Viral News Tanjina

Viral News Tanjina

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Viral News Tanjina, Dhaka.

আসসালামু আলাইকুম পেজের সকল কনটেন্ট
ভাইরাল টপিক ও ভাইরাল ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে করা সুতরাং কারো যদি পোস্ট বা ভিডিও তে কোন ধরনের সমস্যা হয় দয়া করে আমাকে ইনবক্সে এ জানাবেন আমি সংশোধন করে দিবো।শুধু মাত্র বিনোদনের জন্য তাই কাউকে ছোট বা অসম্মান করা উদ্দেশ্য নয় 🙏

05/08/2026

তারা পা হারিয়েছে, আর আপনারা পদ আর ক্ষমতা পেয়েছেন😭💔

৩৬ শে জুলাই আন্দোলন, সংঘর্ষ বা রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে যখন সাধারণ মানুষ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, রক্ত বা জীবন হারায়—আর পরবর্তীতে নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠী বা দল তার বিনিময়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা, পদ ও সুবিধা ভোগ করে আহা কি নিয়তি!!

​যাঁরা অঙ্গ হারিয়েছেন বা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের সেই অসামান্য ত্যাগ কোনো পদ, ক্ষমতা বা পার্থিব সুবিধার সাথে তুলনীয় নয়। ক্ষমতার আসনে যাঁরা বসেন, তাঁদের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত ওই ত্যাগী মানুষ ও তাঁদের পরিবারের যথাযথ চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং তাঁদের রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা না করে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা।

05/08/2026

৪ আগস্ট 😭
আমাদের জন্য এক ভয়ানক দিন 😭৮টায় গোসল করে বের হলেই থানা থেকে ইয়াসিন ভাইয়া ফোন দেয়, আমার ডিউটি শেষ, স্যার আসেন।নাবিলার বাবা বলে নাস্তা করে আসতেছি।একসাথে আমরা সকালের খাবার খাই,প্রতিদিনের মতই আমার থেকে বিদায় নেয়,নাবিলাকে আল্লাহ হাফেজ বলেন, নাবিলা সালাম দেয়।ওটাই ছিল নাবিলার সাথে শেষ কথা 😭নাবিলা বড় হয়ে যখন এই গল্পগুলো শুনবে তখন কি সহ্য করতে পারবে নাবিলা😭

যতবার ফোনে কথা বলেছি শুধু বলে আমি নিরাপদে আছি,তুমি সাবধানে থেকো।আহারে একবারো বললেন না আপনি ওই রকম পরিস্থিতিতে ছিলেন😭শেষে যখন কথা হয় তখন শুধু বললেন নাবিলার.....।পুরো কথা শেষ করতে পারেন নি😭তারপরেই ফোন বন্ধ।

নীল ইউনিফর্মে কি যে সুন্দর লাগতো আপনাকে। শখের ইউনিফর্ম খুলে পালিয়ে যান।পাশের বাড়িতে।আহারে কেমন করে নিয়ে আসে ওখান থেকে।পানি চেয়েছিলেন কোন পাষান্ড এক ফোটা পানিও দেয় নি আপনাকে😭নাবিলার জন্য কতই না প্রান ভিক্ষা চেয়েছিলেন, হয়তো বলেছিলেন আমার ছোট্ট একটা নাবিলা আছে ওর জন্য ছেড়ে দাও, আমার জীবনটা ভিক্ষা দাও। কিন্তু কেউ শোনে নি।কোনো পাষান্ডের মন গলে নি কেউ প্রান ভিক্ষা দেয় নি আমার পাখির 😭

আহারে হাসপাতালে গিয়ে যখন দেখি পুরো মুখ ব্যান্ডেজ করা, আর পুরো শরীর সাদা কাপড়ে ঢাকা।আহারে কেমন ছটফট করছিলেন কাপড় সরে যাওয়াতে পায়ের আঙুল দেখে চিনতে পারি😭আহারে কেমন ছটফট কতই না কষ্ট লাগতেছিল পাখির 😭ইমার্জেন্সি থেকে যখন আইসিইউতে নিতেছিল, আহারে কেমন নিস্তেজ হয়ে পড়ে আছেন😭কোন নড়াচড়া নেই।

