Femme Care Hijama & Cupping Center
Cupping therapy or Hijama is a sunnah treatment which is taken our Prophet Mohammed ﷺ.
24/02/2023
আমার বাবা যে বাড়িটা করেছেন, সেটা তিনতলা। সেখানে আমার পছন্দে করা একটা রুমও নেই। তাকে যখনি বলতাম, এটা এমন না, অন্যরকম করো, তিনি একদিন বলেই ফেললেন, এটা তো তোমার বাড়ি না। তোমার বাড়ি তোমার পছন্দে করে নিও। এখানে মাঝে মাঝে বেড়াতে আসবে, সেটুক সময়ের জন্য অমন না হলেও চলবে।
আমি চুপ করে গিয়েছিলাম। আমার শ্বশুরবাড়িতেও একটা বাড়ি করা হয়েছে, সেটাও চারতলা। কিন্তু বিয়ের পর থেকে স্বামীর চাকরির জন্য ঢাকাবাসী হওয়ায় ওই বাড়িতে অতিথি হিসেবেই যাওয়া হয়। ওখানে আসলে আমার বলে কিছু নেই। এরপরের বিষয়টা আরো মারাত্মক। যেখানে আমি থাকি, সেই বাসাটাও পুরোপুরি আমার হয়ে ওঠেনি। দুয়েকটা মতের অমিল হয়ে গেলে দুয়েকবার বাসা থেকে বের করে দেবো অথবা যেখান থেকে এসেছ, সেখানে চলে যাও, কোনো সমস্যা নাই, এইরকম কথা শুনে ফেলেছি! ভালোবাসার গল্পের আড়ালে এসব হুট করে বলা কথাটাও কানে ঝুলে থাকে, সরে যায় না। বিষয়টা আসলে কী দাঁড়াচ্ছে তাহলে, এতবড় পৃথিবীতে আমি বা আমার মত অনেক মেয়েই আশ্রিত। নিজের বলে কিচ্ছু নেই।
আমার আজীবন স্বপ্ন, আমার একটা বাড়ি হবে। সেই বাড়িটা আমার মনের মতো করে সাজানো হবে। বাড়ির সামনে বাগানবিলাসের ঝোপ হবে। ড্রয়িংরুমের এক কোণে পা ছড়িয়ে বই পড়ার মতো একটা ডিভান থাকবে৷
একটা মস্ত আকাশ থাকবে ছোট্ট ছাদের ছাউনি হিসেবে, জোছনা রাতে সেখানে ঝুলবে তারাদের শামিয়ানা।
আমার পরে সেই বাড়ি উত্তরাধিকার সূত্রে আমার মেয়ে পাবে। ওর হাত দিয়ে ওর মেয়ে! যেন ওদের কেউ বলতে না পারে যে, বের করে দিবো! অথবা পায়ের নিচের মাটিটা কখনো হালকা না লাগে।
সাড়ে তিন হাতের স্থায়ী বাড়ির আগে এই মর্ত্যলোকের সেই বাড়িটা কি আদৌ করে উঠতে পারবো কখনো!🙃
~শানজানা আলম
হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, “নিশ্চয় তােমরা যে সমস্ত জিনিস দিয়ে চিকিৎসা করাে, তার মধ্যে সর্বোত্তম হলাে ‘হিজামা' তথা শিঙ্গা লাগানাে”।
(সহিহ বুখারি: ৭/১২৫, হাদিস নং-৫৬৯৬, সহিহ মুসলিমঃ ৩/১২০৪, হাদিস নং-১৫৭৭, সুনানে
তিরমিযী: ২/৫৬৭, হাদিস নং-১২৭৮)
20/07/2021
তাকাবালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিংকুম। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা।
ঈদের পর রংপুর আসছি, রংপুরের এবং রংপুরের আশেপাশের যারা হিজামা করতে চান তারা ইনবক্সে নক দিয়ে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নিন। খুশির খবর হলো ঈদ উপলক্ষে বিশেষ ছাড় আছে। পরের মাস পুরোটাই রংপুরে এভেলএবল আছি ইং শা আল্লহ।
কি ছাড় তা পরে এনাউন্ডস করা হবে। ইং শা আল্লহ।
10/05/2021
বর্তমানে প্রচলিত কাপিং থেরাপী বা হিজামা এটি এসেছে আরবী শব্দ "আল-হাজম" থেকে, যার অর্থ চোষা বা টেনে নেয়া।
