Buy Me Today
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Buy Me Today, Health/Beauty, Nikunjho-2, Khilkhet, Dhaka.
ওজন ঠিক রাখতে কী খাবেন❓
ওজন নিয়ে আমরা অনেকেই দুশ্চিন্তায় থাকি। খাবার সঠিক নিয়মে না খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে। আবার হঠাৎ খাবার খাওয়া কমিয়ে দিলে স্বাস্থ্য ভেঙে যেতে পারে। সুস্থ থাকার জন্য সুষম খাবার খেলে ওজনও ঠিক থাকে।
ক্যালোরি হলো শক্তি পরিমাপের উপায়। যদি ওজন বাড়াতে হয়, তবে প্রতিদিন যে পরিমাণ ক্যালোরি খরচ হয়, তার থেকে বেশি পরিমাণ ক্যালোরি সমপরিমাণ খাবার খেতে হবে।
বিপরীতভাবে যদি ওজন কমাতে হয়, তবে প্রতিদিন যে পরিমাণ ক্যালোরি খরচ হয়, তার থেকে কম পরিমাণ ক্যালোরি সমপরিমাণ খাবার খেতে হবে।
সে ক্ষেত্রে কোন কোন খাবারে ক্যালোরি কম থাকে তা জানতে হবে এবং সে অনুযায়ী কম ক্যালোরিযুক্ত খাবার খেতে হবে।
✅প্রোটিনজাতীয় খাবার
খাবারে প্রোটিনজাতীয় খাবার বেশি খেয়ে ওজন কমানোর পদ্ধতি সবচেয়ে সহজ, কার্যকরী, মুখরোচক, বৈজ্ঞানিক ও কম কষ্টের। প্রোটিনজাতীয় খাবার খেলে অল্প খাবারে তাড়াতাড়ি তৃপ্তি আসে অর্থাৎ ক্ষুধার অনুভূতি তাড়াতাড়ি কমে এবং আমাদের শরীরের মেটাবলিক রেট বা শারীরবৃত্তীয় ক্রিয়ার হার বাড়ে। কারণ প্রোটিন বা আমিষজাতীয় খাবার হজম করতে ও মেটাবলিজম হতে বা খাবার ভেঙে শক্তি উৎপাদনে বা অন্যান্য কাজে অনেক বেশি শক্তি ব্যয় হয়।
✅প্রোটিন বা আমিষজাতীয় খাবার হজম বা মেটাবলিজমে বেশি শক্তি অর্থাৎ ৮০-১২০ ক্যালোরি শক্তি বেশি ব্যয় হয়। একজন ব্যক্তি যদি খাবারের ৩০ ভাগ প্রোটিনজাতীয় খাবার খায়, তবে সে প্রতিদিন ৪৪১ ক্যালোরি সমপরিমাণ খাবার কম খেল।
তাই খাবারে পরিমিত পরিমাণ প্রোটিন যোগ করে একদিকে যেমন শরীরে ক্যালোরি কম প্রবেশ করে, তেমনি ক্যালোরি খরচও বেশি হয়। প্রোটিনজাতীয় খাবার আমাদের ক্ষুধার তীব্রতা কমিয়ে দেয়।
✅যারা ডায়েট করেন ও না খেয়ে ওজন কমাতে চান, তাদের মাঝে মাঝে তীব্র ক্ষুধার অনুভূতি হয়। তারা আর না খেয়ে থাকতে পারেন না, ফলে ওজন কমানো কঠিন হয়ে পড়ে এবং আবার ওজন আগের মতোই বাড়তে থাকে। প্রোটিনজাতীয় খাবার এ ধরনের হঠাৎ ক্ষুধার তীব্র অনুভূতি কমিয়ে দেয়।
✅এক গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারে যদি ২৫ ভাগ প্রোটিন বা আমিষ থাকে, তবে এই প্রোটিন বা আমিষ মস্তিষ্কে খাবারের চিন্তা ৬০ ভাগ কমিয়ে দেয় এবং রাতের গভীরে বা ভোররাতে নাস্তা খাওয়ার ইচ্ছা বা প্রবণতা ৫০ ভাগ কমিয়ে দেয়।
✅তাই যদি কেউ ওজন কমানোর কর্মসূচি কার্যকরী ও টেকসই বা স্থায়ী করতে হয় এবং কম কষ্টে ওজন কমাতে চায়, তবে খাবারে কমপক্ষে ৩০ ভাগ প্রোটিন বা আমিষজাতীয় খাবার রাখতে হবে। এটা ওজন কমানোর পাশাপাশি ওজন যাতে আবার না বাড়ে তা নিশ্চিত করবে।
✅সুগারযুক্ত পানীয় বর্জন
সোডা, ফলের রস, চকোলেট দুধ ও অন্যান্য কোমল পানীয় যেমন কোকাকোলা, ফানটা, মিরিন্ডা, পেপসি যেখানে অতিরিক্ত চিনি বা সুগার যোগ করা হয় তা ক্ষতিকর ও বর্জনীয়। কারণ সুগার বা চিনির মাধ্যমে আমাদের শরীরে অতিরিক্ত ক্যালোরি ঢোকে ও তা আমাদের ওজন বাড়ায়।
✅শিশুদের ওজন বাড়াতে বা মোটা হওয়ার ঝুঁকি ৬০ ভাগ বেড়ে যায়, যদি প্রতিদিন সুগারযুক্ত কোমল পানীয় পান করে। ওজন বাড়ার পাশাপাশি এ সুগারযুক্ত কোমল পানীয় নানাবিধ রোগ তৈরি করে।
✅প্রাকৃতিক জুস বা ফলের রস স্বাস্থ্যকর কিন্তু জুসের সঙ্গে যদি অতিরিক্ত চিনি যোগ করা হয়, তবে তা ক্ষতিকর। এসব সুগারযুক্ত পানীয়র আসলে কোনো লাভজনক দিক তো নেয়-ই বরং দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর।
✅বেশি করে পানি পান
ওজন কমানোর জন্য অন্যতম উপায় হচ্ছে রোজ বেশি পরিমাণ পানি পান করা। বেশি পরিমাণ পানি পান করলে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরি খরচ হয়। প্রতিদিন ৪ গ্লাস বা ২ লিটার পানি পান করলে ৯৬ ক্যালোরি শক্তি অতিরিক্ত খরচ হয় কোনো কায়িক পরিশ্রম ছাড়াই।
এ ছাড়া খাবার আগে খালি পেটে পানি পান করলে তাতে পেট আংশিক ভর্তি হবে এবং ক্ষুধা কমবে ও কম পরিমাণ খাবারে পেট ভরে যাবে, তাতে অটোমেটিক্যালি কম ক্যালোরি শরীরে ঢুকবে।
✅১২ সপ্তাহব্যাপী এক গবেষণায় দেখা গেছে, খাবার ১-২ ঘণ্টা আগে ১-২ লিটার পানি খেলে ৪৪ ভাগ বেশি ওজন কমে, তাই ওজন কমানোর জন্য স্বাস্থ্যকর ও কম ক্যালোরিযুক্ত খাবারের পাশাপশি বেশি পরিমাণে পানি পান করা কার্যকরী।
ব্যায়াম
✅আমরা যখন কম ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাই, তখন আমাদের শরীর শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে চায়, শক্তি কম খরচ করে শক্তি জমা রাখতে চায়। তাই দীর্ঘমেয়াদি ওজন কমান কর্মসূচি বা ডায়েটিং করলে বা কম খেলে আমাদের শরীরে মেটাবলিকজনিত বা শারীরবৃত্তীয়জনিত ক্যালোরি খরচ কমে যায়।