নাবিলা দেখে ভয়ে কি কান্না,ওটা আমার বাবা না, ওটা মানুষ। বাসায় যাবো ঘুমাবো। আহারে নাবিলা বড় হয়ে বলবে আরো দেখলাম না কেনো বাবাকে😭

আমি আপনার খুব খারাপ বউ এত কাছে থেকেও আপনার জন্য কিছু করতে পারলাম না পাখি।খুব জানতে ইচ্ছে করে এতগুলো মানুষের আর্তনাদ কি ওই সব পাষান্ডদের ঘুমাতে দেয়,তারা কি ঘুমাতে পারে। দুনিয়াতে বিচার না হোক, পরকালে বিচার হবেই ইনশাআল্লাহ। সেই বিচার আর কেউ ঠেকাতে পারবে না।

আল্লাহ ভালো রাখুক নাবিলার বাবা সহ সকল পুলিশ ভাইয়াদের 💙🤲

© সানিয়া ইসলাম.

05/08/2026

সম্পর্কের সৌন্দর্য তো এখানেই—যেখানে ভয় বা সন্দেহের বদলে জায়গা করে নেয় এক বুক বিশ্বাস আর নিখাদ ভালোবাসা।

জাহিদ হাসান ও সাদিয়া ইসলাম মৌয়ের এই ছোট ঘটনাটি আমাদের শেখায়, ভালোবাসা কেবল বাঁধনে বাঁধা পড়ার নাম নয়; ভালোবাসা হলো একে অপরের অতীতকে সম্মান জানানো এবং তা নিয়ে নির্দ্বিধায় হাসতে পারা।

​ভালোবাসার গভীরতা কতটা হলে প্রাক্তনের চিঠি দেখেও মুখে হাসি ফুটে ওঠে? 🖤✨

​আজকাল যেখানে সামান্য অতীত কিংবা সন্দেহ বড় বড় ভালোবাসার গল্পে ফাটল ধরিয়ে দেয়, সেখানে জাহিদ হাসান ও সাদিয়া ইসলাম মৌয়ের রসায়ন যেন এক অন্যরকম অনুপ্রেরণা। জাহিদ ভাইয়ের হাতে মৌ যখন প্রাক্তনের পুরোনো চিঠিগুলো তুলে দিয়ে শান্ত কণ্ঠে হেসে বললেন—“এগুলো এভাবে ফেলে রেখেছো কেন, যত্ন করে রাখো”—তখনই বোঝা যায় তাঁদের বিশ্বাসের ভিত কতটা মজবুত ছিল।

​আসলে সত্যি ভালোবাসা কখনো অধিকার খাটানোর নাম নয়, ভালোবাসা মানে অন্যের অতীতকে জেনেও তাকে আপন করে নেওয়া। প্রাক্তনের ছায়াও যেখানে কোনো ফাটল ধরাতে পারেনি, সেখানেই ফুটে ওঠে ভালোবাসা আর সম্মানের আসল রূপ।

​যেখানে সততা আছে, সেখানে কোনো অতীতই সম্পর্কের বাঁধন আলগা করতে পারে না। এমন পরিপক্ব ও নিখাদ ভালোবাসার গল্পগুলোই তো যুগে যুগে আমাদের বিশ্বাস জোগায়—ভালোবাসা আজও সুন্দর, আজও সুন্দর তাদের গল্প! 🖤🥀

05/08/2026

প্রবাসীদের জীবন আসলে বাইরের চকচকে খামের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এক বেদনাবিধুর গল্প। আমরা যাদেরকে একবাক্যে 'রেমিট্যান্স যোদ্ধা' বলি, দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার মূল কারিগর মানি, দিনশেষে তাদের জীবনের নির্মম বাস্তবতা কতটুকু কঠিন তা জামাল ভাইয়ের এই করুণ গল্পটা আরও একবার আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল।