এটা এক ধরনের প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি যা কি না শরীর থেকে টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থকে বের করার মাধ্যমে শরীরের রক্ত প্রবাহ ত্বরান্বিত করে। এতে মাংশপেশীসহ শরীরের বিভিন্ন ইন্টার্নাল অর্গান আরো বেশী ফাংশনিং হয়।যেহেতু এটা নববী চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং ওহীভিত্তিক তাই এটাকে নবীর সুন্নাহ হিসেবে ব্যবহারের মাধ্যমে স্পিরিচুয়াল হিলিং অর্জন ও সম্ভব হয়।মাইগ্রেন,হাইপারটেনশন,বিভিন্ন ধরনের জয়েন্ট পেইন সহ নানা সমস্যায় হিজামা বেশ কার্যকরী পদ্ধতি।
হাদীসে বর্ণিত আছে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন -
💠"নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে"
(সহীহ মুসলিম,হাদিস নং-২২০৫)
এছাড়াও তিনি বলেন-
💠"কেউ হিজামা করতে চাইলে সে যেন আরবী মাসের ১৭, ১৯ কিংবা ২১ তম দিনকে নির্বাচিত করে।রক্তচাপের কারনে যাতে তোমাদের কারোর মৃত্যু না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখবে।"
(সুনানে ইবনে মাজা,হাদিস নং- ৩৪৮৬)
এখানে মূলত বেশ কিছু কাপ ব্যাবহার করা হয় শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ করে যেসব জায়গায় ব্যাথা থাকে।এই কাপগুলোকে শরীরের স্কিনের সাথে ভ্যাকুয়াম তৈরি করে লাগিয়ে রাখা হয় ৫-১০ মিনিট। এতে করে কাপের এরিয়ার বর্ডারের দাগ পাওয়া যায়।এরপর ঐ সব জায়গায় কিছু খুবই মাইনর স্কিন স্ক্র্যাচ করা হয়।এটা করা যেতে পারে সার্জিক্যাল স্ক্যালপেল বা ল্যান্সেট দিয়ে।তারপর পুনরায় ভ্যাকুয়াম তৈরি করে কাপ গুলো বসিয়ে দেয়া হয় আবার আগের জায়গায়।এতে করে স্কিনের মাইনর স্ক্র্যাচ এর ফলে দূষিত রক্ত বের হয়ে আসবে।এভাবে আরও ১৫-২০ মিনিট রাখা হয়।
⛔প্রশ্ন হলো কিভাবে এই হিজামা থেরাপি কাজ করে⁉️
✳️মূলত স্কিনে যখন মাইনর স্ক্র্যাচ করা হচ্ছে তখন আমাদের পুরো স্কিন কে ভেদ করে না।শুধু মাত্র স্কিনের একদম উপরের ২ টি লেয়ার এপিডার্মিস এবং ডার্মিস পর্যন্ত এটা করা হয়।এই স্ক্র্যাচ ডার্মিসের নিচে থাকা ব্লাড ভেসেল কে পাংচার করে।এতে করে ভেসেলের গায়ে ইনফ্ল্যামেটরি রিয়েকশান শুরু হয়।এই ইনফ্ল্যামেটরি রিয়েকশানের মাঝে অন্যতম একটি উপাদান হচ্ছে নাইট্রিক অক্সাইড। যেগুলো ভেসেলের গায়ে থাকা এন্ডোথেলিয়াল সেল থেকে রিলিজ হয়।এই নাইট্রিক অক্সাইড, ব্যাকটেরিয়া থেকে রিলিজ হওয়া বিভিন্ন টক্সিক ম্যাটেরিয়াল কে নষ্ট করে দেয় এবং বডির ইমিউন সিস্টেমের অন্যান্য সেল গুলো যেমন- ম্যাক্রোফেজ,লিম্ফোসাইট,মাস্ট সেল,নিউট্রোফিল,ন্যাচারাল কিলার সেল,এন্টিজেন প্রেজেন্টিং সেল এগুলোর কার্যক্ষমতা, এদের ডেভেলপমেন্ট ও মারা যাওয়া এই ব্যাপার গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে।অর্থাৎ বডির সমগ্র ইমিউন সিস্টেমের কে এফেক্ট করতে পারে এই নাইট্রিক অক্সাইড!