✅এ ছাড়া এতে আমাদের শরীরের মাংসপেশিগুলো শুকিয়ে যায়, তাই ওজন কমানোর জন্য বেশি ক্যালোরিযুক্ত খাবার কম খাওয়ার পাশাপাশি মাংসপেশি ঠিকভাবে রাখার জন্য ভারোত্তোলন বা ওজন লিফটিংও করতে হবে, এতে মাংসপেশি শুকিয়ে যাওয়া প্রতিরোধ হবে ও মেটাবলিক কার্যক্রম ঠিক থাকবে।
✅তাই ওজন কমানোর জন্য আমরা শুধু শরীরের চর্বিই কমাতে চাইব না, আমাদের শারীরিক গঠনও যাতে ঠিক থাকে, আমাদের যাতে দেখতে অসুন্দর না লাগে, শুকনা শুকনা না লাগে, বরং দেখতে ভালো যাতে লাগে। ওয়েট লিফটিংয়ের পাশাপাশি নিয়মিত এরোবিক ব্যায়াম যেমন হাঁটা, সাঁতার কাটা ও জগিং করতে হবে।
26/07/2022
🔥🔥পেটের মেদ কমানোর ১০ টি সহজ উপায় জেনে নিন🔥🔥
পেটের অতিরিক্ত মেদ বা ভুঁড়ি অনেকের জন্যই একটি অস্বস্তিকর বিষয়। ছোট ছোট অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসের কারণে আমাদের পেটে মেদ জমে। পেট ছাড়াও শরীরের অন্যান্য স্থানে মেদ জমার অন্যতম কারণ এই অভ্যাসগুলো। পেটের মেদ দ্রুত কমাতে সাহায্য করবে এমন ১০টি অভ্যাস নিয়ে এই লেখায় আলোচনা করা হয়েছে।
এই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলো এড়ানো গেলে শুধুমাত্র পেটের মেদ নয়, বরং কোমরের মেদ, মুখের চর্বি, উরুর মেদ, নিতম্বের মেদ কমানো সম্ভব।
✅দ্রুত খাওয়ার অভ্যাস বাদ দিন
✅কোনো বেলার খাবার বাদ দিবেন না
✅বড় প্লেটের বদলে ছোট প্লেট বেছে নিন
✅সৌজন্যবোধ থেকে বেশি খাবেন না
✅আনমনে খাওয়া পরিহার করুন
✅মানসিক চাপ মোকাবেলা করুন
✅অস্বাস্থ্যকর ঘুমের রুটিন বদলে ফেলুন
✅সাদা চাল, সাদা আটার বিকল্প বেছে নিন
✅খাওয়ার আগে মোড়ক যাচাই করে নিন
✅শুয়ে বসে না থেকে অ্যাকটিভ হোন
🔸১. দ্রুত খাওয়ার অভ্যাস বাদ দিন
খাবার খাওয়া শুরু করার পর যখন সেই খাবার পেটে যায়, তখন পাকস্থলী থেকে মস্তিষ্কে সংকেত পৌঁছায়—সহজ ভাষায় পেটের সাথে ব্রেইনের কথাবার্তা হয়। পেট ভরেছে কি ভরেনি তা বুঝতে ব্রেইনের ২০ মিনিট পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। দ্রুত খাবার খেলে অতিরিক্ত খেয়ে ফেলার সম্ভাবনা থাকে, কারণ পেট ভরে যাওয়ার খবরটি পাকস্থলী থেকে হয়তো অত দ্রুত ব্রেইনে নাও পৌঁছাতে পারে।
✅পেটের মেদ কমাতে করণীয়
অতিরিক্ত না খেয়ে ফেলার জন্য ধীরে ধীরে খাবার খাওয়া এবং খাওয়ার সময় খাবারের প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিতে হবে। এই প্রক্রিয়াকে ‘মাইন্ডফুল ইটিং’ বা ‘মনোযোগ সহকারে খাওয়া’ বলা হয়। এভাবে অতিরিক্ত ক্যালরি খেয়ে ফেলা এড়ানো সম্ভব। তবে কোনো কারণে যদি খুব দ্রুত খেতেই হয়, তাহলে নির্দিষ্ট পরিমাণ খাবার প্লেটে নিয়ে সেটুকুই খেয়ে শেষ করুন। এতে বাড়তি খাবার খাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।
🔸২. কোনো বেলার খাবার বাদ দিবেন না
অনেকে সকালের নাস্তা বাদ দিয়ে একবারে দুপুরে খাবার খাওয়ার পরিকল্পনা করেন। এক বেলা খাবার বাদ দিলে অপরবেলায় বেশি খাবার খাওয়া বা অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে। একারণে পেটের মেদ বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।
✅পেটের মেদ কমাতে করণীয়
আপনার যদি কোনো বেলার খাবার বাদ দেওয়ার অভ্যাস থাকে, তাহলে এখন থেকেই তা বদলে ফেলার চেষ্টা করুন। কোন বেলার খাবার বাদ দিবেন না। যদি কোনো কারণে খাবার বাদ পড়ে যায়, তাহলে পরের কোনো বেলায় যেন অতিরিক্ত ভোজন বা অস্বাস্থ্যকর খাবার না খাওয়া হয় সে ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।
🔸৩. বড় প্লেটের বদলে ছোট প্লেট বেছে নিন
এক্ষেত্রে মূল বিষয় প্লেটের আকার নয়, বরং কতটুকু খাবার শরীরে যাচ্ছে সেটি। সাধারণত প্লেটের আকারে বড় হলে প্লেটে বেশি খাবার আঁটানো যায়, ফলে অবচেতন মনেও সাধারণত খাবার একটু বেশী পরিমাণে নেয়া হয়। বেশিরভাগ মানুষের মাঝেই সাধারণত প্লেটে যতটুকু খাবার নেওয়া হয় তার পুরোটাই শেষ করার প্রবণতা থাকে। কিছু খাবার বাকি থাকা অবস্থায় পেট ভরা মনে হলেও প্লেটে খাবার রেখে উঠে যাওয়া হয় না। এভাবে প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাওয়া হয়ে যায়, ওজন বাড়ে এবং শরীরে মেদ জমে।
✅পেটের মেদ কমাতে করণীয়
অতিরিক্ত খাওয়া এড়াতে ছোট প্লেটে খাবার নিন। খাবার প্লেটে নেওয়ার সময় পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখবেন। এতে খাবার নষ্ট হওয়ার এবং প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত খাওয়ার সম্ভাবনা কমবে।