​একটি জীবনের প্রবাস অধ্যায় মানেই কেবল অর্থ উপার্জন নয়—নিজের রক্ত জল করা শ্রম, হাজারো স্বপ্ন, আর সীমাহীন আত্মত্যাগ। দীর্ঘ ১২টি বছর প্রবাসী জীবনের যে সংগ্রাম, তা কেবল একজন প্রবাসীই উপলব্ধি করতে পারেন। মরুভূমির প্রচণ্ড দাবদাহ, শরীরের অসুস্থতা উপেক্ষা করে হাড়ভাঙ্গা খাটুনি, স্বজনদের থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে একা থাকার নির্মম নিঃসঙ্গতা—সবকিছু তারা সহ্য করেন শুধুমাত্র প্রিয় মানুষগুলোর মুখে একটু হাসি ফোটানোর জন্য।

​কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, আমাদের সমাজে অনেক প্রবাসীকে শেষ পর্যন্ত এই নির্জলা স্বার্থপরতার শিকার হতে হয়। ১২ বছর প্রবাসে থেকে জামাল ভাই নিজের উপার্জিত সবটুকু অর্থ তুলে দিয়েছিলেন যাকে অন্ধের মতো বিশ্বাস করেছিলেন—তার স্ত্রীর হাতে। এমনকি নিজের পৈতৃক ভিটেমাটি বিক্রি করে তিনি সংসার গুছিয়েছিলেন। কিন্তু জীবনের শেষ সম্বল আর যৌবনের সমস্ত রক্ত জল করা শ্রম ঢেলে দিয়ে যখন তিনি অসুস্থ শরীরে, খালি হাতে দেশে ফিরলেন, তখন প্রতিদানে পেলেন কেবলই ধিক্কার ও অমানবিক অবহেলা।

যে পরিবার ও স্ত্রীর সুখের জন্য তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করলেন, তারাই আজ তাকে রাস্তা চিনে দিল, এক কাপড়ে ঘর থেকে বের করে দিল। কয়েকমাসের ব্যবধানে 'ডিভোর্স'-এর অজুহাত দেখিয়ে সম্পর্কের সবটুকু ইতি টেনে দিল, অথচ তার ঘাম মোছা কষ্টে অর্জিত সম্পদটুকু নিজের দখলে রেখে দিল।

​এটি কেবল জামাল ভাইয়ের একার গল্প নয়, হাজারো প্রবাসী ভাইয়ের জীবনের একটি নির্মম প্রতিচ্ছবি। প্রবাসীরা যখন টাকা পাঠায়, তখন তারা সবার কাছে খুব প্রিয়, খুব প্রিয় 'টাকার মেশিন'। কিন্তু যখন সেই মানুষটি অসুস্থ হয়ে, নিঃস্ব হয়ে কিংবা শূন্য হাতে দেশে ফেরে, তখন অনেকেই তার দায়িত্ব নিতে চান না। যে দেশে তারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দেশের অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত করেন, সেই দেশ ও সমাজে শেষ বয়সে অনেককেই পেতে হয় পথের ঠিকানা।
​দিনশেষে সম্পর্কের এ কেমন হিসাব? রক্তের বন্ধন কিংবা বৈবাহিক সম্পর্ক কি শুধুই স্বার্থ আর টাকার ওপর দাঁড়িয়ে?

জামাল ভাইয়ের ভাগ্য ভালো যে তার রক্তের একজন ভাস্তি তার এই মানবিক বিপর্যয় সহ্য করতে না পেরে তাকে রাস্তায় বৃষ্টির মধ্য থেকে তুলে নিজের ঘরে আশ্রয় দিয়েছে। এখনো সমাজে সামান্যতম অনুভূতির আলো বেঁচে আছে বলেই হয়তো এমন কিছু মানুষ আলো হয়ে সামনে আসে।

​প্রিয় প্রবাসীরা আমাদের সম্মান ও ভালোবাসার দাবিদার। তারা কেবল টাকা পাঠানোর মাধ্যম নন, তারা একেকজন রক্ত-মাংসের মানুষ। তাদেরও মন আছে, তাদেরও বার্ধক্যে কিংবা অসুস্থতায় একটু যত্ন, ভালোবাসা আর সম্মানের অধিকার আছে।

