Nagachil92tv
মেনে নিলে সান্তি ।
মনে নিলে অসান্তি https://www.facebook.com/Hejab.Fashion.2015/
11/06/2026
মাইসাম তাম্মার (রা.)–এর মহান সাহাবীর শাহাদত সম্পর্কে।
মাইসাম তাম্মার (রহ.) ছিলেন ইমাম আলী ইবনে আবি তালিব (আ.)–এর ঘনিষ্ঠতম সাহাবীদের একজন এবং তাঁর বিশেষ অনুসারীদের মধ্যে অন্যতম।
তিনি ৬০ হিজরিতে কুফায় শহীদ হন, যখন উমাইয়া শাসক উবাইদুল্লাহ ইবনে জিয়াদ তাঁকে একটি খেজুর গাছে শূলে চড়ায় এবং তাঁর জিহ্বা কেটে দেয়—কারণ তিনি ইমাম আলী (আ.)–এর প্রতি আনুগত্য ও ভালোবাসা থেকে কখনও ফিরে আসেননি এবং তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ত্যাগপত্র দিতে অস্বীকার করেছিলেন।
শাহাদতের পূর্বাভাস
ইমাম আলী (আ.) আগেই মাইসাম তাম্মারকে তাঁর শাহাদতের বিস্তারিত ভবিষ্যদ্বাণী জানিয়েছিলেন। তিনি তাঁকে কুফার একটি খেজুর গাছের কাছে নিয়ে যান এবং জানান যে তাঁকে সেই গাছে শূলে চড়ানো হবে, তাঁর হাত-পা কাটা হবে এবং অবশেষে তাঁর জিহ্বাও কাটা হবে—কারণ তিনি আহলে বাইতের ফজিলত প্রচার করা বন্ধ করবেন না। পরবর্তীতে ঘটনাটি ঠিক সেইভাবেই সংঘটিত হয়, যেমনটি ইমাম (আ.) আগেই বলে দিয়েছিলেন।
গ্রেফতার ও শূলে চড়ানো
গ্রেফতার: উবাইদুল্লাহ ইবনে জিয়াদ কুফায় আসার পর মাইসাম তাম্মারকে তাঁর দৃঢ় আনুগত্যের কারণে গ্রেফতার করে।
আনুগত্য ত্যাগে চাপ: তাকে ইমাম আলী (আ.)–এর বিরুদ্ধে লানত ও আনুগত্য ত্যাগ করতে বাধ্য করার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু তিনি অস্বীকার করেন। ফলে তাকে শূলে চড়ানো ও শাস্তির হুমকি দেওয়া হয়।
শূলের স্থান: তাকে কুফার “কানাসা” এলাকায় সেই খেজুর গাছেই শূলে চড়ানো হয়, যেটির কথা ইমাম আলী (আ.) আগেই ইঙ্গিত করেছিলেন।
শাহাদত
তাকে সেই খেজুর গাছে শূলে চড়ানো হয়। প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ ও যন্ত্রণার মাঝেও তিনি আহলে বাইতের ফজিলত প্রচার এবং উমাইয়াদের জুলুম প্রকাশ করতে থাকেন।
পরবর্তীতে, তার বক্তব্য মানুষকে প্রভাবিত করতে পারে এবং শাসনের অন্যায় ফাঁস করে দিচ্ছে—এই আশঙ্কায় ইবনে জিয়াদ তাঁর জিহ্বা কেটে ফেলার নির্দেশ দেয়।
মাইসাম তাম্মারের পবিত্র রক্ত খেজুর গাছের গায়ে প্রবাহিত হয় এবং তিনি ২২ যিলহজ্জ তারিখে শাহাদত বরণ করেন।
নতুন একটা কোর্স চালু করতে যাচ্ছি। কোর্সের নাম "থাপড়াইয়া পড়তে বসাবো"
06/05/2026
ছোটবেলায় আম্মু কোথাও যাচ্ছে 🚶♀️➡️
লে আমিঃ
06/05/2026
ইরানের নারী বিজ্ঞানীদের চমক শুরু!
ইরানের নারী বিজ্ঞানীদের তৈরি ‘সায়াদ-৪’ ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের চমক কি তবে শুরু? হরমুজ থেকে উধাও KC-35 তেলের ট্যাংকার বিমান!