⛔এখন মনে প্রশ্ন জাগতে পারে এই নাইট্রিক অক্সাইড কিভবে টক্সিন গুলোকে রুমুভ করে ❓
এটি মূলত টক্সিন গুলোকে আমাদের বডির ব্লাড ভেসেলের সাথে থাকা লিম্ফেটিক সিস্টেমে পাঠিয়ে দেয়।লিম্ফ থেকে এই টক্সিন ম্যাটেরিয়াল আমাদের ঘাম,পস্রাব,শ্বাস-প্রশ্বাস এর সাথে বডি থেকে বেরিয়ে যায়।
✳️এই নাইট্রিক অক্সাইড আবার ব্লাড ভেসেলের লুমেন কে প্রসারিত করে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
✳️হিজামা বডির কম্প্লিমেন্ট সিস্টেম কে এক্টিভ রাখে, যেটা ইমিউন সিস্টেমের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ
✳️কাপিং করার ফলে ইমিউন প্রোডাক্টস যেমন - গামা-ইন্টারফেরন,টিউমার নেক্রোটাইজিং ফ্যাক্টর এগুলোর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
✳️প্রচুর পরিমাণ এন্ডোরফিন রিলিজ হয় রক্তে যা প্রাকৃতিক পেইন কিলার হিসেবে কাজ করে।
🎯হিজামার পদ্ধতি আবার কয়েক ধরনের আছে।এর মাঝে অন্যতম হলো -
✳️স্টিমুলেটরি কাপিং - সাধারণত এটিই খুব বেশি ব্যাবহৃত হয়।এই পদ্ধতিতে কাপ গুলোকে বডির সাথে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখা হয়।
✳️ফ্ল্যাশ কাপিং- এই পদ্ধতিতে কাপ গুলোকে খুব দ্রুত রিপিটেডলি বডিতে লাগানো হয় এবং রিমুভ করা হয়।
✳️গ্লাইড কাপিং- এই পদ্ধতিতে কাপ দিয়ে স্কিনের উপর বেশ কিছুক্ষন ম্যাসাজ করা হয়।এটা বডির ডিপ টিস্যু গুলোকে রিলাক্স করে এবং ব্লাড সাপ্লাই বাড়িয়ে দেয়।
⛔তবে হিজামা করার সময় কিছু জিনিস খেয়াল রাখতে অবশ্যই! যেমন -
⭕প্রপার হাইজেইন মেইনটেইন করতে হবে
⭕হাতে অবশ্যই স্টেরাইল গ্ল্যাভস পড়ে নিতে হবে যাতে স্ক্র্যাচ করার সময় হাতে থাকা জীবাণু রুগীর শরীরে না ঢুকে যায়
⭕স্ক্র্যাচ করার স্ক্যালপেল বা ল্যান্সেট একবারই ব্যবহার করতে হবে।একজনের টা অন্যজনে ব্যাবহার করা যাবে না
⭕ডিস্পোজেবল বা ওয়ান টাইম ইউজড কাপ ব্যাবহার করতে হবে।
এবার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে এই হিজামা করলে আসলেই ইফেক্ট পাওয়া যায়⁉️
ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে দেখা গিয়েছে হিজামার কারণে বের হওয়া রক্তে বডির দূষিত পদার্থ যেমন- ইউরিয়া,ইউরিক এসিড এগুলোর পরিমাণ খুব বেশি।এছাড়াও রক্তে কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইডের পরিমাণ কমিয়ে বিভিন্ন হার্টের অসুখ থেকে রক্ষা করে।
হাদীসে বর্নিত আছে মহানবী সাঃ বলেন-
💠"হিজামাকারী কতই উত্তম লোক।সে দূষিত রক্ত বের করে,মেরুদণ্ড শক্ত করে ও দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে।"
(সুনানে তিরমিযী, হাদিস নং-২০৫৩)
Collected from:
Razia Sultana Tumpa
SOMC (2015-16)
বিদআত মানুষকে অহংকারী করেঃ
====
সৃষ্টিজগতের প্রথম পাপ কোনটা? জি, অহংকার।
কে করেছিলো? জি, শয়তান।
এমনি এমনিই করেছিলো? জি, না।
করার পেছনে তার “অকাট্য যুক্তি” ছিলো।
‘আদম(আ) মাটির তৈরি। আমি আগুনের। আমি কেন তাকে সিজদা দিব?’
এবার এই অংশটুকু স্মরণে রেখে বিদআতের সাথে মেলানো যাক।..
একজন বিদআতি যখন বিদআত করে, সে এটাকে কল্যাণকর মনে করেই করে। যখনই তাকে শুধরে দিতে যাবেন, সে বাকামি শুরু করবে। কারণ বিদআতকে তো তার টিকিয়ে রাখতেই হবে!
এজন্য দেখবেন, আপনি তাকে সুন্দরভাবে বলবেন ভাই, আপনারা যে সবাই মিলে এভাবে জামাতবদ্ধভাবে দরুদ পড়ছেন, একজনের নেতৃত্বে সবাই মিলে যিকির করছেন, এটা তো ভাই সুন্নাহর খেলাপ।
রাসূল (স) কখনো এমন আমল করেননি বা করাটাকে কল্যাণকর মনে করেননি।। তাই এটাকে উত্তম মনে করলে বিদআত হয়ে যাবে। এগুলো তো আসলে ব্যক্তিগত আমল, দলবদ্ধ নয়। .