🔸৪. সৌজন্যবোধ থেকে বেশি খাবেন না
দাওয়াত খেতে গেলে আমরা অনেক সময় সৌজন্যবোধ থেকে বেশি খেয়ে ফেলি। এক্ষেত্রে প্লেটে কেউ খাবার দিয়ে দিলে সেটা শেষ করে ওঠা কর্তব্য হিসেবে ধরে নেই। আবার বাইরে বন্ধুবান্ধব বা পরিচিতজনের সাথে দেখা হয়ে গেলে, পেট ভরা থাকার পরেও খাবার অর্ডার দেয়া হয়। এই অভ্যাসগুলো ওজন বাড়িয়ে মেদ-ভুঁড়ি জমানোর পেছনে ভূমিকা রাখে।
দাওয়াতে আরেকটি প্রচলন হলো সবশেষে মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়া। অতিভোজন বা ‘ওভারইটিং’ হলে একদিকে যেমন শারীরিক অস্বস্তিতে পড়তে হবে, অন্যদিকে শরীরে মেদ জমার সম্ভাবনা থাকে।
✅পেটের মেদ কমাতে করণীয়
এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন। অতিরিক্ত খাবার শরীরে যেসব বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে সেগুলো মাথায় রেখে কী পরিমাণ খাবার খাবেন সেটি ঠিক করে নিন।
যদি মিষ্টিজাতীয় খাবার খাবেন বলে ঠিক করেন তাহলে অন্যান্য খাবারগুলো পরিমিত পরিমাণে বা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে সামান্য কম খাবেন। মিষ্টিজাতীয় খাবার তেমন স্বাস্থ্যকর নয়, তাই যতটুকু না খেলেই নয় ততটুকুই খাবেন।
🔸৫. আনমনে খাওয়া পরিহার করুন
খাওয়ার সময়ে অন্য কাজে ব্যস্ত থাকলে আপনি কতটুকু খাচ্ছেন সেদিকে সাধারণত মনোযোগ রাখা সম্ভব হয়ে ওঠে না। টিভিতে বা ফোনে খেলা, নাটক বা অন্য কিছু দেখতে দেখতে খাওয়ার অভ্যাস থাকলে পেটের মেদ হওয়ার বড় সম্ভাবনা থাকে। কারণ তখন আনমনে প্রয়োজনের চেয়ে বেশী খাওয়া হয়ে যেতে পারে।
আবার অনেকের ক্ষুধা না লাগলেও টিভি দেখতে দেখতে কিছু একটা খেতে হবে এমন একটা অভ্যাস হয়ে যায়। এই খাবারগুলোও সাধারণত স্বাস্থ্যকর হয় না। দেখা যায়, ভাজাপোড়া, মুড়ি-চানাচুর এসব খাবার আমরা এক হাতে নিচ্ছি আর খাচ্ছি।
✅পেটের মেদ কমাতে করণীয়
এসব অতিরিক্ত, অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকে আসে অতিরিক্ত ক্যালরি, যা থেকে শরীরে চর্বি জমার একটা ক্ষেত্র তৈরি হয়। তাই মেদ কমাতে কোন কোন সময়ে আপনি আনমনে খাবার খান সেটা খুঁজে বের করতে হবে। খাবারের দিকে পূর্ণ মনোযোগ, অর্থাৎ ‘মাইন্ডফুল ইটিং’ এর চর্চা করতে হবে।
🔸৬. মানসিক চাপ মোকাবেলা করুন
মানসিক চাপ বা স্ট্রেসের কারণেও শরীরে মেদ জমতে পারে। আমরা যখন দিনের পর দিন মানসিক চাপে ভুগি, তখন আমাদের শরীরে ‘কর্টিসল’ নামের একটি হরমোন নিঃসরণ হয়।এই হরমোন বৃদ্ধি পেলে অতিরিক্ত চিনি বা চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার প্রবল আকাঙ্ক্ষা জাগতে পারে।
কর্টিসল হরমোন ওজন বাড়াতে, বিশেষ করে পেটের মেদ বাড়াতে আরও তিনটি কাজ করে—
শরীরের অন্যান্য জায়গা, যেমন: পিঠ, উরু ও নিতম্বের চেয়ে পেটে চর্বি জমতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। একে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘সেন্ট্রাল অ্যাডিপোসিটি’ বলা হয়।
গ্রেলিন নামের একটি হরমোনকে বাড়িয়ে দেয়। এই হরমোন বেশি বেশি ক্ষুধা অনুভব করার পেছনে দায়ী।
লেপটিন নামের আরেক হরমোন নিঃসরণ কমিয়ে দেয়। লেপটিন আমাদের পেট ভরে আছে এমন অনুভব করায়।
অর্থাৎ এই হরমোনের কারণে সহজে পেট ভরে না, বারবার ক্ষুধা লাগে, এবং বেশি খেয়ে ফেলার কারণে যে চর্বিটা তৈরি হয় সেটি শরীর মেদ হিসেবে জমিয়ে রাখে।
মেদ কমাতে তাই মানসিক চাপকে সময়মতো ও সঠিকভাবে মোকাবেলা করা গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, পছন্দের কাজ করা, মেডিটেশন ও প্রয়োজনে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে মানসিক চাপকে মোকাবেলা করতে হবে।
🔸৭. অস্বাস্থ্যকর ঘুমের রুটিন বদলে ফেলুন
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবের সাথে ওজন বেড়ে যাবার একটি সম্পর্ক রয়েছে।এর পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে। রাত জাগলে কিছু একটা খেতে ইচ্ছা করতে পারে। এভাবে খাওয়া অতিরিক্ত খাবারের ক্যালরি শরীরে মেদ হিসেবে জমা হয়, ঘুমিয়ে থাকলে সেই অতিরিক্ত ক্যালরি খাওয়া হতো না।
রাত জেগে কাজ করার সময় খাবার হিসেবে সাধারণত ক্ষতিকর ফ্যাট বা চিনিযুক্ত খাবার, অথবা অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার বেছে নেওয়া হয়। খাবারটি স্বাস্থ্যকর কিনা তা নিয়ে তখন সাধারণত চিন্তা করা হয় না।
এছাড়া নিয়মিত যদি পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব হয়, তখন সেটা মানসিক চাপ বা স্ট্রেস তৈরি করতে পারে। এই স্ট্রেস আবার বিভিন্নভাবে বাড়তি ওজন এবং মেদ জমার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