ওয়াশিংটন পোষ্টের সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ পরিস্থিতি যেকোনো সময় তীব্র আকার ধারণ করতে পারে—এমন আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঠিক এই উত্তেজনাপূর্ণ প্রেক্ষাপটে, আমেরিকার রিফুয়েলিং ট্যাংকার বিমানগুলো হরমুজ প্রণালীর আকাশে টহল দিচ্ছিল। এরই মধ্যে একটি KC-35 বিমান জরুরি সংকেত ‘৭৭০০’ পাঠানোর পর ফ্লাইট ডাটা অনুযায়ী দ্রুত নিচে নামতে থাকে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই সম্পূর্ণরূপে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, পাইলটসহ বিমানটি হরমুজ প্রণালীর পানিতে বিধ্বস্ত হয়েছে।
বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার পর কাতারের আল উদাইদ বিমানঘাঁটি থেকে দুটি হেলিকপ্টার উদ্ধার অভিযানে পাঠানো হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত বিমানটির সুনির্দিষ্ট অবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
ইরানের ‘সায়াদ-৪’ সিস্টেমটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত এক অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ব্যবস্থা। এটি শত্রুপক্ষের রাডার, ড্রোন এবং গাইডেড মিসাইলের জিপিএস ও নেভিগেশন সিগন্যাল জ্যাম করতে সক্ষম। এর মাধ্যমে রণক্ষেত্রে এক ধরনের অদৃশ্য সুরক্ষা-কবচ তৈরি হয়, যা শত্রুকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করে দেয়। প্রায় ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় এটি শত্রুর ইলেকট্রনিক সিগন্যাল অকার্যকর করতে পারে। এমনকি স্টেলথ প্রযুক্তিসম্পন্ন বা রাডার-ফাঁকি দেওয়া বিমানকেও বিভ্রান্ত করার সক্ষমতা এর রয়েছে বলে দাবি করা হয়।
এটি ইরানের প্রতিরক্ষা ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য প্রকল্প, যা সম্পূর্ণভাবে দেশটির দক্ষ নারী বিজ্ঞানীদের হাতে গড়ে উঠেছে।
বর্তমানে ‘সায়াদ-৪’ ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেমটি হরমুজ প্রণালী ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের আকাশসীমা রক্ষায় সক্রিয়ভাবে মোতায়েন রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ প্রকাশিত হয়নি, তবুও বিশ্লেষকদের একাংশের ধারণা—এই উন্নত ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ব্যবস্থার মাধ্যমেই সংশ্লিষ্ট বিমানের সিগন্যাল জ্যাম বা হ্যাক হয়ে থাকতে পারে। Rasel Ahmed Risvy
06/05/2026
এই সেই পৃথিবী কাঁপানো ছবি যা তোলার পর ফটোগ্রাফার নিজেই নিজেকে শে'ষ করেছিলেন!
ছবিতে একটি শকুন বসে আছে ক'ঙ্কা'লসার এক শিশুর মৃ' ত্যুর অপেক্ষায়, যেন মা' রা গেলেই সে ঝাঁপিয়ে পড়বে লক্ষ্যবস্তুর উপর! ছবিটি তুলেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ফটোগ্রাফার কেভিন কার্টার।
১৯৯৩ সালের মার্চ মাস। দুর্ভিক্ষ পীড়িত সুদান। কোথাও একফোঁটা দানা নেই। ক্ষুধার যন্ত্রণায় কাতর শিশুটি এক মুঠো খাবারের সন্ধানে আয়োদ শহর থেকে আধা মাইল দূরে জাতিসংঘের খাদ্য গুদামের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল।
এক পর্যায়ে সে তার মৃ' তপ্রা' য় নিথর দে'হটি নিয়ে উবু হয়ে মাটিতে মাথা রেখে বসে পড়ে।
ঠিক তখনই একটা শকুন এসে লোলুপ দৃষ্টি হেনে শি'শুটির মাং' স ভ'ক্ষ' ণ করার জন্য প্রতীক্ষা করতে থাকে।
এই ছবি The New York Times এ প্রকাশিত হলে বিশ্বজুড়ে তো'ল'পা'ড় সৃষ্টি হয়। ১৯৯৪ সালে সেরা ফিচার ফটোগ্রাফির জন্য পুলিৎজার পুরস্কার জিতে নেয় ছবিটি।
কিন্তু ফটোগ্রাফার কেভিন কার্টার পুরস্কার জেতার ৪ মাসের মাথায় মাত্র ৩৩ বছর বয়সে নিজেই নিজেকে শে'ষ করে বসেন। পরে জানা যায় ছবিটি তোলার পর থেকেই তিনি মা'ন সিকভাবে ভে'ঙে পড়েছিলেন! মৃ'ত্যু'র আগে ছবিটির বিষয়ে কেভিন কার্টার তার ডায়রিতে লিখেছিলেন :
"হে পরম করুণাময়, আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি কোনও খাবার, তা সে যত খারাপ স্বাদেরই হোক না কেন আমি সেটা নষ্ট করব না, এমনকি আমার পেটে ক্ষুধা না থাকলেও না!
আমি প্রার্থনা করি, আমরা চারপাশের পৃথিবীর প্রতি আরো সংবেদনশীল হব এবং আমরা আমাদের ভেতরের স্বার্থপরতা এবং সংকীর্ণতা দ্বারা অন্ধ হয়ে যাব না।
আমি আরো প্রার্থনা করি, তুমি ওই ছোট্ট ছেলেটিকে রক্ষা করবে, পথ দেখাবে আর ওকে ওর দুঃখ থেকে মুক্তি দেবে। এই ছবি যেন মানুষকে মনে করিয়ে দেয় ওই শিশুটির তুলনায় তারা কতটা ভাগ্যবান, কারণ তোমার করুণা ছাড়া কারো ভাগ্যে একটি দানাও জোটে না। বিদায়!"
06/05/2026
পিন্স মামুনের বর্তমান বউ 🫣
06/05/2026
হালাল গুজব? ডিএনএ টেস্ট টা কার করছে? কোন সোর্স নাই কিছু নাই। অভিযুক্ত এখনো পলাতক। এখনো পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে নাই। নির্দোষ হলে আত্মসমর্পণে ভয় কিসের?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1211