কিংবা নির্দিষ্ট করে শবে মেরাজ/শবে বরাতের নামাযের কথা আলোচনা হচ্ছে। আপনি গিয়ে বললেন, ‘আলাদা কোন নামায হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়। কেউ চাইলে যে কোন দিনই নফল নামায পড়তে পারে। কিন্তু শবে মেরাজ বা বরাতের আলাদা কোন নামায নেই’ – ব্যাস।
তারা তখন আপনাকে জিজ্ঞেস করবে, ..
‘কোন মাদ্রাসায় পড়সো?
কয়টা হাদিস জানো?
বয়স কত তোমার?
খুব পণ্ডিত হয়ে গেসো, না?
এত এত হুজুর যে এগুলা করে, আমাদের বাপ-দাদা থেকে এগুলা আমল করে আসতেছি। সবাই ভুল? তুমি একলাই ঠিক?’
‘বুচ্ছি, বাংলা বুখারী পড়ে পড়ে এগুলা মাথায় ঢুকসে।’
‘ফিতনা করবানা এখানে। আমাদের মসজিদ থেকে বের হয়ে যাও। আর যেন না দেখি।’
‘দুইদিনের ছেলেপেলে, আমাদের শিখাইতে আসছে। হাদিস-কুরআনের কি বুঝ তুমি?’..
এগুলা বলবে আর নিজেদের বিশ্বাস বা কাজকে নির্লজ্জভাবে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করবে, ঠিক ইবলিশ যেমনটা করেছিলো।।
আরে! আল্লাহ বলছেন আদম (আ) কে সিজদা করতে, তুই করবি। এটাই তোর জন্য অর্ডার! তোকে তো কে বেশি কে কম এসব ‘যুক্তি’ খাটিয়ে বের করতে বলেনাই! কিন্তু শয়তান ঠিক এই কাজটাই করেছিলো আর চিরস্থায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলো। ..
এরাও তেমনি, এদেরকে যে বিদআতটা ধরিয়ে দিবেন, এরা তখন ‘যুক্তি’ খুঁজতে লাগবে, তাও আবার নিতান্ত অযৌক্তিক ও হাস্যকর উপায়ে! ..
বলবে, তাহলে এই যে তোর হাতে ঘড়ি আছে, পকেটে মোবাইল আছে এগুলাও বিদআত। হজ করতে মানুষ প্লেনে করে যায়, এগুলাও বিদআত। বেশি ক্ষেপে যাওয়া মুরুব্বি গুলো ‘তুই বেদাত, তোর জন্ম বেদাত, তোর গুষ্টি বেদাত’ –এমন জঘন্য কথাবার্তা বলতেও একটুও দ্বিধা বোধ করেনা।। ..
আর একটু সেয়ানাগুলা বয়ান শুরু করে, “সব বিদআত খারাপ নাকি? বিদআত দুই প্রকার। ‘বিদআতে হাসানা আর বিদআতে সায়্যিয়াত।’ দুয়া, যিকির, দরুদ এগুলো একসাথে পড়ি কারণ এতগুলা হাত একসাথে উঠছে, এর মধ্যে একটা হাত আল্লাহ কবুল করলেই সেটার উসিলায় সবাই ক্ষমা পেয়ে যাব। আর দরুদ, জিকির এগুলা তো ভাল কাজই। এগুলাই হলো ‘বিদআতে হাসানা।’ এগুলা করলে সমস্যা নাই। আমাদেরকে এসব বুঝায়ে লাভ নাই। আমরা ‘সুন্দর বিদআত’ বাপ-দাদার আমল থেকে করে আসছি, করে যাব। কারো কথায় তা বদলাবে না।”.
আর কোন কোনগুলা এভাবে ধমকায়- ‘অই মিয়া, এটা যে বিদআত তার দলিল দাও! নাইলে তুমি মিথ্যাবাদী!’ ইন্নালিল্লাহ!.
আচ্ছা, যে জিনিষটা বানোয়াট, সেটার দলিল কিভাবে হয়! দলিলের মধ্যে নাই বলেই তো এটা বানোয়াট, মানা যাবেনা। দলিল থাকলে তো বিদআত হতো না, সুন্নতই হতো। কিন্তু এই ঘিলু বেচে খাওয়া মানুষগুলাকে কিছুতেই বুঝানো যায়না যে, দলিল হয় সুন্নাতের। বিদআতের কোন দলিল হয়না। যেটা হক, সেটার দলিল থাকে, বাতিল জিনিষের দলিল আসবে কোথেকে! ..