স্বজন ও সমাজের এই চরম অন্ধত্ব আর নিষ্ঠুরতা বন্ধ হওয়া উচিত। কোনো প্রবাসীর জীবনের শেষ পরিণিতি যেন রাস্তায় না হয়—এটাই হোক আমাদের সবার প্রত্যাশা।

05/08/2026

আজ ৫ অগাস্ট 💔😪

05/08/2026

চাচী এত দেখি সুপার ফাস্ট 😛

এ যেন বিরল দৃশ্য! ঘু/ষ খাওয়ার এমন চমৎকার দৃশ্য সম্ভবত বিশ্বে এটাই প্রথম। ভাত খাইতে খাইতে একই সময়ে ঘু/ষও খাচ্ছেন তিনি। এমনই এক অসাধারণ মূহুর্তের নিউজ করেছে একাত্তর টিভি।

ভি/ডিওতে আবার শোনা যাচ্ছে তিনি বলছেন তাহলে পরে দেন। সম্ভবত ভাত খাচ্ছেন দেখে পরে আসতে বলছে। লোকটি হয়তো বলছে না ম্যাডাম এখনই নেন। অমনি করেই হাত বাড়িয়ে টাকা নিচ্ছেন। তারপর ড্রয়ার খুলে সেখানে রেখে দিলেন।

কি চমৎকার একটি দৃশ্য! এই দৃশ্য হলিউডের যেকোন সিনেমার চেয়েও সুন্দর। এটা কেবল বাংলাদেশেই সম্ভব। তাও ঠাকুরগাঁও সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে।

প্রতিটি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে একই ঘটনা। প্রতিদিন কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য হয় প্রতিটি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে। এখানে যেই ব্যাক্তিটি টিপসই নেয় সেও টিপসই প্রতি ২০০টাকা খায়।

যাইহোক, এদের পাওয়ার অনেক। কিছু বললেই এদের কাছে ধরা। টাকা না দিলে বছরের পর বছর ঘুরেও কাজ হবেনা।

তথ্যসূত্র: একাত্তর টিভি

05/08/2026

বাংলাদেশের মানুষ অনেক 'আন্তরিক' ভাই! অন্য লেভেলের একদম!
একটা পোস্ট দেখলাম, 'বিদেশে অসুস্থ হয়ে পড়লে ইমার্জেন্সি চিকিৎসা পেতেও নাকি অনেক টাইম লাগে!'
কিন্তু এই দিক দিয়া বাংলাদেশের মানুষ অনেক লাকি!

আজকে ট্রেনের মধ্যে এক যাত্রী হার্ট এটাক এর মতো অবস্থা হয়ে যায়, তখন অন্য এক যাত্রী ছুটে এসে সমানে ভদ্রলোকের বুকে চাপ দিতে থাকে।
সবাই ডাক্তার খোঁজা শুরু করে৷ ট্রেনের দায়িত্বশীল লোকেরা ছুটে আসে। ট্রেনের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয় কোনো ডাক্তার থাকলে এই বগীতে আসার জন্য।

একটু পরেই একজন ডাক্তার ছুটে আসে। ওই রোগী কে কিছুটা সুস্থ হতে সাহায্য করে উনি ❤️

এই ব্যাপার টা দেখে এত্ত ভাল্লাগছে ভাই ❤️

04/08/2026

ছাত্রলীগ নেত্রী শান্তা ফারজানার হামলায় আহত হয়ে 'জুলাই যোদ্ধা' আমান আয়াশ বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসাধীন আছেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর থেকে 'জুলাই যোদ্ধা' পরিচয়টি বেশ আলোচনায় রয়েছে। তবে পরবর্তী সময়ে অনেক বিতর্কিত ঘটনা বা অভ্যন্তরীণ কোন্দলেও এই পরিচয় ব্যবহার করার প্রবণতা দেখা গেছে।

নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে বৈষম্যবিরোধী বা জুলাই আন্দোলনকারীদের সংঘাতের ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

​আগে রাজনীতিতে হামলা হলে বলা হতো "রাজনৈতিক সংঘাত"। এখন হাসপাতালের সিটে শুয়ে ফেসবুক পোস্ট দেওয়ার নাম হয়ে গেছে "জুলাই রিইউনিয়ন উইথ অপোজিশন!"