✅পেটের মেদ কমাতে করণীয়
পর্যাপ্ত ঘুমের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমের অভ্যাস করতে হবে। ঘুম না আসা নিয়ে আমাদের নিদ্রাহীনতার কারণ ও প্রতিকার আর্টিকেলটি পড়তে পারেন। এছাড়া আমাদের ভালো ঘুমের উপায় সংক্রান্ত ভিডিওটিতে কীভাবে স্বাস্থ্যকর ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলতে পারবেন সেই ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে।
🔸৮. সাদা চাল, সাদা আটার বিকল্প বেছে নিন
সাদা চাল, সাদা আটা তৈরি করার সময় ফাইবার বা আঁশসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান ফেলে দেয়া হয়। ফাইবার খাবারকে আস্তে আস্তে হজম করতে সহায়তা করে। ফাইবার ফেলে দেয়ার কারণে খাবার গুলো দ্রুত হজম হয়, রক্তে ব্লাড সুগারের মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে সাদা চাল ও সাদা আটার মত প্রক্রিয়াজাত শস্যদানা বেশি খাওয়ার সাথে মেদ জমার সম্পর্ক রয়েছে। অন্যদিকে লাল চাল বা ঢেঁকীছাঁটা চাল (কুড়াকাটা চাল হিসেবেও পরিচিত) এবং লাল আটার মতো গোটা শস্যদানা বেশি খাওয়ার সাথে পেটের মেদ কমানোর সম্পর্ক থাকার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।
✅পেটের মেদ কমাতে করণীয়
লাল চাল বা লাল আটার স্বাদের সাথে অনেকেই অভ্যস্ত নয়, তাই প্রথমে এটি ভালো না-ই লাগতে পারে। কিন্তু এইটা পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে এবং স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী হবে। তাই আস্তে আস্তে হলেও এগুলো খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। প্রয়োজনে শুরুর দিকে সাদা চাল বা সাদা আটার সাথে কিছুটা লাল চাল বা আটা মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
🔸৯. ‘লো-ফ্যাট বা ফ্যাট-ফ্রি খাবার’ খাওয়ার আগে মোড়ক যাচাই করে নিন
লো-ফ্যাট খাবার খেয়ে মেদ তৈরি হতে পারে—এ কথা শুনে খটকা লাগতেই পারে। এর কারণ হলো, লো-ফ্যাট বা ফ্যাটমুক্ত খাবারকে সাধারণত স্বাস্থ্যকর মনে করা হলেও, এসব খাবারও কখনো কখনো অস্বাস্থ্যকর হতে পারে।
একটি খাবারকে লো-ফ্যাট হিসেবে তৈরি করার সময় সেখান থেকে ফ্যাট সরিয়ে বা কমিয়ে ফেললে অনেকের কাছেই তা কম সুস্বাদু মনে হয়। তাই খাবার সুস্বাদু করে বিক্রি বাড়াতে খাবার প্রস্তুতকারীরা সাধারণত এসব খাবারে অতিরিক্ত চিনি যোগ করে বাজারজাত করে থাকে।
✅পেটের মেদ কমাতে করণীয়
অতিরিক্ত চিনি প্রচুর ক্যালরি যুক্ত করে, খাবারটিকে অস্বাস্থ্যকর বানায় এবং ওজন বাড়ায়। তাই এখন থেকে লো-ফ্যাট বা ফ্যাট-ফ্রি কোনো খাবার কেনার আগে, তাতে চিনি যোগ করা হয়েছে কি না তা মোড়কের লেখা থেকে দেখে নিন।
🔸১০. শুয়ে বসে না থেকে অ্যাকটিভ হোন
শুয়ে-বসে থাকলে যে শরীরে মেদ জমে তা প্রায় সবারই জানা। এর খুবই সহজ সমাধান হলো সপ্তাহে ৫ দিন মাত্র ৩০ মিনিট করে দ্রুত হাঁটা। সারা সপ্তাহে মাত্র আড়াই ঘণ্টা ব্যায়াম করেই আপনি অনেক উপকার পাবেন। এতে রোগব্যাধির সম্ভাবনা কমবে, শরীরের চর্বির পরিমাণও কমবে।
রাতারাতি চর্বি কমার আশা করবেন না। হাঁটা চালিয়ে যাবেন, সাথে কিছু ভারোত্তোলন ও অন্যান্য স্ট্রেংথ ট্রেনিং করতে পারলে আরও ভালো। অন্য কোনো ব্যায়াম আপনার জন্য উপযুক্ত হলে সেটিও করতে পারেন। অনেকদিন ধরে কোনো শারীরিক পরিশ্রম করেননি এমন ব্যক্তিও আমাদের শূন্য থেকে পাঁচ কিলোমিটার গাইডটি অনুসরণ করে দৌড়ানো শুরু করতে পারেন।
25/07/2022
🔥🔥ওজন কমানোর সঠিক নিয়মকানুন🔥🔥
আধুনিক ও যান্ত্রিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বাড়ছে আমাদের শরীরের ওজন। আর এ থেকে মুক্তি পেতে কেউ ছুটছেন জিমে আবার কেউ বা করছেন ডায়েটিং। অনেকে ওজন বেড়ে গেলে বা ওজন বাড়ার ভয়ে হঠাৎ করে ডায়েটিং শুরু করেন। এক্ষেত্রে অবশ্য মেয়েরা অনেকখানি এগিয়ে। কিন্তু কোন কিছু না ভেবে ডায়েটিশিয়ান বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ ব্যতিত অথবা না বুঝে ডায়েট শুরু করলে কিংবা একেবারেই খাবার কমিয়ে দিলে ওজন তো কমেই না বরং শরীরে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টির
➡️অভাব দেখা দেয় যা সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার প্রধান অন্তরায়।
আমরা কেন মোটা হই বা আমাদের কেন ওজন বাড়ে, তা জানেন কি? আমাদের ওজন বাড়ার সাথে দেহের ক্যালোরির অনেক বড় সংযোগ রয়েছে। আমরা প্রতিদিন যতটা ক্যালরি গ্রহণ করি তা যদি দেহে শুধুই জমা হতে থাকে তাহলে নিঃসন্দেহে আমরা মোটা হবো। অর্থাৎ দেহের ওজনটা ঠিক রাখতে ক্যালরি ক্ষয়ের গুরুত্ব অনেক বেশি। কিন্তু ক্যালরি ক্ষয় নিয়েই সব ঝামেলা।