ধরেন,
আপনাকে না জানিয়েই আপনার কেনা জমির উপর আমি দোকান দেয়ার ব্যবস্থা করলাম। আপনি বাধা দিতে আসলে আমি বললাম ‘এই যায়গাটা যে আমার না, দলিল দেখান। না দেখাইতে পারলে ভাগেন।’ কেমন হবে ব্যাপারটা??? ফাইজলামি না এটা? ‘ এইটা যে বিদআত, তার দলিল দাও’- যারা বলে, তারাও ঠিক একই রকম ফাজিল। ..
এই সহজ সমীকরণগুলো কিছুতেই বুঝানো যায়না। বয়স্ক মানুষকে বিদআত বুঝানো পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজের একটা।
এরা অহংকার করে। নিজেদের ‘সুপেরিয়র(শ্রেষ্ঠতর)’ জ্ঞান করে, হককে জেনে-বুঝেও প্রত্যাখ্যান করে, মেনে নিতে পারেনা। এই মেনে না নিতে পারার কারণ ‘অহংকার’।..
হক দেখে, শুনে, জেনে-বুঝেও নিজের কৃতকর্ম বা বিশ্বাসের উপর অটল থাকা ইবলিশের বৈশিষ্ট্য, ফেরাউন-নমরূদ-কারূনের বৈশিষ্ট্য, আবু তালেবের বৈশিষ্ট্য, আবু লাহাব, উতবা-শাইবাদের বৈশিষ্ট্য। আরো মনে রাখিয়েন, এরা প্রত্যেকেই জাহান্নামী।
এদের কাছে সুস্পষ্ট হক পৌছানোর পরেও এরা অহংকার করেছে। নিজস্ব 'অকাট্য যুক্তি' দেখিয়েছে। প্রত্যেকের নীতিগত অবস্থান একটাই ছিল- ‘আমাদের বাপ-দাদা’রা এত বছর ধরে যা করে আসছে, তারা কি সবাই ভুল?’ ..
হককে বাপ-দাদার আকীদা-আমলের সাথে এক কাতারে রাখার পরিণতি হিসেবে এরা জাহান্নাম ক্রয় করে নিয়েছে। আপনিও সুন্নাহর উপরে বিদআতকে প্রাধন্য দিয়ে জাহান্নাম কিনছেন না তো এদের মতো?..
হ্যাঁ, যদি এমন হয়- না বুঝে কোন একটা বিষয়ে বিদআত করতেন বা বিদআতি ধারণা পোষণ করতেন। আপনাকে বুঝানো হলো এটা বিদআত বা সুন্নাহর খেলাপ। আপনি আরেকটু পড়াশুনা করলেন হক চেনার জন্য। কুরআন-হাদিস দেখলেন, কুরআন-সুন্নাহর বিজ্ঞ ওলামায়ের কেরামদের অনেকের বক্তব্য শুনলেন। এরপর পূর্বের ভুল বুঝে আল্লাহর নামে বিদআত ছেড়ে সুন্নাহতে আত্নসমর্পণ করলেন--..
দেখবেন আল্লাহ আপনার জন্য সহজ করে দিয়েছেন। আরো শত-শত বিদআতকে বিদআত বলে চেনার ক্ষমতা আল্লাহ আপনাকে দিয়ে দিবেন, ভালো-মন্দ যাচাই বাছাই করার ক্ষমতা আপনাকে দেবেন। এটা আল্লাহর ওয়াদা। আর যদি মনে করেন গোমরাহীই ভাল লাগে, তাহলে আল্লাহ আপনাকে আরো গোমরাহী দিবেন। আল্লাহর সুন্নতই এটা। যে যা চায়, তাকে তিনি তাই দেন।.
যারা উন্মত্তভাবে দুনিয়া চায়, তাদের তা দিয়ে দেন। তাদেরকে আখিরাতের ব্যাপারে গাফেল করে দেন। তেমনি যারা হিদায়াত চায়, খোঁজে, আল্লাহ তাদের নিজে সাহায্য করেন। আর যারা গোমরাহী, বাপ-দাদা বা হুজুরের অন্ধ-অনুকরণেই সন্তুষ্ট, তাদের থেকে হক-বাতিল পার্থক্য করার ক্ষমতা কেড়ে নেন। ..
এবার আপনি কোন দলে যাবেন, আপনার ব্যাপার। ১৩৩৬ গ্রাম ব্রেন থাকা সত্ত্বেও যদি এক বিন্দুর চেয়েও কম ব্রেন পোকার মত যেচে পড়ে আগুনে ঝাপ দেন, তাহলে কারো আটকানোর ঠেকা পড়েনি। আপনি আগুনই পাবেন। ..
