The Best treatment for Dental
সুস্থতাই সৌন্দর্যের প্রতীক,দাঁতের সৌন্দর্যর জন্য ডেন্টিস্টের পরামর্শ অপরিহার্য ❤️🩺🥼
দাঁত সম্পর্কিত বিষয়গুলো জেনে রাখুন
১। আপনার বাচ্চার দুধ দাঁত উঠবে ৬ মাস বয়স থেকে আড়াই বছর বয়স পর্যন্ত।
২। আপনার বাচ্চার মূল দাঁত উঠবে ছয় বছর বয়সের পর থেকে ১৩ বছর বয়স পর্যন্ত।
৩। আপনার সন্তানের আক্কেল দাঁত উঠবে সাধারণত ১৭ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে।
৪। বাচ্চা দুধ দাঁতগুলো সাধারণত ৬ বছর বয়সের আগে থেকে ক্রমানুসারে পড়তে থাকবে।
৫। বাচ্চাকে অন্তত ২ বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াবেন যা দাঁত ও চোয়ালের গড়নে সহায়তা করে।
৬। ঘুমন্ত অবস্থায় বাচ্চাকে ফিডার দিয়ে দুধ খাওয়াবেন না। ফিডারে দুধ খাওয়ালে দাঁতে ক্ষয়রোগ করে।
৭। বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর পর তুলাতে সামান্য পানি ভিজিয়ে দাঁতের পৃৃষ্ঠ ঘষে দেবেন যা ক্ষয়রোগ থেকে দাঁতকে রক্ষা করবে।
৮। বড়দের দাঁতের ক্ষেত্রে যদি দাঁতের মধ্যে কালোদাগ বা ক্ষয় রোগ বা ডেন্টাল ক্যারিজ দেখা যায়, তাহলে ব্যথা হওয়ার আগেই ডাক্তারের কাছে গিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা বা ফিলিং করিয়ে নিবেন। মনে রাখবেন যত দেরি করবেন, তত বিপদ অর্থাৎ, দাঁতে ব্যথা শুরু হবে এবং সে ক্ষেত্রে আর ফিলিং-এর মাধ্যমে দাঁতের চিকিৎসা করা সম্ভব হবে না।
৯। ব্যথাযুক্ত দাঁতের ফিলিং করা যায় না। সেক্ষেত্রে রুট ক্যানেল করে দাঁতকে ব্যথামুক্ত করতে হয়। মনে রাখবেন, রুট ক্যানেল চিকিৎসা বয়বহুল তাই ব্যথা শুরুর আগেই দাঁত ফিলিং করিয়ে নিন।
১০। দাঁতের মুকুট বা ক্রাউন যদি বেশি ভেঙ্গে যায় অথবা চারদিকের যে কোন একদিকে দাঁতের দেয়াল ভাঙ্গা থাকে সেৰেত্রে ফিলিং দীর্ঘস্থায়ী হয় না। ব্যথাযুক্ত দাঁত হলে রুট ক্যানেল করে তার উপর কৃত্রিম মুকুুট বা ক্রাউন পরিয়ে দেয়া হয় যা দাঁতকে দীর্ঘস্থায়ী রূপ দেয়।
১১। দাঁতের ক্রাউন কয়েক ধরনের হয়। যেমন_
(ক) পোরসেলিন ক্রাউন (সিরামিক মুকুট)
(খ) মেটালিক ক্রাউন (স্টিলের মুকুট)
(গ) সিরামেজ ক্রাউন
(ঘ) অ্যাক্রেলিক জ্যাকেট ক্রাউন (শুধুমাত্র সামনের দাঁতের প্লাস্টিক মুকুট)
(ঙ) মেটাল ফিউজড টু পোরসেলিন ক্রাউন,
(চ) ক্যাড-ক্যাম মিল্ড জিরকোনিয়া ক্রাউন,
(ছ) ই ম্যাক্স ক্রাউন, ইত্যাদি
For more information-
Contact-
★Best treatmet for dental★
30/12/2022
# স্কেলিং করানো দরকার কখন এবং কেন ?
আমাদের প্রতিদিনেআর চর্বিত খাদ্য থেকে কিছু খাদ্যকণা পাশাপাশি দুই দাঁতের মাঝে মাঝে ঢুকে থাকে যা টুথব্রাশ ব্যাবহারের পরও পুরো পরিষ্কার হয়না।
আমাদের দাঁতে প্রতিনিয়ত একটা স্তর (বায়োফিল্ম) পড়ে যেটা টুথব্রাশে ই পরিষ্কার হয়।
আমাদের মুখের লালায় খুব অল্প পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে।
এই তিনটা জিনিস একসাথে অনেকদিন মুখে থাকলে দাঁতে পাথর (ক্যালকুলাস) তৈরি হয়।এটা মাড়ির প্রদাহ করে। মাড়িকে তার স্বাভাবিক অবস্থান থেকে নিচে নামিয়ে দেয়,! দাঁতের গোড়ার হাড়ের ক্ষয় করে। বছরের পর বছর এগুলো মুখে লালন করলে একসময় "একসাথে অনেকগুলো দাঁত নড়ে" এমন অবস্থা নিয়ে রোগী ডাক্তারের কাছে গেলে অনেক সময় দাঁত ফেলে দিয়ে প্রতিস্থাপন করা ছাড়া ডাক্তারের হাতেও আর কোনো উপায় থাকে না,যেটা ব্যয়বহুল এবং সময় সাপেক্ষ।
অথচ প্রাথমিক পর্যায়ে শুধু এক বা দুই দিনের চিকিৎসায় পাথর পরিষ্কার করে আমরা আমাদের দাঁত,মাড়ি, অর্থ,সময় সব -ই রক্ষা করতে পারি।আর সেই চিকিৎসা ই স্কেলিং।
স্কেলিং করলে দাঁত পাতলা/ফাঁকা হয় কথা ঠিক , কিন্তু প্রথম ছবিতে দেখুন পাথর কম , পরিষ্কার এর পর দাঁতের মাঝে ফাঁকা ও কম। দ্বিতীয় ছবিতে পাথর বেশি , ফাঁকা ও বেশি।আর এই ফাঁকা জায়গাগুলোতে পাথর ছিল এবং যতদিন পাথর পরিষ্কার না করা হবে সেটা বাড়তেই থাকবে দাঁত নড়ে পড়ে না যাওয়া পর্যন্ত।
এবার কী করবেন আপনার সিদ্ধান্ত।😊
#স্কেলিং
,
21/12/2022
ঢাকা মেডিকেল ইন্সটিটিউট পরিবার।
ডেন্টাল ডিপার্টমেন্ট
প্যাথলজি ডিপার্টমেন্ট
ফিজিওথেরাপি ডিপার্টমেন্ট
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Mirpur
Dhaka