এক কথায় আমাদের তখনই ওজন বাড়ে যখন আমরা আমাদের প্রতিদিনের কাজে এবং ব্যায়ামে ব্যবহৃত ক্যালরির চেয়ে বেশি ক্যালরি গ্রহণ করি।
➡️অধিকাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষেরই কম খাওয়া এবং বেশি কাজ করা উচিত। স্বাস্থ্যকর উপায়ে এবং দীর্ঘমেয়াদে ওজন কমানোর একমাত্র উপায় হচ্ছে স্থায়ীভাবে আপনার খাদ্যাভ্যাস এবং ব্যায়ামে পরিবর্তন আনা। কিছু ছোট পরিবর্তন যেমন কম খাওয়া এবং ফ্যাট, চিনি ও অ্যালকোহল যুক্ত পানীয় পান থেকে বিরত থাকলে তা আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে।
➡️অনেকেই মোটা হবার ভয়ে একেবারেই খাবার কমিয়ে দেন। খাওয়া কমিয়ে দিলে ওজন কমে ঠিকই কিন্তু শরীরে দেখা দেয় নানা ধরনের সমস্যা। তাই নিয়মিত খাদ্য গ্রহণ করা উচিৎ এবং এমন খাদ্য নির্বাচন করা জরুরি যা খেলে ওজন বৃদ্ধি হবে না কিন্তু শরীর তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি ঠিকই পাবে।
➡️সঠিক পদ্ধতিতে স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন কমানোর উপায় ঃ এখানে স্বাস্থ্যকরভাবে খাবার খাওয়া এবং ওজন কমানোর সহজ উপায় বর্ণিত হল :
✅আপনার খাবারে ফ্যাটের পরিমাণ কমানোর জন্য আপনি মাংসের বাড়তি চর্বি কেটে ফেলতে পারেন।
✅ ফুল ক্রিম দুধের পরিবর্তে সর ছাড়া দুধ পান করতে পারেন, মিষ্টি দই এর পরিবর্তে টক দই ব্যবহার করতে পারেন।
✅বাইরের তৈরি অস্বাস্থ্যকর খাবারের পরিবর্তে ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবার নির্বাচন করতে পারেন।
✅ শস্য দ্বারা তৈরি খাবার খান, যেমন- লাল আটার রুটি, বাদামী চাল এবং পাস্তা এগুলো অন্যান্য খাবারের চেয়ে ধীরে ধীরে হজম হয় ফলে দীর্ঘ সময় ধরে আপনার পেট ভর্তি থাকে।
✅ডায়েটিং করে সকালের নাস্তা বাদ দেয়া যাবে না। অবশ্যই সকালের নাস্তা করবেন। একটি স্বাস্থ্যকর সকালের নাস্তা আপনাকে দিন শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি যোগাবে। কিছু গবেষণায় দেখা যায়, যেসব মানুষ নিয়মিত সকালের নাস্তা খায় তারা সাধারণত বেশি ওজনের অধিকারী হন না।
✅বিকেলে যদি আপনার কোন নাস্তা খেতে ইচ্ছা করে, তবে প্রথমে একটি পানীয় পান করুন, যেমন- এক গ্লাস পানি বা এককাপ চিনি ছাড়া চা। প্রায়ই যখন আমরা নিজেদের ক্ষুদার্থ মনে করি, আসলে তখন আমরা তৃষ্ণার্থ থাকি।
✅উচ্চ ক্যালরির পরিবর্তে স্বল্প-ক্যালরির পানীয় নির্বাচন করুন অর্থাৎ যেসব পানীয়তে কম মাত্রায় ফ্যাট, চিনি এবং অ্যালকোহল থাকে সেগুলো পান করুন। চিনিযুক্ত কোমল পানীয়ের পরিবর্তে স্বচ্ছ ও এক টুকরো লেবুসহ পানীয় বাছাই করতে পারেন।
✅ মাংসের চর্বি, মুরগির চামড়া বর্জ্য ভেবে ফেলে দিন। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় জমাট থাকে এমন চর্বি যেমন ঘি, মাখন ও মার্জারিনকে খাদ্য তালিকা থেকে দূরে রাখুন।
✅আমিষের দৈনিক চাহিদা মেটাতে একটা ডিম, বীজ বাদাম, ডাল ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় স্থান দিন। মূল খাবার গ্রহণের মাঝের সময়ের ফাঁকটুকু পূরণ করুন ফলমূল বা কম ক্যালরির নাশতা যেমন মুড়ি বা সবজি সুপ, শশা, গাজর, দেশি ফল ইত্যাদি দিয়ে।
✅মোটা হওয়ার ভয়ে কখনো এক বেলার খাবার বাদ দেয়া উচিত নয়; বরং সারাদিনে ৩ বেলার খাবারের পরিবর্তে ৫ বেলা খাবার গ্রহণ করলে ভাল ফল পাওয়া যায়।
✅ অল্প অল্প করে ঘন ঘন খাবার খেলে শরীরে কর্ম শক্তির অভাব পরিলক্ষিত হয় না।
দ্রুত ওজন কমানোর জন্য ক্রাশ ডায়েটে না যাওয়াটাই উত্তম। এতে অল্প সময়ে ওজন কমলেও শরীরে মেদ জমতে দেরিও লাগে না। তাই সঠিক নিয়ম মেনে ডায়েট করুন। এতে প্রথম দিকে ওজন যদি না কমে তবে হতাশ হবেন না। ধৈর্য ধরে ডায়েট চার্ট মেনে চলুন।
✅মনে রাখবেন ওজন নিয়ন্ত্রনের জন্য শুধু খাবার কমালেই হবে না এর জন্য ব্যায়াম ও প্রয়োজন। নিয়মিত ব্যায়াম শুধু আপনার ওজনই কমাবে না, তা আপনার মারাত্মক রোগ যেমন-উচ্চ রক্ত চাপ, হৃদ রোগ ইত্যাদি হওয়ার ঝুঁকিও কমাতে পারে।
✅সকালে হাঁটার ফলে বিশুদ্ধ বাতাস ও সুন্দর পরিবেশ আপনার হৃৎপি- ও মনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। হাঁটার সময় হৃৎপি- শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করে। ফলে প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুস্থ ও সচল থাকে এবং মানুষ দীর্ঘজীবী হয়।
✅আপনি কতটুকু ব্যায়াম করবেন তা আপনার লিঙ্গ, বয়সের উপর এবং কাজের ধরনের উপর নির্ভর করবে। হাঁটা হলো সব ধরনের ব্যায়ামের মধ্যে সবচেয়ে উপকারী।