আর যদি ব্রেনটা খাটান, অন্ধ অনুকরণ, বাপ-দাদার ঐতিহ্য বজায় রাখার গোঁড়ামি বাদ দিয়ে হকটা চান, আল্লাহ আপনাকে তা দেবেন। কিভাবে দেবেন, সেই হিসাব আপনার মাথায় আসবেনা। ঐটার হিকমাহ একমাত্র আল্লাহর কাছেই আছে। তাঁকে ভরসা করুন, অন্তর থেকে তাঁর কাছে সিরাত্বল মুস্তাক্কীম চান, যেভাবেই হোক, তিনি দিবেনই দিবেন। প্রমিস। ..
তো, বিদআতকে গুডবাই বলছেন তো?
_
"বিদআত অধ্যয়ন"
Rubayat E Raihan
পর্ব- ৫
===
পুনশ্চঃ যারা বিদআতকে দুইভাগ করে, হাসানা(সুন্দর) এবং সায়্যিয়াত( মন্দ), আর এই বলে নিজেদের করা বিদআতকে জায়েজ বানিয়ে নেয়, তাদের জন্য--.
‘‘নিশ্চয়ই সর্বোত্তম বাণী আল্লাহর কিতাব এবং সর্বোত্তম আদর্শ মুহাম্মদের আদর্শ। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হল (দ্বীনের মধ্যে) নব উদ্ভাবিত বিষয়। আর নব উদ্ভাবিত প্রত্যেক বিষয় বিদআত এবং প্রত্যেক বিদআত হল ভ্রষ্টতা এবং প্রত্যেক ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নাম। [সহীহ মুসলিমঃ ১৫৩৫ ও সুনান নাসায়ীঃ ১৫৬০]
___
রাসূল (স) জানিয়ে দিয়েছেন ''কুল্লু বিদআতিন দলা-লা, কুল্লু দলা-লাতিন ফিন্নার''
অর্থাৎ, প্রত্যেক বিদআত পথভ্রষ্টতা, প্রত্যেক পথভ্রষ্টতার পরিণতি জাহান্নাম। কুল্লু মানে প্রত্যেক।
'কুল্লু নাফসিন যা-একাতুল মাওত' পড়েছেন নিশ্চয় সুরা আলে ইমরানের ১৮৫ নং আয়াতে??? প্রত্যেক প্রাণী মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। বিশ্বাস করেন তো কথাটা? কুল্লু মানে প্রত্যেক, একটাও ব্যতিক্রম নাই। কোন প্রাণীই মওতকে এড়াতে পারবেনা। সুস্পষ্ট।।.
এখানেও কুল্লু বিদআতিন দলালা দিয়ে বুঝানো হয়েছে একটা বিদআতও পথভ্রষ্টতার বাইরে নয়। পথভ্রষ্টতা এড়াতে পারবেনা। আর এই পথভ্রষ্টতা জাহান্নাম এড়াতে পারবেনা। একদম জলের মত সচ্ছ সব প্রমাণাদি। তাও যদি বিশ্বাস না করেন!!!! বিদআত ছাড়তে না পারেন!!!.
আমল যেটুকুই করেন, সুন্নাহভিত্তিক আমল করবেন। অল্প আমলেই নাজাত হবে ইন শা আল্লাহ।
30/07/2020
আল্লহু আকবার, আল্লহু আকবার, লা ইলাহা ইলাল্লহ, আল্লহু আকবার, ওয়াল্লহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
তাকবীর আল তাশরীকে পার করি ঈদ-উল-আযহা।
আল্লহ আমার এবং আপনার সকল অবাদত কবুল করুন।। আমিন
29/07/2020
হিজামা করতে কি ব্যথ্যা লাগে?
