই একটা ঋণ শোধ করতে পারবি, তোকে কোলে নেয়ার ঋণ।
#বাবা
সংগ্রহীত:
আপনারা যারা আমার পেজে ফলো না দিয়ে গল্প পড়েন। দয়া করে পেজে ফলো দিয়ে রাখুন❤️
10/06/2023
কলকাতায় এক কেজি গরুর গোশতের দাম ১৭৫ রুপি যা বাংলাদেশী টাকায় ২২৪ টাকা। তার ৩০০ কিলোমিটার দূরে ঢাকায় সেই গরুর গোশত বিক্রি হয় ৮০০ টাকা কেজিতে এমনকি মাত্র ১২৭ কি: মি: দূরেও সেই গোশতের কেজি ৬০০ টাকা।
ব্যার্থ রাষ্ট্র পাকিস্তানে গরুর গোস্ত পাওয়া যায় ৬০০ রুপিতে যা কিনা বাংলাদেশী ২৩০ টাকার সমান। প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপালে প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম ০.৭৬ ইউএস ডলার মানে ৮০ টাকা, ভুটানে ১৬০ নুল বা ২০৭ টাকা, মিয়ানমারে ৫.৬৬ ইউএস ডলার বা ৫৬৭ টাকা।
মোটামুটি দেখা যায় দক্ষিণ এশিয়ার সমস্ত প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যে বাংলাদেশে গরুর গোস্তের দাম সবচেয়ে বেশি।
এখন তো আপনারা বলবেন, এই দেশ মুসলমানদের দেশ , গরুর গোশত খায় বেশি, তাই দাম ও বেশি।
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গরুর গোশত খাওয়ার তালিকায় ভারতের অবস্থান ৫ম, ২০২২ সালে সেখানে গরুর গোশত খাওয়া হয়েছে ২৯ লক্ষ মেট্রিক টন।
এই তালিকায় পাকিস্তান আছে ৮ম অবস্থানে ২০২০ এ ওরা ১৭.৫ লক্ষ্য মেট্রিক টন গরুর গোশত খেয়েছে
অদ্ভুত, ব্যাপার হচ্ছে এই দেশের মানুষের গরু গোশত খাওয়ার তেমন কোন রেকর্ড খুঁজে পেলাম না কোথাও !
নিরবে দুর্ভিক্ষে কাঁদছে আমার প্রিয় মাতৃভূমি সোনার বাংলাদেশ 😭😭
(সংগৃহীত)
10/06/2023
একজন প্রবাসীর লেখা,,,,!😢
বাপ হইয়া আমি নিজেরে কেমনে ক্ষমা করি?
ছুটি কাটায়ে দেশ থেকে আসার তিন মাস পরে জানলাম, আমি নাকি বাপ হবো! ফোনে খবরটা দিতে গিয়ে বউডা আমার লজ্জায় মইরা যাইতেছিলো। ছেলে হইবো নাকি মেয়ে- এই নিয়ে রোজ খুনসুটি করতাম দুইজনে। ইচ্ছা করতো, চাকরি বাকরি সব ফালায়ে এক্ষণই দেশের বিমানে উইঠা বসি, চইলা যাই বউয়ের কাছে।
কিন্ত সেটা করলে তো নতুন মেহমানরে না খেয়ে থাকা লাগবে। কোম্পানীতে বলে রাখলাম ছুটির কথা। তাদের আবার নিয়ম, একবার ছুটি কাটানোর এক বছর পার হওয়ার আগে আবার ছুটি নেয়া যায় না। হিসাব করে দেখলাম, বাচ্চার বয়স দুইমাস হইলে পরে আমি দেশে যাইতে পারব।
জুন মাসে আমার মেয়েটা দুনিয়ার আলো দেখলো, ভিডিও কলে আমিও দেখলাম আমার মায়েরে। আকিকা দিয়া নাম রাখা হইলো লামিয়া। আগস্টের শেষ সপ্তায় দেশে আসবো, ছুটি পাইলাম পনেরো দিনের, বিমানের টিকেটও করা শেষ। মেয়ের জন্যে কি কিনবো, মেয়ের মায়েরে কি উপহার দিব সেই চিন্তায় পেরেশান হয়ে আছি, কারো বুদ্ধিই মনে ধরে না।
ঢাকায় তখন ডেঙ্গু ছড়াইতেছে, হাজার হাজার মানুষ হাসপাতালে ভর্তি। আমি তখনও কিছু জানি না, নিজের চিন্তায় ব্যস্ত। একদিন ফোনে বউ বললো, মেয়েটার নাকি জ্বর দুইদিন ধরে। ডেঙ্গুর কথা মাথায়ও আনি নাই, এই সর্বনাশা ঘাতক যে ঢাকা থেকে এতদূরে গিয়া হাজির হবে, কে জানতো? বউরে বললাম, ডাক্তার দেখাইতে। আরও একদিন গেল, শুনলাম জ্বর নামছে, কিন্ত বাচ্চার খাওয়াদাওয়া বন্ধ, শরীর খুব দুর্বল, কান্নাকাটিও করে না।
একদিন পরে শুনি, আমার মেয়েটার নাকি ডেঙ্গু হইছে, তারে ভর্তি করা হইছে হাসপাতালে! আমার মাথার উপরে যেন গোটা আসমান ভাইঙ্গা পড়লো, দুনিয়াটা ছোট হইয়া আসলো এক মূহুর্তে! দেড়মাসের বাচ্চাটা যখন হাসপাতালে যুদ্ধ করতেসে ডেঙ্গুর সাথে, আমি তখন কাতারে যুদ্ধ করতেসি প্লেনের টিকেট আগায়ে আনার জন্যে।
অফিসে জানাইলাম, ছুটি না আগাইলে আমি চাকরি ছাইড়া দিব। মেয়ের চাইতে দামী কিছু আমার কাছে নাই। তারা রাজী হইলো। তিনদিন পরের টিকেটও ম্যানেজ করে ফেললাম। আর তিন-চারটা দিন পরেই আমি আমার মেয়েটারে কোলে নিতে পারবো! ফোনে খবর পাই, মেয়ের অবস্থা নাকি ভালো না, তারে আইসিইউতে রাখা হইছে। আমার কাছে প্রতিটা মিনিটরে তখন একেকটা দিনের সমান লম্বা মনে হয়!