✅প্রতিদিন সকালে অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট টানা হাঁটার অভ্যাস করুন কারণ প্রতিদিন সকালে মাত্র ২০-৩০ মিনিটের এই হাঁটা সারা দিন ভালো থাকতে সাহায্য করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।
✅রোগবালাই থাকুক আর না থাকুক, রসনা তৃপ্তির সময় খাবার খানিকটা বাছাই করা উচিত। কিন্তু খাদ্য নিয়ন্ত্রণ বা ডায়েটিংয়ের কথা বলা হলে অনেকে ভাবেন সব খাবার বন্ধ হয়ে গেল বুঝি।। সত্যিকার অর্থে ব্যাপারটা তা নয়। দৈনিক, ভাত, ডাল, মাছ, মুরগি, সব ধরনের সবজি পরিমিত পরিমাণে খেয়ে এবং রসনার তৃপ্তি করেও শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
✅ডায়েট করার আগে জেনে নিন ডায়েট আসলে কী? কার জন্য কোন ডায়েট প্রযোজ্য, কত ধরনের ডায়েট হয়, কোন ডায়েটের কী উপযোগিতা, ডায়েটের কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কি না ইত্যাদি বিষয়। প্রযোজনে পরামর্শ নিন একজন অভিজ্ঞ ডায়েটিশিয়ানের। কারণ আপনার শরীরের চাহিদা অনুযায়ী, আপনার বেছে নেয়া ডায়েট উপযোগী কি না তা একজন ডায়েটিশিয়ান বা পুষ্টিবিদ ভাল বলতে পারবেন।
24/07/2022
🔥ভুঁড়ি কমানোর সহজ উপায়🔥
পেটের মেদ একটি বিব্রতকর বিষয়। উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার যে পেটের মেদ বাড়ায় তা নয়, বেশি ক্যালরিযুক্ত যেকোনো খাবারই পেটের মেদ বাড়াতে পারে। একবার পেটে মেদ জমলে সেটা কাটিয়ে ওঠা যাবে না, এ ধারণা ভুল। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে অভ্যস্থ হলে সহজে মেদ কমিয়ে ফেলা সম্ভব।
তার আগে জানা জরুরি কোন ধরনের খাবারের কারণে পেটে মেদ জমতে থাকে। সাধারণত মদ্যপান, মিষ্টিজাতীয় খাবার অতিরিক্ত গ্রহণ, ডুবো তেলে ভাজা খাবার, কোমল পানীয়, অস্বাস্থ্যকর বাইরের খাবার, নিয়মিত লাল মাংস (রেড মিট) খাওয়া, স্যাচুরেটেড চর্বি গ্রহণ ইত্যাদি পেটের মেদ বাড়িয়ে তোলার পেছনে ভূমিকা রাখে।
ওয়ের্ক ফোর্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা বলেন, যখন একই তেল বারবার ব্যবহার করা হয়, তখন সেখানে ট্রান্সফ্যাট উৎপন্ন হয়। ট্রান্সফ্যাট পেটের মেদ বাড়িয়ে দেয়। পেটের মেদ অতিরিক্ত জমে যাওয়ার আগেই সেটিকে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।
নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস ও সঠিক জীবনযাপনের মাধ্যমে আমরা শরীরের বাড়তি মেদ জমা বা ভুঁড়ি হওয়া থেকে রক্ষা পেতে পারি। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক, পেটের মেদ বা ভুঁড়ি থেকে বাঁচতে কী করা যায়।
➡️খাদ্যতালিকায় ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। যেমন—লাল চাল বা লাল আটার তৈরি খাবার এবং শাকসবজি ও ফলমূলজাতীয় খাবারে মিলবে আঁশ।
➡️গ্রিন-টিতে আছে অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা পেটের মেদ কমাতে খুব বেশি কার্যকর। তাই দুধ ও চিনি বেশি দিয়ে চা পানের অভ্যাস বদলে নিন গ্রিন-টিতে।
➡️আখরোট, কাঠবাদাম ও সামুদ্রিক মাছ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎস। তাই এসব খাবার পেটের মেদ কমাতে কার্যকর।
➡️ঝাল খাবার খান, পেটের মেদ কমে যাবে। অবাক হচ্ছেন? অবাক হবেন না। ঝাল খাবেন কিন্তু সেই ঝাল আসবে দারুচিনি, আদা, গোলমরিচ এবং কাঁচামরিচ থেকে। এসব রান্নায় ব্যবহার করুন। এই মসলা স্বাস্থ্যকর ও পেটের মেদ কমাতে কার্যকর।
➡️কাঁচা রসুনের কয়েক কোয়া সকালবেলা চুষে খান। এই অভ্যাসের ফলে দ্রুত আপনার ওজন কমবে আর পেটের মেদ ঝরবে। কাঁচা রসুন শরীরের রক্তপ্রবাহ সহজ করে। পেটে মেদ জমতে দেয় না।
➡️সকাল শুরু করুন এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করে। এতে শরীরের হজমপ্রক্রিয়া ভালো থাকবে এবং শরীরে মেদ জমার প্রক্রিয়া ধীর হবে।
➡️অতিরিক্ত চিন্তা ও কম উদ্যোগের ফলেও কোমরের চারপাশে বা পেটে মেদ জমতে পারে। তাই ভুঁড়ি কমাতে অবশ্যই চিন্তামুক্ত জীবনযাপন করতে হবে।
➡️অনেকেই খাবার খাওয়ার পর বসে থাকেন বা শুয়ে পড়েন। তাদের খাবার সঠিকভাবে পরিপাক হয় না, ফলে পেটে চর্বি জমতে থাকে। সে জন্য খাবার খাওয়ার পর একটানা শুয়ে-বসে না থেকে ১৫ থেকে ২০ মিনিট হাঁটাহাঁটি করা উচিত।
➡️যাঁদের সারা দিন টেবিল–চেয়ারে বসে কাজ করতে হয়, তাঁদের পেটে সহজে মেদ জমে যায়। ভুঁড়ি গোল হতে শুরু করে। তাই তাঁদের উচিত ৩০-৪০ মিনিট বসে কাজ করার পর উঠে ১০-১৫ মিনিট হাঁটাহাঁটি করা।
➡️একবারে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ না করে অল্প অল্প করে বারবার খাবার গ্রহণ করুন। সারা দিনের অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার খাবারকে ৫-৬ বারে গ্রহণ করুন। সেখানে তিনবার প্রধান খাবার ও দুই-তিনবার নাশতাজাতীয় খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন।