না, হিজামা করতে ব্যথ্যা লাগে না। এটা সম্পূর্ণ ব্যাথ্যামুক্ত চিকিৎসা। বরং শরীরের টক্সিসিটি কমিয়ে ব্যাথ্যানাশ করে।
তাহলে আর কেন ভয়? আর হিজামাতে আছে নিশ্চিত সুস্থতা। আর নানাবিধ বেনিফিট তো আছেই। কয়েকটা নিচের ছবিতে আছে।
20% ছাড়ে হিজামা করুন। ছাড় সীমিত সময়ের জন্য।
আসসালামু আলাইকুম, লকডাউনের পর আমাদের কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। ইং শা আল্লহ আমরা হিজামা চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।
আপনারা যারা হিজামা করতে ইচ্ছুক তাড়াতাড়ি যোগাযোগ করুন। আগামী মাসের সুন্নাহ ডেইটের সিরিয়াল নেওয়া হচ্ছে।
চাইলে এই মাসের যেকোন দিনও করাতে পারেন। সেক্ষেত্রে শনি, সোম, বৃহস্পতিবার করাতে পারেন।
প্রথম সেশনে 20% ছাড় দেওয়া হবে।
লোকেশনঃ নিকুঞ্জ৷ উত্তরা, বনানী, গুলশান, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, খিলক্ষেত এসব এলাকায় হোম সার্ভিস দেওয়া যাবে।
03/04/2020
এই করোনার দুর্যোগের সময়ে ইমিউনিটি ক্ষমতা বাড়ানোর দরকার বেশি, যাতে সহজেই এই ভাইরাস অ্যাটাক করতে না পারে আর করলেও যাতে সেই ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে সুস্থ হওয়া যায়। তাই আমাদের শরীরের ইমিউনিটি ক্ষমতা বাড়াতে হবে। কালিজিরা, মধু যেকোন রোগের প্রতিষেধক তাই ধারনা করা হয় এগুলো খেলে ইমিউনিটি বাড়বে। হ্যাঁ, অবশ্যই বাড়তে পারে যেহেতু এটা সুন্নাহ। তাই আমরা এগুলো নিয়মিত খাই, ইং শা আল্লহ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। এর সাথে যদি হিজামা করানো হয় তাহলে আরও ভাল হবে। ইমিউনিটি ক্ষমতা বাড়ানোর হিজামা আছে হিজামা চিকিৎসায়। তবে এখন যেহেতু বাসা থেকে বের হওয়া উচিত হবে না। তাই এই দুর্যোগ কেটে গেলে ইং শা আল্লহ আপনারা সবাই করার চেষ্টা করবেন। তাইলে যখন তখন যে সে রোগ আপনাকে কাবু করতে পারবে না। ইং শা আল্লহ
তাই হিজামা করুন, সুস্থ থাকুন।
ছবিতে ইমিউনিটি বাড়ানোর হিজামা করে দিলাম। উনার যেহেতু বাইরে যেতে হয় তাই করে দিলাম। ইং শা আল্লহ ভালো ফল আশা করছি। আল্লহ ভরশা। তবে এর আগে করে দিয়েছিলাম তারপরে আর উনার সর্দিকাশি ধরে নাই। কারণ উনার সর্দিকাশির ধাত আছে। একটুতেই সর্দি কাশি অ্যাটাক করে।
জীবনের প্রয়োজনে কুরআন: ১৯
রেজা!
-
সাহাবায়ে কেরামের অন্যতম বৈশিষ্ট্য কি? আল্লাহ তা‘আলা তাদের সম্পর্কে কুরআন কারীমে চার-চারবার বলেছেন:
رَّضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ وَرَضُوا عَنْهُ
আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারাও আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট।
মায়িদা ১১৯।
তাওবা ১০০।
মুজাদালাহ ২২।
বায়্যিনাহ ৮।
কথাটাতে দু’টি অংশ: প্রথম অংশ
(১): আল্লাহ তাদের প্রতি সন্তুষ্ট (رَّضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ)।
আল্লাহ তা‘আলা সাহাবায়ে কেরামের প্রতি সন্তুষ্ট। আবু বকরের প্রতি। উমারের প্রতি। উসমানের। আলির প্রতি। মুয়াবিয়ার প্রতি। আমর ইবনুল আসের প্রতি। সমস্ত সাহাবীর প্রতি। তারা আল্লাহর বিধান অনুযায়ী জীবন কাটিয়েছেন। আল্লাহও তাদের প্রতি খোশ প্রকাশ করেছেন। প্রথম অংশটা সহজে বোঝা যায়। আমরা জানি, কী করলে আল্লাহ তা‘আলা আমাদের প্রতি রাজি হয়ে যাবেন। আমরা সব সময় চেষ্টা করি, তিনি যেন আমাদের প্রতি রাজি হয়ে যান।
দ্বিতীয় অংশ:
(২) আর তারাও আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট (وَرَضُوا عَنْهُ)।
তারাও সন্তুষ্ট! কিভাবে? আমিও কি আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট? আপাত সহজ মনে হলেও আদতে প্রশ্নটা কঠিন।
আচ্ছা, আমি আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট, এর অর্থ কী?