যেদিন প্লেনে উঠবো, তার আগেরদিন ফোনটা আসলো। মেয়েটা আমার মারা গেছে, ডেঙ্গুর সাথে যুদ্ধ করে কুলায়ে উঠতে পারে নাই মা আমার। ফোনে আমি শুধু বললাম, আমার বউটারে একটু দেখে রাইখেন, আমি আসতেছি। দুইদিন পরে আমি বাড়ির উঠানে পা রাখলাম, ঘর থেকে শুধু আগরবাতির গন্ধ নাকে আসে।
এই বাড়িতে একটা ফুটফুটে ফেরেশতা জন্ম নিছিলো, আমার বাচ্চা, আমার সন্তান। সেই সন্তানরে আমি একটাবারের জন্যে কোলে নিতে পারি নাই, একটু আদর করতে পারি নাই। আমার মেয়েটা দেড়মাস পৃথিবীতে থাকলো, হাসলো, কান্না করলো, রোগে ভুগে দুনিয়া ছেড়ে চইলাও গেল, অথচ একটাবার সে তার বাবার স্পর্শ পাইলো না! বাপ হইয়া আমি নিজেরে কেমনে ক্ষমা করি বলেন?
কাতারে থাকি শুনলে অনেকেই ভাবেন টাকার বিছানায় ঘুমাই বুঝি। আমরা প্রবাসীরা আসলে কষ্টের সাগরে ভাসতে থাকি। কাজের কষ্ট, খাওয়ার কষ্ট, এগুলা তো গায়ে লাগে না। কষ্ট লাগে আপনজনের কাছ থেকে দূরে থাকতে, প্রিয় মানুষগুলার কাছ থেকে হাজার মাইল দূরে থাকার যে কি যন্ত্রণা, সেইটা সবাই বুঝবে না। নিজের সন্তানরে একটাবারও না দেখে তার কবর জেয়ারত করার যে কি কষ্ট, সেইটা কাউরে বলে বুঝানো যাবে না…!
সংগৃহীত_পোস্ট
কাঁটাবন গেছেন এক মহিলা পাখি কিনতে।
ভাই আপনাদের কাছে তোতা পাখি হবে?
বিক্রেতা বলল, জ্বি ম্যাডাম আমাদের দু'ধরনের তোতা পাখি হবে।
কী রকম?
ধরেন এক ধরনের তোতা আছে আপনি যা বলবেন হুবহু তাই বলবে। আরেক ধরনের তোতা আছে আপনি যা বলবেন ও তা বলবে না। ও খুব ভেবে চিন্তে জবাব দিবে।
দারুণ তো। যেটা ভেবেচিন্তে জবাব দেয় সেটাই দেখান।
বিক্রেতা খাঁচায় ভরা একটা তোতা এনে মহিলার সামনে রাখল।
মহিলা বলল, আমি কি ওকে একটু পরীক্ষা করে দেখতে পারি?
অবশ্যই
মহিলা আদুরে গলায় বলল, হ্যারে তোতা বলতো, আমি কেমন?
তোতা সাথে সাথে জবাব দিল, ফালতু মহিলা..
মহিলা রেগেমেগে অস্থির। না না আমি আপনার এই বেয়াদব পাখি নিব না।
প্লিজ ম্যডাম এক মিনিট দাড়ান।
বলেই বিক্রেতা তোতা পাখিটাকে খাঁচা সহ দোকানের পেছনে নিয়ে গেল। সেখানে পানি ভর্তি বালতি ছিল। পাখিটাকে কয়েকবার বালতির পানিতে চুবিয়ে বলল, ফের যদি উল্টাপাল্টা বলিস এই পানিতে তোকে চুবিয়ে মারব, মনে রাখিস।
বিক্রেতা খাঁচা সহ পাখি আবার সামনে আনলো
হ্যা ম্যাডাম এবার আপনি যা খুশি জিজ্ঞেস করতে পারেন
মহিলা খুশি হয়ে বললেন, হ্যারে তোতা আমি কেমন বলতো?
খুব ভাল
ধর রাতে আমি বারোটার পর বাসায় ফিরলাম, কী বলবি?
কাজের চাপে বাসায় ফিরতে দেরী হয়ে গেছে।
গুড
যদি আমার সাথে কোন লোক থাকে কি বলবি?
আপনার স্বামী
গুড
যদি আমার সাথে দু'জন লোক থাকে কি বলবি?
আপনার স্বামী আর আপনার শশুড়।
গুড
যদি তিনজন থাকে?
আপনার স্বামী, শশুড় আর দেবর
আর যদি চারজন থাকে?
তোতা ক্ষেপে গিয়ে বলল, আমি আগেই বলছিলাম এই মহিলা ফালতু মহিলা...
#----সংগৃহীত-----🥴🥴🥴
যে হারায় সে বুজে হারানোর যন্ত্রণা কি বঙ্গ বাজারে শুধু মার্কেট পুীে নাই হাজার ও মানুষের স্বপ্ন পুরে ছাই হাে হয়েছে😭😭😭😭😭
কিছু মানুষ মনের মধ্যে থাকে ভাগ্যে না🥰
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Website
Address
Dhaka
Dhaka
340