ঢামেক হাসপাতাল যেন এখন সব আন্দোলনের 'ফাইনাল ডেস্টিনেশন'। ঝগড়া যেখানেই হোক, ট্রফি হিসেবে হাসপাতালের বেডে একটা ছবি আর কপালে ব্যান্ডেজ না থাকলে নাকি আসল ঘটনা জমেই না!

এতদিন শান্তা নাম শুনে সবাই ভাবত মার্জিত বা শান্তশিষ্ট কিছু, কিন্তু রাজনৈতিক ফ্রন্টলাইনে এলে শান্তা নামের মানুষও যে 'অশান্তির ঝড়' তুলতে পারে, তা হয়তো আমান আয়াশ হাড়েন হাড়েন টের পেয়েছেন!

04/08/2026

রিপন মিয়া এটা কি কাজ করলো ভাই বেডারে আমি সহজ সরল ভাবছিলাম 🫣

04/08/2026

ডিপ্রেশন 💔😪

ভারতের ৪০ বছর বয়সী মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. হেমিকা আগারওয়াল আ%ত্ম** করেছেন। যে মানুষটি প্রতিদিন অন্যদের মানসিক ট্রমা, বিষণ্ণতা ও জীবনের কঠিন সময় পার করে উঠতে সাহায্য করতেন, তিনিই দেড় বছর আগের একটি বিবাহবিচ্ছেদের মানসিক আঘাত সহ্য করতে না পেরে নিজের জীবন শেষ করে দিলেন। 💔

এই ঘটনা আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সত্য মনে করিয়ে দেয়! জ্ঞান দেওয়া যতটা সহজ, নিজের জীবনে সেই জ্ঞান ধরে রেখে লড়াই করা সব সময় ততটা সহজ নয়।

পেশাগত দক্ষতা আর ব্যক্তিগত জীবন এক জিনিস নয়। অনলাইনে হোক বা অফলাইনে, অন্যকে উপদেশ দেওয়া, সান্ত্বনা দেওয়া কিংবা সাহস জোগানো তুলনামূলক সহজ। কিন্তু একই পরিস্থিতি যখন নিজের জীবনে নেমে আসে, তখন অনেক সময় সব যুক্তি, নীতি আর পেশাগত জ্ঞানও অসহায় হয়ে পড়ে।

আমরা প্রায়ই মনে করি ডাক্তার, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, কাউন্সেলর কিংবা সফল মানুষরা সব সময় মানসিকভাবে শক্ত থাকেন। বাস্তবতা হলো, পদবি, ডিগ্রি বা সামাজিক অবস্থান কাউকে মানসিক যন্ত্রণা থেকে রক্ষা করে না। বড় বড় অর্জনের আড়ালেও একজন সাধারণ মানুষই থাকেন যার হৃদয় ভাঙে, যিনি কষ্ট পান, যিনি একসময় ক্লান্ত হয়ে পড়তে পারেন।

তাই ডিপ্রেশনকে কখনোই হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। ভেতর থেকে ভেঙে পড়ার যন্ত্রণা কতটা ভয়াবহ, তা কেবল সেই মানুষটিই জানেন, যিনি তা অনুভব করছেন।

নিজের জমে থাকা কষ্ট একা বয়ে বেড়ানো কোনো বীরত্ব নয়। ভেতরে ভেতরে নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার আগে, বিশ্বস্ত কোনো মানুষ, বন্ধু, পরিবারের সদস্য বা মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীর কাছে নিজের কথা খুলে বলা এবং প্রয়োজন হলে সহযোগিতা নেওয়াই সবচেয়ে সাহসী ও সবচেয়ে জরুরি পদক্ষেপ।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Dhaka