(ক) তিনি আমাকে ভাল ও মন্দ যাই দেন, আমি তা নিয়ে তুষ্ট।
(খ) আমার উপর কোনও বিপদ এলে, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ^াস করি, নিশ্চয়ই আমার রব আমার ভালোর জন্যেই বিপদটা পাঠিয়েছেন।
(গ) যাই ঘটুক, আমি বান্দার কাছে কোনও অভিযোগ করি না। আমার সব দেন-দরবার আল্লাহর কাছে।
(ঘ) তিনি আমাকে উপচে দিলে, মোটেও না দিলে, ধনী করলে, গরীব করলে, সুস্থ্য রাখলে, অসুস্থ্য করলে আমি তার প্রতি বিন্দুমাত্র আস্থা হারাই না। তার প্রতিই আমার তনমনধন সমর্পিত থাকে।
এবার আমি আমার নিজের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করতে পারি:
-আমি কি আমার আকার-আকৃতি নিয়ে সন্তুষ্ট? স্ত্রীকে নিয়ে সন্তুষ্ট? ছেলে-সন্তান নিয়ে সন্তুষ্ট? আমার অর্থবিত্ত নিয়ে সন্তুষ্ট? এসব কিছু আল্লাহ তা‘আলা আমার জন্যে নিজেই বাছাই করেছেন। আমি কি তার বাছাইয়ে সন্তুষ্ট?
পাশাপাশি এই আয়াতটা বোঝার সময় কয়েকটা বিষয়ও মাথায় রাখা জরুরী:
(এক) আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট থাকার মানে এই নয়, আমি ব্যথা পেয়েও উহ-আহ করব না। কষ্ট পেয়েও কাঁদব না। আমি মানুষ। এই দুনিয়া পরীক্ষাকেন্দ্র। এখানে পরীক্ষা ছাড়া একজনও পার পায়নি। আল্লাহর নবীগনও না। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষও পুত্রবিয়োগে কেঁদেছেন।
(দুই) দু’টি ব্যাপার আছে।
ক. সবর। ধৈর্য্য।
খ. রেজা। সন্তুষ্টি।
রেজার স্তর সবরের উপরে। বিপদ এল, সবর করলাম। সবর না করে উপায়ও নেই। আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা বিপদ আমি ঠেকাব কী করে? বিপদের যাতনা সত্ত্বেও আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার নাম ‘রেজা’।
(তিন) রেজার স্তর অনেক উর্ধে। কলব আল্লাহর ভালবাসায় পূর্ণ না হলে, এ স্তরে উত্তীর্ণ হওয়া যায় না। এ-স্তরে থাকা মানুষের মুখে ও কলবে সব সময় উৎকীর্ণ থাকে:
= আমি আল্লাহকে রব মেনে সন্তুষ্ট। ইসলামকে দ্বীন মেনে সন্তুষ্ট। মুহাম্মাদ সা.-কে নবী মেনে সন্তুষ্ট।
(চার) আল্লাহ তা‘আলা বিপদ দিয়েছেন। এর মাধ্যমে গুনাহ মাফ করবেন অথবা জান্নাতে মর্যাদা বুলন্দ করবেন।
(পাঁচ) মানুষ আল্লাহর প্রতি ‘রাজি’ হতে না পারলে, গোটা দুনিয়া পেয়ে গেলেও তার মন-পেট ভরবে না।
যাচাই হয়ে যাক:
১: আমার জীবনে আমি যা হারিয়েছি, যা পাইনি, যা খুইয়েছি, যা থেকে বঞ্চিত হয়েছি, যা কিছু অধরা থেকে গেছে, সবকিছুর জন্যেই আমি আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট? তাহলে আমি পরম সুখি।
২: আমি কি সব সময় অভাব-অভিযোগ নিয়েই আছি? না পাওয়ার বেদনায় জর্জরিত? তাহলে আমি চরম হতভাগা।
যখনই কোনও বিপদে পড়ব, পরীক্ষার সম্মুখীন হব, যাচাই করে নেব, আমি কি আল্লাহর এই ফয়সালায় সন্তুষ্ট? আল্লাহ কখন আমার প্রতি সন্তুষ্ট হবেন?
-আমি আল্লাহর প্রতি সর্বাবস্থায় সন্তুষ্ট থাকলে তবে তিনি আমার প্রতি সন্তুষ্ট হবেন! আর আমার কর্তব্য হল, আল্লাহর ভালবাসা বৃদ্ধি পায় এমন আমলে মশগুল থাকা। আমি আল্লাহকে ভালবাসলে তিনিও আমাকে ভালবাসবেন।
পরিশেষ
১: আমার উপর যে বিপদ এসেছে, সেটা আমার কাছেই এসেছে। অন্য কারো কাছে নয়। আমি চাইলেও সেটা হটাতে পারব না।
২: আমার উপর যে বিপদ আসেনি, সেটা গোটা দুনিয়া চেষ্টা করেও আমার উপর আনতে পারবে না।
©Atik Ullah
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Middle Badda, Ghulshan Badda Link Road
Dhaka
1212
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 22:00 |
| Wednesday | 09:00 - 22:00 |
| Thursday | 09:00 - 22:00 |
| Friday | 09:00 - 22:00 |
| Saturday | 09:00 - 22:00 |
| Sunday | 09:00 - 22:00 |