13/07/2022
⬇️সঠিক খাদ্যাভ্যাস শরীরকে সুস্থ ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে⬇️
সুস্থ থাকতে যেমন প্রয়োজন ভিটামিন, মিনারেল। ঠিক তেমনি ওজন নিয়ন্ত্রণেও জানতে হবে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের প্রয়োজনীয় নিয়ম কানুন। শরীরকে সুস্থ রাখতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। সারাদিনের খাদ্যতালিকায় যুক্ত করতে হবে শরীরের চাহিদা অনুযায়ী শর্করা, চর্বি, ভিটামিন, মিনারেল ও পানির সুষম বণ্টন। এছাড়া তিনবেলা খাবারের পরিবর্তন করে ৫ থেকে ৬ বেলার খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
শরীর সুস্থ ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন নিউট্রিশন বিশেষজ্ঞ ডা. মৌসুমী আফরিন ইভা।
✅১. অনেকেই মনে করেন চর্বিযুক্ত খাবার ওজন বৃদ্ধি করে। এ ধারণাটি সঠিক নয়। চর্বি বা ফ্যাট জাতীয় খাবার অবশ্যই খেতে হবে। কারণ ফ্যাটযুক্ত খাবার শরীরের জন্য বিশেষভাবে প্রয়োজন। কিন্তু কোন ফ্যাট প্রয়োজনীয় এবং কোনটি অপ্রয়োজনীয় সেটি বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে।
✅২. অনেকেই সুস্থ থাকতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে ইউটিউব দেখে ধারণা নেয়। কিন্তু শরীরের জন্য কোন খাবারটি প্রয়োজন এবং কোনো খাবারটি বাদ দিতে হবে তার জন্য একজন নিউট্রিশন কনসালটেন্ট বা অভিজ্ঞ ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নিতে হবে।
✅৩. মিষ্টি জাতীয় খাবার একজন ডায়াবেটিক রোগী সব সময়ই এড়িয়ে চলেন। কারণ এই খাবার রক্তে সুগারের পরিমাণ বাড়ায়। কিন্তু এমন কিছু খাবার আছে যার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স অনেক বেশি। যা খেতে মিষ্টি নয় কিন্তু তা মিষ্টি জাতীয় খাবারের মতো রক্তের গ্লুকোজ বাড়াতে বিশেষভাবে দায়ী। এক্ষেত্রে এসব খাবারগুলোও পরিহার করতে হবে।
✅৪. রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেশি হলে খাবার নিয়ে সতর্ক হতে হবে। এছাড়া গাউট রোগে আক্রান্ত রোগীর জন্য এমন কিছু খাবার নিষিদ্ধ আছে, যা খাওয়ার কারণে শরীরের ব্যথা অজান্তেই বেড়ে যায়। দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীদের অতিরিক্ত পানি নয়, বরং পরিমাণ মতো পানি পান করতে হবে। পিউরিন ও পটাশিয়াম বেশি এমন শাকসবজি ও ফলমূলকে খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিয়ে চালকুমড়া, চিচিঙ্গা, ঝিঙে, মিষ্টি পেঁপেসহ অন্যান্য খাবার দিয়ে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে।
✅৫. কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীরা প্রোটিন জাতীয় খাবার কম খান। তবে কিছু রোগী এমনভাবে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার বন্ধ করে ফেলেন যে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এজন্য শরীরের ঘাটতি অনুযায়ী পরিমিত প্রোটিন খাবার তালিকায় রাখতে হবে। প্রতিদিন মাছ, মাংস, ডিম (প্রতি ওজনের জন্য ০.৫–০.৮ গ্রাম আমিষ) খেতে হবে। সেই সঙ্গে লবণ বা সোডিয়াম খাবার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
✅৬. উচ্চরক্তচাপের রোগীরা কাঁচা লবণ কম খেলেও প্রতিদিন আচার, চানাচুর, চিপস, মুড়ি, সস বা সয়াসসের রান্না করা খাবার খেয়ে যাচ্ছেন। ফলে লবণের মাত্রা কমার পরিবর্তে বাড়ছে।
✅৭. যারা হাইপো থাইরয়েড এর রোগী, তাদেরকে ব্রকলি, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ কেক, পাউরুটি, ওটস, পেস্ট্রি ইত্যাদি খাবারগুলো পরিহার করে লাল চালের ভাত, লাল আটার রুটি খাবার খেতে হবে।
✅৮. যারা ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত, যাদের রক্তে কোলেস্টেরল বা ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা অনেক বেশি তাদের ক্ষেত্রেও প্রাণীজ চর্বি জাতীয় খাবার, অতিরিক্ত পোড়া, ডুবো তেলে ভাজা (ট্রান্সফ্যাট) জাতীয় খাবার প্রতিদিনের খাবারের তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। সেই সঙ্গে যুক্ত করতে হবে মৌসুমি ফলমূলও সবুজ–শাক সবজি।
✅৯. গর্ভবতী মহিলাদের বাচ্চা পেটে থাকা অবস্থায় কামরাঙা, আনারস, পেঁপে না খাওয়াই ভালো। এ সময় আমিষ সমৃদ্ধ খাবার মাছ, মাংস, দুধ খেতে হবে। সেই সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে আঁশযুক্ত শাক–সবজিও ফল খেতে হবে।
✅১০. ওজন কমানোর জন্য ক্রাশ ডায়েট, ওয়াটার ফাস্টিং, কিটো ডায়েট, ইন্টারমিটেন্ট ডায়েট জাতীয় অস্বাস্থ্যকর ডায়েটের প্রতি না ঝুঁকে কায়িক পরিশ্রম বাড়ান এবং নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
✅১১. রাত ১১টার মধ্যে সকল ডিভাইস বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়ুন, আবার ঘুম থেকে ভোরে উঠে পড়ুন। সম্ভব হলে দুপুরের ঘুমকে না বলুন।
✅১২. ফাস্ট ফুড, জাঙ্ক ফুড, প্রোসেস ফুড, আইসক্রিম, পেস্ট্রি, চকলেট জাতীয় খাবারকে খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিন।
✅১৩. দিনে কম পক্ষে ২ থেকে ৩ গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করুন। এর সঙ্গে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। তবে এসিডিটির সমস্যা থাকলে তা পরিহার করুন। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এই লেবুর রস শরীরের ফ্যাট কাটাতে সাহায্য করে।
✅১৪. যারা ডেস্কে বসে কাজ করেন, তারা কিছুক্ষণ পর পর একটু হাঁটাচলা করুন। ধুমপান–মদ্যপান পরিহার করুন।
06/07/2022
➡️সুস্থ থাকতে যে ৭ টি কাজ প্রতিদিন করা উচিৎ---
সুস্থ দেহ ও মন আমাদের সকলেরই কাম্য। কিন্তু কর্মব্যস্ত জীবনে নিজের শরীরের দিকে আমাদে খুব একটা খেয়াল রাখিনা। তাই কখন কোন দিক দিয়ে চেহারায় পড়ে যায় বয়সের ছাপ, ওজন বৃদ্ধি পায় নিজের অজান্তেই, দেহের ত্বক, চুল সবকিছুই কেমন যেন মলিন হয়ে যায়। তাই যে কোন কিছুর আগে অবশ্যই নিজের দেহকে সুস্থ রাখতে হবে। আর এর জন্য কিন্তু খুব কষ্ট করতে হবে না আপনার। সামান্য কয়েকটি ছোট কাজ নিয়মিত করার মাধ্যমে আপনি সুস্থ থাকতে পারবনে চিরকাল। তাই জেনে রাখুন সুস্থ থাকতে যে ৭ টি কাজ আপনাকে করতে হবে।
➡️পানি পান করুন
সুস্থ থাকতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল প্রচুর পরিমাণে পানি করা। আমাদের অনেকেই আছেন যারা পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান না করে কফি, চা, কোমল পানীয় পান করে থাকেন। কিন্তু প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করা উচিৎ আমাদের সকলেরই। আপনি যেখানেই যান না কেন পানির বোতল সাথে নিতে ভুলবেন না।
▶️সবসময় ভালো চিন্তা করুন
জীবনে যখন যাই-ই করেন না কেন সবসময় ভালো চিন্তা করুন। ভালো চিন্তা আমাদের দেহ ও মনকে সুস্থ রাখে। প্রতিদিন শুরু করুন ভাল চিন্তা দিয়ে, কোন খারাপ কিছু থেকেও ভালো আশা করুন। দেখবেন দেহ ও মন উভয়ই আপনাকে সুস্থ রাখবে।
▶️স্বাস্থ্যকর খাবার খান
সকালের নাস্তা শুরু করুন স্বাস্থ্যকর খাবার দিয়ে, যা আপনাকে সারাদিন সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। খাবার এমন একটি জিনিস আমাদের প্রতিদিনের সঙ্গী, যা ছাড়া আমরা অচল। স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং শরীরের জন্য যে সকল খাবার উপযুক্ত নয় তা আপনাকে জেনে নিতে হবে। তার মানে এই নয় যে কখনোই আপনি বাইরের জাঙ্ক ফুড খেতে পারবেনা না। অবশ্যই খেতে পারেন, তবে খুব বেশি নয়।
➡️প্রতিদিন ব্যায়াম করুন
সর্বদা সুস্থ থাকার মূল মন্ত্র হল ব্যায়াম। আপনি যদি প্রতিদিন সামান্য করে হলেও ব্যায়াম করতে পারেন, তবে তা আপনকে সুস্থ রাখবে এবং দেহে অতিরিক্তি মেদও জমতে দেবে না। তাই একটি রুটিন করে নিন যে নিয়মিত অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়ামের পিছনে ব্যয় করবেন।
▶️প্রতিদিন ভিটামিন খেয়ে নিন
এটা খুব ছোট্ট একটি কাজ যার মাধ্যমে আপনি সুস্থ থাকবেন। প্রতিদিন মাল্টিভিটামিন খেতে ভুলবেন না। এবং এই ভিটামিন আপনার দেহের অপূর্ণতা রোধ করবে। কিন্তু যে কোন ভিটামিন নেয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিতে ভুলবেন না। কারণ ডাক্তারই আপনাকে বলে দেবেন আপনার দেহের জন্য কোন ভিটামিন প্রয়োজন।
▶️যানবাহনে সাবাধানে থাকুন
আমাদের প্রতিদিনি বিভিন্ন কাজে বের হতে হয়। কিন্তু বের হওয়া মানেই মনের মধ্যে আতঙ্ক থাকা। কারণ রাস্তা ঘাটে এতো বেশী যানবাহন চলা ফেরা করে যে, সবসময়ই মনের মধ্যে যেকোন দুর্ঘটনা ঘটার ভয় থাকে। তাই আপনি যদি নিজের গাড়িতে করে যাতায়াত করেন তাহলে অবশ্যই সিট বেল্ট বাঁধতে ভুলবেন না এবং যারা অন্য সকল যানবাহনে চলাফেরা করেন তারাও নিজ নিজ অবস্থায় সাবধানে থাকুন।
▶️প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা ঘুমিয়ে নিন
সুস্থ থাকতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল নিয়মিত ৭ ঘণ্টা ঘুমানো। ভালো ঘুম আপনার দেহকেও সুস্থ রাখবে ও মনও ভালো রাখবে। তাছাড়া প্রতিদিন মানুষের ওপর দিয়ে যে পরিমাণে চাপ যায় এর জন্য দেহ ও মস্তিষ্ক সবল রাখতে নিয়মিত ৭ ঘন্টা ঘুম খুব জরুরি। তথ্যঃ মানসিক স্বাস্থ্য পত্রিকা ‘মনোজগত’ ২০১৪
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Nikunjho-2, Khilkhet
Dhaka
1229